এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  অর্থনীতি

  • অর্থনীতি ও নোবেল প্রাইজ ২০২২

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | অর্থনীতি | ১৩ নভেম্বর ২০২২ | ৪৯৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • অর্থনীতি ও নোবেল পুরস্কার ২০২২

    পর্ব তিন

    গরুর গাড়ির গতি বাড়ালেই মোটর
    আবার মোটর থেকে মাটি  ছাড়ালেই প্লেন
    আরো গতি বাড়ালে জন গ্লেন, পারে
    অভিকর্ষের বাইরে চলে যেতে

    গতি সম্পর্কিত কবিতা
    তুষার রায়, ১৯৭০

    হাওয়াই জাহাজের সঙ্গে অর্থনীতির যে একটা  সম্পর্ক আছে সে বিষয়ে প্রয়াত ডক্টর অলোক ঘোষ কাঁটাকলের ক্লাসে আমাদের প্রথম অবহিত করেন। ছয়ের দশকে আমেরিকান  অর্থনীতিবিদ ডবলু ডবলু  রোসটো বলেছিলেন  কৃষি ভিত্তিক সমাজ হতে  দেশব্যাপী ও আন্তর্জাতিক শিল্পায়নের পথে একটি দেশের যাত্রাকে বৈমানিক পরিভাষা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে । যেমন একটি বিমান রানওয়েতে প্রথমে ধীরে,  তারপরে গতি সঞ্চয় করে আরও দ্রুত গতিতে ছোটে এবং আকাশে ওড়ে  ( টেক অফ ) ,  উড়তেই থাকে ।  তেমনি গ্রামের চাষ কেন্দ্রিক সভ্যতা ক্রমশ বিজ্ঞান , প্রযুক্তি বিদ্যা ও শিল্পায়নের পথে ধাবিত হয় । উচ্চাকাশে পৌঁছুনোর অর্থ আরও উন্নত শিল্প সমন্বিত উপভোক্তা সমাজের সৃষ্টি অর্থাৎ অর্থনৈতিক যাত্রা তার শিখরে অবস্থিত । ষাট বছর আগে উইলিয়াম রোসটো আমেরিকা ব্রিটেন ছাড়া খুব বেশি উড়ন্ত অর্থনীতি দেখতে পান নি – যুদ্ধ বিধ্বস্ত ফরাসি জার্মান বা ইতালিয়ান অর্থনীতির মেরামত হচ্ছে, সিঙ্গাপুর একটি গ্রাম, তাইওয়ান (পরতুগিজ ফরমোসা ) নামক  একটি পাথুরে দ্বীপে মূল ভূখণ্ড থেকে পলায়িত দশ লক্ষ চিনা সবে উপনীত হয়েছে।  তাদের সবার উড়তে দেরী আছে।

    চল্লিশ বছর বাদে  অনেক দেশ নীল আকাশে উড়ন্ত । এমন সময়ে দৈব দুর্যোগ যদি সম্ভাব্য হয় , সেই উড়ন্ত বিমানগুলিকে যাত্রী সমেত  মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য একজন অর্থনীতিবিদ যে বিশাল প্যারাসুট তৈরির প্রস্তাব করেন, সুইডিশ রিকসবাঙ্ক  ( বিশেষ উল্লেখ – ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় গোলযোগ দেখা দিলে কি করনীয় ?)  সমস্বরে সাধু সাধু বলে সেই প্রস্তাব ও তার জনককে ২০২২ সালের আলফ্রেড নোবেলের স্মৃতি অর্থনীতি পদক  উপহার দিয়েছেন।

    প্যারাসুটের  নাম বেল আউট ।
    উদ্ভাবকের নাম বেঞ্জামিন শালোম বেরনানকে।

    একটা গোটা দেশের অর্থনীতিকে আকাশে ওড়ানোর নাম টেক অফ । দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে  আছাড় না খাইয়ে প্লেন থেকে মাটিতে নামিয়ে আনার নাম বেল আউট।  কান টানলে যেমন মাথা আসে , ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সর্বনাশ সমুৎপন্ন হলে  দেশের অর্থনীতিও বাঁচে না। 

    একটু অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলি,  বাঙালি উড়তে শেখেনি। যদিও আমরা কখনও সখনও ‘আকাশ থেকে পড়ি’,  নদীমাতৃক বাঙালির  কল্পনায় আর্থিক বিপদের দ্যোতক অপ বা জল ;  ক্ষিতি, তেজ, মরুৎ অথবা  ব্যোম নয় ।

    অথৈ জলে পড়েছি বাবা , পার হলে বাঁচি , শেষ পারানির কড়ি,এই  ধান্দায় ভরাডুবি হবে, কোম্পানি ডুবলো  বলে ইত্যাদি বাক্যাবলির সঙ্গে আমরা আজীবন পরিচিত।

    এবারের অর্থনীতির নোবেল পুরষ্কার বিচারক কমিটির মতে : ডায়মন্ড / ডিবভিগ আমাদের বুঝিয়েছেন কোন কারণে ব্যাঙ্কের সমূহ বিপদ হতে পারে  - স্বল্প মেয়াদের জমা আর দীর্ঘ মেয়াদের ধার থেকে যে সঙ্কট উৎপন্ন হতে পারে  আর ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স দ্বারা তার আংশিক সমাধান সম্ভব । সেটা ব্যাঙ্কিং সম্প্রদায় কয়েকশ বছর যাবত জানেন কিন্তু নোবেল কমিটি তাঁদের  বিশেষ সম্মান এবং পদক দিলেন । তাঁরা সম্মানীয় ব্যক্তি । দে আর অনরেবল মেন।

    নোবেল কমিটির হান্স এলেঘ্রেন জানালেন  ডায়মন্ড / ডিবভিগ নির্দেশ দিয়েছেন ব্যাঙ্কের সমস্যা কোথা থেকে উৎপন্ন হয় । আরসেই সঙ্কট থেকে পরিত্রাণের পথ দেখিয়েছেন বেরনানকে।

    কি সেই পথ ?

    টাইটানিক জাহাজে সকলের জন্য লাইফ বোট ছিল না। এবার জ্বলন্ত হাওয়াই জাহাজ থেকে প্রাণ বাঁচানোর জন্য প্যারাসুটের ঘোষণা করলেন বেরনানকে। ।

    বেল আউট । সেটি কি নতুন আবিষ্কার ?

    বেঞ্জামিন বেরনানকের অবদানকে দু ভাবে দেখা যেতে পারে । তিনি  প্লেন থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর জন্য ব্যাঙ্কের হাতে ছাতা পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ( ১৯৮৩)- আমরা দেখব সেটাও কোন নতুন কথা নয়।

    দ্বিতীয়  মন্দার কালে ( ২০০৭-১১ ) ফেডারাল রিজার্ভের কর্তার ভূমিকায় যখন সেই ছাতাটি ব্যবহারের অনুমতি তাঁরই  হাতে, সে সময়ে তিনি ছাতা ব্যবহারের অনুমতি দিলেন বেছে বেছে,পেয়ারের লোককে।  সেটি যথার্থ অর্থনীতিকের কাজ কিনা তা নিয়ে নিশ্চয় বিতর্কের অবকাশ আছে।

    আমেরিকান ব্যাংকিং বেল আউট ( আমার কর্মকালে যা দেখেছি ):

    বেরনানকে  যখন হার্ভার্ড কলেজে পাঠাভ্যাস করছেন,কমনওয়েলথ ব্যাঙ্ক অফ ডেট্রয়েট বিশাল এন পি এর কারণে দেউলে হবার মুখে।  ফেডারাল ডিপোজিট ইন্সিউরেনস ছ কোটি ডলার এবং নানান গ্যারান্টি সহযোগে এই ব্যাঙ্কের বেল আউট সম্পন্ন করেন ( ১৯৭২) ।

    ফার্স্ট পেনসিলভানিয়া ব্যাঙ্ক ( স্থাপিত ১৭৮১ ):  সি ই ও জন বানটিঙের ( অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপক ) নেতৃত্বে প্রভূত বেহিসেবি এবং দুঃসাহসিক ঋণ দিয়ে বিশেষ সঙ্কটে পড়ে। তাদের দেওয়া ঋণের পরিমাণ নশো কোটি ডলার এহেন ব্যাঙ্ককে ‘ ফেল’করতে দেওয়া যায় না । তাহলে সারা আমেরিকান ব্যাংকিঙের বিপর্যয় নিশ্চিত এই বিবেচনা করে একটি বেল আউট প্যাকেজ বানিয়ে ফার্স্ট পেনসিলভানিয়া ব্যাঙ্ককে বাঁচানো হয় (১৯৮০ )

    কনটিনেনটাল ইলিনয় : দুর্বার গতিতে বর্ধমান শিকাগোর এই ব্যাংক  বাড়ানোর অভিলাষে ওকলাহোমা রাজ্যে তেল এবং প্রাকৃতিক  গ্যাসের ব্যবসায়ে বেমক্কা অর্থ লগ্নি করে লোকসানের খাল  খুঁড়ে ফেলে।  ১৯৮১ সাল নাগাদ তার সামগ্রিক ঋণের পরিমাণ ৪২০০ কোটি ডলার , বিশ্বজোড়া কর্মীসংখ্যা বারো হাজার ( আমাকে নিয়ে )। ১৯৮২  সালে এই ব্যাঙ্কের এন পি এ তিনশ কোটি ডলার । আমেরিকার সাত নম্বর ব্যাঙ্ককে বন্ধ হতে দেওয়া যায় না তাহলে ডোমিনোর মতন বাকি ব্যাঙ্ক গুলিও হয়তো দোকান বন্ধ করতে বাধ্যে হবে। অগত্যা কার্যত কনটিনেনটাল ব্যাঙ্কের জাতীয়করণ  দ্বারা বেল আউট সম্পন্ন হলো ।

    বেরনানকে বেল আউট তত্ব লিখে ওঠার অনেকটা আগেই তাঁর আপন দেশ এ ব্যাপারে হাত রপ্ত করে ফেলেছে।

    নয়ের দশকে আমেরিকান অর্থনীতির  বৃদ্ধির হার লক্ষণীয় ,ব্যাংকিং ব্যবসার স্বাস্থ্য ভালো । কিন্তু সেই সময়ে ব্যাংকিং সঙ্কট দেখা  দিলো ইউরোপের কিছু দেশে ।  একটা নমুনা দেখা যাক । যেমন সুইডেন।

    আগের দশকে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নিয়ন্ত্রণ ঢিলে করবার ব্যাংক ঋণের  পরিমাণ বিশাল সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় । দেশের ব্যাঙ্ক যখন সমস্যায়  , সুইডিশ সরকার সেটি সামলালেন তিন ভাবে – প্রথম চোট পড়লো বেসরকারি মালিকদের  ওপরে , তাঁরা তাদের মূলধন  হারালেন:  অবস্থা বুঝে কয়েকটি ব্যাঙ্ককে সরকারি গ্যারানটি দেওয়া  হলো এবং সবশেষে দুটি ব্যাঙ্ককে   আনা হলো  সরকারি মালিকানায় – দু বছর বাদে তাদের স্বাস্থ্য উদ্ধার করে বেচে দেওয়া হলো । এঁরা কেউ বেরনানকে কথিত বেলআউট পদ্ধতি নির্দেশ পড়ে দেখবার সময় পান নি।

    বেঞ্জামিন বেরনানকে উনিশ শো তিরিশের মহা মন্দা নিয়ে গবেষণা  করেছেন । তিনি প্রতিপন্ন করেন ফেড দ্বারা অর্থসরবরাহ সঙ্কোচন এবং সুদের হার বৃদ্ধির জন্য মন্দা কঠিন আকার  ধারণ করে , সাত হাজার ব্যাঙ্ক দেউলে হয় । তিনি এটিও লক্ষ করেছেন মহা মন্দার কালে চড়তি শেয়ার বাজারের দরুন কাগুজে ধন বৃদ্ধি ( অ্যাসেট বাবল ) হয়। সেটি  নিয়ন্ত্রকের চোখ এড়িয়ে গেছে । তার ওপর নজর রাখলে এই মন্দা এমন ভয়াবহ  চেহারা নিতো না । এ ব্যাপারে বেরনানকে নীরব।

    যখন তিনি নিজে ফেডারাল রিজারভের হাল ধরেছেন,  তখন আমেরিকায় টাকার ফাগুন  -  হাওয়ায় হাওয়ায় করেছো  যে দান । ইন্টারনেটের আশ্চর্য মায়ায় মানুষ যে বাজি ধরেছিলেন , ২০০১ সাল নাগাদ তার  বুদ বুদ ফেটে  গেলে আমেরিকান ফেড টাকাকে সস্তা করে সবার হাতে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসে ব্রতি হলেন।  সুদের হার কমল ইউরোপ আমেরিকায় । অর্থের বান ।এতো টাকা যাবে কোথায় ?

    এতো বড়ো রঙ্গ জাদু এতো বড়ো রঙ্গ ।  দেশের অর্থনীতি ঊর্ধ্বগামী।   লোকের আয় বাড়লে ব্যাঙ্কের খাতায় আরও জমা পড়ে । এবার এ টাকা কোথাও লাগাতে হবে।  অকস্মাৎ ওয়াল স্ট্রিটের গুণী  ব্যক্তিদের চোখে পড়ল বাড়ি জমির বন্ধকি ব্যবসা । রিয়াল এস্টেটের দাম বাড়তে থাকে, মাথার ওপরে ছাদের প্রয়োজন সকলের। আবেদনকারীর আয় কত, চাকরি আছে কি নেই  এসব ধর্তব্যের বিষয় নয় । বাড়ির দাম যদি এক লাখ ডলার ,  ধার পাবে  এক লাখ ডলার । ঋণগ্রহীতা যদি সুদআসল কোনটাই দিতে না পারে, বাড়িটা  বেচে দাও।  সেটা তো ব্যাংকের  কাছে বন্ধক দেওয়া আছে। হাজার হাজার  ই এম আইজুড়ে বন্ড বানানো হলো , সেই বন্ড বিক্রি হলো ডাবলিনে ,লাইপজিগে , ব্যাংককে। যারা কিনলেন  তাঁরা জানলেন না সেই বন্ডের ভেতরে  কি আছে – আয়ের প্রতিশ্রুতি না বোমার অশনি সঙ্কেত।   শুরু হয়ে গেলো  কাগুজে ধন বৃদ্ধির  খেলা । যে বেলুনটি ক্রমশ ফুলে ফেঁপে উঠলো  তাকে বেঞ্জামিন বেরনানকে অর্থনীতির এক অভূতপূর্ব অগ্রগতি বলে আশীর্বাদ করলেন * ।

    সকল বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক যখন আপন মুনাফার পানে ধাবিত ,দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্শায় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ওপরে: মুখ্যত মুদ্রার মূল্য বজায় ও মুদ্রাস্ফীতির দানবকে দূরে সরিয়ে রাখা তাঁদের কাজ, সেটি  কেবল মাত্র সুদের হার বা অর্থ সরবরাহ দিয়ে সাধিত হতে পারে না। **

    বোমাটি যখন ফাটলো বেরনানকে  নামলেন বেল আউটের পথে , সঙ্গে  গোল্ডম্যান জাকসের প্রাক্তন কর্তা ট্রেজারি সেকরেটারি হ্যাংক  পলসেন । সরকারি খাজানা  খোলা - কোটিকোটি ডলার পাম্প করা হলো । জনগণ ভাবলেন আহা সরকার কি   দয়ালু । হয়তো বুঝলেন না এর  আশু ফল করের বোঝা এবং মুদ্রাস্ফীতি । প্যারাসুটের ছাতা খুলে বাঁচানো হলো গিনে চুনে পছন্দের প্রতিষ্ঠান গুলিকে ।  ১৯৩৩ সালের গ্লাস স্টিগল আইনের শর্ত মাফিক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কগুলিকে রক্ষা করার ভার ছিল না ফেডারাল রিজার্ভের ওপরে;  তারা জনগণের আমানত জমা নেয় না ।  বিমা কোম্পানিও তাদের আওতায় পড়ে না ,ফাইনান্স কোম্পানি তো নয়ই । কিন্তু কি দেখা গেলো ?গোল্ডম্যানকে রক্ষা করা হলো।  কিন্তু প্রাক্তন গোল্ডম্যান কর্তার অপছন্দ লেমান ব্রাদারস বন্ধ, নাম মাত্র দামে বেয়ার স্ট্যারন  বিক্রি ।  গাজোয়ারি করে  ব্যাঙ্ক  অফ আমেরিকাকে মেরিল লিনচ গছানো  হলো।  আমেরিকান ইন্সিউরেন্স গ্রুপ ( এ আই জি ) কে উদ্ধার করা হলো । না হলে তাদের  কাছ থেকে প্রাপ্তব্য গোল্ডমানের বিমা করা টাকা পাওয়া যাবে না। জেনারাল মোটরস ফাইনান্স কোম্পানি নয় কোন ব্যাঙ্ক , কিন্তু তারাও পেলো বেরনানকের অভয় আশীর্বাদ ।  লিস্টি বৃহৎ । আলাস্কা থেকে ফ্লোরিডা , মেইন থেকে নিউ মেক্সিকো অবধি ৪৫৭টি ব্যাঙ্ক বন্ধ হলো ।

    ৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৯  সেনেট কমিটি বেরনানককের কাছে জানতে চায়  কোন কোন ব্যাঙ্ককে বেল আউট দিয়ে বাঁচানো হয়েছে।

    দাড়ি চুলকে বেঞ্জামিন বেরনানকে বলেন এ তথ্য জানাতে তিনি অক্ষম। 

    নভেম্বর ১৪,২০২২

    পরিশিষ্ট

    অর্থজগতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে যাবার পরে বেরনানকে বলেছিলেন অনুপযুক্ত মানুষদের ঋণ দেওয়ার সঙ্গে অর্থব্যবস্থার সম্পর্ক অতীব জটিল।  সেটা আমি কেন , অন্য কেউই  বোঝেন নি । ***

    একথাটা মেনে নিতে আমার আপত্তি আছে। সাব প্রাইম সঙ্কটের লক্ষণ দেখা দেওয়ার তিন বছর আগে আই আই টি
    দিল্লি  ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিঙের  ছাত্র রঘুরাম গোবিন্দ রাজন এই বিষয়ে যে সাবধানবানী দিয়েছিলেন সেটি শুনে বেরনানকে এবং তাঁর বস গ্রিনস্পান উচ্চ হাস্য করেছিলেন  ( জ্যাকসন হোল, ২৭শে আগস্ট , ২০০৫ )

    ·* Only a strong economy can create higher asset values and sustainably good returns for savers:Ben Bernanke

    ·** There have been three great inventions since the beginning of time: fire, the wheel, and central banking. Will Rogers

    ·*** I and others were mistaken early on in saying that the subprime crisis would be contained. The causal relationship between the housing problem and the broad financial system was very complex and difficult to predict:  Ben Bernanke
     
  • আলোচনা | ১৩ নভেম্বর ২০২২ | ৪৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kishore Ghosal | ১৩ নভেম্বর ২০২২ ১৯:৩২513752
  • খুব জটিল বিষয় - কিন্তু তার মধ্যেও বেশ রহস্যের আভাস দিচ্ছেন। অজ্ঞতাজনিত ভুল, নাকি ইচ্ছাকৃত ভুল - কে জানে? সে রহস্যভেদ করার কথা কেউ কোনদিন চিন্তাতেই আনবে না। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:da38:58ca:19a6:7bbf | ১৩ নভেম্বর ২০২২ ২১:১৫513756
  • ক্ষীণভাবে মনে পড়ছে গ্রিনস্প্যানবাবু একদা বলেছিলেন অ্যাসেট বাবল চিহ্নিত করার কোন উপায় নেই।
     
    সত্যিই কি নেই? ব্যাপারটা কি পর্নোগ্রাফির মত? দেখলে বুঝি কিন্তু সংজ্ঞা দিতে পারিনা।
     
    পর্নোগ্রাফি মনে এল কেননা সাধারণ লোকের ওপরে অ্যাসেট বাবলের অশ্লীল প্রভাব।
  • হীরেন সিংহরায় | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ০২:১৮513764
  • বাবল চেনা বা বেলুন কখন ফুলে ওঠে সেটার ওপর নজর রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থব্যবস্থার অভিভাবকদের দায়িত্ব ( FCA বা SEC)।  আমরা ১৯৮৪-৮৭ সালে ইউরোপ আমেরিকায় রিয়াল এস্টেটের দাম চড়তে দেখেছি।  ১৯৯০-১৯৯৫ পড়তে দেখেছি  নরওয়ে সুইডেনের কথা খুব মনে আছে। । সস্তা সুদের বাজারে (২০০১ থেকে) মর্টগেজ নেবার খদ্দের বাড়ল: কিন্তু মর্টগেজ ব্যাকড সিকিউরিটির উত্থান পতন আমরা দেড় দশক আগে দেখেছি ( সলোমনের লুইস রানিয়েরিকে স্মরণ করুন ) ২০০১ সালে  সেটা অভ্রান্ত হবে এমন মনে করাটা সমীচীন ছিল কি?  না সবাই থালার জলে নাচছিলেন ?  বাবল কেউ কেউ চিনেছিলেন। অনেক আগে। এ নিয়ে পরে বিস্তারিত লেখার বাসনা আছে তবে আপাতত রঘুরাম রাজনের জ্যাকসন হোলের ভাষণ থেকে একটু উদ্ধৃতি দেবার লোভ সম্বরণ করতে পারছি না । 
     
    Certain behaviors can reinforce each other during an asset price boom, when investment managers are willing to bear the low probability "tail" risk that asset prices will revert to fundamentals abruptly, and even write guarantees against it ( গোল্ডম্যান যেটি করেছিল এ আই জির সাহারায় ) while the knowledge that many of their peers are herding on this risk gives them comfort that they will not underperform significantly if boom turns to bust. 
     In an atmosphere of low returns, the desire to goose them up increases. Thus not only does the incentives of some participants to "search for yield" increase in a low rate environment, but also asset prices can spiral upwards, creating the conditions for a sharp and messy realignment.
     
  • dc | 2401:4900:2300:8c85:a96d:e75b:20bf:6edc | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ০৭:২৩513768
  • বাবল চেনার খুব সোজা উপায় আছে। যখন কোন একটা সেক্টরে এক্কেবারে না বুঝে দলে দলে সাধারন মানুষ ইনভেস্ট করতে শুরু করে, তখন বোঝা যায় সেই সেক্টরে বাবল শুরু হয়েছে। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:e3d8:2a68:f696:d498 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৮513769
  • ধন্যবাদ হীরেনবাবু। ধন্যবাদ ডিসি।
     
    আরো একটা কথা পাপ মনে আসে। আমেরিকায় গত তিরিশ চল্লিশ বছর ধরে লেবার প্রোডাক্টিভিটি আর মজুরী বৃদ্ধির মধ্যে একটা পরিষ্কার ডাইভারজেন্স ঘটে যাচ্ছে, যেটা ডিম্যান্ডের জন্য ভাল না। আমেরিকার পলিটিক্সে ফিসকাল স্টিমুলাস দিয়ে ডিম্যান্ড তৈরী করা খুব কঠিন, কেননা পলিটিক্যাল ক্ষমতা যাদের হাতে তারা অনেকেই সাপ্লাই সাইডার। মানিটারি পলিসি দিয়ে অ্যাসেট বাবল মেন্টেন করলে ওয়েলথ এফেক্টের জন্য ডিম্যান্ড বাড়ে। সেই জন্য অ্যাসেট বাবল দেখলেও ফেড চোখ বুজে থাকে। এবারে নেহাত ইনফ্লেশন ঘাড়ের ওপর ভেঙে পড়েছে তাই চোখ বুজে থাকাটা কঠিন হয়ে গেছে।
  • dc | 2401:4900:2300:8c85:c469:bd9f:a535:cc69 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ০৯:০১513770
  • "আমেরিকায় গত তিরিশ চল্লিশ বছর ধরে লেবার প্রোডাক্টিভিটি আর মজুরী বৃদ্ধির মধ্যে একটা পরিষ্কার ডাইভারজেন্স ঘটে যাচ্ছে"
     
    পলিটিশিয়ান, এখানটা বোধায় আরেকটু ব্যাখ্যা করতে হবে। প্রথমে দেখি ননফার্ম প্রোডাক্টিভিটির গ্রাফ, আওয়ারলি রেটেঃ 
     
     
    এবার নীচে দেখুন মেডিয়ান উইকলি রিয়েল ওয়েজ এর গ্রাফ, যা কিনা মোটামুটি আপ ট্রেন্ডিং (কোভিড জনিত স্পাইক ইগনোর করুন)ঃ 
     
     
    অর্থাত প্রোডাক্টিভিটি যেমন বেড়েছে, মেডিয়ান রিয়েল ওয়েজও সেরকম বেড়েছে। কিন্তু রিয়েল মিনিমাম ওয়েজের গ্রাফটা খেয়াল করুনঃ 
     
  • dc | 2401:4900:2300:8c85:c469:bd9f:a535:cc69 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ০৯:১০513771
  • ওপরের গ্রাফগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে প্রোডাক্টিভিটি যে হারে বেড়েছে রিয়েল মিডিয়ান ওয়েজ সেই রেটে না বাড়লেও কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো রিয়েল মিনিমাম ওয়েজ, যা কিনা কমেছে। অর্থাত প্রোডাক্টিভিটি আর ইনকামের ডাইভার্জেন্স সবচেয়ে বেশী হচ্ছে লোয়ার ইনকাম গ্রুপে। মিডিল ইনকাম আর হায়ার ইনকাম গ্রুপের রিয়েল ওয়েজ হয়তো সামান্য এদিক ওদিক হয়েছে, তবে মোটামুটি ২০০৫ এর পর থেকে এই গ্যাপও কমছে। এবার অ্যাসেট বাবল হলো কি না হলো তাতে লোয়ার ইনকাম গ্রুপের কিছু আসে যায় না, কারন তাঁদের সেই ক্রয়ক্ষমতাই নেই। আসল সমস্যা বোধায় এখানে - ফেড বা অন্যান্য থিংক ট্যাংকের পলিসি প্রায় পুরোটাই মিডল বা হায়ার ইনকাম গ্রুপ ফোকাসড। আর লোয়ার ইনকাম গ্রুপের ইনকাম যেহেতু কমছে, তাই মবিলিটি বিটুইন লোয়ার আর হায়ার ইনকামও কমে যাচ্ছে। ডাইভার্জেন্সের ফলে লোয়ার গ্রুপরা অ্যাসেটের ক্রয়ক্ষমতাও হারাচ্ছেন। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:37c8:17e:1527:2af7 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১০:৪৭513774
  • এক, বড়লোকের আয় বা সম্পদ বা সম্পদ বাড়লে সঞ্চয় বা বিনিয়োগ বাড়ে। গরীবের আয় বা সম্পদ বাড়লে তার ভোগব্যয় বাড়ে। অর্থাৎ চাহিদার ওপরে দরিদ্রের আয়ের প্রভাব বেশী।
     
    দুই, ওয়েলথ এফেক্ট দরিদ্র শ্রেণীতে খুব ভালোভাবেই হয়। হাউসিং বাবলের সময় প্রচুর গরীব লোক ডাউনপেমেন্ট না করে বা খুব কম ডাউনপেমেন্ট করে বাড়ি কিনেছিল। সুদও বিভিন্ন কারণে খুব কম ছিল, অন্ততঃ প্রথম কয়েক বছর। বাবলের জন্য বাড়ীর দাম বাড়ায় সেটাকে ইকুইটি ধরে বাড়ীর মালিক ধার করে ভোগব্যয় বাড়ায়।
     
    একই ভাবে মধ্যবিত্ত স্টক বাবলে ওয়েলথ এফেক্টের শিকার হয়।
     
    দুটো একত্র করলে আমার মনে হয় ডিসির তথ্য আমার হাইপোথিসিসকে পোক্ত করছে।
  • dc | 2401:4900:2300:8c85:15e5:534d:fbe1:8101 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১২:২৯513780
  • পলিটিশিয়ানের হাইপোথিসিস সাপোর্ট করার জন্যই তো তথ্য দিলাম! তবে একটা ক্যাভিয়াট অ্যাড করলাম, যে ডাইভার্জেন্স সবচেয়ে বেশী হয়েছে লো ইনকাম গ্রুপে, মিড বা হাইতে সেরকম হয়নি (সেজন্যই মিডিয়ান গ্রাফ দিলাম, মিন গ্রাফ দিলে হাই ইনকাম গ্রুপ পুরোটাই কভার করে দিতো)। 
     
    তবে এখানে একটু আপত্তি আছেঃ "দুই, ওয়েলথ এফেক্ট দরিদ্র শ্রেণীতে খুব ভালোভাবেই হয়। হাউসিং বাবলের সময় প্রচুর গরীব লোক ডাউনপেমেন্ট না করে বা খুব কম ডাউনপেমেন্ট করে বাড়ি কিনেছিল।" আমার মনে হয় এটা এফেক্ট না, এটা কজ। লো ইনকাম গ্রুপের লোকজন কোন কোল্যাটারাল বা ডাউন পেমেন্ট ছাড়া বাড়ি কিনেছিলেন (বা তাঁদের কিনিয়ে দেওয়া হয়েছিল) বলেই হাউজিং বাবল হয়েছিল (অবশ্যই আরও কারন আছে)। মানে যাঁরা সাবপ্রাইম মর্টগেজ লোন দিচ্ছিলেন তাঁরা জেনে বুঝেই দিচ্ছিলেন, স্রেফ বাবল তৈরি করার উদ্দেশ্যে। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:37c8:17e:1527:2af7 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১৭:২৭513784
  • যেহেতু মূল ব্যাপারটা নিয়ে ডিসির সাথে দ্বিমত নেই, তাই খুচরো তর্ক চালিয়ে এই সুতোটা নোংরা করতে চাই না। ফেডের মানিটারি পলিসি ও অ্যাসেট বাবল আমার পেটে পিভ। কাজেই অন্য সূত্রে কখনো না কখনো এই বিষয়ে আবার কথা হয়েই যাবে।
     
    এখন হীরেনবাবুর কথা শুনি। অবশ্যই আমার প্রিয় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে কিছু বলবেন কিনা সেটা ওনার ইচ্ছে।
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:37c8:17e:1527:2af7 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১৭:২৮513785
  • উফ।
     
    পেটে নয়, পেট পিভ। এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বস্তুটা জীবন শেষ করে দিলো।
  • হীরেন সিংহরায় | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১৯:৩৫513789
  • সাব প্রাইম বাবলের হাওয়া দেয় মরটগেজ ব্যাকড সিকিউরিটি, সি এল ও , সি ডি ও। এখানে ইনকাম লেভেল হয়তো জরুরী ছিলো না। খেলা যারা খেলছিলেন ( গোলডমান  বা লেমান ) তাদের রেফারি ফেড নয় এস ই সি। এটা একটু বিশদে লিখি না হয় পরের পর্বে। সংগে থাকুন! 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:37c8:17e:1527:2af7 | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ২০:০৪513790
  • আছি। আপনি লিখুন।
  • dc | 2401:4900:232f:2e86:f465:192:9a9b:6a7d | ১৪ নভেম্বর ২০২২ ২০:১৩513791
  • হীরেনবাবুর সাথে একমত, সিডিও বা সিডিও স্কোয়ারড এর মতো প্রোডাক্টগুলো ২০০৮ এর হাউসিং বাবল এ একটা বড়ো ভূমিকা নিয়েছিল, মূলত রিস্ক ম্যানেজ করতে সাহায্য করেছিল। আর এই রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এর উল্টোপিঠে অবশ্যই ছিল ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিগুলো। 
     
    তবে ভারি মজার কথা হলো, সিন্থেটিক সিডিও কিন্তু আবার বাড়ছে, তবে কিনা এখন এগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে বেস্পোক সিডিওঃ 
     
    Sales of synthetic collateralised debt obligations have increased sharply in 2022, marking a dramatic turnaround in fortunes for this complex corner of credit markets after the global pandemic brought issuance to a standstill.
    Volumes of bespoke collateralised synthetic obligations – a type of synthetic CDO that carves up pools of credit default swaps linked to corporate debt – are on track to quadruple this year to about US$40bn, according to projections from risk and analytics firm Quantifi.
     
     
    পরের পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন