এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা

  • উষ্ণতর ভবিষ্যৎ

    স্বাতী রায়
    আলোচনা | ০৬ জুন ২০২৬ | ৩৫৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • আজ ৫ই জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

    অলংকরণ: রমিত



    আমাদের ছোটবেলায় নিয়ম ছিল পুজোর ছুটির পরে স্কুল খুললে আর নো ফ্যান। মার্চের পনেরো তারিখ অবধি ফ্যানের অ্যানুয়াল লিভ। আর এখন ? গত বছর তো ডিসেম্বর মাসের শেষেও আমার পশ্চিম-মুখী ঘরে ফ্যান চলেছে। আর মার্চ মাস অবধি অপেক্ষা সম্ভবই না, জানুয়ারির শেষেই ফ্যান চলবে কি চলবে না সেই নিয়ে এখন ঘোর দাম্পত্য কলহ শুরু হয়ে যায়।
    বিশ্ব জুড়ে উষ্ণায়নের জোয়ার এসেছে। কাজেই আমার রাজ্যই বা আর বাদ পড়ে কেন? জুন মাসের এক রাতে এই লেখাটা যখন লিখতে বসেছি, দেখছি কলকাতার তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি। কিন্তু সে শুধুই থার্মোমিটারের পারদ কতটা উঠেছে তার মাপ। তাই দিয়ে কিন্তু পুরো গল্পটা বোঝা যায় না। বাতাসের তাপমাত্রার সঙ্গে স্থানীয় আর্দ্রতা, বাতাসের গতিবেগ, আকাশে কতটা মেঘ করে আছে বা সূর্যের তাপ সরাসরি শরীরে কতটা পড়ছে – সব কিছু মিলিয়ে নির্ধারিত হয় যে এই পরিবেশে শরীরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে গেলে শরীরকে কতটা পরিশ্রম করতে হবে। একটি আদর্শ পরিবেশের তাপমাত্রা কত হলে মানবশরীরে সেই একই পরিমাণ তাপীয় চাপ অনুভূত হবে সেটাই মূল হিসেব। আর একেই বলে ফিজিওলজিক্যালি ইক্যুইভ্যালেন্ট টেম্পারেচার বা PET। এই মাপের উপর নির্ভর করে মানুষ কোথাও কেমন থাকবে। এই যেমন এই মুহূর্তে বাতাসের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি বলে আনন্দ পাওয়ার কিছুই নেই। কারণ এখন “ফিলস লাইক ৩৯ ডিগ্রি” – বেশ “ত্রাহি ত্রাহি” আবহাওয়া।

    নিজে গরমে খুব কষ্ট পাই বলেই জানতে ইচ্ছে হয়েছিল, ভবিষ্যতের বাংলায় আমাদের সন্ততিরা কেমন থাকবে? কিছুটা আভাস মিলল সৌরভ বল ও ইংগো কির্খনারের ২০২৩ সালের পেপার থেকে। সৌরভরা কলকাতার জন্য ধরেছেন যে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৫.৭ ডিগ্রি অবধি স্লাইটলি ওয়ার্ম (সামান্য গরম বলি?), ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৩.৮৩ ডিগ্রি অবধি ওয়ার্ম (গরম) আর PET ৪৩.৮৩ ডিগ্রি ছাড়ালে সেটা হট (অসহ্য গরম বলি একে?)। ওঁরা বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ বাড়া মানে PET এর তার প্রভার পড়বে দ্বিগুণ। বিভিন্ন ক্লাইমেট মডেল ধরে ওঁরা হিসেব করেছেন যে বর্তমানের উচ্চমাত্রার গ্রীনহাউস গ্যাস নিঃসরণ অব্যাহত থাকলে, এই শতাব্দীর শেষভাগে ২০৮০-২০৯৯ সালে শ্রীনিকেতন, আসানসোল, বীরভূম, মালদার মানুষদের বছরে ১০–১২.৫% (অর্থাৎ ৩৬ থেকে ৪৬ দিন) কাটবে অসহ্য গরমে। কলকাতা, দমদম, খড়গপুর, শিলিগুড়ির ক্ষেত্রে এই প্রখর দগ্ধকাল চলবে বছরে ২৩-৩২ দিন। তাঁরা আরও বলেছেন, যে শতাব্দীর শেষে শীতের শেষে ও বসন্তে (জানুয়ারি–এপ্রিল) গড় PET ৫–৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে। এমনকি বিপজ্জনক গ্যাসের নিঃসরণ যদি সবাই মিলে চেষ্টা করে নামিয়েও আনা যায়, তাহলেও জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের PET বাড়বে ২.৪ ডিগ্রি থেকে ৪.৮ ডিগ্রি। মধুর বসন্ত রইবে শুধু কবির কাব্যে। বাস্তব শুধুই দীর্ঘ দগ্ধ দিনের। আর আমাদের শরীরকে ক্রমাগত সহনমাত্রার উপরে টিকে থাকার পরীক্ষা দিতে হবে।

    ভবিষ্যৎ নাহয় বাদই দিলাম, বর্তমানের চেহারা কেমন? প্রখর তপন তাপে, আকাশ তৃষায় কাঁপে – শব্দগুচ্ছ এর থেকে ভালভাবে অনুধাবন করার এর থেকে ভাল সময় আর হয় না। গোটা বঙ্গের অবস্থাই ভীতিপ্রদ, কলকাতার অবস্থা যেন আরও বিপজ্জনক। Landsat-8 স্যাটেলাইটের তথ্য ব্যবহার করে কলকাতার ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা মেপেছেন মোহিত কুমার ও স্বাধীনা কোলে। তাঁরা দেখেছেন যে কলকাতার উত্তর-পূর্ব ও মধ্য-পশ্চিম অংশ সবচেয়ে বেশি গরম। কেন্দ্রীয় ও পূর্বাঞ্চল তুলনামূলক ভাবে ঠান্ডা — কারণ সেখানে গাছপালা ও জলাশয় বেশি। তাঁরা জানিয়েছেন যে ২০২৪ সালের মে মাসে কলকাতার ৭-২৯ ও ৩৭-৪৭ নং ওয়ার্ডের ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। নারকেলডাঙ্গা, ট্যাংরা, তিলজলা, মেটিয়াবুরুজ, খিদিরপুর, চিতপুর, কাশিপুরের মতন ঘন জন বসতি পূর্ণ এলাকাগুলোতে তাঁরা হটস্পট চিহ্নিত করেছেন। অয়ন চক্রবর্তী, শুভম লিমায়ে এবং আত্রেয় পাল ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের কলকাতা মেট্রোপলিটান এলাকার ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে ২০১৬ থেকে ২০২৪ এর মধ্যে এই এলাকার সর্বোচ্চ ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪০.৮১ ডিগ্রি থেকে বেড়ে ৪১.৪৯ ডিগ্রি হয়েছে। মাত্র আট বছরেই এই পার্থক্য হলে, আগামীর ছবিটা ঠিক কেমন? তাঁদের হিসেবে যেখানে NDBI (Normalized Difference Built-up Index) এর মাত্রা বেশি, আর NDVI (Normalized Difference Vegetation Index) ও NDWI (Normalized Difference Water Index) এর মাপ কম, সেখানেই উষ্ণতা বেশি। তৈরি হচ্ছে আরবান হিট আইল্যান্ড। প্রসঙ্গত এটাও অবশ্য বলে রাখা ভাল যে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা আর বাতাসের তাপমাত্রা কিন্ত এক জিনিস না। সাধারণভাবে সিমেন্ট, কংক্রিট বা পীচ বাতাসের তুলনায় তাপ শোষণ করে বেশি, ফলে বেশি গরম হয়ে ওঠে। এলাকায় বায়ু চলাচল ভাল হলে, বা অনেক গাছ পালা বা জলাশয় থাকলে, বাতাস তুলনায় কম গরম হয়। তবে সেসব কিছুই না থাকলে, তখন বাতাসের তাপ মাটির তাপের খুব কাছেই পৌঁছায়। এ অবশ্য কলকাতার বাসিন্দাদের রোজের অভিজ্ঞতা। ইঁট কাঠ বালির কাঠামোর মাঝে একটু সবুজের ও জলের ছায়া থাকলে জীবন যে অনেকটাই সহনীয় হয়, সেটা তাঁরা ভাল ভাবেই জানেন। খালি কথা হল, সকল অর্থনৈতিক স্তরের বাসিন্দাদের কী এই সবুজ বিলাসিতা আছে? আমার বড় হওয়া উত্তর শহরতলীর যে পাড়াতে, সেই পাতি মধ্যবিত্ত এলাকায় আমার যাতায়াতের পথে চোখে কটা বৃক্ষ পড়ত, সে বোধহয় এক হাতের আঙুলেই গোনা যায়।

    অবশ্য এই তাপমাত্রা বাড়ার সমস্যা আমরা যারা এসি বাড়িতে বাস করি, এসি গাড়িতে যাতায়াত করি, এসি অফিসে কাজ করি, তাদের ততটা নয়। অন্তত যতক্ষণ বিদ্যুতের বিলের যোগান দিতে পারা যাবে। যে কোন জলবায়ু বিপর্যয়ের মতোই এই চাপ প্রবল ভাবে গিয়ে পড়বে শহরাঞ্চলে মূলতঃ দুই শ্রেণীর মানুষের ঘাড়ে – এক, যারা শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সব সময়েই গণপরিষেবা দিতে নিয়োজিত, যেমন পুলিশ বাহিনী আর দুই নিম্নবিত্ত যারা পেটের টানে খোলা আকাশের নীচে কাজ করেন। অবশ্য মোকাবিলা করবেন আরেক দল মানুষ, নিম্নবিত্ত মেয়েরা, যারা বস্তিতে সামান্য জায়গায় জলের অভাব, স্যানিটেশনের অভাব নিয়ে সংসার করেন। ছোট্ট ঘরে, আগুন-তাতে তাদের রোজের কাজ করতে হয়, আবার স্রেফ মেয়ে হওয়ার দরুণ যাঁদের মধ্যে কারোর কারোর ঘরের বাইরে গিয়ে শরীর জুড়ানোর অধিকার থাকে না। বয়স্ক ও শিশুদের যেহেতু শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কম থাকে, তাই তাদের উপর প্রভাব পড়বে আরও বেশি। এছাড়া শহরাঞ্চলের বাইরেও যে দাবদাহ চলছে, আগামী দিনেও চলবে, ওই যে শ্রীনিকেতন, আসানসোল, বীরভূম, মালদার কথা সৌরভেরা তাদের পেপারে বলেছেন, তার প্রভাব পড়বে কৃষিজীবি থেকে শুরু করে সকলের উপরেই। এঁদের সকলকেই শারীরিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে - প্রচণ্ড গরমে পেশিতে টান ধরা থেকে হিট স্ট্রোক অবধি সব কিছুর মোকাবিলা করতে হবে। প্রচণ্ড তাপীয় চাপে কিডনির উপর চাপ পড়বে, হৃদপিন্ডের কার্যক্ষমতা কমবে, ঘুমের মান কমবে। সব মিলিয়ে জীবন যাপন বিঘ্নিত হবে। গোদের উপর বিষফোঁড়া যে নিম্নবিত্তের বা নিম্ন-মধ্যবিত্তের চিকিৎসা করানোর ক্ষমতা থাকবে কতদিন?

    দেশের অর্থনীতিতেও কি কোন প্রভাব পড়বে না? Kjellstrom ২০০৯ সালে দেখিয়েছিলেন দিল্লির মে মাসের আবহাওয়ার দুপুরের তীব্র রোদে একজন ভারী কাজ করা শ্রমিকের কর্মক্ষমতা (Work Capacity) কমে মাত্র ২০%-এ দাঁড়ায়। অবশ্যই রাতের বেলা কাজ করা একটা সমাধান, কিন্তু হায় সব কাজকেই যদি রাতের কাজে বদলে দেওয়া যেত!
    সব কিছু মিলিয়ে ভবিষ্যৎটা কতটা মধুর হতে যাচ্ছে, সেটাই আসল প্রশ্ন। তবে এই জিনিসটা মোটামুটি নিশ্চিত যে প্রজন্মের জন্ম হবে ২০৬০ সালের পরের পশ্চিমবঙ্গে, তারা হয়ত মিউজিয়ামে গিয়ে খালি লেপ কম্বল দেখবে, আর দাদু-দিদার কাছে গল্প শুনবে যে তারা তাদের ছোটবেলায় ওই সব গায়ে দিয়ে ঘুমাতো। তারা অবাক হয়ে যাবে!

    পুনশ্চ – এই অবধি লিখেই ক্ষান্ত দেব ভেবেছিলাম। কিন্তু তারপর মনে হল, শুধুই একটা অন্ধকার ছবি দিয়ে শেষ করব? নাহ যে দেশে সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারক মন্তব্য করেন যে “Show us even a single project in this country where these alleged environmental activists have said that we welcome this project. Country is progressing well, we welcome this project. Everything you drag to the court,” সে দেশে উন্নয়নের নামে জঙ্গল ধ্বংস, জলাভূমি বোজানো ইত্যাদির বিরুদ্ধে কথা বলে লাভ নেই। আর বিশ্বজুড়ে ক্ষতিকর গ্যাসের সার্বিক নিঃসরণ কমানো পুরোটা আমাদের হাতেও না। তাই সমস্যার সমাধান আমাদের আয়ত্বের বাইরে।

    সত্যি কথা বলতে কি, ব্যক্তিমানুষ হিসেবেও করার তালিকা খুবই সীমিত। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া জিনিস কেনা বন্ধ করাটা একটা দীর্ঘমেয়াদী যাপন বদলের উপায়। যদিও সে নিয়ে একটা বহুব্যাপী আন্দোলন হয়ে ওঠার পথটাও সহজ না। আমাদের চারপাশের ভোগবাদী সমাজ সেটা সহজে মেনে নেবে কেন? তাছাড়া যেগুলো হাতে থাকে, সেগুলো সংকট নিরসনের না, সংকটে শুশ্রূষার ব্যবস্থা। নিজের বাড়িটিকে পরিবেশবান্ধব হিসেবে তৈরি করা, বাড়িতে-পাড়ায় গাছ লাগানো, বাড়ির ছাদে প্রতিফলক রং (যা রোদ বা তাপ শোষণ না করে ফিরিয়ে দেয়) লাগানো, জলাশয় রক্ষা করতে এগিয়ে যাওয়া – এই সব ছোট ছোট কাজ করা যায়। তবে ব্যক্তির দৌড় আর কতটা! আজকের দিনে শহরের চৌহদ্দিতে বাড়ি করার জমিই দুর্লভ, তার উপর বিকল্প পদ্ধতিতে পরিবেশবান্ধব বাড়ি বানাতে চাইলেও সেটা আম-জনতা পেরে উঠবে না। তার জন্য উপযুক্ত জ্ঞান ভান্ডার, তৈরির মালমসলা, রক্ষণাবেক্ষণের স্কিল সকলের আয়ত্বে নয়। ছোট ছোট বদ্ধকূপের মত দশ ফুট বাই দশ ফুটের দুটি ঘর আর এক চিলতে বারান্দা এই তো এমনকি মধ্যবিত্তেরও বরাদ্দ। সে বারান্দায় লাগানো দেড় খানা পাতাবাহার আর এক খানা বেলি ফুলের গাছ দিয়ে তো আর প্রখর তপনতাপের মোকাবিলা করা যায় না। আর মধ্যবিত্তের এই হাল হলে, নিম্নবিত্তের পক্ষে কি আর তা আদৌ সম্ভব? আর রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিপ্রতীপতার দরুণ পাড়ায় বৃক্ষরোপন বা জলাশয় রক্ষা সত্যিই কতটা বাস্তবে সম্ভব, সে নিয়েও সন্দেহ থাকে।

    সত্যিকারের শুশ্রূষা দিতে পারে একমাত্র সরকারই। কলকাতায় কিছু কিছু এলাকায় বনসৃজনের কাজ হচ্ছে বটে, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা অতি অল্প। আর হটস্পট এলাকাগুলোর তাতে কি আদৌ কোন উপকার হচ্ছে? দরকার তো সমস্যা সমাধানের জন্য মানবিক ও দরদী নগর পরিকল্পনা। এলাকায় এলাকায় বনসৃজন, পুকুর খোঁড়া। তবে জীবিকার চাপে যে দেশে ফুটপাথ অবধি ঢাকা পরে যায়, আর সরকার কাজের মধ্যে কাজ করে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ, সে দেশে এইসব ভাবনার কোন মানে আছে কি? জায়গায় জায়গায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলছে, এখন আশু প্রয়োজন হিট একশন প্ল্যানের। আহমেদাবাদ কিন্তু ২০১৩ সালে হিট একশন প্ল্যান চালু করেছে। লোকের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো, তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে লোকদের সতর্ক করা, যারা বাইরে কাজ করেন বা বস্তিবাসী বা অন্যান্য অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য সাময়িক ছায়াশীতল জায়গার বন্দোবস্ত করা – এসব এই দেশেই করা গেছে। আমরা পারি না?



    রেফারেন্সঃ
    Bal, S.; Kirchner, I. Future Changes in Thermal Bioclimate Conditions over West Bengal, India, Based on a Climate Model. Atmosphere 2023, 14, 505. https://doi.org/10.3390/atmos14030505

    Kumar, M. and Koley, S.: Identifying temperature ‘hotspots’ for increasing urban resilience to heat stress in Kolkata, West Bengal, India, ISPRS Ann. Photogramm. Remote Sens. Spatial Inf. Sci., X-5/W2-2025, 333–339, https://doi.org/10.5194/isprs-annals-X-5-W2-2025-333-2025, 2025.
    Chakraborty, Ayan, Shubham Limaye, and Atreya Paul. 2025. “Spatio-Temporal Dynamics of LULC in the Kolkata Metropolitan Area (2016–2024): Insights from Landsat and MODIS Geospatial Data”. International Journal of Environment and Climate Change 15 (6):475-93. https://doi.org/10.9734/ijecc/2025/v15i64904.

    Kjellstrom T, Holmer I, Lemke B. Workplace heat stress, health and productivity - an increasing challenge for low and middle-income countries during climate change. Glob Health Action. 2009 Nov 11;2. doi: 10.3402/gha.v2i0.2047. PMID: 20052422; PMCID: PMC2799237.

    https://indianexpress.com/article/legal-news/single-project-welcomed-environmental-activists-supreme-court-10684921/
    https://www.nrdc.org/sites/default/files/ahmedabad-heat-action-plan-2018.pdf
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ০৬ জুন ২০২৬ | ৩৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন্দম | 119.*.*.* | ০৬ জুন ২০২৬ ০৩:৩৬741040
  • "ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা আর বাতাসের তাপমাত্রা কিন্ত এক জিনিস না। সাধারণভাবে সিমেন্ট, কংক্রিট বা পীচ বাতাসের তুলনায় তাপ শোষণ করে বেশি, ফলে বেশি গরম হয়ে ওঠে।"
     
    তাপ আর তাপমাত্রা কিন্তু দুরকম ব্যাপার। একটা উদাহরণ দিই কি বলতে চাইছি। জল ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ফুটতে থাকে, আপনি ফুটন্ত জলে আঙুল ডোবানোর কথা ভাবতেই পারবেন না। অথচ ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার তন্দুর বা ওভেনে অনায়াসে হাত ঢোকাতে পারেন। কংক্রিট তাপ শুষে নেয়, তারপর তাপ ছাড়তে থাকে। এখন অবধি বিভিন্ন scenario দিয়ে যে study হয়েছে, সে সমস্ত gross underestimation তারসএকটা কারণ এরা একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে কারমান মাপেন, তাপসমাপেন না।
     
    ভবিষ্যতে কতটা তাপমাত্রা বাড়বে আমরা জানি না, এবং বিশ্ব উষ্ণায়ণের ১.৫ ডিগ্রি তাপ্ৈন বৃদ্ধির scenario এখনই ঘটছে, তার ফল হাতেনাতে টের পাওয়া যাচ্ছে। শুধু তাপ বৃদ্ধি তো একটা ব্যাপার এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব‍্যাপারগুলো আরো ভয়ঙ্কর, যেমন সাইক্লোনের ভয়াবহ আকার ধারণ করা, অতিবৃষ্টি, সমুদ্রের উষ্ণায়ণ, কোরাল ধ্বংস। এর প্রত্যেকটি কিন্তু উষ্ণায়ণকে ত্বরান্বিত করে। আমি আর আমাদের জীবনযাত্রার ফলে উষ্ণায়ন নিয়ে লিখছি না, অন‍্যেরসলেখা প্রবন্ধে জ্ঞান দেবার দরকার কি?
     
    শুধু এইটুকু বলবার যে সমস‍্যাটি কতটা "তাপমান" বাড়ছে না দেখে "তাপ" কতটা বাড়ছে সেইসব নিয়ে প্রতিবেদন করলে মনে হয় ভাল হয়। দুটো এক নয়।
  • kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ০৬ জুন ২০২৬ ০৩:৩৮741041
  • ভালো লাগলো লেখাটা। কত জরুরী সব তথ্য। উঁচু চেয়ারে বসে থাকা মানুষদের টনক কিছু করে নড়ানো গেলে বড্ড ভালো হতো।
  • Sandipan Majumder | ০৬ জুন ২০২৬ ০৮:২২741042
  • তথ্যসমৃদ্ধ ভালো লেখা।
  • Aditi Dasgupta | ০৬ জুন ২০২৬ ১০:১২741044
  • ঋদ্ধ হলাম। সরকারি উদ্যোগ প্রসঙ্গে একটি অভিজ্ঞতার কথা বলি। বন দপ্তরের একটি প্রকল্প অনুযায়ী আমরা দুজন দুটি মেহগনি গাছ দত্তক নিয়েছিলাম। পাড়ার ঘন বসতির মধ্যেও তো পুকুর লুকিয়ে থাকে।সেই পুকুরের ধার ঘেঁষে বন দপ্তর i গাছ রোপণ গাছের গায়ে দত্তক নেওয়া মা বাপের নাম টাঙিয়ে দিয়ে গিয়েছিল বন দপ্তর ই। কিছুদিন বাদেই পাড়ার এক বাহুবলীকে মোতায়েন করা হলো, ও সে মত্ত হস্তীর মত সব তছনছ করতে লেগে পড়ল।আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ :আমরা মিউনিসিপ্যালিটি/কাউন্সিলর এর জমি অধিকার করেছি অবৈধ ভাবে! "গাছ ফ্যাচ" নিজেদের বাড়ির ছাদে লাগানোর পরামর্শ দিযে গেলেন আরেক মাতব্বর। বাকি যাঁরা বিদ্বজ্জন -তাঁদের বলেও কিছু ফল হয়নি। বহু কষ্ট ও কাকুতি মিনতি করে গাছ বাঁচাতে পেরেছিলাম।নাইবা থাকলো আমাদের নাম তাদের গায়ে।বেশ বেড়েছে তারা! সবুজায়ন বেশ চাপের। দুটি অশ্বত্থ আর একটি বট গাছ টবে রেখেছি। তক্কে তক্কে আছি, কোথাও পুঁতে ফেলা যায় কিনা।
  • স্বাতী রায় | ০৬ জুন ২০২৬ ১১:২০741046
  • অদিতি দুঃখ পাবেন না। মানুষ নিজের স্তরের বাইরে ভাবতে পারে না। তাই বাহুবলীর মাথায় encroachment এর ভাবনা আসবে তাতে আর আশ্চর্য কি? হয়ত আপনার গাছ দুটি তার পুকুর গাপ করার পথের কাঁটা ছিল! আজকাল তো আর আমরা এক দু বিঘে জমির উপর বাড়ির মালিক হতে পারি না, আবার এক দু বিঘে জমি থাকলে বাড়িতে জমি মাফিয়ার আনাগোনা বাড়বে, তাই সবুজায়ন সরকারের সাহায্য ছাড়া হবে কি করে ?
     
    অরিন্দম বাবু, কেকে, সন্দীপন বাবুকে ধন্যবাদ।
     
    অরিন্দম বাবু, আপনি যে তাপ ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কথা বলেছেন তা গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমার আলোচনার বিষয় ছিল পশ্চিমবঙ্গে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও জনজীবনে তার প্রভাব। হিটস্ট্রোক এর মতন ব্যক্তি শরীরের ক্ষতি, শরীরের শ্রমক্ষমতা, নগরজীবনের স্বাচ্ছন্দ্য বা PET-এর মতো সূচক সরাসরি তাপমাত্রা ও তাপচাপের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এখানে সেটা নিয়েই আলোচনা। তবে পৃথিবীর মোট তাপ সঞ্চয় জলবায়ু পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও সূচকও বটে। সে নিয়েও তো অনেক কাজ হচ্ছে, হবে। হয়ত কেউ না কেউ ভবিষ্যতে গুরুর পাতাতেও লিখবেন।
  • albert banerjee | ০৬ জুন ২০২৬ ১১:২৪741047
  • অরিন্দম | 119.*.*.* | ০৬ জুন ২০২৬ ০৩:৩৬
     
    //১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার তন্দুর বা ওভেনে অনায়াসে হাত ঢোকাতে পারেন//
    একটা রিয়েল এক্সপেরিমেন্ট হবে নাকি?
     
    SOP
     
    ১। ১৫ মিনিট তন্দুরকে প্রিহিট করা হবে। [১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ]
    ২। হাত ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।
    ৩। হাত ঢোকানোর পর আমি ভালো করে পুরো সেটআপ টাকে থার্মাল ইনসুলেটিং করবো।
    ৪। ৫ মিনিট হাতরাখতে হবে।
    ৫। পায়ে মোটা বোবার সেলের জুতো পরতে হবে।
    ৬। সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্ব
  • | ০৬ জুন ২০২৬ ১৪:১৫741049
  • তথ্য ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মিলিয়ে এই লেখাটা চমৎকার। এই সেই সিজন যখন লোকে তেড়েফুঁড়ে গাছ লাগানোর কথা বলে আর সব্বাই একমত যে।যারা ৩সি লাগায় তারা প্রায় খুনী টাইপ। কোথায় যেন পড়লাম একজন খুব রাগারাগি করছেন বাবা মা আর ছেলে ছেলের বৌ আলাদা আলাদা আলাদা ঘরে এসি লাগিয়ে পৃথিবীকে গোল্লায় দিচ্ছে। একটা এসি লাগিয়ে নাকি সবাই একসাথে ঘুমাতে পারত! laugh
    কিন্তু আসল কাজের বেলায় এরা লবডঙ্কা।
     
    অদিতি
    পশ্চিমবঙ্গে এটাই স্বাভাবিক। আমি চাকরিজীবনে আমাদের কোম্পানির গ্রিন ইনিশিয়েটিভ লীড করতাম CSR এর অংশ হিসেবে। তো আমাদের সারা ভারতের সমস্ত শাখায় স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরী করতে পেরেছিলাম বাদে কলকাতা। এমনকি চেন্নাই, নয়ডাতেও গ্রিন মার্শাল টিম তৈরী হয়েছিল, কাজ করত। কলকাতায় কিছুতেই করা যায় নি। কেউ আসে নি। পুণেতে আমার টিমে একজনও বাঙালি ছিল না। অথচ পুণে অফিসে ভর্তি বাঙালি।
    বট অশ্বত্থ একটু বুঝে লাগিও। সব জায়গায় সব গাছ লাগাতে নেই।
    এই গাছ লাগানো নিয়ে একবার গুরুতে লিখেছিলাম অনেকদিন আগে।
  • | ০৬ জুন ২০২৬ ১৪:১৭741050
  • *৩সি নয় রে বাবা এসি এসি
  • স্বাতী রায় | ০৬ জুন ২০২৬ ১৬:৫৮741054
  • @দ আমার প্রাক্তন অফিসের সি এস আর থেকে আমরা কলকাতায় গাছ লাগিয়েছি। আমি থাকতে একবার, আমি ছাড়ার পরও একবার। কয়েক বছর আগেও দেখে এসেছি, গাছ গুলো দিব্য বর্তমান, এতদিনে বৃক্ষ তারা। তবে এখাানে সমস্যা যেটা হল সেটা সরকারি অফিসে কোন ব্যতিক্রমী ভাবনা নিয়ে গেলেই প্রচুর nay sayer জোটে। ওই তারাও বোধহয় ওই encroach করে নেবে বলেই ভাবে। হিডকোর অফিসে খোঁজ করতে গিয়ে আমাদের ফুটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে সরাসরি হিডকোর এম ডি দেবাশীষ সেন কে চিঠি লিখে কাজ হয়। উনি খুব সাহায্য করেছেন। সব সময় এই ব্যাটে বলে হয় না, তখন উঁচু স্তরে ব্যক্তিগত কন্ট্যাক্ট না থাকলে কাজ করা দুঃসাধ্য হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন