• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • ব্যাংক ও শিল্পে ঋণ - লুটমারের পাঁচালি

    শিবাংশু দে লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ০২ মে ২০২০ | ৩৫৯১ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ব্যাপারটা একেবারেই জটিল নয়।
    ব্যাংক যখন কোনও শিল্পে ঋণ দেয়, তখন সেই সংস্থার সম্পদের একটা ছোটো অংশকে জামানত হিসেবে চিহ্নিত করে। সেটা অতিরিক্ত সুরক্ষা। মূল জামানত থাকে ঋণের টাকায় যে সম্পদ সৃষ্টি করা হয়, সেটি। যেমন ওয়র্কিং ক্যাপিটাল দিলে জামানত কাঁচা মাল ও তৈরি বস্তুর উপর থাকে। টার্ম লোন দিলে যন্ত্রপাতির উপর। কোন ঋণে কতো জামানত হওয়া উচিত বা তার অন্যান্য জরুরি শর্তাবলী বিষয়ে নির্দেশগুলি রিজার্ভ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রক থেকে স্থির করা হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির সিদ্ধান্ত, যাকে 'ব্যাংকার্স ডিসক্রিশন' বলা হয়, তার সীমারেখাগুলি খুবই ছোটো। রিজার্ভ ব্যাংক, সেবি, কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক দিশানির্দেশ (যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ প্রণোদিত) ইত্যাদি দিয়ে ঘেরা একটা ছোটো ক্ষেত্রের মধ্যে থেকে ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

    যখন কর্পোরেট ঋণের প্রস্তাবগুলি পরীক্ষা করা হয়, তখন ব্যাংকার ঋণীর সবরকমের উপার্জন ও সম্পদের উৎসগুলিকে একসঙ্গে বিচার করে। কারণ সেটাই বিধি। সরকারিভাবে ঋণী হয়তো ঐ সম্পদের একটা ছোটো অংশকে ঋণের জামানত হিসেবে রাখবেন। যদিও দেশের আইন অনুযায়ী ঋণ খেলাপের ক্ষেত্রে ঋণীর সব সম্পত্তিকেই বাজেয়াপ্ত করার আইন রয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী গোষ্ঠীরা সেটা মানেন না । নানা রকম আইনের ফাঁক দেখিয়ে জাল কেটে বেরিয়ে যেতে চাইবেন। উদাহরণ, কিংফিশার।

    ঋণ অনাদায়ী হয়, যখন ঋণীরা ঋণ থেকে পাওয়া পুঁজিটি নিয়ে ফাটকা খেলেন বা তা অন্য ব্যবসায়ে লাগিয়ে দেন। আমাদের দেশের পশ্চিম প্রান্তে একটি রাজ্য রয়েছে। যেখান থেকে আসা বণিকরা সরকার নির্বিশেষে এদেশের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন। অতীতে সব বৃহৎ অর্থনৈতিক কেলেংকারিই তাঁদের মগজের জোরে হয়েছিলো। এই তালিকাতেও তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। ফাটকাবাজি তাঁদের রক্তে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলিকে তাঁরা এককথায় কিনে রাখেন। প্রতি নির্বাচনের সময় যেসব লক্ষকোটি টাকা বেআইনি হাতবদল হয়, তার রাশটি তাঁদের হাতেই থাকে। যে দলই সরকারে আসুন না কেন, এই সব বণিক তাঁদের থেকে শাইলকের ভাগের মাংস উঁচু সুদসহ উসুল করে নেন। ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণও সেই ভাগের মাংস।
    কর্পোরেট ঋণ যে মুহূর্ত থেকে অনাদায়ী হতে শুরু করে দেশের আইন অনুযায়ী ব্যাংকগুলি ব্যবস্থা নেবার চেষ্টা করে। রিজার্ভ ব্যাংক ও অন্যান্য সরকারি নীতিনির্দেশক সংস্থাকে জানায়। কারণ ব্যাংকের আইনগত সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা খুব সীমাবদ্ধ। আদালত বা ট্রাইব্যুনালে গিয়ে নিষ্ফল আর্জি জানানো ছাড়া বিশেষ কিছু করার নেই। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই সব গোষ্ঠীর মালিক রাজনৈতিক ভাবে এতোই ক্ষমতাশালী হয় যে ব্যাংকের অনুরোধ-উপরোধের কেয়ারই করে না। তাদের দাঁড়াবার জায়গা, 'ক্যা কর লেগা? উঠাকে ফেক দেঙ্গে' জাতীয় আকাশছোঁয়া 'আত্মবিশ্বাস'। ঘটনা প্রমাণ করে, তাদের আত্মবিশ্বাস অমূলক নয়।

    আন্তর্জাতিক ও দেশীয় আইন অনুযায়ী একটা সময়ের পর অনাদায়ী ঋণগুলিকে ব্যাংকের সচল খাতা থেকে বার করে দিতে হয়। এই ঋণগুলির জন্য ব্যাংককে তাদের লভ্যাংশের একটা বড়ো অংশ আলাদা করে রাখা প্রয়োজন। যাকে প্রভিজন বলে। যেটা দেশের লোকের টাকা। ঘটনা হলো, প্রভিজন করার পর অনন্তকাল ধরে মামলা চলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আইনের ফাঁকে ডাকাতদের কিছুই হয়না। উল্টে নির্দেশ আসে ঐ সব কোম্পানিকে রিফাইনান্স করা হোক নয়তো ব্যাংকের পুরো টাকাই ডুবে যাবে। অনেক সময় চাপের মুখে ব্যাংকগুলিকে তাও করতে হয়। জেনেশুনে আবার বিপুল ক্ষতি। সামান্য ক্ষেত্রে দুর্ভাগা কোম্পানিগুলি (যাদের প্রভাব কম) অনাদায়ী ঋণের খুব ছোটো একটা ফেরত দেয়। যেমন হাজার কোটি টাকা ঋণে আশি কোটি বা এই জাতীয়। ব্যাংকও সোনামুখ করে সেটা নিয়ে নেয়। বাকিটা মায়ের ভোগে।

    বেশ কিছুদিন হলো রিজার্ভ ব্যাংকের আত্মনিয়ন্ত্রণ ষড়যন্ত্র করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি এখন সম্পূর্ণত রাজনৈতিক স্বার্থপ্রণোদিত। উর্জিত প্যাটেলের মতো 'অতি প্রভাবশালী' লোককেও রীতিমতো পলায়ন করতে হয়। রাষ্ট্রীয়কৃত ব্যাংকগুলি প্রথম থেকেই সরকার নিয়ন্ত্রিত। আগে ছিলোনা, কিন্তু কিছুদিন হলো এসবিআইয়ের ক্ষেত্রেও এই নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ এদেশের সম্পূর্ণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মালিক কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। যাবতীয় ব্যাংকিং বিষয়ক সিদ্ধান্ত তাঁরাই নিয়ে থাকেন। অনাদায়ী ঋণের ক্ষেত্রে কী করতে হবে সে বিষয়টিও তার বাইরে নয়। কিছু মূর্খ বা অতিচালাক লোকজন যথারীতি প্রচার করার চেষ্টা করেন সরকারের এতে কোনও দায়িত্ব নেই। ঘটনা হলো এই বিপুল অনাদায়ী ঋণের পুরোটাই দেশের লোকের লক্ষ্মীর ভাঁড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফেরতের কোনও আশা নেই। বড়ো জোর নিয়মরক্ষার জন্য অতি ছোটো একটা ভগ্নাংশ শেয়ালের কুমির বাচ্চার বারবার মতো দেখানো হবে। নিতান্ত অর্থহীন গা বাঁচানো ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ সর্ষের মধ্যেই ভূত।

  • বিভাগ : আলোচনা | ০২ মে ২০২০ | ৩৫৯১ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ২২:৩১93029
  • হ্যাঁ কতটা লোন স্যান্কশান করা হবে সেটা সিএমে দেখে করা হয়।

    কিন্তু কর্পোরেট লোন তো পুরোপুরি ভাবে সিকিওর্ড। আনসিকিওর্ড কর্পোরেট লোন হয়? টার্ম লোন তো যে অ্যাসেট ক্রিয়েট করা হয়, সেটা দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে সিকিওর্ড থাকে। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোনের ক্ষেত্রেও কারেন্ট অ্যাসেট (এমনকি রিসিভেবল পর্যন্ত) সিকিউরিটির মধ্যেই থাকে। আমি একসময় অনেকগুলো লোন ডকুমেন্ট পড়েছিলাম, সেখানে তো এরকমই দেখেছি। এখন অবশ্য বদলে যেতেই পারে।
  • Somesh Kr. Bhattacharya | 172.68.146.205 | ০৫ মে ২০২০ ০০:৩৪93037
  • Shibangsubabu

    Apnar lekha pore anek kichu abagato holam. Khub tathyapurno lekha. Onek dhanyabad janai. Bhalo thakben sabai.

  • রঞ্জন | 162.158.50.219 | ০৫ মে ২০২০ ০৭:৩৯93041
  • এস,

    ঠিকই বলেছেন। সেটুকু লোন দেওয়ার সময়ে। পুরনো তিন বছরের ট্রেন্ড দেখলেন , কারেন্ট অ্যাসেট / লায়েবিলিটি দেখলেন, ক্যাশ-ফ্লো/ ফান্ড ফ্লো দেখলেন, রিসিভেবলস দেখলেন। কিন্তু বিজনেস শুরু হবার এক বছর পরে ধরুন ছবিটা পালটে গেল। মার্কেট বদলে গেল। রিসিভেবল আর রিসিভড হল না। স্টকের ভ্যালু পড়তে লাগল। দেখা গেল পার্টি ফান্ড ডাইভার্ট করেছে। ফাটকা খেলে লস খেয়েছে। বাজারে ওর ধার বেড়েছে, যাদের থেকে পাওনা ছিল তা আদায় হয়নি।

    ব্যাংক নড়ে চড়ে বসল।

    ডিস্ট্রেসড বিজনেসের অ্যাসেট ভ্যালু কমে গেল। ফলে আপনি সিকিউরিটি নিলাম করেও যতটা দরকার তা পেলেন না।  আবার একই সিকিউরিটির উপর দুটো আলাদা ব্যাংকের ফার্স্ট চার্জ/সেকন্ড চার্জ থাকতে পারে। আমাদের ইকনমির জিডিপি ফোরকাস্টের মত অনেককিছু যা এক্সপেক্টেশনের ভিত্তিতে ধরা হয়েছিল তা উপে যায় ।

    তবে আমি এক্সট্রিম কেসের কথা বলছি। অ্যাভারেজ অত খারাপ নয় ।

  • শিবাংশু | ০৫ মে ২০২০ ১৪:১৮93047
  • @ S,
    গুরুরা শিখিয়েছিলেন তিনটি 'পি'য়ের গল্প। পার্সন, পেপার্স, প্রভিডেন্স। পার্সন অর্থাৎ ঋণী যদি ঠিক হয় তবে পেপার্স, অর্থাৎ ডকুমেন্টের কোনও দরকার হয়না। যদি তা না হয়, তবে এক হাজার দস্তাবেজ নিয়েও লাভ নেই। আর প্রভিডেন্সের সামনে পার্সন বা পেপার্স অসহায়। তবে প্রভিডেন্স একদিনে বিগড়ায় না। ব্যাংকারের কাজ ঐ ব্যাপারটা নজরে রাখা। এদেশে 'পার্সন' ব্যাপারটাই গোলমেলে। দুর্নীতি পৃথিবীর সব দেশেই আছে। কিন্তু আমাদের দেশে দুর্নীতিকে অনেকেই পুরুষকার বলে মনে করেন। যে যতো 'ম্যাচো', সে ততো নিয়ম ভাঙে। দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়। ব্যাংকের নিয়মকানুন একটা 'আদর্শ' বস্তুস্থিতি ও অবস্থাকে মনে রেখে তৈরি করা হয়। কার্যক্ষেত্রে বহু সময়ই সেটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়। আনস্মার্ট ব্যবসায়ীরা প্রভিডেন্সের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ওভারস্মার্ট ব্যবসায়ীরা অন্য উপায় বার করে নেয়। কেন ইলেক্টোরাল বন্ডের শতকরা পঁচানব্বই ভাগ একটি বিশেষ পার্টির ভাঁড়ারে যায়? অতি ভক্তি তো একটি বিশেষ বিদ্যার লক্ষণ। তাছাড়া ওটাতো কেবল হিমশৈলের চূড়া। 'জমানত' কিস বলা কে নাম হ্যাঁয়?

    রঞ্জন একটু টেকনিক্যালি বলেছেন। আমি বাসস্ট্যান্ডের লাইনে দাঁড়ানো, দিশেহারা পাতি পাব্লিকের দৃষ্টিকোণ থেকে বলছি।
  • sm | 172.68.146.199 | ০৫ মে ২০২০ ১৫:০৩93048
  • অসৎ লোকের  কোন অভাব দুনিয়ার কোথাও নেই।ইওরোপ ,আমেরিকাতেও আইন বাঁচিয়ে টাকা লুঠ করা কে লোকজন স্মার্ট মানি বলেই জানে।যদি ট্যাক্স ফাঁকি দিতে পারেন।আর ফাঁকি দিয়ে কোর্ট কে বাইপাস করতে পারেন, তো লোকে আপনাকে ট্রাম্প বলবে।যদি ইন্সাইডার ট্রেডিং করে ধরা না পড়েন তো বাফেট হলেন,গুরু হলেন আর ধরা পড়লে রজত গুপ্ত!

    মোদ্দা কথা  হলো,সিস্টেম কতটা দৃঢ়,যাতে বে আইনি কিছু ঘটতে গেলেই নজরে পড়ে যায়।

    এল ও ইউ পর পর ইস্যু করা সম্ভব ই না,একটা ব্যাংকের একটা ব্রাঞ্চের পক্ষে।টাকার অঙ্ক কতো!? না, তেরো হাজার কোটি টাকা!একটি রাজ্য সিকিম এর জিডিপির সমান।বছরের পর বছর এ জিনিস চলতে পারে না কি!পুরো সিস্টেম মায়ের ভোগে গেছে।এসব জিনিস এতই স্পষ্ট যে জিরাফের গলার মতোন।।কেউ যদি বলে,জিরাফ দেখেছি কিন্তু গলাটা কতো লম্বা জানি না সেরকম ব্যাপার।

    আমার মতে সাধারণ জনগণের জন্য খালি পোস্ট অফিস আর ক্ষুদ্র লোন ব্যাংক সরকার এর অধীনে রেখে,বাকি সমস্ত ধরনের কর্পোরেট লোন ব্যাংক প্রাইভেট করে দেওয়া উচিত।যাতে ব্যাংক ফেল করলেও সরকারের টাকা না ঢালতে হয়।

    ইন্ডিয়া বুলস,দেওয়ান ফাইন্যান্স প্রভৃতি নন ব্যাংকিং ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট গুলোতে তো ভূতের নৃত্য চলছে! ঠক বাছতে দেশ উজাড়!

  • S | 162.158.106.173 | ০৫ মে ২০২০ ১৮:২২93049
  • শিবাংশুবাবু,
    বুঝলেন তো আমি একসময় এসবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। নাম না করেই বলছি। তখন একটা সবে গজিয়ে ওঠা লেন্ডিং ইনস্টিটিউশান তৈরী করেছে দুই ছোকড়া। এদিকে তারা যেসব ডিফল্ট রেট জমা দেয়, তা কখনও সত্যি হতে পারেনা। মানে যাদের লেন্ডিং এবং রিকভারি প্র‌্যাক্স্টিস বেস্ট, তাদের কাছাকাছি বা তাদের থেকেও ভালো। তা সেসবের জন্য অনেক সাবজেক্টিভিটি যোগ করেই তবে সেই নতুন ইনস্টিটিউশানকে ইভ্যালুয়েট করতে হত। এর থেকে বেশি কিছু বলছি না। আমি এক কোলিগকে জিজ্ঞাস করেছিলাম যে এতো স্পষ্ট ফ্রড, এদের ইনভেস্টিগেশান হয়নি? বললো যে হয়েছিল, ওভারনাইট ছাড়পত্র পেয়ে যায়। কিসব নাকি পলিটিকাল কানেকশান আছে। বুঝুন।
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 162.158.155.43 | ০৫ মে ২০২০ ২৩:১৭93053
  • "@ বোধিসত্ব দাশগুপ্ত,
    আপনার বিষয়টি নিয়ে এইখানে কিছু বলছিনা। 'ছোটো ও মাঝারি' ঋণের ধরনধারনের সঙ্গে কর্পোরেট ঋণের মেরুপ্রমাণ দূরত্ব। পেটি দুর্নীতির গপ্পোগুলো আলাদা। ওগুলো নেহাৎই 'চুনোপুঁটি' । এখানে তিমিঙ্গিলদের গপ্পো চলেছে।"
    হ্যাঁ, এইটা ই আমার কমেন্ট টার বক্তব্য ছিল।
  • শিবাংশু | ০৬ মে ২০২০ ১২:২০93059
  • @sm,

    স্যামচাচার সঙ্গে 'অসৎ' হবার যুদ্ধে আমরা পারবো না। তেনাদের অর্থনীতির ভিত্তিটির সঙ্গে আমাদের তুলনা চলেনা। আমাদের পরিপাক শক্তি বড়োই দুর্বল।
    ' আমার মতে সাধারণ জনগণের জন্য খালি পোস্ট অফিস আর ক্ষুদ্র লোন ব্যাংক সরকার এর অধীনে রেখে,বাকি সমস্ত ধরনের কর্পোরেট লোন ব্যাংক প্রাইভেট করে দেওয়া উচিত।যাতে ব্যাংক ফেল করলেও সরকারের টাকা না ঢালতে হয়।'

    এই সমাধান অতি সরলতা দোষদুষ্ট। এদেশে 'কর্পোরেট লোন ব্যাংক' তারাই খুলবে, যাদের নাম সাকেত গোখলের লিস্টে থাকে। আমাদের ইকুইটি মার্কেটের কেলেংকারিগুলো মনে রাখতে হবে। একা হর্ষদ মেহতা ভারতীয় অর্থনীতির ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো। সঙ্গে থাকবে আরেক 'জাদুকরে'র নাম, মনোহর ফেরওয়ানি। আর যদি বর্তমান সরকারের প্রসঙ্গ আসে, তবে বলা যায় তাঁরা ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা ঋণ নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহী ন'ন।

    @ S,
    আপনার কথায় বহুদূর ডাউন মেমরি লেন চলে গেলুম। যখন চাকরিতে ঢুকে ছিলুম তার বছর দেড়েক আগে ছেড়ে যাওয়া একজন মানুষের ছায়া আমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো। রাজকুমার তলওয়ারকে আজ কতোজনের মনে আছে জানিনা। ভারতবর্ষে আধুনিক ব্যাংকিংয়ের জনক বলা যায় তাঁকে। সততার সঙ্গে, মাথা উঁচু করে কীভাবে একটা মধ্যযুগীয় ব্যবস্থাকে তুঙ্গে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার সেরা উদাহরণ ছিলেন তিনি। জরুরি অবস্থার সময় কয়েকজন পেটোয়া ব্যবসায়ীকে নিয়মবিরুদ্ধ ঋণ দেবোনা বলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, সেই ফ্যাসিস্ট মহিলাটি, রাতারাতি তাঁর পোষা কুকুরদের দিয়ে, দেশের আইন বদলে, রাজকুমার তলওয়ারকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত করেছিলেন। তখন থেকেই এদেশের ব্যাংকিংয়ের অধঃপতনটি শুরু হয়। অনেক মাথা উঁচু করে চলা নেতৃত্ব দেখেছি আমাদের সংস্থায়। শেষ একজনকে মনে পড়ছে যিনি না থাকলে আদানির অস্ট্রেলিয়ান কয়লাখনির জন্য দেশের সাত বিলিয়ন ডলার মায়ের ভোগে যেতো। হ্যাঁ, এই সব মানুষের জন্য অবসরের পর বিশ্বব্যাংকের চাকরি থাকেনা। তবু বিহঙ্গ,

    আমরা চিরকাল তলওয়ার সাহেবের নামে কসম খেয়ে এসেছি। তাঁর তৈরি করে দেওয়া ভিত্তির সঙ্গে কি কে ভি কামাথের ঝিলবোজানো মাটিতে আকাশছোঁয়া ইমারতের কোনও তুলনা করা যায়?
    একটা লিংক দিচ্ছি। তাঁর সম্বন্ধে সামান্য তথ্য আছে সেখানে। অবাক লাগে, সেই দেশেই সাকেত গোখলের শিন্ডলার্স লিস্ট নিয়ে আমরা আলোচনা করি .

    http://rspai.tripod.com/rktalwar.htm

    @ বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত,
    ঠিক। সে গল্পও করবো কোনও দিন ...
  • sm | 162.158.88.129 | ০৭ মে ২০২০ ১০:৪৭93085
  • হরিশ সালভে তার মতো করে বক্তব্য রেখেছেন।একটা জিনিষ উল্লেখ করেছেন, দেশীয় আর্থিক সংস্থা গুলো কেন খুব কম সুদে,বিদেশী ব্যাংক গুলো থেকে ঋণ নেবে না?
    এর কোন ভিত্তি আছে?নাকি বাজার গরম করা বক্তৃতা!
    https://www.aajkaal.in/news/national/-now-is-the-time-for-centre-to-use-its-mints--yryo
  • রঞ্জন | 162.158.155.43 | ০৭ মে ২০২০ ১৫:২২93086
  •                    ভাবতে ভাল লাগে ওই আদানির কয়লাখনির জন্যে বিশাল লোন পলিটিক্যাল চাপের মধ্যে থেকেও ডিসবার্স না করা মহিলাটি বাঙালী, ছত্তিসগড়ের ভিলাইয়ে স্কুলিং, যাদবপুরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন।         

  • sm | 162.158.91.178 | ১১ মে ২০২০ ১৩:৪৫93183
  • শিবাংশু বাবু,ব্যাংক যদি এঁদের লোন না দেয়,তবে কাদের দেবে?
    এই ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত লোন নিয়ে ব্যাংকের কি বক্তব্য? অন্তত মহামারীর সময়?
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=57028&boxid=39301
  • শিবাংশু | ১২ মে ২০২০ ১৬:২০93215
  • @ sm,
    এঁরাই ঋণের আসল হকদার। ব্যাংকের ঋণ পাওয়া 'কঠিন' হয় সরকারি নিয়মনীতি আর রাজনীতিকদের জন্য। আজ থেকে পঁয়তাল্লিশ বছর আগে DIR বা ডিফারেনশিয়াল রেট অফ ইন্টারেস্ট নামে একটি ঋণ প্রকল্প ছিলো আমাদের। সেখানে বার্ষিক চার প্রতি শত সুদে দরিদ্রতম মানুষদের পুঁজি জোগানো হতো। বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ এই সব ঋণ কেউ শোধ করতেন না। সত্যি কথা বলতে কী, সারাদেশের সব ডিআইআর ঋণীও যদি ঋণ শোধ না করতেন, তবুও তার পরিমাণ একজন মাত্র ছোটোখাটো কর্পোরেট ঋণখেলাপির দায়ের থেকে কম হতো।

    আমি রাজকুমার তলওয়ারের কথা লিখেছি এখানেই। তাঁকে এদেশের ক্ষুদ্র শিল্প ও কৃষি ঋণের পথিকৃৎ বলা হতো। তাঁর নীতিনির্দেশে এদেশে পি এল ট্যান্ডন কমিটি ক্ষুদ্র ঋণের একটি সুপারিশপত্র পেশ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের বিচারে সেখানে সব 'বৈপ্লবিক' বিধান দেওয়া হয়েছিলো। আগ্রহীরা এই লিংকটি পড়ে দেখতে পারেন।
    http://arts.brainkart.com/article/tandon-committee---working-capital-and-banking-policy-1076/

    ১৯৭৬ সালে তলওয়ার সাহেবকে ইন্দিরা গান্ধি বেআইনি ভাবে অপসারিত করার পরেও বছর পনেরো ব্যাংকে এই নীতি মেনে চলা হতো। নব্বইয়ের দশকে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমতা আনতে আর্থিক ও ব্যাংকিং ক্ষেত্রে যেসব সংস্কার করা হয়েছিলো সেখানে প্রুডেন্শিয়াল নর্মস বজায় রাখতে গিয়ে এদেশে ব্যাংকিং ব্যাপারটাই রাতারাতি পুরো বদলে যায়। য়ুরোপ বা মার্কিন অর্থব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রাখতে গিয়ে এদেশে সময়বদ্ধ ভাবে যেসব আর্থিক নীতি নেওয়া হয়েছিলো তার প্রধান বলি হয়ে পড়েন আমাদের দেশের দরিদ্র বা অস্বচ্ছল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ফুলে ফেঁপে ওঠেন বড়ো পুঁজির বণিকরা। গত কুড়ি বছরে তাঁদের বৃদ্ধি 'দিন দুনি রাত চৌগুনি'। তাঁরাই এদেশের বাণিজ্য তথা রাজনীতির নীতিনির্ধারক হয়ে বসেন।

    ছোটো ব্যবসায়ীদের বিজনেস মডেল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্রুটিপূর্ণ হয়। কারণ তাঁদের প্রয়োজন ও সাধ্যের মধ্যে বিরাট ফাঁক থাকে। সরকারি নিয়মের সঙ্গে তাকে মেলাতে গিয়ে অনেক আপোশ করতে হয় ব্যাংকারদের। কিন্তু ব্যাংকিং একটি বিজ্ঞান। প্রতিটি আপোশ মারাত্মক হয়ে ফিরে আসে। তা সত্ত্বেও,যাকে বলা হয়, All said and done, আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে পুঁজির বিকেন্দ্রীকরণ দরকার। রাজনীতিকদের উস্কানিতে পড়ে সক্ষম ঋণীরাও ঋণখেলাপি হয়ে যান। ব্যাংক মানুষের শুভ বুদ্ধির ভরসায় চলে। যেখানে অধিকাংশ সৎ মানুষ দেখেন তস্করদেরই জয়জয়কার, তাঁরাও খুব বেশিদিন 'সৎ' থাকতে পারেন না। এদেশের আর্থিক বা চাকরির বাজারকে মনে রেখে ব্যবসার নীতি নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো এই নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংক বা রিজার্ভ ব্যাংকের বাঞ্ছিত স্বাধীনতাটি এখন আর নেই। আমিও ফ্রন্ট লাইন ব্যাংকিং থেকে বহু দিন দূরে চলে গেছি। প্রশাসনিক পরিসংখ্যান দিয়ে তৃণমূল স্তরের নাড়ী বোঝা যায়না সব সময়। ভরসা করি পণ্ডিতদের জ্ঞান-অভিজ্ঞতার উপর। সাম্প্রতিক কালে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় নানা রকম সুপারিশ করেছেন। আগে তো অনেকেই করেছেন। ব্যর্থ হয়ে বিদেশে ফিরেও গেছেন তাঁরা। কিন্তু চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।
  • রাজার হস্ত... | 162.158.50.247 | ১২ মে ২০২০ ২০:৪৪93225
  • এরাই আবার ঋণখেলাপীও হবে!

    India's richest 1 per cent hold more than four-times the wealth held by 953 million people who make up for the bottom 70 per cent of the country's population, while the total wealth of all Indian billionaires is more than the full-year budget, a new study said on Monday.
    Releasing the study 'Time to Care' ahead of the 50th Annual Meeting of the World Economic Forum (WEF), rights group Oxfam also said the world's 2,153 billionaires have more wealth than the 4.6 billion people who make up 60 per cent of the planet's population.
  • | ১২ মে ২০২০ ২২:২০93237
  • এই দশ লাখ কোটির কি একটা ঘোষণা করেছে না সেটাও সাইফন হয়ে এই খেলাপীদের হাতেই পড়বে।
  • d | 162.158.155.25 | ১৩ মে ২০২০ ০২:৪৮93255
  •  অবশ্য গত দু তিন বছরে নিয়ম অনেক বদলেছে , ঋণ খেলাপি র সংখ্যা অনেক কমেছে . সরকার এর নীতি এখন অনেক কড়া 
    তবে ব্যতিক্রম তো থাকবেই 

  • sm | 162.158.88.163 | ১৩ মে ২০২০ ০৯:৪৯93266
  • ঋণ খেলাপির সংখ্যা কমেছে বললে তো চলবে না।এন পি এ এমাউন্ট বাড়ছে কেন?
    কতো খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার হলো?কতো শিল্পপতি ও আধিকারিক শাস্তি পেলেন?
    কতো ব্যবসায়ী পলাতক?কতজন ফেরত এলো?
    মালিয়া, নীরব মোদী এনারা খালি ঋণ খেলাপি তঞ্চকতায় দোষী নন,এঁদের সংস্থায় কাজ হারানো হাজার হাজার কর্মী দের দুরবস্থার জন্যও এঁরা দায়ী।সেদিক টাও খেয়াল করতে হবে।
  • S | 108.162.245.183 | ১৪ মে ২০২০ ০২:৩৪93295
  • একটা টেকনিকালিটির কথা সবাই যেন মাথায় রাখে। এই অনাদায়ী ঋণ (এন পি এ) বহুদিন ধরেই ভারতের ব্যান্কগুলোতে বসে আছে। সেটার হঠাত বৃদ্ধির একটা বড় কারণ অনাদায়ী ঋণ মাপার নিয়মের পরিবর্তন।

    ১৯৯৩ সালে একটি লোনকে তখনই অনাদায়ী মনে করা হত, যখন সেই লোনের সুদ বা আসল জমা করা হতনা সময়ের ১ বছরের মধ্যে। মানে আপনি একটি লোন আজ নিলেন এবং এক বছর পরে একটি ইনস্টলমেন্ট দিলেন, তাহলেই ধরে নেওয়া হত যে আপনার লোন ভালো লোন এবং এন পি এ নয়।

    সেই নিয়ম বদলায় ১৯৯৪ সালে যখন সময় সেই কমিয়ে ২৭০ দিন (তিন কোয়ার্টার) করে দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে আরো কমিয়ে ১৮০ দিন করে দেওয়া হয়। মনে রাখবেন যে এই সময়সীমা ছিল প্রকৃত ডিউ ডেটের উপর ৩০ দিন গ্রেস পিরিয়ডের ঊপরে। অর্থাৎ আপনার বাড়ির লোনের ই এম আই ডিউ ডেট ১ তারিখ, আপনি ৩০ দিনের মধ্যে সেই টাকা না দিলে তখনই ধরা হয় যে একটি ইনস্টলমেন্ট "পাস্ট ডিউ"।

    ২০০১ সালে আর বি আই এই "পাস্ট ডিউ" এর কনসেপ্ট থেকে বেড়িয়ে আসে। তখনই নিয়ম করা হয় যে ২০০৪ সাল থেকে এই এন পি এর সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিনে নিয়ে আসা হবে।

    ২০১৮ সালের ফেবরুয়ারিতে এই নিয়ম বদলে ১ দিন করে দেওয়া হয়। অর্থাত আজকে যদি কোনও লোনের সুদ বা আসল ফেরত দেওয়ার দিন হয়, তাহলে আজকেই সেটা দিতে হবে, নইলেই সেই লোন এনপিএ। এটা ১৯৯৩ সালের (যখন এফেক্টিভলি সময় ছিল ৩৯০ দিন) থেকে অনেক বেশি স্ট্রিক্ট।

    এর কারণেও বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যান্কের এনপিএ বেড়ে যায়। সঙ্গে ২০০৯-২০১০এর মন্দা যেমন আছে, তেমনি ব্যান্কের অনাদায়ী ঋণের একাংশ ঘুর পথে রাজনীতিতে আসছে, সেরকম দাবীও আছে।

    পরে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশানুসারে এই ১ দিনের নিয়ম বদলে ৩০ দিন করা হয়।

    সম্প্রতি এই বিশেষ সময়ের কারণে এই বছর ২৭শে মার্চ আর বি আই সমস্ত কমার্শিয়াল ব্যান্ক, এনবিএফসি, এবং অন্যান্য লেন্ডিং ইনস্টিটিউশানকে তাদের কাস্টোমারদের ৯০ দিন মোরাটোরিয়াম দেওয়ার পারমিশান দেয়। এপ্রিল মাসে সেই সময় আরো বাড়িয়ে ১৮০ দিন করে দেওয়া হয়। এর ফলে আগামী দুয়েক কোয়ার্টারে হঠাৎ এনপিএ কমে যেতে পারে।
  • রঞ্জন | 162.158.165.67 | ১৫ মে ২০২০ ০৭:২৯93334
  • @এস,

    "সম্প্রতি এই বিশেষ সময়ের কারণে এই বছর ২৭শে মার্চ আর বি আই সমস্ত কমার্শিয়াল ব্যান্ক, এনবিএফসি, এবং অন্যান্য লেন্ডিং ইনস্টিটিউশানকে তাদের কাস্টোমারদের ৯০ দিন মোরাটোরিয়াম দেওয়ার পারমিশান দেয়। এপ্রিল মাসে সেই সময় আরো বাড়িয়ে ১৮০ দিন করে দেওয়া হয়। এর ফলে আগামী দুয়েক কোয়ার্টারে হঠাৎ এনপিএ কমে যেতে পারে।"

      এই "এপ্রিল মাসেসেই সময় আরো বাড়িয়ে ১৮০ দিন করে দেওয়া হয়।" মানে ২৭০ দিন মোরাটরিয়াম?

    একটু রেফারেন্স দেবেন? ওই পরের ১৮০ দিনটা আমি কোথাও মিস করেছি।

  • শিবাংশু | ১৫ মে ২০২০ ১৩:০৮93347
  • @S,

    আপনি সংক্ষেপে প্রুডেনশিয়াল নর্মের অ্যাসেটস ক্ল্যাসিফিকেশন এবং ইনকাম রেকগনিশন বিষয়ে লিখেছেন। ব্যাপারটা গত দুই দশকে জটিলতর হয়ে গেছে। মোরেটোরিয়াম বিষয়ে বিশেষ আশাবাদী হবার কারণ নেই। নব্বই দিন বা একশো আশি দিন যাই হোক না কেন, মূল ব্যাপারটা বদলাচ্ছে না। এই রিপোর্টেই লিখছে স্ট্যান্ডার্ড অ্যাসেট হলেও তাদের উপর দশ প্রতি শত প্রভিজনিং করতে হবে।
    "With the objective of ensuring that banks maintain sufficient buffers and remain adequately provisioned to meet future challenges, they will have to maintain higher provision of 10 per cent on all such accounts under the standstill, spread over two quarters, i.e., March, 2020 and June, 2020।"
    আমাদের মির জুমলা ও শক্তিহীন দাসানুদাস দুজনে মিলে রেপো আর সি আর আর অ্যাডজাস্টেড আট-ন লক্ষ কোটি টাকা 'করিব করিব বিশ লাখ করোড়ের' মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এই টাকাটা পড়ে আছে ব্যাংকের কাছে। টাকার সাপ্লাই রয়েছে। নেবার লোক নেই। এই বিপুল 'মৃত' টাকার ভার ব্যাংকগুলি বেশি দিন বহন করতে পারবে না। তার উপর অত্যন্ত সাময়িক কৃত্রিম 'ফিল গুড' ক্রেডিট পরিস্থিতির রূপকথা তাসের ঘরের মতো ধ্বসে পড়বে সেপ্টেমবরেই। ভক্তশ্রীর দল দুহাত তুলে 'আপাতকালীন, আপাতকালীন' কীর্তন করবে। মানুষের পকেটে টাকা না থাকলে উৎপাদন করে কী হবে?
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন