বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • একটি রূপকথার কাহিনী 

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৪ আগস্ট ২০২২ | ১৪৫ বার পঠিত
  •   ঋতুরাজ এবং সৃষ্টির ছয় কন্যা। প্রত্যেকেরই বিবাহ সম্পূর্ণ। পরম সুখে সন্তান-সন্ততি, স্বামী সহ ঘর-কন্নায় ব্যস্ত তারা। কিন্তু প্রত্যেকেই তারা পিতৃগৃহে বছরে একবার অন্তত আসে। আর মেজকন্যা বর্ষা  বছরে দুবার তো আসেই, মাঝে মাঝে তিনবারও হয়ে যায়। আর বড়োকন্যা উষ্মা তো যেতেই চায় না। সেই যে চৈত্র মাসে আসে, আর যাওয়ার নাম নেই। মেয়ে বৈশাখীকে বাবার কাছে পাঠিয়ে দিলেও নিজে থেকে যায় পিতৃগৃহে। আর জ্যৈষ্ঠ মাসে বর্ষার বড়দি উষ্মার পিতৃগৃহে থাকাকালীন হুট্ করে একদিন বর্ষা চলে আসে তার পুত্র মেঘমল্লার আর কন্যা মেঘবালিকাকে নিয়ে। শরৎ তার কন্যা শিউলিকে নিয়ে এসে উপস্থিত তার পিতৃগৃহে। কিন্তু উষ্মা আর বর্ষার কোনো ইচ্ছে দেখা যায় না স্বামীগৃহে ফেরার। শেষে শরৎ ঠেলেঠুলে তার মেজদি বর্ষাকে ফেরত পাঠালেও, উষ্মা থেকে যায়। হঠাৎ করে আবার আশ্বিন মাসে কোনো কোনো বছরে দুর্গাপুজোর সময় বর্ষা এসে উপস্থিত - সবকিছু ভাসিয়ে দিয়ে, সবার পুজোর আনন্দ মাটি করে। কিছু জিজ্ঞেস করলে বলে, "মাদুর্গা এবার নৌকোতে আসছেন অনেক ধনভাণ্ডার নিয়ে। খাল-বিল সব শুকিয়ে গেছে বড়দি উষ্মার দাবদাহে। মাদুর্গা নাকি স্বপ্নে দেখা দিয়ে বলেছেন - উনি আসতে পারছেন না ওনার পিতৃগৃহ মর্ত্যে।" এটা নাহয় বোঝা গেলো। কিন্তু পঞ্চম কন্যা পৌষালি প্রচন্ড রেগে যায় বর্ষাদির ওপর, যখন সে তার কন্যা মাঘীকে নিয়ে পিঠেপুলি উপভোগ করছে নরম শীতের রোদের আমেজ নিতে নিতে - বলা নেই কওয়া নেই, হঠাৎ করে মাঝে মাঝেই বর্ষাদি এসে ঠান্ডার কনকনানি'টা বাড়িয়ে দিয়ে যায়। বর্ষা তখন যুক্তি খাড়া করে, "কেন বোনটি - প্রত্যেক বছরেই হৈমন্তী তার মেয়ে কৃত্তিকাকে নিয়ে নবান্ন উৎসবে মেতে ওঠে, তুমিও তোমার কন্যাকে নিয়ে আগে এসে পৌষ-সংক্রান্তির প্রস্তুতি নিতে থাকো ! আমার পুত্র মেঘমল্লার আর কন্যা মেঘবালিকারও তো পিঠেপুলি পায়েসের  স্বাদ নিতে ইচ্ছে করে।" পৌষালিও তখন জবাব দেয়, "আমি যেমন আগে আসি, ঠিক সেরকমই বসন্ত তার কন্যা ফাল্গুনীকে নিয়ে অনেক আগেই হাজির হলে আমি স্বামীগৃহে চলে যাই।" আর সৃষ্টির সবচেয়ে আদরের কন্যা বসন্তের অনুযোগ ঠোঁট ফুলিয়ে, "বড়দি উষ্মা তো আমাকে চৈত্র মাসে থাকতেই দেয় না তোমাদের কাছে। এতো তাপ আর দাবদাহ নিয়ে উপস্থিত হয়, আমার মেয়ে ফাল্গুনী থাকতেই চায় না আর।"                   
    সৃষ্টি লক্ষ্য করেছেন তার ছয়কন্যা পিতৃগৃহে আনন্দে দিন কাটালেও, তাদের প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু অভিযোগ আছে অন্যের প্রতি। তাই এইবছরের শুরুতেই সৃষ্টি আবদার করেছেন ঋতুরাজের কাছে, ছয় কন্যাকে একসাথে দেখার খুব ইচ্ছে তাঁর। শ্রাবণের একটি বিশেষ দিনে ঋতুরাজ ডেকেছেন তাঁদের ছয় কন্যাকে নিজগৃহে। একদিনের জন্যই। যাতে তাদের উপস্থিতি মর্ত্যবাসীরা সেভাবে উপলব্ধি করতে না পারে। বর্ষা আগে থেকেই রয়েছে। বাকি পাঁচ কন্যা এসে উপস্থিত সকাল সকাল। দুপুরে আহারাদি সারার পর ছয় কন্যা বসেছে মাঝের বড় হলঘরটিতে।
    ঋতুরাজ ঘোষণা করেন, "তোমাদের সবাইকে একসাথে মিলিত করার একটাই উদ্দেশ্য। কুমারী থাকাকালীন তোমরা সবাই মিলেমিশে আনন্দে দিন কাটাতে। তোমাদের মাতা তোমাদের যে ঋতুতে যার জন্ম সেই হিসেবে তোমাদের নামকরণ করেছেন। কিন্তু সেইসময় তোমরা একসাথে থাকলেও, তোমাদের নিজস্ব প্রভাব অন্য ঋতুতে পড়তে দিতে না। কিন্তু এখন মাঝেমাঝেই তোমরা হুট্ করে এসে উপস্থিত হও, আর মানুষকে বিড়ম্বনায় ফেলো। তাই তোমাদের প্রভাব জনজীবনের উপর কতটা পড়ছে সেটা তোমাদের মুখ থেকে জানতে চাওয়ার জন্যই এই বৈঠক।"
    বর্ষার তৎক্ষণাৎ জবাব মেদুর স্বরে, "মানুষের উপকার করতেই তো আমি বারবার এসে হাজির হই।"
    উষ্মা খরখরে গলায় বলে ওঠে, "তুমি বেশি কথা বোলো না বর্ষা। তুমি মানুষের উপকার করো, না আরও কিছু ! ওদের জীবনে আনো দুর্ভোগ। বন্যার জলে ভাসিয়ে দাও কত এলাকা। সঙ্গে ফসলি জমি। ভেসে যায় মানুষ, ঘরবাড়ি, জীবজন্তু, গাছ-গাছালি। মানুষকে করো গৃহহীন। আর আমাকে দেখো। আমি পথ-ঘাট শুকনো রাখি। মিষ্টি আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু, তরমুজে সময়টা ভরিয়ে তুলি।"
    বর্ষা কিছু বলার আগেই বসন্ত ফোঁড়ন কাটে, "বড়দি, তরমুজ'টা তোমার সময়ে ফলে না। তুমি জোর করে ওটা আমার থেকে ছিনিয়ে নিয়েছো।"
    বর্ষা ওর স্বভাবসিদ্ধ আদ্রতা মেশানো স্বরে বলে ওঠে, "তুমি থামো বড়দি। তোমার ঐ অসহনীয় গরমে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কৃষকরা আকাশের দিকে নির্নিমেষ নয়নে চেয়ে থাকে আর বলতে থাকে 'আয় বৃষ্টি ঝেপে, ধান দেব মেপে'। আমি তখন নেচে-গেয়ে আনন্দময়ী বৃষ্টিকে ঝরতে বলি। ঝমঝম করে, রিমঝিম করে, টুপটুপ করে। সমস্ত প্রকৃতি তখন তরতাজা সজীব হয়ে ওঠে। রঙিন ক্যানভাসে ভরিয়ে তোলে প্রকৃতি নিজেকে। গাছে গাছে সবুজের সমারোহে বৃষ্টি স্নানে নেচে ওঠে ফুলের গুচ্ছ। কখনো তা কদমের হলুদে, আবার কখনো দোলনচাঁপা, শাপলা কিংবা কামিনী, দোপাটির আভায়। প্রেয়সীর হাতের মুঠোয় বৃষ্টি ভেজা কদম জানায় বর্ষার আগমন বার্তা। বর্ষা হচ্ছে কবিদের ঋতু। কবিগুরু সবচেয়ে বেশি গান লিখেছেন বর্ষা ঋতুকে নিয়েই।"
    উষ্মার ফিরে যাওয়ার তাড়া আছে। অনেকদূর যেতে হবে। বাবা-মা এবং সমস্ত বোনেদের থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।
    শরৎ তখন ঠোঁটের কোনে একচিলতে হাসি ধরে রেখে বলে, "মেজদি, তুমি একলা কেবল তোমার গুণগান গাইবে নাকি ? আমাকে দেখো, তোমার মতো সবসময় আকাশের মুখটাকে কালো করে রাখি না। আকাশটাকে রাখি শ্বেত-শুভ্র, মেঘমুক্ত নীল। দিগন্ত ছাড়িয়ে কাশফুলে মাঠ, নদীকূল ভরে রাখি। 'পথের পাঁচালি' চলচ্চিত্র'টি নিশ্চয়ই দেখেছো। শুধুমাত্র কাশফুল দেখতেই দর্শকরা বারবার চলচ্চিত্র'টি দেখেছে। সবার আঙিনা ভরে থাকে শিউলিফুলের মাদকতাভরা সুগন্ধিতে। তার সঙ্গে বেলি, দোলনচাঁপা, জুঁইফুলের সুরভিতে। পাখিদের কলতান আর কিচিরমিচির'এ ভরে থাকে বনে বনে গাছে গাছে। সবাই  মেতে ওঠে উমা মায়ের আগমনে। আর তার মধ্যেই তুমি সবাইয়ের মন খারাপ করে মাঝে মাঝেই এসে উপস্থিত হও। আর উপস্থিত বড়দি তার তাপ দিয়ে করে ফেলে সবাইকে গলদঘর্ম।"
    হৈমন্তী তখন অভিমানী গলায় বলে, "তোমরাই শুধু বলে যাচ্ছ, আমাকেও কিছু বলতে দাও। আমি সব কৃষকের মন নাচিয়ে দিয়ে উপস্থিত হই। কার্তিক মাসের কালীপুজো, দীপাবলি, কার্তিক পুজোর পরই  অগ্রহায়ণ মাস। মানেই নতুন ধানে নবান্ন উৎসব গ্রামে গ্রামে। গ্রামের সবাই ব্যাস্ত মাঠে মাঠে, খামারে খামারে। হেমন্তের নরম রোদে মাঠভর্তি নুয়ে পড়া পাকা ধান এখানে সেখানে। গেরস্থ বাড়ির বধূ প্রস্তুত ধান ভানতে, অঘ্রাণ মাসের শিরশিরে ভোরে স্নান সেরে। মাড়াই চলছে ঢেঁকিশালে, পাশে ধানের গোলা।  সাথে শোনা যায় গ্রাম্যবধূর লোকগীতি। বিরাজ করে সুখ নতুন ধানে ঘরে ঘরে। রাতে যখন চাঁদের জ্যোৎস্নার আলো পড়ে ঐ ক্ষেতে, ঐ স্তূপীকৃত রাখা খড়ের উপর - ভাসিয়ে নিয়ে যায় আলোয় ভরিয়ে,দেখা যায় আর এক অপরূপ দৃশ্য, এক অবর্ণনীয় রূপ, করে তোলে সবাইকে স্মৃতিমেদুর।" 
    পৌষালি তখন বলে, "জানি হৈমন্তীদি, তুমি বলতে চাইছ যে তুমি আমাকে কিছু পূর্ণতা দান করেছো। সেটা ঠিক। সেই কারণেই আমি তোমার কাজ শেষ হওয়ার আগেই চলে আসি। একটু আগেভাগেই চলে আসি। শীতের হিমেল হাওয়ায় তাদের জীবন আনন্দে ভরিয়ে দিতে। পিঠে শীতের নরম রোদ্দুর লাগিয়ে সবাই উপভোগ করে পিঠেপুলি খেজুরের গুঁড় দিয়ে। শহরে গ্রামে পালিত হয় পৌষ-সংক্রান্তি, টুসু উৎসব। স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা মেতে ওঠে সরস্বতী পুজোর আনন্দে।"
    সন্ধ্যার আঁধার ঢলে পড়েছে। সবারই ফেরার তাড়া এবার নিজের নিজের স্বামীগৃহে। তাই পৌষালি তাদের সবচেয়ে ছোট আদরের বোন বসন্তকে কিছু বলার জন্য করে চোখের ইশারা।
    কোকিলের ন্যায় সুমিষ্ট কণ্ঠে বসন্ত বলা শুরু করে, "শীতের পরে আমি আসি ঐশর্য্যে ভরপুর হয়ে, ফুলের ডালি সাজিয়ে। গাছে গাছে ডালে ডালে নবকিশলয়ের ফাঁকে ফাঁকে গেয়ে ওঠে কোকিল - কুহু কুহু। মানুষ মেতে ওঠে ফাগুনের রঙের খেলায়। ফাগুনের দখিনা হাওয়া ফুলেদের কানে কানে গেয়ে যায় ঘুম ভাঙানোর গান। আমি সবার ছোট, কিন্তু আমি ঋতুদের রানি বসন্ত। কবিগুরু মেজদিকে নিয়ে যত গান বানিয়েছেন, প্রায় তার কাছাকাছি আমাকে নিয়েও গান লিখেছেন। "
    বর্ষা ঘরের এককোনে বসে এতটাই নিজের মধ্যে নিমগ্ন ছিল যে সে খেয়ালই করেনি, কখন তার বোনেরা চলে গেছে। বসন্ত নিজেকে বলেছে ঋতুদের রানি। কেউ কোনো প্রতিবাদ করলো না। বড়দি উষ্মা থাকলে এটা কিছুতেই মেনে নিতো না।
    অভিমানে বর্ষার কান্না পেলো। অঝোরে কাঁদতে বসে গেলো, ঝমঝম করে।
    এতক্ষণ ঋতুরাজ চুপটি করে সব কন্যাদের বক্তব্য শুনছিলেন। ঋতুরাজ এবার ওনার সহধর্মিণী সৃষ্টিকে বলেন, "আমাদের কন্যাদের কিছু করার নেই। তুমি পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছো পুরোপুরি ভারসাম্য রক্ষা করতে। প্রকৃতি সংরক্ষণের উপাদান ও গুণাগুণ নষ্ট হলে পৃথিবীর ভারসাম্য হারিয়ে পরিবেশ বিপর্যয় ও বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে যাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এটা আমাদেরই মর্ত্যবাসীদের জানাতে হবে, বোধগম্য করাতে হবে।"                 
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন