এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  পর্যালোচনা (রিভিউ)  সিনেমা

  • দিশেহারা  "লাপাতা লেডিজ"

    সৈয়দ তৌশিফ আহমেদ লেখকের গ্রাহক হোন
    পর্যালোচনা (রিভিউ) | সিনেমা | ০৪ মে ২০২৪ | ৮০৮ বার পঠিত
    • দীপু আর ফুল চড়ে বসল ‘বেলপুর–কাটারিয়া’ এক্সপ্রেসে। ট্রেন আসছে বেলপুর থেকে, যাবে কাটারিয়া অবধি। এই যাত্রাপথের প্রথমে আসবে ‘মুর্তি’,  যে ষ্টেশন থেকে বাস রাস্তায় ফুলের শ্বশুর বাড়ি পড়ে। যদিও  ঘটনাক্রমে অদলাবদলি হয়ে মুর্তি ষ্টেশনে ফুলের বদলে দীপুর সাথে নামবে জয়া। তাদেরকে নামিয়ে ‘বেলপুর–কাটারিয়া’ এক্সপ্রেস ছুটবে পাটিলার দিকে। কিছু পরে সেখানে প্রদীপ আর ফুলকে নামতে দেখা যাবে। ট্রেন আবারো ছুটবে তার শেষ গন্তব্য কাটারিয়ার উদ্দেশ্যে।
     
    তাহলে ষ্টেশনের ক্রমটা দাঁড়াল:  মুর্তি – পাটিলা – কাটারিয়া। সহজ হিসেব, এর মধ্যে কোন গোলযোগ হওয়ারই কথা নয়।
     
    • এবার বোঝার সুবিধার জন্য, ধরে নিলাম এই ট্রেন এগোচ্ছে পশ্চিমের দিকে। আসছে পূব থেকে। যে কোন দুটো বিপরীত দিক নিয়েই বিষয়টা ভাবা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ফুল যখন শ্বশুর বাড়ি ফিরবে তখন তার গন্তব্য হবে পূর্ব দিক , কারণ সে আসছে পশ্চিম থেকে। আবার দীপু যখন পাটিলা যাবে তাকে ধরতে হবে পশ্চিম মুখো ট্রেন। পুবমুখো নয় কিন্তু।
     
    • যাই হোক, একসময় পোস্টার ছড়িয়ে পড়ল ষ্টেশনে-ষ্টেশনে। জানা গেল ফুলের শ্বশুর বাড়ি মুর্তি স্টেশন থেকে এগিয়ে সূর্যমুখী নামের এক গ্রামে। ষ্টেশন-মাস্টার বললেন , প্ল্যাটফর্মে এখনো ‘আমরেলি- কাটারিয়া’ এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে। দশ মিনিটের মধ্যেই ছাড়বে। ওতে উঠে পড়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
    একটু ভুল হল এখানে। 
    1. প্রথমত , ট্রেনটা আমরেলি - কাটারিয়া এক্সপ্রেস কী করে হয় ? কারণ যদি ঐ ট্রেনের গন্তব্য হয় কাটারিয়া , সেক্ষেত্রে ফুল চলে যাবে আরও পশ্চিমমুখো। কিন্তু তার তো পুবে আসার কথা। হাওড়া-বর্ধমান লোকাল, আর বর্ধমান-হাওড়া লোকাল নিশ্চয় এক জিনিস নয়। কাজেই ট্রেনের নাম হওয়া উচিৎ ছিল ‘কাটারিয়া -আমরেলি’ এক্সপ্রেস। অর্থাৎ শেষ গন্তব্য আমরেলি, আর আসছে কাটারিয়া থেকে। সেক্ষেত্রে ষ্টেশন-মাস্টারই ভুল বলেছেন। একজন রেলকর্মীর পক্ষে এটা গ্রস মিসটেক, তাও না হয় তর্কের খাতিরে মেনে নেওয়া গেল।
    2. দ্বিতীয়ত ফুল যখন এই ট্রেনে উঠছে তখন দেখা যাচ্ছে এই ট্রেনেরই S2 স্লিপারের গায়ে জ্বলজ্বল করছে ‘বেলপুর- কাটারিয়া’র বোর্ড।
     
    ভালো ছবি বানাতে হলে এ ধরণের লজিক্যাল এরর এড়াতে হবেই। কন্টিনিউইটির বিষয়টাও দেখতে হবে খতিয়ে, কারণ এর দ্বিতীয় কোনো বিকল্প হয় না , পরে শুধরে নেবারও সুযোগ নেই।
    এবার শেষ দৃশ্য। 
    • ইন্সপেক্টর মোবাইলে জানতে পারেন, পাটিলা ষ্টেশনে রয়েছে দীপকের বউ ফুল। দীপক পড়ি কি মরি করে সাইকেল ছোটায় মূর্তি ষ্টেশনের দিকে। ষ্টেশনে ঢোকার মুখে সে দেখে একটা ট্রেন ঢুকছে ( যে ট্রেনে আপাতত চড়ে আছে ফুল , এই নামলো বলে )। ট্রেন আসছে পশ্চিম থেকে , যাচ্ছে পুবমুখো। দীপু তাতেও ছোটে , ঠিক ওই ট্রেনটাই ধরবে বলে। ভারী আশ্চর্য তো ! চার বন্ধু সাইকেল চালিয়ে আসছে। অথচ কেউ বলছে না , ভাই পাটিলা তো পশ্চিমমুখো। তুই পূবে যাওয়ার জন্য আঁকুপাঁকু করছিস যে বড় !
    • আমরা যে ভুল ভাবছি না , বা দিক গুলিয়ে ফেলছি না, তার প্রথম প্রমাণ হল :  ষ্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে যাবার মুহূর্তে ফ্ল্যাগম্যান বা স্টেশন মাস্টারকে দীপু জিজ্ঞেস করে , এটা কি পাটিলা যাবে ? উনি বলেন, পাটিলার ট্রেন বেরিয়ে গেছে সেই কখন। এ ট্রেন যাচ্ছে আমরেলি। অর্থাৎ পুবমুখো। আর দ্বিতীয় প্রমাণ : এই ট্রেন থেকেই মূর্তি ষ্টেশনে সদ্য নেমেছে ফুল। ঠিক ওই প্ল্যাটফর্মেই সে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভিড়ের একদম শেষ মাথায়। সে আসছে পশ্চিমের পাটিলা থেকে, ট্রেন বাবাজীবন তাকে রেখে ছুটে যাচ্ছে পুবমুখো। সুতরাং প্রশ্ন হল, দীপু তার অভিপ্রেত গন্তব্যের উল্টোদিকে যেতে চাইছে কেন! 
    • তাছাড়া ,দীপুর যে ট্রেন চড়ার অভ্যেস রয়েছে তার প্রমাণ কিন্তু আমরা আগেই পেয়েছি। বৌকে নিয়ে ফেরার পথে, ওই রাতবিরেতেও সে ষ্টেশন চিনতে ভুল করে নি। 'আর কত দূর ' কিংবা ' আর কটা স্টেশন' - এসব প্রশ্ন করে সহযাত্রীদের উত্যক্ত করতেও দেখা যায় নি তাকে। বেশ নিশ্চিন্তেই ঝিমচ্ছিল সে। কাজেই মোটের উপর ট্রেনের রুট সম্পর্কে সে একেবারে অজ্ঞ নয়। তাছাড়া, দীপু সে রাত্রে ষ্টেশনের যেদিকটা দিয়ে বেরিয়ে বাস ধরেছিল, পরের বার সাইকেল থেকে সেদিকটা দিয়েই ঢুকবে। প্রমাণ স্বরূপ – ষ্টেশনের মধ্যেই একটা ছিটাবেড়ার টঙকে দুবারই দুটো আলাদা দৃশ্যে দেখা যাবে। Netflix টাইম ষ্ট্যাম্প যথাক্রমে 00:09:02 , 01:51:48।  সুতরাং আমরা যে দিক গুলিয়ে ফেলছি না , সেটা বেশ জোরের সাথেই বলা যায়।
    • প্রশ্ন আরও হল, ফ্ল্যাগম্যান বা ষ্টেশন মাস্টারের কাছে দীপু যখন জানতে চাইল, এই ট্রেন পাটিলা যাচ্ছে কিনা; এর উত্তরে তিনি বললেন, পাটিলার ট্রেন অনেক আগেই বেরিয়ে গেছে , এটা যাচ্ছে আমরেলি। একবারও  বললেন না যে,  পাটিলার ট্রেন উল্টো দিকের প্ল্যাটফর্মে আসবে। উত্তরটা এমন , যেন আপ এবং ডাউন দুদিকের সমস্ত ট্রেনই এই প্ল্যাটফর্ম ছুঁয়েই যায়। 
      • তাহলে কি ষ্টেশনে একটাই ট্র্যাক? না! তাও নয়। কারণ সে রাত্রে মুরতি ষ্টেশনে জয়াকে নিয়ে দীপু যখন নামছে ট্রেন থেকে, ঠিক তার পাশের ট্র্যাকেই বিপরীত দিকে ছুটে যাচ্ছিল আরেকটা ট্রেন। ডাবল-ট্র্যাক রেলওয়েতে সেটাই তো স্বাভাবিক।
      • তাহলে কি একটাই ষ্টেশন? পাশের লাইনটা ফাউ? না, তাও নয়। উল্টোদিকের প্ল্যাটফর্মের নীলাভ শেড দেখা যাচ্ছে দিব্য। Netflix টাইম ষ্ট্যাম্প – 01:51:51

    ব্যতিক্রম হিসেবে ও শর্ত সাপেক্ষে আপ প্ল্যাটফর্মে ডাউনের ট্রেন বা ডাউন প্ল্যাটফর্মে আপের ট্রেন যেতেই পারে, কিন্তু চরিত্রদের সংলাপ এবং দৃশ্যাবলীর সামঞ্জস্যতা দিয়ে সেই বিষয়টাকে প্রতিষ্ঠা করতে হয়। ভালো ছবি এভাবেই তার সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিবন্ধকতাকে কোণঠাসা করে। যদিও এক্ষেত্রে তা না হয়ে , পরিচালকের দিক বিভ্রান্তির বিষয়টাকেই যেন প্রকট করেছে আরও।
     
    ‘লাপাতা লেডিজ’ ভালো ছবি কিনা, সে নিয়ে তর্কের অনেক আগে আলোচনা হওয়া উচিৎ, দিক নিয়ে একটা ছবিতে অসঙ্গতির কারণ কী । অবহেলা, অসাবধানতা, নাকি বাধ্যবাধকতা?  স্বেচ্ছায় ১৮০ ডিগ্রি রুল ব্রেক করা, আর কার্ডিনাল ডিরেকশন ঘেঁটে ফেলা, এই দুটো মোটেই এক জিনিস নয়। মানছি, রেলগাড়িকে শুটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত করাটা বেশ ঝক্কির, কিন্তু আরেকটু বুদ্ধিদীপ্ততা দিয়ে এই ত্রুটিগুলো কি এড়ানো যেত না? হয়তো যেত। পরিচালক প্রতিশ্রুতিবান হলে, দর্শকের সমর্থন যেমন জরুরী, তেমনি তাকে অন্যায্য মার্কস দিয়ে সমালোচনার কপাটকে ঠাস করে বন্ধ না করাটাও সমান জরুরী। তবেই ভালো ছবি হওয়ার জমিটা তৈরি হতে থাকে। তাছাড়া আমার ভালো লাগছে মানেই সেটাতে অন্যের সমালোচনা সপাটে ব্যান হয়ে যায় কি ?    

    নেটফ্লিক্স টাইম স্ট্যাম্প - 05:14, 01:36:02, 01:36:14, 01:51:34, 01:51:55
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • পর্যালোচনা (রিভিউ) | ০৪ মে ২০২৪ | ৮০৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রং | 2605:b100:b24:41e5:0:e:f4a6:3701 | ০৪ মে ২০২৪ ২০:০৩531399
  • আর একটা ভুল ট্রেন এর রং, যে সময়ের কাহিনী তখন এক্সপ্রেস ট্রেন গুলি চলতো নীল রঙের | অথচ সিনেমায় দেখানো হয়েছে হলুদ মেরুন আইসিএফ কোচ যেটা এই সেদিন চালু হয়েছে|
  • Kuntala | ০৫ মে ২০২৪ ০৪:৫৬531406
  • সবাই এতো হই হই করছে একটা উপভোগ্য কিন্ত অতি সাধারণ ফিল্ম নিয়ে,  এটাই দুঃখের ব্যাপার। 
    ওই যে হঠাত করে পুলিশ বাবুর মনের পরিবর্তন হোল, গয়না শুদ্ধু মেয়েটিকে 'নিজের জীবন খুঁজে নেওয়ার' জন্য  - এটা তো বলিউডের পুরনো একটা ফর্মুলা।
  • সৈয়দ তৌশিফ আহমেদ | ০৬ মে ২০২৪ ২৩:০০531467
  • ঠিক তাই। পুলিশের ওই মহত্বটুকু দেখিয়ে দুর্নীতির উপর একটা পলেস্তরা ফেলার চেষ্টা। অত্যন্ত সাধারন মানের একটা ছবি। ভালো মানুষের একটা নাছোড় বিজ্ঞাপনের মতো। তাছাড়া , গ্রামের মানুষ মানেই নিষ্পাপ গোবেচারা সহজ সরল , এটা গ্রাম জীবন সম্পর্কে নুন্যতম ধারণা না থাকারই প্রতিফলন ।
  • :|: | 174.251.161.118 | ০৬ মে ২০২৪ ২৩:৪০531468
  • সিনিমাটি কি ভারতীয় রেলের প্রযোজনা? এই রকম গল্পের ট্রেনের টাইমটেবল সমৃদ্ধ রিভিউ এবং মূলত স্টেশন ও রেলগাড়ির বর্ণনাসহ আগে পড়েছি বলে মনে করতে পারলুম না। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন