• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • বৈদিক ও ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃত ভাষা নিয়ে দু চারকথা

    souvik ghoshal
    আলোচনা : বিবিধ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯৫২ বার পঠিত

  • বেদের যে ভাষা তা কি সংস্কৃত ভাষা? বেদের ভাষা অর্থাৎ বৈদিক ভাষা ও সংস্কৃত ভাষার মধ্যে মিল কী আর অমিল ই বা কী?

    প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের যে পর্বটিকে আমরা সংস্কৃত সাহিত্য বলে জানি তাকে ভাষার ভিত্তিতে দুটি মূল ভাগে ভাগ করা জরুরী। পাণিনির সংস্কারের আগে প্রচলিত বৈদিক ভাষা এবং পাণিনি ও অন্যান্যদের দ্বারা তার লোকায়ত রূপটির সংস্কারের পর সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত নামটি লেখালেখি ও আলোচনায় ব্যাপক পরিচিত হয়ে ওঠার জন্য পাণিনি প্রমুখদের দ্বারা ঘষামাজা করা ভাষাটিকে বৈদিক সংস্কৃতের (সঠিকভাবে বললে বৈদিকের) থেকে পৃথক করার জন্য বলা হয় ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃত। বৈদিক সংস্কৃত কথাটি অনেকেই ব্যবহার করেন। আসলে একে বলা উচিত বৈদিক বা প্রাচীন ভারতীয় আর্য। বৈদিক বা বৈদিক সংস্কৃত ও ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃত বেশ কাছাকাছি, তবে বেশ কিছু ধ্বনিতাত্ত্বিক ও রূপতাত্ত্বিক পার্থক্য রয়েছে। এর কয়েকটি উল্লেখ করা যেতে পারে। বিস্তারিত আলোচনা ভাষাতত্ত্বের ক্ষেত্রভূক্ত।

    ১) বৈদিক ভাষার মূল অবলম্বন ছিল প্রাচীন ভারতীয় আর্যের উত্তর পশ্চিমী শাখাটি। কারণ বেদ রচনাপর্বে আর্যদের মূল অংশটি সেই অঞ্চলেই থাকতেন। পরবর্তীকালে আর্যরা আরো পূর্ব ও দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়েন। পাণিনির সংস্কারকালে মধ্যভারত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজনীতি ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। পাণিনি নিজে পশ্চিম ভারতের লোক হলেও সংস্কৃত ভাষার বিধি রচনার সময় তার মধ্যদেশীয় ডায়ালেক্টটিকেই মূলত অবলম্বন করেছিলেন। তবে তার সাথে সাথে উত্তর পশ্চিমা ডায়ালেক্টের অল্পস্বল্প প্রভাব রয়েছে।

    ২) বৈদিক ভাষার অনেক ধ্বনি আর সংস্কৃতে পাওয়া যায় না। যেমন ৯, কেবল ব্যতিক্রম ক৯প্‌।

    ৩) বৈদিক ভাষায় মূর্ধন্য ধ্বনির ব্যবহার বেশ কম ছিল, ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে তার ব্যবহার খুবই বেশি।

    ৪) বৈদিক ভাষায় স্বরাঘাতের প্রভাব ছিল অনেক বেশি এবং স্বরাঘাতের স্থান বদলের সাথে সাথে অর্থও বদলে যেত। কিন্তু ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে এই বৈশিষ্ট্য নেই।

    ৫) বৈদিকে সন্ধি অপরিহার্য ছিল না। যেমন - মনীষা অগ্নি এই প্রয়োগ ছিল। ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে সন্ধি প্রায় বাধ্যতামূলক। মনীষাগ্নি ছাড়া অন্য প্রয়োগ দেখা যাবে না।

    ৬) শব্দরূপ বৈদিকে অনেক বেশি ছিল। ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে তা অনেক কমে এসেছে।

    ৭) বৈদিক ভাষায় সমাসের জটিল রূপ তেমন ছিল না। তিনটির বেশি পদের সমাস তেমন দেখা যেত না। ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে বহু পদ মিলে সমাসের এক অত্যন্ত জটিল রূপ প্রায়শই দেখা যায়, যার উদাহরণ পাওয়া যাবে বাণভট্টের কাদম্বরীতে।

    ৮) বৈদিকে মোট আটটি কারক ছিল, সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ সমেত। কিন্তু ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে ক্রিয়ান্বয়ী কারকম এই সূত্র মেনে এই দুটিকে কারক বলে ধরা হয় নি।

    ৯) বৈদিকে প্রাক আর্য ভাষার শব্দ ও ধাতু তেমন দেখা যায় না। ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে বিভিন্ন প্রাক আর্য ভাষার ধাতু ও শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।

    ১০) বৈদিকে ক্রিয়ার কাল পাঁচটি। লট (বর্তমান বোঝতে), লৃট্‌ (ভবিষ্যৎ বোঝাতে), লঙ (অসম্পন্ন অতীত বোঝাতে), লিট (সম্পন্ন অতীত বোঝাতে) এবং লুঙ্‌(সদ্য সমাপ্ত অতীত বোঝাতে)। তার মধ্যে শেষ তিনটি ছিল অতীত কালের জন্য। ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃতে ক্রিয়ার কালের ব্যবহার বেড়েছে এবং তা সূক্ষ্মতর হয়েছে। অতীতে লঙ, লিট এবং লুঙ্‌ এর ব্যবহার ছাড়াও লৃঙ্‌ (সম্ভাব্য অতীত বোঝাতে) ও লুট্‌ (বহুভাষিত ভবিষ্যৎ বোঝাতে) ব্যবহৃত হত।

    প্রত্ন ইন্দো ইউরোপীয় ভাষাভাষীদের (এই ভাষাটিকে বিভিন্ন সূত্রের সাহায্যে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু এর কোনও দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় নি) বাসস্থান ছিল রাশিয়ার উরাল অঞ্চল ও ইউক্রেনের মাঝামাঝি এলাকায়। এখান থেকে খ্রীষ্টজন্মের প্রায় চার হাজার বছর আগে একটি দল রওনা দেয় দানিয়ুব অঞ্চলের দিকে। সেখান থেকে আনাতোলিয়া - তুরষ্ক হয়ে তারা আসে ইরানে। ইরান থেকে আফগানিস্থান হয়ে খাইবার পাস হয়ে তাদের প্রথম দলটি ভারতে প্রবেশ করে খ্রীষ্টপূর্ব দেড় হাজার অব্দ নাগাদ। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিভিন্ন দল প্রায় হাজার বছর সময়কাল ধরে একের পর এক ভারতে ঢুকতে থাকে।

    প্রথম যে দলটি ভারতে আসে তারা প্রাক আর্যদের সাথে শান্তিপূর্ণভাবে মিশে যায়। ইরানে থাকার সময় তারা কাসাইটদের সাথে সহাবস্থান করেছিল এবং তাদের সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। এরা খাইবার পাস দিয়ে ভারতে ঢোকে এবং কাবুল অঞ্চলে থাকতে শুরু করে। এর পর আরেকটি দল হিন্দুকুশ পর্বত পেরিয়ে বালখ উপত্যকায় প্রবেশ করে। পরবর্তী দলটি খ্রীষ্টপূর্ব ১৩০০ অব্দ নাগাদ ভারতে প্রবেশ করে। ইরানে থাকার সময় এদের সাথে ইরানীয়দের প্রবল মতান্তর হয় এবং তারা দক্ষিণ পূর্ব দিকে সরতে সরতে ভারতে আসে। ঋকবেদ এদেরই রচনা।

    প্রাক আর্য সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা বস্তুগত সংস্কৃতিতে বৈদিক আর্যদের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু বেদের মতো কোনও সাহিত্য কীর্তি তাঁরা রচনা করে যান নি। অন্তত তার কোনও প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।

    খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ থেকে খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দ পর্যন্ত সময়ের যে সাহিত্য তাকে আমরা বলতে পারি বৈদিক সংস্কৃত বা শুদ্ধ বিচারে বৈদিক আর্য পর্বের ভারতীয় সাহিত্য। আর তার পরের যে সাহিত্য তাকে আমরা বলতে পারি ক্লাসিক্যাল সংস্কৃত পর্যায়ের লেখালেখি। কালের দিক থেকে পালি সাহিত্য ও প্রাকৃত সাহিত্য এবং ক্ল্যাসিকাল সংস্কৃত সাহিত্য সমসাময়িক। এই সময় থেকেই আবার দক্ষিণ ভারতে প্রাচীন তামিল সাহিত্য তথা সঙ্গম সাহিত্য আমরা পেতে শুরু করি।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯৫২ বার পঠিত
আরও পড়ুন
খোপ - রৌহিন
আরও পড়ুন
#আমি - Jinat Rehena Islam
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • | 162.158.118.235 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৫৯91047
  • পানিণী পশ্চিম ভারতের লোক - এইতথ্য কোথা থেকে পেলেন
  • সৌভিক | 141.101.107.119 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:০২91051
  • In an inscription of Siladitya VII of Valabhi, he is called Śalāturiya, which means "man from Salatura". This means Panini lived in Salatura of ancient Gandhara, which likely was near Lahor
  • দ্রি | 162.158.93.98 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:২০91053
  • "প্রত্ন ইন্দো ইউরোপীয় ভাষাভাষীদের (এই ভাষাটিকে বিভিন্ন সূত্রের সাহায্যে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু এর কোনও দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় নি) বাসস্থান ছিল রাশিয়ার উরাল অঞ্চল ও ইউক্রেনের মাঝামাঝি এলাকায়। এখান থেকে খ্রীষ্টজন্মের প্রায় চার হাজার বছর আগে একটি দল রওনা দেয় দানিয়ুব অঞ্চলের দিকে। সেখান থেকে আনাতোলিয়া - তুরষ্ক হয়ে তারা আসে ইরানে। ইরান থেকে আফগানিস্থান হয়ে খাইবার পাস হয়ে তাদের প্রথম দলটি ভারতে প্রবেশ করে খ্রীষ্টপূর্ব দেড় হাজার অব্দ নাগাদ। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিভিন্ন দল প্রায় হাজার বছর সময়কাল ধরে একের পর এক ভারতে ঢুকতে থাকে।"

    এইটা মূলত এরিয়ান মাইগ্রেশান/ইনভেশান থিওরি। রোমিলা থাপার অনেক আগে এই থিওরি সাব্স্ক্রাইব করতেন। কিন্তু পরের দিকে এই থিওরিতে তাঁর বিশ্বাস উইক হয়ে গিয়েছিল। সেটা ইন্টারভিউতে পরিষ্কার।



    তিনি নিজে বলছেন, নোবডি বিলিঅভস দিস থিওরি এনি মোর। সো, ওভার আ পিরিঅড অফ টাইম, দিস থিওরি হ্যাজ ফলেন আউট অফ ফেভার।

    আর একটা মোটামুটি রিসেন্ট ডিএনে স্টাডিতে দেখা গেছে,

    A genome from the Indus ValleyCivilization is from a population that is thelargest source for South Asians. Thepopulation has no detectable ancestryfrom Steppe pastoralists or fromAnatolian and Iranian farmers, suggestingfarming in South Asia arose from localforagers rather than from large-scalemigration from the West.

    বায় দা ওয়ে, রিসেন্টলি ডিসকাভার্ড হরিয়ানার রাখিগড়ি ইজ টার্নিং আউট টু বি আ মোর সেন্সেসাশাল সাইট দ্যান মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা। এখানে মানুষের কঙ্কাল পাওয়া গেছে। সেখান থেকেই ডিএনে স্যাম্পল নিয়ে সেলে পাবলিশড এই পেপার, https://scholar.harvard.edu/files/vagheesh/files/piis0092867419309675.pdf
  • দ্রি | 162.158.93.98 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:২২91054
  • তবে বৈদিক ভাষা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই, যেটা এই আর্টিকলের মূল বিষয়।
  • The Revolution Technology | 162.158.118.63 | ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৪২91148
  • In this place Bd Govt Job Circular 2020 you will find new and latest Govt Job Bd, because here we are published everyday new Government Job Circular. Government Job Bd Hello Everyone In This Categories You Will Find All Type of Government Jobs Circular, Government Bank Jobs Circular, Govt Job Scheduled, Govt Job Seat ... Govt Job In Bangladesh Bd Government Job Circular 2020: Latest Govt Job In Bangladesh, This is our main property of the job finding site in the Bangladesh. Palli Biddut Samity Job Circular here you will find latest and New Government Job Circular & Vacancies in 2020 for Male & Female both gender’s person in Bangladesh.Palli Biddut Samity Job Circular Also see the bangladesh army job circular bd 2020.

  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত