এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বাসুকির ব্যথা

    শিবাংশু লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৪ মে ২০১৪ | ৯০৯ বার পঠিত
  • বাসুকির ব্যথা
    -------------------

    তখন সবে সন্ধে দশটা বাজছে।

    সারাদিন সূর্যের চুয়াল্লিশ ডিগ্রি উষ্ণতার স্নেহে আমরা গদগদ হয়ে গলেই পড়েছি। শুধু নারদের কমন্ডলুটি নেই। শরীরটা যে এখনও পুরোপুরি ত্যাগ করা যায়নি তার কিছু লক্ষণ অবশ্য টের পাওয়া যাচ্ছে।

    আমার লেখালিখি এমনিতে ডেস্কটপেই। কিন্তু যে ঘরটিতে ঐ বস্তুটি রয়েছে‚ সেখানে শীতযন্ত্র নেই। এমতাবস্থায় যতোটুকু দম বেঁচে থাকে তার সদ্ব্যবহার ল্যাপটপের পঞ্চমুন্ডিতে বসেই সারার চেষ্টা করি‚ শোবার ঘরে‚ গদিতে আধশোয়া হয়ে। সদ্য সদ্য ভোটাভুটি গেলো। সব্বাই এখন ক্রিকেট ছেড়ে পলিটিক্সের ছলে দেশোদ্ধার করছে। এসব চক্করে পড়ার কোনও ইচ্ছে ছিলোনা। কিন্তু বাবাসকলের চাপে একবার বসতেই হলো‚ দেশের ভবিষ্যত বলে কথা। আমার মূল্যবান উপদেশ সমূহ জাতির স্বার্থে ডকুমেন্টেড করে রাখার মহান দায়িত্ব নিয়ে চান-টান সেরে সাড়ে ন'টা নাগাদ চাবি নাচাতে বসলুম। অল্পক্ষণের মধ্যেই চন্দ্রবাবু‚ নরেন্দ্র‚ জগদীশ‚ অমর্ত্য‚ অন্ধ্র‚ বিহার‚ গুজরাত ইত্যাদির মা-মাটি শ্রাদ্ধ সেরে ফেলে তখন এক সুমহান সাররিয়াল জগতে পৌঁছে গেছি। কবি যাকে বলেছেন‚ সমস্তকে রেখেছি মস্তকে। এসব সময়ে যেসব গান শুনি‚ সে রকমই কিছু বাজছে সাউন্ড সিস্টেমে। সলিল চৌধুরীর কম্পোজিশন‚ সবিতা চৌধুরীর কণ্ঠ।
    ------------------------------------------------------------

    ঠিক তখনই পালংকটি কিঞ্চিৎ নড়লো। প্রথমে সামান্য‚ বাঙালি ব্যর্থ প্রেমিকের নেশা টাইপ। কয়েক সেকেন্ড পরে আরো একটু জোরে। সেটা প্রায় কেষ্টো মুখার্জি। বুঝলুম ব্যাপারটায় কিছু গড়বড় আছে। কিন্তু আমি তখন সালভাদর দালির মতো তদ্গত হয়ে কালজয়ী কিছু নামাতে ব্যস্ত। ভাবলুম তপস্যা করতে গেলে এসব বাধাবিঘ্ন এসেই থাকে। গতকালই তো তারানাথ লামার লেখা পড়ছিলুম‚ উরুবিল্বতে শাক্যমুনির উপর মারের অত্যাচার। ইগনোর....
    ---------------------------------------------------------

    তখনই এলো শেষ ধাক্কাটা। ও রকম এলোমেলো লন্ডভন্ড নাচানাচি বাংলা সিরিয়ালের ক্যামেরা শেক ছাড়া কখনও দেখিনি। প্রথম যৌবনে একটা অফিস পার্টিতে মুফতে ব্ল্যাক লেবেল পেয়ে চারটে পাটিয়ালা পেগ এক সঙ্গে মেরে এরকম একটা অনুভূতি হয়েছিলো। ততোক্ষণে আমার বুককেসগুলির উপর চূড় করে রাখা পাহাড় প্রমাণ বইয়ের বোঝা ধড়াস ধড়াস করে পড়তে শুরু করে দিয়েছে। পাশের ঘর থেকে মেয়ে চেঁচাচ্ছে‚ আর্থকোয়েক‚ আর্থকোয়েক। মনে হলো সত্যি ওরা পয়সা দিয়ে ইংরিজি শিখেছে। সড়া অন্ধার গপ্পো। ঐ রকম একটা সময়ে আমি যদি 'অক্সফোর্ড শিক্ষিত'ও হতুম‚ তবে 'ভূমিকম্প ও ও' ছাড়া আর কোনও শব্দ মনে আসতো না। তড়াক করে লাফ দিয়ে খাট থেকে নামি। বৈঠকখানার দিকে যাই, ওখান দিয়েই বেরোনোর রাস্তা। গিয়ে দেখি কন্যা সোফায় আরাম করে মাস্টার শেফ দেখছিলো‚ সে মেঝেতে পপাত চ। বিশাল টিভি স্ক্রিনটি নিজের মনে ওয়াল্জ নাচছে। সাজানো ছোটোবড়ো মূর্তিটুর্তি গুলি সশব্দে নিচে এসে আছড়ে পড়ছে। প্রথমে পোলান্নারুয়া‚ শ্রীলংকা থেকে আনা আবলুশ কাঠের ভারি বুদ্ধটি পড়লো এসে কার্পেটে। তার পিছন পিছন মদুরাইয়ের মীনাক্ষী আর খাজুরাহোর দর্পণধারিণীর পিত্তল মূর্তি। তার পরেই কোনারকের কষ্টিপাথরের মহালক্ষ্মীর ওজনদার মূর্তিটি। দেবীর চতুর্থ বাহু উড়ে গেলো পলকে। আমি সভয়ে তাকাই বালিপাথরের তিরিশ কেজি ভারি রত্নগিরির বুদ্ধের প্রতি‚ পাশে নীলাচল স্টোনের পনেরো কেজির নয়াগড় থেকে আনা বুদ্ধ। তাঁরাও নাচছেন‚ কিন্তু মনে হয় ধরাশায়ী হতে রাজি ন'ন। মেয়ে চেঁচাচ্ছে মা‚ মা ....‚ কিন্তু তাঁর পাত্তা নেই। তিনি তখন স্নান করে বেরিয়ে রান্নাঘরে রাতের খাবারের ফিনিশিং টাচ দিচ্ছেন। তিনি কিছু টেরই পাননি। মেয়ে ছুটে যায়‚ বলে বেরও এখনি। তিনি খুব সরলভাবে প্রশ্ন করেন‚ কী হলো? মেয়ে চেঁচামিচি করে বলে আর্থকোয়েক ... ও তাই !! তাইতো ভাবি, এতো আওয়াজ আসছে। তখনও কিন্তু মেঝে কম্পায়মান। আমি তাঁকে টেনে বের করার চেষ্টা করি। তখন আমার খেয়াল হয়‚ আমি একেবারে বিনোবাজি'র কস্টিউমে রয়েছি। এই পাঁচ এগারোর বিপুল লোমশ দেহে শুধু একটি মাদ্রাজি লুঙ্গি ছাড়া কিছু নাই। তেলুগু সিনেমার মুর্গি ওয়ালা কসাইয়ের মতো ভিজ্যুয়াল একটা। যেকোন পরনারীর পক্ষে এ দৃশ্য বেশ অসহনীয় হবে নিশ্চিত। মেয়েকে হাঁক দিই‚ একটা জামা আন। সে হাতের কাছে আমার একটা অফিস শার্ট নিয়ে ছুটে আসে। কিন্তু তার মায়ের কার্যকলাপ তখন দেখার মতো। তিনি দেখি মেঝে থেকে মূর্তিগুলি তুলে যথাস্থানে সাজানোর প্রয়াস করে যাচ্ছেন। ভাবা যায় ?? তাঁকে টেনে বার করি। তিনি বেরিয়েই আবার ছুটে ঘরে ঢুকে যান। কী হলো ? তিনি তখন দরজার চাবি খুঁজছেন। আমি বলি বাড়িটা পুরো ধসে গেলে তোমার চাবি কোথায় লাগাবে? তিনি আনডন্টেড। চাবি খুঁজে দরজা বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর। আমি সিঁড়ির অর্ধেক নেমে ল্যান্ডিঙে পৌঁছে গেছি‚ তখনও তাঁকে দেখি চাবি লাগিয়ে যাচ্ছেন।
    -------------------------------------------------------------

    তিরিশ বছরে এই প্রথম ধর্মপত্নীর উপর বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হলুম। দুদ্দাড় বেগে সিঁড়ি দিয়ে অসংখ্য জনতা নেমে চলেছেন। আমরাও সামিল হই তাঁদের সঙ্গে। নিচে নেমে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে খোলা জায়গায় এসে মানুষী অবতারে ফিরে আসি। আমার জামাটির বোতাম লাগিয়েছিলুম সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে। তখন দেখি বোতাম ও ঘরের মধ্যে কোনও ভাব নেই। একেবারে মনা পাগলার জামা। আমার খালি পা। কিন্তু মেয়ে ও মায়ের পায়ে চটি রয়েছে। মেয়ে তার ফোনটি যথারীতি সঙ্গে নিয়ে এসেছে। আমি তো ভাবতেই পারিনা মোবাইল ফোন এতো জরুরি কোনও বস্তু হতে পারে। তবে তখন তার মাতৃদেবীকে মন দিয়ে দেখে আমি প্রায় কোল্যাপ্স করে যাই আর কি। তাঁর পরনে তখন বিশ্ব ফ্যাশান সংসারে বাংলার অবিস্মরণীয় অবদান‚ মঙ্গলাহাট ডিজাইন নাইটি। আমি আশংকা বোধ করি‚ বিজেপি এসে গেছে। এখন প্রকাশ্যে এরকম পোষাকে কোনও মহিলাকে দেখলে ইনডিসেন্ট এক্ষপোজারের দায়ে জেলটেলও হতে পারে। তিনি কিন্তু মোটামুটি নির্ভয়। কারণ তখন চারপাশে দেখি অসংখ্য জনতা আমাদের থেকেও অনেক বেশি পারমিসিভ পোষাকে গর্বিতভাবে চলাফেরা করছে। তিন-চার জনকে দেখলুম তারা নাকি স্নানঘর থেকে সটান বেরিয়ে এসেছে। হ্রস্বতম ভেজা গামছায় তারা প্রায় প্রকৃতির সন্তান। তবে জনা পঞ্চাশেক মহিলার মধ্যে দুজনকে দেখলুম শাড়ি পরিহিতা। মানে রাত দশটার সময় ‚ এই আবহাওয়ায় বাড়িতে এখনও ভারতীয় নারীরা কেউ কেউ শাড়ি পরিয়া থাকেন। বোঝা গেলো‚ অবকি বার য়হি সরকারের সফলতার চাবিকাঠি কী ? অবশ্য সারাদিন চুয়াল্লিশ আগুনের তাত সইবার পর এসব মাইনর ব্যাপারে কেউ বিশেষ মাথা ঘামাচ্ছে না। সবাই অপেক্ষা করছে পরবর্তী আফটার শকের জন্য। এবার দপ করে আলো চলে গেলো। বড়ো রাস্তায় শুরু হলো পোঁ পোঁ করতে করতে অ্যাম্বুলেন্সের ছুটোছুটি। পত্নী বললেন‚ ভাগ্যিস সময় করে গ্যাসটা বন্ধ করে এসেছি। মেয়েকে বললুম ফোনে একটু খোঁজ নে‚ দেখ কী হলো ? সে দেখে বলে লাইন জ্যাম। কিন্তু আমাকে দেখে সে পুলকিত‚ বাবাকে একেবারে চিদাম্বরমের মতো লাগছে। মানে শাদা শার্ট্‚ সঙ্গে লুঙ্গি। তবে আমি তাকে ভর্ত্সনা করে বলি‚ কোন অবস্থাতেই আমি ঐ ওঁচা লোকটির সঙ্গে নিজেকে তুলনা করতে চাইনা।
    -------------------------------------------------------

    সবাই জল্পনা করছে‚ কতোক্ষণ এইভাবে পথে বসে থাকতে হবে। কিন্তু কেউই ঐক্যমত্য হতে পারছে না। কারণ ঠাকুর কখন আবার পরের ঝটকাটি পাঠাবেন‚ তা নিয়ে কোনো দৈববাণী নেই। অনেকে দেখি আকাশ দেখছে। তারার ভাষায় কিছু লেখা আছে কি না, গড নোজ। ধর্মপত্নী গজগজ করছেন ‚ " এতোক্ষণ সেজেগুজে ছিলুম‚ তখন কিছু হলোনা। যেই নাইটি পরলুম‚ তখনই এই সব আপদ..."

    মানুষের যে কতোরকম ক্ষোভই থাকতে পারে ?

    আধঘন্টা খানেক অপেক্ষা করে আমি বলি‚ চলো। আর বসে লাভ নেই। হবার হলে এতোক্ষণে আফটার শক হয়ে যেতো। এর পর যদি হয়‚ তবে তা নতুন ধাক্কা হবে। আমরা বাড়ির পথ ধরি। তাই দেখে প্রতিবেশীরা শিহরিত হয় বিহারির এমত 'ধৃষ্টতা'য়। তাদের অনেকেই ততোক্ষণে রাস্তায় খাটিয়া পাতার উপক্রম করছে। সেখানেই নিশিযাপনের প্ল্যান। ততোক্ষণে আলো এসে গেছে। উপরে এসে দেখি আমাদের পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খোলা‚ ভদ্রমহিলা নিজের বৈঠকখানায় ব-তরিবত মজুত। তিনি শুধু দুটো কাজ করেন। চোখ খুলে টিভি দেখেন আর চোখ বুজে ঘুমোন। এ ছাড়া কোনও তৃতীয় কাজ করতে তাঁকে আমরা দেখিনি। তখন মালুম হয় আমাদের অতো বড়ো একটা গেটেড কমিউনিটি বসতিতে তিনি সম্ভবত একমাত্র মানুষ‚ যিনি এতো কিছু হয়ে যাবার পরেও টিভির সামনে বসে ওড়িয়া সিরিয়ালে নায়কের দাঁত কিড়িমিড়ি আর নায়িকার চোখে গ্লিসারিন জল দেখে যাচ্ছেন একমনে। সোফা থেকে এক ইঞ্চিও নড়েননি। আমাদের ঘরে ঢুকতে দেখে বেরিয়ে এসে প্রশ্ন করেন‚ কুছ হুয়া থা ক্যা ? আমরা জানাই কী হয়েছিলো। তিনি সলজ্জ হেসে কিন্তু যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন‚ হাম তো সোচা ভূত মেরা সোফা হিলা রহা হ্যাঁয় ....!!
    ----------------------------------------------------------------

    বাসুকির ঘাড়ে ব্যথার আসল ওষুধ এসব মানুষের কাছেই পাওয়া যাবে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২৪ মে ২০১৪ | ৯০৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | ২৪ মে ২০১৪ ০৪:৫৭73255
  • বাঃ বাঃ। বেজায় মজা লাগলো। কিন্তু অকুস্থলটা কোথায় ? হাইদ্রাবাদে? না কি ভুবনেশ্বরে?
  • kumu | ২৪ মে ২০১৪ ০৫:১০73256
  • আমি যেখানে থাকি (অ্যাপার্টমেন্ট না) সেখানে ভূমিকম্প আগুন বা অন্য যে বিপর্যয় হোক,একটি আওয়াজ শোনা যায় না,একটি লোক বেরোয় না।

    আমি একা থাকি বেশীর ভাগ সময়।ভূমিকম্প টের পেয়ে দুবার রাস্তায় গিয়ে দেখেছি কেউ নেই।কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে এসেছি।
  • kumu | ২৫ মে ২০১৪ ০২:৪০73257
  • শিবাংশুদার অসাধারণ সংগ্রহের সামান্য আন্দাজ
    পাওয়া গেল।৩০ ও ১৫ কেজির তথাগত কীভাবে এলেন?
  • শিবাংশু | ২৫ মে ২০১৪ ০৯:১১73258
  • @dd, অকুস্থল ভুবনেশ্বর :-)

    @ kumu, দিল্লির লোকজন খুব স্মার্ট। ভূমিকম্প থেকে বিশেষ রোজগারের কোনও সিন নেই। রাস্তায় নামবে কেন অকারণে ... ? :-)
  • কল্লোল | ২৬ মে ২০১৪ ০৬:০০73259
  • জাত লেখক। ভূমিকম্প এভাবে উপস্থাপিত হতে পরে! টুপি খুলে।
  • সিকি | ২৬ মে ২০১৪ ০৬:২১73260
  • বিয়াপ্পোক লেখা।

    অকুস্থল ভুবনেশ্বর, সে তো শেষ প্যারাতেই বোধগম্য। ওড়িয়া সিরিয়াল দেখছেন মহিলা।
  • nina | ২৭ মে ২০১৪ ১২:৪৪73261
  • কুমু----অ কুমু --তা তুমি এই নব-চিদাম্বরম কে দেখলে কি বলতে--সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত ;-)))

    তবে বড্ড ভাল ল্যাখে তাই লুঙ্গি মাফ-----
  • Biplob Rahman | ২৯ মে ২০১৪ ০১:২৮73262
  • বাপ্রে! কি সাংঘাতিক লেখা! :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন