এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • বিকল্প

    দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ১১ এপ্রিল ২০২৩ | ৬২২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • এক

    "বুকপকেটে হাত দিয়ে কি খুঁজছ নীলাদ্রি?"

    আবীরের প্রশ্নটা আনমনে কানে যেতেই কিছুটা অপ্রস্তুত ভাবে নিজের বাঁ হাতটা সরিয়ে নিলাম জামার বুকপকেট থেকে।

    যেটা খুঁজছিলাম সেই দেশলাই বাক্সটা ওখানে নেই। আজকে বাক্সটা নিয়ে বেরোইনি বলে মনে হচ্ছে এখন।

    সিগারেট খাওয়াটা আসলে বহুদিন প্রায় বাধ্য হয়েই ছেড়ে দিয়েছি, হাঁপ ধরে যেত একটু হাঁটাহাঁটি করলেই। কিন্তু পকেটে এখনো একটা দেশলাই বাক্স রাখি। দেশলাই বাক্সের কাঠির মাথায় বারুদগুলো লাল লাল। দেখলে মনে হয় লাল চুলের সব মানুষ।

    সময় কাটতে না চাইলে মাঝে মাঝে একটা দুটো করে কাঠি জালিয়ে দেখি। কাঠিগুলোর লাল মাথা দপ করে জ্বলে ওঠে তারপর ধিরে ধিরে পুড়তে পুড়তে কালো হয়ে আসে, একসময় পোড়া শেষ হয়ে গেলে নুইয়ে ফেলে ওদের মাথা, কখনো মাঝখান থেকে ভেঙে পোড়া অংশটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর আঙ্গুলের চাপে কালো গুঁড়ো।

    "বাইরে তো ছেলে মেয়েরা স্লোগানিং করছে, শুনতে পাওনি?"
    "না তো" বলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াই।
    "ব্যস্ত হতে হবে না।"
    "আরে ঘেরাও শুরু হলে কি হবে?" - না বসে রেজিস্ট্রারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের দরজা খুলে  বাইরে বারান্দায় বেরিয়ে আসি। সঙ্গে সঙ্গে কানে স্লোগানের আওয়াজ আছড়ে পড়ে। বারান্দা থেকে দেখি নীচে ছেলে মেয়েদের দঙ্গল।

    এই এক সমস্যা। মাঝে মাঝেই শুরু হয়। আজকে আবার এদের কি দাবি কে জানে।

    "দেখলে?"
    "হ্যাঁ, ঘেরাও তো করবে না মনে হল। স্মারকলিপি দিতে এসেছে।"
    "কাল করবে ঘেরাও?"
    "কাল করলে আমার আর কি?"
    "মানে?"

    কথাটা মুখ ফসকে বলে ফেলেছি । এবার সামলাতে  হবে।
    "মানে আজকের দিনটা তো ভালোয় ভালোয় বাড়ি ফিরি। এদের তো, কখন আবার মেজাজ মর্জি  বদলে ফেলে।" - জলের বোতলের ছিপি খুলতে খুলতে বললাম।
    "তা ঠিক"

    আজকে রাতে যেটা ঘটবে সেটার কথাই আসলে তখন দেশলাই বাক্স খুঁজতে খুঁজতে মনে ভাবছিলাম। কিন্তু সেটা আবীরদেরকে বলা যাবে না। ওরা আগে থেকেই বলে রেখেছে - "আপনার চেনা কাউকে  কিন্তু কিছু বলবেন না।"

    বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে এক কাপ চা এনে দরজা ভেজিয়ে বসলাম টেবিলে। টেবিলের হালকা আলোটা জ্বালালাম। দেশলাই বাক্সটা টেবিলের দেরাজে রাখা আছে। টেনে বার করে টেবিলের ওপরে রাখলাম। খুলে দেখলাম যা ভেবেছি, ভেতরে ভর্তি কাঠি। দুদিন আগেই কিনেছি।

    চায়ের কাপটা থেকে ধোঁয়া উঠছে। টেবিলের  এককোণে রাখা ছাইদানি টেনে নিয়ে একটা কাঠি জ্বাললাম। ছাইদানিটা ইতিমধ্যেই পোড়া কয়েকটা কাঠিতে ভরা। সেখানে নতুন কাঠিটা গুঁজে দিলাম।

    আজ রাতে মনে করে এটা পকেটে নিয়ে যেতে হবে। নতুন জীবনেও আমি এই দেশলাই বাক্সটা রেখে দিতে চাই। যেমনটা ওরা বলেছিল – "একটা জিনিস আপনি নিজের সঙ্গে নতুন জীবনে নিয়ে যেতে পারবেন।"

    ওরা মানে , বিকল্প কর্পোরেশন বলে একটা বহুজাতিক সংস্থা। সারা শহরের ডিজিটাল বিলবোর্ড আর  ফ্লেক্স জুড়ে প্রচুর বিজ্ঞাপন দেয় এরা এখন। কয়েকদিন আগেই এদের অফিসে গেছিলাম।

    অফিসে ঢুকে রিসেপশন থেকে টোকেন নিয়ে সময়মত একটা ঘরের মধ্যে যেতে হয়েছিল। টেবিলের উল্টোদিকে একটা কম্পিউটারের সামনে একটা মেয়ে বসেছিল। 

    "নীলাদ্রি, আপনি কি আগে কখনো আমাদের কাছে এসেছেন?"
    "না, আমি এর আগে কখনো আপনাদের কোনো অফিসে আসিনি" - আমি বলেছিলাম। 
    মেয়েটা কম্পিউটারে কিছু টাইপ করছিল। 

    "আচ্ছা। আপনার আরো কিছু ডিটেলস লাগবে। ততক্ষণে চা, কফি কি নেবেন বলুন?"
    "চা "

    মেয়েটা আমাকে খানিকক্ষণ ধরে নানারকম খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করেছিল। ছবি আঁকতে ভালোবাসতাম কিনা? ছোটবেলায় শুধু খাবার সময় টিভি দেখতাম না বিকেলবেলা খেলতে না গিয়েও টিভি দেখতাম? ছোটবেলায় "বড়ো হয়ে কি হতে চাই?" রচনায় কি লিখতাম। তারপর একসময়  -

    "আপনার জীবনে কি এমন কোনও মুহূর্ত আছে যেটার কথা আপনার এখন বারবার মনে পড়ে? মনে হয় সেই সেদিন যদি ঐ কাজটা না করতাম তাহলে এখন আমি কত ভালো থাকতাম। বা সেইদিন ওই সুযোগটা নিলে জীবনটা একেবারে অন্যরকম হতে পারত। এরকম কোনও ঘটনা আছে?"
    "কলেজে পড়ার সময় অল্পসল্প ছাত্র রাজনীতি করতাম। "
    "পুলিশের খাতায় নাম উঠেছিল?"
    "না সেরকম কিছু নয়। এই মিছিলে হাঁটা, পোস্টার লেখা, মাঝেমধ্যে ঘেরাও। একসময় ভাবতাম গবেষণা করতে বাইরে চলে যাব। সব ঠিক করেও ফেলেছিলাম, তারপর..."
    "যাওয়া হয়নি?"
    "না, কিছু ব্যক্তিগত পারিবারিক কারণে...শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। দেশেই পিএইচডি করলাম। তারপর ইউনিভার্সিটিতে জয়েন করে এখন রেজিস্ট্রার। বিয়ে করেছিলাম, টেঁকেনি। "
    "এখন মনে হচ্ছে কুড়ি বছর আগেই যদি বিদেশে চলে যেতে পারতেন তাহলে জীবন কীরকম হতে পারত?"
    "হ্যাঁ "
    "আসলে, আপনি যখনই সিদ্ধান্ত নিলেন আর বিদেশে যাবেন না, সঙ্গে সঙ্গে আরেকটা সমান্তরাল ব্রহ্মাণ্ডর জন্ম হয়েছিল। সেই ব্রহ্মান্ডে আপনি বিদেশেই চলে গেছেন। আপনি চাইলে আমরা আপনাকে সেই নিয়ে যেতে পারি। এটাই আমাদের কোম্পানির কাজ।"

    মেয়েটা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বলল "আপনার ডেটা আমাদের কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ফিড করে দিয়েছি। ম্যাচিং অ্যালগোরিদম রান হচ্ছে এখন। "

    "ম্যাচিং অ্যালগো কেন? অসংখ্য সমান্তরাল ব্রহ্মাণ্ড আছে নাকি?"
    "হ্যাঁ স্যার, অসংখ্য। এর মধ্যে থেকে আপনার জন্য সবথেকে উপযোগী ব্রহ্মাণ্ড আমাদের কম্পিউটার সিলেক্ট করে দেবে। তারপর ​​​​​সময়মত আপনার চেতনাটা,মানে যেটাকে কনশাসনেস বলে, আমরা তুলে নিয়ে সেই ব্রহ্মাণ্ডর আরেকজন আপনার মাথায় ঢুকিয়ে দেব। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। "
    "যেমন? "
    " আমরা টাইম ট্রাভেল প্রোভাইড করি না। মানে আমরা আপনাকে সেই বয়সে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবো না যেখানে আপনি বাইরে যাবার কথা ভাবছেন। আর আপনার বেসিক চরিত্রর পরিবর্তন হবে না। মানে ধরুন মাঝারি উচ্চতার, চশমাপরা লোক হঠাৎ সাড়ে ছ ফিট লম্বা, মেনস্ট্রিম সিনেমার হিরো হয়ে যাবেন না। কারণ এরকম কোনো ব্রহ্মাণ্ডর অস্তিত্বই নেই। আপনি চা খান, আমি একটু আসছি পাঁচমিনিট।"

    বসে চুপচাপ চায়ে চুমুক দিচ্ছিলাম। চিনি ছাড়া দার্জিলিং চা।

    ফিরে এসে সে কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বলল "আপনার বিয়ের ভাগ্যটা একেবারেই ভালো নয় মনে হচ্ছে। মনে হয় মানিয়ে গুছিয়ে চলতে পারেন না একেবারে? সবকটা দুনিয়াতেই দেখছি আপনার বিয়ে ভেঙে গেছে। একটা দুনিয়ায় আপনি বিদেশে, আপনার দুটো বিয়ে হয়েছিল, একবার এখানে , একবার বাইরে। দুপক্ষের ছেলে মেয়েরাই তাদের মায়েদের কাছে বড় হচ্ছে। সেই দুনিয়াতে যাবেন?"

    "ওরে বাবা, না না। খুব অশান্তি হবে।"

    "আরেকটা দুনিয়ার সঙ্গে আপনি যেরকম চাইছেন তার নিরানব্বই শতাংশ মিল আছে। সেখানে বিদেশে আসার পর ঝিলম বলে একজন ল্যাবমেটকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু পরে ডিভোর্স হয়ে গেছে। ওই যে বললাম, আপনার বেসিক চরিত্রর পরিবর্তন হবে না। আপনি একাই একটা বাড়িতে থাকেন। কাজপাগল লোক । অনেকগুলো পেটেন্ট আছে আপনার। টাকার অভাব নেই।"

    শুনে মনে হচ্ছিল একটা অন্যরকম জীবন। ঠিক এরকমই অনেকটা কলেজে পড়ার সময় ভাবতাম। অনেক স্বাধীনতা আছে। ওটাই বললাম করে দিতে।

    "আপনার আর কোনো প্রশ্ন আছে ?”
    "আমার এই পুরোনো জীবনটার কি হবে?"
    "আপনার এই জীবনটা নিজের মত আপনমনে চলবে যেমন চলার । শুধু আপনি জানতেই পারবেন না যে এরকম একটা ব্রহ্মাণ্ড আছে যেখানে আপনি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি। আমাদের ম্যাচিং অ্যালগো না জানালে যেমন আপনি আজকেও জানতে পারতেন না। সব সমান্তরাল কোয়ান্টাম ব্রহ্মাণ্ড তো। ওই ব্রহ্মাণ্ডর আপনার সঙ্গে এই ব্রহ্মাণ্ডর আপনার কোনোদিন দেখা হবে না। আপনার বাড়ি থেকে বেরিয়ে পাঁচ মিনিট বড় রাস্তা দিয়ে থানার দিকে হাঁটলে, বাঁদিকে একটা পার্ক পড়ে। "
    "হ্যাঁ, চিনি পার্কটা"
    "পরের মঙ্গলবার সেখানে যাবেন। স্লিপ এর পাশে দেখবেন পাঁচটা বেঞ্চ পাতা আছে, তার মধ্যে স্লিপের দিক থেকে তৃতীয় বেঞ্চে বসবেন। একদিকের হাতল ভাঙ্গা আছে বেঞ্চটার। রাত ১২ টা ৩৭ এ ঘড়ি ধরে এক মিনিট চোখ বুজে বসতে হবে।"

    আজ সেই রাত।পার্কে গিয়ে তাই করি, বেঞ্চটা খুঁজে বার করে বসি । একটা ফাঁকা সিগারেটের প্যাকেট ফেলে গেছে কেউ বেঞ্চটার ওপর, সেটা দুমড়ে পাশে সরিয়ে দিলাম। পার্কটা ফাঁকা । ঘড়ির দিকে চোখ রাখি, সেকেন্ডের কাঁটাটা ঘুরছে ।
     
    এখনো পনেরো মিনিট বাকি আছে। হেলান দিয়ে বেঞ্চে মাথাটা তুলে ওপরে তাকালাম। ঝিকমিক করছে নানারকম তারা। একটা কৃত্রিম উপগ্রহ সপ্তষিমণ্ডলকে পিছনে রেখে আকাশ পেরিয়ে যাচ্ছিল। 

    দুই 

    "নীলাদ্রি, আপনাকে ডাকছে। "

    ঘোরটা কাটিয়ে উঠে কিছুটা হকচকিয়ে গেছিলাম। আন্তর্জাতিক একটা সেমিনারে পেপার প্রেজেন্ট করা চলছে। আমার ল্যাবেরই একজন স্কলার ওর পেপার প্রেজেন্ট করা শেষ করে আমাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছিল। কিছুক্ষণ বাদেই বিকেলের স্ন্যাকস ব্রেক। তারপর আবার কাল সকাল থেকে সেমিনারের দ্বিতীয় দিন । এখানে ল্যাবের পুরো টিম নিয়ে এসেছি , ছজন পিএইচডি স্কলার , দুজন পোস্টডক।

    বিকেলবেলা বাইরে বেরোলাম। আলো মরে আসছে। হোটেলের উল্টোদিকেই একটা পার্ক আছে। কালকে যখন চেক ইন করেছি তখনই দেখে রেখেছি। ঠাণ্ডার সময় বাইরে গিয়ে খেতে হত বলে বিদেশে আসার পর আমি সিগারেট ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু একটা দেশলাইয়ের বাক্স সবসময় আমার প্যান্টের পকেটে রাখতে চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে একটা দুটো কাঠি জ্বালাই। 

    বেঞ্চে হেলান দিয়ে বসে ওপরে তাকালাম। আজ মনে হয় সুপার মুন। সেমিনারের লাঞ্চ ব্রেকেও সবাই বলাবলি করছিল। পার্কের আলো অন্ধকারে বেঞ্চে বসে আমি একটা দেশলাই কাঠি বের করে জ্বালালাম।

    আলোটা ফস করে জ্বলে উঠেই নিভে আসছিল। নিভন্ত শিখার দিকে তাকিয়ে আমার জীবনের একঘেয়েমির কথা ভাবছিলাম। এইসব সময়ে দেশলাই কাঠিটার ধীরে ধীরে পুড়ে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকলে মনটা কিছুটা শান্ত হয়। কোথাও থেকে বেড়িয়ে এলে প্রথম প্রথম যেরকম সতেজ অনুভূতি মনে কাজ করে। তারপরেই আবার সেই একঘেয়েমি, ল্যাব, পাবলিকেশন, গ্র্যান্ট জোগাড়ের দৌড়। চেয়ার প্রফেসর হয়েও মনে শান্তি নেই। ঝিলমের সঙ্গে বিয়েটাও দাঁড়াল না। 
     
    মাঝে মাঝে ভাবি, কলেজে আধামাধা রাজনীতিটা করার থেকে কলেজ শেষের পর পুরো সময়টাই রাজনীতি করতে পারতাম। এতদিনে হয়ত পুরসভার কাউন্সিলর, বিধানসভার এমএলএ হয়ে...। রাস্তায় একটা কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখি আজকাল। বিকল্প করপোরেশন। এখানেও এয়ারপোর্টের বাইরে দেখেছি। ওদের বিজ্ঞাপনগুলোতে ঠিক এরকম একটা ব্যাপারের হাতছানি থাকে। একবার গিয়ে দেখলে হয়। সেমিনারটা শেষ হলে সামনের সপ্তাহেই বাড়ি ফিরে ওদের অফিসটায় যাবো। দেখি কি বলে।

    তিন 
    "নীলাদ্রি, আপনি কি আগে কখনো আমাদের কাছে এসেছেন?"

    দিনকয়েক বাদে বিকল্পর বিদেশের অফিসে টোকেন নিয়ে এসে ঘরে ঢুকে বসার পর টেবিলের উল্টোদিকে কম্পিউটারের সামনে বসা মেয়েটা নীলাদ্রিকে প্রশ্নটা করল।

    এই প্রশ্নটা নিয়ম অনুযায়ী সবাইকেই করতে হয়। কিন্তু উত্তরটা মেয়েটার জানা আছে। তার সামনের স্ক্রীনে নীলাদ্রির নামের পাশে দেখাচ্ছে তিনি বিকল্পর একজন 'এ' তালিকাভুক্ত ক্রেতা এবং একটা সংখ্যা - ৪। অর্থাৎ এই নিয়ে পাঁচবার নীলাদ্রি বিকল্পর কাছে এল। ক্রেতাকে এ বিষয়ে কিছু বলা বারণ। কারণ এরা যত বার আসে কোম্পানির তত বেশি লাভ। পুরোনো জীবনে যে ইতিমধ্যেই অনেকবার বিকল্পর কাছে এসেছে তা কোনও ক্রেতারই মনে থাকার কথা নয়, তবুও দেজা ভ্যু হতে পারে, তাই ক্রেতাদের ওই প্রশ্নটা করা হয়, যদি সেটা শুনে আচমকা তাদের কিছু মনে পড়ে যায়। ইতিমধ্যে মেয়েটা আড়চোখে  দ্রুত স্ক্রিনে ফুটে ওঠা নীলাদ্রির আগের চারবারের ইতিহাস দেখে নিতে থাকে, স্ক্রিনের পিছনদিকে বসে নীলাদ্রি যা দেখতে পায় না।

    নীলাদ্রিরা জীবনে কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারে না।  চাঁদ ধরে এনে দিলেও না। কিছুদিন বাদে বাদেই তাদের খেদ হয় জীবনটা এরকম না হয়ে সেরকম হলে কত ভালো হত। এটা একধরনের অসুখের মতন। নেশার মতন। 

    "না, আমি এর আগে কখনো আপনাদের কোনো অফিসে আসিনি" - নীলাদ্রি উত্তর দিল।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ১১ এপ্রিল ২০২৩ | ৬২২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    উকুন - Kishore Ghosal
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2601:14a:500:e780:be3b:bddb:2888:1149 | ১১ এপ্রিল ২০২৩ ০১:২৬518538
  • এই গল্পের কনসেপ্টটা আমার বেশ, বে-এ-শ ভালো লাগলো। আর শেষ লাইনটা দারুণ। এই লাইনটা একটা অন্য মাত্রা যোগ করলো। দীপাঞ্জনের গল্পে আগেও এই বিভিন্ন রিয়ালিটির ব্যাপারটা দেখেছি। এটা আমার খুবই ভালো লাগে। কিন্তু এই গল্প পড়ার সময় আমার দুটো সিনেমার কথা মনে পড়ছিলো -- 'ডোন্ট ওয়রি ডার্লিং' আর অল্প করে 'ইনসেপশন' (দেশলাই বাক্সের কথায়)। এগুলো মনে পড়ার জন্য নিজের ওপরে একটু বিরক্ত হলাম। না মনে পড়লে, আরো ইন্ডিপেন্ডেন্টলি গল্পটা নিতে পারলে বেশি খুশি হতাম।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১১ এপ্রিল ২০২৩ ০১:৩৯518540
  • গল্পটা ভালো লাগল। এই ধরণের সমান্তরাল জগতে চলে যাওয়ার গল্প ইদানীং বেশ কিছু পড়েছি। (একটায় কোয়ান্টাম আনসার্টেন্টির জন্য সবকিছু ঘেঁটে গেল, আরেকটায় একটা কোম্পানি ইলুশন ব্যবহার করে খদ্দের ঠকাতো, খদ্দেররা তবুও আসত ঃ-) ) তবে এই গল্পটায় গুরুত্বটা একটু ভিন্ন জায়গায়। বারে বারে জীবন পাল্টাতে থাকার অস্থিরতা। এই শেষাংশে এসে বোঝা যায় আরও দীর্ঘ পরিসরে এটা বড়গল্প বা উপন্যাস হয়ে উঠতে পারে।
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ১১ এপ্রিল ২০২৩ ২২:০৬518553
  • ধন্যবাদ কেকে , &/
     
    ইনসেপশনে টোটেমটা কব ব্যবহার করত সে স্বপ্ন দেখছে কিনা সেটা বোঝার জন্য। এখানে সেটা নয়। দেশলাই বাক্সটা নিলাদ্রীর অতীতের স্মৃতির একটা চিহ্ন, অনেকটা মুদ্রাদোষের মত। এই 'ডোন্ট ওয়রি ডার্লিং' ছবিটা আমি দেখিনি , &/র বলা গল্পগুলোও পড়েছি বলে মনে পড়ছে না । সমান্তরাল জগতে চলে যাওয়া কল্পবিজ্ঞানে একটা খুবই জনপ্রিয় টপিক। আমি দেখাতে চেয়েছি প্রযুক্তি যতই উন্নত হয়ে যাক, মানুষের কিছু ব্যাখ্যাহীন সমস্যা থেকেই যাবে যা প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়। laugh
  • ফরিদা | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ০৫:৪৩518555
  • দারুণ গল্প। ইন ফ্যাক্ট আশ্চর্য গল্প। 
     
    স্বপ্নের মধ্যে নিজেরই অন্য স্বাভাবিক জীবনে যাতায়াত করি মাঝে মাঝে।  তবে "বিকল্প" এর খবর এর আগে অবধি জানতাম না।
  • dc | 2401:4900:2312:fa72:e156:bb2e:9cab:6cc5 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:০৮518556
  • এই গল্পটার সাথে অ্যাসিমভের ছোটগল্পগুলোর অনেক মিল আছে। আর এটার মধ্যে যে উপন্যাসটা লুকিয়ে আছে সেটা দিয়ে একটা গোটা সিনেমাও বানিয়ে ফেলা যায়। আমি তো পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি ওপেনিং সিন - রাত্তির বেলার মেট্রো রেলের কামরায় রায়ান রেনোল্ডস বসে আছে আর অন্যমনষ্কভাবে একটাই লাইটার নাড়াচাড়া করছে। সামনের সিটে একটা অ্যাড। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:১০518557
  • 'নিষাদ' বলে একটা উপন্যাস আছে, সেখানে একজন নিজে নিজেই নানা জীবনে ভাগ হয়ে যেত ক্রিটিকাল সিদ্ধান্তগ্রহণের সময়গুলোতে। এইভাবে তার অযুত নিযুত জীবন হয়ে গেল।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১০:০৫518558
  • হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ! অনেকদিন পর এমন একটি মন ভালো ক‍রা গল্প পড়লাম। এত ছোট আয়তনে এমন বড় লেখা সত‍্যি‍ই আসিমভকে মনে পড়ালো। একটুই খুঁতখুঁতানি - যে কম্পিউটার এই চালান-এর কাজটি করবে তার জন্য মনে হয় কোয়ান্টাম কম্পিউটার নামটি পুরাকালের কিছু। কল্পনাকে আরেকটু উড়িয়ে একটি কোন তুলনায় অচেনা নাম দিলে পড়ে আরও আরাম পেতাম। খেতে পেলে শুতে চায় ধরনের আব্দার আরকি! (এই প্রবাদটা আবার অন্য আরেকটি, অন্য রকমের জগতে নিয়ে যায়। কিন্তু সে অন্য টইয়ে ঠাঁই নেওয়ার।)
  • &/ | 107.77.232.220 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১১:১৫518560
  • ব্রেনটিকুলার হাইপার কেমন নাম? :)
  • dc | 2401:4900:2312:fa72:e566:aae8:7956:9236 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১১:৪০518562
  • এভারেট মাল্টিপোর্টার নাম দেওয়া যায়। 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১৮:৪৯518570
  • বাঃ! এই ত! এর সাথে হাইপারবোলিক জুড়ে নিলাম।
    এভারেট হাইপারবোলিক মাল্টিপোর্টার। সবটা যেন বুঝিয়ে দিল জল। 
  • dc | 2401:4900:2312:fa72:e566:aae8:7956:9236 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:০৩518571
  • সংক্ষেপে ehm
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:৩৩518572
  • ধন্যবাদ ফরিদা , স্বপ্নের মধ্যে নিজেরই অন্য স্বাভাবিক জীবনে যাতায়াত আমরা অনেকেই করে থাকি মনে হয় :)
     
    ডিসি , অমিতাভদা , &/ - আসিমভ বা নিষাদের সঙ্গে তুলনাটা অতিরিক্ত হয়ে গেল laugh। যে পৃথিবীতে যন্ত্রের নাম এভারেট মাল্টিপোর্টার বা ব্রেনটিকুলার হাইপার সেই পৃথিবীতে কি লোকেরা দার্জিলিং চা চুমুক দিয়ে খায় বা ছেলেমেয়েরা ভিসিকে ঘেরাও করে? laughlaugh
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ২০:১৬518573
  • করে ত, আমি (বোলো না কাউকে) ঐ মাল্টিপোর্টার কোম্পানির কন্সাল্ট‍্যান্ট, সব কথা বলা যায়না, এটুকু বলতে পারি, অনেক সমান্তরাল বিশ্বেই অনেক কিছু বেশ কমন আছে। আমাদের ডেটা ইন্টারপ্রেটারগুলো খুব মজার। কত কি যে দেখায়! কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি একদম অন‍্যরকমও থাকে অবশ্যই। সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স পেলে তোমায় নিয়ে বসে যাব একদিন।
  • &/ | 107.77.232.220 | ১২ এপ্রিল ২০২৩ ২২:৩৪518574
  • এই দেখুন তার ফটো 
  • দীমু | 110.224.107.250 | ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:৩৪518585
  • এটাই ehm ? জিনিসটা বানিয়ে ছবিও তুলে ফেললেন laugh​ভালোই হল , সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স আর লাগল না laugh​ 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ০১:১৫518618
  • ওই যে দেখছেন সরু সরু আলোর রেখা, ওগুলো সব বিভিন্ন জগতের দরজা। হুশ করে একটার ভিতর দিয়ে খদ্দেরের ওয়েভ ফাংশান ঠেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সে কী যেতে চায়? একইসঙ্গে অন্য দরজাগুলো দিয়েও কিছুকিঞ্চিৎ ঢুকে যায়, কোয়ান্টাম আনসার্টেনটি থাকে কিনা! তারপরে লেগে যা নারদ নারদ। ওপাশে। "গার্ডবাবু গার্ডবাবু সিটি না বাজানা, ঝান্ডি না দিখানা, পিলাটফর্মে রহি গেইল গাঁটারিয়া।" এই গান সবাইকারই গান অল্পবিস্তর। কোথায় কোন পিলাটফর্মে পড়ে আছে তার সর্বস্ব, এদিকে সে চলে গেছে কোনখানে!
  • কালনিমে | 2402:3a80:1985:2c49:58e1:b740:2f7:a470 | ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ০০:১৬518695
  • বেশ ভাল লাগল। একটা খটকা - memory না হয় input করা গেল - কিন্তু পরিপার্শ্ব - যেমন ধরা যাক তার প্রফেশন - বা সম্পর্ক যেগুলো আছে সেটা কিভাবে হচ্ছে? একটা হতে পারে -যদি সব কটা universe ই আমাদের চারপাশে coexist করছে - শুধু এই কম্পানি তাদের track করে - তাদের গল্প জানে - মানে git যেভাবে branch maintain করে আর কি। যদি নীলাদ্রি পরের বারে নেতা থেকে (আবার ) রেজিস্ট্রার হতে চায়, সেখানে কি একইভাবে timeline merge হবে?
  • Indra Mukherjee | ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:০০518727
  • Quantum existence, multiple universe , career choice, universe choice সব মিলিয়ে মজা লেগে গেল
     
    শুভ কামনা 
     
  • | ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৫:০৩518729
  •  বাহ দীপাঞ্জনের গল্পের হাতখানা ত দিব্বি।  yes
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ২০ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:০৭518863
  • @&/ হাত জোড় করার ইমোজিটা গুরুতে থাকলে ভাল হত 
     
    @কালনিমে হ্যাঁ , ওটা ঐরকম দেখাবে , বর্তমান ব্রাঞ্চ টা মেন ব্রাঞ্চ থেকে কতগুলো কমিট পিছনে। তারপর কমেন্ট সহকারে মার্জ করে দিলেই হবে। 
     
    অনেক ধন্যবাদ Indra Mukherjee , দ দি
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২০ এপ্রিল ২০২৩ ১৫:৩১518864
  • গল্পটা বেশ ভালো লাগলো। এভরিথিং এভরিহোয়ার অল এট ওয়ান্স সিনেমাটার প্যারালাল ইউনিভার্সের কথা মনে পড়ে গেল।
  • দীমু | 223.191.54.179 | ২১ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:২৬518891
  • ধন্যবাদ রমিতবাবু  
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন