এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • পীরিতি কাঁঠালের আঠা

    Arundhati Sarkar Santra লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ১২ জুন ২০২২ | ৫৫৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • এক একটা খদ্দের বড্ড বিরক্ত করে। সেই সেম কালারে অন্য ডিজাইন আর সেম ডিজাইনে অন্য কালার কেস। একটা ছাপা শাড়ি কিনতে এসে হাজারটা দেখবে। নেড়েচেড়ে ঘেঁটে দেখে শেষে সেই প্রথমে দেখানো একটা শাড়ি নিয়ে হাসি হাসি মুখে বলবে, "ফাস্টেই এটা চোখে নেগে গেছলো গো সমরদা"।সমর অবশ্য বিরক্ত হয় না। সবাইকেই সে পছন্দ মত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখায়। খরিদ্দার খুশি হয়, কিছু না কিছু কিনেই ফেরে।কমদিন তো আর সমর দোকানে বসছে না। প্রায় সতের আঠারো বছর হবে। তখনো মাধ্যমিক দেয়নি সেই সময় থেকেই বাবার সঙ্গে দোকান সামলাচ্ছে। সমরের বাবা সুধীরবাবু অবশ্য ছিলেন পাকা দোকানদার।সেই সময়ে বেশ কষ্ট করেই দোকানটা চালু করেছিলেন সুধীরবাবু। বাবাই বলতো, 'দেখবি যে খদ্দের নানান রকম দেখছে, এটা হাঁটকাচ্ছে, ওটা টানছে আসলে সে নেবার সময় মাথা গুলিয়ে ফেলবে। ওই রকম খদ্দেরকেই বেশি দামে মাল গছানো যায়। আর যে এসে দু একটা দেখেই পছন্দ করে ফেলল, সে হল সেয়ানা খদ্দের। এইরকম লোকে কোয়ালিটি যাচায়। বুনোট ঠাসা কিনা? রং পাকা হবে কিনা? এইসব হাজার ফ্যাচাং তুলবে। এদের সঙ্গে বুঝেশুনে কারবার করবি।'তবে সমর এতশত ভেবেচিন্তে ব্যবসা করেনা। মানে করার প্রয়োজন পড়ে না আরকি। সমরের ব্যবসা বেশ রমরমিয়ে চলছে। দোকানের লোকেশনটাও বেশ ভালো। এই গঞ্জশহরের বাজারের একেবারে মাঝ মধ্যিখানেই সমরের 'সুধাময়ী বস্ত্রালয়'। শহরে যাবার একমাত্র হাইওয়েটাও এই বাজারের মধ্যে দিয়েই গেছে। তাই আশেপাশের চার পাঁচটা গ্রামের লোক বাস ধরতে গেলেও এই বাজারে বাসস্ট্যান্ডেই আসতে হয়। আর আসলেই চোখে পড়ে বাজারের মাঝখানে সমরের চালু দোকান। এসব গ্রামের কটা লোকই বা কেনাকাটা করতে বউ বাচ্চা নিয়ে শহরে যায়? বেশিরভাগ লোকের সামর্থ্য নেই, আবার কিছু জনের ইচ্ছে নেই। তাই গাঁয়ের লোক সুধাময়ী বস্ত্রালয়েই আসে। বাবার আমলের গুডউইল তো ছিলই আর এখন দুধের ওপর সরের মত যোগ হয়েছে সমরের ব্যবহার। সমরের মতে ব্যবসার আসল মূলধন হল ভালো ব্যবহার। দুটো কথা হেসে বললে যদি কাস্টমার ফিরে ফিরে আসে তাহলে ক্ষতি কি? মোটের ওপর ব্যবসা ভালোই চলছে।সমরের দোকানের শাড়ির স্টকও বেশ ভালো। বিশেষত তাঁতের শাড়ির। বাবার সঙ্গে সঙ্গে সেই ছোটবেলা থেকেই চলে যেত ধনেখালি, শান্তিপুর, সমুদ্রগড়। ডুরে, চেক, পাছাপেড়ে, চওড়া জড়ির কাজ, সব অনেক খুঁজে নিয়ে আসত দুজনে। বাবা মারা গেছেন কিন্তু এখনও সমর কাপড় বেছে বেছেই রাখে। মেরুন পাড় কমলা তাঁতে জরির চেক, ক্রিমরঙা জমিনে অ‍্যাপ্লিকিয় লাল পাখির উড়ান, নীলক্ষেতে জড়িবুটির জামদানি বা সবজে জমিতে রানীরঙের ফুলকারি, এসব সুধাময়ী বস্ত্রালয়েই পাওয়া যায়। বাঁধা তাঁতী ছাড়াও তাই সমর আশেপাশের হাটগুলোতে মাঝেসাঝেই চলে যায়। কোথাও যদি ভালো শাড়ি মেলে।এইরকমই একটা কোন একটা হাটে সবিতাকে দেখেছিল সমর। লাল, নীল, সবুজ, হলুদ সায়া, শাড়ি ব্লাউজের গাদার পাশে সবিতার গায়ের চেকনাই কালো রংটা সমরকে যেন চুম্বকের মত টেনেছিল। এর মত কাউকে কি আগে কখনও দেখেনি নাকি সমর? অনেক দেখেছে। তার দোকানেই তো নিত্যিদিন নানান মেয়েমানুষের আনাগোনা। মাও ঘটককে বলে হরহপ্তায় একটা না একটা ছবি জোটায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ তো বেশ চোখে ধরার মত। কিন্তু সমর যেন কখনোই মনস্থির করে উঠতে পারেনি। কোন কারণে তাদের মনে ধরেনি, নাকি নিজের ওপরেই আস্থা নেই কে জানে?কিন্তু এই মাছিওড়া ভিনভিনে গরমে, রংমিলান্তি কাপড়ের হাটে সবিতার পুরুষ্ট বুক, কোমরের ভাঁজ, একটা পা একটু তুলে দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গি সব মিলিয়ে সমর যেন আর চোখ ফেরাতে পারছিলনা।সায়াবেচা লোকটার সঙ্গেই ছিল সবিতা। লোকটার কাছে আগেও মাল নিয়েছে সমর। মুখচেনা ছিল আগে থেকেই। সমরের দিকেই তাকিয়ে ছিল। চোখের কোণে কেমন একটা তেরছা মতন দৃষ্টি। ফিচ্ করে মুখ থেকে পানের পিক ফেলে নোংরা হেসে বলল, -"দাদার তো কাপড়ের দোকান, একে নিয়ে যায়েন" তারপর বিশ্রী ভাবে চোখ মটকে ছোপধরা ঠোঁটটা বেঁকিয়ে বলল, -"কাপড়ও দেখাবে, আবার লোকও টানবে। এখন এসবেরই বাজার।"সবিতার অবশ্য এসব দিকে অত নজর নেই। পিছনের লোহার রেলিং এ ঠেকনা দিয়ে ও কেমন যেন উদাস হয়ে তাকিয়ে ছিল। আর ঠিক সেই মুহূর্তে সমরের মনে হল এই নোংরা পরিবেশে, এই পঙ্কিলতার আবর্জনায় সবিতাকে একেবারে মানাচ্ছে না। এই নরক থেকে, এই অশালীনতা থেকে এখুনি ওকে নিয়ে চলে যেতে হবে অনেক অনেক দূরে। এখানে থাকলে এখুনি যেন সবিতার গায়ে পাঁক লেগে যাবে। সমরই পারবে এই গায়ে ভিনভিনে মাছি বসা হাট থেকে সবিতাকে সরিয়ে নিয়ে যেতে।একেই কি বলে প্রথম দেখায় প্রেম? নাকি সাতজন্মের টান? এত কাব্য অবশ্য সমর বোঝেনা। সমর কবি নয়, সে দোকানদার। বেচাকেনাতেই তার মাথাটা ভালো খেলে। সায়াবেচা লোকটাকে কিছু দিয়ে সবিতাকে এখান থেকে নিয়ে চলে যেতে পারলেই সে বেঁচে যায়। সেদিন অবশ্য সমরের পাইকারি শাড়ি সায়া আর কেনা হয়নি । সবিতাকে সঙ্গে বাড়ি ফিরতেই অনেক বেলা হয়ে গিয়েছিল।মা অবশ্য সমরের সঙ্গে সবিতাকে দেখে খুশি হয়নি।
    সমরের জন্য চা নিয়ে এসে ঘোলাটে চোখে তাকিয়ে মা বলল, "এ আবার কি ঝঞ্ঝাট জুটিয়ে নিয়ে এলি খোকা? আমাদের গাঁয়ে ঘরের দোকানে এর দরকার কি? তোর বাবার সময় তো এসব করতে হয় নি।"
    সমর মায়ের চোখের দিকে সরাসরি তাকাতে পারেনি। যেন কি একটা লুকোচ্ছে সে। সবিতাকে ভালোলাগাটাই কি সে লুকিয়ে রাখতে চাইছিল? তড়িঘড়ি মাকে চুপ করাতে গিয়ে ধমকে বলল,-" এখন আর এইখানটা গাঁ ঘর নেই মা। আর বাবার সময়েও দুনিয়াটা পড়ে নেই। এখন লোকজন সব শহরে ছুটছে কাপড়জামা কিনতে। খদ্দের ধরে রাখতে গেলে সবিতাকে চাই।"
    -"ওহ্"। ওর নাম বুঝি আবার সবিতা? " মা কেমন যেন বিরক্ত।
    -"হুমম"। সমরও একটু উসখুস করে, মুখ দিয়ে ফট করে নামটা বেরিয়ে গেছে। ও তো নিজের থেকে নামটা বলেনি। তবে কি হাটের লোকটা বলেছিল? নাকি সমরের নিজেরই মনের মধ্যেই এই নামটা ছিল? আড়চোখে তাকিয়ে দেখল সমর। সবিতা চুপ করেই দাঁড়িয়ে আছে। সমরের দেওয়া নামে বোধহয় ওর আপত্তি নেই।যা হোক সেই রাতটা কাটতেই পরদিন সবিতাকে দোকানের কাজে লাগিয়ে দিল সমর।প্রথম দিকটায় দোকানের ভিতরের দিকেই থাকতে বলেছিল সবিতাকে। মার কথাটা একেবারে ফেলে দেবার মতোও নয়। গাঁয়ে ঘরে সব কিছু নিয়েই বেকার কুৎসা হয়। কিন্তু সবিতাকে নিয়ে তেমন কিছু রগড় হলো না। দুএকজন শুধু কাপড় কিনতে এসে সবিতার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিল। ওর পরনের শাড়িটাই পছন্দ হয়েছিল ওদের। বেশ ভালো দামে বিক্রি হয়ে গেল ওটা। সবিতা আসার পর দোকানের বিক্রি বেড়েছে বৈকি। হাটের লোকটা মিথ্যে বলেনি তাহলে?তারপর থেকে দোকানের সামনেই সবিতার জায়গা করে দিয়েছে সে। এক এক দিন দোকানের সেরা শাড়িগুলোর একটা করে সবিতাকে পরতে দেয়। সবটাই যে খদ্দেরদের দেখার জন্য তা নয়, দোকানে কেউ না থাকলে সমীর নিজেও তো আড়চোখে সবিতার দিকেই তাকিয়ে থাকে।কখনো হালকা গোলাপী ফুল আর সবজে পাতার লতানে মোটিফ দেওয়া হলদে কাঞ্জীভরম কখনো বা আকাশনীল জামদানিতে সোনাঝুড়ি বুটি আবার কখনও ময়ূরকন্ঠী রেশম, সবকটা শাড়িই সবিতার শরীরটাকে যেন প্রেমিকের তীব্র আশ্লেষে জড়িয়ে রাখে। আর সেইসব পাক দেওয়া শাড়ির ভাঁজ থেকে চুঁইয়ে পড়া অস্ফুট যৌন আবেদনের আগুনে পুড়তে থাকে সুধাময়ী বস্ত্রালয়ের মালিক।সবিতা আসার মাস ছয়েকের মধ্যে মাও মারা গেল। একেবারে একা হয়ে গেল সমর। অবশ্য ঠিক একা নয়, সবিতা রয়েছে। সমর সবিতাকেই এখন একেবারে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে। সমরের সারাটা দিন তার সঙ্গেই কেটে যায়। সমরের সব কথা অবশ্য ঘুরেফিরে সেই শাড়ি নিয়েই। কতদামে কোন শাড়ি পাওয়া গেল, কোন মহাজন টাকার জন্য তাগাদা দিচ্ছে, কোন শাড়িটা স্টকে পড়েই আছে বিক্রি হচ্ছে না এইসব গল্পে গল্পে দিন কেটে যায়। আর তার সঙ্গে 'ভেসে যায় আদরের নৌকো' ও।বাড়িতে মান্তুর মা একবেলা রেঁধে বেড়ে দিয়ে যায়। পুরনো লোক। কাজের চেয়ে কথা বলে বেশি। রান্না করতে করতে গজগজ করতে থাকে ,- "একজন লোকের জন্যি এত রাঁধাও কেন বাপু? আগে তো এতো খেতেনি। মা থাকতে থাকতে কেন রে তোমার একটা বে' দে গেলোনি?"
    সমর অবশ্য মান্তুর মাকে সবিতার কথা বলেনি। এরা সব গেঁয়ো কুত্সা করতে ওস্তাদ।সে নিজে বাড়িতে খেয়ে সবিতার জন্য নিয়ে যায়।সবিতা কিন্তু সেরকম কিছু খায়না। প্রায় সবটাই ফেলা যায়। সমর ভাবে, সবিতার কম খাওয়াই ভালো একরকম। নইলে অমন ফিগারের দফারফা হয়ে যাবে। মান্তুর মা কি এসব বুঝবে? এখন শুধু সবিতার জন্যই সমর দামি শাড়ি কিনে আনে। বিক্রি না হয় নাই হলো। শাড়ি পরলেই সবিতার শরীর জুড়ে নামে বন্যা। আর সমর? প্রতি রাতেই ঐ শাড়ি খুলতে খুলতে সমর সেই বন্যায় আকন্ঠ আশ্লেষে ডুবে যায়। সবিতার দেহের অহংকারী পর্বত পেরিয়ে, মাঝের উপত্যকা বেয়ে, নীচের গহীনে ডুব দিতে দিতে সবিতার কালোকুলো পুরন্ত দেহটাকে আদরে ভরিয়ে দেয়। ভাগ্যিস কখনো কারো চোখে পড়ে নি। নইলে সমরকে এই অবস্থায় দেখলে যে কেউ বলতো, 'এ এক্কেবারে পাগল'।
     
     
    #########
    বাজারে সকাল থেকে দলে দলে লোক জমেছে। দূরে একটা পুলিশের গাড়িও দাঁড়িয়ে আছে।বাদল বলল, -"বাঁচবে কিনা জানিনা। হাসপাতালে যারা নিয়ে গেছিল, ওরা ফিরে এসে বলল থার্ড ডিগ্রি বার্ণ। মানে অবস্থা খুব একটা ভালো নয়।"রঘুবাবু বললেন -"সুধীরের দোকান কি আজকের? তোরা তখন জন্মাস নি সুধীর এই দোকান দিয়েছিল। আর এখন বাবা মা নেই, সুধীরের ছেলেটার কি বিপদ হয়ে গেল!"বাদল একটু গম্ভীর হয়ে বলল, -"সে যদি কেউ নিজে যেচে বিপদ আনে তাহলে আর কি করা যাবে কাকা? কাল রাতে বাজারের এইদিকটার দোকানগুলোয় আগুন লাগতেই তো এই বাদলা, মানিক, পুলক ওরা সমরদার দোকান থেকে কাপড়ের গাঁঠরিগুলো বের করেই ফেলেছিল। আমি দৌড়ে গেলাম সমরদাকে ডাকতে। সমরদা যে কি করতে ঐ প্লাস্টিকের ম্যানিকুইনটাকে আনতে দোকানের ভিতরে আগুনে ঢুকে গেল তা জানিনা।"
    রঘুবাবু বললেন, -"কি যে সব বল তোমরা! ঐ মেনিকুনি না মেনিবেড়াল, কি সেটা? যার জন্যে সুধীরের ব্যাটা একেবারে জান কবুল করে আগুনে ঢুকে গেল? বিয়ে করা বৌএর জন্যেও তো লোকে এমন করেনা।"
    -"একটা প্লাস্টিকের পুতুলকে শাড়ি পরিয়ে দোকানে সাজিয়ে রাখত সমরদা, দেখেননি? ওটাকেই বলে ম্যানিকুইন।" বাদল বুঝিয়ে বলে।
    পুলক হাসপাতাল থেকে খানিক আগেই ফিরেছে। সে খানিকটা দূরে মনমরা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এরা চুপ করতে ধরা গলায় বলল, -"ডাক্তারবাবু বলছিলেন প্লাস্টিকটা পুড়ে, গলে শরীরে জড়িয়ে গেছে। কিন্তু সমীরদার যতক্ষণ জ্ঞান ছিল সবিতা, সবিতা বলে কাকে যেন একটা ডাকছিল । সেটা কে বলতো বাদলদা?"
    -"জানিনা রে, এ তল্লাটে তো সবিতা বলে কেউ আছে বলে জানিনা।" -"একটা শস্তা ম্যানিকুইনকে বাঁচাতে কেউ আগুনে ঝাঁপ দেয়? " পুলক নিজের মনেই বিড়বিড় করে।
    বাদল শুনতে পেয়ে উত্তর দেয়, -"দেয় হয় তো। এক্কেবারে পাগল হলে দেয়।"
     
    (চিত্র ঋণ :অন্তর্জাল )
  • গপ্পো | ১২ জুন ২০২২ | ৫৫৮ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 174.53.251.123 | ১২ জুন ২০২২ ২১:৩৭508939
  • বেশ গল্প। ছবিটা ভীষণ সুন্দর।
  • এস এস অরুন্ধতী | ১৩ জুন ২০২২ ০০:০৫508946
  • ধন্যবাদ। ছবিটি তে আমার কোন অবদান নেই ।ইন্টার নেট থেকে খুঁজে বের করেছি মাত্র। smiley
  • বিপ্লব রহমান | ১৬ জুন ২০২২ ০৬:৫৩509051
  • ম্যানিকুইন প্রেম! বেশ লিখেছেন। ব্রাভো yes
    এপারে সাতের দশকে এমনই এক অমর প্রেম নিয়ে ঢাকাই ছবি হয়েছিল, "সূর্যকন্যা", এতে গান গেয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় 
     
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন