এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • খিড়কী  থেকে  সিংহদুয়ার

    স্বাতী রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৪৪২ বার পঠিত
  • মোল্লার দৌড় মসজিদতক। রু’র দৌড় বাড়ি থেকে স্কুল। স্কুল থেকে বাড়ি। পাবলিক বাস। বাঁধা রুট। বি টি রোড। যাওয়ার পথে কোন দিকে তাকানো নেই। তখন একটাই চিন্তা। ঘণ্টা পড়ার আগে স্কুলে গিয়ে ঢোকা। দেরি হলে শাস্তি বাঁধা।  ফেরার পথটা মজার। কত বন্ধু। কত গল্প। আর পথের নেশা। টালা ব্রিজের তলায় ঘুমিয়ে থাকা রেলের লাইন। চিৎপুর ইয়ার্ড। নামই শুনেছে খালি। দেখে উঠতে পারে নি। সেখানে ওয়াগান ব্রেকাররা থাকে। শোনা কথা। ব্রিজে ওঠার আগে ট্রামলাইন ঢুকে গিয়েছে। গ্যালিফ স্ট্রীট। পাশেই বিরাট খাঁচায় রাখা বদরি পাখি। লাল চোখের খরগোশও । কপাল ভালো থাকলে দেখা যায়। লোকও দেখে। বাগবাজার বাটার সামনে কলকলে স্কুলের ছাত্রী। একটু গম্ভীরমুখো দিদিমণি। অফিস ছুটি হয়নি তখনো। তাই আত্মপ্রত্যয়ী আপিসফেরতা বাবুবিবিরা নেই বাসে। বরং বুড়োমানুষ দেখা যায়। একটু নুইয়ে পড়া। ডাঁটি ভাঙ্গা চশমা। হাতের মুঠোয় বড় কালো ছাতা। গ্যালিফস্ট্রীটের মোড়ে, আর জি করের রাস্তার উল্টোদিকের ফুটে অন্য ভিড়।  দাঁড়িয়ে থাকে চওড়া মুখের অবাঙালী যুবকেরা। হাতে সুতো বাঁধা, লাল-হলুদ। বা ইয়া চওড়া স্টিলের বালা। টালা ব্রিজ পেরোয়। পাইকপাড়া, চুনি বাবুর বাজার, চিড়িয়ামোড়। সিনথেটিক শাড়ী, বাঁ-কাধে আঁচল, মাথায় টানা ঘোমটা আর হাত জোড়া লাল-হলুদ-সবুজ কাঁচের চুড়ি। মুঠোয় ধরা বাচ্চার হাত। সিআইটির মোড়, রবীন্দ্রভারতী পেরোলে আবার ছবি পালটায়। কলেজের ছেলেপুলের জটলা। ফাঁকা ফাঁকা। ঠিক যেন সিনেমার পর্দায় দেখা ছবি সব।
     
    সিঁথির মোড়ের থেকে বাস ঘোরে ডানদিকে। আর কৌতূহল নেই। এ জায়গা চেনা। হাতের তালুর মতোই। চষে বেড়ানো।  দু-তিনজন বন্ধু মিলে।  অকারণে রাস্তায় রাস্তায় ‘বস্তির ছেলেরা’ ঘোরে। মাঝে মাঝেই শোনে। ‘বাজে মেয়ে’র তকমা লাগে গায়ে। পরোয়া করে না তেমন। হেঁটে হেঁটে চলে যায়। এক একেকদিন একেক গলিতে। নতুন নতুন রাস্তায়। বিখ্যাত তো কোন জায়গা না। গলিঘুঁজি, লেন-বাইলেন। কেন ঘোরে? সঠিক বোঝে না। ধনুকের ছিলে ছাড়াতে চাওয়ার মতন কি? বোঝে না। তবে ছুটির দিনে বিকেল হলেই নেশা জাগে। শুধু সন্ধ্যার আগে ফিরলেই হল। রাস্তায় আলো জ্বলে উঠবে।  শীতের দিন হলে ধোঁয়াটে ছায়া নেমে আসবে। গলির বাড়ি থেকে আসবে হারমোনিয়ামের শব্দ। সুমরণ কিজে রামচন্দ্রকো। ভাঙ্গাচোরা পিচের রাস্তার গর্তে হোঁচট খেতে খেতে রু শুনবে “মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাঁ অ্যাঁ মোঘল সাম্রাজ্যের অ্যাঁ অ্যাঁ”। আর ভাববে ইসস আজ বেশিই দেরী হয়ে গেল। বাড়ি ফিরে কপালে আছে। 
        
    মাধ্যমিকের পরে প্রোমোশন। এবার নতুন নেশা । বাগবাজার টু শোভাবাজার। প্রথম প্রথম ভরদুপুরে। বা প্রথম বিকেলে। পরে সন্ধ্যের অন্ধকারেও। পিচ-গলা রাস্তায় বাসনওয়ালির টং টং শব্দ। হাতে-টানা রিক্সায় গামছার পুঁটুলি মাথায় ঘুমানো রিক্সাওয়ালা। মোড়ের মাথার বাসনের দোকান। বাসনের স্তূপ ডাঁই করা রাস্তায়। নিজের দোকানের সীমা পেরিয়ে। ঢেকে যায় পাশের বইখাতার দোকানের সরু ঢোকার পথ। মন্দিরে চাতালে জল পড়ে। রোদের তাত ধুয়ে দিতে। এসে বসেন এক দুজন বয়স্ক লোক। ফুলওয়ালির ঝুড়ির উপরে শাড়ীছেঁড়া, প্লাস্টিক। এবার গা থেকে ঘুম ঝেড়ে উঠে বসে। ঝুড়ির ঢাকা সরায়। পাশের টিউবওয়েল থেকে আঁজলা ভরে জল আনে। ছিটিয়ে দেয় ঝিমিয়ে পড়া জুঁইএর গোড়েমালায়। রজনীগন্ধার ডাঁটিগুলো নেড়ে চেড়ে দেয় । হঠাৎ বেলি, জুঁইএর সুবাসে বাতাস স্থির হয়ে যায়। ফুলের গন্ধে নেশা ধরে। রু আর রুর প্রাণের বন্ধুর। দুজনে দুজনের দিকে তাকায়। একটু লজ্জা পায় দুজনেই। কারণ দুজনেই জানে অন্যজনের কি মনে হচ্ছে। বিয়ের গন্ধ। লাজুক হাসি ফুটে ওঠে দুজনেরই মুখে। বিয়ে, মাতৃত্ব। ঝকঝকে ঘর আর বগবগে বাচ্চা। এই তো জীবনের লক্ষ্য। আমাদের মেয়েরা ভালো বৌ হোক, ভালো মা হোক। ছোটবেলা থেকে স্কুলে শুনেছে। ইতিমধ্যেই ওদের সহপাঠিনীদের বিয়ে হতে শুরু করেছে। বাড়িতেও কি আর অন্য কিছু? পড়াশোনা করতে হবে, চাকরীও। তবে ‘দ্বিতীয় সুর’ হয়ে। তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা। আর দুজনেরই মনে ধ্রুবতারা’রা পা ফেলছেন চুপি চুপি। স্বপ্নবোনা চলছে ‘রাত্রিশেষের প্রণামের সঙ্গে ভোরবেলাকার চুম্বনের।’    
              
    আত্মত্যাগের ভাষ্য। আত্মবিসর্জনের। আত্মবিস্মরণের। আর সেই সঙ্গে নিজেকে শুদ্ধ রাখা। উঠতে বসতে চাপা স্বরের শাসানি, এখন বড় হয়েছিস না! গজর গজর শোনে, বেহায়া মেয়ে! দিনরাত শোনে কথাগুলো। মন্ত্রের মত মাথায় গেঁথে যায়। বেশিটাই ঢুকে যায় বিশ্বাসেও। ছায়েবনুগতা। তবু প্রশ্ন জাগে। এই যে রাঙ্গাদিদার এত প্রশংসা। বিধবা অবস্থায় নিজে ব্যবসা চালালেন। চার ছেলে-মেয়ে মানুষ করলেন বলে।  ছায়েবনুগতা কই? এতো ঘোর স্বাতন্ত্র্য। বিব্রত উত্তর আসে, সে তো বৈধব্যে। আর কোন উপায় ছিল না ওঁর। রু মেনে নেয়।  সধবা অবস্থায় ছায়া-তুল্য আর বিধবা হলেই স্বাতন্ত্র্যভাব – এ সম্ভব হবে কোন জাদুমন্ত্রে? সে প্রশ্নটা আর মাথায় আসে না।  
     
    অনেক প্রশ্নই মুখে বলা হয় না। সেগুলো জমে মাথার মধ্যে। একমাথা প্রশ্ন আর পাগলা দাশুর মত খানিকটা করে অঙ্ক, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রির জ্ঞান। এই নিয়ে রু’ যাদবপুরে পা রাখে। কপাল ভালো। হাতে-গরম কয়েকজন দারুণ, দারুণ বন্ধু পেয়ে যায়। সমমনস্ক নয় সবাই। সববিষয়ে তো কেউই না। তবে চূড়ান্ত নির্ভরযোগ্য। যে কোন ভাবনার সাউন্ডিং বোর্ড। খোলা মনে আলোচনার। ঝগড়া-ঝাঁটি মারামারি সব কিছু সত্ত্বেও। সব কিছুর পরেও। এ বন্ধুত্ব নির্ভার খোলা আকাশ। ওড়ার আকাঙ্ক্ষা জাগায়। তাদের পাশে পেয়ে রু’র আত্মবিশ্বাস বাড়ে। পুরোটা না হলেও কিছুটা। দুনিয়াটা খানিকটা বড় হয়। স্বপ্ন দেখার সাহস আসে। যে ভরসা এতদিনে পরিবার, স্বজনেরা দিতে পারে নি। হয়ত ভাবনাগুলোও বোঝানো যায় নি। জীবনের ভরকেন্দ্র বদলে যায়। অনেকেই লক্ষ্য করে। বলে, বাব্বাঃ যাদবপুরে গিয়ে অনেক বদল দেখি তোর!  রু নিজেও নিজের বদলটা বোঝে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যে বিশ্বাস বাড়ছে। আগের ভাবনাগুলো বদলাচ্ছে কিছু কিছু। অনেক সম্পর্কের ইকুয়েশনও বদলাচ্ছে।  

    তবে রু বোঝে। এই বন্ধুত্ব দুর্লভ। সবসময় মেলে না। এক ভাবনার শরিক না হয়েও ভাবনার জন্য জায়গা ছাড়া। সব বন্ধুত্বের থেকে এ দাবী করা যায় না। একসঙ্গে গল্প-গুজব, সময় কাটানো। একটু হাসি, একটু আনন্দ। একটু মনকষাকষি। একটু একে অপরের পিঠ চাপড়ানো। চেপে-রাখা কম্পিটিটিভনেস। এও বন্ধুত্ব বৈকি। একটা স্তরে। এটাও কত লোক পায় না। এই নতুন ক্লাসে মেয়ে অনেক। তুলনায়। একটা কেমিস্ট্রি তৈরি হয়। ছেলেদের সঙ্গেও।  অনেকের সঙ্গেই বেশ গল্প জমে। আলাদা আলাদা ভাবে। ভালোই লাগে। ক্লাসের ফাঁকে সমবেত আড্ডা হয়। খেলার খবর, সিনেমা, গান ইত্যাদি নিয়ে তুমুল হট্টগোল। রু কিছু বোঝে, কিছু বোঝে না।
     
    কখনো কখনো না-বোঝাটা বড্ড বেড়ে যায়। তখন মনটা আলগা করে ছাড়িয়ে নেয়। তাড়াতাড়ি ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ে। চলে যায় ঝিলের ওপারে। বন্ধুরা হয়তো তখনো ল্যাব করছে। ওদের পাশে টুলে বসে পড়ে। দুটো রিডিং লেখে। বা ডি এলে চলে যায়। ডিপার্টমেন্টাল লাইব্রেরি। একটা বই টেনে নিয়ে পড়তে বসে। সবাই চেনে। কাজেই কেউ কিছু বলে না। কাজ শেষ করে বন্ধুরা আসে। জমিয়ে আড্ডা হয়। ধাপির উপরে মশাদের অবিশ্রান্ত চক্কর। তবু আড্ডা চলে। সন্ধ্যে গভীর হলে বাড়িমুখো হতে হয়। আগামীর রসদ।
     
     (ক্রমশঃ )
     
    (সমতট  বর্ষ ৫১ সংখ্যা ৩ ও ৪ এ পুর্ব প্রকাশিত )
  • ধারাবাহিক | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৪৪২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২২:১১504012
  • এই  এমসিএ কোর্সটা যদ্দিন কম্পু শিখতাম ভারী সম্মানের চোখে দেখতাম। পরে যখন থেকে ক্যাম্পাস ইন্টারভিউ নিতে যাই বা এমনিও ইন্টারভিউ নিই এমসিএর তুলনায় ইন্য যে কোন সাবজেক্টে গ্র‍্যাজুয়েট কিন্তু লজিকাল সেন্স প্রখর  আর নেট ঘেঁটে বা বপি ঘেঁটে কিছু সলিউশান বের করতে পারে এরকম ক্যান্ডিডেট অনেক বেশী গ্রহণযোগ্য। 
     
    এই সিরিজটার অনেক কিছুই চেনা। যদিও আমার গল্পগুলো একদম আলাদা।
  • স্বাতী রায় | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৫:৩৭504055
  • সেই নিজের গল্পগুলো হোক , হোক - শুনতে চাই।  
     
    আমার নিজের অবশ্য এম সি এ নিয়ে ব্যক্তিগত ধারণা আলাদা।  আমার মনে হয় গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা নির্ভর করে কাজের ধরণের উপর, কিছুটা  অধীত বিদ্যার উপর আর কিছুটা ব্যক্তির নিজস্ব গুণাবলীর উপর। অপারেটিং সিস্টেমের কম্পোনেট লিখতে গেলে আগে থেকে ভাল করে পড়ে আসা ডেটা স্ট্রাকচার   বিভিন্ন আলগোরিদম বা অপারেটিং সিস্টেমের ভিতরের কাজকারবার  নিয়ে পড়াশোনা করা থাকলে একটু বেশি তাড়াতাড়ি প্রোডাক্টিভ হওয়া যায়।  আবার বিভিন্ন বাজার চলতি প্যাকেজের সাপোর্টের প্রাথমিক কাজে সেসব থিওরিটিক্যাল জ্ঞান হয়ত ততটা দরকার লাগে না। আর এসবই তো সাধারণ ছাত্রদের জন্য সত্যি - অসাধারণরা সব সময়ই নিজেদের গড়ে তুলতে পারেন, প্রথাগত শিক্ষার আওতায় না এসেই।  তবে সেই সময়টা তাকে দিতে হয়। দুঃখ এই যে  "সময়" ব্যাপারটা অনেক সময়ই বেশ দুর্লভ।  আর অবশ্যই পোস্ট - গুগুল ফেজে শেখার সুযোগ,নিজেকে গড়েপিটে নেওয়ার অপশন অনেক বেড়েছে। তবে লজিক্যাল সেন্স ইত্যাদি গুণ তো মানুষের নিজের। যার থাকে তার থাকে, এম সি এ পড়লেও বা না পড়লেও উবে যায় না। যদিও আমার বিশ্বাস একটি বিশেষ বিষয়ে কিছু দিনের চর্চা, প্রথাগত হলেও  সাধারণ মেধার পাঠোচ্ছুক ছাত্রের ক্ষেত্রে অন্তত সেই সংক্রান্ত স্কিলকেও আরও ধারালো করে।    
  • aranya | 2601:84:4600:5410:80bd:3eae:b80a:4590 | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:৪৮504081
  • সুন্দর 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন