• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • করোনার বিরুদ্ধে লড়াইঃ পরীক্ষা ও তার সমস্যাগুলি

    স্বাতী রায়
    বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২২ মার্চ ২০২০ | ১২২৯ বার পঠিত
  • 382। 22 তারিখে ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। ড্যাশবোর্ড এ দেখাচ্ছে। এদিকে অজানা সোর্সের থেকে আক্রান্তের সংখ্যাটা ক্রমশ: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আজকের দিনে তেমন মানুষের সংখ্যা 47 জন। সোর্স : covidout.in.

    চিন্তার ব্যাপার তো বটেই। তারই মধ্যে চিন্তা বাড়াচ্ছে একটা অন্য তথ্য। টেস্ট না হলে তো জানা যাবে না , করোনা কি করোনা নয়। সেই টেস্টিং এর ব্যবস্থাটা কি রকম?

    WHO র থেকে বলা হয়েছে, We have a simple message to all countries -test, test, test.

    এদিকে ICMR এর এখনো অবধি যে guideline (20 তারিখের) রয়েছে, সেই অনুযায়ী যাঁরা গত 14 দিনের মধ্যে বিদেশ থেকে এসেছেন কিন্তু যাদের কোন উপসর্গ নেই, তাদের শুধুই গৃহবন্দি হয়ে থাকার নির্দেশ। কোন উপসর্গ দেখা দিলে তবেই টেস্ট করতে হবে। কনফার্মড আক্রান্তের পরিবারের লোকেদের জন্যও সেই একই গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ। টেস্ট করা হবে শুধু নীচের লোকদের:

    1) বিদেশ ফেরত যাদের উপসর্গ দেখা গেছে

    2) কনফার্মড আক্রান্তের সংস্পর্শে আসার পরে যাদের উপসর্গ দেখা দিয়েছে তাঁদের,

    3) উপসর্গ দেখা দিয়েছে এমন স্বাস্থ্যকর্মীদের

    4) তীব্র শ্বাসযন্ত্রের কষ্ট ওলা হাসপাতালের রুগীদের

    5) কনফার্মড রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে আসা লোকদের ( তার পরিবারের লোক বা যে স্বাস্থ্যকর্মী তাকে পরীক্ষা করেছেন তারা) , উপসর্গ থাকুক আর নাই থাকুক।

    এখনো অবধি আমাদের দেশে প্রতি মিলিয়ন মানুষে মাত্র 10 জনের টেস্ট করা হয়েছে। (তুলনাটা বোঝানোর জন্য বলছি শুধু, ইতালির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা প্রতি মিলিয়নে 3500 জন।)

    WHO র মাথারা বলছেন যে সব সন্দেহভাজন লোকের টেস্ট করাটাই ভালো। এমনকি হালকা জ্বর আর কাশি হলেও। ভারত এখনো এ পথ নেয় নি। ফলে অনেকের অনুমান আসল অসুস্থের সংখ্যাটা হয়তো আর বেশি। কে জানে!

    তাঁরা এও মনে করছেন যে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর জন্য আরো অনেক বেশি সংখ্যায় টেস্ট হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু সরকার দেশের বিভিন্ন জায়গার 51 টি হাসপাতাল থেকে 826 জন ফ্লু বা শ্বাসকষ্টের রোগীদের স্যাম্পল নিয়ে টেস্ট করিয়েছেন। কোনটাতেই করোনা ভাইরাস পান নি। ফলে তারা আরো বেশি সংখ্যায় টেস্টের প্রয়োজন দেখছেন না। এটা অবশ্য দুদিন আগের খবর। এই 47 জন অজানা সোর্সের থেকে আক্রান্তের খবর আসার পরে তাদের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায় নি।

    এখানেই ভয়টা লুকিয়েও থাকতে পারে। উপসর্গ না থাকলেও রোগ ছড়াতে পারে। বিশেষ বিশেষ দেশ থেকে না আসলেও একজন রোগের বাহক হতে পারেন। গগনদীপ ক্যাঙের মত বিশিষ্ট বিজ্ঞানীরা বলছেন যে উপসর্গওলা সব লোকেরই পরীক্ষা হওয়া দরকার।

    এদিকে লোকজনের প্রতিক্রিয়া বিবিধ রকমের। কেউ কেউ যেমন এই সব পরীক্ষা নিরীক্ষার থেকে পালাতে চাইছেন, কেউ কেউ আবার ফ্লুর মতো উপসর্গ দেখে বা নিজের অজান্তেই আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন ভেবে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চাইছেন। কিন্তু টেস্ট করাতে চাইলেই করানো হচ্ছে না। ICMR এর শর্ত না পূরণ করলে টেস্টও হবে না। আর কাদের টেস্ট হবে সেটা ডাক্তাররাই বলবেন। ফলে হালকা ক্ষোভ ছড়াচ্ছে।

    আরো বেশি পরীক্ষা করার সমস্যাটা কি? প্রথমত: সরকারী পরীক্ষাগারের অপ্রতুলতা। শুরুর থেকেই 72 টা সরকারী পরীক্ষাগারে টেস্ট করা যাচ্ছিল। সব মিলিয়ে দিনে 9000 টা টেস্ট করা সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গে যেমন মাত্র দুজয়গায় হচ্ছিল এই পরীক্ষা। এখন দুটো আরো বড় টেস্টিং ল্যাব করা হয়েছে। এতে দিনে আরো 2800 টি টেস্ট বেশি করা যাবে। অবশ্য সম্প্রতি সরকারী, বেসরকারী মিলিয়ে আরো 111 টি জায়গায় পরীক্ষা করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। দিন দশেকের মধ্যেই তারাও কাজ শুরু করবে।

    সমস্যা টেস্টিং কিটেরও। আসলে গোটা টেস্টিং এর প্রক্রিয়াটি জটিল। করোনা ভাইরাস একটা RNA ভাইরাস। তাকে পাকড়ানোর জন্য সম্ভাব্য রোগীর নাক গলার থেকে সোয়াব নিয়ে প্রথমে তার থেকে RNA আলাদা করা হয়। তার থেকে DNA তৈরি করে, প্রোবের সাহায্যে তার থেকে বার করা হয় স্যাম্পলে ভাইরাস আছে কিনা। অনেকটা সময় লাগে পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ হতে। টেস্টটা করতে অনেক কিছু লাগে। তার মধ্যে বাকী সব দেশে মিললেও প্রোবটি আনাতে হয় বিদেশ থেকে। সরকার খোলসা করে জানান নি যে তাদের হাতে কত কিট আছে। তবে আপাতত নাকি 1 মিলিয়ন প্রোব জার্মানী থেকে আনা হচ্ছে। WHO র থেকেও আরো কিছু নেওয়া হবে।

    নম্বরের ঘাটতি হয়তো কিছুটা এভাবে মেটান যাবে। যদিও আমাদের জনবিস্ফোরণের দেশে তাতে কতটা প্রয়োজন মিটবে তা জানা নেই। দামের ব্যাপারটা তো আছেই। সরকারী ল্যাবে এই টেস্ট বিনা পয়সায় হয়। খোলা বাজারে এ টেস্টের দাম সব মিলিয়ে হাজার দশ টাকা। কে বইবে এই বিপুল খরচের ভার? একবার দেশ স্টেজ 3 তে ঢুকে গেলে ভাইরাস যখন আমজনতার মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে, তাদের কত শতাংশ এই দাম দিয়ে টেস্ট করাতে পারবেন? দামের উর্দ্ধসীমা টাকায় বেঁধে দেওয়ার কথা হচ্ছে। সরকার অবশ্য বেসরকারী পরীক্ষাগারেও টেস্ট বিনাপয়সাতে করানোর জন্য অনুরোধ করেছে। অনুরোধে কতটা কাজ হবে জানা নেই। ইতালির স্কেলে টেস্টিং এর পরিষেবা মানুষকে দিতে হলে, তার মোট অর্থনৈতিক দায় কি হবে সেটা ভাবতেই ভয় হচ্ছে।

    অথচ যে হারে অজানা সোর্সের থেকে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সরকারের টেস্টের শর্তের পরিধি বাড়ানো দরকার অবিলম্বে। এখন প্রতিটি মুহূর্ত অসম্ভব দামী। এখনো যা কিছু সংক্রমণের খবর, সে সবই মূলত শহরাঞ্চলের ধারে কাছে। প্রত্যন্ত গ্রামের থেকে খবর আসে নি এখনো। একবার সে খবর আসতে শুরু করলে তা সামাল দেওয়া হবে কি ভাবে তা জানা নেই। নিদেন টেস্টটুকুনিও করিয়ে ওঠা যাবে তো? সে করতেও তো সেই শহরেই আনতে হবে। সম্ভব হবে তো? আমরা আমজনতা ভয়ে মরি।

    আশার কথা শোনাচ্ছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। নতুন এক পরীক্ষা বার করেছেন তাঁরা। এতে PCR মেশিনের মত জটিল দামী মেশিনের দরকার পড়বে না। মাত্র তিরিশ মিনিটেক সময়ে টেস্ট হয়ে যাবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে এই নতুন টেস্ট অনেক বেশি এক্যুরেটও। ফলে সংক্রমণের প্রথম ধাপেই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা যাবে। সব থেকে বড় কথা এর ফলাফল বোঝা যাবে খালি চোখেই। ফলে গ্রামের দিকে ব্যবহার করা সহজ হবে। ওঁরা চেষ্টা করছেন বাড়িতে ব্যবহারের জন্য টেস্ট কিট বানানোর।

    অবশ্য আমেরিকাতেও ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কোম্পানি ৪৫ মিনিটে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরতে পারা যাবে এমন একটি র‍্যাপিড ডায়াগনোস্টিক টেস্ট বার করেছেন। FDA approval ও পেয়েছে। এতে হাসপাতালেই পরীক্ষা সেরে ফেলা যাবে, এখনকার নিয়মমত আর কেন্দ্রীয় পরীক্ষাগারে পাঠাতে হবে না। এই দু:সময়ে এই কথাগুলোই অল্প হলেও স্বস্তি দেয়।

    অবশ্য আরো স্বস্তির খবর এল আজকেই। আই আই টি দিল্লির বিজ্ঞানীরা একটি কোভিড-১৯ ভাইরাসকে শনাক্ত করার উপায় বার করেছেন যাতে RT-PCR পদ্ধতিতে ওই প্রোবের আর দরকার পড়বে না। এদের এই পরীক্ষার পদ্ধতিটি এখন National Institute of Virology র অনুমোদনের অপেক্ষায়। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার খরচ অনেক কমে যাবে। বিদেশ থেকে প্রোব আমদানি করার ঝামেলাও থাকবে না।

    তবে কিনা , "মারে হরি, রাখে কে"? এমনিতেও আমাদের দেশে এতদিন কতটা সতর্ক হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথে স্ক্রিনিং হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এয়ারপোর্টের স্ক্রিনিং অব্যবস্থার কথা বাদই দিলাম। অনেক নেটিজেনই জানাচ্ছেন কদিন আগেও অনেক প্রবেশপথেই অত্যন্ত দায়সারা গোছের স্ক্রিনিং এর কথা। কোয়ারণটাইন কেন্দ্রের থেকে মানুষ পালিয়েও যাচ্ছেন । এতই খারাপ দশা। একটি রেলওয়ে স্টেশনের স্ক্রিনিং এর ভিডিও চোখে পড়ল। মোবাইলে কথা বলতে বলতে স্ক্রিনিং কর্তা আনমনে চলে যেতে বলছেন। এদিকে একটি কর্পোরেট হাসপাতালে দেখা গেছে রিসেপশনের মেয়েটি মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে মুখে হাত চাপা দিয়ে হেঁচে কেশে অস্থির। তারপর সেই হাতেই কম্পিউটারের কীবোর্ড দাবানো। এরপর ভরসা করা খুব মুশকিল। এখনো যদি আমরা সকলে মিলে সতর্ক না হই, বিধিনিষেধ মেনে না চলি তাহলে সমূহ বিপদ।

    এমনিতে সাধারণ কমবয়সীদের এই ভাইরাস থেকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কমই। বয়স্ক বা অসুস্থ জনেদের বিপদ অনেকগুন বেশি হলেও আমাদের দেশে বৃদ্ধদের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম। কিন্তু তাতেও আমরা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতে পারছি কই! আমাদের প্রায় ভেঙে পড়া সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কি সেই চাপটুকুও নিতে পারবে? একেই তো সেখানের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা "ঢাল নেই , তরোয়াল নেই নিধিরাম সরদার" হয়ে শুধু অসীম মমতা, সাহস আর মেধা নিয়ে লড়ছেন। নিতান্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সামগ্রীটুকুও তাদের সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় নি। অবশ্য সে সমস্যা বেসরকারী ক্ষেত্রেও একই রকমের হচ্ছে শুনেছি।

    তবু লড়াই চলছে। একটাই ভরসার কথা। চেন্নাই এর ইনস্টিটিউট অফ ম্যাথেমেটিকাল সায়েন্সের দুই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন যে ভারতে কোভিড 19 এর একজন আক্রান্তের থেকে 1.7 জন মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এই রেট টা ইরান বা ইতালির তুলনায় কম, যাদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা ক্রমান্বয়ে 2.73 আর 2.34. এই সংখ্যাটা অবশ্য পরিবর্তনশীল, আগামীতে বদলাতে পারে। আর কেন তুলনায় কম তারও কোন নিশ্চিত ব্যাখ্যাও এখনো মেলে নি। তবু এই কম থাকাটাই অনেকটা স্বস্তির।

  • বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২২ মার্চ ২০২০ | ১২২৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • i | 108.162.249.129 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৫:১৩91709
  • গুরুত্বপূর্ণ কথা। সংক্ষেপে সাজিয়ে বলা। এইরকম লেখা খুব জরুরী।
    থ্যাংক ইউ।
  • π | 162.158.165.173 | ২৩ মার্চ ২০২০ ১০:১৬91710
  • ভাটিয়ালিতে এসব নিয়ে নানা কথা হচ্ছিল। তাই ভাবলাম রেখে দি এখানে, সব শেষের কমেন্ট সবচে উপরে, নিচ থেকে উপরে পড়তে হবে।
    ------
    π | 172.69.135.129 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:২১437994
    টেস্টিং বাড়ানোর প্ল্যান , এসব ১০ দিন আগের ঘোষণা, ১৬, না ১৭। হেল্থ সেক্রেটারি আর আমাদের ডায়রেক্টর জেনেরালের প্রেস কনফারেন্সের ভিডিও দেওয়া আছে দেখ।
    π | 162.158.165.211 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:২০437993
    এগুলো সব অনেক পুরানো খবর , ঐ করোনার সুতোটা একটু পড়, সব আপডেট আছে।

    যা বুঝলাম, লোকে টই , বুবুভা কিছু দেখেইনা ঃ(
    π | 162.158.166.54 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:১৮437992
    হ্যাঁ, কাল ৫ টায় দলবেঁধে মোচ্ছবের যা সব ছবি দেখছি, তা যে পরিমাণে ক্ষতি করে থাকতে পরে !

    কোলকাতায় নানা লোকজন ফাঁকা থাকলে কোলকাতায় ড্রাইভ করতে কেমন লাগে সেসবও লিখেছেন, রোমান্টিক সব ছবি দিয়ে।
    aka | 162.158.187.70 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:১৭437991
    Bracing for the inevitable, India is scaling up testing. Officials say existing labs are able to provide results in six hours and each lab has the capacity to test 90 samples a day which can be doubled. Fifty more state labs are expected to begin testing samples by the end of the week, bringing the total number of testing facilities to 122. Authorities claim that together, the labs will be able to test 8,000 samples a day - a significant scaling up. In addition, the government is planning to allow around 50 private labs to start testing, but they will take up to 10 days to procure kits. (Testing at state-run labs is free, and it is unclear whether the private labs will charge.)

    আমি বিবিসির রিপোর্টে পেলাম। তিনদিন আগের।
    S | 162.158.106.131 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:১৪437990
    ভাইরাস কতটা স্প্রেড করেছে সেটা হয়ত বোঝা মুশকিল, কিন্তু ফ্যাটালিটি তো আর টেস্টিংএর অভাবে আটকে থাকবে না।

    আমেরিকার ফ্যাটালিটি বাই পপুলেশান রেটকে ইন্ডিয়ায় লাগালে সেটা দেড় হাজার হওয়ার কথা। সেটা বোধয়, ইভেন আফটার আন্ডার রিপোর্টিং, এখনও হয়নি। সেই একই রেট ইতালির ক্ষেত্রে নিলে ইন্ডিয়াতে লক্ষাধিক ফ্যাটালিটি হওয়ার কথা ইতিমধ্যে। সেটা এখনো হয়নি ফর শিওর।

    বাট দ্যাট ডাজ নট মিন যে কাসর ঘন্টা বাজিয়ে লোকজন মোচ্ছব করবে। যাদের কাজে যেতে হচ্ছে বা দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের কথা নাহয় বুঝলাম। কিন্তু যারা বাড়িতে থাকতে পারে, তাও দল বেঁধে ছুটি এন্জয় করতে শহরে বেড়িয়েছে, তাদেরকে পুলিশ একটু কড়কে দিলে ভালো হয়।
    π | 172.68.146.157 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:১২437989
    টেস্ট হচ্ছে আইডি ও এস এস কে এমে। কিন্তু স্যাম্পল কালেকশন সেন্টার অনেক , পুরো লিস্ট, গাইডালাইন , কাদের কীভাবে হবে, হচ্ছে, হেল্পলাইন, লেটেস্ট গাইডলাইন, ঐ করোনা করণীয় পেজে দেওয়া আছে দেখ। এই পাতাতেই লাল বাটনে ক্লিক করলে পাবে।
    S | 162.158.106.131 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৮437988
    আজকে ফক্স নিউজে ডঃ ফাউচি বললেন যে ইয়ঙ্গ জেনারেশনের তেমন কোনও ভয়ই নেই, ফ্যাটালিটি খুব খুব কম হবে। ইন্ডিয়ার মিডিয়ান (বা অ্যাভারেজ) এজ আমেরিকা আর চায়্নার থেকে অনেক অনেক কম। ফলে ইন্ডিয়া কিছুটা ভ্যান্টেজ পয়েন্টে রয়েছে পুরো ব্যাপারটা সামাল দেওয়ার ব্যাপারে। বর্ডার এন্ট্রিতে আরো বেশি সতর্ক হলে কাজে দিত। তার সঙ্গে কিছু লোকজন যাদেরকে বলা হয়েছে কোয়ারেন্টিনে যেতে, তারা কথা শুনলে সমস্যা আরো ছোট স্পেসে থাকবে। দেখা যাক।
    aka | 108.162.238.46 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৭437987
    আমি জানিনা ভারতে কিভাবে টেস্ট হচ্ছে, শুধু এইটুকুই শুনেছি কলকাতায় আইডি হসপিটালে টেস্ট হচ্ছে। আমার জায়গায় কোথাও টেস্টের কোন পাত্তা নেই।
    π | 162.158.165.103 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৫437986
    আরেকটা ব্যাপার আকাদা, আমার মনে হয় ইউএসএ তে এই যে টেস্টের রেজাল্ট আসতে এত্ত দেরি হচ্ছে, এটাও ইন্ফেস্কশন এত্ত ছড়িয়ে যাওয়ার বড় কারণ। ইন্ডিয়াতে এটি অন্তত বেটার, অল্প টেস্ট হলেও ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেজাল্ট আর সঙ্গে সঙ্গে তার কন্ট্যাক্টদের আইসোলেশন , টেস্টিং ইঃ এগুলো হচ্ছে, ওয়ার ফুটিং এ।
    dc | 162.158.167.9 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৪437985
    আমার আগের পোস্টের লিংকঃ

    https://timesofindia.indiatimes.com/india/indian-test-kits-may-be-non-starter/articleshow/74765890.cms
    π | 172.68.146.157 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৩437984
    FDA যেটা আপ্রুভ করেছে ইউ এস এ তে, তিন ঘণ্টার টেস্ট, সেটা ইন্ডিয়ায় নাকি শিগ্গিরি আসতে চলেছে। FDAর ঈ একজনের সংগে কথা হল। কিন্তু উনি বলছিলেন ইন্ডোয়ার নিজের সেই ফেসিলিটি বাননও দরকার, যে ৭ দিনের মধ্যে নতুন ডায়গনস্টিক বানিয়ে দেবে। বিল গেটস বোস্টনে এরকম কিছু একটা করেছেন শুনলাম।
    হখগ | 162.158.167.149 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০৩437983
    ****হসপিটাল বেড
    হখগ | 162.158.167.149 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০১437982
    পাই য়ের আশংকা আমারও আছে, গ্রামে ২০ সেকেন্ড হাত ধোয়া র মত রানিং জল নাও থাকতে পারে এবং বেগ ইত্যাদি তো নাই, ভেন্টিলেশনে দূরস্থান
    π | 172.69.134.92 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৯:০১437981
    দেখ আকাদা, ইউ এস এ এই যে টেস্ট করাত এএত সমস্যা, অরণ্যদার কেসটাই ধর , অফিসেই পোজিটিভ, তারপর প্রি এক্সিস্টিং কন্ডিশন আছে, এগুলো কিন্তু ইন্ডিয়ায় টেস্ট হতই। এখানে কন্টাক্ট ট্রেসিং খুব ভালভাবে করেছে বেশিরভাগ জায়গায়। পুরো নর্থ ইস্টে ০ , কিন্তু টেস্ট হচ্ছেনা নাকি? রোজ এত্ত এত্ত স্যাম্পল আসছে। বেশিরভাগ কন্ট্যাক্ট ট্রেসেঙ্গ করে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা লোকজনের সিম্প্টম এলে তাদের স্যাম্পল। এবার এটা যেসব জায়গায় ভাল এনফোর্সড হয়েছে, ভাল, যেখানে এটা রিলাক্স্ড , চিত্তির। আম্রিগা এক মাস আগে এগুলো আদৌ স্ট্রিক্টলি করেছে বলে শুনিনি। এক মাস কেন, কেস তো জানুয়ারিতে এসেছিল। বিশাল দেরি করেছে। ইন্ডিয়াতে কেস আসার সঙ্গে সঙ্গে এটা শুরু হয়েছে। তবে আমার্মতে বিদেশ ফেরত আসিম্পটোমেটিক দের বাধ্যতামূলক অব্জার্ভেশনে না রেখে এই যে তাদের শুভবুদ্ধির উপরে সেল্ফ কোয়ারান্টাইনে ছেরে রেখেছিল, এটি একটি মস্ত ব্লান্ডার করেছে। পরে বেশিরভাগ কেসই এদের ক্ষেত্রে আর এদের কন্ট্যাক্ট।
    dc | 162.158.167.9 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৫৯437980
    সরকার নাকি ঘোষনা করেছে যেসব প্রাইভেট কোম্পানি টেস্ট কিট বানাচ্ছে তাদের সবাইকে US FDA বা EU র থেকে অয়াপ্রুভাল জোগাড় করতে হবে, তবেই বিক্রি করার লাইসেন্স মিলবে। কোম্পানির লোকেরা বলছেন এই সময়ে এরকম অয়াপ্রুভাল পাওয়া অসম্ভব। আপাতত সারা ভারতে একটাই কোম্পানির কাছে এরকম লাইসেন্স আছে, সেটা আমেদাবাদের কোম্পানি।
    π | 172.68.146.217 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৫৫437979
    অরিনদা, একদমই তাই। আর HIVর কন্ট্রোলের একজন মূল কারিগর এবার এই করোনারও দায়িত্বে, ডঃ গঙ্গাখেদকর। দেখা যাক, তবে এঁরা যা করতে চাইছেন , সবই সরকারের লেভেলে কন্ভিন্স করিয়ে করা যাচ্ছে, এমনও তো নয়। NAARI এইডস কন্ট্রোলে নোডালি খুব বড় ভূমিকা নিয়েছিল।
    aka | 162.158.187.84 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৫৫437978
    ভদ্রলোক যা বলছেন তা সত্যি না হলেই ভালো। কিন্তু ইউএস দেখে না হওয়ার কারণ দেখছি না। শুধু রিপোর্টিঙ্গ কম হবে, টেস্ট হবে না ইত্যাদি।
    π | 162.158.23.100 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৫২437977
    ডঃ রামানানের টক ৫ দিন আগেই শুনেছিলাম, আগে উনি পিএইঅএফাঅই তে ছিলেন, চিনিও, সরকার থেকে PHFI র উপরে পুরো ক্র‌্যাকডাউন করল, NGO আর ফরেন ফান্ড ইস্যু নিয়ে, বাইরে চলে গেলেন, খুবই কোয়ালিফায়েড লোক, বিস্তর পেপারও , ইন্ডিয়ার রোটাভাইরাস এঁরই পরিকল্পনা বলা চলে, অনেক ভ্যাকসিন নিয়ে কাজও। কিন্তু এক্ষেত্রে কিছু জায়গায় দইমত, এটা প্রয় ৭ দিন আগে উনি বলছেন, তারও ৫-৭ দিন আগের কেস নিয়ে,এবার এই পরিমাণে কেস হলে তার অন্তত ১০-২০% সিভিয়ার হবে, মনে হাসপাতালে তো আসবেই। তাহলে সেই সঙ্গ্খ্যাটা কত্ত ভেশি হতে পরে, নিজেরাই ক্যালকুলেট করুন, এটা হলে হাসপাতাল সিস্টেম কিন্তু ওভারহোয়েল্ম্ড হয়ে পড়ার কথা। এটা আগে বলেছিলাম কিনা মনে নেই, ম্যালেরিয়ার অভিজ্ঞ্তা , সেখানেও তো বিস্তর আন্ডার্রিপোর্ট চলে, কিন্তু এপিডেমিক , আউটব্রেক হাইড করা যায়না,হাসপাতাল খুব অসুস্থ লোকে ভরবেই, মৃত্যু বাড়বেই, যেটা হয়ত অল্প করে শুরু হয়েছে আরো ৭ দিন আগে। কিন্তু উনি যে সময় বলছেন, সেত হলে হাসপতাল সিভিয়ার পেশেন্টে আর প্রচুর নিউমোনিয়া জনিত মৃত্যুতে মারা যেতেন। সেটা কিন্তু হয়নি। প্রচুর ডাক্তারদের সঙ্গেও কথা বলেছি, তাঁরাও বলছেন। হ্যাঁ, এমনি জঅরের রোগি অনেক বেড়ে গেছে, যেটা তাঁদের লোকের এই নিয়ে আতন্কের ফল, শুধু একটু সর্দি কাশি হলে আগে কেউ আসতেন না, এখন আসছেন। কিন্তু প্রয় কেউ সিভিয়ার না।
    ইন্ডিয়াতে অন্য কোন স্ট্রেন, ডিজিজ সিভিয়ারিটি কম কিনা জানিনা, কিন্তু এটা ফ্যাক্ট। এ হপ্তায় কী হবে জানিনা। এর আগে নিমোনিয়া পেশেন্টদের উপর সারি সারভেলান্স চালানো হল, ৮২৬ জন, সব নেগেটিভ। এখন তো গাইডলাইনেই এসে গেছে, এরকম সব পেশেন্ট টেস্ট হবে। শনিবার থেকে শুরুও হয়ে গেছে। আজ থেকে বোঝা যাবে। আমাদের এখানেই তো পরীক্ষা হচ্ছে, দেখি।

    আমার বারবার মনে হচ্ছে, এই মধ্যপ্রাচ্য থেকে , দেশের মধ্যে পুনে ব্যাঙ্গলোরের সংক্রমিত অঞ্চল থেকে কাতারে কাতারে মানুষের নিজেদের গ্রামে ফিরে যাওয়া, আর বস্তির মধ্যে ঢুকে যাওয়া, এগুলোর কারণে এবার বিশাল বাড়তে পরে।
    অরিন | 198.41.238.123 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৫১437976
    "এক সময়ে ভাবা হয়েছিল যে HIV মহামারীর মত ছড়াবে এদেশে। তা হয়নি কিন্তু."

    সেটা কিন্তু এস্টিমেট এর ভুলভ্রান্তি নয়, বরং পাবলিক হেলথ ও ডাক্তারির কৃতিত্ব ।

    কারণ পাবলিক হেলথ এর তরফ থেকে HIV প্রিভেনশন, এবং এন্টি রেট্রোভাইরাল ওষুধের একটা বিস্ফোরণ হয় । ভারতের ডাক্তার রা অনেক ক্ষেত্রেই অন্যান্য অনেক দেশের ডাক্তারদের তুলনায় প্রেসক্রাইবিং এর ব্যাপারে সাহসী (জ্ঞানে / অজ্ঞানে) এবং সব মিলিয়ে HIV বাবাজিকে জব্দ করা হয়েছে ।
    হখগ | 162.158.166.18 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৪০437975
    টেস্ট শুরু হলে ফেটে যাবে
    হখগ | 162.158.166.18 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৩৮437974
    ক্যাপটেন

    Assured PM that my Govt will seamlessly coordinate with the Union Govt. Requested him to draft all public & private hospitals in the fight against #Covid-19 due to enormity of challenge. Apprised him of our arrangements for 16,000 quarantine beds & 2800 hospital isolation beds. https://t.co/লাঁ৯৭ক্স৯৮লভ্৯

    এই মেট্রিক টা সব রাজ্যের পাওয়া গেলে ভালো হত
    হখগ | 162.158.166.18 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:৩৪437973
    I appreciate the decision of Mr @Rajinder_Gupta, Chairman @TridentGroupInd, to close down their unit and offer full wages, housing and food to his employees during closure. I would urge other Industrialists in the State to do the same and set an example for the Nation.

    ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং এর টুইট থেকে নেওয়া।
    এরকম কিছু এখানে শোনা যায়নি এখনো।
    aka | 108.162.238.70 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:১৯437972
    নীচের ভিডিওটা শুনুন অনেক ডুজ অ্যান্ড ডোন্ট্স বলা আছে। মাস্ক, বাড়িতে কারুর হলে কিভাবে, কতটা সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিঙ্গ করবেন, ইত্যাদি। অত্যন্ত ইনফরমেটিভ, শেন ভয়েস।

    আর বুইলেন কিনা গ্রেট মাইন্ডস থিন্ক অ্যালাইক, ইনিও স্টেডিয়ামকে হেলথ কেয়ার ফেসিলিটি বানাতে বলেছেন। (কলার তোলা ইমো)
    aka | 108.162.237.129 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:১৫437971
    পিটির মতন এখনও যারা ভাবছেন ঐ তো ইন্ডিয়ায় ৩৫০ জন, ভালো করে শুনুন। ইন্ডিয়াতে কমিউনিটি স্প্রেডিঙ্গ শুরু হয়ে গেছে।

    এই ভদ্রলোক যা বলছেন হাওয়া থেকে বলছেন না।

    হখগ | 162.158.165.103 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৮:১১437970
    অজি রা তো বিশাল স্টিমুলাস ঘোষনা করল
    PT | 141.101.107.5 | ২৩ মার্চ ২০২০ ০৭:৩৪437969
    এক সময়ে ভাবা হয়েছিল যে HIV মহামারীর মত ছড়াবে এদেশে। তা হয়নি কিন্তু....
    "India has the third largest HIV epidemic in the world. In 2017, HIV prevalence among adults (aged 15-49) was an estimated 0.2%. This figure is small compared to most other middle-income countries but because of India's huge population (1.3 billion people) this equates to 2.1 million people living with HIV."
  • π | 162.158.22.33 | ২৭ মার্চ ২০২০ ০০:০৭91792
  • ও, এখানে সারি সার্ভেলেন্স নিয়ে আছে।
  • o | 162.158.63.251 | ২৭ মার্চ ২০২০ ০০:২৫91793
  • হ্যাঁ, ধন্যবাদ। পড়েছি এটা।
  • স্বাতী রায় | 162.158.50.254 | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৮:৪৪91891
  • আই আই টি র যে কিটটার কথা এখানে লেখা আছে সেটা এন আই ভি র পরীক্ষায় ফেল করেছে দেখলাম। আপ্প্রুভড কিটসের লিঙ্কেও আছে।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত