• বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি  বুলবুলভাজা

  • কৃষিআইন বিরোধী লড়াই, মূল ধারার সংবাদমাধ্যম এবং পক্ষপাতী বিশ্লেষক

    শুভময় মৈত্র
    আলোচনা | রাজনীতি | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ | ১২৪৮ বার পঠিত
  • ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লায় যা ঘটল, তার ফলে হাওয়া কি ঘুরে গেল? নাকি হাওয়া মোরগরা ডাক দিচ্ছে ঘোরার জন্য? দীপ সাধুই দায়ী? দীপ সাধু একাই দায়ী? এসব নানা প্রশ্ন সামনে আসছে, যার নানাবিধ উত্তর হওয়া সম্ভব। সে সব প্রশ্নগুলির জবাব এই মুহূর্তে মিলবে না বটে, তবে, প্রশ্নগুলির সরলতম সমাধানে পৌঁছনো যে সমস্যাজনক হতে পারে, তার হদিশ এই লেখায়।

    নিয়মিত বকি এবং লিখি মূল ধারার সংবাদমাধ্যমে। সুতরাং ঝাঁকের কই ঝাঁকেই থাকবে। ফলে আমার লেখা পড়ে একটু যারা গভীরে ভাবেন তাদের ভুরু কুঁচকোনোটাই স্বাভাবিক। সেইরকমই একটা লেখা আমি লিখি ছাব্বিশে জানুয়ারি ট্রাক্টর র‍্যালির পর, যা আঠাশ তারিখ ছাপা হয় মূল ধারার বাংলা সংবাদমাধ্যমে। আমার প্রাথমিক বক্তব্য ছিল আন্দোলনের একটা বড় অংশ শান্তিপূর্ণ হলেও, তাতে বিক্ষিপ্ত গণ্ডগোল এই দীর্ঘ লড়াইকে কিছুটা হলেও পিছিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, ছাব্বিশে জানুয়ারি সন্ধেয় কৃষক এবং বাম নেতাদের বক্তব্যে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। আন্দোলনে নামলে এবং সেখানে ঝামেলা হলে তার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে কোন লাভ নেই। ফলে মিছিলে বিজেপি লোক ঢুকিয়ে গোলমাল পাকিয়ে দিয়েছে কিংবা লালকেল্লায় ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীরা সত্যিকারের কৃষক নয়, এই ধরনের বক্তব্যে রাজনৈতিক লাভের সম্ভাবনা কম। আর এই ধরনের আন্দোলনে যে কিছুটা গোলমাল হবে,তেমনটাই স্বাভাবিক। ফলে সেই প্রেক্ষিতে অধিকতর রক্ষণাত্মক হওয়ার কারণ খুব পরিষ্কার নয়। সারমর্মে, বিজেপির চোখে চোখ রেখে যে কৃষক আন্দোলন গত দুমাসের বেশি সময় ধরে চলেছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের ঘটনাবলী সেই পথেই চলছিল। কিন্তু তারপর কৃষক নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে যথেষ্ট কার্যকর হতে পারে নি। বরং আপাত পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, অন্তত জাতীয়তাবাদী আমজনতার সহানুভূতির তুলাদণ্ডে। সবশেষে আমি এই আন্দোলনকে বিজেপির বাবরি মসজিদ ধ্বংস এবং তৃণমূলের সিঙ্গুর আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দেখার কথা বলেছিলাম। কারণ সেই দুই আন্দোলন থেকেই রাজনৈতিক ভাবে লাভবান হয়েছিল দলগুলি।

    প্রায় সবকটা জায়গাতেই একেবারে বিষয় ধরে ধরে আমার যুক্তিকে কেটেছেন কয়েকজন পাঠক, যাঁরা আমার বন্ধুস্থানীয়, এবং মোটের ওপর বিজেপি বিরোধী। তাঁদের প্রথম বক্তব্য, গত লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন ৯১ কোটির মধ্যে ৬১ কোটি, আর তার ৩৭ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট পেয়েছিল বিজেপি, যা আদতে ২৩ কোটির কম। অর্থাৎ মোট ভোটারের চার জনের মধ্যে তিন জন ভোট দেয়নি বিজেপিকে। আর গোটা জনসংখ্যার নিরিখে প্রতি ছয় জনে একজন বিজেপির ভোটার। এই ধরনের সমর্থন নিয়ে অতিমারী পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুবাদে সংস্কারমুখী কৃষি আইন লাগু করা উচিৎ নয়।

    এবার আসা যাক দায় ঝেড়ে ফেলা নিয়ে আলোচনায়। বন্ধুবর বলছেন, কৃষক নেতারা দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইবেন সেটাই স্বাভাবিক নয় কি? শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে সামাল দেওয়াটা অসুবিধাজনক। তাতে বিক্ষোভকারীদের ওপর সামান্য পুলিশি জুলুম হলেই জনগণের সহানুভূতি আরও বেড়ে যায়। শাহিনবাগের দাদিদের তুলতে তাই অত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল বিজেপিকে। তুলনায় ঝামেলা পাকানো লোকদের নিয়ন্ত্রণ করা সোজা, তাদের ওপর স্বচ্ছন্দে বলপ্রয়োগ করা যায়। জনতাও অখুশি হয় না। সেই জন্যই "এজেন্ট প্রভোকেটিয়ার" শব্দবন্ধটি এসেছে। এক্ষেত্রেও এমন কিছু লোক ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তারা চিহ্নিত হওয়া সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি এখনও পর্যন্ত। লালকেল্লার মত জায়গায় বিনা বিরোধিতায় এরা ড্যাং ড্যাং করে কীভাবে ঢুকল সেটাও বোঝার বিষয়। বাবরি মসজিদ ভাঙার সাথে এ ঘটনার তুলনা হয় না। তার জন্য অনেক আগ্রাসী প্রচার হয়েছিল। সঙ্গে মনে রাখতে হবে যে দেশের একটা বড় অংশের সংখ্যালঘু বিরোধী মনোভাব আছে। তারপর কয়েকটি জায়গায় দাঙ্গাও হয়েছিল এবং অনুসিদ্ধান্তে রাজনৈতিক লাভ কোন দলের হয়েছিল সেটাও সবাই জানি। সিঙ্গুরের প্রসঙ্গও এখানে খাটে না। সেখানে তিন দশকের পুরনো সরকারের বিরোধিতা বেশি প্রভাব ফেলেছিল। বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে জনমনে ক্ষোভ জন্মাচ্ছিল নানা কারণে। এমন কোনও বিষয় কৃষিবিল বিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে নেই। বরং দেশের যে বড় অংশের মানুষের সহানুভূতিশীল সমর্থন কৃষকেরা পাচ্ছিল তার একাংশ পাশ থেকে সরে যেতে পারে মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের প্রচারে। কারণ হিংসাকে কেউ প্রকাশ্যে চট করে সমর্থন করে না। সরকার তাই এবার খোলাখুলি ধরপাকড় শুরু করতে পারবে। সেই পরিস্থিতিতে কৃষক নেতারা এক পা পিছিয়ে বিচক্ষণতারই পরিচয় দিয়েছেন। এতে পরবর্তীকালে দু পা এগোতে সুবিধা হবে। এই যুক্তির পক্ষে একটি ঘটনা এর মধ্যেই লক্ষ করা গেছে। ২৮ এবং ২৯ তারিখের মাঝের রাত-ভোরে গাজীপুরে ঘাঁটি গেড়েছেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত। তাঁর চোখের জলে আপ্লুত হয়ে আবার মাঠে নেমেছেন কয়েক হাজার কৃষক। তিনি বলেছেন আত্মহত্যা করবেন, তবু এই লড়াই থেকে পিছোবেন না।


  • আগের জন বাংলায় লিখেছিলেন, ফলে হোয়াটস্যাপ থেকে তুলে সামান্য পরিবর্তন করে টুকে দেওয়া গেছে। পরের জন বাঙালি হলেও বহুদিন মহারাষ্ট্রবাসী। ফলে তাঁর ইংরিজিটাই আসে ভাল। এক্ষেত্রে বঙ্গানুবাদ বদলে ভাবানুবাদ হয়ে গেল কিনা সে ধন্দটুকু তাই থাকল। তিনি দিয়েছেন মোট পাঁচখানি পয়েন্ট। প্রথমত এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে চল্লিশটির বেশি কৃষি সংগঠন যুক্ত, এবং সেভাবে কোন নির্দিষ্ট মুখপাত্র নেই। ফলে সমন্বয়ের অভাব কিছুটা থাকতেই পারে। তবে শুধু কৃষক নেতৃত্ব কেন, যোগেন্দ্র যাদবের মত কয়েকজন শহুরে নেতাও এই আন্দোলনের দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত লালকেল্লায় যথেষ্ট সুরক্ষাবিধি বর্তমান। কী করে এত সহজে কৃষকেরা সেখানে ঢুকে পড়ল? মূল ধারার সংবাদমাধ্যমই দেখিয়েছে যে পুলিশ সেখানে বসে হাসিমুখে মজা দেখছে। তাহলে কি এর পেছনে কেন্দ্রের শাসকদলের কোন চাল আছে? তৃতীয়ত, এর মধ্যেই দুশোর বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগে নাম আছে বেশ কয়েকজন কৃষক নেতার। তাহলে অন্যদিকে দীপ সিধুর বিষয়ে কী করছে সরকার? তাকে তো পরিষ্কার দেখা গেছে সমর্থকদের নিয়ে পতাকা উত্তোলন করতে। সে ছিল আবার বিজেপির বিভিন্ন নামী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট। চতুর্থ, যে যুব বিক্ষোভকারী ট্রাক্টর সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মারা গেছেন, সেখানে কি হয়েছিল তার সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার। এটা ঘটনা যে টেলিভিশনে দেখা গেছে দু-একটি ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীরা অবিবেচকের মত ট্রাক্টর নিয়ে দ্রুতবেগে পুলিশের দিকে ধাওয়া করেছেন। এ ঘটনা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু তার সঙ্গে মৃত্যুর বিষয়টি কিভাবে এবং কতটা সম্পর্কিত সেই অনুসন্ধান জরুরি। সব শেষে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে এই আন্দোলন মোটেই শুধু পাঞ্জাব, হরিয়ানা, আর পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের নয়। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের চাষিরাও আছেন। মুম্বাইতে কিংবা বাঙ্গালোরেও বিক্ষোভের উত্তাপ লক্ষ্য করা গেছে। ফলে এটা গোটা দেশের বিজেপি বিরোধী আন্দোলন।

    তবে বিশ্লেষক হিসেবে অন্যমতের কথাগুলোকেও একবার মনে করিয়ে দেওয়া যাক। প্রান্তিক কৃষকেরা মোটেই এই লড়াইয়ের মুখ্য অংশ নয়। এই যুদ্ধ একচেটিয়া পুঁজির বিরুদ্ধে সম্পন্ন কৃষক এবং মধ্যস্বত্বভোগী মাঝারি পুঁজির। অর্থাৎ সরকারের কাছে ঋণ নেওয়া দু-একজন লক্ষ কোটি টাকার মালিক এক দিকে, আর সরকারি সহায়তা পাওয়া কয়েক লক্ষ জন লক্ষ বা কোটি টাকার মালিক অন্যদিকে। সুতরাং সারা দেশের কৃষক আন্দোলন হিসেবে এই লড়াইকে অভিহিত করা শক্ত। দ্বিতীয়ত, মূল ধারার সংবাদমাধ্যমকে অস্বীকার করা এই মুহূর্তে অসম্ভব। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে। ফলে জাতীয়তাবাদের বিষয়টা থাকবেই, এবং সেখানে কৃষি বিক্ষোভ কিছুটা হলেও সহানুভূতি হারিয়েছে। সেখান থেকে কৃষক নেতাদের চোখের জল কতটা সহানুভূতি ফেরাতে পারে তা দেখার।

    আর সবশেষে আমার মত মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষকদের বিপদটা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন? বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা আমাদের বলবেন ভোঁতা এবং অশিক্ষিত, আর দক্ষিণপন্থী দেশপ্রেমিকরাও মুখ ঝামটা দেবেন অতি পাকা বলে। ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতিতে বেশ কয়েকটি বিন্দুর থেকে সমদূরত্বে একটি বিন্দু খুঁজে পাওয়া সম্ভব, কিন্তু রাজনীতিতে এমন ক্ষেত্রে সকলেই বিরোধী বলে ধমকাবেন। বিশ্লেষক তাই সর্বদা পক্ষপাত এবং গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।



    (লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত।)
  • বিভাগ : আলোচনা | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ | ১২৪৮ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ২০:০০102232
  • কথা এবং যুক্তির প্যাচ পয়জার ছেড়ে আসল ব্যাপার বলুন ।..এই মুহূর্তে এই কৃষক আন্দোলন ।..সে স্যুট বুট পরা  হোক আর ছেড়া ধুতি পরা  হোক ।..মোদী সরকার নামক হিটলার শাহী কে কঠিন বার্তা দিলো কিনা ।..গণআন্দোলন চিরকাল এক ধারায় এক প্যাটার্ন নিয়ে চলে না ।..কিন্তু ওই বিজেপি 'র শুওরের বাচ্চা দের মুখে থাপ্পড় টা লাগিয়েছে ন তো এনারাই !!কোনো বুদ্ধি জীবি বা কোনো সাদা পোশাকের শ্রমিক করেনি ।..হয়তো আগামী দিনে করবে বা করবে না ।..কিন্তু সোজাভাষায় বলুন দাদা ।..এই কৃষক আন্দোলন আলোড়িত করতে পেরেছে এই সময়ে ।..যখন আমরা সবাই নপুংশক বৃত্তি করে চলেছি নিজ নিজ বৃত্তে !!!

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ২২:২০102235
  • এই যুদ্ধ একচেটিয়া পুঁজির বিরুদ্ধে সম্পন্ন কৃষক এবং মধ্যস্বত্বভোগী মাঝারি পুঁজির।

    1. অর্থাৎ সরকারের কাছে ঋণ নেওয়া দু-একজন লক্ষ কোটি টাকার মালিক এক দিকে,
    2. আর সরকারি সহায়তা পাওয়া কয়েক লক্ষ জন লক্ষ বা কোটি টাকার মালিক অন্যদিকে।
    মানে কী? 
  • সম্পন্ন কৃষক | 188.148.43.169 | ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ২২:৩৯102237
  • সম্পন্ন কৃষক কত টাকার মালিক - সেটা বোঝাতে লক্ষ বা কোটি টাকার মালিক বলা হয়েছে, আমি যা বুঝেছি। 

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:০৭102238
  • তাহলে তো দুই দিকেই লক্ষ কোটি টাকার মালিক কৃষকেরা আছে বোঝাবে না?

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:২০102239
  • মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষকরা কত সহজেই এই রকম আন্দোলনকে সম্পন্ন কৃষক এবং মধ্যস্বত্বভোগী মাঝারি পুঁজির আন্দোলন বলে দাগিয়ে দেন। বিদেশে থেকেও এবং ফেসবুকে না থেকেও আমি যে খবর পাই এনারা সেই খবরটুকুও রাখেন না এটা খুবই বিস্ময়কর। যাঁরা গুরুতে লেখেন তাঁরা অন্ততঃ গুরুতে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো পড়বেন এটা প্রত্যাশিত।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=20282

    মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষকদের বর্তমান বা ভাবী সরকারের গুডবুকে থাকার একটা দায় থাকে।

  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 49.37.5.102 | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৬:২০102246
  • চালাকির দ্বারা মহৎকার্য্য হয় না ঠিক ই। তবে প্রবন্ধ লেখা মহৎঅকার্য্যের মধ্যে পড়ে না। আর গুরুচন্ডালি ওয়েবসাইট, এই ভদ্রলোকের কোন প্রবন্ধ ছেপেছে কিনা , তিনি মেডিয়ায় বিখ্যাত হবার আগে এটা একটু জানতে আগ্রহ ছিল। কেবল ই বড় নামের পিছনে ছুটলে ওঁছা প্রবন্ধ ঘন ঘন পাবার একটা অতি সরল সম্ভাবনা আছে, যেটা কিনা একেবারেই সমস্যাসংকুল না। 

  • Somnath Roy | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:২২102249
  • এই প্রবন্ধটা কেন ফাঁদা হয়েছে বুঝলাম না। শিরোনাম দেখে মনে হচ্ছিল দিল্লি যাবো,গেলাম দিল্লি রোডে!

  • :-( | 2402:3a80:abe:c6fb:f83c:81d8:eeca:2613 | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:৪০102250
  • অত্যন্ত হতাশ করলে গুরু !  এসব লেখাও পড়তে হল !!


    এটা কি মূলধারার সংবাদমাধ্যমের লেখা পড়ানোর বিজ্ঞাপন ছিল ?  মূলধারার সংবাদমাধ্যমের মূলধারার ?নাকি লেখক সেখানে লেখেন সেটি জানানোর ? 


    মূলধারায় ট্র্যাশ বেরলে সেই ট্র্যাশের যাবতীয় সমালোচনার ট্র্যাশতর উত্তরের ডাস্টবিন কি  অ-মূলধারার মাধ্যমগুলি ? মূলধারার পদমূলে এমনতর ঠাঁই পেলে ধন্য হয়ে যায় ?

  • Dhuttor | 2405:8100:8000:5ca1::58f:4ed5 | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:৫৬102252
  • মূলধারার দুপয়সার সাম্বাদকরা চাকরি খুইয়ে গুরুতে আসছে নাকি? হাবজ গাবজ লিখে দিচ্ছে ছেপেও যাচ্ছে।
    সময় নষ্ট শুধুধু

  • Sobuj Chatterjee | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১২:০৬102262
  • সিকি টা যে অন্ধকারে হারিয়েছে সেখানে টর্চ টা না জ্বেলে, যেখানে আলো আছেই সেখানে টর্চটা ধরলেন! তাতে কি আর সিকি পাওয়া যাবে। না খোঁজা টা বেশ ফন্দি করে গুলিয়ে দেওয়া যাবে!গোটা লেখাটা হতাশাজনক!

  • manimoy sengupta | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:৪২102286
  • ইনি এত খই ভাজলেন কী করতে ? বুুুুুঝলামনা ।


    কিসুই বোঝা গেলনা। না লিখলে, থুড়ি, খই না ভাজলে , খুব কি অসুবিধে হত?   

  • Uttan Bandyopadhyay | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:১৭102287
  • এটি একটি বাজে প্রবন্ধ। সব আন্দোলনে সবাইকে থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু এরকম স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে যে লড়াই করার স্পর্ধা দেখাচ্ছে লক্ষ মানুষ - এই শীতে , কত কষ্ট সহ্য করে ..... এটাকে ছোট করা হলে হবে এক মহা অন্যায়। তার থেকে এই অন্যায় লাঘব করার জন্য লেখক কিছুদিন কলম বন্ধ রাখুন।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন