ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • জীবন যে রকম

    স্বাতী রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬১৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • ১৯০২ সাল। আজকের আলো ঝলমলে বান্দ্রা তখন শান্ত, নিঃঝুম এক ছোট্ট শহর। সেই কোন কালে পর্তুগীজরা প্রথম এখানে বসতি গড়েছিল। তারই চিহ্ন ধরে রেখেছে বেলজিয়ান ক্যাথলিক চার্চ। সেন্ট জোসেফস। তারই মেয়ে-বোর্ডিং এর দরজায় এসে দাঁড়াল এক ঘোড়ায় টানা বগি। গাড়ির যাত্রী দুজন। তাদের একজন অবশ্য নেহাতই বাচ্চা – মাত্র ন বছরের একটি মেয়ে। সুন্দর মুখটিতে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট।

    অবশ্য উদ্বেগের কারণও যথেষ্ট। বাচ্চাটি মাকে হারিয়েছে শৈশবে। আগের বছর হারিয়েছে বাবাকেও। অনাথ তিন ভাই-বোনের সময় কাটে বেশিটাই দিদির শ্বশুরবাড়িতে। অবশ্য তাদের অভিভাবক হলেন বড় দাদা। তিনি ব্যারিস্টার ,ব্যাচেলার এবং বিবিধ কাজে ব্যস্ত। ভাইবোনের নিবিড় দেখাশোনা করার সময় কোথায় তার? তাই তাঁর ইচ্ছে, তিনজনেই বোর্ডিং স্কুলে যাক। ভাইটিকে নিয়ে তো সমস্যা নেই, তাকে তুরন্ত হোস্টেলে পাঠানো হল। কিন্তু মেয়েদের বোর্ডিং স্কুলে পাঠাবে? তায় আবার খ্রিস্টান মিশনারিদের বোর্ডিং? তওবা তওবা, তাই আবার হয় নাকি! খানদানি মুসলমানের ঘরের মেয়ে, হ্যাঁ কালের নিয়ম মেনে পড়াশোনা একটু শিখতে হবে - একটু লিখতে, কোরানটা পড়তে শেখাই তো যথেষ্ট। তা না, যত্ত সব ম্লেচ্ছ আবদার!

    দাদাটি কিন্তু সটান ‘না’ মেনে নিতে রাজী না। এমনিতেও তাঁদের পরিবার খোজা সম্প্রদায়ভুক্ত – তাদের মধ্যে মেয়েদের স্বাধীনতা অনেক বেশি, পর্দাপ্রথা প্রায় নেই। তার উপর দাদাটি নিজে যা ভালো বোঝে তাই করে অভ্যস্ত। অনেক কথা চালাচালির পরে ঠিক হল সব থেকে ছোটজন বোর্ডিংএ যাবে। উপরের বোনটির বিয়ের বয়স হয়েছে। সে বাড়িতেই থাকবে। সেইমতই ছোটজন এসেছে স্কুলের দরজায়। ভয়ে বুক ধুকপুক। ইংরাজি তো জানে না মোটে, এখানে মানাতে পারবে তো? দাদাটির এইসব ভাবনা নেই। নানদের হাতে বোনকে সঁপে দিলেন। ইংরাজি না শিখলে এখনকার দিনে চলে নাকি?

    কেমন কেটেছিল বান্দ্রার স্কুলের হোস্টেল জীবন? জানা নেই। তবে দাদাটি প্রতি রবিবার ঘোড়ায় চেপে বোনকে দেখতে আসতেন। অবশ্য এখানে মেয়াদ মাত্র চার বছরের। ততদিনে দাদাও কেরিয়ারের সিঁড়ি বেয়ে চড়চড় করে উঠছেন, আকাশই তার লক্ষ্য । অতএব চারবছর পরে বোনের স্থান হল খান্ডালার সেন্ট পিটার্স স্কুলে। সে স্কুলে বেশিরভাগই ব্রিটিশললনা। তাদের মধ্যে জায়গা পেলেন বোনটি। দাদার কিঞ্চিৎ কলকাঠি নাড়ায়। সেখান থেকেই ম্যাট্রিকুলেশন পাস। ১৯১২ সালে। এরপর বাড়ি ফেরার পালা। কিন্তু কোন বাড়ি? না এবার আর কন্যা দিদিদের শ্বশুরবাড়িতে ফিরলেন না, বরং এসে উঠলেন দাদার ভাড়াবাড়িতে। দাদা কিন্তু ম্যাট্রিক পাশ করা বোনের বিয়ের কথা ভাবলেন না। কেন? এক আধজন বলেন বটে যে একটি কুঁড়িতেই ঝরে যাওয়া রোম্যান্টিক সম্পর্কই এর মূলে, তবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে ঘরে বসে বই পড়ে, পিয়ানো বাজিয়ে, ছবি এঁকে আর টেনিস খেলে বোনের দিন কাটছিল বেশ। ততদিনে সে অবশ্য আর বালিকা নেই, বেশ কোরান-পড়া যুবতী হয়ে গেছে।

    কিন্তু চার চৌরস সুখ সকলের ভাগ্যে সয় না। দাদাটি প্রেমে পড়লেন, একেবারে হেড ওভার হিল। এবং বিয়ে করলেন। এবং বোনকে পত্রপাঠ পাঠিয়ে দিলেন তার পিঠোপিঠি দিদির শ্বশুরবাড়িতে। সেখানে তার পোষায় না সেটা বেশ ভাল করে জেনেও। কন্যাটি বড়ই চাপা স্বভাবের, বুক ফাটে তাও মুখ ফোটে না টাইপের। সে মেনে নিল। কিন্তু দাদা ছাড়া বোনের জীবনে আর কেউ নেই যে! নতুন নিয়মে ঠিক হল যে বোন প্রতি রবিবার এসে দাদার সঙ্গে দিন কাটাবে। কিন্তু দাদাটির দুর্ভাগ্য এই যে বোন আর বৌএর স্বভাব এতই আলাদা যে কিছুতেই দুজনের মিলমিশ হল না।

    ***
    এই সময়েই রফি আহমেদ নামের পুর্ববাংলার একটি ছেলে দেশে ফিরলেন। ইনি আমেরিকায় ভাগ্যান্বেষণে গিয়ে দাঁতের ডাক্তার হয়েছেন। সেখানেই হাসপাতালে কাজ করছিলেন। ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে ফিরে এলেন দেশে। ফিরে এসেই ১৯২০ সালে কলকাতায় ডেন্টাল কলেজ খুললেন। শুধু ভারতে না, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার, ইজিপ্ট থেকে জাপানে এই প্রথম। প্রথম ব্যাচে এগার জন ছাত্র। বোনটি হলেন সেই এগারোর মধ্যে এক। কলকাতায় অবশ্য তার সব থেকে বড় দিদির শ্বশুরবাড়ি। কিন্তু না, সেখানে থাকা যাবে না। বোনের অনিচ্ছে। দিদিদের গৃহাবরোধ তার নেহাত নাপসন্দ। অতএব ফের হোস্টেল জীবন।

    কিন্তু ডেন্টাল কলেজই কেন? ঠিক কি মোটিভেশন ছিল তার পিছনে? এই জায়গাটাতে আমার জানা ইতিহাস নিশ্চুপ। তবে হয়তো মিশনারি স্কুলের ট্রেনিং তাকে কিছুটা সোশ্যাল ওয়ার্কে উৎসাহিত করেছিল। যাই হোক, এরপর যেটা করলেন সেটাই ইন্টারেস্টিং। ১৯২৩ সালে বোম্বে ফিরে গিয়ে মেয়েটি, একটা প্রাইভেট ডেন্টাল ক্লিনিক খুলে ফেলল। কোলবাদেবীর আবদুল রহমান স্ট্রিটে। অবশ্যই দাদার আর্থিক সাহায্যে। স্বপ্ন, পর্দার আড়ালে থাকা মুসলিম মেয়েদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। বেশ বড় ক্লিনিক, তিনটে ডেন্টাল চেয়ার ওলা। চেম্বারের নিজস্ব কর্মীও ছিল। বোধহয় ইনিই এশিয়ার প্রথম মহিলা প্র্যাকটিসিং ডেন্টিস্ট। আর সেই সঙ্গে ধোবি তালাও এর মিউনিসিপ্যাল ক্লিনিকে স্কুলের মেয়েদের দাঁতের চিকিৎসাও চলল স্বেচ্ছাশ্রম হিসেবে।

    তবে প্র্যাকটিস তেমন জমেনি মনে হয়। সরোজিনী-পদ্মজা নাইডুর চিঠি চালাচালি থেকে জানা যায় যে তিনি বোম্বেতে তেমন সুবিধা করতে না পেরে হায়দ্রাবাদেও গিয়েছেন রোগীর খোঁজে। অবশ্য সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। একে মেয়ে, তায় মুসলমান, তার উপর দাঁতের ডাক্তার। সব কটা পরিচয়ই সেই ১৯২০ র দশকে পসার জমার পথে বাধা। তার উপর যাঁদের চিকিৎসার দিকে তাঁর নজর সেই আপামর ভারতের মেয়েদের কত শতাংশ তখন আদৌ কখনো কোনরকম চিকিৎসার সুযোগ পায় সেটাই বড় প্রশ্ন। মরতে বসার আগে যে মেয়েদের মুখে ওষুধ জোটে না,তাঁদের আবার দাঁত দেখানো! ধুর যত্ত সব আকাশকুসুম কল্পনা।

    তবে এরপরের ঘটনাটা আমাদের একটু ঘেঁটে দেয়। মেয়েটির বৌদি মারা যায়। আর তারপরেই ১৯২৯ সালে সে পাকাপাকি ভাবে চলে আসে দাদার কাছে। ক্লিনিকের পাট চুকিয়ে। এরপর থেকে দাদার ছায়া হয়েই তার দিন কাটে। আর সেই ভূমিকাতেই তার মুখে এসে পড়ে সারা বিশ্বের যত আলো। অবশ্য দাদার মৃত্যুর পরে তাঁর কিছু নিজস্ব কীর্তিও তৈরি হয়। কিন্তু সে অন্য সময়, অন্য গল্প। আজও অবশ্য তার প্রথম পরিচয় দাদার পরিচয়েই।

    খুব কৌতূহল হয়, ক্লিনিক তুললেন কেন? হয়ত সেখান থেকে যতটুকু উপার্জন হত, তা স্বাধীন জীবন যাপনের জন্য ততটা যথেষ্টও ছিল না। দাদাটি তো অনেকদিন আগে থেকেই এদেশের প্রথম সারির ব্যারিস্টারদের মধ্যে একজন। দাদার উপার্জনের পাশে হয়ত তাঁর ক্লিনিক-গত উপার্জন কিছুই না। তাই-ই ছাড়লেন হয়ত। তবুও নাছোড়বান্দা মন প্রশ্ন করে, আচ্ছা একা সংসার যদি নাও চালাতে পারেন, দাদার কাছে থেকেও তো ক্লিনিক চালাতে পারতেন, তাই না? তাও তো করলেন না। তবে কি স্বাধীন উপার্জন তাঁর কাছে ততটা দামী ছিল না? বিভিন্ন রকমের ইন্টারপ্রিটেশন সম্ভব। তবে আমার নিজস্ব ধারনা এই যে ইনি পড়াশোনা থেকে কেরিয়ার যা কিছুই করেছেন, সেটা মূলত দাদার ইচ্ছেতেই। ছোটতেই বাবা মাকে হারানোর ফলে দাদাই এঁর জীবনের একমাত্র ভরকেন্দ্র। দাদাকে খুশি রাখাটাই এঁর জীবনের মূল সুর। এক ধরণের নির্ভার জীবনের সুরক্ষাও দাদারই দেওয়া। সেই সুরক্ষাবলয়ের বাইরে গিয়ে নিজের জন্য পথ কেটে নেওয়ার দুঃসাহস বা ইচ্ছে কোনটাই এঁর ছিল না। অন্তত সে সময়ের কথা হচ্ছে,সেই সময় মহিলার ততটা স্বাধীন মনোবৃত্তি ছিল না। ( পরে তাঁর জীবনের গতিপথ পালটে যায় যদিও। ) এরকম মহিলা আমরা চারপাশে এখনও অনেকই দেখে থাকি যাদের কাছে স্থিতি, সুরক্ষা অনেক বেশি বড়, স্বাধীনতা সেখানে পাত্তা পায় না। আর এটা যে সময়ের কথা তখন তো সেটা আরও সত্যি।

    তবু স্থান-কাল-পাত্রের চক্করে অনেক ঘটনার সঙ্গে এঁদের নাম জড়িয়ে যায়। যেমন হল এঁর ক্ষেত্রে। দাদার দাম্পত্যকে বাঁচাতে এঁকে নির্বাসনে যেতে হল আর তালেগোলে তিনি হয়ে গেলেন এশিয়ার প্রথম মহিলা ডেন্টিস্ট। ভাবা যায়!

    মহিলাটি কে বলুন তো? ইনি হলেন ফতিমা জিন্না। পাকিস্তানের মাদার অফ দ্য নেশন। দাদার নাম তো তাহলে বুঝেই গেলেন - মহম্মদ আলি জিন্না।

    তথ্যসূত্রঃ
    ১) Fatima Jinnah Mother of the Nation by M Reza Pirbhai
    ২) Mr and Mrs Jinnah the marriage that shook India by Sheela Reddy
  • | রেটিং ৪.৫ (২ জন) | বিভাগ : ব্লগ | ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬১৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    চিঠি - Shomita Banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ২০:৩০501528
  • আচ্ছা এই লেখার কি ফর্মাট টা ঘেঁটে গেছে নাকি আমার ডিভাইসের সমস্যা? ঠিক বুঝতে পারছি না। একটু কেউ দেখে জানাবেন ?
  • | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ২০:৩৭501529
  • ক্রোম ব্রাউজারে কিরকম একটা বেদী টাইপ ফর্ম্যাট হইছে। প্রথমে অনেকটা বেশ ঠিকঠাক। তারপর হথাৎ করে বিশাআআল চওড়া হয়ে গেছে। 
    আমি ভাবলাম ঠিক হোক তারপরে পড়বো। 
  • স্বাতী রায় | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ২২:০৪501530
  • হুম আমিও তাই পাচ্ছি। কেন সেটা বুঝছি না। এদিকে প্রিভিউ মোডে ঠিকই আসছে।  
  • lcm | ৩০ নভেম্বর ২০২১ ০১:৩৭501532
  • ঠিক হয়েছে 
  • স্বাতী রায় | ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৫:৪৪501551
  • হ্যাঁ @lcm  এখন ঠিক ​​​​​​​হয়েছে ।.অনেক ​​​​​​​ধন্যবাদ। 
     
  • Ranjan Roy | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ১৪:১৫501593
  • বা:
    আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজ ছোটবেলা থেকে আসা যাওয়ার পথে চোখে পড়ত। কিন্তু ফতিমা জিন্নার সঙ্গে যোগসূত্রটি ব‍্যাপক।
    স্বাতীকে ধন‍্যবাদ। এরকম আরও লিখুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন