এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • খিড়কী  থেকে  সিংহদুয়ার

    স্বাতী রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৬৮৫ বার পঠিত
  • কম্পিউটার। রু’র “খুল যা সিম সিম”। প্রবল ঔৎসুক্যের বস্তু। কিন্তু কেন? তখন অত ভাবে নি। বহু বছর পরে রেট্রোস্পেকশনে বসে রু। ভাবতে গিয়ে অবাক। পুরো পেঁয়াজের মত। এক পরত খোসার তলায় আরেক পরত। তার তলায় আরেক। শেষ নেই। জীবনের সব ভালোলাগাই কি এমন হয়? আমরা বলি ‘আমার ইচ্ছা’। কিন্তু কিভাবে তৈরি হয় সে ইচ্ছা? Politics of choice। দামী কথা। রু শুনেছে বুড়ো বয়সে। তীরের মত মাথায় গেঁথে গেছে। একদম।

    রু’র মার বিষয় সংস্কৃত। রু রাগ করত। বলত, পচা সাবজেক্ট। কেন পড়লে? এত ভালবাসতে সংস্কৃত? উত্তর পেত, “না। ভালোবাসা নয়। কলেজে আর কিছুতে অনার্স ছিল না তো।”
    - অন্য কলেজে গেলে না কেন?
    - শহরে একটাই কলেজ।
    - অন্য জায়গায় যেতে। অন্য শহরে।
    - ধুর, বাবাকে বলেছিলাম। বলল, হবে না। কলেজে ভর্তি করেছিল, এই বলে ঢের।

    রু ভাবত। ভাগ্যিস, এটা কলকাতা শহর। যা ইচ্ছে তাই পড়া যাবে। ইচ্ছে। নাদান বালিকা। অবোধ।
    পেঁয়াজের খোসা ছাড়াতে বসে রু। প্রথম পরতেই ভালো লাগা। কেন?

    ১৯৭০র আশেপাশে। কলকাতা লালে লাল। কাগজেকলমে নয় অবশ্য। বাম-রাজত্ব শুরু হবে ১৯৭৭ থেকে। সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়কে সরিয়ে। তবু বামপ্রভাব কম নয়। সেখানে কম্পিউটার ‘ক্যাপিটালিস্ট ইভিল’। লোকের কাজ কেড়ে খাওয়ার যন্ত্র। শুধু বাম নয়। অবামরাও তাই ভাবত। ভাগ্যিস সবাই তেমন ভাবত না। ওপাশে হোমি ভাবার টিআইএফআরও না। এপাশে প্রশান্ত মহালনবিশের আই এস আইও না। দেশের বড় সংস্থাগুলোও না। তারাও ততদিনে কম্পিউটারের মজা টের পেয়েছে। অনেকেই বসাচ্ছে কম্পিউটার। ঘরজোড়া কম্পিউটারের জমানা। কনকনে ঠান্ডা। আর ধুলো বিহীন। বাইরে জুতো নট এলাউড। রাবারের চটি পরে ঢোকা। এলআইসিতে বসেছে। বাটা, হিন্দুস্তান মটোরস-এও। গালভরা নাম ইডিপি সেন্টার। ইলেক্ট্রনিক ডেটা প্রসেসিং। এসব রু জেনেছে অনেক পরে।

    ’৮১ তে মনমোহন সিং এলেন আরবিআই তে। কম্পিউটারাইজেশনের জন্য কমিটি হল। ইউনিয়নের ঘোর আপত্তি। অতএব চলছে না, চলবে না। বিক্ষোভ তুঙ্গে। অবশ্য সেদিনের কলকাতায় বিক্ষোভ-ই নিয়ম। যে কোন ছুতোয়। তবু এটা বেশ বড় খবর। কাগজে ফলাও করে ছাপা হল। কিছুদিন জোর আলোচনাও। কম্পিউটার। এইবার রু শিখল।একটা বিজাতীয় শব্দ। ঠেলে-ঠুলে জায়গা করে নিল মাথার মধ্যে। খুব আবছা বুঝল। হার্ডওয়ার আর সফটওয়ার। রাজা হার্ডওয়ার। সফটওয়ার এলেবেলে। ইঞ্জিনিয়ারিং ওভার সার্ভিস।
     
    রু’র বেড়ে ওঠা এক অদ্ভুত সময়ে। নতুন ভারত গড়তে হবে। ঝোড়ো হাওয়া। ২-১ চলছে। সনাতনপন্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন। সেঁদিয়েছেন, বাড়ীর মধ্যে। ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষ। নতুন শিক্ষানীতি। জেন্ডার ইকুয়ালিটি দরকার। ইকোনমির স্বার্থে। এদিকে ’৭১ দেখেছে বাংলাদেশ যুদ্ধ । মফঃস্বলের পড়ে-থাকা নিঝুম বাগানবাড়ি আবার সরগরম। থিকথিক করেছে মানুষ। রিফিউজি। কত রকমের অবস্থার মানুষ। কেউ তলিয়ে যাচ্ছে। কেউ খড়কুটো আঁকড়ে ভাসতে চাইছে। কেউ সবে একটু পায়ের তলায় ডাঙ্গা পেয়েছে। নকশাল-আমলের রক্ত আর কান্নার দাগও স্পষ্ট। বিশাল পাঁচিল-ঘেরা কারখানার মাঠ নিঝুম। শুধু দিনে একবার ভোঁ পড়ে। তাই শুনে ঘরে ঘরে ব্যস্ততা বাড়ে। ডোবা। কচুবন। দিগন্তজোড়া মাঠ। বিরাট বিরাট দীঘি। এর মাঝে “নুনে-পোড়া-তেলে-ভাজা-গা...দি” বা পিট্টুর হুড়োহুড়ি ছোটবেলা। ছেলে-মেয়ে সমান। সমান? হ্যাঁ তো। শিক্ষিত বাঙালি বাড়িতে সমানই হয়। প্রশ্নচিহ্ন একটু পিছনে থাকে।

    সমান। আর রু’র স্কুলের রেজাল্ট ভালোই। কাজেই মিশন ইঞ্জিনিয়ারিং। ইতিমধ্যে এল ১৯৮৪। রু’র তখন ক্লাস টেন। ইন্দিরা গান্ধী হঠাৎ ‘নেই’। নতুন যুগ শুরু হল। রাজীব গান্ধী। স্যাম পিত্রোদা। ডিজিটাল ভারতের স্বপ্ন। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি। পাড়ায় পাড়ায় গজিয়ে উঠল পিসিও। কলকাতার বড় বড় রাস্তায় হোর্ডিং পড়ল, এখানে কম্পিউটার ট্রেনিং দেওয়া হয়। পাড়ার মোড়ে ছিল টাইপ-শেখানর স্কুল। সারাদিন খটাখট শব্দ শোনা যেত। শব্দ ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হল। রেক্সিনের ঢাকায় ধুলো। সবাই ছুটছে কম্পিউটার শিখতে। পাত্রপক্ষ মেয়ে দেখতে এসে প্রশ্ন করছে। শুক্তোয় কি ফোড়ন দেবে? কম্পিউটার জানো তো! জানো না? তাহলে মূল্য ধরে দিলেও হবে। বিকেলে চায়ের আসরে তুফান উঠছে। কোন কোর্স বেশি ভালো? নেহেরু চিল্ড্রেন্স মিউজিয়ামের? নাকি অ্যাপটেকের? দেশ আসে অনেক বাড়িতেই। ডেটা-কোয়েস্টের নাম অবশ্য অজানা। একে ইংরাজী তায় বিজ্ঞান। ধুর।

    এরমধ্যে কম্পিউটার নিয়ে পড়ার শখ। ইচ্ছেকে ইচ্ছে। ফ্যাশনকে ফ্যাশন। বাজারকে বাজার।

    তখন ইলেভেন-টুয়েলভ। কম্পিউটারের সঙ্গে প্রথম মোলাকাত। স্কুলে। CLASS মানে Computer literacy and studies in school প্রোজেক্টের থেকে পাওয়া? কে জানে! রু শুধু জানে, আমার স্কুলে কম্পিউটার আছে, তোর স্কুলে নেই। এটা বিশাল গর্বের ব্যাপার। সদ্য চুনকাম-করা ঘর। এসি ছিল কি? বোধয়, তখন থাকাটাই দস্তুর। দেওয়াল ঘেঁষে বসানো গাবদা মনিটর। পাশে শোয়ান সিপিইউ। বিবিসির কম্পিউটার ছিল না? ফ্লপি ঢোকানো। সুইচ টেপা। সবই অতি ভয়ে ভয়ে। ছোটবেলায় ট্র্যানসিস্টর খুলেছিল একবার। নেড়ে-ঘেঁটে তারপর আর সামলাতে পারে নি। বমাল-সমেত সারেন্ডার করতে হয়েছিল। ভালোই জুটেছিল কপালে! ফেইনম্যান হওয়া আর হল না। উলটে জুটল যন্ত্রের প্রতি ভয়। যদি কিছু হয়ে যায়! বাড়ির জিনিস নষ্ট হলেও তবু ঠিক আছে। এ তো স্কুলের জিনিস। ভয় দ্বিগুণ। অতি সন্তর্পণে দুটো-চারটে কমান্ড টাইপ করা। তারপর একটু খেলাধুলা করা। ওইটুকুই দৌড়।

    সে দুঃখ মিটল যাদবপুরে। ইতিমধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায় ঢ্যাঁড়া পড়েছে। ইন্সট্রুমেন্ট কটা কিনতে হয়েছিল ওই কদিনেই। সেগুলো ঢুকিয়ে দেয় আলমারির একদম পিছনে। যাতে চোখে না পড়ে। দেখলে একটু দুঃখ হয়। শখের অপমৃত্যু। হয়তো একদিকে ভালোই হল। বেলাইন হয়ে যেত না হলে। তবে কম্পিউটার সায়েন্স সাবসিডিয়ারি পেয়ে খুশী। সাবসিডিয়ারি মানে পাস পেপার। রু’ রা বলত সাবসি। এখানে যন্ত্রের ভয় নেই। প্রোগ্রাম লেখ আগে হাতে। কাগজে। কাটাকুটি, ঘষাঘষি করে তাকে কায়দা করো। কোডিং শিট আগেই আনা আছে। গোটা গোটা হস্তাক্ষরে এবার সেখানে টুকে ফেল। তাড়া কোডিং শিট বগলদাবা করে হন্টন লাগাও। পথে পড়বে এসি। এসি মানে অ্যামেনিটি সেন্টার। মানে ষাট পয়সার মোগলাই পরোটা। লোভে আটকে যেও না। গান্ধীভবন পেরিয়ে সোজা নাক বরাবর চলো। মাঠের পাশে গাছের তলাগুলো বাঁধানো। ৯টা ৫০ র সোনারপুর লোকাল । আর এই গাছের তলা। দুই জায়গাতেই ফাঁকা সিটের আকাল। এর উল্টোদিকেই RCC। রিজিওনাল কম্পিউটার সেন্টার। 

    সামনের গেট দিয়ে ঢোকা যাবে না। পাশের গলির মধ্যে যাও। সেখানে ভারী দরজা ঢেলে ঢুকে পড়। আরে দাঁড়াও! জুতোটা খোলো। এবার ইনপুট লেখা খোপের সামনে লাইন লাগাও। কোডিং শিট জমা দাও। এবার ভাগো। পরে আবার এসো। ঘণ্টা চারেক পর। বা আরও বেশি। ফেরত নাও আউটপুট। আর পাঞ্চ কার্ড। এক তাড়া। প্রোগ্রাম রান করলে ভালো। নাহলেও ভালো। ওই কাগজের তাড়া কাজে লাগবে। রাফখাতা হিসেবে। মাঝখান দিয়ে ভাঁজ করে নাও। এবার স্টেপল করো বা সেলাই । কিসে যে প্রোগ্রাম লিখত! রু’র বন্ধুরা মনে করায়। বেসিক, ফোরট্রান আর কোবল। তোর মনে নেই? কিছুই মনে পড়ে না রুর। শুধু মাথায় ঘোরে, RCC কে সাইবার ল্যাব বলত কি? সেকি Cyber computer এর জন্যে? কোন মডেল ছিল? কিভাবে, কবে RCC Burroughs B‐6738 থেকে Cyber এ গেল? জানা নেই। তবে সেই আধুনিক সাইবার সিস্টেমে ওদের কাজ হত না তখনও। ওদের বরাদ্দ আদ্দিকালের মেশিন।

    RCC তে যেত, আসত রু। এই পর্যন্তই। জানত না তার মহিমা। অবশ্য জানত না কত কিছুই। ভারতের কম্পিউটিঙের ইতিহাসও । এখন ভাবলে অবাক হয় রু। ১৯৫৫ সালের ISI এর HEC-2M বা 1966 সালের ISIJU-1 র কথা বাদ থাক। তখন সে জন্মায়-ও নি। কিন্তু বড় হওয়ার পর্বে? তখনও কম্পিউটার এসেছে শুধু রাজনৈতিক অনুষঙ্গে। বিজ্ঞান হিসেবে ততটা না।

    এখনও কি অবস্থা বদলেছে? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা ডেটা সায়েন্সের বেসিকটুকু শেখা যায় সহজে? ইংরাজী না জেনে? কেউ হাত ধরে পার করে না দিলে? পাথরপ্রতিমার গ্রামের ক্লাস সেভেনের মেয়েও শিখতে পারে?

    জ্ঞান চিরকালই বড় প্রিভিলেজের ব্যাপার। সবাই তার নাগাল পায় না। তথ্যপ্লাবনের মাঝে বসেও না।
  • ধারাবাহিক | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৬৮৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন