এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  অর্থনীতি

  • অর্থনীতি ও নোবেল পুরস্কার ২০২২ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | অর্থনীতি | ১৫ নভেম্বর ২০২২ | ৫৩৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • অর্থনীতি ও নোবেল পুরস্কার ২০২২
     
    পর্ব ৪
     
    এক । বেরনানকে ও বেলুনওলা 
     
    পাঁচ বছর যাবত ষ্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার জলপাইগুড়ি থেকে শ্যামবাজার হয়ে কলকাতা মেন ব্রাঞ্চ অবধি যে ব্যাংকিং দেখেছি  ও সম্ভবত শিখেছি  ইউরোপে এসে সেটা খানিকটা গুলিয়ে গেলো । সেখানে  কর্পোরেট ঋণ দেওয়া হতো সুরক্ষার বিনিময়ে – আপনার কারখানা বা অফিস,  মেশিন,  গাড়ি,  নিদেন পক্ষে আপনার কোন ধনী  মাতুলের গ্যারান্টি। ১৯৭৪ সালে শ্যামবাজার ব্রাঞ্চে দু হাজার টাকার একটি ঋণের জন্য ঋণগ্রহীতার দাদার ( তিনি গান শেল কোম্পানিতে কাজ করতেন ) ব্যক্তিগত মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয়েছিল। জার্মানিতে দেখা গেলো সে রকম কোন জটিলতা নেই – আপনার ব্যবসার মডেল, অতীতের ইতিহাস এবং ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি জর্ডান নদীর জলের মতন পবিত্র মনে করে কোষাগারের দ্বার খুলে দেওয়া হতো । কোম্পানির নগদ স্রোত ( ক্যাশ ফ্লো) থেকে শোধ হবে ঋণ। ষ্টেট ব্যাঙ্কের শিক্ষা কালে ব্যাঙ্কার / মক্কেল সম্পর্কে  ( Banker Customer Relationship ) সচেতন করা হয়েছে - মক্কেলকে চেনো , জানো ।  যেদিন আপনি ঋণ নিলেন সেদিন থেকে তা শোধ হওয়া অবধি আপনি আমাদের সঙ্গে শুধু জুড়ে রইলেন না , আমাদের চোখে চোখে রইলেন। আপনার ব্যবসা বাণিজ্যে , কর্তব্য কর্মে সাফল্য আমাদের নিশ্চিত করে এ টাকা মার যাবে না।  বরং আপনার জমা করা সুদের পয়সায় ব্যাঙ্কের বাজেট সুরক্ষিত হবে। আপনি ঋণ নেবেন আমরা দেবো – আমাদের বন্ধন অটুট। আপনি টাকা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত।
     
    ব্যক্তিগত ঋণের ব্যাপারে অবশ্য ষ্টেট ব্যাঙ্কের শিক্ষা ইউরোপেও সম্যক প্রযোজ্য ছিল । জার্মানিতে বা ইংল্যান্ডে ফ্ল্যাট বা বাড়ী কেনার সময়ে আমার চাকরির প্রমাণ পত্র, মাসিক বেতনের সাবুদ, আয়কর সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, অন্যান্য স্থাবর /অস্থাবর সম্পত্তির বিশদ বিবরণের  অরিজিনাল দেখিয়ে ফোটো কপি সমর্পণ করতে হয়েছে।  প্রতি মাসে আমার ই এম আই কাটা গেছে ব্যাঙ্ক আকাউনট থেকে।  একটির বেশি ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক আকাউনট থাকাটা সে আমলে অবাঞ্ছিত ছিল। আটের দশকে লন্ডনে ব্রিটিশ ব্যাঙ্ক কর্মীদের একমাত্র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউনট  সেই ব্যাঙ্কে থাকাটা আবশ্যিক ছিল – তাঁদের কর্মদাতা শ্যেন দৃষ্টি রাখতেন কর্মচারীদের  আর্থিক অবস্থার ওপরে , সে রেসের মাঠে টাকা ওড়াচ্ছে কিনা জানা দরকার। সিটি ব্যাঙ্ক এই আনুগত্য দাবি করে নি।  তার প্রধান কারণ পাঁচ হাজার লোকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউনট বজায় রাখার ঝক্কি নেবার উৎসাহ তাদের ছিল না । আমার বেতন জমা হয়েছে ব্যাঙ্কে , ই এম আই গেছে সেখান থেকে - জার্মানিতে ড্রেসনার, ইংল্যান্ডে কুটস ব্যাঙ্কে ধার সম্পূর্ণ শোধ হওয়া অবধি। ।
     
    আমেরিকান রিটেল ব্যাংকিঙের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হলো ১৯৯৬ সালের অক্টোবর মাসে, অরলান্ডো এয়ারপোর্টে। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ সুইজারল্যান্ডের পল স্টারলিং এর প্ররোচনায় ট্যাম্পা , ফ্লোরিডায়  একটা কনফারেন্সে যাবার পথে অরলান্ডো থেমেছি।  দীর্ঘদিনের বন্ধু পল বলেছিল ফ্লোরিডায় বাড়ী ঘরের দাম কম , ভাড়া দেওয়া সহজ। চলো একবার না হয় আমরা দেখে যাই ঘটনাটা কি । কিছু নির্মীয়মাণ  বাড়ী দেখলাম – ওই যে রকম হয়, তিনটে শোবার ঘর,  তিনটে বাথরুম,  সুইমিং পুল । দাম সওয়া লাখ ডলার ( আজকের হিসেবে এক কোটি টাকা)। সে আমলে লন্ডন কেন, দূর কেন্টের গ্রামে একটা তিন কামরার ফ্ল্যাটের দাম এর চেয়ে বেশি।  রাজি হতে বেশি সময় লাগে নি। পল পরে ভেবে দেখবে জানাল ।
     
    যারা আমাদের বাড়ি ঘর  দেখালো  তারা প্রায় সবাই লিভারপুলের  লোক- কোন না কোন কাজের সূত্রে ফ্লোরিডা  আসে, স্যাঁতসেঁতে লিভারপুলে আর ফেরে নি । ফাইনান্সের কি হবে ? বিল বললে তা  নিয়ে মোটে ভেবো না । সে ব্যবস্থা এখানেই হয়ে যাবে তবে একটু মুশকিল আছে। আমরা যার সঙ্গে কাজ করি,  ম্যাট , সান ট্রাস্ট ব্যাঙ্কের লোন অফিসার আজ এখানে নেই । কাল শারলট থেকে ফিরবে ।
     
    ‘আমাকে যে আগামীকাল দুপুরে ট্যামপা যেতে হবে’।  
     
    ‘কটার ফ্লাইট?
     
    ‘এগারোটা ‘।
     
    ‘ম্যাট নটা নাগাদ পৌঁছুবে। তুমি একটু আগে এয়ারপোর্ট চলে যাও । ওখানেই বসে ম্যাটের সঙ্গে সব কথা বার্তা বলে নেবে । একটা কাজ করে রাখো – তোমার লন্ডনের ব্যাঙ্কারকে বলো একটা স্টেটমেন্ট অরলান্ডোর হোটেলে ফ্যাক্স করে দিতে।   ড্রাইভিং লাইসেন্স আর পাসপোর্ট তো আছেই । ব্যস ‘
     
    পরবর্তী কাহিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। এয়ারপোর্টে আমার মতো বিভ্রান্ত এক বাঙালিকে চিনে নিতে ম্যাটের কোন অসুবিধে হয় নি  ।এক কাপ কফি নিয়ে বসলাম । বেতনের প্রমাণ স্বরূপ ব্যাঙ্কের ফ্যাক্স তার হাতে দিয়েছি। । তার ব্যাগ থেকে একটা ফর্ম বের করে  আমার পাসপোর্ট দেখে  ম্যাট দ্রুত হাতে সব খোপে খোপে যা লেখার লিখে ফেলল । তারপরে বললে আমাদের ব্যাঙ্কে তোমার একটা অ্যাকাউনট খুলতে হবে।  আজ তো সময় নেই, ডাকেই খুলে দেওয়া যাবে। তোমার পাসপোর্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স আমার দেখা হয়ে গেছে। আর হ্যাঁ ,অ্যাকাউনট খুলেই পাঁচ হাজার ডলার জমা করে দিও।  সেটাই  তোমার ডাউন পেমেন্ট।
     
    ‘মানে লোন মঞ্জুর? ‘   
     
    ‘কনসিডার ইট ডান । এখানে সই করো ‘ ।
     
    কে ও আই সি , মানি লনডারিং? আমি কোথাকার পাল দাস হরি,  জন্মে ভারতীয়, ব্রিটিশ পাসপোর্ট মাত্তর তিন বছরের পুরনো ,  বিবাহ বিচ্ছিন্ন, মাসোহারা দিতে হবে আজীবন , দুটি সন্তান। যে আমেরিকান ব্যাঙ্কে কাজ করি সেখানে এক মাসের নোটিসে কাজ  চলে যেতে পারে।  কিন্তু সান ট্রাস্ট ব্যাঙ্ক , ফ্লোরিডা অকুতোভয় ।
     
    কারণ ? কারণ আমার  অরলান্ডো সম্পত্তির টিকিটি তার  হাতে বাঁধা । আমি  পালালে তো ২৩০ বে মেডো ড্রাইভ , কিসিমি , অরলান্ডো , এফ এল ৩৪৭৪৬  কোথাও পালাবে না । আজ কিনেছি  ১২৫,০০০ ডলারে , ব্যাঙ্ক দিয়েছে ১২০,০০০ । অচিরেই তার মূল্য বাড়বে । সেটি বেচে ব্যাঙ্ক ধার শোধ করে নেবে। ম্যাটের বোনাস ঠেকায় কে।
     
    আমার ভারত , জার্মানি,  ইংল্যান্ডে শেখা ব্যাকিং পাঠ -খদ্দেরকে চেনো, তার খানা তল্লাশি করো, মাঝে মধ্যে ব্যাঙ্কে ডেকে খবরাখবর নাও এসবই অবান্তর গল্প। আমি মূর্খের মতো ভাবি এটা আমার বাড়ি  – যতদিন না ধার শোধ হয়, এটা আসলে ব্যাঙ্কের বাড়ি । ব্যাঙ্ক ধার দেয়  না, কেনে একটা সম্পত্তি যার দাম বাড়ে প্রতি দিন। তার জন্য আবার মাসে মাসে সুদ পায়, একদিন সেই পুরো ১২০,০০ ডলার ফেরত পাবে। 
     
    আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ বাসভবনের প্রয়োজন । বাড়ি  জমির দাম কখনো কমে না।
     
    লাভ শুভ । শুভ লাভ।
     
    পরবর্তী দশ বছরে আমি মাসিক ই এম আই পাঠিয়েছি ছটি বিভিন্ন আমেরিকান ব্যাঙ্ককে। ফ্লোরিডা সান ট্রাস্ট আমার বাড়ির বন্ধক অন্য ব্যাঙ্ককে বেচে দিয়ে আরও কোন দাড়িওলা বিদেশির সন্ধানে অরলান্ডো এয়ারপোর্টে ঘোরাঘুরি করছে। ধার যে দিচ্ছে আর যে নিচ্ছে তাদের যোগসূত্র বিচ্ছিন্ন হলো । ব্যাংকার মক্কেল সম্পর্কের ইতি।
     
    অন্ধমুনির মতো বসে রইলেন ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ কর্তা , ফেডারাল রিজার্ভ,  এস ই সি ( সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন) । বেঞ্জামিন শালোম বেরনানকে বললেন , সম্পত্তির দাম বাড়বে , সেটাই তো সফল অর্থনীতিক উন্নয়নের লক্ষণ ।  ঝুঁকির সঠিক অনুমান করার বুদ্ধিবত্তা ব্যাঙ্কারের আছে । এখানে আবার  খবরদারির কি প্রয়োজন ? মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ( ২০০২)।
     
    এবার আর একটা নয়, হাজার হাজার বাড়ি নিয়ে বন্ড বানানোর খেলা শুরু হবে । সি ডি ও  সি এল ও ।
     
    আমার সেই বাড়ি কেনার এগারো বছর বাদে ধুরন্ধর ওয়াল স্ট্রিট ব্যাঙ্কাররা ব্যাংকিং ব্যবসা চৌপট করে দেউলে হয়ে মহামান্য আমেরিকান সরকার মতান্তরে মূর্খ আমেরিকান করদাতাদের কাছে হাত পেতে বললেন, ’ ভুল হয়ে গেছে সার,  আর হবে না। আমাদের লোকসানটা আপনারা হজম করে নিন। তবে আমাদের দোকান বন্ধ হলে গোটা দেশ কেন , সারা পৃথিবীর ব্যাংকিং ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হবে । একটু ভেবে দেখবেন “।  
     
    দিব্যজ্ঞান আমার নেই, দূরদৃষ্টি তো নয়ই । ১৯৯৬ সালের অক্টোবর মাসে অত্যন্ত সহজে নির্মীয়মাণ বাড়ী কেনার জন্যে ধার পেলাম। পরে মনে হয়েছে  সেটা বিশাল নিওন আলোতে লেখা আমেরিকান মর্টগেজ ব্যাংকিং ব্যবস্থার অদূরদৃষ্টির সবুত।
     
    তাহারে বধিবে যে, ম্যানহাটানে বাড়িছে সে।
     
    ( পরের পর্বে )
     
    নভেম্বর ১৫ , ২০২২
     
     
  • আলোচনা | ১৫ নভেম্বর ২০২২ | ৫৩৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    থ: ! - Bitan Polley
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:8737:dd10:f6b6:fae8 | ১৫ নভেম্বর ২০২২ ২০:৪৬513814
  • বেশ লাগছে। পরের কিস্তি আসুক।
  • Amit | 110.174.140.201 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০২:২১513819
  • ফ্লোরিডায় বাড়ির দাম ১২৫০০০ হলে ১২০০০০ লোন দিয়ে দিতো ? মানে প্রায় ৯৫ % ? কোনো মর্টগেজ ইন্সুরেন্স ছাড়াই ? বাপরে। এখন যে দেশে আছি ৮০% এর বেশি দিতেই চায়না। ছোট শহর হলে দাম পড়ার রিস্ক থাকলে আরো অনেক কম। 
    আম্রিগায় বড়ো শহর গুলোতে এখন কি ট্রেন্ড ? ২০০৮ এর পরে নিশ্চয় পাল্টেছে ?
  • dc | 2401:4900:1cd0:83e1:79ca:ad7d:2882:5a3 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৭:৫০513820
  • "আজ কিনেছি  ১২৫,০০০ ডলারে , ব্যাঙ্ক দিয়েছে ১২০,০০০ । অচিরেই তার মূল্য বাড়বে । সেটি বেচে ব্যাঙ্ক ধার শোধ করে নেবে"
     
    এটা ছিল ২০০৮ এর আগে ব্যাংকদের চিরাচরিত রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট। তার কারন ২০০৭ এর আগে কখনো মিডিয়ান প্রাইস বড়োরকম ফল করেনি। 
     
    "বেঞ্জামিন শালোম বেরনানকে বললেন , সম্পত্তির দাম বাড়বে , সেটাই তো সফল অর্থনীতিক উন্নয়নের লক্ষণ ।  ঝুঁকির সঠিক অনুমান করার বুদ্ধিবত্তা ব্যাঙ্কারের আছে । এখানে আবার  খবরদারির কি প্রয়োজন ? মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ( ২০০২)"
     
    আর এই হলো ২০০৮ এর সূচনা, যখন ওয়াল স্ট্রিটে লেয়ারড ইন্স্ট্রুমেন্টস ভয়ানক ভাবে বাড়তে শুরু করলো। 
     
    আমেরিকায় মিডিয়ান হাউসিং প্রাইসের গ্রাফটা দেখা যাকঃ 
     
  • dc | 2401:4900:1cd0:83e1:79ca:ad7d:2882:5a3 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৭:৫৬513821
  • গ্রাফের শেষটা লক্ষ করুন, ২০২০ এর পর স্পাইকটা দেখে কি আরেকটা হাউসিং বাবল মনে হচ্ছে না? laugh
     
    বিটিডাব্লু, ক্যাগল এ এখন একটা ডেটা কমপিটিশান চলছে আমেরিকান হাউসিং প্রাইস নিয়ে। কেউ চাইলে সেখান থেকে ডেটাসেটটা নামিয়ে R এ নানারকম মজার অ্যানালিসিস করতে পারেন, হাউসিং বাবল সংক্রান্ত অ্যানোমালি আরও পরিষ্কার হয়ে যাবে।  
  • Amit | 121.200.237.26 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৫513822
  • প্রশ্নটা আদৌ বাড়ির দামের ট্রেন্ড নয়। বাড়ির দামের কতটা এখন ইউএস ব্যাঙ্কগুলো অন এভারেজ %- মর্টগেজ লোন ডিসবার্সমেন্ট করে সেটা নিয়ে ছিল। 
  • dc | 2401:4900:1cd0:83e1:79ca:ad7d:2882:5a3 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৪৭513823
  • না, বাড়ির দাম অবশ্যই প্রধান ভেরিয়েবল। বাড়ির দাম হলো আন্ডারলায়িং অ্যাসেট বা বাবল ইন্ডিকেটর। মর্টগেজ ওই দামের একটা পার্সেন্ট আর বাড়ি হলো কোল্যাটরাল, কাজেই বাড়ির দামের ট্রেন্ড হলো আন্ডারলায়িং ইন্ডিকেটর। সেই বেসিসেই ফিনান্সিয়াল প্রোডাক্ট বাননো হয়। 
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::a:52e4 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৫৬513824
  • বাড়ির দামের মাত্র ৩% (এটাই বোধয় মিনিমাম) দিয়েও কেনা যায়। বাকীটা লোন। তবে ৮০%এর বেশি অ্যামাউন্টের উপরের লোনে অনেক বেশি ইন্টারেস্ট দিতে হয় আর ইনসিওরেন্স কিনতে হয়।
  • Amit | 121.200.237.26 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৯:১৮513825
  • করেক্ট। এটাই জিজ্ঞাস্য ছিল। সেক্ষেত্রে হাইয়ার ইন্টারেস্ট রেট আর ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম হচ্ছে নন-এলিজিবল কাস্টমার ডিটেরেন্স ফ্যাক্টর্স আর ব্যাঙ্কের নিজের রিস্ক রিডাকশন। তাহলে ঠিকই আছে। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:aa4d:3a9f:5b9:3893 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৯:৩৫513826
  • ডেটারেন্স যে কাজ করেনি সেটা 2008 এ একবার দেখা গেছে। আগামীতে আর একবার দেখা যাবার সম্ভাবনা।
     
    বাবল পরিস্থিতিতে এসব ডেটারেন্স কাজ করেনা। অনেক কারণ। একটা হল ক্রেতা বাস করার জন্য বাড়ি কেনেনা। বাড়ি কেনে দু এক বছর বাদে দাম বাড়লে বিক্রি করে দিয়ে লাভ করবে বলে। এক বছর একটু বেশী সুদ দিলেই বা কি এল গেল।
     
    আপনি বোধহয় হাউসিং বাবল দেখেন নি। আমি চোখের সামনে দেখেছি। লোকে নিম্নমধ্যবিত্ত থেকে কোটিপতি থেকে ভিখারী হয়ে গেল এই বাড়ি বিক্রি করে বড়লোক হবার চক্করে।
     
    এছাড়াও অনেক লোক জাস্ট ব্যাংক কি আর না ভেবে দিচ্ছে? যখন দিচ্ছে আমার নিশ্চয়ই শোধ দেবার ক্ষমতা আছে। তারপর তাদের বাচ্চাদের আমার বাচ্চাদের সাথে খাওয়াতে হত।
     
    হীরেনবাবু যেটা বলেছেন, ব্যাংকারের সাথে ধার যারা নেবে তাদের যোগাযোগ কেটে গিয়েছিল। ব্যাংকাররা এইসব মেকানিজম জানত না।
    • Amit | 121.200.237.26 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ০৯:১৮513825
    • করেক্ট। এটাই জিজ্ঞাস্য ছিল। সেক্ষেত্রে হাইয়ার ইন্টারেস্ট রেট আর ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম হচ্ছে নন-এলিজিবল কাস্টমার ডিটেরেন্স ফ্যাক্টর্স আর ব্যাঙ্কের নিজের রিস্ক রিডাকশন। তাহলে ঠিকই আছে। 
  • Amit | 121.200.237.26 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৩৪513827
  • কিন্তু কথাটা হলো ১০০-% রিস্ক ফ্রি এন্ড ফুলপ্রুফ সিস্টেম কি আছে কোথাও ? বা বানানো সম্ভব ? ব্যাঙ্ক যেটা করছে এখন ৮০-% একটা সেফ লিমিট রাখছে। বাকি ২০ % জোগাড়ের দায়িত্ব গ্রহীতার। সেক্ষেত্রে হাউসিং বাবল বাস্ট করলেও যদি ড্রপ ২০ % এর কম থাকে , ব্যাঙ্কের টাকা সেফ। 
     
    বাকিদের ক্ষেত্রে একেবারে সোজা না বলার বদলে হাইয়ার ইন্টারেস্ট , ইন্সুরেন্স এসব ডিটেরেন্স আনছে। কিছুটা হাই রিস্ক ফাটকা তো সবাই খেলে। লোকে শেয়ার এ পয়সা ঢালে ক্রিপ্টো তে ঢালে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এ ঢালে ইভেন আইপিএল জুয়ায় ঢালে বা লটারি কাটে। এসবই পুরো হাই রিস্ক গ্যাম্বল। যদি আমি ১০০ টাকা খোয়াতে রাজি থাকি আর ম্যানেজ করতে পারি - নো প্রব্লেম। এবার সাধ্যের বেশি খেললেই বিপদ। সেই শক আবশ্র্বিং ক্যাপাসিটি থাকবে না।  
     
    একটা কোশ্নো : এমন কি কোনো ফেডারেল রেগুলেশন আছে যাতে ব্যাঙ্কের বা ফিনান্স ইন্সটি গুলোর হাই রিস্ক লোনের রেশিও ওভারঅল লোনের একটা % লিমিট থাকে ? অথবা বেশি হাই রিস্ক লোন অন্য কোনোভাবে (ইন্সুরেন্স এটিসি) নিয়ে মিটিগেট করা যায় ? 
     
    মানে ৮০-৯০ % লোন হাই রিস্ক ক্যাটেগরিতে থাকলে বাবল বাস্ট হলে তার লালবাতি জ্বলার চান্স স্টেট ব্যাঙ্কের চাইতে নিশ্চয় বেশি। সেসবের কোনো রেগুলেশন এসেছে কি পোস্ট ২০০৮ ? 
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::57:6653 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১১:২৬513828
  • ব্যাসেল ৩ তে রিস্ক অ্যাডজাস্টেড ক্যাপিটাল রিকোয়ারমেন্টের কথা বলা হয়েছে। দুটি ব্যান্ক। একটি ব্যান্ক অন্যটির তুলনায় ভালো ক্রেডিট স্কোর ওয়ালাদের লোন দেয়। তাহলে প্রথম ব্যান্কটিকে কম ক্যাপিটাল রাখতে হবে। সহজ করে বললাম।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::32:684d | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১১:৩৯513829
  • হাউসিং বাবল, সাবপ্রাইম লেন্ডিং, সিকিউরিটাইজেশান, টেকনলজি, সোভিয়েতের পতন বহু বহু ফ্যাক্টর আছে।

    ১) তেলের দাম বাড়াতে দুনিয়ার ওয়েল রীচ ইনভেস্টররা সেফ হেভন খুঁজছিলো। আমেরিকার হাউসিং মার্কেটে তারা সেটা পেয়েছিলো। একমাত্র অ্যাসেট যেটা তার আগের পন্চাশ বছর নীচে নামেনি। অন্তত সেইসব বলে তাদেরকে নিয়ে আসা হয়েছিলো।

    ২) ক্লিন্টন চেয়েছিলো হাউসিং সেগ্রিগেশান কমাতে। তাই ব্যান্কদের বলেছিলো কম ক্রেডিট স্কোরের কাস্টমারদের (মাইনরিটিদের) সহজে লোন দিতে।

    ৩) সিকিউরিটাইজেশনের ফলে ১ নম্বরের ইনভেস্টাররা কোনও ফিজিকাল অ্যাসেট না কিনেও আমেরিকার হাউসিং মার্কেটে ইনভেস্ট করতে পারছিলো। অন্যদিকে ব্যান্কগুলো যারা ২ এর কারণে সাব প্রাইম লেন্ডিং করছিলো, তারা বড় অংশের লোন বিক্রি করে দিচ্ছিলো। ফলে রিস্ক অন্যের কাছে চলে যাচ্ছিলো।

    ৪) সোভিয়েতের পতনের পরে একগাদা অন্ক জানা লোকজন লন্ডন আর নিউ ইয়র্কে বাসা বাঁধে। অন্যদিকে টেকনলজি উন্নত হওয়ায় স্ট্যাটিসটিকাল সফ্টওয়ারগুলো পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। ঐ অন্ক জানা লোকগুলো ফাইনান্সিয়াল ডেটা অ্যানালাইজ করতে শুরু করে। ফলে সিকিউরিটাইজেশান করা মুড়ি মুড়কি হয়ে যায়।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::57:d3d2 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১১:৪০513830
  • একটু নাটকীয় করে লিখলাম।
  • হীরেন সিংহরায় | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৩:২৪513832
  • আপনাদের সকলকে অজস্র ধন্যবাদ জানাই। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত মন্তব্য :
     
    ১। ১৯৯৬ সালে ৫% আপন হিস্যা জমা করেছিলাম ফ্লোরিডায় । তারপরে বাড়ি কেনা বন্ধ ।  তাই বর্তমানের কথা বলতে পারি না । নগদে জমি কিনেছি বিভিন্ন রাজ্যে । প্রসঙ্গত , জমি তুলনামূলক ভাবে সস্তা ( মিসৌরিতে পনেরো একর জমির দাম আমাদের হিসেবে ২৫ লক্ষ টাকা)
    ২। আমার ইউরোপীয় অভিজ্ঞতায় বাবল দেখেছি বহুবার যখন  আয়ের তুলনায় বাড়ির দাম দুর্বার বেগে বেড়েছে এক সময়ে বুদ বুদটি ফাটে । যেমন নরওয়ে (১৯৮৮-৯০) তেলের দাম বাড়ায় হঠাৎ রাজাদের স্বপ্ন চুরমার হল যখন এক ব্যারেলের দাম ১০ ডলার ! আয়ারল্যান্ড ২০০২-২০০৬ – আপনি বাড়ির  ধার নিতে গেছেন , ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বললে দাম কতো বললেন , দু লক্ষ ইউরো ? আপনি দু লাখ বিশ হাজার নিন, ফার্নিচার কিনতে হবে না ? হল্যান্ডে এই হয়েছে ১৯৯০ সালের পরে। স্পেনে এই কিস্যা চলল বছর পনেরো – শেষ দিকে মাদ্রিদের কাছে একটি ভুতুড়ে শহর তৈরি হল, এবং এয়ারপোর্ট সেখানে কেউ বাস করে না।  ইউ কেতে ৯৫% দেখেছি  ২০০৮ অবধি। এখন নিজের  বাসের বাড়ি  হলে ৮৫ কেন ৯০% পাবেন ভাড়া দেবার জন্যে কিনলে ৭৫% এর বেশি পাওয়া শক্ত। ইন্সিউরেন্স দেখি নি।
    ৩। এই মুহূর্তে বাড়ির দাম হু হু করে বাড়ছে এবং  বাবল শঙ্কার ঘণ্টি বাজিয়েছে  কয়েকটি দেশে তার কারণগুলো প্রায় একই ধরণের –  ব্যাঙ্কের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ বেড়েছে ( ক্রেডিট কোয়ালিটি ভুলে), আয়ের তুলনায় বাড়ির মূল্যবৃদ্ধি বহুগুণ বেশি ( তবে মনে রাখা দরকার এগুলি শহর কেন্দ্রিক, সামগ্রিক নয় ):
    অস্ট্রিয়া বেলজিয়াম ডেনমার্ক ফিনল্যান্ড সুইডেন নেদারল্যান্ড স্লোভাকিয়া এষ্টোনিয়া , এমনকি লুক্সেমবুরগ !
    প্রায় সর্বত্র পারিবারিক ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি
     
    ৪। লন্ডনে  অনেক সময়ে মনে হয়েছে দাম বড্ড বেশি , কে কিনবে ? দু বছর বাদে দেখেছি আরও বেড়েছে কিন্তু এই বুড়ী ছোঁয়ার খেলা দীর্ঘদিন চলতে পারে না ।  দাম কমে। । ১৯৮৭-৯০ এবং ১৯৯৫-২০০ সালে তাই দেখেছি হ্যাম্পষ্টেডে এক লাখ পাউনডের কমে ফ্ল্যাট পাওয়া যেতো। আজ বড়ো বেশি রাশিয়ান এবং আরব টাকা এস দাম বাড়াচ্ছে – সেটা লন্ডনে সত্য , নিউ ক্যাসেলে নয়।
     
    ২০০৮ সালের বাবল ফাইনানশিয়াল এঞ্জিনিয়ারদের তৈরি -তাই তার ফল হয়েছে মেগাতন বোমার মতন। নইলে বাবল চিরজীবী তার বিনাশ নেই। 

     
  • বাবল | 42.110.145.123 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৫:০৫513833
  • ওসব ফাইন্যান্স এর ম্যানেজমেন্ট পড়া শিলু ( শিক্ষিত লুক) আর বদমাশ ব্যাংকার দের সৃষ্টি করা আর্টিফিশিয়াল বাবল।
    দশ পনের বছরের লিজ ভিত্তিক চুক্তি হোক।
    আর বিল্ডার এর ওপর দায়িত্ব দিক ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম ভরার।
    লোন সময় মতো পে না করলে,ইন্সুরেন্স কোম্পানী দেবে।
    ব্যাংকার কে বোনাস না দিয়ে, বেতন ভুক কর্মী করে দিক।
    সব বাবল ঠান্ডা হয়ে যাবে।
  • dc | 2401:4900:1cd0:83e1:79ca:ad7d:2882:5a3 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৫:৫২513834
  • হ্যাঁ, ২০০৮ এর বাবল এর একটা বড়ো কারন ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং খুব হাই লেভেলে চলে গেছিল, যার ফলে রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছিল। আর ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে আন্ডারলাইং অ্যাসেট এর থেকে সিন্থেটিক ইন্সট্রুমেন্ট এর অনেক বেশী দূরত্ব হয়ে গেছিল। যে ব্যাংক লোন দিচ্ছিল সেই ব্যাংক অন্যকে তার রিস্ক বিক্রি করে দিচ্ছিল, সেই অন্যজন আবার ডাউন দ্য লাইন রিস্ক শিফট করে দিচ্ছিল। ফলে ব্যাংকের তরফে প্রচুর সাবপ্রাইম লোন দিতে কোন বাধা ছিল না। 
     
    হীরেনবাবুর বাবল চিরজীবী হওয়া নিয়ে একমত, বিভিন্ন অ্যাসেট বাবল তৈরি হয়েছে আর কোল্যাপ্স করেছে, এর কোন শেষ নেই। এই দেখুন ইনভেস্টোপিডিয়ার একটা আর্টিকেল, অ্যাসেট বাবল নিয়েঃ 
     
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:fd34:7f61:cd98:dc46 | ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৯:৫৮513838
  • হীরেনবাবু, 2008 এর বাবল অন্য বাবলগুলোর থেকে কেন আলাদা সেটা আমাদের জন্য একটু বুঝিয়ে বলুন প্লিজ।
     
    2008 এ যা হয়েছিল সেটা কি আবার হতে পারে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন