• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • হাহা হিউম্যান রাইটস

    প্রতিভা সরকার
    বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২০ আগস্ট ২০১৯ | ২২ বার পঠিত
  • একে বলে বজ্র আঁটুনি। ফস্কা গেরোর ব্যাপারই নেই কোনো। কয়েক লক্ষ সেনা, পঞ্চাশ হাজার আধা সেনা তো ছিলই, এবার আরো সত্তর হাজার আধা সেনা মোতায়েন। নির্বিচার ধরপাকড়, নেতাদের অন্তরীন দশা। খবরের কাগজ, টিভি, ইন্টারনেট, ফোন সব বন্ধ। লাগাতার কার্ফিউ। বাড়ির দরজায় দাঁড়ালেও ছুটে আসছে ছররা গুলি। যেন একটা বিশাল কালো শ্বাসরুদ্ধকর কম্বলে মুড়ে ফেলা হয়েছে উপত্যকাকে।

     ১৯শে আগস্টের টেলিগ্রাফ কাগজ বলছে, কতো উর্বর মস্তিষ্ক শাসকের যে বিভিন্ন গ্রামে পাথর ছুঁড়তে পারে এমন তরুণদের ধরপাকড়ে গিয়ে যদি দেখে তারা আত্মগোপন করেছে, তাহলে তাদের বাবা কাকাকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তুরন্ত আত্মসমর্পণের এ এক কৌশল। সেই তুই জল ঘোলা করিসনি তোর বাবা করেছিল, সেই গল্প। গাড়ির বনেটে বেঁধে রেখে পাথরবাজি এড়াবার অছিলা তো আমরা সবাই জানি।

    উদাহরণস্বরূপ দু ডজন তরুণকে পাথরবাজ সন্দেহে এরেস্ট করা হয়েছে তিনটি গ্রামে, কাউকে কাউকে পাবলিক সেফটি এক্টে, যাতে বিনা বিচারে দুবছরের কারাবাস নিশ্চিত। খ্রিউ গ্রামে সামির আহমেদকে এরেস্ট করবে বলে গভীর রাতে দরজায় লাথি মেরেছিল আর্মি। সামির ছিল মাসির বাড়িতে, আর এক গ্রামে। তাই তার বুড়ো বাপকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হলো। বাপের টানে পরদিন সকালে সামির সারেন্ডার করল এবং হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। পাক্কা ছ'দিন পরে সেন্ট্রাল জেলে তার খবর পাওয়া গেল,জানা গেল পাবলিক সেফটি এক্টে তাকে ধরা হয়েছে। যদি ধরে নেওয়া যায় সামির পাথর ছোঁড়ার দোষে সত্যিই দোষী তাহলেও কি তাকে দুবছর বিনাবিচারে জেলে পচানো যায় ! যদি পাথর ছোড়ার শাস্তি এই হয়, তাহলে পেলেট বা ছররা ছোঁড়ার শাস্তি কী হওয়া উচিত ? আরোও আশ্চর্য, এতো লোককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যে জম্মু-কাশ্মীরের জেলগুলিতে এখন স্থানাভাব। অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টারে গাদা লোক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নয়তো পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে উত্তর প্রদেশ বা পাঞ্জাবের জেলখানায়। 

    এতো বাঁধাবাঁধি, এতো কর্মকান্ড,তবুও কতজন গ্রেপ্তার হলো তার হিসেব চেপে রেখে দেওয়া হচ্ছে। যে সরকার ঈদের প্রার্থনায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বলে দেয় গড়গড়িয়ে, সে কেন বন্দীর সংখ্যা কতো এই প্রশ্নে নিশ্চুপ থাকে ? গত জুন মাসেই কিন্তু এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই পাবলিক সেফটি এক্টকে lawless law বা আইনহীন আইন আখ্যা দিয়েছিল।      

                 
    মানবাধিকারের এই হাল কি শুধু এখনই? ধারা ৩৭০ উঠিয়ে দেবার আগে কাশ্মিরীরা কি বাস করতো এক গণতান্ত্রিক ভূখন্ডে যেখানে মানবাধিকার নিয়ে ন্যুনতম সম্মানবোধ অবশিষ্ট আছে ?    
    এ প্রশ্ন তো সহজ আর উত্তরও তো জানা। তবু কেন মহামান্য ভারত সরকারের গোঁসা হয় কাশ্মীরিদের মানবাধিকার সম্বন্ধে গত জুনমাসে প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস, ইউনাইটেড নেশনসের রিপোর্টে ? কি ছিল সেখানে ?  ঐ রিপোর্টে পরিষ্কার বলা হয়েছিলো শারীরিক মানসিক অত্যাচারকে ভারতীয় শাসক বাগে আনবার কায়দা হিসেবে ব্যবহার করে। কোন যুক্তি, চুক্তি, গণতান্ত্রিক রীতিনীতির ধার না ধেরে শুধু আধিপত্যকামিতা যেরকম ক'রে অভ্যস্ত আর কি ! কিন্তু একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র তার নাগরিকের সঙ্গে এমন করবে এটা কিন্তু ভয়ানক অস্বাভাবিকতা। 
         
    অত্যাচারগুলির বিবরণ শুনলে এই পয়েন্টটি পরিষ্কার হবে। অন্য অত্যাচারের সঙ্গে বন্দির নাক মুখের ওপর কাপড় বেঁধে তোড়ে জল ঢালা, যাতে ডুবে যাবার মতো অনুভূতি হয়(waterboarding), একনাগাড়ে জাগিয়ে রাখা এবং যৌন অত্যাচার আকছারই করা হচ্ছে।  আবু ঘ্রাইব বা গুয়ান্তানামো বে থেকে মাস্টারমশাইদের আমদানি করা হয়েছে বলে মনে লয়। 
     রিপোর্টে এ ছাড়াও উল্লিখিত হয়েছে কালকুঠুরীতে একলা থাকা, লংকাগুঁড়ো মেশানো জলের ড্রামে উল্টোবাগে বন্দীর মুন্ডু চুবিয়ে রাখা। ল্যাংটো করে শক দেওয়া, গরম লোহার রড দিয়ে পেটানো এবং হিটার অথবা সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া। শুয়োর মারার পদ্ধতিতে গুহ্যদেশ দিয়ে লোহার রড ঢোকানোও জায়েজ। ভেতরটায় সব ছিঁড়েখুঁড়ে যায়। রিপোর্টের  ৪৩২ টি প্রামাণ্য  টেস্টিমনির মধ্যে একটিতে বলা হয়েছে মঞ্জুর আহমেদ নাইকু নামে এক হতভাগ্যের কথা। রড ঢোকানো ছাড়াও তার পেনিসে ন্যাকড়া বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। 
    যাদের ওপর এই অত্যাচারগুলি হয় তারা কিন্তু বেশির ভাগই সিভিলিয়ান। 

    আমরা জানি অথবা জানি না ইউনাইটেড নেশনসের হিউম্যান রাইটস চিফ নিজে আহবান জানান একটি কমিশন অব এনকোয়ারি (COI) গঠনের। যাতে কাশ্মীরে হওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের কেসগুলি  নিয়ে স্বাধীন আন্তর্জাতিক ইনভেস্টিগেশন হতে পারে। 
    COI হচ্ছে ইউনাইটেড নেশনসের সর্বোচ্চ ধাপের তদন্ত যা প্রয়োগ করা হয় সিরিয়ান ক্রাইসিসের মতো ভয়ংকর ঘটনায়। 
    AFSPA তোলার দাবী তো বহু পুরনো। সে সব না করেই ইউএপিএ আইন আরো জোরদার করা হলো। ডকুমেন্টসে উঠে এলো ভয়াবহ অত্যাচারের কাহিনী। শুয়োরছানাকে চটকাতে বাধ্য করা যাতে ধর্মে ঘা পড়ে। দু পা চিনির জলে ভিজিয়ে ট্রাউজারের ভেতর নেংটি ইঁদুর ছেড়ে দেওয়া। মল মূত্র, লংকা গুঁড়ো খেতে বাধ্য করা। 

    বেশ হিন্দি ফিল্ম মতো লাগছে, না ? সবই বাস্তব। আর বাস্তবের অত্যাচার তো তিন ঘন্টায় শেষ হয় না। বার বার তুলে নিয়ে যাওয়া, বার বার অত্যাচার করা, আবার অত্যাচারের কাহিনী বাইরে বললে বেশি অত্যাচারের সম্ভাবনা থেকেই যায়। ফলে অত্যাচারিতের মন মানসিকতার কী অবস্থা হয় সহজেই বোঝা যায়। রিপোর্টে বলা হয়েছে ৪৩২ জন সাক্ষ্যদাতার অর্ধেকই অত্যাচারের পর মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।  এদের মধ্যে ২৪ জন নারী। তাদের ১২ জন আটক অবস্থায় ধর্ষণের শিকার। 

    আমার দেশ কিন্তু ১৯৯৭ সাল থেকেই ইউনাইটেড নেশনসের কনভেনশন আগেইন্সট টরচারের একজন সিগনেটরি। অথচ নিজের ভূখন্ডেই তা প্রয়োগ করেনি এ দেশের কোনো সরকারই। ফলে রমরমিয়ে চলছে অমানবিক মধ্যযুগীয় অত্যাচার। 

    পেলেট গান নিয়ে এখন অনেক কথা। কিন্তু উপত্যকায় এই অস্ত্র চলছে ২০১০ সাল থেকে। এটা ব্যবহার করা শুরু হয়েছিল হোম মিনিস্ট্রির ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে কম ক্ষতিকারক অস্ত্র হিসেবে। সত্যি তো, একটা শটগান বল বেয়ারিং ছোঁড়ে সেটা আর কতো মারাত্মক হবে। কিন্তু প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা অজস্র ছোট ছোট লোহার বল যদি রক্তমাংসে গেঁথে যায় বা চোখ তাক করে মারলে অন্ধত্ব অনিবার্য হয়, তাহলে কম ক্ষতিই তো হয়, তাই না ? গত এক বছরে প্রায় ১৭ জন খুন হয়েছে এই ছররা বন্দুকে, অসংখ্য অন্ধ হাসপাতালের বেডে। কবি কহিয়াছেন, শরীর দিলে বর্মও দেওয়া উচিত ছিলো।  

    কাশ্মীরি অত্যাচারের মনোরম বর্ণনা পড়ে যাদের পন্ডিতদের কথা মনে পড়ে যাবে এবং সমস্বরে কেন পন্ডিতদের কথা লিখিনি সেই কৈফিয়ত দিতে হবে, তাদেরকে বলি মনুষ্যত্বের অবমাননা নিয়ে অনেক লেখা, অনেক আলোচনা বাকি। হরি সিংয়ের বিলাস ও দুর্বলতা, জম্মুতে মুসলমানদের ম্যাসাকার, জগমোহনের আমলে পন্ডিত বিতাড়ন, অনেক লেখাই লিখতে হবে। কারণ পেলেট গানের ছররা যখন চোখের বা মাংসের গভীরে ঢুকে যায় তখন কাশ্মিরী পন্ডিত আর কাশ্মিরী মুসলমানে কোন ভেদ করে না অগুনতি লোহার বল। শাসকের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া যারা সমর্থন করবে খুব শিগগিরই তারা দেখবে সেইসব অস্ত্র  তাদের নিজেদের দিকেই তাক করা হয়েছে।                      

  • বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২০ আগস্ট ২০১৯ | ২২ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • শিবাংশু | 237812.69.563412.233 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৪১78939
  • এটা কি আমারই দেশ...?
  • Swati Ray | 237812.69.563412.123 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৫৪78940
  • শিশুদেরও রেহাই মিলছে না ...
  • | 237812.69.563412.51 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৫:১২78941
  • আজ দিল্লিতে হোটেল কাশ্মিরি বলে ঘির দিতে রিফিউজ করেছে। কারণ দেখিয়েছে গভর্নমেন্ট থেকে আসা সতর্কতামূলক হোয়া মেসেজ। সরকারের উদ্দেশ্য পরিস্কার কাশ্মীরের লোক জমি ঘর ফেলে রেখে দেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে যাক, জমিগুলো নাদির শায়ের উত্তরসুরীরা ভোগ করবে। একই জিনিষ দেয়াওভাগের সময়ও হয়েছিল।

    আমাদের দেশে কোনোদিন বোধহয় ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত কিছু করা যাবে না।
  • | 237812.69.453412.170 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৫:১৩78942
  • * ঘর দিতে
  • দোবরু পান্না | 236712.158.565612.235 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৭:৩১78943
  • রাষ্ট্রকে এভাবেই চলতে হয়। ক্ষমতা তো শুধু থাকলেই হয় না, তার প্রয়োগ না করতে পারলে আর কিসের ক্ষমতা? আর যারা প্রশ্ন তোলে, রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে, তাদের জন্য আবার হিউম্যান রাইটস কিসের? রাষ্ট্র কি হিউম্যান যে হিউম্যানিটি নিয়ে মাথা ঘামাবে? সুতরাং চুপটি করে বসে দেখুন, আপনাকে আমরা ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাব, প্যান্টে ইঁদুর ঢুকিয়ে দেব - এসব রাষ্ট্র করতেই পারে। উন্নয়ন হবে যে
  • S | 236712.158.8990012.147 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৩৩78944
  • সবথেকে বড় কথা হলো যে দেশের একটা বিশাল বড় অংশ লোকের এইসবকিছুতেই সমর্থন আছে। আর শিক্ষিত ভন্ডগুলো বলবে এসবই ফেক নিউজ। কারণ ছোটবেলায় বইতে পড়েছি সারা জঁহা সে অচ্ছা।
  • Amit | 236712.158.23.211 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৯ ০৯:৫৯78945
  • এটাই আমার কাছে সব থেকে ভয়ের। দেশের মেজরিটি যদি একটা ফ্যাসিস্ট রেজিম কে সাপোর্ট করে আর ভোটে জিতিয়ে লেজিটিমেসি দেয়, তাহলে কিভাবে আটকানো যাবে ?

    এই সাম্প্রদায়িক মানসিকতা চিরকালই ছিল, এখন সার জল পেয়ে একেবারে তরতর করে বাড়ছে। এটা শুধু ইন্ডিয়া না, পাক, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা সবার জন্যেই সত্যি।
  • aranya | 890112.162.9001223.63 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৪:২৯78946
  • ভয়াবহ চিত্র। এই মানবাধিকার লঙ্ঘন, অত্যাচারের ঘটনাগুলো কি গত ৫ বছরে আরও বেড়েছে নাকি কংগ্রেস আমলেও একই অবস্থা ছিল?
  • সিএস | 236712.158.782323.31 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৬:৫৬78947
  • কাশ্মীরে অত্যাচারের প্রকৃতিতে, কংগ্রেস-বিজেপি ভেদ নাই। টর্চারের যা কি্ছু উপায়ের বর্ণনা এই লেখায় দেওয়া হয়েছে, তার কমবেশী সবই তো বশারাত পীরের বইটিতে আছে। উপরন্তু পুং যৌনাঙ্গে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার কথা কী লেখা হয়েছে ? শ্রীনগরে PAPA-2 নামে ইন্টারোগেশন সেন্টারটি তো কুখ্যাতই ছিল। যেভাবে গত বিশ-তিরিশ বছর ধরে কাশ্মীরে টর্চারকে ব্যবহার করা হয়েছে, সেরকম হয়ত ব্রিটিশ আমলে হত, বা হয়ত এখন সেসবই আরো "উন্নত" হয়েছে।
  • কুশান গুপ্ত | 237812.68.454512.84 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৮:২৭78948
  • অবর্ণনীয়। পড়ছি আর শিউরে উঠছি। কোনো প্রতিবাদ নেই!
    আছে ইউ এ পি এ আর রাষ্ট্রদ্রোহিতার তকমা। আছে ভক্তদের উল্লাস।
    এই দেশে বসবাস করছি ভাবতে লজ্জা হয়।
  • Rouhin Banerjee | 236712.158.782323.31 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৫৫78949
  • এখনো আমরা ব্যস্ত থাকব "ইহা প্রকৃত ফ্যাসিবাদ" কি না, এই তর্কে। কারণ এখনো আগুন আমাদের শোবার ঘরে লাগেনি - রান্নাঘর পুড়ে গেলেও বা কি? মশারী তো আছে টাঙানো
  • bye | 236712.158.895612.202 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৯:৪১78950
  • আমি আর নেই
  • i | 236712.158.455612.132 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৯ ০৯:৫৬78951
  • you are my soniya
  • i | 890112.162.015623.64 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:৩২78952
  • উপরের পোস্টটি আমার নয়।
    ছোটাই (ইন্দ্রাণী সিডনি)
  • Atoz | 236712.158.678912.65 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:৫৯78953
  • হ্যাঁ, তাই এসে দেখে গেলাম। আগের ঐ "ইউ আর মাই সোনিয়া" পোস্টটা হয় কোনো বট নাহয় কোনো ট্রল এর।
  • সিএস | 236712.158.782323.11 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০৭:৪১78954
  • সম্পর্কিত বলেই, ইচ্ছুকরা পড়ে দেখতে পারেন, কম ভয়ঙ্কর নয় এইসব। মানুষ পুতুলও নয়, পোকামাকড় যেন।

    https://www.nybooks.com/daily/2019/08/16/data-leviathan-chinas-burgeoning-surveillance-state/

    চীনের টেকনলজি একটু বেশী 'উন্নত' , কীভাবে সেই টেকনলজি আর surveillance দিয়ে দেশের একটা অংশ আর জনগোষ্ঠীকে মুড়ে ফেলেছে ! ভারতে সেই পরিস্থিতি হয়নি, হ'তে সময়েও লাগবে, চীনের একটা "টোটালিটারিয়ান" অতীত (ঐতিহ্য?) আছে যেটা এসবে সাহায্য করে, কিন্তু যারা এখানে মাথা তাদের যে এইরকম ইচ্ছে নেই, সেটা বলা যায়্না।
  • Atoz | 890112.162.893423.46 (*) | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৪৯78957
  • প্রেম নিজেই ভুলভুলাইয়া, তার উপর আবার গুরুচন্ডালির ভুলভুলাইয়া। ডবল ভুলভুলাইয়া। ঃ-)
  • প্রতিভা | 124512.101.780112.23 (*) | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ০৫:৩৪78955
  • আমাকে টিটকিরি দিয়া লাভ নাই। সনিয়া টনিয়া নয়, আমি মোদীর মা হীরাবেন। আইসা আইসা অতো দ্যাখনেরও কিসসু নাই।
  • র২হ | 124512.101.780112.23 (*) | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ০৬:২০78956
  • সোনিয়ার ব্যাপারটা বোধয় ওরকম না। টই ভাট বুবুভা হরিদাস ইত্যাদি একটু গোলকধাঁধা হওয়াতে অনাদিকাল থেকেই কিছু লক্ষ্যভ্রষ্ট প্রেমবেদনা বা প্রস্তাব এদিক ওদিক ছিটকে পড়ে। একযুগ আগে পুজোর সময় নিপুরয় আর মেছোবয়ের উপাখ্যান যেমন।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত