বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কবিগুরুর প্রথম মুদ্রিত রচনা, শেষ কবিতা এবং শেষ যাত্রা

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ আগস্ট ২০২২ | ১৫৮ বার পঠিত
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ – ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) / (২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। আমরা প্রায় সকলেই অবহিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম 'ভানুসিংহ ঠাকুর' ৷ কিন্তু তিনি বাল্যে ও কৈশোরে যে আরও আটটি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকাতে লিখতেন সেটা খুব সম্ভব প্রথম আবিষ্কার করেন ১৯৩৯ সালে 'শনিবারের চিঠি'র সম্পাদক সজনীকান্ত দাস। রবিঠাকুরের ভানুসিংহ ঠাকুর ব্যাতিত অন্যান্য ছদ্মনামগুলি হলো অকপটচন্দ্র, আন্নাকালী পাকড়াশী, দিকশূন্য ভট্টাচার্য, নবীন কিশোর শর্মণ, ষষ্ঠীচর দেবশর্মা, বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, শ্রীমতি কনিষ্ঠা, শ্রীমতি মধ্যমা ৷
    আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা-এ তাঁর "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা।             
    রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত রচনা কী এ নিয়ে বহু বিতর্ক ছিল। অনেকেই মনে করতেন ওনার প্রথম রচিত কবিতা "হিন্দু মেলার উপহার", রচনা করেন ১৮৭৫ সালে।  কবিতাটি তিনি হিন্দু মেলায় পাঠ করেন এবং ১৮৭৫ সালে 'অমৃত বাজার পত্রিকাতে' ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। কিন্তু সেই বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছিলেন শনিবারের চিঠির সম্পাদক সজনীকান্ত দাস। সজনীকান্ত শুধু  প্রথম প্রকাশিত রচনারই কথা বলেননি, সেইসঙ্গে বেনামীতে রচিত রবীন্দ্রনাথের বহু রচনার সন্ধান দিয়েছেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের যে বহু ছদ্মনাম ছিল তারও সন্ধান দিয়েছেন।
    এইপ্রসঙ্গে বিস্মিত রবীন্দ্রনাথ সজনীকান্তকে চিঠি লিখে তাঁর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং স্বীকার করেছেন তাঁর প্রথম রচনা "অভিলাষ"। নিম্নে সজনীকান্তকে লেখা সেই চিঠি সম্পূর্ণ উল্লেখ করা হলো। 
    মূল চিঠি :
    "শ্রীমান সজনীকান্ত দাস আমার বাল্য ও কৈশোর এর বেনামী রচনাগুলি আবিষ্কার করে আমাকে বিস্মিত করেছেন। পুরাতন 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকায় আমার সর্বপ্রথম মুদ্রিত রচনা "অভিলাষ" তাঁহার অভিনব আবিষ্কার। ইহার অস্তিত্ব সম্বন্ধে আমার বিস্তৃতি ঘটেছিল। জ্যোতিদাদার প্রথম চারটি নাটকের অধিকাংশ কবিতা এবং গান যে আমার রচনা তা সজনীকান্তের দৃষ্টি এড়ায় নি। হিন্দুমেলায় দিল্লিদরবার সম্বন্ধে আমার পঠিত কবিতাটি স্বপ্নময়ী'তে আত্মগোপন করেছিল সেটাও সজনীকান্তের ইঙ্গিতে ধরা পড়েছে। সজনীকান্ত প্রদত্ত নিম্নলিখিত তালিকাধৃত রচনাগুলি নিঃসংশয়রূপে আমার। কিন্তু পরবর্তী তালিকার রচনাগুলি সম্বন্ধে আমি নিঃসংশয় হতে পারিনি। আমি যে 'দিকশূন্য ভট্টাচার্য' ও 'অপ্রকটচন্দ্র ভাস্কর' ইত্যাদি ছদ্মনামে এককালে অনেক লেখাই লিখেছি তা জেনেও বেশ কৌতুক বোধ করছি। এখানে বলা আবশ্যক শেষোক্ত নামটি কোনো লেখকের অন্য কোনো কোনো রচনায় আত্মসাৎ করেছেন বলে আমার সন্দেহ হচ্ছে।"
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ২১/১১/৩৯
    শান্তিনিকেতন
    অভিলাষ কবিতাটির ৩৯ টি অনুচ্ছেদ, প্রথম অনুচ্ছেদটি :
    “জনমনোমুগ্ধকর উচ্চ অভিলাষ! / তোমার বন্ধুর পথ অনন্ত অপার। / অতিক্রম করা যায় যত পান্থশালা, / তত যেন অগ্রসর হতে ইচ্ছা হয়।“

    রবীন্দ্রনাথের জীবনের "সাধনা" পর্বটি (১৮৯১–৯৫) ছিল সর্বাপেক্ষা সৃষ্টিশীল পর্যায়। তার গল্পগুচ্ছ গল্পসংকলনের প্রথম তিন খণ্ডের চুরাশিটি গল্পের অর্ধেকই রচিত হয় এই সময়কালের মধ্যে। গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্য গল্পগুলির অনেকগুলিই রচিত হয়েছিল রবীন্দ্রজীবনের 'সবুজ পত্র' পত্রিকাতে  (১৯১৪–১৭)। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গল্প হল "হৈমন্তী", "হালদার গোষ্ঠী", "স্ত্রীর পত্র", "পয়লা নম্বর",  ইত্যাদি। প্রথম ছোটগল্প "ভিখারিণী" ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত ১৮৭৭ সালে। তবে প্রথম সার্থক ছোটগল্প "দেনা-পাওনা" হিতবাদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৮৯১ সালে। বেশিরভাগ ছোটোগল্পই ওনার বিভিন্ন ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
     
    '২২শে শ্রাবণ’ নামাঙ্কিত দিনটি আপামর বাঙালিকে বেদনাতুর করে দেয়। বাইশে শ্রাবণ সকল বাঙালি অঝোর নয়নে কাঁদে বৃষ্টির ধারার মতো। কতজনের কণ্ঠে কবিগুরুর সৃষ্টি মধুর প্রতিভাত হয়। কখনো কাশ বনে, কখনো আমলকি বনে - সর্বত্রই কবিগুরুর স্মৃতি। যদিও রবীন্দ্রনাথ মৃত্যুকে জীবনের শেষ না ভেবে মনে করতেন, মৃত্যু জীবনেরই তুচ্ছ একটি ঘটনা মাত্র। উনি জীবদ্বশায় নিকট আত্মীয় ও অগ্রজ ছাড়াও,  স্ত্রী এবং এক পুত্রসন্তান ও দুই কন্যা সন্তানকেও হারিয়েছিলেন। তাই তিনি লিখেছিলেন, "পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে, / পথে চলাই সেই তো তোমায় পাওয়া। / যাত্রাপথের আনন্দগান যে গাহে / তারি কণ্ঠে তোমারি গান গাওয়া"।
    ১৯৪০ সালে সেপ্টেম্বরের শেষে কালিম্পং'এ অসুস্থ হয়ে পড়াতে কবিগুরুকে ফিরিয়ে আনা হলো জোড়াসাঁকোর বাড়িতে। ১৮ নভেম্বর কবিগুরু ফিরলেন শান্তিনিকেতনে। কখনোই কারুর সেবা নিতেন না। কিন্তু এবার অসহায় হয়ে বাধ্য হলেন। সারাজীবন নিজের হাতে লিখেই সৃষ্টি করে গেছেন। কিন্তু এবার নিরুপায়। ডিকটেশন দিয়ে লেখার কাজ করতে হচ্ছে। কবিগুরুর অপেরেশনের একদম ইচ্ছে নেই। 'যাবার আগে আমাকে নিয়ে টানাছেঁড়া কেন ?' অবশেষে ২৫ জুলাই ধার্য হয় কবিকে শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার। বিশেষ সেলুনগাড়ি জুড়ে দেওয়া হয় পাকুড় প্যাসেঞ্জারের সঙ্গে। পৌঁছন  জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। চিকিৎসকেরা (ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়, ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দুভূষণ বসু) অনেক পরামর্শ করে ৩০ জুলাই অপেরেশনের দিন ধার্য করা হয়।
    ৩০ জুলাই সবাইকে অবাক করে দিয়ে মুখে মুখেই রচনা করে ফেললেন তাঁর জীবনের সর্বশেষ কবিতা, "তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছো আকীর্ণ করি বিচিত্র ছলনাজালে, হে ছলনাময়ী"। রানী চন্দ্র লিখে নিলেন। পরে আরও তিনটে লাইন বললেন, "অনায়াসে যে পেরেছে ছলনা সহিতে / সে পায় তোমার হাতে / শান্তির অক্ষয় অধিকার"। বৌমা প্রতিমাদেবীকে 'মামণি' বলে ডাকতেন। আর প্রতিমাদেবী সম্বোধন করতেন 'বাবামশায়' বলে। প্রতিমাদেবী তখন শান্তিনিকেতনে। শেষ চিঠি রানী চন্দ্র লিখলেন কবিগুরুর ডিকটেশন অনুসারে, "মামণি, তোমাকে নিজের হাতে লিখতে পারিনি বলে কিছুতে লিখতে রুচি হয় না। কেবল খবর নিই আর কল্পনা করি যে তুমি ভালো আছো ----" ইতি বাবামশায়। কাঁপা কাঁপা হাতে সই করেন। ৪ আগস্ট শান্তিনিকেতন থেকে ফিরে এলেন প্রতিমাদেবী।
    ৭ আগস্ট, বাইশে শ্রাবণ। অক্সিজেন দেওয়া শুরু হলো। নিশ্বাস ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে। রানী চন্দ্র, নির্মলকুমারী বসে আছেন কবির পায়ের কাছে। বারোটা দশ, চিরকালের জন্য হৃদস্পন্দন থেমে গেলো। বাইশে শ্রাবণ, কিন্তু আকাশে তখনও প্রখর দীপ্তিমান মধ্যাহ্নের রবি। গগনের রবির সঙ্গে মর্ত্যের রবির মহামিলন। সবাই মিলে কবিকে পরিয়ে দিলেন দুধসাদা বেনারসি জোড় ও গরদের পাঞ্জাবি। কপালে শ্বেতচন্দন তিলক।
    কবিগুরু চেয়েছিলেন কলকাতার উন্মত্ত কোলাহলের মধ্যে জয়ধ্বনির মধ্যে সমাপ্তি যেন না ঘটে। উনি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনের উদার মাঠের মধ্যে উন্মুক্ত আকাশের তলায়, ওনার ছেলেমেয়েদের মাঝখানে - ওনার শেষ যাত্রা। উনি চেয়েছিলেন ওনার দেহ শান্তিনিকেতনের মাটিতে যেন মিশে থাকে। কবিগুরুর সেই শেষ ইচ্ছে আর পূরণ হতে পারেনি। বেলা তিনটের সময় বাইরে অপেক্ষমান জনস্রোত  "জয় বিশ্বকবির জয়। জয় রবীন্দ্রনাথের জয়।" ধ্বনি দিতে দিতে ওনার শবদেহ তুলে, বিশিষ্টজনদের কাঁধে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে পৌঁছলো নিমতলা শ্মশানঘাটে। শোনা যায়, লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় ঠেলে কবিগুরুর ছেলে রথীন্দ্রনাথ তাঁর বাবার শবদেহর কাছে পৌঁছতে পারেননি। লোকের ভিড়ের চাপে অজ্ঞান হয়ে যান। তাই মুখাগ্নি করেছিলেন কবিগুরুর ভ্রাতুস্পুত্র সুবীরেন্দ্রনাথ। যেখানে কবিগুরুকে দাহ করা হয়, সেখানে একটি স্মৃতিফলক আছে, ওনার শেষ কবিতার শেষ তিনটি লাইন "অনায়াসে যে পেরেছে ছলনা সহিতে, / সে পায় তোমার হাতে / শান্তির অক্ষয় অধিকার।"            
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sobuj Chatterjee | ০৭ আগস্ট ২০২২ ১২:৩৫510833
  • লেখা টা তথ্য সমৃদ্ধ, ঋদ্ধ হলাম। কিন্তু একটা ছোট্ট তারতম্য বা খটকার কথা বলি। আজ ৭ই আগস্ট ঠিক কথা, কিন্তু বাইশে শ্রাবন নয়,একুশে শ্রাবণ। আমাদের কাছে কবির জন্ম ও মৃত্যু দিবস যথাক্রমে পঁচিশে বৈশাখ এবং বাইশে শ্রাবন হিসাবে ই গুরুত্বপূর্ণ। তাইতো নাকি? ভুল হলে সংশোধন করে দেবেন। 
  • Supriya Debroy | ০৭ আগস্ট ২০২২ ১৩:৩৯510835
  • আজকে 21 শে শ্রাবণ। কবিগুরুর মৃত্যুদিবস 7th Aug 1941, সেই দিনটি বাইশে শ্রাবণ ছিলো। ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন