ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • মেটিরিয়া মেডিকার কাব্য – ( পর্ব - ১৮ ) 

    Goutam Dutt লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২২ জুন ২০২২ | ১৬৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  •  
    এবার অন্য একটা ঘটনা বলি। ২০০২ এর।

    আমার নিজের চোখের নানা সমস্যার জন্য এক সময় চেন্নাই আমার ঘর হয়ে উঠেছিল। বছরে দশ বারো বার করোমণ্ডল এক্সপ্রেস ছিলো আমার বাঁধা। অফিসের গেস্ট হাউসটা পেলে খুব কাজের হোতো, কারণ ওটা গ্রীমস্‌ লেন এ – মানে চেন্নাই এপেলো হাসপাতালের পাঁচ সাতটা বাড়ির আগে। আর শঙ্কর নেত্রালয় অটোতে মিনিট পাঁচেক। অফিসের সবাই বা আমার বন্ধুবান্ধবেরা তাই এপেলো যেতে হলে আমাকেই ধরতো স্বাভাবিক ভাবেই।

    এমনই একবারের ঘটনা। আমি নিজের কাজেই চেন্নাই যাচ্ছি। আমার এক কলীগ আমার সঙ্গ নিলেন। তাঁর স্ত্রী’র একটা ছোট্টো টিউমার হয়েছে বুকে। সেটা ওখানেই দেখাবে। আমি আর না করিনি।

    ফাইনালি স্থির হলো অপারেশন করে বাদ দিতে হবে টিউমারটি। যিনি করবেন তিনি এফ আর সি এস সার্জেন। যতদূর মনে পড়ছে, তাঁর নাম ছিল ডাক্তার উমা কৃষ্ণাস্বামী। আমার স্পষ্ট মনে আছে যে বন্ধুর স্ত্রী’র ম্যামোগ্রাফি করা হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত এক স্ক্যান ও ইমাজিং সেন্টারে, যারা দাবী করে ‘পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ সেন্টার বলে। 

    ডাক্তার উমা দেখলেন রিপোর্ট আর ছবি। দেখলাম মুখটা ক্রমশ গম্ভীর হয়ে উঠছে ম্যাডামের। একটা মার্কার পেন দিয়ে হাই লাইট করলেন রিপোর্টের কিছু অংশ। তারপরে বললেন, কলকাতায় গিয়ে এদেরকে বলবেন যে ছবির সাথে রিপোর্ট মিলছে না। অবাক হওয়া ছাড়া কিচ্ছু করার ছিল না আমাদের। যাই হোক, আপনারা যা ভাবছেন তা আর হলো না। মানে আবার এপেলো’য় ম্যমোগ্রাফি করতে হলো না। ওই ছবির ওপরেই দিন ধার্য্য হয়ে গেল। অপারেশনের পরে দিন দুয়েক থাকতে হবে হাসপাতালে। তখন খুব ভীড় ছিল আপেলোয়। সিট পাওয়া গেল এপেলোর ‘সিন্দুরী’ ব্লকে – যা প্রায় তিন তারা গোত্রের অর্থাৎ বেড ভাড়া যথেষ্টই বেশী। কিন্তু যেহেতু হাতে সময় কম তাই ঠিক করা হলো ওখানেই রাখা হবে। তিন শয্যার একটা সুন্দর ঘরে থাকবেন রুগী। যতদূর মনে পড়ছে খরচার বাজেট ছিল তেইশ হাজার টাকা।

    যথাসময় অস্ত্রোপচার হয়ে গেল নির্বিঘ্নে। ছোট্ট অপারেশন তাই বেশী সময় ও লাগেনি। বেডে দেয়া হলো রুগীকে। সেদিনটা আচ্ছন্ন ভাবে কেটে গেল রুগীর। ঘটনা ঘটল পরের দিন।

    পরেরদিন বন্ধু আগেই চলে গেছিল স্ত্রীকে দেখতে। আমি গেলাম একটু বেলা করে, গুছিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে। এই ধরুন, বারোটা নাগাদ। যেহেতু ‘সিন্দুরী’ ব্লক তাই মনে হয় এতো বিধিনিষেধ ছিল না সে সময়। আসলে ‘সিন্দুরী’ ছিল একটা পাঁচ তারা হোটেল। এপেলো’রই লাগোয়া। মনে হয়ে এটা কিনে নেয় এপেলো, পরবর্তী কালে।

    এই এক বাজে স্বভাব আমার। খালি অন্য দিকে পালিয়ে যাওয়া। তা যা বলছিলাম, ডাক্তার ম্যাডাম ভিজিটে এলেন বেলা দেড়টা নাগাদ। রুগী শুয়ে আছে। সকাল থেকে শুধু দুবার ডাবের জল খেয়ে। পান্‌সে মুখ। আমরা দুবন্ধু উঠে দাঁড়িয়েছি।

    দেখলেন রুগী।
    তারপরে জিজ্ঞেস করলেন ‘লাঞ্চ করেছো ?’ রুগীর বড় বড় চোখ করুণ মুখে।

             -        ‘কি হল ?  ব্রেকফাষ্টে কি খেয়েছ ? কি দিয়েছিল এরা ?’ রুগী জলের গ্লাস দেখিয়ে বলতে পারলো কোনোরকমে যে শুধু জল খেয়েই আছি।

             প্রলয় ঘটবে মন হলো আমার। ম্যাডামের ভ্রু কুঞ্চিত হয়ে উঠল প্রবলভাবে। পাশে সিষ্টার, তাও কিচ্ছু বললেন না। প্রায় কেড়েই নিলেন ফাইলখানা সিস্টারের হাত থেকে। মনে হলো রাগে শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছে ম্যাডামের।

             -        ‘এই তো !’ ‘কি লেখা আছে এখানে ?’ সিস্টারকে প্রশ্ন।
             -        ‘লেখা আছে কিনা যে নর্মাল ডায়েট ?’  তামিল ইংরেজীর সেই গোলাকার শব্দবর্ষনে গোটা ঘর উত্তাল।
             -        ‘কি হল ?’ ‘কেন রোগীকে শুধু লিকুইড খাইয়ে রাখা হয়েছে সকাল থেকে ?’

    সিস্টার তো কম্পমান ম্যাডামের রুদ্রমূর্তি দেখে। ভাবলাম বলি কিছু। কিন্তু ওই গোল গোল তামিল ইংরেজীর উত্তরে আবার কি বলতে কি বলি ভাবতে ভাবতে চুপ করে থাকাই শ্রেয় মনে হলো।

             -        ‘ডাকো তোমার ইনচার্জকে !’  গোলাপি ফ্রক পড়া সিস্টার দ্রুত দৌড়লেন – যেন অলিম্পিকের ট্রাক। নিজেই গজ্‌গজ্‌ করতে থাকেন আর ফাইল ওল্টাতে থাকলেন ডাক্তার উমা।
                       এলেন ইন-চার্জ সিস্টার। ফাইল দেখিয়ে প্রশ্ন
             -        ‘এটা কি লিখেছি ?’
             -        ‘ম্যাম, নর্মাল ডায়েট’
             -        ‘তো, পেশেন্ট কেন লিকুইড খেয়ে আছে এতো বেলা অব্দি ?’ মনে হলো ইন-চার্জ ও পালাতে পারলে বাঁচেন।
             -        ‘কি হল কি ?’ পরের বাউন্সার ! দুতিনবার নিজের ঠোঁট জিভ দিয়ে সবার অলক্ষ্যে চাটা হয়ে গেছে ইন-চার্জের। আমি দেখেছি তা।
             -        ‘ডাকো ফ্লোর ম্যানেজার কে !’  আদেশ ধ্বনিত হলো ম্যাডামের কণ্ঠে। নট নড়ন চড়ন তিনি রাউণ্ডে বেরিয়ে। এই পেশেন্টের কাছেই একেবারে রুদ্রতেজে জ্বলছেন।

    আবার দেখলাম সিস্টার আর সিস্টার-ইন-চার্জের অলিম্পিক দৌড় !  এবারে টাই-এর নট ঠিক করতে করতে রঙ্গমঞ্চে আবির্ভূত হলেন এক ব্যক্তি।
     
             -        ‘ ইয়েস, ম্যাম !’
             -        ‘হোয়াট ইয়েস ম্যাম !’ ‘এই সব সিস্টারদের কে এপয়েন্টমেন্ট দিয়েছেন শুনি ?’ – ফাইল থাবড়ে প্রশ্ন ম্যাডামের। অসহায় ফ্লোর ম্যানেজার।
             -        ‘ডাকো ডায়েটিশিয়নকে !’
     
    আমি আর বন্ধু দেখে যাচ্ছি একের পর এক দৃশ্য আর ভাবছি আমার শহরের কথা !

    একটু বাদেই ঝলমল করতে করতে তিনি এলেন। মনে হলো ওনাকে এ ব্যাপারে কেউ মনে হয় কিচ্ছুটি বলেন নি। সুন্দরী সিল্ক শাড়ি শোভিতা ডায়েটিশিয়ান বেশ নরম গলায় ম্যাডাম কে শুভদিন জানাতে যাবেন ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রশ্ন ছুটে এলো
             -        ‘আপনি আমার ইন্সট্রাকশন্‌ কি দেখেন নি নাকি ?’
             -        ‘হ্যা ম্যাম, দেখেছি তো !’
             -        ‘দেখেছেন ? তাহলে পেশেন্ট সকাল থেকে লিকুইড খেয়ে আছে কেন ?’  গোল গোল চোখে ডায়াটিশন পড়তে থাকেন ইন্সট্রাকশন। আর মুখে ক্রমশ রক্ত জমতে থাকে তার।

    আমার অভিজ্ঞতায় চেন্নাই-এর সিস্টারদের কাছে এমন ঘটনা ঘটেই না। তবু যে কি করে ঘটলো তাই ভেবে কূলকিনারা পাই না। দেখতে থাকি নাটকের শেষ অংশ।

    কাঁচুমাঁচু হয়ে ডায়েটিশিয়ন বলে উঠলেন ‘আমি এক্ষুনি লাঞ্চ এর ব্যবস্থা করছি ম্যাম !’

             -        ‘নোওওওও’ আবার বোমা পড়ল হিরোশিমায় ! 
             -        ‘এক্ষুনি ডেকে পাঠাও ক্যান্টিন ম্যানেজারকে’। মনে হলো ‘আমি আজ শেষ দেখেই ছাড়বো’ এমন স্থির করেই একটা চেয়ার টেনে বসলেন ডাক্তার উমা।

    এত্তেলা গেল নীচের ক্যান্টিন ম্যানেজারের কাছে। প্রায় মিনিট সাত-আট পরে হাতে একটা কাগজ নিয়ে তিনি হাজির হলেন অকুস্থলে !

    কাঠ্‌ঠোকরা পাখীর জলে ছোঁ মারার মতো কেড়ে নিলেন কাগজখানা ক্যান্টিন ম্যানেজারের হাত থেকে। দেখলেন কি লেখা আছে তাতে ! এরপরে অর্ডার বেরোলো,
            -        ‘আমি বসে আছি এখানেই। সকালের চা, ব্রেকফাস্ট, তারপরের ফলের রস আর আজকের নন-ভেজ লাঞ্চ এক্ষুনি আনান এখানে’

    ইয়েসো ম্যাম ইয়েসো ম্যাম করতে করতেই ক্যান্টিন ম্যানেজার প্রায় পালাতে পারলে বাঁচেন। এর মধ্যে পেশেন্ট বলে উঠল ‘ম্যাম, অতো আমি এখন খেতে পারবো না ! কিছু একটু হলেই হবে আমার !’

           -        ‘শাট আপ’ ‘তুমি পেমেন্ট করেছো এই সব কিছুরই। সুতরাং যা ইচ্ছে খাও। বাকি দরকারে ফিরিয়ে দাও ! তবু এসবই আসবে’
           -        ‘কি হলো ! যান আপনি ! খাওয়া না আসা অব্দি আমি এখানেই বসছি।’

    এরই মধ্যে আরো দুচারজন হাসপাতালের উর্ধতন কেউ কেউ এসে হাজির হয়েছেন। কিন্তু ম্যাডামের রুদ্র মূর্তির সামনে সবাই নির্বাক।

    প্রায় মিনিট পনেরো বাদেই সব খাবার এলো। সাথে ক্যান্টিন ম্যানেজার ! খাওয়া শুরু করিয়ে নিষ্ক্রান্ত হলেন ডাক্তার উমা ! 

           -         ডিসচার্জ নেবার দিন নীচের চেম্বারে দেখা করে যেতে বলেছিলেন ডাক্তার। গেলামও। মনে করালেন যে কলকাতায় গিয়ে ওই ইম্যাজিং সেন্টারকে বলতে, তিনি যা বলেছেন। আর সবশেষে প্রেসক্রিপশন লেখা শেষ হলে                      বললেন  ‘ফরগিভ্‌ দ্য নেম অফ ডাক্তার উমা কৃষ্ণস্বামী !’

    বেশ খটকা লেগেছিল কথাটায়। চেম্বারের বাইরে এসে এপেলোর একতলার ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনা হলো। স্পষ্ট মনে আছে বিল হলো সাড়ে সাতাশ টাকার !  ডিসচার্জের পরে খাবার জন্য !

    পরে বুঝতে পেরেছি ডাক্তারের নাম ভুলে যেতে কেন বলেছিলেন ম্যাডাম।

    তিনি অপারেশনটায় এতই কন্‌ফিডেন্ট ছিলেন যে ওনার কাছে এই ব্যাপারে যে আর দেখাতে যাবার দরকারই নেই – সেটাই বলতে চেয়েছিলেন।

    “ডাক্তারবাবু,
    আপনি কি লক্ষ্য করেছেন
    আগে মানুষর সংসারে কত প্রজাপতি এস বসতো
    বালিসে,বিছানায়,ছাদের কার্নিশে,হৃৎপিন্ডে
    কুমারী মেয়েদের লতায়-পাতায়, কুঁড়িতে।
    লক্ষ্মীপেঁচার মতো অদৃম্য হয়ে গেছে
    সেইসব মৌটুসী
    যারা রাজকুমারের খবর পৌঁছে দিত রাজকুমারীকে।
    এখন আর মানুষকে রাজমুকুটে মানায় না,
    মানায় বেলবটসে আর মাস মাইনেয়।
    আগে এক একদিনের আকাশ
    পাছাপেড়ে রমনী সেজে।
    মানুষকে জাগাতো ঢেউ দিয়ে।
    এখন যেদিকে মানুষের মুখ
    তার উল্টো দিকে উড়ে যাচ্ছে সমস্ত পাখি
    জল এবং নৌকো।
    আগে মানুষের একান্ত গোপনীয় অনেক কথাবার্তা ছিল
    নক্ষত্রদের সঙ্গে,
    এখন মানুষের দীর্ঘতম রোদনের
    নক্ষত্রেরা নির্বাক।
    গভীর শুশ্রুষা নামে কোনো ছায়া নেই আর কোনোখানে,
    নেই হাসপাতালে
    নেই আম-জাম-নারকেলের বনে
    নেই বৃষ্টি বাদলে
    নেই সংবাদপত্রের পাঁচের পাতার সাতের কলমেও।

    ডাক্তারবাবু,
    সত্যিই চশমাটা বড়ো গোলমাল করছে আজকাল।”    -     ( - ডাক্তারবাবু,আমার চশমাটা - পূর্ণেন্দু পত্রী।)

    .
    .
    ……চলবে……পরের পর্বে…
    #
    ©গৌতমদত্ত

     
  • | রেটিং ৪ (১ জন) | বিভাগ : ধারাবাহিক | ২২ জুন ২০২২ | ১৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন