• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই, শহীদ কাদরী

    Kulada Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৯ আগস্ট ২০১৬ | ১০১ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • বছর দশেক আগে জ্যামাইকা সেন্টার দিয়ে একটু সন্ধ্যারাত করে বাসায় ফিরতাম। সাবওয়ে থেকে বেরিয়ে পারসনস বুলেভার্ডে পা রাখলেই খুব পুরনো কবরখানা। আর গীর্জার উঁচু শীর্ষদেশে এই সময় চাঁদ ঝুকে পড়ত। একটা হাওয়া এসে পাক খেয়ে নিচে নামত, আবার একটু উপরে উঠে বাক খেয়ে ডানে চলে যেত। বেশ একটা আলো-আধার রেশমি চাদরের মতো চোখের নামনে বিছিয়ে যেত। বোঝা যেত কেউ কোথাও নেই। দূরে একটা এম্বুলেন্স যাচ্ছে।

    একটু ঘোর কেটে গেলেই দেখা যেত, একজন বয়স্ক মোটাসোটা লোক ভোজবাজির মতো সাইড ওয়াকে দাঁড়িয়ে আছেন। দুহাত ঠেলাগাড়ির উপরে রাখা। মাথায় চুল নেই। লম্বা ঝুলফি কানের পাশ দিয়ে নেমে গেছে। তার চোখে অদ্ভুত একটা বিষণ্ণতা। তিনি কোথাও তাকিয়ে নেই। অথচ তাকিয়ে আছেন। ধীরে ধীরে শ্বাস নিচ্ছেন। কাছে এলেই টের পাওয়া যায় কয়েকটা ধেড়ে ইঁদুর তার পায়ের কাছে ঘোরাফেরা করছে। আর একটা খিলান থেকে প্রভু যীশু হেসে হেসে বলছেন, আমিই পথ। জীবন। ও সত্য।

    এই বয়স্ক লোকটিকে আগে কখনো দেখিনি। কিন্তু কোনো না কোনোভাবে তাকে অচেনা মনে হয় না।
    পরে এক সময় মনে পড়ে, তাকে একটি বইয়ের পাতায় দেখেছি। সেটা ১৯৮৫ সালের দিকে। ময়মনসিংহে।
    ময়মনসিংহে আমি যে রুমটিতে থাকতাম তার খাটের নিচে একটি ট্রাংক ছিল। সেটা এ রুমের প্রাক্তন বাসিন্দা বুলবুল ভাইয়ের। সেই ট্রাংকের ভেতরে কয়েকটি বই ছিল। তার একটির নাম উত্তরাধিকার। কবিতার বই। কবির নামযুক্ত পাতাটি নেই। কেউ ছিড়ে নিয়ে গেছে। কবির একটি ছবি ছিল। মাথা ভর্তি ফোলানো চুল। সেই ছবির লোকটির চুল উঠে গেলে পারসন বুলেভার্ডের বিষণ্ণ লোকটির সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

    সেবার আমাদের বাসার কাছে ফ্রান্সিস ল্যুইস স্কুলে বইমেলা হয়েছিল। সেখানে তিনি এসেছিলেন। একজনকে শুধালাম, কে উনি? লোকটি একটু অবাক হয়ে উত্তর দিলেন, ওমা, আপনি চেনেন না। উনি কবি।
    --কবি?
    --ইয়েস। কবি শহীদ কাদরী।
    তারপর একটু মন খারাপ করে বললেন, উনি খুব অশান্তিতে আছেন?
    --কেন? উনি কি প্রেমিকার সঙ্গে মিলতে পারেননি?
    এবার লোকটা আমাকে খুব মৃদু গলায় বললেন, পারবেন না কেন? পেরেছেন। সেটা অশান্তি নয়। অশান্তি হলো, তিনি অসুস্থ। ভালো হওয়ার আশা নেই।
    শুনে মন খারাপ হয়ে গেল। কবিদের অসুস্থতা মানায় না।

    সেই ময়মনসিংহে শহীদ কাদরীর কবিতা পড়ে মনে হয়েছিল, তার কবিতা পরিণত। গীতল। পাঠককে চমক দিতে পছন্দ করেন। কিছু ইমেজারি শব্দ ব্যবহার করেন। গায়েবী নির্দেশ থাকে সেই শব্দ দিয়ে নির্মিত বাক্যে। মন্দ নয়।
    আরেকটি ব্যাপার মনে হয়েছিল, তার কবিতায় বাংলাদেশ নেই। মানুষগুলো শহরের। তাদের সমস্যা অন্যরকম। এবং সেই পঁচাশিতে আবিষ্কার করি, শহীদ কাদরীর কবিতার বয়স থমকে থাকে। সদ্য তরুণদের মতো করে লেখা। এবং তার আট দশটি কবিতাকে মনে রাখা যায়। একজন ভালো কবির জন্য এই সংখ্যাটা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক নামী কবির দুটি একটির বেশি মনে রাখার মতো কবিতা নেই।

    গেল দশ বছরে আমার মতো গেয়ো নমোশুদ্র লোক নিউ ইয়র্কে থেকে টের পেয়েছে এই শহরেও অনেক কবি যশোপ্রার্থী আছেন। তারা কবিতা লেখেন। লিখেই কবির কাছে ছুটে যান। কবি সে কবিতা চোখ বুজে শোনেন। শোনা শেষ হলে তিনি কবিকে নিয়ে কয়েকটি কথাও বলেন। এবং এই কবিতা শোনা উপলক্ষে তিনি প্রায়ই তার বাড়ির নিচে বেসমেন্টে কবিতা সন্ধ্যা করে থাকেন। একদিন আমিও লুকিয়ে এক সন্ধ্যায় ঢুকে পড়ি। বুঝতে পারি এই নিউ ইয়র্ক শহরে তিনি কবিতা নিয়ে ভালো আছেন। তিনি কবিতা নিয়ে গুছিয়ে বলতে পারেন। তার বলার মধ্যে সম্মোহন থাকে।

    নানা অনুষ্ঠানে তাকে যেতে হয়। কথা শুনতে হয়। বলতে হয়। মঞ্চে তিনি ঘুমিয়েও পড়েন। তবু তার রেহাই নেই। রেহাই পেতে চানও না।

    আমাদের কাউখালির অর্ঘ্য সারথী সিকদারের সঙ্গে সব্জির দোকানে মাঝে মধ্যে দেখা হয়। গেল বছর এক সন্ধ্যাকালে তিনি আমাকে পাকড়াও করেন। বলেন, একজন লোক আপানার সঙ্গে কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলাপ করতে চান।

    কেউ আমার সঙ্গে কথা বলতে চান শুনে বড়ো বিস্ময় লাগে। স্বভাবত আমি কারো সঙ্গে দেখা করি না। লোক এড়িয়ে চলি।
    কিন্তু অর্ঘ্য আমার চেয়ে বলশালী। জোর করে ধরে নিয়ে যান একটি বাড়িতে।

    এটা সেই পারসন বুলেভার্ডের কবরস্থানের সামনের বাড়িটি। এ বাড়ির চারিদিকে ধেড়ে ইঁদুর ঘোরে। লিফট দিয়ে যে ঘরে ঢুকে পড়ি, তার দুপাশের দেয়াল জুড়ে বইয়ের তাক। সেখানে বহু বইয়ের মধ্যে কবি সোফায় শুয়ে আছেন। চোখ বন্ধ। হাতে ব্যান্ডেজ। আজ তার ডায়ালাইসিস ছিল।

    চোখ বন্ধ রেখেই জিজ্ঞেস করলেন, আমি কবিতা লিখি কিনা।
    আমি কবিতা লিখি না শুনে নাম জিজ্ঞেস করলেন। নাম বলতেই তিনি চোখ খুললেন। এরপর তিনি দুটি বিষয় নিয়ে আলাপ জুড়লেন। প্রথমত রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রসাহিত্য তার ভালো লাগে। কিন্তু তিনি প্রজাপীড়ক জমিদার ছিলেন। এবং মুসলমানদের ঠিক পছন্দ করতেন না।
    দ্বিতীয়ত ভারতের হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক। তারা মুসলমানদের উপর নির্যাতন করে।
    এর স্বপক্ষে দুটো লেখার ফটোকপিও দেখালেন। বললেন, তোমাদের এসব লেখা পড়ে দেখা দরকার। লেখা দুটি ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত।

    এরপর কবি অসানান্য কণ্ঠে আবৃত্তি করলেন অসংগতি নামের কবিতাটি। আর শোনালেন তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা।
    শুনতে শুনতে মনে হলো, কবির কথা বলার দরকার নেই। কবিতা বললেই সুন্দর।
    এই কবিও সুন্দর।

    বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। অর্ঘ্যের ছেলেমেয়ে দুজনের ঘুম পাচ্ছিল। আমরা উঠলাম। দরোজা পেরিয়ে যাওয়ার আগে দূর থেকে কবি জিজ্ঞেস করলেন, আবার কবে আসছ?
    বললাম, আর কখনো নয়।
    কবিদের সঙ্গে খুব বেশি দেখা করতে নেই।

    ------------------------------------------------
    শহীদ কাদরীর কবিতা
    -------------------
    সঙ্গতি
    (অমিয় চক্রবর্তী, শ্রদ্ধাস্পদেষু)

    বন্য শূকর খুঁজে পাবে প্রিয় কাদা
    মাছরাঙা পাবে অন্বেষণের মাছ,
    কালো রাতগুলো বৃষ্টিতে হবে শাদা
    ঘন জঙ্গলে ময়ূর দেখাবে নাচ

    প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-ই
    কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে না...

    একাকী পথিক ফিরে যাবে তার ঘরে
    শূন্য হাঁড়ির গহ্বরে অবিরত
    শাদা ভাত ঠিক উঠবেই ফুটে তারাপুঞ্জের মতো,
    পুরোনো গানের বিস্মৃত-কথা ফিরবে তোমার স্বরে

    প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-ই
    কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে না...

    ব্যারাকে-ব্যারাকে থামবে কুচকাওয়াজ
    ক্ষুধার্ত বাঘ পেয়ে যাবে নীলগাই,
    গ্রামান্তরের বাতাস আনবে স্বাদু আওয়াজ
    মেয়েলি গানের- তোমরা দু'জন একঘরে পাবে ঠাঁই

    প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-ই
    কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে না...

    তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা
    -------------------------
    ভয় নেই
    আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী
    গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে
    মার্চপাস্ট করে চলে যাবে
    এবং স্যালুট করবে
    কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।

    ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে
    কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গনের স্মৃতি নিয়ে
    আর্মার্ড-কারগুলো এসে দাঁড়াবে
    ভায়োলিন বোঝাই করে
    কেবল তোমার দোরগোড়ায় প্রিয়তমা।

    ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো-
    বি-৫২ আর মিগ-২১গুলো
    মাথার ওপর গোঁ-গোঁ করবে
    ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    চকোলেট, টফি আর লজেন্সগুলো
    প্যারাট্রুপারদের মতো ঝরে পড়বে
    কেবল তোমার উঠোনে প্রিয়তমা।

    ভয় নেই...আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী
    এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়
    সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক, প্রিয়তমা!

    সংঘর্ষের সব সম্ভাবনা, ঠিক জেনো, শেষ হবে যাবে-
    আমি এমন ব্যবস্থা করবো, একজন গায়ক
    অনায়াসে বিরোধীদলের অধিনায়ক হয়ে যাবেন
    সীমান্তের ট্রেঞ্চগুলোয় পাহারা দেবে সারাটা বৎসর
    লাল নীল সোনালি মাছি-
    ভালোবাসার চোরাচালান ছাড়া সবকিছু নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, প্রিয়তমা।

    ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো মুদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে বেড়ে যাবে
    শিল্পোত্তীর্ণ কবিতার সংখ্যা প্রতিদিন
    আমি এমন ব্যবস্থা করবো গণরোষের বদলে
    গণচুম্বনের ভয়ে
    হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি, প্রিয়তমা।

    ভয় নেই,
    আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    শীতের পার্কের ওপর বসন্তের সংগোপন আক্রমণের মতো
    অ্যাকর্ডিয়ান বাজাতে-বাজাতে বিপ্লবীরা দাঁড়াবে শহরে,

    ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    স্টেটব্যাংকে গিয়ে
    গোলাপ কিম্বা চন্দ্রমল্লিকা ভাঙালে অন্তত চার লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে
    একটি বেলফুল দিলে চারটি কার্ডিগান।
    ভয় নেই, ভয় নেই
    ভয় নেই,
    আমি এমন ব্যবস্থা করবো
    নৌ, বিমান আর পদাতিক বাহিনী
    কেবল তোমাকেই চতুর্দিক থেকে ঘিরে-ঘিরে
    নিশিদিন অভিবাদন করবে, প্রিয়তমা।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৯ আগস্ট ২০১৬ | ১০১ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Iqbal Mahfuj | 212.84.46.242 (*) | ২৭ অক্টোবর ২০১৬ ০২:০৮55382
  • সুহৃদ,
    ভালোবাসা জানবেন। কেমন আছেন আপনি?
    আপনার সাথে আমি অনেকদিন যাবত যোগাযোগের চেষ্টা করছি। ফেইসবুকে ইনবক্স করেছিলাম কিছু কথা। আপনার মেইল আইডি কিংবা মোবাইল নম্বর আমার কাছে নেই।

    যদি মেসেজটি পেয়ে থাকেন, প্লিজ রিপ্লাই দিবেন।

    ইকবাল মাহফুজ
    01855527579
    [email protected]
  • aranya | 154.160.226.93 (*) | ২৭ অক্টোবর ২০১৬ ০৪:৩৫55383
  • 'ভারতের হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক। তারা মুসলমানদের উপর নির্যাতন করে।'

    - এই জেনেরাইলাইজেশন-গুলো, মুসলিমরা এইরকম বা হিদুরা ঐরকম - শুনে শুনে হেজে গেছি, তাও অদ্ভুত লাগে। একটা সম্প্রদায়ের সব মানুষ-কে কত সহজে একটা খোপে ফেলে দেওয়া হয়..
  • rabaahuta | 161.191.175.194 (*) | ২৭ অক্টোবর ২০১৬ ০৭:২১55384
  • "কবিদের সঙ্গে খুব বেশি দেখা করতে নেই।" এই কথাটার পুণরাবৃত্তি করলাম।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত