(১) রোজকার অভ্যাসমতো সকালে বাগানে পায়চারি করছি এমন সময় দেখা মিস্টার নেউল ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। নরম আলোয় মাখা সকালের এই সময়টা ওদেরও ব্যস্ততার সময় --এদিক সেদিক পরিক্রমা করে বেড়িয়ে বেড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের আহার্য টুকিটাকি সব খুঁজে নেবার তাড়া থাকে এই সময়ে।চলনে বলনে সেই ব্যস্ততারই আভাস। মিস্টার নেউলকে সুপ্রভাতী সম্ভাষণ জানাতেই প্রত্যাভিবাদন ফিরে আসে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কানে ভেসে আসে আরও কিছু কচিকাঁচার ... ...
বুধবার বিকেলে তিনজনে আবার জড়ো হল শ্যামবাজারের কফিহাউসে। অমিতাভ স্নেহাংশুকে বলল, ' সেদিন ওরা কি বলছিল রে ? '----- ' কারা ? '----- ' ওই শতদল আর কমল দাস। '------ ' ও ... কিছু না। বলছিল কলেজ স্ট্রিটের হাউসে যেতে ... যোগাযোগ রাখতে .... এইসব। আমি আমাদের ব্যাপারটা ডিসক্লোজ করিনি ... '----- ' ভাল করেছিস। ফাইনালি পত্রিকা বেরোলে তো দেখতেই পাবে। আর ওদের কাছ থেকে কোন হেল্পের আশা না করাই ভাল .... 'সুনির্মল বলল, 'ওরা নিজের ধান্দা ছাড়া আর কিছু বোঝে না। আসলে ওরা চাইছে ... ...
হয়তো আর কয়েক দশক বাদে,চারিদিক ছেয়ে যাবে বিজ্ঞাপনে,এখনের থেকেও বেশি,অনেক অনেক বেশি,প্রতিটা ঘরের দেওয়াল, রাস্তার পিচ,কংক্রিট বা মাটি কেউ বাদ যাবে না,বইয়ের পাতায় ফাঁকা অংশ,টাঁকলার টাঁক, লোমহীন বুক হাত পা,জামার কাপড় বিজ্ঞাপনে ভর্তি হবে,সাদা জামার দাম হবে বেশি,আর বিক্রির জিনিস,সে তো ইজ্জত থেকে শুরু করে আলপিন-চিনির দানা,সওওব বিক্রি হবে,মানুষের বিবেক,দয়া, মায়া এসবের দাম সবচেয়ে কম হবে,মরার পরে লাশও বিক্রি করবে আত্মীয়,দুটো টাকা বেশি পেলে,না কেনা গ্যাজেটটা কিনে নেবে হয়তো,লাশ তো সেই পচেই যাবে! ... ...
আমি মধু। আমার মা অনেক খানি ভালো বাসা দিয়ে আমার এই নাম খানি রেখেছিলেন। আমার বাড়ির পাশের আমগাছ খানি ছোট বেলা থেকেই ছিল আমার স ই। মা বলতো সেই আমি যখন জন্মেছিলাম তখন আমার দাদু অনেক সখ করে এই গাছ খানি লাগিয়ে ছিল।সেই হিসেবে আমরা দুজনেই সমবয়সী বন্ধু হয়ে উঠেছিলাম। একটু বড় হতে,গাছের লাগোয়া জানালাটি ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা।সারাদিন কত পাখ পাখালির আনাগোনা ছিল এই গাছে।সবার কূজনে জায়গাটা মুখরিত হয়ে থাকতো।আমি জানালা দিয়ে সেই সব দেখতাম আর সেই সব অজানা পাখিরাও খুব শীঘ্রই আমার খুব কাছের হয়ে উঠেছিল।মাঘ ফাল্গুনের হিমেল হাওয়ায় ভেসে যখন গাছখানিতে প্রথম মুকুলের ছোঁয়া এসে লাগতো ... ...
এঁকেছিলে মিনি-রহমতকে তোমার ধ্রুপদী তুলিতে; লগ্ন ভ্রষ্ট ইজেল আজকে খুনে রঙের উৎপাতে।
এরপর শাজাহানের আদেশে শাহাজাদা দারা শুকোহ, নাদিরা বানু বেগম আর নবজাতককে নিয়ে শাহী বহর আবার বেরিয়ে পড়ে আগ্রা থেকে লাহোরের দিকে। পৌঁছতে সাড়ে ছশো কিলোমিটার রাস্তা মাস আড়াই লাগার কথা। পথেই নাদিরার মেয়েটা মারা গেল তখন তার মাত্র দু মাস বয়স।পবিত্র রমজানের শেষে ঈদ উল ফিতরের সময়েই ঘটনাটা ঘটে। এই ঈদ খুশির না হয়ে এক দুঃখের উদযাপন হয়ে গেল। ভেঙে পড়লেন দারা, হয়ে পড়েন ভালো রকম অসুস্থ। যথারীতি নাদিরার ... ...
কবিপ্রণাম----------- সুপ্রিয়া চৌধুরী —————এই পূণ্যতিথিতে তোমায় প্রণাম জানাই-আমরা তোমার ভাষায় কথা বলি তোমার ভাষায় গাই। তোমার এই অমৃত বাণী, মুছে দিয়ে সব গ্লানি, জাগিয়ে দিক্ অন্তর চেতনা- স্নিগ্ধ হয়ে উঠুক মনের ভাবনা- এই টুকু করো আশীর্বাদ, বাইশে শ্রাবণে আজ। ... ...
পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিদ্যালয়ে বাংলা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব পাশ হয়েছে মন্ত্রীসভায়। একই সঙ্গে শিক্ষা কমিশন তৈরি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবও। দেখে খুবই আনন্দ পেলাম, বলা বাহুল্য। কিন্তু কথা হল, এখনও কিছুই হয়নি। রাজ্য সরকার বিল পাশ করায় বিধানসভায়। তারপর সেই বিল যায় রাজ্যপালের কাছে। তারপর, দিল্লির কর্তাদের পছন্দ না হলে সেই বিল অনন্তকাল ঝুলিয়ে রাখার প্রথা আছে। এক্ষেত্রেও তাই হবে কিনা না জানা পর্যন্ত উল্লাসের বিশেষ কারণ নেই। এসব আটকে যাবে, আশঙ্কা করার যথেষ্ট কারণ আছে। গত কালই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, হিন্দিকে ধীরে-ধীরে মেনে নিতে হবে বলে দাবী করেছেন। তার আগের দিন, সুপ্রিম কোর্টে বলা হয়েছে, হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা। কেন্দ্রীয় স্তরে এটাই ... ...
( ফাঁকা ঘর। একটা বন্ধ জানালা। বইয়ের শেল্ফ,একটা টেবিল ও চেয়ার।)ও মা! তোমরা সবাই এসে গেছ? একটা কবিতা লিখেছি তোমাদের জন্য। দাঁড়াও। পড়ে শোনাই। আজ যে আমি এক্কেবারে একা ঘরেতে আজ নেই রে গো ভাই কেউ, গরম ছুটি কাটবে এমন ফাঁকা! তাই, মনসায়রে দুখ-জাগানি ঢেউ। ভিডিও গেম আর কার্টুন চ্যানেল খুলি একলা ঘরে থাকবো কতক্ষন ? ইচ্ছে করে মনের ডানা মেলি, নিই খুঁজে নিই পরম আত্মজন। কেমন হয়েছে বলতো কবিতাটা? ভালো হয়েছে? কী বলছো একটু দুখ-ভাবনার আভাস রয়েছে? একটুখানি গুরুচন্ডালির দোষ আছে? এসবই যে খুব স্বাভাবিক। এতো বড়ো একটা ... ...
সন্ধে ছটা বাজে। শ্যামবাজারের কফি হাউসে তিনজন বহুক্ষণ ধরে বসে বসে ছক কষায় ব্যস্ত। স্নেহাংশু মিত্র, অমিতাভ সেন আর সুনির্মল বরাট। লিটল ম্যাগাজিনের ছক। শুধুই কবিতা পত্রিকা। একটা নাম আপাতত আলোচনার মধ্যে আছে ---- সংসপ্তক। নামটা স্নেহাংশুর পেশ করা। তবে নামটা এক কথায় খারিজ করে দিল অমিতাভ। বলল, ' দূ..র এসব চলবে না। বেশ মারকাটারি কিছু একটা চাই। ধর বুলেট বা গাঁইতি বা অন্ডকোষ বা কাতুকুতু বা গুঁতোগুঁতি এই ধরণের কিছু। সুনির্মলের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে সে অমিতাভর পাশেই আছে। একটা সিগারেট ধরিয়ে টেবিলে দুটো কনুই রেখে একটা ... ...
স্কটিশ চার্চ কলেজের অ্যানুয়াল ফাংশান হবে মহাজাতি সদনে। ওরা নাকি হেমন্তকে নিয়ে আসছে এবার। বিভূতিবাবু কথাটা শুনে একেবারে উড়িয়ে দিলেন। ---- ' ওসব বাজে কথা। ডাহা মিথ্যে কথা। হেমন্ত মুখার্জি এখন বম্বেতে। সময়ই দিতে পারবে না .... তাছাড়া টাকার ব্যাপার তো আছেই .... ' নিতাইবাবু কথাটা সমর্থন করলেন। ----- ' সে তো বটেই। তার চেয়ে বরং ধনঞ্জয় বা সতীনাথকে ট্রাই ... ...
হনুমান খুব বড় বীর। পুরোনো বাংলা পুঁথিতে লেখা আছে, পবনের ছেলে বজরংবলি হেলায় লঙ্কা করিল জয়। উপনিষদে লেখা আছে, ন হন্যতে হনুমান, অর্থাৎ, হনুমানকে মারা কঠিন না, অসম্ভব। পুরোনো সংস্কৃত শ্লোকে আছে, স্বদেশে পূজ্যতে রাজা / হনুমান সর্বত্র পূজ্যতে। অর্থাৎ, দেশের বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে কেউ পাত্তা না দিলেও, হনুমানমন্দির আমেরিকাতেও আছে।হনুমান খুব বড় বিজ্ঞানী। হনুমানই প্রথম ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন। ইলেকট্রনের গতিতে লঙ্কায় তিনি আগুনকে ভাইরাল করে দিয়েছিলেন। ইন্টারনেটের চোটেই স্বর্ণলঙ্কা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এরপর প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবীতে চালু করেন হনুমানমন্দির। সেগুলিকে ছোটো করে, মানমন্দির বলা হয়। সেখানে আগে গ্রহ, তারা, এসব নিয়ে গবেষণা হত, পরে হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি আবিষ্কৃত ... ...
মহামানবের আহ্বান———————- সুপ্রিয়া চৌধুরী ——————-যদি বলতে পারতাম আমি, কবিগুরুর মত-“বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো”-তোমার আমার যোগসূত্রের, সেটাই হোতো শুরু,-না চাই বিজন, না চাই সুজন,একাকীত্বের ও নেই প্রয়োজন,যোগসূত্র ত বাঁধাই আছে একে অন্যের সাথে,এমন সহজ অনুভূতি যেন হারিয়ে যায় না পাছে।যদি বলতে পারতাম আমি, কবিগুরুর মত-“আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ”-ক্লান্তিহীন পথিকের মত,চলতাম ক্রমাগত।যে পথের কোনো শেষ নেই, শুধু চলাই জীবন-মহাজাগতিক সঞ্চয়ের আনন্দে,অসীমের খোঁজে ছুটে চলে যায় মন।যদি বলতে পারতাম আমি, কবিগুরুর মত-“একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ প্রাণেশ হে”-এক মুহুর্তে সেই আবেশের রেশ যেন ছুঁয়ে যায় হৃদয়ে, মনে, দেহে।শিহরণ জাগে মনের গভীরে,আনন্দ ধ্বনি বাজে চারিধারে,উপলব্ধি হয় যেন, সে এসেছে,-সে এসেছে, -আহ্বান জানাতে, ডেকে নিতে মোরে, মহামানবের গেহে !যদি বলতে পারতাম আমি, কবিগুরুর মত-“সমুখে শান্তি পারাপার”-একি আনন্দ অনুভূতি, এ কি অপুর্ব শান্তি !আর কিছু নেই, এই জীবনে চাইবার !হিসাব চুকলো সব দেনা পাওনার,-মিলন হলো,-মানবের সাথে মহামানবের,-অবশেষে ! বিশ্বের দরবারে। ————————————————— ... ...
সম্প্রতি দেখলাম এক প্রাক্তন শিক্ষক তার লেখা বেশ দামী একটি বই কেনো লোকে কেনেনি তাই নিয়ে ফেবুতে বিলাপ করছেন ও পরোক্ষ ভাবে ছাত্রদের বইটি কিনতে প্রলুব্ধ করছেন। এহেন বাজারী চিৎকার, যদিও আক্ষেপ ও ছদ্ম বিনয়ে ঢাকা, আমিত্বের ভাণ কে গৌণ করাটা আরো কঠিন করে তোলে। আশেপাশে অধিকাংশ মানুষকেই দেখি আমিত্বের ধ্বজা তুলে সমাজমাধ্যমে একটা প্রবল শোরগোল করতে। সাম্প্রতিকতম সেলফি থেকে সুরাপানের শৌর্য, কিছুই বাদ থাকেনা। এসবের মাঝে নিজেকে আরো বেশি দলছুট মনে হয়। প্রেসিডেন্সি কলেজের (বিশ্ববিদ্যালয় নয়) প্রথম দিন বিভাগীয় প্রধান জয়তী গুপ্ত যে বিনয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন তা আজও নানা ভুলভ্রান্তি সত্ত্বেও মনে রাখার চেষ্টা করে যাই। পরবর্তীকালে কৃষ্ণা ... ...
শহর আমার চেনা নয় -লাল বাতি'তে নিষেধ রয়; তবু চালকের চাকায় রক্ত স্কুলব্যাগ পাশে শিশু ঘুমায়! মতামত দেবে দুর্ঘটনা-বলে কয়ে তো আসেনা; সংগ্ৰহ তে ব্যাস্ত প্রহরী পিতা - পুত্র বাঁচে না ! হায় মাতা! ব্যাগ বুকে তার-সারা জীবনের হাহাকার! -তবু এ শহর তিলোত্তমাক্রুশবিদ্ধ যীশু আবার !?
হেদুয়ায় পুকুরের পশ্চিমদিকে একফালি জমি আছে রাস্তার দিকে। সেখানে একদিন এক বেঁটেখাটো মোটাসোটা ভদ্রলোক এলেন। গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবী এবং ধুতি পরা। ওখানে একজন বলল, ' ইনি হলেন অখিল নিয়োগী মানে, স্বপনবুড়ো। সবপেয়েছির আসর চালান সারা বাংলায়। এখানেও একটা করবেন বলে এসেছেন। ইনি নাকি বইও লেখেন। একটা বই সিনেমাও হয়েছে ---- বাবুই ... ...
বীরেনবাবু নিতাইবাবুর অফিসের সহকর্মী। নিতাইবাবুর বাসায় প্রায়ই আসেন। নিতাইবাবুর ছেলে মেয়ে তখন ছোট ছিল। বীরেনবাবু বাসায় এলেই তাদের মন আনন্দে নেচে ওঠে। তাদের সন্ধেবেলার লেখাপড়া মুলতুবী হয়ে যায়। বাবা মা কিছু বলে না। না না, বীরেন সান্যাল কোন খাবার দাবার আনেন না। কিন্তু অনেক গল্প নিয়ে আসেন। নানা রোমহর্ষক অ্যাডভেঞ্চারের গল্প। বেশির ভাগই সমুদ্রের তলায় জলজন্তুদের মোকাবিলা করা ... ...
ভূমিকা:ক্যালকাটা ফায়ার ব্রিগেড, যা এখন কলকাতা ফায়ার ব্রিগেড নামে পরিচিত, একটি খ্যাতিমান এবং ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান যেটি প্রায় দুশো বছরের সুদীর্ঘ সময় ধরে, অবিচল সাহস এবং নির্ভরতার সাথে কলকাতা শহরের সেবা করে চলেছে।১৮৬৫-সালে প্রতিষ্ঠিত,এটি ভারতের প্রাচীনতম ফায়ার ডিপার্টমেন্টগুলির মধ্যে একটি হওয়ার গৌরব লাভ করেছে। আজকে,অগ্নি নির্বাপক কলকাতার সব অফিসগুলির মূখ্য কার্য্যালয় হল পার্ক স্ট্রীটে।তার দীর্ঘ এবং ঘটনাবহুল সময়ের যাত্রা জুড়ে, ব্রিগেডটি বীরত্ব, স্থিতিস্থাপকতা ... ...
পা বাড়ানোর কথা তো বললাম। কিন্তু কাজটা বেশ কঠিন। উনিশ শতকের রসায়ন ছিল পরমাণুর গাথাকাব্য। সেই সঙ্গে অণুর যোগ্য এবং সম মর্যাদাপূর্ণ সঙ্গদান। মৌলিক পদার্থের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য পরমাণু ধরে পাওয়া যাবে এবং বোঝা যাবে—এই ছিল উনিশ শতকের রসায়ন বিজ্ঞানীদের দৃঢ় বিশ্বাস। পদার্থের ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য কণা হল পরমাণু। পরমাণুর আপেক্ষিক ওজন এবং যোজ্যতা—এই দুটি ছিল তাদের পরম ধর্ম। পরিচিতি জ্ঞাপক যাচকাঠি। সেই ধারণায় চিড় ধরে গেল জার্মানি ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সে ঊনবিংশ শতাব্দের শেষ দশকের পর পর কয়েকটি যুগান্তকারী আবিষ্কারে। যথা:— ১। ১৮৯৫ সালের শেষ দিকে হ্বিলহেল্ম কনরাড রয়েন্টগেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। ২। ১৮৯৬ সালের গোড়ায় আতোয়াঁ অঁরি বেকারেল ইউরেনিয়াম যৌগের ভিত্তিতে তেজষ্ক্রিয়তার ঘটনা খুঁজে ... ...