(এই প্রতিবেদনটি আমি লিখেছিলাম ২০১৮ সালে ‘কালিমাটি অনলাইন’ ব্লগজিনের ৫২তম সংখ্যার সম্পাদকীয়তে। আজ অনেকদিন পরে লেখাটি পড়ে মনে হলো, এই সংক্ষিপ্ত আলোচনাটি আজও সমান প্রাসঙ্গিক। আর তাই আমার ‘গুরুচন্ডা৯’র বন্ধুদের পড়ার জন্য পুনঃপ্রকাশ করলাম।)সদ্য প্রয়াত কবি বিকাশকুমার সরকারের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ পরিচয়ের কোনো সুযোগ অতীতে হয়নি। আর তাঁর অকাল প্রয়াণের দরুণ ভবিষ্যতেও সেই সম্ভাবনা থাকল না। তবে তিনি আমার বন্ধু ছিলেন, কেননা তিনি কবিতা লিখতেন ... ...
কেটে গাছ পাগলা নাচ! লাগছে গরম? নেই তো শরম! মরছি, মরি উন্নয়ন করি! ব্রিজ বানাই পুকুর বোঁজাই! তাপ বাড়ছে বরফ গলছে! বোমা ফাটাই
*হড়পা খরা* হড়পা বানের কথা কমবেশি আমরা সকলেই শুনেছি, পড়েছি এবং খবরে দেখেছি। তবে হড়পা খরা? একটু অন্যরকম ঠেকছে শব্দদুটো তাইতো! ন্যশনাল ওসেনিক এন্ড আ্যটমোস্ফেরিক আ্যডমিনিস্ট্রেশনের গবেষনা জানাচ্ছে যে বিগত ২০ বছরে ভারতীয় উপমহাদেশ, সাব- সাহারা এবং দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে
*জুস মিশন* অতি সম্প্রতি ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি "জুস মিশন" লঞ্চ করেছে! জুস শব্দটির পুর্নাঙ্গ অর্থ হলো জুপিটার আইসি মুন্স এক্সপ্লোলার মিশন! ২০৩১ সালে এই স্পেসশিপ-টি জুপিটার অর্থাৎ বৃহস্পতি গ্রহের কাছে পৌঁছে যাবে এবং সেখানে বৃহস্পতির পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রাণের খোঁজে গ্যনিমিড, ক্যলিস্টো এবং ইউরোপা
- মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই... মুঠোফোন মর্গেতে কাটাছেঁড়া হচ্ছে;একে একে নিভিছে দেউটি; চাঁদা চাই-পালাবার পথ নাই, যম আছে পিছে।হায়রে জীবন; কৃষ্ণের বাঁশি কাঁদেচাঁদা না পাঠালে মুকুট হারাবে কালী'সই ভাল করে বিনোদ বেণী বাঁধিয়া দে... ওরে,কিচ্ছুটি জানেনা যে ওয়াজেদ আলি!!
স্কুলের ঘটনা। আমাদের ক্লাশে একটি ছেলে ছিল।হাবেভাবে অবিকল টেনিদা। এর ওর ঝেড়ে তেমন না খেলেও ব্রহ্মতালু লক্ষ্য করে যখন তখন চাঁটি মারা তার কাছে জলভাত। খুব কমই তাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট হতে দেখেছি। তার আরেক স্বভাব হল ছেলে পিলের স্বভাব চরিত্রের সাথে মানানসই একটা নাম দেওয়া। তো এমনি ভাবেই একটি ছেলে র নাম সে দিল "ডিম"। তার অপরাধ প্রতিদিন টিফিনে সে অবধারিতভাবে ডিম নিয়ে আসবেই। তো সেই নিক নামে কেউ কেউ ছেলে টিকে ডাকতো। বলাবাহুল্য ছেলেটি যারপরনাই খচে বেগুনি হয়ে যেত। তো একদিন ক্লাসে কিছু ছেলে ডিম ডিম করে ছেলেটিকে রাগাচ্ছে, এমন সময় স্যারের প্রবেশ। ছেলেটির প্রতি মমতাবশত: স্যার ছেলে দের বললেন.." ... ...
“কালি, কলম, মন / লেখে তিনজন” …….. এই তিনজনের মধ্যে প্রথম দুজনের প্রভাব প্রতিপত্তি ক্রমশঃ পড়তির দিকে। মন এখন অনেকটাই কী বোর্ড নির্ভর, বিশেষ করে লেখালেখির জগতের সাথে যুক্ত মানুষজনদের, যাদের কাছে এখন পেনের থেকে অনেক কাছের মানুষ তাদের ল্যাপটপখানি। আমরা কেউই এর ব্যতিক্রম নই। ছাত্র ছাত্রীদের হাতে হাতে, লেখো এবং ফেলে দাও পেনের ছড়াছড়ি, রিফিল করা বা কালি ভরার ঝামেলা ... ...
""বিমল মিত্রের শ্রেষ্ঠ গল্প /মিত্র ঘোষ/ 70 টাকা"কাল থেকে এক নি:শ্বাসে এই বইটাপড়ছি। এক সে বড়কর এক।যেমন ধরুন "লজ্জাহর" গল্প টি। রমাপতি কে ছেলেবেলায় একবার তার বন্ধু রা ধুতি খুলে দিয়েছিল। সেই থেকে সে যেকোন লোক দেখলেই এড়িয়ে চলে। এমনকী বাড়িতে ডালে নুন কম হলে বা জল দিতে ভুলে গেলে সে মুখ ফুটে চায় না। তার বাড়ির নাপিত যখন বলে দাবাবু এবার দাড়ি কাটতে শুরু করুন। আর কতদিন এইভাবে। উত্তরে রমাপতি বলে যা সে ভারী লজ্জার ব্যাপার হবে। লোকে কী ভাববে? তার থেকে নয় গরমের ছুটির সময় কেটে দিস। এহেন রমাপতির জন্যে একদিন পাত্রী দেখা শুরু হয় কিন্তু সব ... ...
গ্রাম বাংলায় শিবের ভক্তদেরা চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহ জুড়ে সন্ন্যাস নেন এবং চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পূজার সঙ্গে গাজন উৎসবের সমাপ্তি হয়। গাজনের ভক্তরা বা সন্ন্যাসীরা নিজেদের শরীরকে বিভিন্ন উপায়ে যন্ত্রণা দিয়ে কৃচ্ছসাধনের মধ্যে দিয়ে ইষ্টদেবতাকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেন। গাজনের সময় শোভাযাত্রা করে দেবতার মন্দিরে যান। বাংলায় তিনটি গাজন চালু আছে। শিবের গাজনে দু'জন প্রধান সন্ন্যাসী শিব ও পার্বতী সেজে আর অন্যান্যরা নন্দী, ভৃঙ্গী, ভূতপ্রেত, দৈত্যদানব প্রভৃতির সং সেজে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। এই শোভাযাত্রায় শিবের নানা লৌকিক ছড়া আবৃত্তি ও গান করা ... ...
বাৎসরিক সনেটে শালিক ঝড়,কলতলাতে ক্র্যাশ হয়েছে এরোপ্লেন।ভিনদেশি প্রেমিক নিয়ে সাথে,গাঁটছড়ায় হৃদস্পন্দন বিলোচ্ছেন,বৈশাখী বধূ ও তার গ্রেগোরিয়ান বর।বাঙালি বলে, অনাচার।একতিরিশের চৈত্র রাতে,প্রেম বয়েছে হালখাতাতে,সিঁদুর মেখে সকাল হলো পার,আজ পয়লাবার।ঝগড়া মেটাও স্বস্তিচিহ্নতোমরা ভিনজাত, মিডিয়ামটাও ভিন্নক্রেজে যদিও গ্রেগোরি ইনমাদার টাঙ্গে আদরবাসা, রবি ঠাকুরে পুন্য।
বাচ্চারা অল্প বড় হতেই যখন বুলি ফুটতে শুরু করে মা বাবারা একভাবে তাকিয়ে শুনতে চায় ওর প্রথম বলা শব্দটা...কোন কোন বাচ্চা শুরুতেই কাঁদতে কাঁদতে ‘মা’ বলে ফেলে...কেউ আম্মা...তবে কঙ্কাবতীর ছেলে চেঁচিয়ে উঠল ‘খানসামা’ বলে...!অল্প পড়াশুনা জানা কঙ্কাবতী প্রথমে ওটার মানে বোঝেনি, তবে কানে শব্দটা বার কয়েক গেলে জিজ্ঞেস করেই বসল হাবুলকে...ছেলে এসব কী বলে গো...খানসামা...?এ কোন ভাষা? হাবুলও ধমক দেয়। ও সব তোমার ধারা পাবে ... ...
জলপানি। আজো বৈশাখে ১লা ই চলে অভাগামেঘের পানি না মেঘের জল;অপ্রসন্ন এক তরজা। তাপদাহে পোড়ে সারা বাঙলার গা-তবুও লড়াই ; বন্ধ রয়েছে 'জলপানি' টার দরজা। চৈত্র-সেল। উ ৎস মুখ টা আজকাল বড় পূতিগন্ধময়ত মাজুর তো কবেই হারিয়েছে লাবণ্যত ড়িঘড়ি করে তমা কে দিবা বলার সাধ হলো-র জনীগন্ধার পাশে থাকলেই
..
ফরাসি ঔপন্যাসিক পিয়েরে বুলের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উপর লেখা বই এর উপর ভিত্তি করে বিখ্যাত ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক ডেভিড লীন ১৯৫৭ সালে এই ছবিটি তৈরি করেন। ছবিটি ওই সময়ে সাতটি অস্কার পেয়েছিল। ছবিটির শুটিং হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়।.কাহিনী : পার্ল হারবারের সাফল্যে উদ্দীপ্ত জাপানি বাহিনী দ্রুত এশিয়ার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে এসে সিঙ্গাপুর জয় করে বার্মা পর্যন্ত এসে পড়ে। চূড়ান্ত লক্ষ্য তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশ ভারত আক্রমণ করা। সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রেরণের লক্ষ্যে বার্মা থাইল্যান্ড সীমান্তে কাওয়াই নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রয়োজন পড়ে।.জাপান থেকে বার্মা পর্যন্ত রেলপথ নির্মানের অংশ হিসেবে বার্মার দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত কাওয়াই নদীর উপর ব্রিজ নির্মানের দায়িত্ব পালন করছেন জাপানি ... ...
আর্থার সি ক্লার্ক --- বইপ্রেমী মাত্রেই নাম শুনেছেন, এমন দাবী করাটা একটু বাড়াবাড়ি হলেও বেশিরভাগ পড়ুয়া নাম শুনেছেন, এ আমি নিশ্চিত। আর যারা কল্পবিজ্ঞান প্রেমিক/প্রেমিকা তাদের বেশিরভাগ নিশ্চই তাকে পড়েও ফেলেছেন। যারা সিনেমা দেখেন, তারা জানেন, স্পেস ওডিসি-র লেখক উদ্দিষ্ট সিনেমাটিরও চিত্রনাট্য লিখেছিলেন। আর্থার সি ক্লার্ক আমাদের সময়কার লেখক (১৯১৭ ~ ২০০৮)। মানে তার লেখা এক অর্থে বলতে গেলে হাল আমলের লেখা। ফলে তার কল্পবিজ্ঞানে একদম যাকে বলে মডার্নিসমের ছোঁয়া ... ...
ডিগ্রীতে খাদ কতটা? আর্কিমিডিস কাশে... ই না দেখে রামগরুড়ের ছানাগুলো হাসে; থার্ড ডিগ্রীতে খাদ নেই কংসের কারাগারে কল্পনা করো ডিগ্রি কত কেন্দ্রের চারিধারে!!
একটা বেলাশেষের ছায়া, /একটা মোবাইল এড়িয়ে মুখের ওপর আয়তক্ষেত্র এঁকেছে, /ছায়ার পাড় ধরে বেয়াদবি টানাহ্যাঁচড়া। পাঁচটা সাঁইতিরিশে মোবাইলের লক খোলা /ও অসংখ্য নোটিফিকেশন, তিনটে সাতাশে একটা লিংক এনেছিল।চেনা নাম্বার, অচেনা ই-মোকাম। /অথচ আঙুল ছোঁয়ালে /"দি পেজ ইউ রিকোয়েস্টড ইজ নট ফাউন্ড"।ক্রমাগত ঘুরে চলা হাওয়ার দিকে তাকালে মনে পড়ে যায়, /সময় পেরিয়ে গেলে অনেক কিছুই খোলে না।পাসওয়ার্ড, জড়িয়ে ধরার হাত, বিপরীতার্থক জিভ ও কাম্যুর ডানা! অনুমানের গতর বেড়ে চলে অস্বাভাবিক।দরজা খোলার খটকায় মরচে ও স্পার্ক, কম্পাটিবিলিটি ও কপাল - এসব নেহায়তই বেকুফি।আসলে...পাঁচটা সাঁইতিরিশ থেকে তিনটে সাতাশ পর্যন্ত /তুমি যে দুপুর জড়িয়ে ঘুমিয়েছিলে এসব তারই নমুনা। ... ...
বিশ্বভারতীতে যা চলছে, সে নিয়ে আমরা ঠিক কি জানি? কিসুই না। মাঝে অমর্ত্য সেনকে জমিচোর আখ্যা দেওয়া হয়েছিল, এইটুকু জানি। সেও তামাদি হয়ে গেছে। উপাচার্য বলেছিলেন, অমর্ত্য সেন নোবেল পাননি, এটাও জানা। বসন্তোৎসব, পৌষ মেলা, সবই বস্তুত বন্ধ করে বা লাটে তুলে দেওয়া হচ্ছে, মনে হয়, এক আধবার পড়েছি-টড়েছি। কিন্তু আস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটা যে হিন্দুত্ববাদী আধা-ফ্যাসিস্ত অচলায়তনে পরিণত করে ফেলা হচ্ছে, ট্যাঁফো করলেই ছাত্র থেকে শিক্ষক সবাইকে সাসপেন্ড-বহিষ্কার করে দেওয়া হচ্ছে, এবং এটা যে বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে, সে নিয়ে বিশেষ নড়াচড়া নেই। যদিও না জানলেও আন্দাজ করতে অসুবিধে নেই, স্রেফ রাজনৈতিক কারণে, অমর্ত্য সেনকে যারা "উনি তো নোবেল পাননি" ... ...
পুঁজিপতি ব্যবসায়ীরা লোন নিয়ে নিয়ে ব্যাঙ্কগুলো করছে ফাঁকা - প্যান-আধার লিঙ্কের অজুহাতে এখন, জনগণ দাও, হাজার- হাজার টাকা।