এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • আমি বাংলাদেশে কুলদা রায়। আর ভারতে কলিমুদ্দিন শেখ।

    Kulada Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৮ মে ২০১৪ | ১৪৮৮১ বার পঠিত
  • মোদীকে আমি চিনি না। চেনার দরকারও নাই। পৃথিবীতে সকল মানুষকে চেনা যায় না। আর আমি বরিশালের মনু। যেখানে বরিশালের সবারেই চিনি না—সেখানে ভারত নামের একটা রাষ্ট্রের গুজরাতের নরেন্দ্র মোদিকে চিনতে যাব কোন দূঃখে।
    তবে আমার পাড়ার নরেন মুদিকে চিনতাম। বেচারা নরেন মুদি। তার মুদি খানায় বিস্তর কেনাবেচা হত। হিন্দুদের চেয়ে মুসলমান খদ্দের ছিল বেশি। তারা বিশ্বাস করেন নরেন মোদি নামের এই হিন্দু লোকটা মালে ভেজাল দেবে না। আর দাম লাগাম ছাড়া নেবে না। আমাদের পাড়ার সৈয়াদুল হক চাচা এই ব্যাপারে বড় করে ঘোষণা দিয়েছিলেন, নরেন লোকটা হিন্দু হৈলেও খারাপ না।

    নরেন মুদির মাইজা ঠাকুরদা সাত চল্লিশে ইন্ডিয়া যান নাই। তাদের প্রতিবেশী দুলাল চন্দ্র ভট্টাচার্য চলে গিয়েছিলেন। তবে ১৯৫০ সালে খবর এসেছিল—বরিশালের ফজলুল হকে সাহেবের ভাতিজা না ভাগ্নেকে কোলকাতায় ছুরি মেরে মেরে ফেলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাসহ পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মেরে ফেলা হয় ৯ দিনে দশ হাজার হিন্দুকে। বরিশালে মেরে ফেলা হয়েছিল ২৫০০ হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষকে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বাড়িঘর। লুটপাট করা হয়েছিল সহায়-সম্পদ। ধর্ষণের শিকার হয়েছিল অসংখ্য নারী। দখল করা হয়েছিল অনেকের জমিজমা। তখন নরেন মুদির মূলাদীস্থ মামাবাড়ির লোকজনের রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল নদী। মাধব পাশার পিসে মশাই ছিলেন জমিদার বাড়ির সরকার বাবুর ব্যাগ-টানা লোক। সে সময় মাধব পাশায় একদিনে যে ২০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল—তার মধ্যে নরেণ মুদির ব্যাগ-টানা পিসে মশাই ছিলেন। যে সরকার বাবুর ব্যাগ টানতে টানতে তিনি নিহত হলেন—সেই সরকার বাবুর সঙ্গে জীবৎকালে তার পংক্তি-ভোজনের সুযোগ ক ঘটেনি। নমোশুদ্রের সঙ্গে এক পাতে খেলে ধর্ম থাকে! পিসে মশাইয়ের যে সামান্য জমি-জমা ছিল—সেটা ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় শত্রু সম্পত্তি।

    নরেন মুদীর মাসির বাড়ি মোড়েলগঞ্জে। পানগুছি নদীর পশ্চিম পাড়ে সন্যাসী গ্রামে। ১৯৬৪ সালে কাশ্মিরে হজরত বাল মসজিদ থেকে মহানবী হযরত মুহাম্মদের চুল চুরি গেছে বলে খবর হল। মেসোমশাই গিয়েছিলেন পিরোজপুরের কদম তলার হাটে শুপারী বেঁচতে। হাঁটের মধ্যেই তাকে ধরা হল। গলায় কিরিচের পোচ দিতে দিতে জুজখোলার রহিম মাওলানা চেঁচিয়ে বললেন, নমুর পো, কাশ্মীর থেইকা আমাগো নবীকরিমের চুল চুরি করছোস। তোরে আজ রেহাই নাই।

    পিসেমশাই মরার আগে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কাশ্মীরডা আবার কোন জাগায়! এখবর পাওয়ার পরে মাসি তার ছেলেপিলে নিয়ে বর্ডার পার হয়ে গেলেন। মেসো মশায়ের বন্ধু আব্দুল করিম তাদেরকে বর্ডার পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিলেন। হাত ধরে বলেছিলেন, বৌদি গো, আমরা সবাই রহিম মাওলানা না। দোষ নিয়েন না।

    দোষ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। মাসি ততক্ষণে শেয়ালদা স্টেশনে পৌছে গেছেন। সেখান থেকে দণ্ডকারণ্যে। এরপর খবর নাই। পৃথিবী থেকে ছাপা। এটা নিয়ে নরেণ মোদি একদিন দূঃখ করে বলেছিলেন, বুজলা বাবা, একাত্তরে বাবারে হারাইছি। দেশ ছাড়ছি। আবার স্বাধীন হইলে ফির‍্যা আইছি। ফির‍্যা না আইসা করব কী? পৃথিবীর কোনো জায়গায়ই আমাগো বাঁচন নাই।

    এই নরেন মুদিকে চিনি। খাতা-পত্রে লেখা নরেন্দ্র ওরফে নরেন মুদী। ইলেকশন আসলে নরেন মুদির পরিবার পোটলা পুটলি বেঁধে রাখতেন। আর গলায় সরিষার তেল। জানেন—আওয়ামী লীগ আর বিএনপি বা জাতীয় পার্টিই আর জামায়াত- জিতুক বা হারুক, তাতে কিছু যায় আসে না। নরেন মুদির উপর কোপ পড়বেই। চান্স পাইলে পলান মারবেন। আর পলাতে না পারলে গালটা বাড়িয়ে দেবেন। কী আর করা! মানব জীবন ধারণ করলে তার পেরসানীও সহ্য করণ ছাড়া উপায় নাই।

    ২.

    ২০০২ সালে ভারতের গোধরা নামে একটি জায়গায় ট্রেনে আগুন লেগেছে। ৫৮ জন যাত্রী মারা গেছে। সেই যাত্রীরা অযোদ্ধায় গিয়েছিল তীর্থ করতে। তারা হিন্দু। রটানো হল—মুসলমানরা হিন্দুদেরকে মেরে ফেলেছে। ফলে সেখানে দাঙ্গা লেগে গেল। এরপর সাতদিন ধরে আহমেদাবাদে। এই দাঙ্গায় মারা গেলো ৭৯০ জন মুসলমান। আর হিন্দু ২৫৪ জন। মারাত্মকভাবে আহত হল ২৫০০ জন মানুষ। ২২৩ জনের কোনো খোঁজ নেই। আরেকটি সুত্রে জানা গেলো—গুজরাতের এই দাঙ্গায় ২০০০ মুসলমান মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছিল। ধর্ষণ করা হয়েছিল অসংখ্য নারীকে। মাসুম শিশু ওরফে শিশু গোপালকে জ্যান্ত আগুনে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল।

    ঘটনাচক্রে সে সময়ে আমাদের নরেণ মুদি নেত্রকোণা গিয়েছিলেন। সেখান থেকে গৌরীপুর। আমাদের পাড়ার শফিদ্দিন খাঁর মরমর অবস্থা। তিনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি। তার চেয়েও বড় কথা তিনি সন্যাসী গ্রামের মেসো মশায়ের মন্ধু আব্দুল করিমের ফুফা লাগে। শেষ অবস্থায় ডাক্তার বললেন, আপনার কী খেতে ইচ্ছে করে? খাঁ সাহেবের কথা বলার বিশেষ অবস্থা ছিল না। তবুও কষ্টে—সৃষ্টে বললেন, তিনি মহাশৈল মাছের কথা শুনেছিলেন বাল্যকালে এলাকার বিশিষ্ট কবিরাজ রসরঞ্জন মিত্তিরের কাছে। এই মাছ খেলে নাকি আশা পূর্ণ হয়।

    মহাশৈল মাছ পাওয়া যায় গৌরীপুরে। শঙ্খ নদীতে মাঝে মাঝে আসে গারো পাহাড় থেকে নেমে। শুনে নরেণ মুদি রওনা হয়েছেন মহাশৈল আনতে। খাঁ সাহেবের আখেরী হাউস পূর্ণ করতে সাধ জেগেছে। মাছটি তার একাত্তরে শহীদ বাবাও খেতে ইচ্ছে করতেন। এর মধ্যে গুজরাতে কী হল তার কিছুই জানেন না নরেন মুদি। অনেক কষ্টে মহাশৈল মাছ পেলেন। ঢাকায় আসতে আসতে দেখলেন শাখারী পট্টিতে দোকান-পাটে লুটপাঠ চলছে। বেশ কয়েকজন তাকে মাছ হাতে আসতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, নাম কী?
    তিনি বললেন, নরেন মোদী।

    আর যায় কোথায়। তারা রাগে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চেপে ধরল। কে একজন চেঁচিয়ে বলল, ওরে ইলিয়াস, গুজরাতের দাঙ্গার নেতা নরেন্দ্র মোদীকে পাওয়া গেছে। সেইদিন তারা নরেন্দ্র মোদীকে খুঁজে পেলেও আমরা বরিশালের লোকজন নরেণ মুদীকে আর খুঁজে পাইনি। তিনি নাই হয়ে গেছেন।
    খাঁ সাহেব মহাশৈল মাছ খেতে পারেননি। তবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে গলার আওয়াজ একবার ফিরে পেয়েছিলেন। চেঁচিয়ে বলেছিলেন, কন তো ডাক্তার, এই গুজরাতের নরেণ মোদীর লগে পুরাণ ঢাকায় ইলিয়াস আলীর ফারাকটা কোথায়?

    ৩.

    আমাদের নরেন মুদিকে যে ইলিয়াস আলী নাই করে দিল, আর যে নরেন্দ্র মোদী গুজরাতের ফতিমার দুলহাকে খুন করতে বুলন্দ আওয়াজ দিল-এরা দুজনেই কিন্তু দুটো ধর্মের লোক। দুজনই তারা তাদের ধর্মে নিষ্ঠ। শুধু নিষ্ঠ হলে বিপদ ছিল না। কিন্তু বিপদ হতে শুরু করল যখন তাদের ধর্মকেই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম বলে মনে করল। মনে করার মধ্যেও ঝামেলা কম। শুধু এই শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণার মধ্যে দিয়ে অন্য ধর্মকে শত্রু ঘোষণা করল, অন্য ধর্মের অস্তিস্ত্বকে নিজেদের ধর্মের জন্য বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করল। নিজের ধর্ম রক্ষার জন্য অন্য ধর্মের মানুষজনদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। হত্যা করল। ধর্ষণ করল। সহায় সম্পত্তি কেড়ে নিল। দেশ ছাড়া করল। এটাই বিপদের জায়গা। এতোকাল যাদের মধ্যে ধর্ম এই অন্ধত্ব ঢুকিয়ে দিয়েছে—তারাই মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী হয়ে দাড়িয়েছে। ধর্ম মানুষের লজিক কেড়ে নেয়। বিচার-বোধ হারা করে। হিংসা আর প্রতিহিংসার বীজ মাথার ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। এই ধর্ম-অন্ধ নিয়ে আমরা কী করবো?

    মনে করুন আমার এক পিসে মশাই। বরিশালের মঠবাড়িয়ার এক গ্রামে বাড়ি। মানবেন্দ্রনাথের গান আর দিলীপকুমারের অভিনয়ের পাগল। তার দিনদুনিয়াতে আর কিছু ছিল না। একাত্তর সালে তাকে মুসলমান হতে হয়েছিল। নাম হয়েছিল শাহজাহান। আর আমার পিসিমা মমতাজ। পিসাতো ভাইগুলোর নাম দারাশুকো, সুজা, আলমগীর। বোনটির নাম জাহানারা। রেগুলার মসজিদে যেতে হত। তাদের পালের গরু জবাই করেও খেতে হয়েছে। মুখে রাখতে হয়েছে দাড়ি। কপালে দাগ পড়ে গিয়েছিল। একাত্তরের পরে আমাদের বাড়ি এসে সেই দাড়ি কেটেছিলেন। আর হাহাকার করছিলেন। সেদিনই ঢোল-করতাল সহযোগে হিন্দু হয়ে গিয়েছিলেন। তাতে তার সমস্যা হয়নি।

    কিন্তু সমস্যা হয়েছিল—এর পরে তিনি অতিরিক্ত হিন্দু হয়ে গিয়েছিলেন। সব সময় মুসলমানদের পতন দেখতে চাইতেন। আমাদের মুসলমান বন্ধুদের দেখলে আড়ালে ডেকে নিয়ে আমাদেরকে চড় থাপ্পড়ও দিতেন। বলতেন, বিধর্মী গো লগে মেসো, সাহস তো কম না! তার মেয়েটি একটি মুসলমান ছেলেকে বিয়ে করলে তাকে ত্যাজ্য করেছিলেন। আছড়ে পিছড়ে কান্নাকাটি করেছিলেন—মেয়েটি তাদের অনন্ত নরকে ঠেলে দিল। অদ্ভুদ।

    আরেকজন পিসেমশাই চিরকাল শিক্ষা-দীক্ষা ছিলেন। নিজের ছেলে-সন্তানদের কেউ কেউ দেশবিদেশের শিক্ষক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তার মন খারাপ হয়ে যায়। সেই পিসে-মশাই আমাকে বলেছিলেন, বোজলা বাবা, কৃষ্ণ ঠাকুর পুরুষোত্তম। বিএনপি-জামাতকে ধ্বংস করতে শ্রীকৃষ্ণ নতুন অবতার হয়ে আসবেন। চিন্তা করবা না। গীতায় এই কথা লেখসে। যিনি রাম--তিনিই কৃষ্ণ। তাদের একজন রামায়ণের পাতা থেকে ফাল দিয়ে পড়বেন। আরেকজন মহাভারতের পাতা থেকে সুদর্শন চক্র নিয়ে আসবেন। এসে বিধর্মীদের কচু কাটা কাটা করবেন।

    নতুন অবতারের খবর নেওয়ার জন্য আমার গীতা পড়ার দরকার নাই। বাল ঠ্যাকরে নামের এক লোক যখন হুংকার দিলেন—বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হলা হবে। সেখানে আবার রামের নামের মন্দির গড়া হবে, তখনই বুঝলাম শ্রীঅবতার এসে গেছেন। তার সাঙ্গোপাঙ্গোর নাম শিবসেনা। এরা মানুষ হলেও পাছায় ল্যাজ আছে। এদের নবীন নেতা নরেন্দ্র মোদী। তিনি রামরাজ্য চান। রামরাজ্যে অন্য ধর্মের লোকের কোনো চান্স নাই। সোজা পুশব্যাক করে দাও। আফগানিস্তান-পাকিস্তানের তালিবানরা এই কাজটি করছে। বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীরা এই কাজটি করে চলেছে। তাদের রাজ্যে মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মের লোকদের থাকতে দেবে না। যারা থাকতে চাইবে তাদের সোজা গুলি করে মারবে। এরা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

    এই সাম্প্রদায়িকতা একটা ছোঁয়াচে অসুখ। মানুষকে পাঠা করে তোলে। সে সব সময়ই অন্য মানুষকে শিং উচিয়ে তাড়া করে।

    কেউ ধর্ম পালন করে শান্তি লাভ করুক—আমার আপত্তি নাই। কেউ ধর্ম পালন না করেও শান্তি লাভ করুক তাতেও আমার আপত্তি নাই। তাদের ব্যক্তি জীবনে ধর্মে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করার অধিকার দুই-ই আছে। আধুনিক রাষ্ট্র তাদের সেই অধিকারকে নিশ্চিত করে। কিন্তু মওদুদীর জামায়াতে ইসলামী বা মোদীর বিজেপি সেই অধিকারকে কেড়ে নেওয়ার দুঃসাহস দেখায়। এইখানেই জামায়াতে ইসলামীর উত্থান দেখলে আমি কেঁপে উঠি। মোদীর বিজেপির উত্থানেও আতঙ্কিত হই। এরা কোনো রাষ্ট্র মানে না। নাগরিক বোঝে না। বোঝে-- জগতে মোদীর কাছে হিন্দু আছে। জামায়াতের কাছে মুসলমান আছে। আর কেউ থাকতে পারে না।

    আমরা ঠেকে শিখেছি--যে কোনো ধর্ম বা মত যখন শ্রেষ্ঠত্বের দাবী করে হুঙ্কার ছাড়ে, সেটা তখন আর মত থাকে না--হিংসার অস্ত্র হয়ে ওঠে। এই হিংসার কাছে আমি তো আসলে কেউ নই। আমি বাংলাদেশে কুলদা রায়। আর ভারতে কলিমুদ্দিন শেখ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৮ মে ২০১৪ | ১৪৮৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:০৮73172
  • আমি তো কোন রিপোর্টের কথাও বলিনি! মেরেছে।

    "এত যোগ্য একজনকে এত টাকা ভোট পেতে খরচ করতে হল কেন?"

    কি জানি! মোদী বোধায় ভেবেছিলেন টাকা খরচা না করলে ভোট পাবেন না। যতো গুড় ততো মিষ্টি, এরকম কিছু।
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:০৯73173
  • কি মুশকিল রে ভাই। একটা লিংকে ক্লিক করতেও যদি অসুবিধে হয় সেইভেবে লম্বা লম্বা কপি পেস্ট করে দিলাম। তাও এমনই ঈশ্বরবিশ্বাসের মতই আদালতে বিশ্বাস যে পাছে তাতে ঘা পড়ে বলে তাকিয়েও দেখবেন না? আদালতের প্রসিডিংস নিয়েও তো লিখেছে!
  • Tim | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১০73175
  • ঃ-)
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১০73174
  • আপনি কোন আদালতের কথা বলছেন? ক্লিন চিট কে দিয়েছে? কিসের বেসিসে দিয়েছে?
  • aranya | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১২73176
  • বাঙালী হিন্দু লেফট লিবারাল-রা (ডিডি-দার ভাষায় হি লে লে) ভারতে মাইনরিটি মুসলিম-দের ওপর অত্যাচার নিয়ে যত চেঁচামেচি করেন, বাংলাদেশে মাইনরিটি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার নিয়ে তার এক ভগ্নাংশ-ও করেন না - এটাও ঠিক।
  • ঈশান | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৩73178
  • হ্যাঁ, আগুন "ধরানো" হয়েছিল কিনা, বা ধরালে "অমুকরা" ধরিয়েছিল, তার কোনোটাই সে সময়ে জানা ছিলনা। ওটা পুরোটাই রটনা ছিল।
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৩73177
  • যাব্বাবা আমি তো কোন ক্লিন চিটের ক্থাই বলিনি! ওটা তো π বললেন! কে ক্লিন চিট দিয়েছে আমি কি করে বলবো? ঘেঁটে ঘন্ট হয়ে যাচ্ছে।
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৫73179
  • তাহলে মোদী দোষী প্রমাণিত হয়নি এটা যে বললেন - সেটা কোথায়, কোন আদালতে, কবে?
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৭73180
  • আমি আমার দিকটা আরেকবার পরিষ্কার করে বলে দি

    ১। কোন আদালত এখনো পর্য্যন্ত মোদীকে দোষী বলেনি।

    ২। দেশের অনেক মানুষ ওনাকে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে।

    এটুকুই ঃ-)
  • Tim | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৮73183
  • অরণ্যদা কি পৃথিবীর কোথায় কোথায় মাইনরিটি অত্যাচারিত হয়েছে সেইটা বিচার করে হিলেলেদের ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিতে বলছে?
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৮73182
  • বাংলাদেশের প্রগ্রেসিভ কাগজগুলোতে এই নিয়ে লেখালেখি হয় তো অরণ্য। আপনার বৃত্তের মধ্যে মনে হচ্ছে এখানে খুব মাইনরিটি অত্যাচার নিয়ে চেঁচামেচি হচ্ছে। রিডিফে গেলে মনে হবেনা। তেমনই বাইরে থেকে দেখলে মনে হবেনা বাংলাদেশে এনিয়ে কেউ কিছু বলছেন। কিন্তু সব জায়গাতেই তো লিবেরালরাও মাইনরিটি, তাই তাদের চেঁচামেচি সেইভাবে পৌঁছায়না।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৮73181
  • ২০০২ সালে ভারতের গোধরা নামে একটি জায়গায় ট্রেনে আগুন লেগেছে।
    ৫৮ জন যাত্রী মারা গেছে।
    সেই যাত্রীরা অযোদ্ধায় গিয়েছিল তীর্থ করতে।
    তারা হিন্দু।
    রটানো হল—মুসলমানরা হিন্দুদেরকে মেরে ফেলেছে।

    ফলে সেখানে দাঙ্গা লেগে গেল।

    .............এর মধ্যে কোন লাইন টা ভুল ?

    যারা বলছেন "রটানো " হয়নি "ঘটনা " তাঁরা কি ওই দাঙ্গা লাগার আগে বা ওই সময়ে জানতেন ? তদন্ত চলার পর যা জানার জেনেছেন। তারমানে দাঙ্গা তো "রটনা" র বেসিসেই হয়েছে। তাই হয় সর্বর্ত্র। নাকি দাঙ্গাকারী রা তদন্তের রিপোর্ট হাতে নিয়ে দাঙ্গা করতে গেছিল ? নাকি তারা মৃত্যুর প্রত্যক্ষদর্শী সবাই ?
    যেই যাকে মেরে থাকুক, সেটা তদন্ত হওয়ার আগে এই যে রটিয়ে দিয়ে সম্প্রদায়ে খুনোখুনি বাধানো সেটা তো খারাপ। রটনার বেসিসেই তো ঝামেলা হয়েছে। ঘটনা র বেসিসে তো হয়নি। আদৌ কেও মেরেছে না দুর্ঘটনায় আগুন কিছু একটা প্রমান হবে তবেই না "ঘটনা " ?

    এই যেমন মোদী বাবু র কাজকর্ম "ঘটনা " নয়। আপনাদের ই যুক্তি। তাহলে মোদী কে গালাগাল দিলে যদি "রটনা র বেসিসে " হয়, গোধরা পরবর্তী দাঙ্গা "ঘটনা " র বেসিসে হবে কোন দুঃখে ? বলিহারি যুক্তি সব।
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:১৯73184
  • PL, কীভাবে জানলেন কোনো আদালত "দোষী" বলেনি? আদালতে গেল কীভাবে এটা?
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২০73185
  • a x আমি যেটুকু জানি, মোদীকে দোষী বললে ওনাকে শাস্তি দেওয়া হতো আর তাহলে উনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। এর বেশী আইন আমি জানিনা। কোন আদালত কোথায় কবে ওনাকে দোষী বলেনি, এব্যাপারে একেবারেই আইডিয়া নেই।
  • - | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২০73094
  • হু অমন রেগে যাচ্ছেন কেন? ঃ-) জাস্টিফাইএর কথা তো কেউ বলে নি! শুধু জিগান হয়েছে "রটনা" না ঘটনা? নিরীহ জিজ্ঞাসা; ক'দিন আগেই কাশ্মীর হিন্দু শূন্য হয়ে যাবার ঘটনাকে এই এখানেই লোকজনের "গুজব' হলেও হতে পারে, তাই মনে হয়েছিল কি না!
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৪73186
  • a x, আমার আগের পোস্টটা দেখুন। মোদী ভোটে দাঁড়িয়েছেন আর ওনাকে কিছু লোক ভোট দিতে পেরেছে, তাই আমার মনে হচ্ছে কোর্ট ওনাকে দোষী বলে রায় দেয়নি।
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৫73187
  • তাহলে একটু আইডিয়া করতেই বা অসুবিধে কোথায়?
  • aranya | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৬73188
  • অক্ষ, রিডিফে খুব লিবারাল লোক জন লেখেন কি? আমার ধারণা পঃ বঙ্গে সো কলড হিন্দু লিবারাল-দের মুসলিম মৌলবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে কোথাও একটা বাধে, যেটা ঠিক না।
    আর বাংলাদেশে আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আমরা কেন বলব - এই যুক্তিও ঠিক মনে হয় না।
  • Tim | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৮73189
  • হ্যাঁ অসুবিধের কথাটা শুনতে চাই। লিংকগুলোতে ভুলেও ক্লিক করতে অসুবিধে কিসের?
  • π | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৯73191
  • 'সংখ্যাগুরুদের হাতে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিয়ম করে হত্যা, ধর্ষণ, ঘরে ও সম্পত্তিতে আগুন লাগানো এ নিয়ে যতটা চেঁচামেচি হওয়া দরকার তার ১০% হয় কিনা সন্দেহ' -'

    ঠিকই।

    ঠিক তেমনি, সংখ্যালঘু মুসলিমদ ও শিখেদের উপর প্রশাসনিক মদতে যে অত্যাচার চালানো হয়েছিল, তাই নিয়ে যা চেঁচামেচি হওয়া দরকার, তারও ১০% হয়না।এখন, এতদিন বাদে তো প্রায় কিছুই হয়না। মানে যা হয়, দরকারটা তার চেয়ে অনেক বেশি। হলে এত লোকজন সেটাকে কনভেনিয়েন্টলি ইগনোর করে যেতে পারতেন না।
  • bhabchi | ২০ মে ২০১৪ ০৪:২৯73190
  • আচ্ছা হিন্দু রা নিজেদের সাম্প্রদয়িকতা নিয়ে
    যতো লেখে বা সচেতন মুসলমান রাও কি তাই।
  • a x | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩০73192
  • অরণ্য, ঠিক উল্টো বুঝলেন। - আপনার বৃত্তের মধ্যে মনে হচ্ছে এখানে খুব মাইনরিটি অত্যাচার নিয়ে চেঁচামেচি হচ্ছে। রিডিফে গেলে মনে হবেনা।
    মানে কিছু সিলেক্ট স্পেসে চেঁচামেচি দেখছেন, বৃহত্তর স্পেসে (যথা রিডিফ) দেখছেন না।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩১73193
  • অরণ্য
    একটা অসুবিধে সরাসরি আছে। বাংলাদেশে হিন্দু দের নিয়ে কথা বললে প্রকারান্তরে রাজনৈতিক শেল্টার এর রাস্তা তৈরী হয়। ভারত অবশ্যই চাইবেনা ( এখন অবশ্য চাইবে ) যে পাশেই একটা মৌলবাদী রাষ্ট্র তৈরী হোক কিন্তু হিন্দু শরণার্থী দের জায়গা দেওয়ার কোনো ইচ্ছেও নেই। মানে সোজা কথায় হিন্দু বলে কোনো আলাদা পীরিত নাই। ভারতের মুসলমান দের নিয়ে বলার কারণ তারা ভারতীয়। ভারতীয় ক্রিস্টান দের ওপর অত্যাচার হলেও এই কারণেই কথা ওঠে। ক্রিস্টান বলে নয়।
  • π | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩২73194
  • 'আচ্ছা হিন্দু রা নিজেদের সাম্প্রদয়িকতা নিয়ে
    যতো লেখে বা সচেতন মুসলমান রাও কি তাই।'

    শুধু না ভেবে, একটু বাংলাদেশের লোকজনের সাইটপত্তর দেখতেও পারেন।
  • সিকি | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩৩73095
  • বক্তব্যের টোনটা একটু পাল্টালে হয় না? নিরীহভাবে জিজ্ঞেস না করে নানাবতী কমিশনের রিপোর্টটা একবার পড়ে ফেললেই তো বোঝা যায়, রটনা না ঘটনা।

    কাশ্মীর হিন্দুশূন্য হয়ে যাবার ঘটনাকে এখানে কার গুজব মনে হয়েছে, সেটা একটু নামসহ প্রকাশ করে দিলে বাধিত হই।
  • π | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩৬73195
  • আর, আজও, ঐ 'ঘটনা' নিয়ে কত প্রশ্ন রয়ে গেছে, তাই নিয়েই এটা দিয়েছিলাম। http://www.truthofgujarat.com/topics/godhra-train-burning/

    না না, ভুলেও ক্লিক করবেন না। তাহলে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যেতে সুবিধে হবে।
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩৭73196
  • এবার আমার অসুবিধে নিয়ে কথা শুরু হলো? :d আমি সুবিধে অসুবিধে কিছুই বলিনি, এমনকি কোন লিংকে ক্লিক করেছি কিনা তাও কিন্তু বলিনি।

    আমি এইটা বলছি যে এগুলো কোর্টে দাখিল করা হোক, কোর্ট রায় দিক। এই কথাটা বুঝতে বড্ড অসুবিধে :d
  • সিকি | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩৮73197
  • অন্তত তসলিমা নাসরিনের নামটা তো শোনা থাকা উচিত।

    কিংবা মুক্তমনা নামে এই বাংলাদেশি সাইটটা। http://mukto-mona.com
  • PL | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৩৯73198
  • π, আচ্ছা :d
  • Ekak | ২০ মে ২০১৪ ০৪:৪০73199
  • পলিটিক্স অফ হেট্রেদ নিয়ে সর্বর্ত্র লেখালেখি হচ্ছে। মানুষ বিরক্ত ও অতিষ্ঠ। পাকিস্তানের মানুষ দের লেখা পড়ে দেখতে পারেন। ঘর বিরোধী তারা এই যুদ্ধবাজ রাজনীতির। যেহেতু ভারত এখনো অবধি মৌলবাদী দেশ হয়ে যায়নি তাই এখানকার লেখা গুলো আপনাদের বেশি চোখে পরে। বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে সোজা ভোগে পাঠিয়ে দেয়। তারপরেও লোকজন থেমে নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন