• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • দম যেন মোর যায় …

    বিপ্লব রহমান
    বিভাগ : অপর বাংলা | ২২ এপ্রিল ২০২০ | ৩৬০ বার পঠিত

  • লকডাউনের একেকটি সন্ধ্যারাতে ভূতের শহর ঢাকা মহানগরী। ছয় কিলোমিটার মাত্র পথ। অফিস গাড়ি বাদে নিত্য হেঁটে ডেরায় ফেরা।  মুখোশে, ক্যাপে, হেভারশেকে ও ঝুলন্ত আইডিতে পদাতিক জবরজং।


    অবশ্য এই রীতি বছর পঁচিশ বা তারও কিছু বেশী। রিপোর্টারের কর্মস্থল বদলে  বদলায় দূরত্ব, দুই, পনের হয়ে এখন ছয়। সময়ে এখন উঁচু পদে পোর্টার, বাস্তবে নিউজক্লার্ক, নিতান্তই করে খাওয়ার চেষ্টা। মার্ক টালির স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সাপ্তাহিকীতে বলপয়েন্ট-নিউজপ্রিন্টে জীবন ক্ষয় করারকালেই। 

    আর এই সেদিন নাস্তিকব্লগার হ্যাশট্যাগে চাপাতিতন্ত্রের ব্লাসফেমাসে হন্টনে বিরতি। দেহরক্ষীতেও কী অষ্টপ্রহর সুরক্ষা নিশ্চিত? বা কোমরবন্ধের খাপে আত্মরক্ষা?  


    অকাতরে অভিজিৎ রায়দের গলা কাটার আস্কারায় হোলি আর্টিজান গদিতে ছেটায় সুলেখা কালি, কলংকের চেয়েও কালো। নিব্রাস গংদের অটোমেটিক আর ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে উল্টে যায় পাশার দান। 


    একের পর বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার, এনকাউন্টার, কাউন্টার টেরোরিজমের পারম্পরায় আবার পথ থেকে পথে।…


    সমতলে এসব আসলে ছেলেখেলা, যুদ্ধদিনে দূর পাহাড়ে টানা ২২ কিমি লংঘনের রেকর্ড, একদমে ক্রেওক্রাডং গিরি অতিক্রম সাইডস্টোরি মাত্র। 


    করোনা ছোবলে অধিকাংশই সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টালকর্মী স্বেচ্ছা গৃহবন্দিতে অনলাইন অফিসে গেছে অনেক আগে। ফুটেজ-ভয়েজের হ্যাপায় টেলিভিশন-এফএমের সে সুযোগ নাই। মাঝে খবরের লোকেরাই করোনা ঘায়েলে খবর হয়ে আসে। প্রথমে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি, তার যমুনা, এটিএননিউজ ও দীপ্ত। পরিস্থিতি বিপর্যয়ে পক্ষকাল বন্ধই হয়ে যায় দীপ্তনিউজ।  


    এ হেন বৈরি দশায় বদলে যায় কর্মঘণ্টা। ১০ ঘণ্টার ঘানিতে এখন সপ্তাহে দুদিন ডে অফ। এই কর্মকৌশলে অফিসে কিছুটা লোকসমাগম হ্রাস! ঘাটে ঘাটে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবানু নাশক স্প্রে, টিস্যু, ব্যতি ব্যাস্ত ক্লিনার, প্রতি কাঁচের দরজায় ‘কী করিতে হইবে’ নির্দেশনা। সঙ্গরোধের শর্তে পিক অ্যান্ড ড্রপের গাড়িতে একজন করে আরোহী।  


    সে সবই বাইলাইন, ব্লগর ব্লগর মাত্র। বিষয়ে ফিরলে আবার সেই কিম্ভুদ গা ছমছমে পাষাণপুরীর সন্ধ্যারাত। 


    সিরামিকের নকশাকাটা চেনা ফুটপাথের শুরুতেই সিদ্ধেশ্বরীতে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল। গেটে বিক্ষিপ্ত হাসাপাতালের লোকজন সুরক্ষা পোষাকে যেন নভোচারী। ব্যাটন, গলায় ঝোলানো বাঁশিতে দ্বাররক্ষী সনাক্ত হয়। প্রতি হাসপাতাল সংলগ্ন উপচে পড়া ডাস্টবিন যেন আবশ্যিক। 

    ঊনমানুষের দিনরাত্রি


    গতি মন্থরে দেখে নেওয়া ল্যাম্পপোস্টের নীচে ট্রলি, রিকশা ভ্যানে নগর আবর্জনা সংগ্রহকারী নারী-পুরুষ কর্পোরেশন কর্মী। হাতাকাটা সবুজ জ্যাকেটে স্টেনসিল ছাপে পেশাগত পরিচয়। বেলচা আর আকশিতে পুঁতি-দুর্গন্ধময় উচ্ছিস্ট ঠেলে ঢোকানো বিশাল ডাস্টবিন কন্টেইনারে। সংলগ্ন ফুটপাথে পা ছড়িয়ে সিগারেট ফোঁকা হাড় সর্বস্ব নারী-পুরুষ। কারো সাথেদুধের শিশু, না হয় দুয়েকটি বোচকা। কয়েকজনের মুখে আনাড়ি মুখোশ। সংক্রামণ সুরক্ষা এইমাত্র, অধিকাংশের তাও নাই। 


    বলাই বাহুল্য, এসবে গার্হস্থ্য বর্জ্যের সার্থে হাসপাতাল বর্জ্যও মিশে আছে। 


    আরেকটু এগিয়ে মগবাজার ওয়ারলেস গেট লাগোয়া কমিউনিটি হাসপাতাল প্রবেশ পথ। আবশ্যিকভাবেই সেখানেও দু-তিনটি খোলা ডাস্টবিন কন্টেইনার। আর সেসব  ঘিরে যেন একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি। সবুজ জ্যাকেটের ভিতর চোয়ালভাঙা, কৃশকায় নারী-পুরুষও অনুরূপ। 


    মিডিয়াতে আসে সামান্যই করোনা যুদ্ধের এইসব সৈন্যদল কথা।  আর বোধগম্য কারণেই মান্যবর সরকার বাহাদুর, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, নেতা, তস্য নেতা, টকশো ব্যক্তিত্ব বা মুখস্ত কলমচি – প্রত্যেকের দ্বারা উহারা হন উপেক্ষিত।


    রাজস্বের কেন্দ্রের পরিযায়ী পোশাক শ্রমিকই যখন রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার বাইরে থেকে যান, তখন এইসব মেথর, ধাঙড়, চণ্ডাল, সুইপার (হালে ‘পরিচ্ছন্নকর্মী!’, কি দারুণ গালভরা নাম) কোন ছাড়? 


    সম্প্রতি গণপরিবহন বন্ধের ভেতরেও কারখানা খোলার খবরে হাজার হাজার গার্মন্টেস কর্মী গিজগিজে ভীড়ে (সামাজিক দূরত্ব?) শত শত মাইল পথ হেঁটেই পাড়ি দেন। মিডিয়ার খবরের একদিন পর চটজলদি কারখানা বন্ধ করে মালিক কোং হাত ধুয়ে ফেলেন, করোনা ফ্রি হন। 

    অন্যদিকে কর্তব্যজ্ঞানে পুলিশমন্ত্রীর লাঠিপেটায় ঢাকামুখি মহাসড়ক খালি হয় শিগগিরই।


    ফিরতি যানের অভাবে ফের সেই একই পথ ভোগান্তি, গাদাগাদি নারী-পুরুষ শ্রমিক। উন্নয়নের মহাসড়কের কি দারুণ সমন্বয়!



    'মানুষের লাথি খেতে খেতে বড় হয়েছি

    তবু এখনো এতে ঠিক অভ্যাস হলো না।

    প্রতিটি লাথিকেই মনে হয় প্রথম লাথি

    গলাধাক্কাগুলোও থাকে একইরকম নতুন।

    এখনো অভ্যাস হলো না অহেতুক চড়ে

    প্রতিবারই বুক কাঁপে, ভারসাম্য হারাই,

    মাথাটা এদিক থেকে ওদিকে যায় সরে।

    প্রতিবারই বুক কাঁপে, ভারসাম্য হারাই,

    আমার মাথা মানুষের পায়ে পায়ে ঘোরে!'

    (ইমতিয়াজ)




    গাড়ি রেখে ইস্টিশান দৌড়চ্ছে…    


    লাগোয়া রাজপথ ও ফ্লাইওভার ফাঁকা পড়ে থাকে অতিকায় মৃত এনাকোন্ডার মতো। মাঝে মাঝে সাঁই সাঁই করে ছুটে যায় অ্যাম্বুলেন্স। শুন্যগর্ভ শহরে সাইরেনের বালাই নাই। আরো কিছু এগুলো ফুটপাথের পাশে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত কতিপয় ভিখিরি,  ডান্ডিখোর নেশাড়ে, গলির মুখে মুখে দু-একটি রিকশা। 

    এছাড়া মোড়ে মোড়ে চেনা পুলিশ ভ্যান, লাঠি হাতে, হ্যান্ড মাইকে তৎপর। পাশেই সেনাগাড়িতে ক্লান্ত উর্দি পিকআপ। গাড়িতে ঝোলানো ব্যানার ‘ঘরে থাকুন’ ইত্যাদি। 


    আরো এগুলে ইস্কাটনের জাতীয় চার্চ পরিষদের গেটের সেই চেনা বয়েজকাট আধপাগল বুড়ির সাক্ষাৎ। দেখেই তোবড়ানো গালে হাসি, ‘আইজও দিবি? ১০ টেকা দিয়া যা বাজান। খায়া দোয়া করুম!’


    বঙ্গবন্ধুর জলছাপের মূদ্রার বিনিময়ে প্রাপ্ত দোয়ায় ভাগ্য ফেরে নাকি? নাস্তিবাদের বাইরে শুভ কামনায় মায়া থাকে তো! এটি সব জ্ঞানের মহানজ্ঞান- কাণ্ডজ্ঞান। হোক পথের লোক, নোংরা, এলোমেলো মাথা ও পারিপার্শ্ব। স্বীয় জন্মদাত্রীও তো একই বয়সী, তারও তো স্মৃতিভ্রষ্ট অনেককাল—অ্যালঝেইমার্স। দুইজন সার্বক্ষণিক নার্স, সাবেক রেডিও অফিসের কেরানী, চিরদুঃখি মা জননী গো (গুগল করে দেখুন, আমার মা সিরাজী বিটি)!


    সন্ধ্যারাতের এই টুকরো দৃশ্যের বিপরীতে, দিনের বেলা যেন চোর পুলিশ খেলা। লাকডাউনের ভেতরেই আড্ডাবাজী, দেদারছে ঘোরাঘুরি, বাতিল বৈশাখি মেলার ঘাটতিপূরণ যেন, কিসের সামাজিক দূরত্ব? ‘আমরা আসলে বাইরাইছি লকডাউন দেখতে!‘…



    ওদিকে, একের পর এক খবর আসে ভুখা মিছিলের। টেলিভিশনের পর্দা জুড়ে ত্রাণ, আর ত্রাণ। রথি-মহারথিরা কর্মক্ষম মানুষকে পরিস্থিতির সুযোগে ভিখিরির মতো লাইন করান, চালডালআলুর বস্তায় ফটো সেশনে চেহারা মোবারক দেখান, সেলফির পর সেলফিতে সাইবার স্পেসের কি গুচ্ছের অপচয়! 


    এক কিল মারার গোঁসাইয়ের জিজ্ঞাস্য, গরীব-বধের রাজনীতির ফুটেজ হচ্ছে তো? মোবাইলে ফোং ব্লকের পর ঢং করে পাহাড়ে বাজে অতিকায় কাঁসার ঘণ্টা। ‘বুদ্ধং শরনাং গাচ্ছামি… হে বুদ্ধ, আমি তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি, ধর্ম্মং শরনাং গাচ্ছামি… হে ধর্ম, আমি তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি, সংঘং শরনাং গাচ্ছামি… হে সংঘ, আমি তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি’…। 


    মনে পড়ে, রিডার্স ডাইজেস্ট, লাফটার, দ্য বেস্ট মেডিসিন। 


    প্রতি সন্ধ্যায় স্বামী (প্রভু?) মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরে বউকে অকথ্য গালিগালাজে কাঁদিয়ে ক্ষান্ত হতেন। শান্তশিষ্ট বউটি কান্না চাপতে বাথরুমে ঢুকে গিয়ে কিছুক্ষণ পর বেরুতেন হাসিমুখে।… স্বামী প্রবর অবাক হন, কিন্তু কৌতুহল চেপে যান। 


    পরে একদিন জেরার জবাবে বউটি জানায়, গালমন্দ খেয়ে তিনি বাথরুমে গিয়ে স্বামীর টুথব্রাশে কমোড পরিস্কার করেন, আর এতেই চিত্ত হয় প্রফুল্ল!   


    তবে সরকার পক্ষ, বরাবরই অস্বীকার করেন, খাদ্য সংকট। ভুখা মিছিলে নাকি বিরোধীদের উস্কানী আছে, মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর কাছে পাকা তথ্য আছে হয়তো।

    পাশাপাশি সোনার (আওয়ামী) ছেলেদের এন্তার চালচুরির খবরও আসছে। এক টিকিটে দুটি ছবি, দেখতে চোখ রাখুন :



    অলি আল্লাহর দেশে করোনা-মরোনা আইতো ন’


    সাধারণ শিক্ষিত, খুব সচেতন উচ্চবিত্ত-উচ্চ মধ্যবিত্তের বাইরে আম জনতা মোটেই করোনা কামড়ে চিন্তিত নন। প্রথম থেকেই নীতির শৈথিল্য, মসজিদে মসজিদে কুমন্ত্রণা, প্রতিভা সরকারের লেখায় নামগোত্রহীন বছিরুদ্দি(ন?) যেরূপ বলেন বা নওমুসলিম যুব সমাজের ক্র্যাশ, নুরানি নেতা তাহেরি যেমন বলেন, “ব্রাদার ইসলাম, করোনা থিকা বাঁচার জন্য মসজিদ, ওয়াজ বন্ধ করা চ’লবে না!” (লাখো কণ্ঠের হুংকার ধ্বণী : নারায়ে তাক্ববীর! আল্লাহু আকবর!)

    “শুইন্যা রাখেন সকলে, দেড়শ টাকা দিয়া মাস্ক না কিইন্যা, ২০ টাকা দিয়া টুপি কিনেন মিয়া!”…


    ফলতঃ ইসলামিক রোদ্দুরের ক্লিপিং দ্রুতই ভাইরাল, টিকটক হলেও তাই। “বুঝলে বুজপাতা, না বুঝলে তেজপাতা!” দুষ্টজনে টি-শার্টে এই অমৃতবচন লিখে গাঞ্জা আর তেজপাতার ছবিতে কোলাজ করেন! 


    আসমানী শিক্ষার হাইব্রিড চাষাবাদের ফল হাতে


    হাতে, সব বজ্র আঁটুনির ফস্কা গেরো হয় ফাঁস। লকডাউনের ভিতর খেলফত নেতার নামাজে জানাজায় লাখ লাখ আল্লাহর সৈনিকের সমাবেশ, এ সময়ের বৃহৎ জনসমাগম ! 


    কী চমৎকার ফল গো গুরু, ধরে ওই গাছে…



    (ক্রমশ…)

    --

    ছবি: অমিতা চক্রবর্তী, জাপান গার্ডেন সিটি, ঢাকা।

     


    পূর্বকথা ঃ


    'বাংলাদেশে সঙ্গরোধ?'


    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17268

  • বিভাগ : অপর বাংলা | ২২ এপ্রিল ২০২০ | ৩৬০ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • প্রতিভা | 162.158.106.161 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ০৯:৪৬92605
  • "আমরা আসলে বাইরাছি লক ডাউন দ্যাখতে..."

  • রৌহিন | 162.158.107.152 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৭92607
  • শ্রমিক। সাফাইকর্মী। চণ্ডাল। এদের নাগরিক মনে করলে রাষ্ট্রের চলে না, কারণ তাতে আমাদের চলে না। পরমুখাপেক্ষী আমরা কার মাথায় পা রাখব এরা না থাকলে? কে পার করে দেবে জীবনতরী, এক দশমাংশেরও কম কিম্বা প্রায় বিনা মজুরীতে?
  • রৌহিন | 162.158.107.152 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৭92608
  • শ্রমিক। সাফাইকর্মী। চণ্ডাল। এদের নাগরিক মনে করলে রাষ্ট্রের চলে না, কারণ তাতে আমাদের চলে না। পরমুখাপেক্ষী আমরা কার মাথায় পা রাখব এরা না থাকলে? কে পার করে দেবে জীবনতরী, এক দশমাংশেরও কম কিম্বা প্রায় বিনা মজুরীতে?
  • বিপ্লব রহমান | 162.158.107.152 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ১১:২২92610
  • প্রতিভা দি, 

    পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।  আগামীতেও সাথে থেকো। 

    রৌহিন দা, 

      'এদের নাগরিক মনে করলে রাষ্ট্রের চলে না, কারণ তাতে আমাদের চলে না।' 

    এই অনাচার আর কতোকাল? এই মানুষের কী নূন্যতম মর্যাদা থাকতে নাই?  :/     

  • একলহমা | 162.158.186.41 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ১২:০৩92611
  • এ ছবি চলছে নিরন্তর। কোলাজ যথাযথ।

  • বিপ্লব রহমান | 162.158.107.218 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ১২:৪৩92612
  • একলহমা,  

    আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।    

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত