• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অভিশাপ

    Debasis Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১৪৪ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • [ আর্থার সি ক্লার্ক-এর ‘The Curse’, প্রথম প্রকাশ ১৯৪৬ সালে । হিরোশিমা-নাগাসাকি-পর্বের পরের বছর, বুঝতেই পারছেন । কারা যেন যুদ্ধের কথা বলছে এখন ? ] .........

    তিনশো বছর ধরে নদীর বাঁকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজের খ্যাতি ছড়িয়েছিল এ শহর, বদল আর সময়ের হাত হয়ত বা শুধু একটু আলতো করে ছুঁয়েছিল তাকে । কবে তীরে এসে ভিড়ল আর্মাডা, কবেই বা ভেঙে পড়ল তৃতীয় রাইখ --- এই সব কিছুই শুধু দূর থেকে শুনেছিল সে । মানুষের যাবতীয় যুদ্ধবিগ্রহ পাশ কাটিয়ে গেছে তাকে ।

    আর আজ, পুরো উবে গেছে সে শহর । এমনভাবেই, যেন, কোনওদিনই কখনও ছিল না সে । বহু শতাব্দীর শ্রম ও সম্পদ ঝেঁটিয়ে বিদায় হতে একটি মুহূর্তের বেশি কীই বা লাগে আর ! রাস্তাগুলো তবু তো টের পাওয়া যাচ্ছে, গলে গিয়ে কাঁচের মত হয়ে যাওয়া মাটির ওপর দাগ রয়ে গেছে তার । কিন্তু বাড়িঘরগুলোর ধ্বংসাবশেষ বলতেও আর কিছু নেই । লোহা হোক, কংক্রিট হোক, প্লাস্টার হোক, কাঠ হোক --- সব কিছুরই পরিণতি তো শেষে গিয়ে ওই একই । বোমা যখন ফেটেছিল, সেই অন্তিম মুহূর্তে তারা সবাই স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে সে ধ্বংসলীলা । ঠিক তারপরই, পুড়ে যাওয়ারও আগে, এক দমকা তরঙ্গ এসে সপাটে শুইয়ে দিয়েছিল তাদেরকে । এক বিকট আগুনের ছাতা হাঁহাঁ করে নেমে এসে গিলে খেয়ে ফেলল মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সমতল কৃষিক্ষেত্রকে, আর সে আগুনের হৃদয় থেকে বেরিয়ে এল কুণ্ডলী পাকানো স্তম্ভের মত এক কুৎসিত মূর্তি, যে দুঃস্বপ্ন মানুষকে তাড়া করে ফিরেছে বহু যুগ ধরে । মানে হয় কোনও ?

    একেবারে শেষের দিকে যে রকেটগুলো ছোঁড়া হয়েছিল, তারই একটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এই কাণ্ড । অবশ্য, সেই আসল লক্ষ্যটিও যে কী ছিল, সেও বলা মুশকিল । লন্ডন হতেই পারেনা, কারণ লন্ডন তো তখন আর সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না, মানে, লন্ডন বলে কোনও বস্তুই তখন আর ছিল না । বিশেষজ্ঞরা তো হিসেবনিকেশ করে বহু আগেই বলে দিয়েছিলেন, লন্ডনের মত ছোটখাটো লক্ষ্যবস্তুর জন্য মাত্র গোটা তিনেক হাইড্রোজেন বোমাই যথেষ্ট । ওরা সেখানে কুড়িটা মত মেরেছিল । বাড়াবাড়ি আর কাকে বলে !

    এমন নয় যে, ওই মোক্ষম কুড়িখানার মধ্যেই কোনও একটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এখানে এসে পড়েছিল, অভীষ্ট-সাধনে এতটুকুও কসুর করেনি সে বেচারারা । এখানে যেটা পড়েছিল সেটা যে কোথা থেকে কারা ছুঁড়েছিল, আর কাকে লক্ষ্য করেই বা ছুঁড়েছিল, কেউই জানে না সে সব । উত্তর মেরুর নিরিবিলিতে যেখানে তেজস্ক্রিয় আবর্জনা জড়ো করে রাখা হয়* সে দিক থেকে এল, নাকি আটলান্টিকের ওপার থেকে জল পেরিয়ে উড়ে এল, সে সব এখন বলবেই বা কে, আর সে নিয়ে মাথা ঘামানোর মতন আছেটাই বা কে ? এইসব জানা লোক এককালে ছিল, তারা দূর থেকে নজর রাখত উড়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতি, আর তারপর সেগুলোকে ঠেকাতে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছাড়ত । সূর্য আর নক্ষত্রদের আপন দেশে, অন্ধকার মহাশূন্যের গভীর জঠরে দুয়ের মিলন হত । এক মুহূর্তের জন্য ফুটে উঠত অবর্ণনীয় আগুনের ফুল, দশদিকে ছড়িয়ে দিত বার্তা । সে বার্তা যদি কেউ পড়ে এবং বুঝে থাকে, তো তারা নিশ্চয়ই মানুষ নয় ।

    তবে কিনা, এ সবও হল গিয়ে অনেক পুরোনো গল্প, যুদ্ধ যখন সবে শুরু হয়েছে সেই সব সময়ের কথা । ক্ষেপণাস্ত্র আটকাবার হাতিয়ারগুলো সরিয়ে রাখা হয়েছে সেও তো অনেক দিনই হল, কীই বা হবে আর ওসব দিয়ে, দীর্ঘদিন ধরেই তো টান টান করে খাড়া রাখা ছিল ওগুলো । ভয়ঙ্কর এক ভুল যে হয়েছে সেটা শত্রুপক্ষ বুঝল বটে, কিন্তু সে অনেক দেরিতে । এখন শত্রু আর ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ছে না, কিন্তু আগে যা যা ছুঁড়েছিল তার মধ্যে অনেকগুলোই চুপি চুপি মহাশূন্যে ছুটে গিয়েছিল, আর সেগুলোই এখন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিপথচালিত হয়ে ফিরে আসছে, মাটিতে আছড়ে পড়ছে একের পর এক । যে সংকেত তাদেরকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে চালাবে সে সব খুঁজে না পেয়ে তারা নিষ্ক্রিয় জড়বস্তুর মত এলোপাতাড়ি ধুপধাপ এসে পড়ছে পৃথিবীর ওপর, যে পৃথিবীতে অবশ্য ক্ষতি করার মত তেমন কিছুই অবশিষ্ট নেই আর ।

    নদীর তীর বন্যায় ভেসে গেছে আগেই । বোমার ধাক্কায় নদীপথের মাটির স্তর পুরো ডিগবাজি খেয়ে গেছে, সমুদ্রের দিকে জল বয়ে যাবার রাস্তা বন্ধ । মিহি বৃষ্টির সাথে মিশে এখনও পড়ে চলেছে গুঁড়ো গুঁড়ো ধুলো, পড়তে থাকবেও এখন ওই রকমই, কয়েক দিন । মাটি থেকে ধার করে বানানো মানুষের যত নগর আর সম্পদ এখন ফেরত যাবে মাটিতেই । আকাশটা অবশ্য আর তত কালো নেই । পশ্চিমাকাশে রেগে লাল হয়ে ওঠা থাক থাক মেঘেদের ভেদ করে সূর্য ডুবছে ।

    নদীর ধারেতে সেই কবে থেকে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল এক গির্জা । তার ঘরবাড়ির নামগন্ধও আর নেই এখন, কিন্তু তার সংলগ্ন কবরখানায় চারদিকে ছড়িয়ে থাকা প্রস্তরফলকগুলো এখনও দেখা যাচ্ছে । চুপ করে বাধ্য ছেলেদের মত সমান্তরাল সারিতে দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো, বোমার ধাক্কায় মাটির গর্ভ থেকে উপড়ে এসে নিঃশব্দে দিক-নির্দেশ করছে অভিঘাত-রেখার । কয়েকটা প্রায় শুয়েই পড়েছে, কয়েকটা ফেটেফুটে গেছে, কারুর বা উপরিত্বক গলে গিয়ে গায়ে ফোস্কা গজিয়েছে । কিন্তু, আরও কয়েকটার গায়ে এখনও পড়া যাচ্ছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বৃথা বয়ে বেড়ানো মৃত মানুষের বার্তা ।

    পশ্চিমাকাশে নিভে এল আলো, পাতলা হয়ে এল সেই অপার্থিব রক্তাভা । তবু, কবরস্থানের সেই সব মৃত বার্তা এখনও পরিষ্কার পড়া যাচ্ছে এক অকম্পিত তেজস্ক্রিয় দীপ্তিতে । সে দীপ্তি হয়ত দিনের আলোর কাছে নগণ্য, কিন্তু কৃষ্ণরাত্রিকে ঠেকিয়ে রাখার পক্ষে যথেষ্ট । ধূ ধূ প্রান্তর তেজস্ক্রিয়তায় জ্বলছে, মেঘে ধাক্কা খেয়ে ফেরত আসছে তার দীপ্তি । হাল্কা আভায় উদ্ভাসিত জমির ওপর কালো ফিতের মত এঁকেবেঁকে পড়ে আছে নদী, দুই কূল ভেসে গিয়ে ক্রমশই চওড়া হচ্ছে সেই কালো ফিতে । জলের তলায় ঢাকা পড়েও টিঁকে থাকছে জমির ভয়ঙ্কর তেজস্ক্রিয় দীপ্তি । হয়ত এক প্রজন্মের ব্যবধানেই নিভে যাবে এ আলো, কিন্তু, হাজার বছরেও এখানে মিলবে না আর প্রাণের সাড়া ।

    বাড়তে থাকা জলস্তর ভয়ে ভয়ে ছুঁয়ে ফেলল সেই প্রস্তরফলককে, উধাও হওয়া গির্জার জমিতে যা শুয়েছিল বিগত তিনশো বছর ধরে । গির্জার নিরাপদ আশ্রয় ঘিরে রেখেছিল তাকে, সব তছনছ করে চলে যাওয়া আগুনও তার রং-টা একটু ফিকে করে দেওয়া ছাড়া আর তেমন কিছুই করতে পারেনি । মরা পৃথিবীর আলেয়ায় এখনও চোখে পড়ে সেই প্রাচীন অক্ষর-সমাহার, জলস্তর উঁচু হয়ে আস্তে আস্তে ঢেকে ফেলছে তাকে, পাথরের গায়ের ওপর কচি কচি ঢেউ খেলছে এখন । কবরের প্রস্তরফলকে উৎকীর্ণ সেই শেষের কবিতা, অযুত মানুষ যার দিকে তাকিয়ে বাকরুদ্ধ হয়েছে এক সময়, তার পংক্তিগুলো একটা একটা করে চলে যাচ্ছে আগ্রাসী জলস্রোতের দখলে । শেষবারের মত আবছাভাবে একবার যেন পড়া গেল কবিতাটা, আর, তারপরই ডুবে গেল চিরকালের গর্ভে ।

    যিশুর দোহাই, সুজনেষু, ক্ষান্ত দিও খোঁড়ায়,
    যে মৃত্তিকা রয়েছে লেগে এই পাথরের গোড়ায়
    সুখ তোমারই, যদি না ভাঙো প্রস্তরের স্বস্তি,
    কষ্টে থেকো, যদি সরাও আমার স্তব্ধ অস্থি । **

    কবি এইবার নিরাপদে নিদ্রা যেতে পারবেন, অখণ্ড শান্তিতে, অনন্তকাল । তাঁর মাথার ওপরে এখন নিশ্ছিদ্র অন্ধকার আর নৈঃশব্দ, আর তারই মধ্যে নতুনতর পথ খুঁজে মরছে সমুদ্রাভিলাষী অ্যাভন নদী ।

    ================================================================

    *
    ১৯৪৬ থেকে নয়ের দশকের গোড়া পর্যন্ত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অপসারণের ওটাই ছিল দস্তুর, ১৯৯৩ সাল থেকে তা আইন করে নিষিদ্ধ করা হয় আন্তর্জাতিকভাবে ।

    **
    “Good frend for Iesvs sake forbeare,
    To digg the dvst encloased heare
    Blest be ye man yt spares thes stones,
    And cvrst be he yt moves my bones.”

    ‘মিড্‌ল্‌ ইংলিশ’-এ লেখা এই কবিতাটি আসলে শেক্সপীয়রের কবরের প্রস্তরফলকে উৎকীর্ণ কবিতা বা ‘এপিটাফ’, যা নাকি আগে থেকে লিখে রেখেছিলেন কবি স্বয়ং । গবেষকরা বলেন, শেক্সপীয়র নাকি এক অদ্ভুত উৎকণ্ঠায় ভুগতেন --- তাঁর মৃত্যুর পর দুষ্ট লোকেরা তাঁর দেহাবশেষ কবর থেকে সরিয়ে ফেলবে --- এই অপরিসীম উৎকণ্ঠা !
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১৪৪ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত