এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • খিড়কী থেকে সিংহদুয়ার

    স্বাতী রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ১৮ এপ্রিল ২০২২ | ৮৫৮ বার পঠিত
  • দোলপূর্নিমার পরের দিন। সকাল থেকে ক্লাস। বিকেলে ডিপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়েছে। বাড়ি ফিরবে। একদল ছেলে এসে ঘিরে ধরে। সম্পূর্ণ অপরিচিত। হাতে রং। প্রবল উল্লাসে রং মাখায়। স্পষ্ট আপত্তি প্রকাশ করা সত্ত্বেও। পৌরুষের অধিকার। দলবদ্ধতার দাবী। যা করব সেটাই ঠিক। মেয়েদের আপত্তি আবার কে কবে শুনেছে! ঘটনাটা কেউ প্রতিবাদযোগ্যও মনে করে নি। একজন ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিল বৈকি। তবে এসব তুচ্ছ বিষয় কি আর তার দেখার কথা!

    এর আগের সংস্কৃতির সময়। হঠাৎ শোনা গেল ধুম মারামারি। কি ব্যাপার? না একটি মেয়েকে অনেকক্ষণ থেকে একদল ছেলে উত্যক্ত করছিল। মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদের সাহস হয় কি করে! অতএব দল বেঁধে মার!

    যাদবপুরের পৌরুষদীপ্ত অধ্যায়। ঝিলের একদিকে এস এফ আই। আর্টস, সায়েন্স মিলিয়ে। অন্য পারে ডিএসও। খুব সম্ভবতঃ। ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন। নাকি ডিএসএফ? ঠিক মনে নেই।  রাজনৈতিক মতামত হয়তো আলাদা। তবে পেশীশক্তির কদর দুজয়গাতেই। বড়সড় একটা করে ঝামেলা বাঁধে। প্রায় প্রতি বছরই। নিয়ম করে। আর কোন ছুতো পাওয়া যাচ্ছে না? লাগিয়ে দাও হোস্টেলের ছেলেদের সঙ্গে পুলিশের মারামারি। এতটাই স্বাভাবিক যে কোন বছর শান্তিপুর্ণ কাটলে রু’রা চিন্তায় পড়ে। হ্যাঁরে এবার তোদের কি হল! খোঁজ নেয় বন্ধুদের থেকে।

    FETSU। ফ্যাকাল্টি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন। চীপ স্টোরের পাশে তাদের ঘর । সেখানে কোনদিন ঢোকে নি রু। তবে ঝিলের ওপারের কথা আলাদা। বেঙ্গল ল্যাম্পের গেটের থেকে যে রাস্তাটা সোজা ভেতরে চলে এল তার ডানধারে। গেট দিয়ে ঢুকেই ডানহাতে আর্টসের ইউনিয়ন। তারপর ঝিল পেরিয়ে, বড় রাস্তা পেরিয়ে সায়েন্সেরটা। এইটাকেই ভাল মত চেনে রু। গোটা দুই ঘর। ভিতরের ঘরটাতে রাজ্যের পোস্টার ফেস্টুন ইত্যাদি ভিড়। তারমাঝে একটা টেবিল, কটা চেয়ার। মাঝে মাঝে সেখানে জরুরী মিটিং বসে।

    বাইরের ঘরে ক্যারম বোর্ড। রু’র দৌড় ওই ক্যারমের ঘর অবধি। সেও অবশ্য খেলতে নয়। বন্ধুদের খেলা ভণ্ডুল করতে। কি নেশা, কি নেশা! সকাল-সন্ধ্যে-দুপুর-বিকেল কোন হুঁশ নেই। ক্লাস হল কি হল না, বোর্ডের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। খেলা বন্ধ করতে স্ট্রাইকার নিয়ে পালাতে হয়! আর কি উপায়! একটা টিটি বোর্ডও ছিল বোধহয়। কিন্তু সেটা কাব্যে উপেক্ষিতা। ব্যাটগুলো পড়ে থাকে। কিন্তু বলের অমিল। খেলতে হলে নিজে বল আনো। ঘোর নেশাড়ুরা সেভাবেই খেলে।

    ইউনিয়নের কাজ কি? বছরে একটা ফ্রেশার্স ওয়েলকাম। আর একটা সাংস্কৃতিক উৎসব। যার নাম সংস্কৃতি, ঝিলের এপারে। আর ওপারে FEST. প্রতি সেমেস্টারে খাতা বিলি করা। আর কি? জানা নেই। জানা নেই  মানে নেই তা হয় তো না। তবে রু'র সেভাবে চোখে পড়েনি। একদম প্রথমদিকে একবারই স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভোট দিয়েছিল। CR মানে ক্লাস রিপ্রেসেন্টেটিভ আর JS মানে ওই জার্নাল সংক্রান্ত কিছু একটা পদের নির্বাচন। ওই একবারই। প্রথম বছর। পরে আর ভোটও হয় নি। তারাই বছরের পর বছর থেকেছে ওই পোস্টে। আনকনটেস্টেড। আর কোন ক্যান্ডিডেটও ছিল না। এসএফআই মনে পড়লেই একটাই স্মৃতি। একজন পিছন পিছন ঘ্যান ঘ্যান করছে, পঞ্চাশটা পয়সা দে না। আচ্ছা পয়সাও আমি দিয়ে দিচ্ছি, তুই শুধু রাজী হ। মেম্বারশিপ নিতে।

    বন্ধুদের মধ্যে দুটো ভাগ। একদল রাজনীতি-পন্থী। এঁদের বেশিরভাগই এসএফআই-এর সমর্থক। যুগধর্ম মেনে। দু-একজন অবশ্য অন্য লালও আছে। কয়েকজনের পারিবারিক পরিবেশেও রাজনীতি উচ্চকিত। তবে তত্ত্বকথার বিশেষ ধার ধারে না কেউই সেই সময়। আর দশজন সমর্থন করছে, তাই আমিও করছি। সেকি রে! রাজনৈতিক মত সমর্থনের সঙ্গে জীবনদর্শনের যোগ নেই? ধুর ধুর ভাটাস না তো।   অন্য আরেক দলের  দলগত রাজনীতিতে তীব্র বিতৃষ্ণা। চারপাশে কি ঘটছে, সে বিষয়ে অচেতন নয় মোটেই। কিন্তু সংগঠনের পতাকার তলায় যেতে অনিচ্ছুক।

    কেন এতটা অনীহা? অন্যদের কথা জানা নেই। নিজের অনীহার কারণটুকু শুধু জানে। ব্যক্তি থেকে সমূদয়। এই সোজা লাইনটা এঁকে উঠতে পারে নি রু। কোনদিনই পারে নি। বারে বারে বেঁকে গেছে, মুছে গেছে। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। এটা বইতে পড়া। মিলেমিশে কাজ করার আনন্দও বোঝে। একার জোরে কি সব হয়! সবাই মিলে দুরূহ কাজ শেষের তৃপ্তিই আলাদা। তুলনাহীন অনুভূতি। কিন্তু চারপাশে কি দেখে? গোষ্ঠী মানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া। পরের উপর অকারণ খবরদারি। মিলে-জুলে কাজের থেকে অনেক উপরে হারি-জিতি-নাহি-লাজ। হিতাহিতজ্ঞান-শূন্যতা। উন্মত্ততা। হিংস্রতা। চারপাশে এই-ই দেখে চলে। নির্লজ্জ স্বজনতোষণ। চাটুকারিতা।  “এমনটা তো হয়েই থাকে” এর পরুষ অসংবেদনশীলতা। বিরোধী স্বর ডুবিয়ে দেওয়া। চাঁদার জুলুমবাজি থেকে মেয়েদের চলন-বলনের উপর খবরদারি থেকে প্রতিবাদহীন, বল্গাহীন বেলাল্লাবাজি। সবই গোষ্ঠীর জোরে। এমনকি গোষ্ঠীর মধ্যেও উপগোষ্ঠী,হায়ারার্কি। পাঁকের দুর্গন্ধ নাকে আসে। দেখে দেখে গোষ্ঠীর প্রতি তীব্র বিরূপতা জন্মায় খালি।

    অবশ্য পরে, অনেক পরে রু’র একটা কথা মনে হয়েছে। হয়ত শুধু পারিপার্শ্বিক নয়।  আরও কিছু থেকে যায় তারও পেছনে।  ছোটবেলা থেকে শেখানো। ঘরের আগুন বাইরে নেবে না। বাইরের আগুন ঘরে আনবে না। সব কিছু নিজের মধ্যে পুষে রাখার শিক্ষা। মেয়েরা গলা ছেড়ে হাসে না। মেয়েরা জোরে কথা বলে না। ভালো মেয়েরা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ছটফট করতে নেই, চুপ করে বস। হাত-পা নাড়িয়ে কথা বলতে নেই। অত কথাও বলতে নেই। এরই কি ফল নিজের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়া?  ব্যক্তির গণ্ডী না ছাড়াতে পারা। গোষ্ঠীর মধ্যে নিজেকে না দেখতে পারা। একের সমস্যাকে দশের সমস্যা হিসেবে দেখতে না পারা। জীবনের সব সমস্যাকে ব্যক্তি-স্বাতন্ত্র্যের কৌটোতে আটকে রাখা। এর বীজ কি উপ্ত ছোটবেলায় অবচেতনে ঢুকে যাওয়া না-এর লিস্টে?

    আঠারোর রু অবশ্য এত কিছু বোঝে নি! সে শুধু বুঝেছে গোষ্ঠী মানে দলবাজি।  যারা সেই দলের অংশ,  তাদের বাড় বাড়ন্ত। বাকীদের শুধু এলাহি ভরসা। তবু আবছা সন্দেহ হয়। দেখায়, বোঝায় হয়তো ফাঁকি আছে কোথাও। অন্যরকম কিছু কি নেই? ভালো, আলো-আলো? বহুজনহিতায়। যেরকম হওয়ার কথা ছিল। বিকল্প বা অন্যতর। খুঁজে পায় না। যাদবপুরে এসে দল বেঁধে গান গায়। “আহ্বান, শোন আহ্বান, আসে মাঠ-ঘাট বন পেরিয়ে”’। গান গাওয়াই সার। তেমন আহ্বান আসে কই! চারপাশে তাকিয়ে দেখে। ইউনিয়নে অনেক মুখ। মেয়েও তো কত। জিএসই তো মেয়ে। দাপুটে নেতা। তবু রু’ শুধু মুখের কথা শোনে। কথা ঠোঁটেই ফুরিয়ে যায়। চোখ অবধি পৌঁছায় না। মুখ নড়ে, শব্দ তৈরি হয় অজস্র। আলো জ্বলে ওঠে না। নেশা ধরানো চাহনি হয়ত মেলে। উজ্জীবিত করার মত মুখের দেখা মেলে না। ব্যক্তি টানে না। আর তত্ত্ব দূরের তারা। কোন তত্ত্ব আলোচনা রু'র নাগালে আসেনি কখনো।    

    অত্যন্ত প্র্যাক্টিক্যাল কারণও আছে বৈকি। রু জানে, চাকরী পেতেই হবে। তার মামা-কাকা-পিসে-জ্যাঠা কেউ চাকরী নিয়ে বসে নেই। নিজেকেই পেতে হবে। পড়াশোনাই একমাত্র অস্ত্র। ছোটবেলা থেকে এই কথা মগজে ঠাসা হয়েছে।  এদিকে ইউনিভার্সিটিতে জঙ্গি-রাজনীতি। থেকে থেকে ক্লাস বন্ধ। সেসন পিছানো তো জলভাত। পড়াশোনা লাটে ওঠার জোগাড়। পরিস্থিতিটা মোটেই পছন্দের না। রু দেখে, স্টুডেন্টস ইউনিয়নের অনেকেই বেশ মেধাবী। অথচ পড়াশোনার প্রতি অতি ক্যাজুয়াল। পাস করলেও হয়, না করলেও হয়। ইচ্ছে হল পরীক্ষা দিল, না ইচ্ছে হলে পরীক্ষা বাদ। এটা মেনে নিতে খুব আপত্তি রু’র। তাছাড়া রাজ্য-রাজনীতির বোঝা সামলাতেই সবাই ব্যস্ত। ছাত্রদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও তেমন একটা ভাবনা-চিন্তার দেখা মেলে না। ঝিলের ওপারের গল্প। এপারের গল্প রু জানে আরও কম। তবে ক্লাস না হওয়া, প্লেসমেন্ট না হওয়া। এসব এলেবেলে ছাত্র-সমস্যা। এসব কি আর মাথা ঘামানোর বিষয়? এসব পাতি ব্যাপার, রাজ্য রাজনীতিতে কত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ঘটে যাচ্ছে!  এমনই ভাব দেখে ঝিলের এপারেও।   

    অগত্যা। নিষ্ক্রিয়তা থেকে সক্রিয়তায় উত্তরণ অধরা থাকে। অতৃপ্তি, অপছন্দটুকু থাকে মনের গভীরে। ইতিমধ্যে যাদবপুরের বিপ্লব-বিদ্রোহ চলতে থাকে। রু নিস্পৃহ থাকে। আশ্চর্য এই যে, স্রোতের ধারা বদলের ইচ্ছা কিন্তু কখনো হয় নি। কেন হয় নি?  “আমার কিসের দায়” এ ভাবনা তো কোনদিন ভাবেনি। দেশ নিয়ে একটা ইমোশন লেপ্টে থাকে। বোকা-বোকা। তবু থাকে। কিন্তু ওইটুকুই। আর আগে বাড়ে না। আত্মকেন্দ্রিকতা? এগিয়ে যেতে না পারার ভিতুমি? আত্মবিশ্বাসের অভাব? রাজনৈতিক বোধ না তৈরি হওয়া? সব মিলিয়েই বোধহয়। 

    ১৯৯০ সালে মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট বেরোয়। ব্যস শুরু হয় তুমুল গোলযোগ। ঝিলের এপারে ততটা না, ইঞ্জিনিয়ারিংএ যতটা।  সেখানে ছেলেদের অভূতপুর্ব প্রতিবাদ। ৮বি বাসস্ট্যান্ডে জুতোপালিশ করতে বসা। ভয়ানক উত্তেজনা। জায়গায় জায়গায় পথসভা। জ্বালাময়ী ভাষণ। শুনতে থাকে রু। আর ভাবে, সত্যিই তো একি অবিচার। রুও ভাবে অর্থনৈতিক ফিল্টারই একমাত্র ফিল্টার হওয়া উচিত। সেটাই বলে। এখানে ওখানে, আলোচনায় , ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে।  

    বহু বহু বছর পরে, রু’র হাতে আসে মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট। পড়ে থম হয়ে বসে থাকে। ইতিমধ্যে পড়েছে আরও কিছু বইপত্তর। ধারণাটা স্বচ্ছতর হয়েছে। যদিও পুরো স্বচ্ছ হল কি? কতটা এম্প্যাথি থাকলে অন্যের এই মারাত্মক সত্যির জুতোয় পুরো পা  গলানো যায়? বোঝে না। তবু ভাবে, আগে কেন এরকম সার্বিক আলোচনা শোনে নি! বা হয়তো শুনেছে, কানের ভিতর দিয়ে মরমে পশে নি। নিজের জন্য লজ্জা হয়। ভালভাবে না বুঝে শুনে মনের মধ্যে এতদিন ধরে ভুল ধারনা তৈরি করে রাখার জন্য। নিজের ওই আগের বলা কথাগুলো লজ্জা দিতে থাকে।  এতদিনে বোঝে পৌরুষ শুধু লিঙ্গপরিচয়েই থাকে না। থাকে ভাবনাতেও। রাজনৈতিক চেতনাতেও।  আরও কত অজানা মনের আনাচে-কানাচে জমে-থাকা-কালি যে ঝেড়ে-মুছে সাফ করতে বাকি!
     
    (ক্রমশঃ )
     
    (সমতট  বর্ষ ৫১ সংখ্যা ৩ ও ৪ এ পুর্ব প্রকাশিত )
  • ধারাবাহিক | ১৮ এপ্রিল ২০২২ | ৮৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৮ এপ্রিল ২০২২ ১০:০১506632
  • যাদবপুর কত লোক নষ্টলজিতে উলুতপ্লুত!  এই গা জোয়ারি পৌরুষ আর তাই নিয়ে  ডম্ফাই এইই দেখে আসছি প্রায় সর্বত্র। 
     
    ওই জুতো পালিশের ঘটনাটা কাগজে পড়ে এত ঘেন্না হয়েছিল! শ্রেণীহীন সমাজ টাইপ বড় বড়  বাতেলার পোল খুলে যায়  নিজেদের স্বার্থে আর প্রিভিলেজে আঘাত লাগার সামান্য সম্ভাবনা দেখলে। 
  • স্বাতী রায় | 117.194.33.168 | ১৯ এপ্রিল ২০২২ ০০:৪৪506673
  • পোল মানে কি? নতুন শব্দ - আগে শুনিনি। 
     
    যাদবপুর নিয়ে আমারও প্রচুর নস্টালজিয়া। ভাগ্যিস যাদবপুর ছিল,তাই আজকের আমি আমি হয়েছি। তবে তার মানে কি  আর সেখানে কোন কাল নেই? পুরো সাদা কি আর কিছুই হয়।
  • Ranjan Roy | ১৯ এপ্রিল ২০২২ ১৮:৫৪506704
  • @স্বাতী,
    'পোল খোলা' একটি হিন্দি কথ্য শব্দবন্ধ এর বাংলা সমার্থক হবে 'হাঁড়ি ফাটানো'। মুখোশ খুলে দেওয়া। 
    হোলির সময় হিন্দিবলয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের ভেতরের কেচ্ছা পাবলিক করার একটি প্রথা রয়েছে। তাতে ওইসব করে শেষে বলা হয় ' অগর কিসীকে পোল খোলে তো বুরা ন মানো হোলি হ্যায়'। অস্যার্থ, হোলির দিনে কাউকে উদোম করে দিলে রাগ করতে নেই।
    আজকাল বাংলায় অনেক হিন্দি লিংগো ঢুকে পড়েছে-- বিন্দাস, সন্নাটা, পোল  খোলা , ফান্টুস, ইত্যাদি।
  • স্বাতী রায় | ১৯ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৬506715
  • @রঞ্জন এইবার বুঝলাম। আচ্ছা। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন