• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • আমার টুকিটাকি লেখালেখি

    ধীমান মন্ডল লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১২ এপ্রিল ২০২০ | ৬৭৪ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • না লেখা-লেখি সেই অর্থে করা হয়নি কখনও। ওসব আমার কাজ নয়। লেখক হতেও চাইনি কখনও আজও চাইনা।
    তবে বাঙালি পোলাপানের একটা বয়সে হাত কামড়ায় পৃথিবীর সব কথা সাজিয়ে সাদা কাগজে চাষাবাদ করতে। আমারও মনে হয়েছিল কিছু লেখাই যায়। একটা ছোট্ট শক্ত বোর্ডের মলাট দেওয়া খাতায় লিখেই ফেললাম দু-চার লাইনের কয়েকটা কবিতা, সেই পবিত্র দলিল খাতাটাই আজ আমার সংগ্রহে নেই। তখন বাড়িতেই এক কামরার জীবন।হ‍্যাঁ আমার প্রথম লেখা ওটাই। বাবা প্রতি বছর একটা ছোট্ট ডায়েরি কিনে দিতেন দিনলিপি লেখার জন‍্য। প্রতিদিনের কতকিছু যে অগোছালোভাবে লিখতাম। অনেকদিন পর্যন্ত সেই অভ‍্যাস ছিল। H S পড়ার সময় শুনলাম আমাদের স্কুল থেকে একটা পত্রিকা বেরুবে। আমরাও সেখানে চাইলে লিখতেই পারি। ভাবলাম লেখাই যায়। লিখেও ফেললাম একটা ছোটগল্প। জমা দিলাম, লেখা বাছাই চলছে, দায়িত্বে থাকা স‍্যার ডেকে পাঠালেন অফিসে। জানতে চাইলেন "এই লেখাটা তুমিই লিখেছ?" বললাম হ‍্যাঁ স‍্যার আমারই লেখা। কিছুতেই মানলেন না। অনেক বুঝিয়েও বিশ্বাস করাতে পারিনি ওটা সত‍্যিই আমার লেখা। বলাবাহুল‍্য আমার সেই গল্পটা আর নির্বাচিত হয়নি।
    আমাদের মাধ‍্যমিক পড়ার সময়ে মোবাইল এর কথা স্বপ্নেও ভাবিনি,এমনকি ঢাউস ল‍্যান্ডফোনের কথাও ভাবতে পারতাম না। তখন দুরত্বের নদী পেরনোর,অনুশাসনের বেড়া ডিঙানোর একটাই বাহন চিঠি। কিছু আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধবের কাছে চিঠি লিখতে শুরু করলাম । মনের কথার এমন নিটোল বুনোন চিঠির মত আর কিসে ফুঠিয়ে তোলা যায়! লাল নীল অক্ষরের সোনার কাঠির ছোঁয়ায় কি সুন্দর জীবন্ত হয়ে উঠত না বলা কথারা। এক বাগান তাজা গোলাপ,এক বুক বসন্ত কি অদ্ভুত জাদুতে সেঁটে যেত ছোট্ট একটা পোষ্ট কার্ড বা A4 সাইজের একটা সাদা পাতায়। কিছু বন্ধুর আমার চিঠি পড়ে ভাল লাগত।দেবাশিষ তাদের একজন। দেবাশিষ থাকত বজবজ সন্তোষপুরে।আমার লেখার বরাবরই ভক্ত। ও ভালো ছবি আঁকত। সন্তোষপুর যেতাম মাঝেমধ্যে। অন‍্যতম প্রয়োজন ছিল ওর ছবি দেখা। আমি জোর করতাম ওর নতুন ছবি আঁকার জন‍্য আর ও জোর করত আমার নতুন লেখা পড়ার জন্য।দুজনের মধ‍্য চুক্তি হল আমি একটা লেখা দিলে ও একটা ছবি এঁকে দেবে। সময় গড়িয়েছে, সময়ের সাথে Adjustment করতে-করতে আমরা ভুলেই গেছি আমাদের সেই ছেলেমানুষি চুক্তির কথা। ও এখন ছবি আঁকে S S K M এর I T U এ Patient দের সঙ্গে ।

    এক সময় নতুন বন্ধু জুটে গেল- রেডিও। জুড়ে গেল আমার জীবনের সঙ্গে, ভালো লাগার সঙ্গে,মন্দ লাগার সঙ্গে । ফেবিকুইকের এর আঠার চেয়েও অটুট সে জোড়। বাড়িতে থাকলে চান করার সময় টুকু ছাড়া আমার সারাক্ষণের সঙ্গী রেডিও। সে এক অন‍্য জীবন।চিঠি লেখা শুরু করলাম রেডিওতে। একের পর এক চিঠি পড়া হতে লাগল রেডিওতে।

    আমতলী-জয়গোপালপুর হাইস্কুলের চার বছরের হোস্টেল জীবন, আতাপুর-কেনারাম উচ্চমাধ‍্যমিক স্কুল জীবনকে পিছু ফেলে সুন্দরবন হাজী দেসারাৎ কলেজে ভর্তি হলাম। জীবনের নানা দিকের দরজা গেল খুলে। পড়াশুনাটাকে ঐচ্ছিক বিষয় করে অন‍্যান‍্য বিষয়ের পেছনেই সময় বেশি দিতে শুরু করলাম। রাজনীতিতে যোগ দিলাম, হোষ্টেল প্রতিনিধি হলাম। তিন বছরই ভোটে দাড়ালাম। জিতলাম। পত্রিকা সম্পাদকের দায়িত্ব পেলাম। নানা অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম। বাংলা অনার্সের কবিতা - উপন‍্যাসের কিছু লেখাজোকার সঙ্গে বাড়ল চিঠি লেখা। পেয়ে গেলাম আমার "পত্র-পাঠিকা", আমার মনের আয়না। সময়ের প্রয়োজনেই আমাদের ভৌগলিক দুরত্ব বেড়ে গেল। কিন্তু এত কথা, এত নতুন-নতুন অনুভুতি,এত খুনসুটির ভার একা বওয়া যায়! চলতে থাকল নিয়মিত চিঠি লেখালেখি।ঘরের দেওয়ালে টিকটিকি কি করে লেজ নাড়ছে,মশারা কিরকম মধুর সুরে বাঁশরি বাজাচ্ছে তার তুচ্ছ বিবরণ থেকে, রবীন্দ্রনাথ,সুভাষচন্দ্র, কার্ল মার্কস, একটা কবিতার লাইন কিভাবে সারা রাতের ঘুমকেড়ে নেয় সেসবই ছিল আমাদের আদান-প্রদানের বিষয়। চিঠি লেখা শুধু লেখকের উপর নির্ভর করে না, প্রাপকের প্রতিবিম্ব ফেলার উপরেও নির্ভর করে।এভাবেই দুজনার চোখে দুজনার জগৎ দেখার নেশায় সৃষ্টি হওয়া চিঠির ভিড় আজ আমার কাছে বড় অচেনা লাগে। নয়-নয় করে আমার মোট পাঠানো চিঠির সংখ‍্যা তিন' শর বেশী।কলেজ লাইফে লেখা বলতে ওই সব চিঠি আর বাংলা অনার্সের ক্লাসের কবিতা, উপন‍্যাস ইত‍্যাদি সম্পর্কে লেখালেখি, দেওয়াল-ব‍্যানার লেখার স্লোগান এইসব আর ডায়েরি তো ছিলই। আর দুটি উল্লখযোগ‍্য লেখা প্রথমটি আমার লেখা কলেজ পত্রিকার সম্পদকীয়,দ্বিতীয়টি আমার লেখা একটি কবিতা । পরপর তিন বছর একই সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছিল।
    পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে আরও দুটো পাক দিয়ে ফেলেছে।জীবনের ধারনা বদলাতে শুরু করল, ভাবনার জগতে ঘটতে থাকল তুমুল ওলোট-পালট। বুঝলাম " ফুল খেলবার দিন নয় অদ‍্য/ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা।" প্রশ্ন জাগতে শুরু করল আমরা যে ব‍্যবস্থার মধ‍্যে বাঁচি সেই ব‍্যবস্থা নিয়ে। যে ব‍্যবস্থা একটা শিশুকে বিশ্বাস করতে শেখায় প্রকৃতির নিয়মে নয় এ বিশ্ব সৃষ্টি করেছে সর্বশক্তিমান নামের এক কর্তাব‍্যক্তি,যে ব‍্যবস্থায় একটা মন্দিরে জমতে থাকে টনটন সোনা একই সঙ্গে মন্দিরের চারপাশে বাড়তে থাকে নিরন্ন মানুষের ভিড়, যে ব‍্যবস্থা একটা মানুষকে গেলাতে থাকে "এই জীবন কিছু নয় নিজের শোষিত শ্রেণীর জন‍্য কিছু করা নয় মৃত‍্যুর পরে আমাদের কল্পিত আত্মার পরমেশ্বর নামক একজন বড় বাবুর কাছে পৌছানো বা জান্নাতে ৭২ টা হুর পাওয়াই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। যে ব‍্যবস্থা মাত্র ১ শতাংশ মানুষের হাতে দেশের ৭৩ শতাংশ সম্পদ তুলে দেয়,আর বিনোদনের পাতায় তাদের বাচ্ছাদের হিসুর রঙের বিবরণ পড়ে পরম আনন্দ উপভোগ করে, যে ব‍্যবস্থা বুঝিয়ে দেয় একসঙ্গে বেড়ে ওঠা পাশের বাড়ির বন্ধুটি আগে হিন্দু-মুসলমান বা ডান-বাম তারপরে মানুষ সেই ব‍্যবস্থা নিয়ে,যে ব‍্যবস্থা আমাদের মুষ্টিবদ্ধ হাত আকাশের দিকে তুলতে দেয়না সবসময় হাত নীচে পাততে শেখায়।

    কলেজ থেকে বেরিয়ে অন‍্য লড়াই বাঁচার জন‍্য লড়াই,বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলানোর লড়াই, ঠিক পকেটের নীচের হৃদয়ের খবর আর রাখাই হয়না।এর মধ‍্যে এসে গেছে মোবাইল। চিঠির সম্রাজ‍্য হাত বদল হতে শুরু করল,দখল করে নিল ইন্টারনেট, এল সোস‍্যাল মিডিয়ায় যুগ। হাতের মুঠোয় পুরো জগৎ। শুধু মনের কথা বলা কেন ইচ্ছে হলেই দেখে নিতে পারি যাকে খুশি। আমার আর চিঠি লেখা হয়না।পূরানো অভ‍্যাস হাতের আঙুল বেয়ে নামতে চায়, বড় ইচ্ছে করে নিজের সাথে দেখা করার। এখনও লিখি, হলুদ পোষ্টকার্ডে নয়, সাদা কাগজেও নয়,মোবাইলে লিখি। লিখি নিজের জন‍্য, নিজের ভালো লাগার জন‍্য, সে লেখা অপরের হয়ে ওঠার দায় নেই, কারও ভালো বা মন্দ লাগার দায় নেই। যখন যেটা যেমনভাবে আসে,তেমন ভাবেই লেখার চেষ্টা করি। আমি পারিনা কোন শব্দের মধ‍্যে অন‍্য শব্দ গুঁজে দিতে,শব্দ নিয়ে খেলার বৃথা চেষ্টা করিনা, কোন লাইনের মধ‍্যে শ্রাবনের কলকল ধ্বনি নয়, ফোটাতে চাইনা আধোআধো চাঁদ বা মিটিমিটি তারা, গোলাপের বাগানও নয় -ফুলকে নিয়ে মানুষ বড় বেশী মিথ‍্যা বলায় বলেই" এখন আমার পছন্দ "আগুনের ফুলকি"। আমি প্রতিটি শব্দের হাতে ধরাতে চাই প্রতিবাদের মশাল, প্রতিটি লাইনে ছড়াতে চাই বিদ্রোহের আগুন। হয়তবা সেই শপথ রক্তে ধ্বনিত হয়,আমরা কাউকে যেন কথা দিয়েছিলাম "এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ‍্য" করে যাওয়ার বলেই... হয়তবা....
  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ এপ্রিল ২০২০ | ৬৭৪ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Abhibhusan Majumdar | ১৩ এপ্রিল ২০২০ ১৩:৩০92262
  • বেশ সুন্দর

  • r2h | 162.158.159.45 | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৮:০৬92470
  • লড়ে যান 

    বিপ্লব আসবেই 

  • Jharna Biswas | ২৯ এপ্রিল ২০২০ ২০:৩২92825
  • হয়তো কোয়েন্সিডেন্ট...আপনার এই লেখাটা আজ বিকেলেই পড়লাম। আর সকালেই শেষ করলাম চিঠি নিয়ে আমার একটি লেখা...সত্যিই আমাদের সেই চিঠিলেখা হারিয়ে যাচ্ছে...এস এম এস বা ইমেইল সেই চিঠিলেখার জায়গাটা কোনদিনই নিতে পারবেনা জানি...

    আপনার লেখা অসম্ভব ভালো লাগল...কিভাবে আমরা নিজেও দিন দিন বদলে যাই তারই প্রতিচ্ছবি পেলাম...তাও অনুরোধ চিঠিলেখা ছাড়বেন না... 

    "পেয়ে গেলাম আমার "পত্র-পাঠিকা", আমার মনের আয়না। সময়ের প্রয়োজনেই আমাদের ভৌগলিক দুরত্ব বেড়ে গেল। কিন্তু এত কথা, এত নতুন-নতুন অনুভুতি,এত খুনসুটির ভার একা বওয়া যায়! চলতে থাকল নিয়মিত চিঠি লেখালেখি।ঘরের দেওয়ালে টিকটিকি কি করে লেজ নাড়ছে,মশারা কিরকম মধুর সুরে বাঁশরি বাজাচ্ছে তার তুচ্ছ বিবরণ থেকে, রবীন্দ্রনাথ,সুভাষচন্দ্র, কার্ল মার্কস, একটা কবিতার লাইন কিভাবে সারা রাতের ঘুমকেড়ে নেয় সেসবই ছিল আমাদের আদান-প্রদানের বিষয়। চিঠি লেখা শুধু লেখকের উপর নির্ভর করে না, প্রাপকের প্রতিবিম্ব ফেলার উপরেও নির্ভর করে।"

     এ কথা সত্যই। ভীষণ ভালোলেগেছে পড়তে। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন