তোমার ছবি মুখ থুবড়ে পড়েছে নদীর জলেএই নদীতে টাকার কুমির থাকে লোকে বলে!হায়রে জনকনড়বে টনকছবিটা যদি গিলে ফেলে !?নিরামিষাশী কুমির নাকি কালো মুদ্রা খায়খাল কেটে এনেছে তাকে সেই ভরসায়!সাদা কালোফ্লপ হলোএখন তাকে কে তাড়ায়!?
সম্প্রতি নয়া সংসদ ভবনের মাথায় নির্মিত অশোক স্তম্ভকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে ভারতীয় রাজনীতি। অনেকের অভিযোগ অশোক স্তম্ভে উপস্থিত সিংহ মূর্তিতে হিংস্রতা আনবার ফলে সম্রাট অশোক ও দেশের শান্তিপ্রিয় সহিষ্ণু ভাবমূর্তিতে স্পষ্ট ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। আবার অনেকেই অশোক স্তম্ভে উপস্থিত সিংহ মূর্তিতে হিংস্রতা আনবার বিষয়টিকে সমর্থন জানাচ্ছে। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই বিতর্কের অবসান করতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ইতিহাসের পাতায়। প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে ভারতবর্ষের জাতীয় প্রতীক অর্থাৎ অশোক স্তম্ভের সাথে মহান সম্রাট 'অশোকের' নাম জড়িয়ে এবং সম্রাট অশোকের আদর্শের বার্তাবাহক এই স্তম্ভ। বহু ঐতিহাসিকের মতে সম্রাট অশোক ছিলেন সমগ্র বিশ্বের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নরপতিদের মধ্যে একজন। ইতিহাস এমন বহু শাসকের ... ...
আছে যতো কুমড়োপটাশআস্তে আস্তে হচ্ছে ফটাশবাজছেনা ঢাক চড়াম চড়ামজেলখাসিতে ভরছে ড্রামনব অন্নে পরছে পোকাকেউ বা চালাক কেউ বা বোকাপদ্মবনে আনন্দ বায়ুগরম শিক নরম পায়ুগেরুয়া মাথায় বিহারি ঘোলমারাঠা দেশে এক্সট্রা ঝোল
....
...
....
ছোটোবেলায় উঠোন ছুঁয়ে যাওয়া চাঁদের আলো এক আকাশ তারাদের নিয়ে মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলতো! আর আমরা যারা তখনো সিলেবাসের চাপ কী জানতাম না তারা অমলকান্তির মতো আলুকাটা, ঘুগনি খেতে খেতে বলতাম দেখ দেখ চাঁদ দৌড়াচ্ছে।
বাঙালি চলতি হাওয়ার পন্থী, তাকে ক্যালেন্ডারের দুয়ো দেখাতে যাওয়া অর্বাচীনের কাজ।তাই বৈশাখ মানেই অলওয়েজ পঁচিশ।এর বাইরে আমাদের বাংলা তারিখ মনে রাখার কোনো হুলিয়াই নেই, এই সবই আবার মনে রাখার সংস্কৃতি দেখানোর তাগিদে।তাই আমিও বচ্ছরকার প্রথম দিন পয়লা না পহেলা লিখব বলে দ্বন্দ্বে পড়ি।নত্ব-সত্ব না জানা লোকেদের এসব হয়.. মুগ্ধবোধ পড়িনি তাই মনে যা আসে তাই লিখে দিই।কিন্তু আরেকটা নতুন নববর্ষের ঠিক আগে আগেই যখন এই লেখা লিখছি, তখন নববর্ষ মনে আমার একটা গোটা দিনকেই মনে হয়, যা সেই চৈত্রের শেষ বিকেল থেকে শুরু হয় আর বৈশাখের প্রথম দিনেই শেষ।শুধু কি তাই?এতটুকুতেই শেষ?হালের বাঙালির এক সপ্তাহের নিউ ইয়ার ইভ, এক পক্ষকালের ... ...
তপস্যা প্রদীপ দে অনেকতো হল এবার মাটিতে নামো, দেখো কত ধানে কত চাল? স্বর্গ থেকে নিচের নরক দেখতে খুবই সুন্দর লাগে না? আর লাগে এই অভুক্ত হাড়লিকলিকে মানুষগুলোকে দেখতে? এই নরকেও তারা তোমাকে দামী সিংহাসনে বসিয়ে ফলমূল না হলে, নিদেনপক্ষে গুঁজিয়া নকুলদানা দিয়ে আদর আপ্যায়ন করতে করতে রাত কাবার করে দেয় কিন্তু একটা সময়ে তাদেরো মনে হাজার কৌতূহলী প্রশ্ন আসে তুমি আছোতো সিংহাসনে নাহোক অন্ততপক্ষে স্বর্গে?নাহলে যে সবাই ধোকা খেয়ে বোকা বনে যাচ্ছে …ঠিক যেমন করে ধোকা দিচ্ছে ভেকধারী সাধু সন্ন্যাসীরা। ভালো প্রফেশন! মজায় দলবদ্ধ ভাবে পুরিষ্ট নাদুসনুদুস শরীর এসি গাড়িতে চড়ে বাজার করা থেকে ভাষণ দেওয়া পর্যন্ত সব কাজ মহান দায়িত্বে ... ...
আজ বাইশে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবস।মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছর বাইশে শ্রাবণ আসে। এই বাইশে শ্রাবণ বিশ্বব্যাপী রবী-ভক্তদের কাছে একটি শূন্য দিন।‘আমারই জন্মদিন মাঝে আমি হারা’সত্যিই আজ তোমাকে খুবই প্রয়োজন। তুমি কোথায় 'গুরু' ? "সভ্যতার সংকট" মূহুর্তে সমাজের এই "অচলায়তন"-এর প্রাচীর ভাঙবে কে?পঞ্চক ও সুভদ্র আজ কোথায়???আজ একশত বছর ধরে বন্ধ বাঙালি দরজা, খুলবে কে?এবার যে তোমার আসার সময় হয়েছে, গুরুদেব আপনার অপেক্ষায় থাকলাম। আপনি এলে তবেই আমাদের মুক্তি... ... ...
মাছ খাইবা ইলিশি, চাকরি করিবা পোলিশি - এটি একটি ওড়িয়া ভাষায় প্রচলিত প্রবাদ। মানেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। আজকে বাঙালির রসনায় মাছের সেরা মাছ ইলিশ নিয়ে দু চার ক্থা। প্রথমেই বলি ছোটবেলার স্মৃতি। বাবাকে দেখতাম মাঝে মাঝে অফিস ফেরৎ হাতে ইলিশ ঝুলিয়ে ফিরতেন। তখন মনে হয় সান্ধ্যকালীন বাজারে গঙ্গার ঘাটে ইলিশ উঠত। বিক্রেতারা সুন্দর কায়দায় ইলিশের মুখে দড়ি দিয়ে ক্রেতাদের হাতে দিতেন। বেশ হাতে ঝুলিয়ে আনা যেত। এভাবে কখনো কখনো জোড়া ইলিশও আসতে দেখেছি। সেদিন বাড়িতে অবধারিতভাবে খিচুড়ি হতো। মার হাতের খিচুড়ি, সুরভী বা ঝর্নার গাওয়া ঘি আর ইলিশ মাছ ভাজা, বাইরে বৃষ্টি, এর পরে সিধে বেহেশত যাওয়াটাই ... ...
অবন মনের ক্যানভাসে তুমি বাউল দু'বাহু তুলেতারই জন্মদিনে তে কবি 'মৃত্যুঞ্জয়' হলে !এখন শ্রাবণ প্রলয় প্লাবনঅশনি আকাশ তলে !!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ – ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) / (২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। আমরা প্রায় সকলেই অবহিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম 'ভানুসিংহ ঠাকুর' ৷ কিন্তু তিনি বাল্যে ও কৈশোরে যে আরও আটটি ছদ্মনামে ... ...
আগেও প ড়েছি। আবার পড়লাম এই অসাধারণ বই টি।"ফাসির মঞ্চ থেকে/ জুলিয়াস ফুচিক"সাংবাদিক, সাহিত্য সমালোচক, কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন চেক নাগরিক। তিনি নিজে শ্রমিক আন্দোলন আর চেকোশ্লভাকিয়ার সংস্কৃতি জগতে ছোটবেলা থেকেই যুক্ত ছিলেন।1929 এ তিনি "ভোরবা(সৃষ্টি)" পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হন। এর পর তিনি সোভিয়েট ইউনিয়নে যান কবার। সেই অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে চেক সরকারের বিষ নজরে পড়েন। মার্কসবাদী সাহিত্য ও তিনি কিছু কিছু রচনা করেন। কমিউনিস্ট আন্দোলনের গোপন মুখপাত্র "রুদে প্রাভো" র তিনি ছিলেন সম্পাদক। তার বিদ্রুপাত্মক আরেকটি স্মরণীয় রচনা হল "ত্রানাভেসেক ( খুদে বাশি)।চল্লিশ বছর বয়েসে তিনি নাৎসীদের হাতে ধরা পড়েন আর তার মৃত্য হয়। কোলিনস্কী নামে ... ...
আধুনিক জীবনে বেঁচে থাকার লড়াই প্রত্যেকটি মানুষের কাছেই ভিন্ন ধারার হয়ে ওঠে। জীবনীশক্তি, অতিমারীর সময়ে প্রবল চালিকাশক্তি এই সবকিছুরই আধুনিক জীবনের বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে অভিনেতা-নির্দেশক ঋষি ভট্টাচার্যের 'বেরং' সিনেমায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আকারে বা অভিব্যক্তিতে একটি শর্ট ফিল্মের মুন্সিয়ানা আর চরিত্রের বিকাশ দেখানো অত্যন্ত ধৈর্য ও মেধার ব্যাপার, যেটি ঋষির নির্দেশনায় এবং ডিরেক্টর অফ ফটোগ্রাফি সুবীর মণ্ডলের কাজে অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়াও সুবীরের এডিটিং এই ছবির একটি অনবদ্য প্রাপ্য। এই ছবিতে ঋষি ভট্টাচার্য, জাহ্নবী ব্যানার্জী এবং রোহিত ভট্টাচার্যের যোগ্য অভিনয় প্রাণ সঞ্চার করেছে, ডায়ালগ, প্লট, সমুদ্রের ব্যাকগ্রাউন্ড, সামগ্রিক স্থিরতা, অসীম প্রকৃতির মাঝে চরিত্রগুলি-সবটাই নির্দেশকের সফল হাতে আরো প্রাণবন্ত ... ...
কিশোর কুমারের একটা গানের কটা লাইন মনে পড়ে গেল: "চারিদিকে পাপের আধার নেই তো কোথাও আলো/মনে হয় যে অন্ধ হওয়াই ছিল অনেক ভালো!"... এই তো জীবন কালী দা! আর কত চূনকালি মাখবো বলুন না! তাই ভাবছিলাম প্রাসঙ্গিক নাই বা হলো, জ্ঞানতঃ বা অজ্ঞানতঃ নিজের জীবনের কিছু হেনস্থার সাথে লুডো খেলে আসি। ছক্কা নয়তো অক্বা। কেঁচে যায় ঘুটি পাক্কা! চলুন যাবেন নাকি আমার সাথে শ্যাওলায় স্কী খেলতে খেলতে ১৯৭২ সালে; কিছু অখাদ্য না হয় খেয়েই আসি। সুস্বাদু আচ্ছে খাবার খেতে খেতে তো পেটে চড়া পড়ে গেল! আমি ছোট বেলা থেকেই হাইলি মায়োপিক। এজন্য বন্ধু বান্ধবরা ভালোবেসে অনেক সময় আমাকে ক্ষ্যপাতো বা হ্যাটা করতো। আমি কিছু ... ...
দরজা খটখটিয়ে বলি, চাই ৷ "কী চাই কেন চাই কীভাবে চাই ?" "রক্ত চাই মাংস চাই, চলতি ফিরতি অন্ধকারে, ভাত ডাল আলুসেদ্ধ পেলেও চলে ৷" তখন সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়, খুব বৃষ্টি হয়, আকাশ বাতাস সব ভিজিয়ে ! রাস্তায় রাস্তায় তখন আমার অসংখ্য ছায়া, যত আলো তত ছায়া। হেঁটে হেঁটে সেই ভদ্রলোক ক্রমশ চলে যান গভীরতার দেশে ৷ আমি তখন ভিসার ফটো তুলে বেড়াই, আজ এই ভিসা কাল অন্যটা, আর মাঝে লম্বাটে ছায়াগুলি, বৃষ্টির মেঘগুলি ...আমি ভিজে যাই, পালাই পালাই করি, ভিজে ভিজে আবার ... ... ...
বন্ধুগণ, এই যে আমরা এইখানে একত্রিত হয়েছি তার মূলকারণ, আমি মনে করি দুটি। এক, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে বাংলা এবং বাঙালির প্রতি অকুন্ঠ না হলেও সত্যিকারের ভালোবাসা আছে এবং দ্বিতীয় কারণ জাতিগত ভাবে আমাদের মৌলিকসত্ত্বা আমরা প্রকাশ করতে চাই, শর্টকাটে আমাদের জাত্যাভিমান। কোনো মৌলবাদী পক্ষে না যোগদান করেই, আমরা আমাদের এই ধারণাকে নিজের মধ্যে পোক্ত করতে এবং অন্যের ভিতর চারিয়ে দিতে চাই, অজান্তে হলেও। নচেৎ, আমরা এরকম একটি বাংলা সামাজিক মাধ্যম গড়ে তুলতে পারতাম না এবং তার শ্রীবর্ধনে যত্নবান হতাম না। ফলতঃ আমার বক্তব্যের জন্য এরকম একটা পাটাতন অবশ্যপ্রয়োজনীয়।এই বিশ্বায়নের বিশেষ বাজারে আমরা সবাই উপভোক্তা এবং অবশ্যম্ভাবী রূপে ক্রেতা। এই মুহুর্তে ... ...
ঋতুরাজ এবং সৃষ্টির ছয় কন্যা। প্রত্যেকেরই বিবাহ সম্পূর্ণ। পরম সুখে সন্তান-সন্ততি, স্বামী সহ ঘর-কন্নায় ব্যস্ত তারা। কিন্তু প্রত্যেকেই তারা পিতৃগৃহে বছরে একবার অন্তত আসে। আর মেজকন্যা বর্ষা বছরে দুবার তো আসেই, মাঝে মাঝে তিনবারও হয়ে যায়। আর বড়োকন্যা উষ্মা তো যেতেই চায় না। সেই যে চৈত্র মাসে আসে, আর যাওয়ার নাম নেই। মেয়ে বৈশাখীকে বাবার কাছে পাঠিয়ে দিলেও নিজে থেকে যায় পিতৃগৃহে। আর জ্যৈষ্ঠ মাসে বর্ষার বড়দি উষ্মার পিতৃগৃহে থাকাকালীন হুট্ করে একদিন বর্ষা চলে আসে তার পুত্র মেঘমল্লার আর কন্যা মেঘবালিকাকে নিয়ে। শরৎ তার কন্যা শিউলিকে নিয়ে এসে উপস্থিত তার পিতৃগৃহে। কিন্তু উষ্মা আর বর্ষার কোনো ইচ্ছে দেখা ... ...
হোক না দূষণ, ভীষণ-ভূষণ মগজ মালাই করেমরে মারীচ, সারপ্রাইজটা বিভীষণের ঘরে! ঋণ করে খাই ঘিসবাই কে দিই শ্রী দেখো বাপু ফুলটা যেন সারদাশ্রমে পড়ে।