এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  প্রবন্ধ

  • সামসুর ভাইয়ের সব্জির ভ্যান ও কৃষির টুকিটাকি।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    প্রবন্ধ | ১৮ জুলাই ২০২৬ | ২৭৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • সামসুর ভাইয়ের সব্জির ভ্যান ও কৃষির টুকিটাকি
     
    রোজ সকালে সবজি কিনতে গিয়ে বেশ খানিকটা সময় গপ্পো করি সবজিওয়ালা সামসুর ভাইয়ের সঙ্গে। সামসুর ভাইয়ের বিশেষতা হলো -তার বিঘা দুই জমি রয়েছে পারিবারিকভাবে। সেই জমিতে সে সম্বৎসর নানান ধরনের সবজির চাষ করে।
    ফলনের একটা বড়ো ভাগ পাইকারি দরে মাঠ থেকেই বিক্রি করে দেয় ; এতে চাষের খরচের একটা বড়োসড়ো অংশ থোক টাকায় ঘরে ঢুকে পড়ে,আর ক্ষেতে পড়ে থাকা বাকিটুকু ভ্যান রিক্সায় নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে খুচরো দরে, এতে তার জনসংযোগ হয়, পরিচিতি বাড়ে, বুঝতে পারে পাবলিক ঠিক কী কিনছে এবং খাচ্ছে। মুনাফাটাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে গুছিয়ে নিতে পারে।অবশ্য সব ধরনের সবজি তো আর নিজের ক্ষেতে হয়না, আর সাতসকালে পাঁচ রকম সবজি গাড়িতে না দেখলে খদ্দেরের মন টানবে কেন? তাই সকালের পাইকারি হাট থেকেও অন্যান্য সবজি কিনে গাড়ি ভরে নিয়ে আসে। আমরা হামলে পড়ি।
     
    ফুটন্ত হাঁড়ির একটা দুটো ভাত দুই আঙ্গুলের মাঝে নিয়ে টিপলেই যেমন মা টের পেয়ে যেতেন গোটা হাঁড়ির খবর, ঠিক তেমনি সামসুর ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেই আমি বেশ টের পেয়ে যাই অন্তত আমার রাজ্যের ছোট ও প্রান্তিক কৃষকদের হাল হকিকত। সামসুরের সঙ্গে কথায় কথায় জানতে পারি আমাদের আগামী দিনের খাবার দাবারের খাস খবর। সামসুর ভাইয়ের কথা শুনে মাঝে মাঝে রীতিমতো অবাক হ‌ই, ধাঁধায় পড়ে যাই। বলে কি! সেদিন সামসুর ভাই আমাকে যা বললো তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতেই আজ কলম বাগিয়ে বসেছি। তার কথায় –
     
    – “আমরা খাই কেন বলো দিকি ? আমাদের খাওয়ার মূল মতলব হলো বেঁচে থাকা। আবার যেমন তেমন খেলে তো চলবে না, ভেবে চিন্তে খেতে হবে যাতে করে যা খাচ্ছি তা যেন আমাদের পেটের খোল ভরার সঙ্গে সঙ্গে শরীলের পুষ্টি করে, আমরা খেটে খাবার বল পাই। এর আরও একটা বিষয় আছে আর তা হলো বিশ্ব পকিতির সঙ্গে সম্পক্কের সেতু বাঁধা। আমি সবজি বেঁচতে গিয়ে দেখি অনেক হালফিলের বাবু- বিবি আছেন যাঁরা সব সব্জির সঠিক নাম ধাম‌ই জানেনা, চেনেনা। উচ্ছে আর করলার,লাউ আর চালকুমড়োর ফারাক‌
    ধরতে পারে না। আরে বাপু!খাবার আগে জানতেতো হবে যা খাচ্ছ তার পেছনের সত্যটা।
     
     
    সামসুর ভাইয়ের কথা শুনে রীতিমতো চমকে উঠি! বলে কি পাগল! খাবার সামনে সাজিয়ে দিলে গপাগপ গলপথে উদরে চালান করতে ব্যস্ত হয়ে পড়াটাই দস্তুর বলে জানি ও মানি। সেখানে এসব কথা ভাবার সময় কোথায়? আমার ভ্যাবাচ্যাকা পানা মুখ দেখে সামসুর ভাই হাসতে হাসতে বলে – “এই যে খাচ্ছো তাতে পৃথিবীর তাত বাড়েনা? নাঙল দে জমি চষলেই মাটির ফাঁক ফোকরে ঘাপটি মেরে থাকা তাপ বাইরে বেইরে পড়ে। এতেই কি আর কাম খতম হলো ভেবেছো?ভাবো ভাবো মন দিয়ে ভাবতে শেখো। দাও দিকি পয়সা কড়ি তাড়াতাড়ি, মেলা সবজিতে গাড়ি বোঝাই। এগুলো বেচে ঝটপট ঘরে ফিরবো। বিকেলে আবার জমিতে পানি দিতে হবে।” সামসুর ভাই সবজির সাথে সাথে একরাশ ভাবনা ফেলে রেখে গেছে আমার জন্য। সেগুলোকে এবার সামলাতে হবে।
     
    বিশ্ব উষ্ণায়নের বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই এই সময়ের কৃষি বিজ্ঞানীরা আরও টেকস‌ই, আরও পরিবেশের সাথে মানানসই করে গড়ে তুলতে চাইছেন আমাদের কৃষিকে। এই চাওয়াটার মধ্যে হয়তো ঠেকে শেখার তাগিদ আছে, তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই ইচ্ছেটাকে সম্মান জানাতে হবে বৈকি। কী হবে সেই কৃষির মডেল যা সামসুর ভাইয়ের কথা মতো আমাদের জীবন - পুষ্টি - প্রকৃতি পরিবেশকে এক নিয়মের তন্ত্রে বেঁধে রাখবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফলকে যথাসম্ভব খাটো করে উন্নীত করবে সকলের বেঁচে থাকার আনন্দকে ? কাজটা মোটেই সহজসাধ্য নয়, কেননা যেদিন আমাদের আদি পূর্বপুরুষরা জঙ্গল সাফ করে চাষের উপযোগী জমির পত্তন করলো সেদিন থেকেই যে পৃথিবীর তাপীয় সাম্যের ভঙ্গ হলো।
     
    আজ এই অবস্থায় পৌঁছে আমাদের দেখতে হবে যে ভাবী কৃষিতে নিবেশ যেন সঠিক মাত্রায় হয় যাতে সাধারণ কৃষিজীবী মানুষেরা কৃষির বহুমুখী ঝুঁকির হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে। তাঁদের হাতে আরো বেশি অর্থ আসার সম্ভাবনা তৈরি করতে হবে। মাথায় রাখতে হবে যে নিবেশের পরিমাণ বাড়লে বাড়তি আয়ের জন্য বাড়বে দাম যা বহু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। প্রশ্ন উঠবে, ইনপুটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনা হলে আউটপুট বা উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাবে না তো? মনে রাখতে হবে যে নিবেশের পরিমাণ কম হলে কৃষির উৎপাদন কমে যাবে - এমনটা কখনোই ঠিক নয়। উৎপাদনশীলতা কেবলমাত্র বিনিয়োগের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না,তা নিয়ন্ত্রণ হয়
    পরিকাঠামোর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে। গাদাগুচ্ছের বিনিয়োগ করলেই ফসলের বন্যায় ক্ষেত ভরে উঠবে এমন কিন্তু নয়। বিনিয়োগ বাড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়ে কৃষকদের প্রলুব্ধ করাটার মধ্যেও এক আশঙ্কা রয়েছে। মনে রাখতে হবে যে আমাদের দেশের এক বড়ো সংখ্যক কৃষক হলেন মাঝারি ও ক্ষুদ্র জোতের কৃষক। তাদের পক্ষে চট করে বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব নয়। সামসুর ভাইয়ের কথায় - এতে করে লাভের গুড় পিঁপড়ে খেয়ে নেবার ভয় রয়েছে। সবদিক দেখে নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
     
    তাহলে উৎপাদন বাড়বে কী করে? কৃষি বিজ্ঞানীরা বলছেন বহু কর্ষণের ফলে এমনিতেই আমাদের কৃষি জমির স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়েছে। যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক সারের ব্যবহার নষ্ট করে ফেলেছে জমির একান্ত বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্যের বুনিয়াদ। ফসলের বৃদ্ধির জন্য চাই জল। অথচ জলের প্রধান জোগানদার মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে, বাড়ছে অনিয়মিতি। একালে ক্রপ ম্যানেজমেন্টের সাথে জলের সুষ্ঠু ও যথাযথ ব্যাবহারের ওপরেই জোর দেবার কথা বলা হচ্ছে। প্রতিটি বৃষ্টি বিন্দু তাই আগামী দিনে মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠতে চলেছে। আগামী দিনে প্রতি ফোঁটা জলের জন্য আমাদের লড়াই করতে হবে।
     
    জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন রোগপোকার আক্রমণ বাড়ছে। সামসুর ভাইয়ের ঝিঙের ফসলের ৮০% নষ্ট হয়ে গেছে অজানা সমস্যার কারণে। প্রায় আট কাঠা জমির মুখী কচু নষ্ট হয়ে গেছে অসময়ের বৃষ্টিতে। এরফলে বিপন্ন হয়ে গেছে তার কৃষিকর্মের স্থিতিশীলতা। সামসুর ভাইয়ের মতো কৃষকেরা উপলব্ধি করতে পারছেন যে এবার তাদের আবহমানকালের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় খানিকটা রদবদল করতে হবে যাতে তাদের কৃষির ভবিষ্যৎ সুস্থিত হয়, কীটনাশক আর রাসায়নিক সারের যথেচ্ছ ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণে এনে উৎপাদনকে সত্যিকারের স্থিতিশীল করে তোলা সম্ভব হয়। সামসুর ভাইদের কাছে কৃষির স্থিতিশীলতার অর্থ হলো বাতাবরণের বদলে যাওয়া অবস্থার সঙ্গে সর্বতোভাবে মানানসই হয়ে ওঠা। যতটুকু তারা বিনিয়োগ করছেন তার সুদে মূলে ফেরত পাওয়া।
     
    দ্বিতীয়ত, আগামীর কৃষিতে ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে ফেলতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঝুঁকির আশঙ্কায় নিয়ত আশঙ্কিত থাকতে হয়। অনেকক্ষেত্রেই এক ফসলী কৃষি ঝুঁকির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তবে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের কৃষিতে একাধিক বসল উৎপাদনের প্রবণতা রয়েছে। এর প্রতি অধিকাংশ কৃষককে উৎসাহিত করতে হবে আরও বেশি করে যাতে করে ফসলের বৈচিত্র্য বাড়ানোর পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয় আরও গভীর ভাবে। কৃষির মধ্য দিয়ে মানুষ আর প্রকৃতির কাঙ্ক্ষিত
    সেতুবন্ধ রচিত হয়।
     
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এর প্রয়োজনে পশুদের আরও অর্থকরীভাবে বৃহত্তর কৃষি ব্যবস্থার অধীনে আনতে হবে। মনে রাখতে হবে যে কৃষকদের আয়ের উৎসের যত বেশি করে বিকেন্দ্রীকরণ করা সম্ভব হবে তত‌ই কমবে কৃষক তথা কৃষি ব্যবস্থার ঝুঁকির মাত্রা। পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে তালমিলিয়ে খাপ খাইয়ে নিতে না পারলে কৃষির ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
     
     
    সাথে সাথে নতুন অবস্থায় ফসল নির্বাচনে আরও সতর্ক হতে হবে কৃষকদের। একদিকে বাজারে ফসলের চাহিদা, অন্যদিকে আবহাওয়ার বদল - এই দুয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে কৃষকদের। সামসুর ভাই আগাম জানিয়ে দিয়েছে যে এবার শীতে সে শুঁটি ফসল বীনসের চাষ করতে চায় কেননা এর বাজার দর ভালো
    জলের চাহিদা কম, তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন নেই, কেবল মাচায় তুলে দেওয়া ছাড়া। কথায় বলে ঠেকে শেখা। সামসুর ভাইয়ের এখন সেই দশা। ইদানিং কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক স্বল্প বৃষ্টিপাত যুক্ত অঞ্চলে মিলেট বা ক্ষুদ্র দানাশস্যের চাষকে জনপ্রিয় করতে উৎসাহিত করছে কৃষকদের। এই প্রচেষ্টা পরিবেশানুগ ভাবনার সংযোজন। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে ফসলের উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে জমির স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের ওপর। আর সেই স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য ফসলের বৈচিত্র্য আনতেই হবে। এক‌ই জমিতে লাগাতার এক‌ই ফসলের উৎপাদন না করে আনতে হবে ফসলের বৈচিত্র্য। সামসুর ভাইয়েরা এ তথ্য জানেন না এমন নয় তবে তাকে আরও প্রয়োগমুখী করে তুলতে হবে কৃষির স্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্য।
     
    সবশেষে যেটা বলার তা হলো জমির জন্য সঠিক ফসলের নির্বাচন। ভ্যান রিক্সায় সব্জির পসরা সাজিয়ে প্রতিদিন সকালে সামসুর ভাইয়ের পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়িয়ে জনসংযোগ করার মুখ্য উদ্দেশ্য‌ই হলো খদ্দেরদের পছন্দের যাচাই করা। কোন ফসলের চাহিদা বাড়ছে, কোন ফসলের চাহিদা কমছে সেই গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে এই পদ্ধতি খুব উপযোগী তার কাছে। একালে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বেড়েছে।কোন্ ফসল, কোন্ সব্জি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজে লাগবে তা মেনে চলতে চাইছেন এই প্রজন্মের অনেকেই। এই পছন্দ - অপছন্দের তালিকা থেকে কৃষকরা সংকেত পান।
     
    ইদানিং শরীরের gut microbiome নিয়ে চর্চা চলছে জোরকদমে। এরফলে খাদ্য নিয়ে আমাদের সচেতনতার মাত্রা বেড়েছে। ডাক্তারবাবুরা রোগীদের শরীরের হালহকিকত যাচাই করে জানিয়ে দিচ্ছেন শরীরের পক্ষে উপযুক্ত খাদ্য তালিকা। কোন্ কোন্ ফসলে ডায়েটারি ফাইবার বেশি,এন্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর কোন্ সব্জি, ফলিক অ্যাসিড কী থেকে পাওয়া যাবে – এসব তথ্য এখন আমাদের ভাবনা থেকে সামসুর ভাইয়ের চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই জানকারির প্রয়োগ হচ্ছে কৃষিজমিতে। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারছে যত বেশি ফসলের বৈচিত্র্য তত বেশি প্রসারিত বাজার, বিপণন; তত বেশি ভালো মাটির সুস্থতা,সরসতা।এ সবই এক স্থিতিশীল কৃষি ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী।
     
    এসব আমাদের মা ঠাকুমা দিদিমাদের খাদ্য ভাবনায় সুরক্ষিত ছিল বহু বহু কাল। সাবেকি বলে সেই প্রজ্ঞার বড়ো অংশকেই আমরা বাতিল করেছি অথবা সরিয়ে রেখেছি। অথচ তার মধ্যেই নিহিত আছে বহু বহু বছরের অভিজ্ঞতা ও প্রমা। তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে নিজেদের স্বাস্থ্যের জন্য এবং এক সুস্থিত, সুন্দর, বৈচিত্র্যময় ভবিষ্যতের জন্য।
     
     
     
    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    জুলাই ১৮.২০২৬.

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • প্রবন্ধ | ১৮ জুলাই ২০২৬ | ২৭৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    The Last Vermeer  - AR Barki
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | ১৮ জুলাই ২০২৬ ১৪:১৭741805
  • ক্রপ রোটেশন তো করা উচিত।কিন্তু সেটা এক একা করে খুব একটা লাভ নেই।কারণ মার্কেট পাবেনা।একজন প্রান্তিক চাষির পক্ষে উৎপাদিত ফসলের পুরোটা বাজারজাত করা মুশকিল।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৯ জুলাই ২০২৬ ০০:০৪741841
  • একা একা করার বিষয় এটি নয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এসব নিয়ে ভাবতে হবে সবাই মিলে। পরিবেশ এতোটাই সংকটে যে এখন এককভাবে কিছু করে ওঠা সম্ভব নয়। এখানে সামসুর ভাই একটি প্রতীকী চরিত্র মাত্র।
  • অরিন | ১৯ জুলাই ২০২৬ ০২:৩২741842
  • সুন্দর লেখা।
     
    দু একটা কথা যদি যোগ করা যায়
    - পরিবেশ ধ্বংস মানুষ যবে থেকে আগুন জ্বালাতে শিখেছে তখন থেকেই সূত্রপাত। কৃষিকাজ একরকম তাকে আরো বাড়িয়েছে, কারণ কৃষিজমির কারণে জঙ্গল সাফ করতে গিয়ে পৃথিবীর আক্ষরিক অর্থে রঙ বদল হয়ে গেছে। যাক সে কথা।
    - যেটা এই প্রবন্ধের প্রেক্ষিতে বিচার করারা বিষয়, মানুষের খাদ্যাভ্যাস বদলানোর নানান কারণ, এবং বদলে যাওয়া খাদ্যাভ্যাসের একটি প্রফাব কৃষিতে পড়ে বৈকি। যেমন, আজ যদি দুধ, পনির খাওয়ার চল হয়, দেখা যাবে কৃষিজমি পরিবর্তিত হল ডেয়ারি ফার্মে, তখন জলের চাহিদা হুহু করে বাড়তে থাকবে, মনে রাখতে হবে ১ লিটার দুধ প্রস্তুত করতে কমবেশী ১১০০০ লিটার জল লাগে। কাজেই, পরয়াবরণ নিয়ে কৃষিকাজের পরিবর্তনের ব্যাপারটা সব সময় সরলরেখায় চলে না।
    - এখানে আরেকটা ব্যাপার দেখুন, যেটি আমেরিকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ভারতেও হতে পারে বলে মনে হয়, জমিতে ভুট্টার চাষ, যার একটা বড় অংশ যাবে গাড়ির তেল যোগাতে, বা তেলে মেশাতে। তাই যদি হয়, তার একটা কুপ্রভাব কৃষিকাজে পড়বেই। একই রকমভাবে কোক পেপসির মতন পানীয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা যোগাতে গিয়ে জলস্তরের হ্রাস একটি সাংঘাতিক চিন্তার বিষয।
    - এর ওপর রয়েছে বহুজাতিক কৃষিবীজ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। ্যেমন ধরুণ মনসানটো যে ধরণের জেনেটিকালি মডিফায়েড বীজ বেচে, তাতে বড়জোর একটা মরশুমে ফসল ফলল, তারপর আবার বীচ না কিনলে হবে না, ফলত কৃষিকাজ আর কৃষিবিজ্ঞানের পারস্পরিক সম্বন্ধ বিচারের একটি প্রয়োজন আছে, শুধু ফসল রোটেশনের ব্যাপার নয়।
    - ধরুন যারা খুব শখের কৃষিকাজও করেন, মানে কিছুটা জমিতে সম্বৎসর ফসল ফলান, তারা জানেন যে রোটেশন করতেই হয়। টমাটো যেমন, পর পর দুতিন বছর করা যায় না, ছাড় দিতে হয়। তার পর, বছরের একেকটি সময় একেকটি সব্জির বীজ বপন ঠিক সময়ে না করলে ফসল উঠবে না, এই ব্যাপারগুলো আগেও ছিল, নতুন কিছু নয়, যতিও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ উল্টোপাল্টা হয়ে যাচ্ছে, যে কারণে সামসুর ভাইয়ের কপালে ভাঁজ পড়বে এবং বাজারের চাহিদা মাপবার কথা উঠছে। এর সঙ্গে পালেলা দিয়ে ফুড ফ্যাড, আচকাল সম্বৎসর সব সপজি পাওয়া যায়, মরশুমি সবজির ব্যাপারটা আগে যেমন ছিল এখন আর ততটা নেই। হয়ত আবার সেই প্যাটার্ণটা ফিরবে, কে জানে।
     
    কাজেই জলবায়ু সেনসিটিভ ক্ষুদ্র চাষের, ক্রপ রোটেশন দারুণ দরকারী, তবে তার বহুবিধ ব্যাপার আছে, সে নিয়েও এখানে কিছু আলোচনা হোক, এই নিবেদন পেশ করে শেষ করছি।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৩:০১741845
  • ধন্যবাদ অরিন বাবু আপনাকে বরাবরের মতো দীর্ঘ আলোচনার জন্য। এখানে কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছি সামসুর ভাইয়ের কথার সূত্রে। খাদ্যাভ্যাসের বদল প্রসঙ্গে বলি একটা প্রচলিত কথা বলে -- আপ রুচি খানা আউর পর রুচি পরনা। একালে এসে দেখছি দুটিই এখন বাজারের পছন্দ মতো হচ্ছে। মানুষ নিত্যনতুন পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে ভালোবাসে সুতরাং এটাকে স্বাভাবিক বলেই মেনে নিতে হবে। কিন্তু মজাটা এখানেই যে রসদের জোগানদার হলেন সামসুর ভাইদের মতো কৃষকেরা। বাজারের চাহিদা বদলালে ফসলের চাহিদা ও জোগান দুইই পরিবর্তিত হবে। আমার পরিচিত আরও এক কৃষক সবজিওয়ালা পিন্টু যখন বলে -- কাকু এবার শীতে ব্রকোলি বসাবো ফুলকপির বদলে তখন বুঝতে পারি বাজারে এখন ঐ সব্জির কদর বেড়েছে। এই বদল কখনো আরোপনের সূত্রে হলেও অনেকসময়ই তা ঘটে নীরবে।
    বায়ো ফুয়েল তৈরির জন্য কৃষকদের, বিশেষ করে বড়ো জমির মালিক কৃষকদের প্রণোদিত করা হচ্ছে বিশেষ কিছু ফসলের চাষে আগ্রহী করে তোলার জন্য। এই বদলে কৃষকেরা সম্মত হলেই পরিবেশের ওপর নতুন চাপ বাড়বে। আখের মতো দীর্ঘমেয়াদি ফসলকে যদি ইথানলের প্রয়োজনে উৎসাহ দিয়ে কৃষকদের মাঠে নামানো হয় তাহলে জল সম্পদের ওপর ভয়ঙ্কর চাপ বাড়বে। সংকুচিত হবে জলের ভাণ্ডার।
    এই দেশেও বহুজাতিক কোম্পানির চাপে নতুন করে দাদন কৃষি শুরু হয়েছে।ঋণভারে জর্জরিত কৃষকদের একটা বড়ো অংশ।
    উন্নত কৃষি টেকনোলজির দোহাই দিয়ে যে সমস্ত বীজের ব্যবহারে কৃষকদের তাড়িত করা হচ্ছে সেগুলোর সমস্যা আপনার আলোচনায় রয়েছে।
    আজ বৃষ্টির কারণে সামসুর ভাই আসেনি। নির্ঘাত সকাল থেকে মাঠেই মেতে আছে। অরিন বাবু প্রান্তিক কৃষক আর প্রান্তিক লেখকদের অবস্থা এক। অপেক্ষায় দিন কাটে।
    ভালো থাকবেন।
  • অরিন | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৪:৩৪741847
  • সোমনাথ, খাবার, খাদ্যাভ্যাস, এবং কৃষিকাজ তিনটেই বাজার নির্ভর, এবং আজ বলে নয়, বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। দুটো উদাহরণ দিই।
    এক উত্তর ভারতের তুলনায় আমাদের বাংলায় এবং তাবৎ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়, চীনে দেখবেন চাল গুড়ের অসাধারণ সব ডেজার্ট, আমাদের মুড়ির মোয়া অবিকল অন্য নামে বিদেশে কোরিয়ান দোকানে বিক্রি হয়, তার একটা কারণ আমাদের জিনগত বৈশিষ্টে আমরা, চীনেরা, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ানরা ঠিক আগে দুংধ হজম করতাম না, কিন্তু বিপণনের এমনই প্রভাব যে সে জিন induce করতে সামান্য দুধের product হলেই চলে যায়, এমন পর্তুগীজরা আসবার পর তাদের হাত ধরে bandel cheese আর অসামান্য সব ছানার মিষ্টি আমাদের কারিগরদের হাত থেকেই তো বেরিয়েছে, :-), দুধ আমাদের এখন নিত্য প্রয়োজনীয় পানীয়।
     
    তারপর ধরুন লঙ্কা আর টোমাটো। ক'জন বাঙালী আর পিপুলের বীজ দিয়ে মানে piper longum দিয়ে রান্নায় ঝাল যোগ করে? লঙ্কার আমদানী আর তার চাষ হালফিল। যে কারণে গ্রামগঞ্জে আজও অনেকে টোমেটোকে বিলিতি বেগুণ বলে, অথচ দেখুন, আজ আমাদের রান্নায় টোামাটো প্রায় একটি নিত্য ব্যবহার্য বস্তু। এও তাই, কয়েক বছর যেতে দেখবেন ব্রোকোলির কদর। ইংরেজ আসার পর আমাদের কতটা খাবারের পরিবর্তন হয়েছে।
     
    যাইহোক, আপনার লেখাটি আমার ভারি ভাল লেগেছে, এবং সামসুরকে অভনন্দন, যে তার সূত্রে এমন চমৎকার চিন্তার খোরাক পাওয়া গেল। আপনার কলম দীর্ঘজীবি হোক।
  • পলি মুখার্জি | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২০:১৭741851
  • এ লেখা চলতি হাওয়ার পন্থী নয়। অনেক চিন্তার বীজ লুকিয়ে আছে এই লেখার মধ্যে। আশাকরি ক্রমে ক্রমে সেইসব বিষয় নিয়ে লেখক আলোকপাত করবেন।সামসুর ভাইকে ধন্যবাদ এমন সুন্দর আলোচনার সূত্রপাত করার জন্য। অরিন বাবুর আলোচনা বাড়তি বোনাস। অরিন বাবুর বক্তব্যের শেষ লাইনের সঙ্গে আমিও সহমত। ভালো থাকবেন।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২২:০২741855
  • @অরিন বাবু ও পলি দেবীকে ধন্যবাদ জানাই। পাঠকরাই লেখকের সবথেকে ভরসার জায়গা। তাঁদের মতামত লেখকের সবথেকে বড় প্রেরণা। ভালো থাকবেন।
  • অরিন | ২০ জুলাই ২০২৬ ০২:৪৭741857
  • পলি এবং সোমনাথ, দুজনকেই আন্তরিক ধন‍্যবাদ। আমার মনে হয়, লেখা পড়ে আলাপ আলোচনা (অবশ‍্যই সুস্থ, সদর্থক) করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির একটি প্রভাব আমাদের চিন্তায় তো পড়ে, যেমন সৌমেন লিখছে যে ক্রপ রোটেশন কারো একার কাজ নয়। এই আলোচনাগুলোর মাধ‍্যমে ছবিটা আরো ভালভাবে বোঝা যায়। সোমনাথ বিশেষ করে ভারি চমৎকার করে লেখেন।
  • পৌলমী | ২০ জুলাই ২০২৬ ১৮:৪০741869
  • লেখক আগের এক লেখার মুখবন্ধে জানিয়েছিলেন --আমি মন্থনে বিশ্বাস করি। কথাটা সত্যিই খুব ভালো লেগেছিল। একটা লেখাকে ঘিরে পাঠক ও লেখকের এই যে কথোপকথন তা আমাদের গুরুচন্ডালির হলমার্ক। এই ধারাকে বেগবতী করার দায়িত্ব আলোচকদের। খুব ভালো লেখা।
  • Somnath mukhopadhyay | ২৪ জুলাই ২০২৬ ০০:০৫741925
  • পৌলমী,
    মন্থন ছাড়া আসল সত্যটা জানাবো কী করে? লেখক হিসেবে যে বক্তব্য পেশ করেছি তার সঙ্গে পাঠকমাত্রই সহমত পোষণ করেন তা কখনোই নয়। পাঠকদের মতামত এজন্য‌ই খুব জরুরি। সামসুর ভাইয়ের সঙ্গে কথোপকথনের সূত্র ধরেই এই আলোচনা,ফলে ভালো লাগার কৃতিত্ব শুধু লেখকের নয়। গুরু মন্থনের কাজটা করে বলেই সে অনন্য ‌।
  • Skm | ২৪ জুলাই ২০২৬ ০১:২৭741926
  • আমাদের গ্রামে একই জমিতে ধান আলু কপি etc চাষ হয় year after years. শুধু সীড গুলো change করতে হয় আফটার 2 -4 ইয়ার্স except কপি which needs নুতন সীড every year
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন