এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  খবর  খবর্নয়

  • খবর্নয়? (১০ই মে) -- বন্ধ কারখানা

    খবরোলার প্রতিবেদন লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | খবর্নয় | ০৯ মে ২০০৯ | ১৬৭৬ বার পঠিত
  • বন্ধ কারখানা - কাগজে নেই হেডিং
    শিল্পায়ন! এই নির্বাচনের প্রধান ইস্যু, যে ধামাকার নিচে অন্ধকারে চাপা পড়ে যায় অতীতের বন্ধ কারখানাগুলি। আসুন, একটু পিছনে ফিরে তাকানো যাক, এ রাজ্যের সেইভাবে খবর না হওয়া কিছু বন্ধ কলকারখানার দিকে। তাদের মালিক শিল্পপতিদের কীর্তিকলাপের দিকে। তাদের শ্রমিকদের দিকে। কেমন আছেন তাঁরা? কী বলছেন? আর শিল্পায়নের পরিসংখ্যানই বা কী বলছে ?


    Ïq¾cJu¡l C䡨VÌ£S
    c£OÑ 11 hRl d®l hå ®p¡cf¤®ll L¡®R AhÏØba Ïq¾cJu¡l C䡨VÌ£Sz 1947 H Q¡m¤ qJu¡ l¦wa¡ Nˤ®fl HC L¡lM¡e¡ÏV qW¡vC hå q®u k¡u 1996 p¡®mz LjÑla 233 Se nËÏjL ®no j¡®pl ®hae, cn j¡®pl ÏfHg, NË¡V¤CÏV ®L¡®e¡ V¡L¡C HM®e¡ f¡eÏez j¤®VÏNÏl L®l, Ïl„¡iÉ¡e Q¡Ïm®u ®L¡®e¡j®a ®fV Q¡m¡®µRe LjÑQ¡l£l¡z jd¤ ÏaJu¡l£l ja k¡l¡ f¡®leÏe, Ai¤š² AhØb¡u j¡l¡ ®N®Rez HL hRl B®Nl Ïq®ph AÏë jªaɤ O®V®R 35 Se nËÏjL®cl, A®e®LlC pÇf§ZÑ Ïhe¡ ÏQÏLvp¡u, V¡L¡l Ai¡®hz Bl H®cl L¡®l¡ L¡lM¡e¡ ®b®L h®Lu¡ h¡ÏL 85,000 V¡L¡, L¡l¦l 40,000 z

    fË¡fÉ V¡L¡l c¡h£ Ïe®u ms¡C Ll®a Evp¡q£ quÏe ÏpV¤ h¡ BC He ÏV CE Ïp l ja CEÏeue ¬®m¡, j¡ÏmL ®L¡b¡ ®b®L V¡L¡ f¡®h HC k¤Ïš²®a ! Ïj®ml ÏLR¤ nËÏjL a¡C Ïe®Sl¡C B®hce L®le ®Xf¤ÏV ®mh¡l LÏjn®el L¡®Rz 2003 p¡®m ®pC LÏjne Ïe®cÑn ®cJu¡ p®aÄJ j¡ÏmL f®rl L¡®R ®L¡®e¡ V¡L¡ f¡Ju¡ k¡uÏez

    2006 p¡®m ÏjmÏV f¤el¡u Q¡m¤ Ll¡l fËÏanˤÏa ®ce AbÑj¿»£ Ap£j c¡n¬ç, ÏL¿º plL¡®ll alg ®b®L HM®e¡ AÏë ®L¡®e¡ E®cÉ¡NC ®Q¡®M f®sÏez E®cÉ¡N£ AhnÉ q®u®Re j¡ÏmLfr, L¡lM¡e¡l SÏj ®fË¡®j¡V¡®ll L¡®R ®h®Q Ïc®az Bl a¡l j®dÉC p¡j®e H®p®R B®l¡ Q¡’mÉLl ph abÉz L¡lM¡e¡l ÏX®lƒl A®n¡L l¦wa¡ fË¡u 8 ®L¡ÏV V¡L¡l d¡l ®n¡d e¡ Ll¡u Hm¡q¡h¡c hÉ¡ˆ L¡lM¡e¡l pÇfϚ h¡®Su¡ç Ll¡l ®e¡ÏVp ®cuz hÉ¡®ˆl ®pC ®e¡ÏVp ®b®L S¡e¡ ®N®R, ®k L¡lM¡e¡l L¤Ïs ÏhO¡ SÏjl j®dÉ 11-12 Ïh®O ®c®h¡šl pÇfϚ, 5 Ïh®Ol ®hn£ M¡p SÏj, Hhw HL Ïh®O ®L¡®e¡ HL jÏqm¡l e¡®j B®Rz AbÑ¡v f’¡n hRl d®l L¡lM¡e¡ÏV QmÏR®m¡ ®hBCÏe SÏjl Ef®l!

    nËÏj®Ll¡ AhnÉ q¡m R¡®seÏez Ïe®S®cl pjÙ¹ eÉ¡kÉ f¡Je¡ ®jV¡®e¡, ®hBCe£i¡®h L¡lM¡e¡ Q¡m¡®e¡ Ïe®u ac¿¹, SÏj Ïhœ²£ hå L®l ea¤e L¡lM¡e¡ Q¡m¤ Ll¡l jae ®hn ÏLR¤ c¡h£ Ïe®u jSc¤l pw®Ol ®eaª®aÄ a¡yl¡ HM®e¡ B®¾c¡me Q¡Ïm®u k¡®µRez

    http://sanhati.com/literature/370/ ( শ্রমিকশক্তি পত্রিকার চারের পাতায়)
    http://www.sarai.net/fellowships/independent/archival-submissions/listitem.2006-04-28.5385189224/nagarik-mancha-workers-factory-closures-and-urban-space/page-4/?searchterm=hindwire

    জয় ইঞ্জিনীয়ারিং
    ""রুগ্ন শিল্পগুলির পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে তাদের দখলে থাকা খালি জমি বিক্রি করে অর্থ লগ্নি করার সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব শিল্প পুনর্গঠন দপ্তরকে দেওয়া হয়েছে। '' - এমনই দাবী রাজ্য সরকারের ২০০১-২০০২ সালের আর্থিক সমীক্ষার। একই সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে ""জয় ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইএমসি, কোলকাতা সিল্ক ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্ট্যান্ডার্ড ফার্মাসিউটিক্যাল্‌সের ক্ষেত্রে দপ্তর এই কার্যে সফল হয়েছে।'' অথচ "দপ্তরের' "সাফল্য' সত্ত্বেও জয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জমিতে শিল্প না হয়ে হল বহুতল আবাসন। প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের ওপর আজ যেখানে সাউথ সিটির বহুতল আবাসন, ১৯৩৫ সাল থেকে সেখানেই ছিল জয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ঊষা সেলাই মেশিন ও ইলেকট্রিক ফ্যানের কারখানা। ১৯৯০-এর পর থেকে ঊষা মেশিন ওয়ার্কস্‌ এর মালিকপক্ষ নানা অজুহাতে উৎপাদন বাইরে নিয়ে যাওয়া, লক-আউট, ক্লোজার, ছাঁটাই চালাতে থাকলে ১৯৯৩ নাগাদ জয় ইঞ্জিনিয়ারিং রুগ্ন শিল্প হিসেবে নথিভুক্ত হয়। শিল্প বাঁচানোর জন্য কারখানাগুলিকে এক জায়গায় আনার তাগিদে ঊষা কর্তৃপক্ষ সেলাই মেশিন কারখানার জমি বিক্রি করে সেই টাকায় কোম্পানি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেয় ও সরকারী অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। জমি বিক্রির জন্য সরকারী অনুমোদন তো মিললই, কারখানার জমিতে তৈরী হল আবাসন, আর জমি বিক্রির কত টাকা আবার শিল্পে লগ্নি করা হবে তার দায়িত্বও সরকার মালিকপক্ষের সদিচ্ছার ওপরই ছেড়ে দিল। ২০০৫-২০০৬ এর মধ্যে এইরকম কারখানার জমিতে আবাসন তৈরির অনুমোদন পায় ছয়টি সংস্থা। আর শিল্পের পুনরুজ্জীবন? মন্থন সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ""যখন কোলকাতায় কাঁকুড়গাছির কাছে স্মল টুলস কারখানা তুলে দিয়ে শপিং মল নির্মাণ প্রায় শেষ হতে চলেছে, তখন সরকারী রিপোর্টে বলা হচ্ছে স্মল টুলস পুনরুজ্জীবনের কাজ চলছে। ২০০৬ এ প্রকাশিত এই প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদনটির নাম: "জয় ইঞ্জিনিয়ারিং - শিল্প পুনর্গঠনের নামে প্রতারণা'।
    লিংক: http://manthansamayiki.googlepages.com/manthan_SO_2006.pdf

    প্যাপিরাস মিল
    দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে কারখানায় তালা। একসময় প্রায় হাজার শ্রমিকের কাজের ঠিকানা কল্যাণীর প্যাপিরাস মিলের।
    শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা কী করেছেন ? মেশিন পাচার করে নিজেদের পকেট ভরেছেন।
    যেমন ভরেছেন মালিকেরাও। পার্টির সহযোগিতায় সরকারি অনুগ্রহণে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল। সেই জমি দেখিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে কোটি কোটি লোন সংগ্রহ,অত:পর কিছুদিন শিল্প শিল্প নাটকের আড়ালে সেই টাকা ও শ্রমিকদের বকেয়া মাইনে লুঠ, এবং অবশেষে দায়িত্ব নিয়ে "রুগ্ন' সাজিয়ে সাত বছরের মধ্যে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া।
    শ্রমিকেরাও অবশ্য পকেট ভরেছেন,কারখানা খোলার আশায়। এতদিন ধরে। আর তাঁদের অজান্তেই নিলাম হয়ে বিক্রি হয়ে গেছে কারখানা। যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করে কারখানা তৈরি হয়েছিল, তাঁদের পরিবারের একজন করে কাজ পেয়েছিলেন কারখানায়। কৃষক থেকে শ্রমিক হওয়ার পরবর্তী ধাপে আজ তাঁরা কেউ স্টেশনে বাদাম বিক্রেতা, কেউ ট্রেনের হকার, কেউ বেকার। জমি নিলামের টাকা গে®ছে মূলত ব্যাংকের লোন শোধ করতে। আর নিলাম হয়ে যাওয়াতে বন্ধ হবার মুখে সরকারি ভাতাও।
    রাজ্য জুড়ে যথেষ্ট চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্যাপিরাস পেপারের মিল বন্ধ হল কেন সেটা আজ ও প্রশ্ন। আশির দশকে দ্রুত বিস্তারিত হতে থাকা কল্যাণী শিল্পাঞ্চলের আড়াইশো তিনশো কারখানার প্রায় সবাই একে একে খাতা বন্ধ করার পিছনেও মালিকদের এরকম ই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ আর কারখানার ফাঁদ পেতে টাকা বানাবার ছক আছে কিনা, প্রশ্ন জাগে তা নিয়েও।
    তবে প্যাপিরাসের কর্মচ্যুত শ্রমিকরা সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছেন, সরকারী ভাতা, ও ঐ জমিতে তৈরি হওয়া মেডিকাল কলেজের অধস্তন বিভাগ গুলিতেকর্মসংস্থানের দাবী তে। সংগ্রামে সামিল অন্যান্য কারখানার জনতাও। "বন্ধ কারখানার সংযুক্ত সংগ্রাম সমিতি' তাদেরই মুখপাত্র।
    http://sanhati.com/literature/370/ ( শ্রমিকশক্তি পত্রিকার একের পাতায়)

    পরিসংখ্যান
    নৈহাটি, কল্যাণী, হিন্ডওয়ার, এতো কারখানা বন্ধের কিছু নমুনামাত্র। এরকম আরো অনেকের খতিয়ান পাওয়া যাবে, লিপিবদ্ধ নাগরিক মঞ্চের পূর্বোল্লিখিত দলিলটিতে।
    http://www.guruchandali.com/?portletId=3&pid=jcr://content/kutkachali/1237764483633

    একচক্ষু হরিণ হয়ে লাভ নেই। এই কয় বছরে রাজ্যে নতুন কারখানা ও হয়েছে। সেখানে কর্মসংস্থান ও হয়েছে বটে। বন্ধ কারখানার সাথে সাথে নতুন সেসব কারখানার হিসেবও দেখানো আছে নাগরিক মঞ্চের এই 'শিল্পায়ন, এই পথে লাভ কার ' নামক পুস্তিকাতে।
    নিচে দেওয়া হল, প:ব: সরকারের বিভিন্ন বছরের 'লেবার ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল' থেকে আহরিত নতুন ও বন্ধ কারখানার এই পরিসংখ্যান, পাশাপাশি।

    বছর 

    নতুন কারখানা 

    বন্ধ কারখানা (ধর্মঘট লক আউট জনিত কারণে) 

    ea¤e L¡lM¡e¡l nËÏjL ( q¡S¡l) 

     hå L¡lM¡e¡l nËÏjL (q¡S¡l)

    ea¤e L¡lM¡e¡ ÏfR¤ nËÏjL  

    hå L¡lM¡e¡ ÏfR¤ nËÏjL 

    1985 

    220 

    205 

    10.9

    149.4 

    50 

    731 

    1990 

    252 

    195 

    7.3 

    123.0 

    29 

    631 

    1995 

    194 

    169 

    9.5 

    308.5 

    49 

    1825 

    2000 

    249 

    313 

    9.63 

    371.9 

    39 

    1188 

    2002 

    333 

    376 

    19.11 

    231.0 

    57 

    614 

    2003 

    238 

    432 

    9.12 

    635.0 

    38 

    146 



    একটু সহজ যোগ বিয়োগ কষলেই দেখা যাচ্ছে, '৮৫ থেকে '০৩ এ নেট কর্মসংস্থান ১ লক্ষ পঁচাত্তরহাজার তিনশো চব্বিশ। সংখ্যাটি ঋণাত্মক।

    এছাড়াও, আরও কিছু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বইটিতে।
    ১। নথি-অনথিভুক্ত মিলিয়ে রাজ্যে রুগ্ন শিল্পের সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৬, যেটা সারা দেশের মোট রুগ্ন শিল্পের ৪৬%।
    ২। নথিভুক্ত সংস্থগুলির মধ্যে ৪২% বন্ধ।
    ৩। কর্মহীন প্রায় তিনলাখ মানুষ।

    'শিল্পায়ন, এই পথে লাভ কার ', বোধহয় এবার সত্যি ভেবে দেখা দরকার।

    মে ১০, ২০০৯
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • খবর | ০৯ মে ২০০৯ | ১৬৭৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন