এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • খিড়কী  থেকে  সিংহদুয়ার

    স্বাতী রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ৩০ জানুয়ারি ২০২২ | ১২৯২ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • আগে মাঝে মাঝেই বাস ধরত রু। ২৩৪ নং। অনন্ত পথ। বেলঘড়িয়া থেকে গল্ফগ্রীন। রু অবশ্য উঠত মাঝখান থেকে। আর নেমেও পড়ত মাঝখানে। টুক করে। যাদবপুর থানায়। কন্ডাকটর চেঁচাত, রোককে লেডিস। বাস পুরো থামার আগেই টুকুস করে পা নামিয়ে দেওয়া। বাসের গতিটা শরীরে ধারণ করা ক্ষণ মুহূর্তের জন্য। এক নিষিদ্ধ উত্তেজনা। এক্কেবারে নিজের। সীমাভাঙ্গার বেপরোয়া আনন্দ। প্রিন্টিং টেকনোলজির সামনের ফুটপাথ দিয়ে হাঁটা। পলিটেকনিক পেরিয়ে। তারপরই যাদবপুরের ক্যাম্পাস শুরু। প্রথমে আইআর এর গেট। ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন। একদম পছন্দ না এই গেটটা। কেমন জেলখানা, জেলখানা দেখতে।

    থানা থেকে এতদূর অবধিই ফাঁকা, ফাঁকা। বিশেষত দুপুরের দিকে তো জনমানবশূন্য। তপ্ত দুপুরে হাওয়ায় শুধু রোদের গন্ধ। বড্ড আনমনা করে। এখানেই তো ওই লোকটা দুপুরের রাস্তায় হামলা করেছিল। বুকের উপর। বছর দেড়েক হল। এমন হকচকিয়ে গিয়েছিল রু। কিচছু বলে উঠতে পারে নি। লোকটা পালিয়ে গিয়েছিল। তখন মনে হয়েছিল, ইসস হাতটা মুচড়ে দেওয়া হল না! তারপর থেকে আর রু আনমনা হয় না। বাস থেকে নেমে হয় ওড়না পেঁচিয়ে বেঁধে নেয়। নাহলে ব্যাগটা আঁকড়ে ধরে বুকের কাছে। সতর্ক হয়ে পথ হাঁটে। একটা দুষ্টু লোক ওর আনমনা হওয়ার অধিকার কেড়ে নিল।

    অবশ্য আই আর’এর গেট পেরোনো’র একটু পরেই চোখে পড়ে দোকানগুলো। কয়েকটা কাঠ-ত্রিপলের কাঠামো। চায়ের আগুন নেবে না কখনও সেখানে। আর একটু কাছে এলে চোখে পড়ে নাসিরদা’র দাড়ি। একমুখ দাড়ির পিছনে হাসতে থাকা দুটো চোখ। ব্যস আর চিন্তা নেই। পাল্টা হাসি দিয়ে গেটের ফাঁকে সুট করে ঢুকে পড়ে রু। আর্টস বিল্ডিং এর সামনে জটলা থাকে সব সময়। তবে এঁদের রু চেনে না। একটা ছেলে ফর্সাপানা, চশমা-পড়া, শান্ত-মুখের, তার শুধু মুখ চেনে। নাম জানে না যদিও।  বাকী সব চেহারাগুলো পাল্টে পাল্টে যায়। পার্কিং লটের পাশ দিয়ে ঢুকে যায়। জলের ট্যাঙ্কের দিকে। জল খায়। নাঃ ব্যাগে জলের বোতল তখন ছিল শিশুসুলভ। আড় চোখে দেখে নেয় অভিভাবকহীন স্থাণু গাড়ী কটা। নেহাতই হাতে গোনা তারা তখনও। নবনীতাদির গাড়িও থাকে এখানেই। রুর জীবনের হিরোদের একজন। তারপর ইউজির গেট। এ গেট দিয়ে ঢোকার দিন পেরিয়ে গেছে। ধাপির সামনে আসে। নিজের বন্ধুরা কেউ আছে কিনা দেখে। তারপর রাস্তা পেরোয় ধীরে সুস্থে। ঢুকে যায় পিজি বিল্ডিংএ।

    ঝিলের এপার। এই পিজি বিল্ডিং আর রাস্তার ওপারের ইউজি বিল্ডিং। রু’র প্রবল আহ্লাদী অধিকারের জায়গা। যখন এখানে পড়েছে তখন। যখন আর এখানের ছাত্র নয়, তখনও। তবু গন্তব্য বদলায়। কবে যেন পিজি বিল্ডিং আর আশ্রয় থাকে না।  আর তখন ঝিলের মুখে ঝামরে পড়া কখনো পাত্তা না দেওয়া গাছটার জন্যেও মন খারাপ হয়। পানা-সবুজ জলে ফুটে থাকা শালুক ফুলের জন্যেও। কাঠের ব্রিজ দিয়ে হাঁটতে থাকে রু। ইএসসি বিল্ডিং ( ইঞ্জিনীয়ারিং সায়েন্সের ) পেরিয়ে, সিএল ( সেন্ট্রাল লাইব্রেরি) পেরিয়ে, মাঠের সামনের রাস্তায়। ইঞ্জিনিয়ারিং এর সীমানায়। মাঠ পেরিয়ে ডানহাতের রাস্তায় ঢোকে। সে রাস্তা অল্প গিয়েই বাঁক নেয়। গিয়ে পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্যান্টিনের সামনে। সত্যেনদার ক্যান্টিন। অনেক দিন পরে, যাদবপুর ছেড়ে বেরনোর অনেক পরে, রু’র হঠাৎ একদিন মনে পড়বে, ওই ক্যান্টিনের সিঁড়িতে পা রাখা হয় নি কখনও। তবে ক্যান্টিন অবধি যেতে হবে না। ওই বাঁকের মুখে রু’র নতুন ডিপার্টমেন্টে ঢোকার পথ। আগামী তিন বছর এখানেই আস্তানা। চার বছরের চেনা যাদবপুর পড়ে রইল ঝিলের অন্য পারে। নতুন করে যাদবপুরকে চেনার শুরু।

    অশ্লীল কিছু শব্দ। সিনিয়রদের মুখে। রু’র স্পষ্টত, দৃশ্যত অস্বস্তিতে। তাকে বোঝানো হল, এই হল ঝিলের এপারের কালচার। ওপারের কালচার ভুলে যাও। হুঁ হুঁ বাওয়া এ হল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই ছেলে-মেয়েরাও আদিতে ওই ঝিলের ওপারের। সবাই মুখ চেনা। কেউ কেউ রু'র নিজের ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র। মুখে কাঁকর পড়লে বিস্বাদে মুখ ভরে যায়। অনেক ধুলেও মাটি মাটি স্বাদ যায় না। তেমনই বোধ হল রু’র।

    চেনা মুখ অনেক। অজানাদের মুখ-চেনা হতে বেশি দেরি হয় না। বয়সের ধর্ম। পাঠ্যের বিষয়টি পছন্দের। সেটা বড় টান। তাই সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠে। পড়িমরি করে বাস ধরে। ছুটতে ছুটতে ক্লাসে এসে ঢোকে। এ অভিজ্ঞতা নতুন। ওপারে ক্লাস ফাঁকি দেওয়াই ছিল রু’র দস্তুর। কিন্তু তাতে পড়ার ফাঁক পড়ত না। এখন ক্লাস করে নিয়মিত। তবু কি যেন ফাঁক পড়ে।

    এ বিষয়টি বৃত্তিমূলক। ফলে ক্লাস অনেক বেশি সর্বভারতীয়, বহুস্তরীয়। উৎকল-বিহার-বঙ্গ ছাড়িয়ে পাকড়াও করে সর্দারনীকেও। রু অবাক বিস্ময়ে দেখে সেই কন্যাকে। ভাষার ব্যবধান। দুজনের ইন্ট্রাভার্সনেরও। তাই কথা তেমন হয় না। বোঝা হয় আরও কম। রু’র মনে পড়ে তার মা’র যুদ্ধ। বিয়ের পরে পড়া চালানো। সহজ লাগে না মোটে। মেয়েটি সন্তানসম্ভবা হয়। সন্তান হয়। তার পড়ায় ছেদ পড়ে না। বিস্ময় সম্ভ্রমে পরিণত হয়। এ মেটেরিয়াল অন্য জাতের।

    অল্প অল্প গল্প হয় অন্যদের সঙ্গে। একটি ছেলের দাদুর বাড়ি পুরীতে। গল্প শোনে দাদুর। দাদুর বাড়ির। একটা আবছা ছবি তৈরি হয় মাথার মধ্যে। সেবারই রু পুজোর সময় পুরী যায়। দাদুর বাড়ির এলাকাতেও যায়। ছবির সঙ্গে কেমন মিলেও যায়! একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। একেই কি বলে দেজা  ভু? প্রায় পঁচিশ বছর পরে ছেলেটির সঙ্গে আবার একদিন কথা হয়। রু প্রথমেই প্রশ্ন করে, তোমার সেই দাদুর বাড়িটা আছে? ছেলেটি নির্বিকার। উত্তর দেয়, নেই। রু’র কষ্ট হয়। মনে হয় ওরই যেন কোন ক্ষতি হল। কেন মনে হয়? যুক্তি তো নেই কোন।

    ইতিমধ্যে জ্ঞান বাড়ে। জানা হয় যে, এই ডিপার্টমেন্ট ইঞ্জিনিয়রদের। যারা জয়েন্ট দিয়ে আসে তাদের।  রু’দের দল সেখানে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক।  ফুটো পাবলিক। এক জন শিক্ষক চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখান। সরল সত্য। রু বাড়ি গিয়ে ডাইরি লেখে। I marked the day with a black stone. বই-পড়া এক্সপ্রেসন। তবু কষ্টটা ছোঁয়া যায়। পাথরের মতই জমে থাকে।
     
    (ক্রমশঃ )
     
    (সমতট  বর্ষ ৫১ সংখ্যা ৩ ও ৪ এ পুর্ব প্রকাশিত )
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ৩০ জানুয়ারি ২০২২ | ১২৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ৩১ জানুয়ারি ২০২২ ২০:৩৭503361
  • এইটে খুব পছন্দের লেখা ছিল।
  • Swati Ray | 117.194.34.65 | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৭:৪৪503438
  • ধন্যবাদ দ। সেটারই একটু পরিবর্ধিত পরিমার্জিত রূপ। 
  • Ranjan Roy | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:০৮503787
  • আজকে দুটো কিস্তি একশ্বাসে পড়ে ফেললাম। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
     
     মনে একটা চিন্তা এল। মৌলানায় ইকনমিক্স নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। কলেজটা তার অন্ধকার অন্ধকার প্রাচীন স্থাপত্য, ঝরোখা দেয়া গবাক্ষ --মোটে ভাল লাগেনি। ক্লাস কাটতাম। ছেড়েই দিলাম।
    যাদবপুরের কল এসেছিল। কিন্তু সেদিন ধূম জ্বর। 
    আপনার বর্ণনা শুনে ভাবছি যদি যাদবপুরে যেতাম, তাহলে কি জীবন অন্যরকম হত? হয়ত খুব তফাৎ হত না। সময়টাই ওই রকম ছিল।
      যাকগে, আশা করি এটা লম্বা চলবে। 
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:21cf:adde:54bc:d4cd | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০০:২২503791
  • পড়লাম। যাদবপুর ব্যাপারে ঐ বিভাজন নিয়ে যত কম বলা যায় ততই ভাল। ভালো লাগছে।
  • kk | 2600:6c40:7b00:1231:69f1:de32:f67a:5d77 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০২:৫৩503793
  • ভালো লাগছে পড়তে। 'দেজা-ভুঁ' না 'দেজাভু'?
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:21cf:adde:54bc:d4cd | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৪:০২503794
  • deja vu. চন্দ্রবিন্দু নাই।
  • স্বাতী রায় | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:০৩503960
  • সে ও kk কে ধন্যবাদ। ঠিক করলাম। 
     
    @রঞ্জন হ্যাঁ কিছুদিন চলবে। 
  • Emanul Haque | ০৭ এপ্রিল ২০২২ ১৮:০৯506117
  • পড়ছি। সুখপাঠ্য
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন