• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • এ রাজ্যে বিজেপি-র উত্থান: কয়েকটি কথা

    Animesh Baidya
    বিভাগ : ব্লগ | ২০ মে ২০১৪ | ৪৩ বার পঠিত
  • লোকসভা নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই নরেন্দ্র মোদী সকলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভোটের ফল বেরনোর পরে সেই আলোচনা রীতিমতো একটা বিষ্ফোরণে পরিনত হয়েছে। মোদী, হিটলার, ফ্যাসিজম, বিজেপি, আরএসএস, হিন্দুত্ব, সাম্প্রদায়িকতা, গুজরাত মডেল এই শব্দগুলো প্রতি মুহূর্তে আছড়ে পড়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট থেকে আমাদের রোজকার আড্ডায়। আর এ রাজ্যের ক্ষেত্রে সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বামেদের বিপুল ভরাডুবি।

    এই নিয়ে নানা মুনি প্রতিনিয়ত নানা মত জানিয়ে চলেছে। এক দল প্রতি মুহূর্তে মোদীর প্রতি তাদের ঘৃণা ছড়িয়ে দিচ্ছে, আর অন্য এক দল মোদীকে নিয়ে জয়জয়কার করে চলেছে। আর বিষয়টি সকলের কাছে এতটাই স্পর্শকাতর যে, যদি অন্য কেউ তাদের শব্দের প্রতিধ্বনি না করে তাহলে তাকে শত্রুর তকমা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে।

    প্রথমেই একটা জিনিস স্পষ্ট করে নেওয়া যাক। অন্তত আমার কাছে মনে হয়েছে, এই যে ভোটের আগে থেকে মোদীকে ঘিরে পক্ষে বিপক্ষে যে তুমুল জনআলোড়ন তা আসলে মোদীর পরিকল্পনাকেই সফল করে তুলেছে। মানে মোদী হয়তো ঠিক এটাই চেয়েছিলেন। ‘অব কি বার মোদী সরকার’ এই স্লোগানটিও সেই পরিকল্পনার অংশ। দলের থেকেও যেখানে বড় হয়ে উঠেছে একজন ব্যক্তি। অনেকটা যেন তাঁকে অতিমানব হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। আর সে চেষ্টা যে সফল হয়েছে তার প্রমাণ ওই নানা প্রান্তে ‘হর হর মোদী’ উচ্চারণ। মোদীর সঙ্গে হিন্দুত্বের যে যোগ তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আমাকে আশ্চর্ষ করেছে প্রথাগত ভাবে বাম ভাবধারার এই পশ্চিমবঙ্গে মোদী কি করে হঠাৎ এই তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করলেন তা নিয়ে। এই রাজ্যে বামফ্রন্ট ২০১১ সাল থেকে ক্ষমতায় নেই। তবুও এই রাজ্যকে প্রথাগত ভাবে বাম ভাবধারার কেন বলছি তবে? বলছি কারণ বামেরা ক্ষমতায় না থাকলেও আদর্শগত ভাবে বামপন্থা এখনও ভীষণ ভাবে গণপরিসরে উপস্থিত। প্রমাণ হিসেবে বলা যায়, এই কিছু দিন আগেই বাম শিবির থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কবি ও বুদ্ধিজীবি সুবোধ সরকার মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়কে ‘নিও কমিউনিজমের’ জননী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বামেদের পতনের ভিত্তিপ্রস্তর যে সময়ে পোঁতা হয়েছিল সেই নন্দীগ্রাম আন্দোলনেও বারবার এই কথা আলোচিত হয়েছে যে তৃণমূল ‘প্রকৃত’ বামেদের ভূমিকা পালন করেছিল। তাই এই মুহূর্তে বামেদের তুমুল দুঃসময় চললেও এ কথা সত্যি যে বাম মতাদর্শ আলোচনা থেকে হারিয়ে যায়নি।

    সে যাই হোক। তা এহেন রাজ্যে তাহলে এমন হিন্দুত্ববাদী মোদী এবং বিজেপির উত্থানের রহস্য কী? সকলে যেমন তুমুল অবাক হচ্ছেন এই উত্থান ঘিরে, আমি ঠিক ততোটা অবাক হচ্ছি না। আসলে হিন্দুত্ব এ রাজ্যে নতুন নয়। যেটা নতুন সেটা হল সেই হিন্দুত্ব বিজেপির দিকে ভোটে পরিণত হওয়া। বছর সাতেক আগের কথা। তখনও বাম শাসন একদম রমরম করে চলছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন। আমাদের সঙ্গে ভর্তি হয়েছিল পুরুলিয়া থেকে আসা এক মুসলিম ছাত্র। এক সঙ্গে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার পরিকল্পনা ছিল আমাদের। আর সেই বাড়ি ভাড়া নিতে গিয়ে দেখেছিলাম আমাদের এই তথাকথিত সেকুলার শহর কোলকাতায় হিন্দুত্ব ঠিক কি পরিমাণে আছে। পাড়ার এক সিপিএম করা দাদার বাড়িতে আমরা ভাড়ার নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। বাড়ি দেখে আমাদের পছন্দ হল। আমরা অগ্রিমও করে এলাম। এর পরে বাড়িতে ওঠার দুদিন আগে আমাদের পরিচয়পত্র নিয়ে গিয়েছিলাম তাঁর কাছে। আমার মুসলিম বন্ধুটির পরিচয়পত্রটি দেখে তিনি কিছুটা চমকে উঠলেন। সেই রাতে তাঁর ফোন এলো। বাড়িতে মুসলিম রাখা যাবে না জানিয়ে তিনি অগ্রিম ফেরত নিয়ে যেতে বলেছিলেন। এর পরে আর ভুল করিনি আমরা। আরও অনেকগুলো বাড়িতে কথা বলতে গিয়েছিলাম। এবং শুরুতেই আমার বন্ধুর ধর্মীয় পরিচয় জানিয়েছিলাম। এবং বেশ কয়েক জায়গাতেই তারা আমাদের ভাড়া দেননি। জানি না এই না দেওয়ার পিছনে আমার বন্ধুই কারণ ছিল কি না। যাই হোক, একটা বাড়িতে ভাড়া পেলাম। সেই বাড়ির সামনে একটা মুদি দোকান। দোকানের মালিকের সঙ্গে আমাদের সখ্যতা হয়ে গিয়েছিল খুব। তখন বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময়। আমাদের টিভি নেই, সুতরাং তিনি তাঁর বাড়িতে আমাদের খেলা দেখতে যেতে বলেছিলেন। আমরাও সঙ্গে সঙ্গে রাজি। যাই হোক এক দিন খেলা চলছিল ইংল্যান্ডের। সেকানে সাজিদ মাহমুদ বলে এক মুসলিম খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি বল করতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সেই মিষ্টি স্বভাবের উদার প্রতিবেশী তুমুল গালি দিলেন ওই খেলোয়াড়ের ধর্ম নিয়ে। আমার মুসলিম বন্ধুটি মুখ চুন করে শুনলেন। সেদিনই অবশ্য তাঁর বাড়িতে আমাদের শেষ যাওয়া। আমরা আর কেউ কখনও জানাইনি যে, আমার ওই বন্ধুটি মুসলিম ছিল। কারণ তাহলে নিশ্চয়ই মুসলিম প্রবেশের সুবাদে তাঁর ‘অপবিত্র’ হয়ে যাওয়া বাড়ি নিয়ে তিনি মহা সমস্যায় পড়তেন। যদিও আমি চেয়েছিলাম জানাতে। কিন্তু আমার বন্ধুটি বারবার বারণ করে দিল। কারণ, হয়তো এর পর থেকে লোকমুখে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় প্রচারিত হলে সে পাড়ায় সকলের কাছেই ব্যবহারে অন্তত ‘অপর’ হয়ে উঠবে। এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ দেওয়া যায়। আমাদের রোজকার যাপনে এমন মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক মতামত বহু শুনে এসেছি দিনের পর দিন।

    এই যে যাদের কথা বললাম, এরা ভোটার হিসেবে হয় বামেদের নয় তৃণমূলকে ভোট দিয়ে এসেছেন এত দিন। কিন্তু আদর্শগত দিক থেকে তো আসলে তাঁরা হিন্দুত্ববাদী বিজেপি-র লোক। কেবল ভোটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি এত দিন। তাহলে এ বার কেন এই বঙ্গের লোকেরাও এমন ঢালাও ভাবে বিজেপি-কে সমর্থন করলেন? প্রথমত ইউপিএ টু সরকারের তুমুল দুর্নীতির জন্য আমজনতা ইউপিএ এবং কংগ্রেসের থেকে মুখ ঘুরিয়ে কোনও এক বিকল্প সরকারের খোঁজ করছিলেন। দ্বিতীয়ত, মোদীর গুজরাত মডেল এবং তাঁর উন্নয়নের গল্পে লোকজন বিশ্বাস রাখতে চাইছিলেন এবং তাতে সফল ভাবে কাজ করেছে মোদী এবং তাঁর উন্নয়নের বিজ্ঞাপন। তৃতীয়ত, মোদীর ওই অতিমানবিক, অবতার সুলভ ভাবমূর্তির সফল নির্মাণ। লোকে বিশ্বাস করতে শুরু করলেন যে ওই মোদীর মধ্যেই তাঁদের স্বপ্ন পূরণের চাবিকাঠি। চতুর্থত, ৩৪ বছরের বাম শাসনের বিশেষ করে শেষের ১৪ বছর তাদের দম্ভ এবং ঔদ্ধত্য, তাদের দাদাগিরি, তাদের ক্রমশ জনবিচ্ছিন্নতা এবং সর্বোপরি বিরোধীদের উপর তাদের ক্রম-বর্ধমান অত্যাচার মানুষের মনে তাদের প্রতি যে ঘৃণার জন্ম দিয়েছে তাতে বামেদের প্রতি মানুষের নতুন করে ভরসা তৈরি হয়নি আর। বরং তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে এবং কেন্দ্রে সরকার গঠনের কথা মাথায় রেখে বহু জনতার রায় বিজেপি-র দিকেই গিয়েছে। পঞ্চমত এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, ভোট রাজনীতির জন্য এ বার বামেরাও বিজেপির উথ্থানকে গোপনে স্বাগতই জানিয়েছে। আমার অনেক বামপন্থী বন্ধুকে বেশ খুশি মনে এমনটা বলতে শুনেছি যে, বিজেপি যতো বেশি ভোট পাবে তাতে বামেদের সুবিধা হবে ততো বেশি। তাই একটা সময় পর্যন্ত তারা বিজেপি-র উত্থানে রীতিমতো খুশি হয়ে উঠেছিল এবাং তাকে প্রশ্রয় দিয়েও এসেছে। কিন্তু তাদের এই ধারণাটা ছিল না যে, মানুষ তাদের উপরে এখনও ভরসা ফিরে পায়নি এবং মানুষ তাদের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকেই বরং পছন্দ করেছে বেশি করে। তাই এই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে বিজেপি-র উত্থানের পিছনে বামেদের অবদান অনেক বেশি।

    এই রাজ্যে যারা বিজেপি কিংবা মোদীকে সমর্থন করেছেন তারা যে সকলেই হিন্দুত্বের উত্থানের আশা করে এমনটা করেছেন তেমনটা মনে হয় না। ফেসবুকে এই মোদী সমর্থকদের মতামত পড়লে তা অনেকটা মালুম হয়। এদের একটা অংশের মধ্যে দেখলাম বহু চর্চিত সেই গুজরাত মডেল এবং কর্মসংস্থানের স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা মোদীর পাশে থাকার কথা বলেছেন। সেই সমর্থকদের মতামতের মধ্যে অন্তত চোখে পড়ল না মোদীকে ঘিরে ভারতকে হিন্দুত্বের মোড়কে ঢেকে দেওয়ার কোনও প্রত্যাশা। বরং তাঁদের চাহিদা মূলত মোদীর নেতৃত্বে স্থিতিশীল, প্রাদেশিক রাজনীতির বাইরে, চক্রান্তহীন, দুর্নীতিহীন সংখ্যালঘু তোষণ থেকে মুক্ত এক সরকারের শাসন। যেখানে দেশ হিসেবে ভারত অগ্রাধিকার পাবে। প্রত্যেকটা কথা এবং প্রত্যাশাই যৌক্তিক এবং ন্যায্য-ও বটে। কোথাও দেখলাম না মোদীর এই তুমুল বিজয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে কাউকে ত্রিশূলের ছবি নিজের প্রোফাইল পিকচার করতে। কাউকে দেখলাম না বাবরি মসজিদ ভাঙার ছবি আপলোড করে নিজের উচ্ছ্বাস দেখাতে। কেউ দেখালে হয়তো অবাকও হতাম না। কারণ তাদের ‘রক্ষাকর্তা’ মোদী তো এখন দেশের ক্ষমতায়। বরং অধিকাংশ লোককেই দেখলাম ইউপিএ-টু’র দুর্নীতিতে জর্জরিত এক সরকারের থেকে মুক্তি পাওয়ার স্বস্তি প্রকাশ করতে এবং দুর্নীতি মুক্ত এক ‘আদর্শ’ ভারতের স্বপ্ন দেখতে। যাই হোক, ওই কারণহীন ভাবেই অনেকের প্রোফাইলেও চোখ বোলাতে শুরু করলাম। এবং অবাক হয়ে দেখলাম এদের আবার একটা অংশ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সক্রিয় সমর্থক। একটা ঝটকা খেলাম। এ কি! এ যে হিসেব মিলছে না। এনারা তো বাঙাল হয়েও ‘বাঙাল হটাও’-এর কান্ডারী মোদীকেই সমর্থন করছেন। আশ্চর্য! অবাক হয়ে দেখলাম এদের কারও কারও ধর্মীয় পরিচয়ের জায়গায় লেখা আছে ‘নাস্তিক’। সব থেকে অবাক হলাম কারও কারও প্রিয় সিনেমার তালিকায় আছে Brokeback Mountain। অবাক হয়ে দেখলাম মোদী এবং বিজেপি সম্পর্কে আমাদের যে সাধারণ ধারণা তার সঙ্গে এই তথ্যগুলো কেমন বেমানান লাগছে।

    যেটা বুঝলাম এই নির্বাচনে অনেকেই বিজেপি-কে কিংবা মোদীকে সমর্থন করেছেন তার হিন্দুত্বের জায়গা থেকে নয়। বিজেপি এবং মোদী আপাদমস্তক সাম্প্রদায়িক এবং হিন্দুত্ববাদী হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিজেপির এই নতুন ভোটব্যাঙ্কের কাছে অনেক বেশি আবেদন তৈরী করেছে ইউপিএ টু-র পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি থেকে দেশকে মুক্ত করে একজন ‘প্রকৃত’ সেনাপতির হাতে দেশের ক্ষমতাভার তুলে দেওয়ার বিষয়টি।

    এ তো গেল আজকের কথা। কিন্তু আগামীতে? উন্নয়নের গিমিকের মোড়কে হিন্দু ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট এই শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার আদর্শ পথ নিঃসন্দেহে বামপন্থা। কিন্তু সেই বাম কি সিপিএমের গত ১৪ বছর ধরে দেখানো বাম আদর্শ? প্রশ্নটা সেখানেই। দ্বিধাটাও সেখানে। জটিলতাও সেখানে। আগামীই দেবে তার উত্তর।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২০ মে ২০১৪ | ৪৩ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • bip | 78.33.140.55 (*) | ২০ মে ২০১৪ ১১:৪৮72986
  • সুপের্ব
  • Kallol Dasgupta | 125.241.11.6 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০১:২৩72987
  • ঠিক বুঝলাম না।
    আপনি লিখছেন, "এই যে যাদের কথা বললাম, এরা ভোটার হিসেবে হয় বামেদের নয় তৃণমূলকে ভোট দিয়ে এসেছেন এত দিন।"
    "পাড়ার এক সিপিএম করা দাদার বাড়িতে আমরা ভাড়ার নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। বাড়ি দেখে আমাদের পছন্দ হল। আমরা অগ্রিমও করে এলাম। এর পরে বাড়িতে ওঠার দুদিন আগে আমাদের পরিচয়পত্র নিয়ে গিয়েছিলাম তাঁর কাছে। আমার মুসলিম বন্ধুটির পরিচয়পত্রটি দেখে তিনি কিছুটা চমকে উঠলেন। সেই রাতে তাঁর ফোন এলো। বাড়িতে মুসলিম রাখা যাবে না জানিয়ে তিনি অগ্রিম ফেরত নিয়ে যেতে বলেছিলেন। "

    ইনিও কি তৃণমূলে ভোট দিতেন?

    কল্লোল
  • PL | 103.115.84.195 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০১:২৮72988
  • খুব ভালো লেখা। আগামীতে কি হবে? What goes up comes down. পাঁচ বছর, খুব বেশী হলে দশ বছর পরে বিজেপি সরকার চলে যাবে। অন্য কেউ আসবে। কিন্তু ইকনমিক পলিসি না বদলালেই হলো।
  • /: | 52.104.1.231 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৩:২৮72989
  • এই ঘর ভাড়া না দেওর কথা খুব প্রচলিত। এর পেছেনের কারণ খাদ্যাভ্যাস ।মূলত নিসিধ্য মাংস।
    মুম্বাই তে খালি গুজরাতিদের জন্য হাই rise টাওয়ার আছে । এখান ধর্ম কোথায়?
    কোনো কোনো হাউসিং সোসাইটিতে আমিশাসীদের ফ্লাট বিক্রি করা হায়না।
  • sm | 122.79.39.29 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৪:২২72990
  • প্রাসঙ্গিক লেখা কিন্তুকিছু ভ্রান্তি আছে।আমাদের বিরাট দেশে, হিন্দু মুসলিম মোটামুটি ভাবে শান্তিতে আছে। পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায়।গ্রামাঞ্চলে দেখেছি, হিন্দু পাড়া , মুসলিম পাড়া, ভাতের হোটেল এমনি আছে। পরস্পরের মধ্যে দ্বিধা দ্বন্দ আছে, কিন্তু যে যার নিজের মতো থাকে। কিছু কিছু মানুষের কাজ হলো মনের অন্ধকার দিক গুলো তুলে ধরা। এর ও প্রয়োজন আছে নয়তো বিষয় গুলি কে ইগনোর করা হয়।
    কলকাতা বেঙ্গালুরুর বড় মুসলিম রেস্তুরান্তে বিরিয়ানি খেতে কিন্তু অনেকের আপত্তি থাকে না।
    মুসলমান লোক কে বাড়ি ভাড়া না দেওয়া বা ফ্ল্যাট বুক করতে না দেওয়া এক ধরনের গা জোআরি বা অসভ্যতা।
    বিদেশে এমন তুলনামূলক সমস্যা হলো রেসিস্ম । এক্ষেত্রে আটকানোর বেস্ট উপায় আইনি সহায়তা , প্রচার ও সামাজিক মেলামেশা বাড়ানো। কেউ ভাড়া না দিতে চাইলে বা আমিসাশি বলে ফ্ল্যাট দিতে না চাইলে উচিত সোজা দিস্ক্র্মিনাশন এর মামলা করা ও কোর্টের উচিত কড়া শাস্তি দেওয়া।
  • সিকি | 131.241.127.1 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৪:৩৪72991
  • :-)
  • Kallol Dasgupta | 125.241.24.181 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:০৩72992
  • লুরুতে আগে খুব প্রকট ছিলো আমিষভোজিকে ভাড়া না দেওয়া। এখন অতোটা হয়তো নয়, কিন্তু আছে। ভাড়াটাড়া অনেক বড় ব্যাপার। একটা সাইবাবা মন্দির আমাদের পাড়ায় আছে। একটি অসমিয়া ছেলে তার প্রায় ১০০ মিটার দূরে মোমো বিক্রি করে। কিন্তু ভেজ মোমো। ননভেজ মোমো বিক্রি করতে ভয় পয়।
  • Kallol Dasgupta | 125.241.24.181 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:০৯72993
  • আমার আগের প্রশ্নটার উত্তর পেলাম না। পাড়ার সিপিএম করা দাদাটিও কি তৃণমূলকে ভোট দিতেন?
  • fact | 131.241.218.132 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:২৪72994
  • "এনারা তো বাঙাল হয়েও ‘বাঙাল হটাও’-এর কান্ডারী মোদীকেই সমর্থন করছেন" - মোদী বলেছে বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হঠাও ; শরণার্থী , মতুয়া দের নাগরিকত্ব দিতে চেয়েছে। factually correct না হলে বক্তব্যের ধার কমে যায় ।
  • A.B. | 213.197.118.86 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:৫৮72995
  • 'হয় বামেদের নয় তৃণমূলকে ভোট দিয়ে এসেছেন এত দিন।' Ei line ti te to seta poriskaar. CPIM koraa dada ti nischoi CPIM ke-i vote diten. ei baar lok sabha vote-e TMC-r vote percentage-o to olpo holeo komechhe. Maane jaaraa ideologically BJP-r supporter chhilen, taaraa eto din hoy TMC noy CPIM ke vote diechhilen. Ei baar taaraa ideologically honest theke BJP ke-i vote diechhen.
  • Kallol Dasgupta | 125.241.24.181 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:১২72996
  • A.B ধন্যবাদ। আমার ভুল। ঠিকমতো পড়া করিনি।
  • A.B. | 213.197.118.86 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:১২72997
  • @Fact, Krishnanagar-e Modi bolechhilen, "There are two types of people who have come in — illegal immigrants and refugees. Those who are refugees are our family. It is the responsibility of all of India, whether Gujarat or Rajasthan to rehabilitate them with all respect."
    Je sob hindu raa protyokkhyo aakromon-er shikaar naa hoeo nijeder astitwo secure korte ebong bhobishyot-er kothaa bhebe Bangladesh theke e deshe esechhe taaraa ki shoronaarthi naaki anuprobeshkaari?? Ei nie jodi ektu aalokpaat koren taahole subidhe hoy.
  • ! | 124.143.197.146 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:৩৩72998
  • হিন্দুরা সবসময় সারানার্থী । কিন্তু ভিন্য ধার্মালোম্ব্লিরা অত্ত্য্চিরিত না হলে অনুপ্রবেশকারী, যেমন তসলিমা নাসরিন স্বাগত,
  • huisla | 233.29.202.111 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:৩৫72999
  • ও কে ? ও কে? ও কে গ?
  • %% | 213.197.118.86 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:৪০73000
  • খুব ভালো লেখা।
  • Su | 96.185.6.182 (*) | ২৫ মে ২০১৪ ০৭:১৪73002
  • কমরেড হেই সামালো!!!
    লেখাটা বেশ মুচমুচে খাস্তা, ভালো লাগলো। সিপিএম এর ডুবন্ত নাও নিয়ে আরেকটা বিশ্লেষণ হয়ে যাক
  • সংখ্যালঘু | 190.234.212.98 (*) | ২৫ মে ২০১৪ ০৯:২৩73001
  • মোদির বিরোধিতা করতে হলেই কি মুসলমানদের ভারতবর্র্ষকে নিবিড় মুসলমানি করনের কথা ভুলে যেতে হয় !!! বিশ্বের যতগুলো দেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস আছে তার সবগুলোর পেছনেই মুসলমানেরা। এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে মোদী বিরোধিতা করা আবশ্যক। শুধু শুধু এলিট সেজে মুসলমানদের নষ্টামিকে প্রশ্রয় দিলে ভারতে সংস্ক্রৃতি বলে কিছু থাকবেনা। মোদিকে প্রতিরোধ করতে হলে মুসলমানদের সাম্প্রদায়িকতাকে আগে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে হিন্দুরা অনিরাপদ বোধ করে মোদীদেরকেই ভোট দিয়ে যাবে।
  • ranjan roy | 24.97.80.3 (*) | ২৬ মে ২০১৪ ০৬:৫৬73005
  • বহুঘোষিত ছোট মন্ত্রীসভার কী হল? আর বঙ্গের মন্ত্রী?
  • কল্লোল | 125.242.176.232 (*) | ২৬ মে ২০১৪ ১০:১৭73003
  • তাই ত্তো। ইরাকে মিথ্যা কথা বলে আমেরিকার "মুসলমানেরা" হামলা করলো।
    গুজরাটে গুজরাটি "মুসলমানেরা"ই মুসলমান মারলো।
    বাবরী মসজিদ তো "মুসলমানেরা"ই ভাঙ্গলো।
    গাজা স্ট্রিপে রোজ অকারনে হামলা করে আরবদের মারে ইজরায়েলের "মুসলমানেরা"।
    উড়িষ্যায় খ্রীষ্টান মিশনারীকে তার শিশু সন্তানদের সাথে পুড়িয়ে মারলো "মুসলমানেরা"।
    এই সব মুসলমানেদের
    গান্ধীকে তো একজন "মুসলমানই" মারলো।
    সন্ত্রাসবাদী বলার হিম্মত আছে তো?
  • PL | 103.115.84.195 (*) | ২৬ মে ২০১৪ ১১:১৮73004
  • Today, the most important news after the Narendra Modi’s oath-taking is that Amit Shah, the man who gifted Modi a tremendous victory in Uttar Pradesh, will not be a Union minister.

    He could have been accommodated in the Cabinet and even in the Prime Minister’s Office but Shah is keeping away from any post in the government.

    Shah refused to take calls nor did he respond to messages.

    It’s believed that he wants to strengthen the Bharatiya Janata Party at the all-India level. He wants to see that the gains made in terms of percentages of votes in West Bengal and Tamil Nadu are multiplied.

    A source in the party said that Amit Shah is planning to learn Tamil and Bengali so that he can deal with workers in these two states.
  • kujukti | 71.16.194.150 (*) | ২৭ মে ২০১৪ ০৭:১১73006
  • আচ্ছা নেতাই কান্ডের ভুল স্বীকার করার পার সিপম দলটাকে সন্ত্রাসবাদী বা মৌলবাদী বলা যাবে ki
  • jhiki | 149.194.243.3 (*) | ২৭ মে ২০১৪ ০৮:৫১73007
  • মন্ত্রীসভা তো ছোটই হয়েছে, স্মৃতি ইরানির বং কানেকশনও পাওয়া গেছে (ভাট দ্রষ্টব্য) ঃ))
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত