• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • একুশ দফা - দিলীপ ঘোষ

    অনুবাদ - প্রতিভা সরকার
    আলোচনা : বিবিধ | ৩০ মার্চ ২০২০ | ১১৮৪ বার পঠিত

  • জানতে চাইছ গতকাল থালি বাজিয়েছি কিনা। হ্যাঁ অবশ্যই বাজিয়ছি। তবে কিনা একবার দুবার নয়, গুণে গুণে ২১বার !
    সুকুমার রায়ের " একুশে আইনে"র কথা মনে পড়ে গেল তো? আসলে একুশ দফার বক্তব্য আছে আমার। সেগুলো কানে তোলার জন্য একবার নয়,দরকার হলে বার বার থালা বাজাতেই থাকব।

    ১) যারা আমাদের জীবন বাঁচাবার কাজে নিরলস তাদের জানাই কৃতজ্ঞতা। এঁদের মধ্যে অনেকেই আমার প্রাক্তন সহকর্মী।
    ২)কোভিদ১৯ ভাইরাস পরীক্ষা করবার আরো অনেক ল্যাব দরকার। এই মূহুর্তেই। শুধু যারা বিদেশাগত বা বিদেশফেরতদের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের পরীক্ষা করলেই তো চলবে না,
    বিন্দুমাত্র সন্দেহ হলেই যে কাউকে পরীক্ষা করতে হবে। হ্যাঁ, রোগীকে আইসোলেটেড করতে হবে, নাড়ীনক্ষত্র খোঁজ করে তার দ্বারা সংক্রামিতদের বার করতে হবে, বহিরাগতদের কোয়ারান্টিনে রাখতে হবে। সবই ঠিক। কিন্তু সবার ওপরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করবার জন্য সবকিছুই ঢেলে সাজাতে হবে।
    ৩) স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের জায়গার পরিবেশ ঠিক রাখা এবং তাদের যথষ্ট এবং যথাযথ ইকুইপমেন্ট দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু হাসপাতালে নয়, যারা আইসোলেশন এবং কোয়ারেন্টিন পদ্ধতি দেখভাল করবেন, তাদেরও। এই স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং রোগীদের জন্য কার্যকর মাস্ক এবং স্টেরিলাইজিং ফ্লুইডের অঢেল যোগান চাই।
    ৪) সরকারি হাসপাতালগুলিকে জরুরি ভিত্তিতে চাঙা করে তোলার কাজটি জলদি সেরে নিতে হবে। সাধারণকে জনস্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেবার এটি অব্যর্থ উপায়। প্রত্যেক হাসপাতালে একটি করে আইসিইউ থাকুক। সম্ভাব্য আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং ভেন্টিলেটরও। অক্সিজেন সাপ্লাই নিশ্চিত করা হোক। প্রচুর স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে দরকারি ওষুধপাতি, অন্যান্য জিনিস, অক্সিজেন সব কিছুর যোগান নিশ্চিত করতে হবে। এইগুলো অনেক আগেই করা উচিত ছিল, এখন তো হোক।
    ৫) যদি অতিমারী তার দাঁতনখ পুরোটা বার করেই ফেলে, যেন সমস্ত রকম স্বাস্থ্য পরিষেবা বন্দোবস্ত, এমনকি প্রাইভেট হাসপাতালগুলিকেও জেলায় জেলায় কেন্দ্রীভূত সরকারি ব্যবস্থার অধীনে নিয়ে আসতে হবে। স্বাস্থ্য পরিষবা সংক্রান্ত নানা জিনিসের যোগানের সঙ্গে বাজারি ব্যবস্থার দূরতম সংস্পর্শও থাকবে না। সমস্ত প্রটোকল , প্রশাসনিক কাজকর্মকে অতিমারীর মোকাবিলায় অন্যভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে।
    ৬) ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভেলিয়েন্স প্রোগ্রামকে জোরদার করা হোক। এই রোগের পরীক্ষা দ্রুত করা, রিপোর্ট দেওয়া ইত্যাদি। তবে সেটা সিজনচেঞ্জের সময়কার সমস্ত ফ্লু এবং অন্য জ্বরে মৃত্যুর খতিয়ানশুদ্ধ। সে প্রাইভেট বা পাবলিক যে হাসপাতালেই হোক না কেন! এসব না হলে অতিমারী এদেশে ভয়াবহ চেহারা নেবে এবং যেখানে সংক্রমণ আদৌ হবার কথা নয়, সেখানেও হবে।
    ৭) দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা হিসেবে ভাবা যেতে পারে প্রত্যেক জেলায় সরকারি রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের কথা, যারা কোভিড ১৯ এর মতো কেসে টেস্ট করতে পারবে, রোগলক্ষণ সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে আগাম সর্তকতা ও উপদেশ জারি করতে পারবে।
    ৮) অনেক রাজ্য যেমন করেছে, বায়োমেট্রিক ডিভাইস বা POS মেশিন ব্যবহার মুলতুবি রাখা, দেশ জুড়ে সমস্ত ওয়েল্ফেয়ার স্কিমে তাইই হওয়া উচিত। নাহলে ঐ রন্ধ্রপথে রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
    ৯) রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সময় জনস্বাস্থের ব্যাপারটিই সবচেয়ে গুরুত্ব পাবে। দুষ্প্রাপ্য সম্পদ বন্টন সর্বোচ্চ মূল্যদাতাকে অগ্রাধিকার না দিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এই সমস্যাটি ২০০৯ সালে H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী ( ট্যামিফ্লু)র সময় দেখা দিয়েছিল। চিকিৎসা এবং টিকাকরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অবশ্যকর্তব্য, যাতে পেটেন্টের ক্ষেত্রে একচেটিয়ার প্রবণতা রোধ করা যায় এবং সম্ভাব্য চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপাতি/ যন্ত্রের উৎপাদন সীমিত না হয়ে পড়ে।
    ১০) শিক্ষা এবং সচেতনতার মাধ্যমে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা অভ্যাস করতে হবে। জোর করে কিছু হবে না। সামাজিক, ধর্মীয়, ক্রীড়াসম্পর্কিত, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক, সবধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ না করে পিছিয়ে দেওয়া হোক।
    ১১)গৃহে অবরুদ্ধদের জন্য সামাজিক সেবা, পণ্য সরাবরাহ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। অবরোধের কারণে যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যাদের কাছে অত্যাবশ্যকীয় সেবা কোনো কারণে পৌঁছচ্ছে না, তাদের প্রত্যেকের জন্য। তাদের শারীরিক, মানসিক সুস্থতার জন্য চিকিৎসা ওষুধপাতির ব্যবস্থা রাখতে হবে। অনেক বাচ্চার সাপ্লিমেন্টারী নিউট্রিশনের দরকার হবে, বিশেষ করে তাদের যাদের বাবা মায়েরা কর্মচ্যুত। এইরকম সার্ভিস কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে বন্ধ করে দেওয়া অন্যায়।
    ১২)ব্যাপক অবরুদ্ধ জীবনযাত্রার কালে দেখতে হবে অবরোধ যেন মানবিক উপায়ে লাগু করা হয়।মানবাধিকারের মূল কথাটি যেন আমরা ভুলে না যাই। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলি, সিভিল সোসাইটি এবং ট্রেড ইউনিয়ন গুলির পুরো পদ্ধতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ কাম্য।
    ১৩)অতিমারীর ঘটনা প্রভাব ইত্যাদি রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে মিডিয়ার ওপর কোন বিধিনিষেধ চাপানো চলবে না। যদিও রোগের প্রকৃতি, উৎস ইত্যাদি রিপোর্ট করার ব্যাপারে সরকারি চ্যানেল কী বিধিনিষেধ অনুসরণ করছে তা খেয়ালে রাখা উচিত। অসমর্থিত সূত্র হলে ডিসক্লেইমার ইত্যাদি দিয়ে দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তাই বলে মিডিয়ার ওপর ব্ল্যাঙ্কেট ব্যান কখনওই সমর্থন করা যায় না।
    ১৪) ন্যুনতম আর্থিক বন্দোবস্ত, এ ক্ষেত্রে সংখ্যাগুরু মানুষের আয়ের নিশ্চিতিকে জনস্বাস্থ্যের সমান গুরুত্ব দিতে হবে।সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। খেটে খাওয়া মানুষ, গরীবগুর্বোদের ওপর আর্থিক অভিঘাত অনেক বেশি মারাত্মক হয়। নিশ্চিত আয়ের সচ্ছল শ্রেণিকে এটা বুঝতে এবং স্বীকার করতে হবে। একাজে সহায়তার জন্য সাধারণ শিক্ষাপ্রণালীকে সচেতনতার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। অবরোধ কালে যাদের রুজিরোজগার নিয়ে টানাটানি চলে, কম্যুনিটির সমর্থন ছাড়া তাদের বাঁচবার আর কোনো উপায় নেই।
    ১৫) খাদ্যসুরক্ষাকে চাঙ্গা করতে প্রচুর অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে হবে। রেশন ব্যবস্থা ( PDS) ঢেলে সাজানো,অর্থ হস্তান্তর ( cash transfer) ইত্যাদি করতে হবে। রেশনে মোট খাদ্যশস্য ৫০% বৃদ্ধি ক্রতে হবে। এর ভেতর দানা শস্য ভোজ্যতেল ইত্যাদিও থাকবে। হাত ধোবার গুরুত্বের জন্য সাবানও দেওয়া যেতে পারে।
    ১৬) অবস্থা বুঝে অন্ত্যোদয় কার্ড ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে। খরা সম্পর্কিত সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুসরণ করে কারো প্রয়োজন বুঝে তাকে রেশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করে নিতে হবে।
    ১৭) দরকারে রেশন বাড়িতে দিয়ে আসতে হবে। লোক দোকানে এসে যাতে গাদাগাদি ভীড় না বাড়ায় তা দেখতে হবে। গৃহহীন এবং শিশুরা যেন রেশনবঞ্চিত না থাকে। অবরোধকালে এরাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়।
    ১৮) অনেক রাজ্যে স্কুল এবং অঙ্গনওয়ারী ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে শিশুর খাবার, গর্ভবতী মা, স্তন্যদায়িনীর সুষম পুষ্টি যাতে অনায়াসে পৌঁছে যায় য়ার সুব্যবস্থা করতে হবে। বাড়িতে রেশনদ্রব্য হিসেবে পৌঁছে দেওয়া যায় ডিম, দানাশস্য, তেল ও অন্যান্য জিনিস। নিজে থেকেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে একথা রয়েছে যে এই অতিমারীর বাড়বাড়ন্তের সময় সকল রাজ্যগুলির একটি ঐক্যবদ্ধ পলিসি চাই, যেন এই অসুখের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে শিশুদের জন্য, অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়িনী মায়েদের জন্য সুষম পুষ্টিকর খাদ্যের যোগান কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়।
    ১৯) অতিমারীর জন্য যারা রুজি হারিয়েছে তাদের প্রত্যেককে যেন মজুরি- ক্ষতিপূরণ ( wage compensation) দেওয়া হয়। মালিকপক্ষ অসুস্থ কর্মীকে সবেতন ছুটি দেবে।
    ২০) ইউনিভার্সিটি হস্টেল, কর্মী হস্টেলের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে বলপূর্বক উচ্ছেদ না হলেই ভাল। ওই সব জায়গায় জল খাবার ইত্যাদির সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। বিশেষ করে যেসব জায়গায় ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, মানুষ নিজের ঘরে ফিরতে পারেনি, সেখানে এই ব্যাপারটি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।
    ২১) বৃদ্ধরাই করোনার মূল শিকার। সেকারণে যাদের পেনশন অত্যন্ত কম, তাদের ক্ষেত্রে সেটা বৃদ্ধি করা উচিত। প্রয়োজনে তাদের কাছে শীঘ্র সাহায্য পৌঁছবার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    একই ভাবে সামাজিক সুরক্ষা ভাতা, যেমন বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, ইত্যাদি বৃদ্ধি করবার কথাও ভাবতে হবে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ৩০ মার্চ ২০২০ | ১১৮৪ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • বিপ্লব রহমান | 162.158.166.18 | ৩১ মার্চ ২০২০ ১৯:৪৯91920
  • ঢাকা থেকে প্রতিটি দফাকেই দুই হাত তুলে সমর্থন জানাই।

    তবে বাস্তবতা এই যে, গেরুয়া সরকারের আমলে ২১ দফার দফারফা হতে খুব বেশি সময় লাগবে না। তখন থালা বাজালেই শুধু হবে না, হয়তো ভারতবাসী প্রান্তজনকে থালা নিয়ে পথেও নামতে হবে।

    এপারের চিত্রও প্রায় একই, দেশপ্রেমের ভাষণ, ইয়াহিয়ার শাসন!

    ওদিকে, লকডাউনে বাড়ি ফেরার তাগিদে হাঁটতে হাঁটতে অনাহারে মারা গেলেন যে দিনমজুররা, তাদের ক্ষুধারক্তঘামচিৎকার একদিন নিশ্চয়ই বোমার মতো সশব্দ প্রতিবাদে ফেটে পড়বে!

    ধৈর্য ধরে আছি সোনা!   

  • একলহমা | 108.162.237.129 | ০১ এপ্রিল ২০২০ ১১:০৬91927
  • প্রতিভাদি, এই অনুবাদের মূল লেখার লিঙ্ক পাওয়া যাবে?
  • প্রতিভা | 162.158.31.153 | ০১ এপ্রিল ২০২০ ১৩:৩১91940
  • হ্যাঁ যাবে। আমি দেবার চেষ্টা চালাচ্ছি। মূল লেখাটি আরো অনেক বিস্তারিত।
  • শামীম আহমেদ লস্কর | 162.158.51.147 | ০১ এপ্রিল ২০২০ ১৯:৩৬91949
  • ২১খানা দাবিকে পূর্ণ সমর্থন।
    বড়বড় চিন্তাবিদ-আমলা পরিবেষ্টিত 'সবকা সাথ, সবকা বিকাস'-ওলা সরকারের অ্যাজেন্ডায় এগুলো স্থান পায়নি ভেবেই অবাক লাগছে।
  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত