• হরিদাস পালেরা
  • তরুণদের বিশ্ব জয়...

    Muhammad Sadequzzaman Sharif
    বিভাগ : আলোচনা | শুরু: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | শেষ মন্তব্য: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৩২৩ বার পঠিত
  • বাংলাদেশ গতকাল এক অভূতপূর্ব কাণ্ড করে ফেলেছে। ক্রিকেট বেশ কিছুদিন ধরেই আমরা ভাল খেলছি কিন্তু খেললেও ফলটা আসাছিল না হাতে, কালকে সেই অধরা ফল ধরা দিয়েছে। আমরা যুব বিশ্বকাপ জিতে গিয়েছি। উচ্ছ্বাসে ভাসছে দেশ। ক্রিকেট প্রেমীদের জীবনে এমন দিন খুব কমই এসেছে। আর আমরা যারা একটু আগে থেকে ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন দেখি তারা তো গায়ে চিমটি কেটে দেখে বিশ্বাস করতে পারছি না যে এই দিন দেখলাম বেঁচে থাকতেই। আজকে এখন বিশ্বাস করাই যায় একদিন মূল বিশ্বকাপও আমাদের হাতে আসবে এবং তা খুব একটা অলৌকিক কিছু হবে না কোনমতেই।

    কাপ জেতার পর আজকে দুইটা বিষয় নিয়ে একটু বলতে চাই। দুইটা বিষয়ই খুব আলোচিত, চর্চিত চর্বিত হচ্ছে গতকাল থেকে। প্রথম হচ্ছে মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঝে প্রায় হাতাহাতি ঘটে যাওয়া আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে খুব জ্ঞানী জ্ঞানী ভাবে প্রায় সকলেই বলছে যে এই জয়ী দলকে উপহার না দিয়ে, পুরস্কার না দিয়ে তাদের সামনের জন্য প্রস্তুত করা। দুইটা নিয়েই আমার কথা আছে।

    মাঠে যা হয়েছে তা খেলার অংশ বলেই আমি মনে করি। মানে খেলার মাঝে যা হয়েছে। ইনিংসের নবম বলেই সাকিব বল করে ফিরতি বল ধরেই ব্যাটসম্যানের দিকে সোজা ছুড়ে মারে, যা অল্পের জন্য ব্যাটসম্যানের মাথায় লাগেনি। এরপর সাকিব কোন প্রকার দুঃখ প্রকাশ না করেই চলে আসে। আম্পেয়ার সতর্ক করে কিন্তু বারুদ তখন থেকেই জ্বলতে থাকে। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশে বোলারদের এমন দানবীয় আগ্রাসন চালু থাকে এবং এতে একবারের জন্যও ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা স্বস্তিতে ব্যাট করতে পারে নাই। বলের সাথে সাথে চোখ দিয়েও আগুণ ঝরার কাজটা সাকিব, শরিফুল, অভিষেক খুব ভাল ভাবেই করে গেছে। এবং আমি এতে কোন সমস্যা দেখি না। ফাস্ট বোলাদের এই জিনিস থাকতে হয়। ছিঁড়ে ফুঁড়ে ফেলার তীব্র ইচ্ছা ফাস্ট বোলাদের না থাকলেই বরং ক্যামন জানি লাগে। আমি বলছি না যে সবাই এমন, ধীর স্থির বোলার যে ছিল না বা এখন নাই তা না। কিন্তু এই জিনিসটা ফাস্ট বোলাদের অলংকার মনে হয় আমার কাছে। একটা দারুণ বল করে ফোলো থ্রুতে গিয়ে ব্যাটসম্যানকে কিছু একটা বলে আসা জবাবে ব্যাটসম্যান কিছু বলল, খেলায় তাপ ছড়াল কিছু। এগুলা সত্যি কী খুব দোষের? আমার মনে হয় না। বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন পরিণত, এক সময় আমাদের বোলাররা এই আচারন দেখানর সাহস পেত না, এখন পায়। আমাদের বদলে যাওয়ার লক্ষণ এটা। মাশরাফি তার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিল যে ও হেইডেনের বিপক্ষে বল করে চার খাওয়ার পর দেখে চার মেরে হেইডেন ওকেই স্লেজিং করছে! ব্যাটসম্যানের কাছ থেকেও স্লেজিং হজম করছি আমরা। কাজেই ক্রিকেটে এই জিনিস চলে আসছে, কম বেশি কিন্তু চলে যে আসছে তা মোটামুটি সকলেই আমরা জানি। কিন্তু আমার আপত্তি আছে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আমাদের খেলোয়াড়দের আচারন নিয়ে। ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের ভিতরের সব শেষ হয়ে যায়, যাওয়া উচিত। বয়সের কারণে হোক, সাময়িক উত্তেজনার জন্য হোক ছেলেরা জয় উৎযাপন করতে গিয়ে পরাজিত দলের খেলোয়াড়দেরকে ঘিরে নাচানাচি শুরু করে, যা হয়ত ভারতীয় খেলোয়াড়দের উত্তেজিত করে আর প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওরাও একটা গর্হিত কাজ করে ফেলে। ওরা আমাদের পতাকা নিয়ে টানাটানি শুরু করে। দুইটাই খুব খারাপ কাজ হয়েছে। কিন্তু আমি ভারতীয় দলের কথা বলতে পারব না, আমি আমার দলের কথাই বলব, তাদের জয়ের পর জয় উৎযাপন করার ব্যাপারে আরও পরিপক্বতা শিখতে হবে। জয়ী দলের আচারন জয়ী দলের মত হওয়া উচিত। আগামী দুই বছর অন্যদল কাপ নেওয়ার আগ পর্যন্ত আমরাই চ্যাম্পিয়ন। এটা কেউ বদল করতে পারবে না। তাই আমাদের আচারন, খেলোয়াড়দের আচারন চ্যাম্পিয়নদের মত হওয়া খুব জরুরি। কাপের সাথে সাথে এই দায়িত্বও অর্জন করেছে দল, এই দায়িত্বও চ্যাম্পিয়নের মত পালন করতে হবে। জয়ী দলের আচারন কেমন হওয়া উচিত তা সাত গোল দেওয়ার পর জার্মানির আচারন দেখে শেখা উচিত সকলের। পরাজিত দলের প্রতি যে শ্রদ্ধা সেদিন জার্মানি দেখিয়ে ছিল তা নজিরবিহীন। ফুটবল ইতিহাসে এমন নজির নাই। চাইলেই সেদিন ব্রাজিলের সম্মানকে বুটের নিচে ফেলে পিষে ফেলত পারত, কিন্তু সেদিন তা হয়নি। জার্মানি তা করেনি। প্রতিপক্ষকে তার সম্মান দিয়েছিল তারা। আমাদের চ্যাম্পিয়নের মত আচারন শিখতে হবে, এর আর কোন বিকল্প নাই।

    তবে আমার ধরনা মাঠে যা হয়েছে পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে তা তাদের মাঝে মিটে গেছে। সমস্যা রয়ে গেছে দুই দলের সমর্থকদের ভিতরে। সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় সাংবাদিকরা আকবর আলিকে বারবার এই জিনিস নিয়েই প্রশ্ন করে গেছে। ভারত খেলায় হেরেছে তাদের নজর সেদিকে নাই। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আচারন খারাপ করেছে সেইটাই তাদের কাছে মুখ্য!! এর থেকে বের হয়ে আসা উচিত। বাংলাদেশী সমর্থকরা অল্প কছুদিন ধরে সাফল্য পাওয়ার ফলে এখনো জয়ী দলের মত আচারন আয়ত্ত করতে পারেনি। খেলা জিতলেই বা হারলেই জাতীয়তাবাদ, সীমান্ত, রাজনীতি এমন নানা জিনিস নিয়ে টান দেওয়ার কিছু নাই। দুইটা পাশাপশি দেশ খেললে একটু তাপ ছড়ায়। আগে আমাদের হত না কারণ আমরা শক্ত জবাব দিতেই পারতাম না। এখন পারি দেখেই হয়। সব জায়গায়ই এমন হয়। একটা শত্রু শত্রু ভাব, যুদ্ধ বেধে যায় যায় অবস্থা খেলার সময় তৈরি হয়। ক্লাব ফুটবলে হরহামেশা দেখা যায়, আশেজে দেখছি এমন, ব্রাজিল আর্জেন্টিনা দেখছি। কিন্তু তা ওই পর্যন্তই। এরপর আবার মাটিতে নেমে আসতে হয়, আসা উচিত। কিন্তু আমরা বাড়াবাড়ি করতে উস্তাদ। তিক্ত না করে শেষ করতে পারি না। ১৯ দলের সবাই খুব অল্প বয়সই, কাজেই তাদের বেশি দোষ ধরতেও রাজি না আমি। অল্প বয়সে এত বড় একটা অর্জন হয়ত দুই দলের জন্যই পাহার সমান চাপ নিয়ে এসেছে। ভারতের কথা বলতে গেলে বলতে হয় ওরা গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল, চারবার কাপ নিয়েছে। তাদের জন্য জীবনে প্রথমবার ফাইনাল খেলা বাংলাদেশের কাছে হেরে যাওয়ার যে কত বড় চাপ তা সকলের পক্ষে বুঝা মুশকিল । আমি চাই বয়সের সাথে সাথে তাদের সকলের মাঝে পেশাদারিত্ব ভাল ভাবে তৈরি হোক। সমর্থকরাও কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করুক।

    দ্বিতীয় কথা যেটা হচ্ছে খেলোয়াড়দের পুরস্কারের বিরোধিতা যারা করছেন তারা কী বুঝে করছেন আমি বুঝছি না। প্রায়ই দেখি অনেকে বলে যে টাকা পয়সা দিয়ে এদের নষ্ট করছে সরকার। কত টাকা? ফেদেরারের চেয়ে বেশি? শচিনের চেয়ে বড় স্টার? উসাইন বল্টের চেয়ে ধনী হয়ে গেছে যে নষ্ট হয়ে গেছে টাকা পেয়ে? আমি জানি না। দেশি খেলোয়াড়দের কথা যদি বলি, সব চেয়ে টাকা, নাম কামাই করছে সাকিব, মাশরাফি, তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ, তাহলে এরা নষ্ট হল না কেন? মূল কথা হচ্ছে টাকা পয়সা সমস্যা না, সমস্যা হচ্ছে তাদের কে বুঝানো যে টাকাটা তুমি পাচ্ছ কারণ তুমি খেল, না খেললে তুমি কেউ না। নজরটা খেলার দিকে ধরে রাখতে হবে। তার দায়িত্ব হচ্ছে বোর্ডের। বোর্ড কিছুই করবে না, আর দোষ হবে টাকা পেয়ে মাথা নষ্ট হয়ে গেছে! বিজ্ঞাপন করলে খেলোয়াড় নষ্ট হয়ে যায়! এমন কথা শোনা যায় প্রায়ই। তাহলে আর বিশ্বের এক নাম্বার ধনী খেলোয়াড়ের খেলে কাম ছিল না, হয় বিজ্ঞাপন করত না হয় খেলা নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে বিজ্ঞাপন করা বাদ দিত।
    মানুষ যেটা বুঝে না তা হচ্ছে এই খেলোয়াড়দের আর কোন আয় নাই। আপনি চাকরি করেন, ব্যবসা করেন তা আপনার সাথে আপনার বয়স হয়ে যাওয়া পর্যন্ত থাকবে। কিন্তু একজন খেলোয়াড়ের কথা ভাবুন, সর্বোচ্চ ত্রিশ পঁয়ত্রিশ, এরপর শেষ! বাকি জীবনর কামাই তাকে এই বয়সের মধ্যে করে নিতে হবে। শুধু একদিক ভাবলে মুশকিল। যুব ক্রিকেটারদের অবশ্যই পুরস্কৃত করে হবে সেই সাথে তাদেরকে নজরদারির ভিতরে রাখতে হবে যেন কেউ ঝরে না যায়। খেলার প্রতি যে তীব্র ভালবাসা তা যেন ধরে রাখতে পারে তারা তা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই এরা আমাদের অধরা স্বপ্ন পূরণ করবে একদিন।

    ক্রিকেটের জয় হোক, বাংলাদেশ ক্রিকেট তার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাক এই তরুণদের হাত ধরে।


  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • মহাভারতের কৃষ্ণায়ণ এবং রামের বৈষ্ণবায়ন
    (লিখছেন... r2h, কল্লোল, কল্লোল)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... একলহমা , pi, বিপ্লব রহমান)
    জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... পিনাকী, ট্রাম্প, pi)
    গুরুর নতুন লেআউট
    (লিখছেন... tester, tester, অর্পিতা)
    ইফ চুমু কামস .........
    (লিখছেন... রাজু, PT, pi)
    চিন্তা যখন আক্রান্ত
    (লিখছেন... pi, pi, দ)
    শিশু টক(৩)
    (লিখছেন... byaang, hu, pi)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • গণিত, সৌন্দর্য্য ও অমরত্ব : সুকান্ত ঘোষ
    (লিখছেন... gabeT, স্, pi)
    বৈদিক ও ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃত ভাষা নিয়ে দু চারকথা : souvik ghoshal
    (লিখছেন... )
    শার্লক হোমস ও ফরেনসিক তদন্ত : সুকান্ত ঘোষ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, pi, একলহমা)
    ফাঁসি চাই, ফাঁসি : Prativa Sarker
    (লিখছেন... Prativa Sarker, tester, pi)
    স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন সংক্রান্ত গল্পসমূহ : সুকান্ত ঘোষ
    (লিখছেন... খ, de, সুকান্ত ঘোষ )
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত