• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • নারীদিবস ঃ ২। ‘ঘরকন্যা’দের বেতনক্রম ঃ কিছু সংযোজন

    তির্যক লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ এপ্রিল ২০১৬ | ৪৩৭৪ বার পঠিত
  • ঘরকন্না ও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর গল্প

    যে জীবন ফড়িং-এর দোয়েলের, মানুষের সাথে তার যে দেখা হয় না, সেকথা জানাই ছিল। কিন্তু যেসব জীবন মানুষের-মানুষীরই, তাদের আশেপাশেই থেকেও সেইসব জীবনের সাথেও যে মানুষের আসলে দেখা হয় না, তাও মাঝে মাঝে এমনভাবে জানতে পেরে অবাক হতে হয়।
    এই ক’দিন আগে আনন্দবাজারে প্রকাশিত প্রবন্ধ ‘ঘরের কাজের জন্য মাইনে দেবেন না কেন ?’ পড়ে নানাজনের কাছ থেকে পাওয়া মতামতগুলো পড়তে পড়তে কথাগুলো মনে হল। সেদিনটা দোলের ছুটির পরের দিন, কাগজের প্রিন্ট বেরোয় নি তাই লেখাটা শুধু আবাপ’র ওয়েব সংস্করণেই বেরিয়েছিল, যাঁরা পড়েছেন তাঁরা প্রায় সবাই উচ্চশিক্ষিত, উচ্চবিত্তও। এবং মহিলারা বেশির ভাগই কর্মরতা। তাই এই লেখা, এই ‘ঘরের কাজের জন্য মাইনে’র ধারণা হয়তো সরাসরি তাঁদের জন্য নয়। যে মধ্যবিত্ত / নিম্ন মধ্যবিত্ত গৃহবধুদের কথা ভেবে এই লেখা, তাঁদের হয়ত এই লেখা পড়ার সুযোগ হয়নি কিন্তু তাঁদের যে আমরা একেবারেই চিনি না, এমনও তো নয় ! কিন্তু দেখা গেল এই লেখা যাঁরা পড়েছেন সেই পাঠকগোষ্ঠীর সিংহ ভাগ মহিলা ও কিছু পুরুষ এই ব্যাপারটায় নানাভাবে আপত্তি ও অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। লেখকের কাছে প্রতিটি মতামতই মূল্যবান, বিরুদ্ধ মতামত বেশীই মূল্যবান কারণ তা প্রায় টর্চের আলোর মত যেকোন ধারণার অন্ধকার কোণায় আলো ফেলে দেখিয়ে দেয় তার ভুল ভ্রান্তি। উল্টোদিকে বিরুদ্ধ মত যারা পোষণ করেন, লেখকেরও দায় থাকে তাঁদের বোঝার ভুল থাকলে তা ধরিয়ে দেওয়া।
    তাই প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো গৃহশ্রমের / গৃহকর্মের মূল্যায়নই এই লেখার মূল কথা। গৃহকর্ম বলাই বেশী ভালো কারণ ততটা শ্রমসাধ্য নয় কিন্তু অনেকটা যত্ন ও ভালোবাসা (এবং আত্মত্যাগ) মেশানো যে সব ছোট ছোট কাজ একটা ঘর কে সংসার করে তোলে আর গৃহবধু কে পরিচারিকার থেকে আলাদা করে সেগুলোর কথাও এখানে ভাবা হয়েছে। সেই গৃহকর্ম যাতে একটা সম্মানজনক পেশায় পরিণত হতে পারে এবং গৃহবধুও নিজেকে বঞ্চিত না ভাবেন বা ‘আমি তো কিছু করি না’ জাতীয় হীনম্মন্যতায় না ভোগেন, সেই জন্য তাঁর একটা নিয়মিত বেতনের কথা ভাবা, যেটা তাঁর স্বামীর বেতনের একটা অংশ (ধরুন ২০%)হিসেবে নিয়মমাফিক সরাসরি তাঁর কাছে আসবে (যেভাবে ডিভোর্সী স্ত্রীর কাছে আসে)। স্বামী এখানে এমপ্লয়ার নন, দাতা তো ননই, তাঁর রাজী হওয়া না হওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। যেভাবে ট্যাক্স, পি এফ এর টাকা কাটা যায় সেই ভাবেই নিয়মমাফিক তাঁর বেতন থেকে স্ত্রীর বেতন কাটা হবে (অবশ্যই যদি স্ত্রী চাকরী না করেন)। সেই বেতন ঘরের কাজের দরুণ মহিলাটির নিজস্ব উপার্জন, আর এই উপার্জনই তাঁকে স্বনির্ভর করে তুলবে। নিজের ছোটখাটো চাহিদার জন্য স্বামীর কাছে হাত পাততে হবে না, কৈফিয়ৎ দিতেও হবে না। একজন গৃহবধু সসম্মানে বলতে পারবেন ‘আমি ঘরের কাজ করি’।
    এই প্রস্তাবের বিপক্ষে অজস্র যুক্তি ও আপত্তির মধ্যে প্রথমই হল, গৃহবধুর আর আলাদা করে কাজ কি ? ঘরের সব কাজই তো পরিচারিকা করেন, বাচ্চাকে পড়ান টিউটর আর স্কুলে নিয়ে যায় পুলকার বা স্কুলবাস। তাছাড়াও এইসব মহিলারা স্বামীর কাছ থেকে মোটা টাকা হাতখরচা পান, তাতেই তাদের শখ-আহ্লাদ দিব্য মিটে যায়। আর খাওয়া-পরা সমেত সংসারের বড় খরচ তো পুরুষটির(স্বামী)উপার্জন থেকেই হয়, এর পর আবার মাইনে কিসের ! এই কথাগুলো পড়েই মনে হয়েছিল আমরা কবে খিড়কি থেকে সিংহদুয়ারের বাইরের পৃথিবীটা চিনতে শিখব ! অথচ আমরা যে একেবারেই সংবেদনশীল নই তাও নয়, গায়ক অভিজিৎ যেদিন রাস্তায় থাকা মানুষদের গালাগাল দিয়েছিলেন, সেদিন আমরা তাঁকে ছেড়ে কথা বলিনি। বাড়ির পরিচারিকাদের এমনকি যৌনকর্মীদেরও শ্রমিকের সম্মান দেওয়া নিয়ে আমরা ভাবি। তাহলে গৃহবধুদের ব্যাপারে আমরা এত উদাসীন কেন !
    আসলে আমরা অনেকেই নিজেদের চাকরী করা জীবনটা দেখতে পাই, পাশের বাড়ির / ফ্ল্যাটের গৃহবধুর আরামের জীবনটা দেখতে পাই আর দেখতে পাই নীচের তলার বাসিন্দা আমার ‘কাজের মাসি’র কঠিন জীবনটা। এর বাইরে মধ্যবিত্ত সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন উপার্জন স্তরের বাসিন্দা যে গৃহবধুরা তাঁদের জীবনটা আমরা দেখতেই পাই না। এই শহর কলকাতায় আমাদের আশেপাশেই তাঁরা থাকেন, কোনো একটা সরকারী ইস্কুলের গেটের কাছে ছুটির সময়টা একটু দাঁড়াবেন, বাচ্চাদের নিতে আসা মায়েদের কথায় কান দেবেন, তাঁদের চেহারা-সাজগোজের দিকে নজর দেবেন, বুঝতে পারবেন গৃহবধু কাকে বলে। একপর্ব রান্নাবান্না সেরে বরকে কাজে পাঠিয়ে বাচ্চাকে নিতে এসেছেন, গিয়ে বাকি রান্নাটা সারতে হবে, ফেরার পথে হয়ত এটা ওটা বাজারও করে নিতে হবে। ঠিকে কাজের লোক একটা এঁদেরও আছে, বাসন মেজে ঘর মুছে কি সপ্তাহে একদিন কিছু কেচে দিয়ে যায়। কিন্তু ওই পর্যন্তই। রোজকার কাচাকাচি, ঘরগোছানো, বাচ্চাকে স্নান করানো, খাওয়ানো, পড়ানো, জামা কাপড় ইস্ত্রী করা, অতিথি আপ্যায়ন, অসুখে সেবা, এই সব কাজ এঁরা নিজের হাতেই করেন। এই ডিউটি নিয়ে কিছু বলার নেই, এঁদেরও নেই, আমারও নেই কিন্তু দিনের শেষে এঁরা কেন নিজেদের ‘স্বনির্ভর’ মনে করবেন না, উপার্জনের প্রশ্নে মাথা নীচু করে থাকবেন, সেই প্রশ্ন আমাকে ভাবায়। কারণ এটাই বাস্তব, পয়লা বৈশাখে নিজের মাকে একটা শাড়ী দিতে গেলে এই মহিলাদের বরের কাছে হাত পাততে হয়, আর হাত পাতলেই সব সময় হাত ভরে এমনও নয়। এই জীবনটা ‘আমাদের’ নয়, কিন্তু মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত সমাজের ওই প্রান্তে যে বিরাট সংখ্যক মহিলা বাস করেন যাদের স্বামীরা ছোটখাটো চাকরী বা ব্যবসা করেন, তাঁদের জীবনটা এইরকমই।

  • কিন্তু নিয়ম যদি করতেই হয় তাহলে তা সকলের জন্যই করতে হবে আর তাতে আখেরে কিছুটা যাতে সুরাহা হয় সেটাই দেখতে হবে। স্বামীর মাইনের / উপার্জনের কিছু নির্ধারিত অংশ যদি স্ত্রী-র হাতে আসে আর মহিলাটি যদি তার থেকেই পরিচারিকার মাইনে দেন তাহলে একটা কিছুটা সুরাহা হতে পারে। কারণ সে ক্ষেত্রে যিনি বেশির ভাগ কাজ নিজের হাতে করেন আর যাঁর সব কাজ পরিচারিকা করে দেয় তাঁদের মধ্যে উপার্জনগত ভাবে একটা তফাৎ থাকবে। স্বামীকে আর আলাদা ভাবে বৌকে হাত-খরচ দিতে হবে না, আর স্ত্রীও নিজের এই উপার্জনের কতটা সংসারে খরচ করবেন, কতটা নিজের হাতে রাখবেন সেটা তিনিই ঠিক করবেন। কিন্তু তাঁকে স্ব-নির্ভর বা উপার্জনক্ষম নন একথা আর বলা যাবে না কারণ মাসের শেষে তাঁর হাতেও নিয়ম করেই কিছু টাকা আসছে আর সেই টাকাটা তাঁর স্বামী দিচ্ছেন না। এই কথাটিই এই ব্যবস্থার মূল কথা আর এই কথাটা হয়তো অনেকের নজর এড়িয়ে গেছে তাই আবার লিখতে হল।
    কিন্তু যাঁরা এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মতামত দিচ্ছেন, তাঁদের অনেকেই বুঝতেই পারছেন না, বাড়ির কাজ যা অনেকটা নিজের জন্যও করা, যা ভালবেসে করা তার জন্য মাইনে কেন ! পুরুষেরা কেউ কেউ আরও এক পা এগিয়ে বলেছেন যে মাইনে থেকে ভাগ দিতে হলে তো কাজের লোক রাখলেই হয়, বিয়ে করার দরকার কিসের ! আর মেয়েরা অনেকেই একটা কথা বলেছেন যে সংসারের পেছনে একজন মহিলার যা অবদান তা কি টাকা দিয়ে মাপা যায় ! অর্থাৎ নিজের সংসারে কাজ করে টাকা নিতে তাঁদের ‘ইগো’তে লাগছে। আবারও বুঝিয়ে বলি, দেখুন, একটা রাস্তায় যানজটের জন্য দেরী হলে সেই দেরীর দরুণ ক্ষতিটুকুও অর্থমূল্যে মাপা যায় কারণ তা দেশের উৎপাদনশীলতাকে প্রভাবিত করে। ওপরে যেসব কাজের তালিকা দেওয়া হয়েছে, তা সমেত একটা পূর্নাঙ্গ সংসারের সমস্ত দায়িত্ব নিয়ে গৃহবধুরা যে তাকে তাকে সুষ্ঠু ভাবে চালান, সেটা কাজের মানুষটির(পড়ুন পুরুষটির)উৎপাদনশীলতাকে ও কর্মক্ষমতাকে নিশ্চই প্রভাবিত করে কিন্তু সেই বিরাট পরিমাণের শ্রম আমাদের অর্থনীতিতে উহ্যই থেকে যায় যুগের পর যুগ তার কোন ‘মূল্যায়ন’ হয় না, এটা কতটা সঙ্গত সেটা ভেবে দেখার সময় হয়েছে। সংসারের ‘সমস্ত’ কাজের জন্য কাজের লোক রাখা এমনিতেই সম্ভব নয়, যতটা রাখা সম্ভব তার জন্যও খরচের অঙ্ক বিরাট। কিন্তু সেই খরচ দিয়েও একজন গৃহবধুর মত পরিষেবা পাওয়া যায় না, এইটা ছেলেদের ও মেয়েদের সবাইকেই বুঝতে হবে। সেভাবে দেখতে গেলে কোনো পেশাতেই পেশাগত দক্ষতা, যত্ন ও ভালোবাসা টাকা দিয়ে মাপা যায় না; যে যত্ন নিয়ে একজন আদর্শ ডাক্তার একটি শিশুর জন্ম ঘটান বা যে ভালোবাসা নিয়ে একজন শিক্ষক কঠিন বিষয়কে সহজ করে শেখান তাও কি টাকায় মাপা যায় ? তবু সেই সব পেশার ক্ষেত্রেই আমরা আর্থিক মূল্যায়নকে মেনে নিয়েছি কারণ এ ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই। তাই গৃহকর্মকে একটা পেশা হিসেবে সম্মান দিলে তার মূল্যায়নের কথাও ভাবতে হবে।
    কিন্তু হয়নি এযাবৎ। আর সেই জন্যই কেউ গৃহকর্মকে পেশা হিসেবে ভাবতে পারেন না আর সেই ভাবেই সংসারের ছোটবড় কাজগুলো অকিঞ্চিৎকর হয়ে ওঠে। কিন্তু সে কাজগুলো না করলে যে চলবে এমনও নয়। খেতে আপনাকে হবেই, গৃহবধু রান্না না করলে রান্নার লোক রাখা, না হলে হোম ডেলিভারী। রান্নার লোকের ওপর তদারকি না করলে রান্না খারাপ, তেল বেশি, পরপর ক’দিন খারাপ / একঘেয়ে রান্না খেলে একদিন বাইরের খাওয়া চাইই। তার মানে রান্না-খাওয়া ব্যাপারটা একেবারে এলেবেলে নয়, কিন্তু যখন তা বাড়ির বৌটি করছেন তখন আমরা সেটা আলাদা করে ভাবছি না। সেই রকমই অন্যন্য কাজও। কাউকে না কাউকে সেগুলো যত্ন করে করতেই হয়, না হলে পরিবারের ধারণা দাঁড়ায় না। তাই বিয়ে করাটা নারী-পুরুষ কারুর কাছেই সমাজসেবা নয়, নারীর যেমন নিরাপত্তা চাই, পুরুষেরও দিনের শেষে নিজের সংসার নিজের ভালোমন্দ দেখার মানুষ দরকার।
    তবে এখানে ঘরের কাজ মূলতঃ মেয়েরা করেন এবং পুরুষ বাইরেই কাজ করেন বলেই বার বার ‘গৃহবধু’ বলা হয়েছে, তবে আসলে এটা গৃহশ্রমের মূল্যায়নের গল্প। তাই যে নারী বাইরে কাজ করতে চান করুন, যে পুরুষ ঘরে কাজ করতে চান করুন (সেই ‘কি’ আর ‘কা’ এর গল্প), বেতনের নিয়মটা আলাদা কিছু হবে না কারুর জন্য। দুজনেই বাইরে কাজ করলে ঘরের কাজ তাঁরা কিভাবে করবেন সেটা নিজেরাই ঠিক করবেন কারণ সে ক্ষেত্রে মহিলাটিরও নিজের মত জানানোর যথেষ্ট সুযোগ থাকবে। কিন্তু ঘরের তথাকথিত ‘মেয়েলী’ কাজগুলো সে মেয়েরা করুন বা ছেলেরা করুন, কাজ হিসেবে যে কিছু কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেটাই মনে করানোর জন্য এবং তাকে স্বীকৃতি দেবার জন্য এই নিয়ম।
    গৃহশ্রমের এইভাবে মূল্যায়নকে যারা সরাসরি স্বীকার বা অস্বীকার করতে পারেন না দেখা গেছে তারা এর বাস্তবায়ন নিয়ে ভয়ানক চিন্তিত। যেমন গৃহবধু যদি ‘মাইনে’ পান তাহলে ইনক্রিমেন্ট, পি এফ, গ্রাচুইটি, ইত্যাদি কি ভাবে হবে, সি-এল, ই-এল এর সুযোগ থাকবে কিনা, আরো ভালো ‘মাইনে’ পেলে গৃহবধুর চাকরী বদলানোর সুযোগ থাকবে কিনা ইত্যাদি। বোঝাই যাচ্ছে এর অনেক কিছুই স্রেফ বিরোধিতা করার জন্য বলা, কিন্তু লেখকের দায় থাকে সব প্রশ্ন নিয়েই ভাবার। তাই এই ধরনের সমস্যারও কিছু সমাধানের কথা ভাবতে হয়। স্ত্রীর বেতন যেহেতু স্বামীর বেতনের একটা অংশ হিসেবে আসবে, সে ক্ষেত্রে স্বামীর আয় যেমন যেমন বাড়বে, স্ত্রীরও সেই অনুপাতেই বাড়বে, পেনশনও পাবেন সেই ভাবেই। কিন্তু দেশের সমস্ত চাকরীর শর্ত যেমন একরকম নয়, সেইরকম এই চাকরী থেকে ‘ছাঁটাই’ এর প্রশ্ন নেই কারণ বর এর এমপ্লয়ার নন, মহিলাই বা চাকরী ‘বদলানো’-র কথা ভাবতে পারবেন কি করে, নিজের স্বামী সন্তান ছেড়ে অন্য সংসারে অন্য স্বামী-সন্তানের মাঝখানে ফিট করে যাওয়া কি বাস্তব সম্মত কথা হল ! যাঁরা এই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা সম্ভবতঃ এত কিছু না ভেবেই বলেছেন। কিন্তু এর পর থেকে এইরকম প্রশ্ন করার আগে আশা করব একটু ভেবে করবেন। আর সি-এল-ই-এল ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বলব আপনি যেমন অফিসে প্রয়োজনমত ছুটি নেন, গৃহবধুও দরকার মত নেবেন, তখন ঘরের কাজ কিভাবে হবে তা তিনিই ঠিক করবেন। তবে এই সব অনেক প্রশ্নই অবান্তর কারণ গৃহবধু পরিচারিকা নন, নিজের দায়িত্বেই তিনি সংসারের নানাদিক দেখে থাকেন। বিনা পারিশ্রমিকেই। শুধু পারিশ্রমিক নিলেই তাঁকে ভাড়া করার কাজের লোকের সঙ্গে গুলিয়ে দেওয়া উচিৎ নয়। গৃহবধুকে তাঁর জায়গায় রেখে তাঁর পরিষেবাকে সম্মান জানাবার জন্যই এই ভাবনা।
    এই নিয়ম চালু হতে গেলে প্রাথমিকভাবে হয়তো অনেক মেয়েরা নিজেরাই এই পারিশ্রমিক নিয়ে চাইবেন না। কিছুটা চক্ষুলজ্জা (নিজের সংসারে কাজ করে পয়সা নেবো ! ছিঃ, লোকে কি বলবে ), কিছুটা ইগোয় লাগা (আমার দায়িত্ব কি টাকায় মাপা যায় !) যে কথা আগে বললাম। কিন্তু ‘সাফারার’ এর মতামত নিয়ে নিয়ম চালু করতে গেলে হয়তো সতীদাহ-বিধবা বিবাহ-বহুবিবাহ কিছুই রদ করা যেত না। কিন্তু যখনি একটা নিয়ম চালু হয়, কিছু মানুষ তার সুবিধে পেতে শুরু করেন, তখনই আস্তে আস্তে সেটা অর্থবহ হয়ে ওঠে। তার বাস্তবায়নের নানা সুবিধে অসুবিধেও তখনই সামনে আসে আর তার সংশোধনেরও রাস্তা খোলা থাকে। কিন্তু প্রস্তাবটা গোড়ায় বিনাশ করে দিলে এ সব কিছুই আর হয়ে ওঠে না।
    গৃহশ্রমের মূল্যায়নের এই মডেল একটি ধারণা মাত্র। মানে এটা নিয়েও যে ভাবা দরকার আর এভাবেও যে ভাবা যেতে পারে, সেইটা জানানো। এভাবেই যে হতে হবে তা কোথাও দাবী করা হয়নি কিন্তু কিভাবে হতে পারে সেইটা নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। কিন্তু মজার কথা হল, যাঁরা বিরোধিতা করেছেন তাঁরা কেউ কিন্তু কোনও সমাধান দেননি, শুধু নানারকমের প্রশ্ন তুলে ঠাট্টা-তামাশা করেই কর্তব্য সেরেছেন। তবু এই অবকাশেই এই বিষয় নিয়ে দু-চারটে কথা আবারও লেখার সুযোগ হল, এটাই বা কম কি !
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ এপ্রিল ২০১৬ | ৪৩৭৪ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | 117.151.152.218 (*) | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৩৬52404
  • থ্যান্কু। এগুলোর ফান্ডিঙ্গ কে দেয়? আর প্রথম লিন্কটা খুললে শুধু মহারাষ্ট্র দেখতে পাচ্ছি।
  • pi | 233.176.41.239 (*) | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৪৪52405
  • ফাণ্ডিং এর ভিন্ন ভিন্ন স্কিম আছে, সিংহভাগ খরচ কেন্দ্রের। পুরো আডমিনিস্ট্রেটিভ খরচ কেন্দ্রের। রাজ্য সাপ্লিমেণ্টারি নিউট্রিশনের খরচ শেয়ার করে। রাজ্য কতটা শেয়ার করবে, তাই নিয়ে আলাদা স্কিম আছে। স্কিমগুলো এরকম।
    The sharing pattern of supplementary nutrition in respect of North-Eastern States between Centre and States has been changed from 50:50 to 90:10 ratios. In respect of other States/UTs, the existing sharing pattern in respect of supplementary nutrition is 50:50. The existing cost sharing ratio for other components is 90:10 except the new components approved under Strengthening & Restructuring for which it is 75:25 (90:10 for NER

    সব রাজ্যে আছে। প্রথমটা দিয়েছিলাম, কারণ ওদের সাইটে লিস্টটা ভাল ক'রে দেওয়া আছে।

    আকচুয়ালি এটা দেখতে পারেন, সবচে কম্প্রিহেন্সিভ।

    http://icds-wcd.nic.in/icds/icds.aspx
  • Ekak | 53.224.129.44 (*) | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৫৩52406
  • পাই , স্কীম আছে অস্বীকার করিনি তো :) ভারত সরকারের স্কীমগুলো সাদা কাকের মত । আছে অবস্যই কিন্তু তারপরেও কাক বললে লোকের চোখে কালোই ভাসে , কারন মানুষের পারসেপশন চেঞ্জ করতে যে ব্যাপ্তি দরকার তার তুলনায় অনেক কম । প্রথমত সরকারী কেন্দ্র থেকে শুধু ওষুধ বা খাবার দেওয়া যথেষ্ট নয় , যে যেখানে চাকরি করেন সেখান থেকে দেওয়া জরুরি ।

    এটা বলার কারন আছে । নিম্নবিত্ত দের উপরের অংশ গরিব মানুষের সঙ্গে পাশাপাশি বসলে গায়ে লাগবে বলে ওখানে যান না এটা খানিক তা সত্যি হলেও পুরোটা নয় । ডাক্তার রা ইনসিস্ট করেন এমন অনেক অসুধ বা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড যা সরকারী কেন্দ্রে থাকেনা । এবার ডাক্তার রা কেন ইনসিস্ট করেন , মার্কেটে কি গুপি চলে ব্র্যান্ডিং এর নামে সেসব ওই লোক গুলোকে বুঝিয়ে কোনো লাভ আছে কি ? ডাক্তার রা পরিস্কার বলে দেন অমুক অমুক ব্র্যান্ড এর ক্যালসিয়াম খাবেন না , মেয়েদের জন্যে ক্ষতিকর । অনেক ডাক্তার বলেন ভিটামিন বড়ির ভিটামিন গায়ে লাগে না , খাবার খান । মানুষ এগুলোই বুঝবে এবং সেদিকেই যাবে ।

    বরং সরকার যদি এটুকু নিয়ম করে যে সবার ক্ষেত্রেই তার এমপ্লয়ার বাধ্য থাকবে একটা ম্যাটার্নিটি বেনিফিট প্যাকেজ দিতে যার মধ্যে কন্সাল্টেশন থেকে শুরু করে ফুড -মেডিক্যাল( শুধু হাসপাতাল ফী না ) সবকিছু আসবে তাহলে যার যেমন ক্লাস ক্যারেক্টার -স্টেটাস ইত্যাদি সেরকম ট্রিটমেন্ট পাবে । যাদের সেটাও নেই তারা অন্গনয়ারী তে যাবেন।

    আয়োডিন মেশানো সল্ট নিয়ে যতটুকু জানি , ইন্ডিয়া তে এটা একটা গোলমেলে প্রসেস । ল্যাক্তেতিং মাদারের আয়োডিন অবস্যই দরকার কিন্তু বাজারচলতি লবনে সেটা প্রয়োজনের বেশি মাত্রায় মেশানো হয় যা উল্টে ক্ষতি করতে পারে। ভিটামিন বড়ি নিয়েও মিক্সড স্টেটমেন্ট পেয়েছি । ডাক্তার রা , যাদের এফর্দ করার ক্ষমতা আছে তাদের ভিটামিন যুক্ত খাবার বেশি খেতে বলেন বড়ি না। তবে এসব ল্যাব টেস্ট করে তো দেখিনি , আমার সাবজেক্ট না :)

    কোনো বিশেষ উদ্যোগ থেকে কয়েক লক্ষ মানুষ কে কভার করে একটা প্রজেক্ট চলতেই পারে । প্রমান চাইতে যাব না । কারন এগুলো র "প্রমান " নিজে থেকেই হয় যখন চারপাশে লোকে উপকৃত হচ্ছে দেখা যায় । যদ্দিন না সেরকম দেখছি তদ্দিন তো চাই চাই বলেই যাবো । তার মানে কথাও কিছু হচ্ছেনা বলা নয় ।
  • Ekak | 53.224.129.44 (*) | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৫৬52407
  • বাই দ্য ওয়ে , কথা হচ্ছে যখন : এই অনেক ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট কে ডাক্তার রা ক্যানো মেয়েদের জন্যে নয় বলে দাগান এটা জানার ইন্টারেস্ট আছে আমার । সিরিয়াসলি জানিনা । আর ডাক্তার রা বেসিকালি ইঞ্জিনিয়ার । সায়েন্টিস্ট নন । তাই জিজ্ঞেস ও করিনা । আমি তো জানতুম মুর্দির ডিম এর খোল আর চুন শামুকের খোল চিবিয়ে খেলেও ক্যালসিয়াম !
  • | 127.194.13.179 (*) | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ০২:৪০52431
  • বাচ্চাদের কী খাওয়ানো হচ্ছে, সরকার/বাড়ি/ স্কুল/ গরীব/বড়লোক এরাজ্য/ ওরাজ্যে, কেন বাচ্চা খায় (নিজের বা মা-বাবার ইচ্ছেমতো) বা খায় না; খেলে বা না খেলে কী হতে পারত-- এসব নিয়ে খুব কাজের কথা হচ্ছে এখানে।

    এই আলোচনাটা যেহেতু অন্য জিনিস নিয়ে শুরু হয়েছিল, তাই কেউ এই মূল্যবান আলোচনা খুঁজেই পাবে না পরে। সেটা দূঃখের বিষয়।

    অন্য একটা টই না কী বলে খোলা যায় না বাচ্চা/ধাড়ি খাদ্য নিয়ে?

    এখানের মূল আলোচনাটাও হয়তো তাতে রক্ষা পায়।
  • dc | 120.227.238.77 (*) | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ০২:৫৬52432
  • আমার মনে হয় এই আলোচনাটা আর এগোতে গেলে স্পেসিফিক ডেমোগ্রাফিক প্রোফাইল দিয়ে করা উচিত (আগে পিনাকি বলেছিলেন), নাহলে একেবারেই জেনারাইজড আলোচন হয়ে যাচ্ছে। তির্যক নিজেই বলেছেন যে এই সমস্যা বা তার সমাধান সবার জন্য না। কাজেই কোন হাউজহোলড ইনকাম গ্রুপ বা রেঞ্জ এর জন্য এই আলোচনা সেটা উনি লিখে দিলে ভালো হয়।
  • Tirjak | 113.60.119.94 (*) | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:১৮52433
  • ডিসি,
    আপনি প্রশ্নটা আগেও করেছেন। তারপর আলোচনাটা অন্যখাতে চলে গেছিল বলে উত্তর দেওয়া হয়নি। তবে আপনি মূল আলোচনায় ফিরতে চেয়েছেন বলে ধন্যবাদ। খুব পরিস্কার করে ইনকাম রেঞ্জ বলা খুব সহজ নয়। তবে মোটের ওপর লো ইনকাম থেকে মিডল ইনকাম গ্রুপের সদস্যদের ক্ষেত্রে এই নিয়মের প্রভাব স্পষ্ট হবে বলে আমার ধারণা। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরশিক্ষককারী প্রতিষ্ঠানের করণিক কিম্বা গ্রুপ ডি কর্মী, প্রাইমারী ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এই রকম (মোটের ওপর আয়ের সীমা ১০০০০ থেকে ৫০০০০ অবধি) একটা বেশ বিস্তৃত অংশের কর্মীরা পড়ে যাবেন। সকলের বেতনের স্কেল আমি খুব ভালো জানি না তবে খুব একটা এদিক ওদিক হবে না বলেই মনে হয়। এই উপার্জন রেঞ্জের মানুষের সংসারে একাধিক সহায়িকা রাখা সম্ভব হয় না। সাধারণতঃ তাঁদের স্ত্রীরা মাঝারি কিম্বা স্বল্পশিক্ষিত মহিলা যাঁদের পক্ষে কি কি কাজ জোটানো সম্ভব আর তার বেতনের হার কেমন সে বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা আমি এর আগে কাউকে লিখেছি, পড়েছেন নিশ্চই। এই বেতনে কাজ করে একাধিক পরিচারিকা রেখে সংসার চালানো (শুধু বাইরে কাজ করার তাগিদে) এঁদের পক্ষে কোনোভাবেই সুবিধেজনক হয় না। তাই এই নিয়মের সুবিধে এঁরাই সরাসরি পাবেন।
    বাস্তবায়নের বিষয়ে অরিন্দম যা লিখেছেন পড়েছেন তো ! তার চেয়ে ভালো কিছু আমারও জানা নেই, উনি অনেক স্কীমের কথা লিখেছেন জার আওতায় এনে এই নিয়মকে কার্জকরী করা জেতে পারে। সে গুলো আমার বেশ সুচিন্তিতই মনে হয়েছে। আকাও বলেছেন দেখলাম যে সরকারের পক্ষে এই হিসেব রাখা খুব অসম্ভব কিছু নয়, এই সুযোগে আকা ও অরিন্দমকেও ধন্যবাদ দিয়ে গেলাম।
  • pi | 192.66.26.68 (*) | ০৬ মে ২০১৬ ০৩:৪৭52434
  • ঘরে বাইরে কাজ করলে মেয়েদের উপর ঘরের কাজের চাপ ইত্যাদি প্রসঙ্গে এখানে প্রাসঙ্গিক মনে হল বলে দিলাম।

    রাকা দাশগুপ্তের এই পোস্টটার সাথে ভীষণভাবে একমত।

    'Dept of Science and Technology has launched a “Mobility Scheme”named KIRAN, " which will address relocation issue of women scientists working in regular position in Government Organizations. The Mobility Scheme is aimed to provide an opportunity to women scientists who are facing difficulties in their present job due to relocation (marriage, transfer of husband to any other location within the country, attending ailing parents, and accompanying children studying in different city) and will act as filler while searching other career option at new place.The initiative intends to provide a harmonious environment during early phases of women scientists where they would like to stay active in research in addition to attending and fulfilling other responsibilities in the domestic front. "
    ***************************************************************************
    First of all, kudos to DST for this initiative. This will be really helpful to a large number of women scientists across the country, who are struggling to maintain a proper work-life balance. Many of them are often forced to sacrifice their careers, or make compromises. Relocation to a place of their choice can definitely be a good solution. This is especially true for the "two-body problem", i.e, when a scientist couple cannot find jobs is the same city, and have to live apart.
    However, there is still a problem. By ensuring that women may relocate so that they can simultaneously pursue a scientific career and fulfill domestic responsibilities, aren't we conforming to the notion that "domestic responsibilities" are only for women? What if a man want to relocate for the very same reason (marriage, transfer of wife to any other location within the country, attending ailing parents, and accompanying children studying in different city) ? Won't he get a chance? A friend of mine is an experimentalist and has set up a lab of her own - for this couple it would be much more convenient if the husband can move to her city rather than she moving to his.
    The initiative is definitely a very positive one and will change the lives of a great many people. Only, it would be even better if the scope of "relocation due to family reasons" can be extended to cover men as well.'
  • de | 69.185.236.52 (*) | ০৬ মে ২০১৬ ০৬:৪৮52435
  • আরে এটা তো ভীষণ ভাবেই সত্যি - সরকারী চাগ্রীর ক্ষেত্রে রিলোকেট শুধু মেয়েদেরই করতে দেয়। আমাদের এখানে শুধুমাত্র মহিলারাই অ্যাপ্লাই করতে পারেন হাসব্যান্ডের কাছাকাছি পয়েন্টে ট্রান্স্ফারের, ছেলেরা পারে না। স্টিরিওটাইপিং -
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন