• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • আমাদের শিশুরা কী পড়ছে?

    Biplob Rahman
    বিভাগ : ব্লগ | ২৯ মে ২০১৪ | ২১৫ বার পঠিত
  • প্রশ্নটি প্রথম তোলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাবেরী গায়েন। গুমট গরমের পর বিকেলে এক ঝলক স্বস্তির বৃষ্টির সময় কাবেরী আপা মনে করিয়ে দেন শৈশবের সেই মায়াময় শিশুপাঠ:

    "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান,
    শিব ঠাকুরের বিয়ে হল তিন কন্যা দান।
    এক কন্যা রাঁধেন বাড়েন এক কন্যা খান,
    এক কন্যা রাগ করে বাপের বাড়ি যান।"

    এই শিশুপাঠে শিব ঠাকুরকে তিনটি কন্যা দান করার কথা বলা হচ্ছে, অর্থাৎ কি না তিন-তিনটি স্ত্রী! এর উপস্থাপনাটি এতোই নিরীহ যে, যেন এটি ঠাকুর মশাইয়ের প্রাপ্য এবং এটিই স্বাভাবিক। আর কি বিস্ময়করভাবে প্রশ্নাতীত অবলীলায় সরল শিশু মনে স্থান করে নিচ্ছে এই নৈতিক অসঙ্গিতপূর্ণ চরম পুরুষতান্ত্রিক যৌন-ভোগবাদীতার ছড়াটি!

    এ পর্যায়ে সহব্লগার হাসান মূর্শেদ বলেন, ওই বিকেলেরই এক তাজা অভিজ্ঞতার কথা। বৃষ্টি-টৃষ্টি ধরে যাওয়ার পর ছোট্ট শিশুটিকে স্কুল থেকে বাড়িতে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। আনমনে আবৃত্তি করে ফেলেন, "বৃস্টি পড়ে টাপুর-টুপুর।"…

    ছড়াটি ভালো করে শিশুটিকে শোনানোর পর তার প্রশ্ন ছিলো, "বাবা, শিব ঠাকুর কি দুষ্টু লোক? নইলে তিনি তিনটি বিয়ে করবেন কেনো?"

    এইখানে বাঁচোয়া এই যে, আমাদের এই কিন্ডারগার্টেন পড়ুয়া চিপস জেনারেশন ঠিকঠাকভাবে ছড়াটির অসঙ্গতি ধরতে পেরেছে এবং সে চুপ করে না থেকে আধুনিক চিন্তার মানুষ বাবা মশাইকে প্রশ্ন করে হয়তো সঠিক উত্তরই পেয়েছে। কিন্তু এখানে চরিত্রটি খানিক বদল করে ফেললে কী হয়?

    ধরা যাক, কোনো গণ্ড-গ্রামের শিশু ও স্বল্প শিক্ষিত বাবা। অথবা কোনো মফস্বলের সেমি- চিপস জেনারেশন ও স্বল্প শিক্ষিত বাবা। তাহলে ওই ছড়াটির পাঠ-প্রতিক্রিয়া বা মিথস্ক্রিয়া কী একই রকম হতো?

    আমাদের শিশুতোষ পাঠে লক্ষিন্দরের লোহার বাসরে ঢুকে পড়া লাউডগা সাপের মতো প্রায় হুটহাট করে ঢুকে পড়ে বিয়ে নামক এক সামাজিক বন্ধন। এটি আবার একই সঙ্গে বাঙালি জীবনে এক স্বপ্নময় উৎসব এবং মোটাদাগে ছেলেদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে মেয়েদের ক্যারিয়ার। এ প্রসঙ্গটি অবশ্য ভিন্নতর ক্ষেত্রে বিশদ আলোচনার দাবি রাখে; অতএব এটি একটি বাই লাইন মাত্র। বরং শিশুতোষ পাঠে ফেরা যাক। ছড়া ছড়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সরল শিশুমনে বিয়ের জটিল চিন্তা।…

    "চাঁদ উঠেছে,
    ফুল ফুটেছে,
    কদম তলায় কে?
    হাতি নাচে,
    ঘোড়া নাচে খুকুমনির/ খোকন সোনার বিয়ে।"

    অথবা–

    "আইকম-বাইকম তাড়াতাড়ি
    যদু মাস্টার শশুড় বাড়ি
    রেল গাড়ি ঝমাঝম
    পা পিছলে আলুর দম।"…

    এটি কেনো? এইসব পুরনো পাঠের আমলে বাল্য বিবাহ সিদ্ধ ছিলো বলেই কী? তাহলে ‘বাল্য বিবাহ আইনত দণ্ডনীয়’ এবং পরিবার-শাপলা ছাপমারা মূদ্রার ঝকঝকে আমলে কেনো ও কীভাবে এইসব ঢুকে যায় আমাদের বাল্যশিক্ষায়?

    আবার দেখুন, এপারের প্রায় কিংবদন্তীর শিশু সাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খানের (দাদা ভাই) শ্রেণী অবিচার:

    "বাক্ কুম পায়রা
    মাথায় দিয়ে টায়রা
    বউ সাজবে কাল কি?
    চড়বে সোনার পালকি?

    পালকি চলে ভিন গাঁ
    ছয় বেহারার তিন পা।
    পায়রা ডাকে বাকুম বাক্
    তিন বেহারার মাথায় টাক।

    বাক্ বাকুম কুম্ বাক্ বাকুম
    ছয় বেহারার নামলো ঘুম।
    থামলো তাদের হুকুম হাঁক
    পায়রা ডাকে বাকুম্ বাক্।

    ছয় বেহারা হুমড়ি খায়
    পায়রা উড়ে কোথায় যায়?"

    লক্ষনীয়, এই সব ছড়াকার ও শিশুপাঠ্যের রচয়িতাগণ সকলেই উগ্র পুরুষতান্ত্রিক চিন্তা-ভাবনা ছড়িয়ে দেন তাদের আপাত সরল লেখনিতে। বিষয়টি আরো পরে ব্যাখা করা যাবে। এখন চট করে দেখে নেই আমাদের শিশুপাঠের আরো কিছু অসঙ্গতি।

    "স্বরে অ’তে অজগর, স্বরে আ’তে আম। ঐ অজগর আসছে তেড়ে, আমটি আমি খাবো পেড়ে।"

    শিশু বইয়ে একই সঙ্গে অজগরের তেড়ে আসার ভয়াল চিত্র ও রংচং-এ আমের লোভনীয় ছবি থাকার পরেও প্রশ্ন হচ্ছে, অজগর তেড়ে আসার সময় আমাদের কী আম খাওয়ার ইচ্ছে জাগে? খুব জানতে ইচ্ছে করে, এই গুরুতর প্রশ্নটি কী আদর্শলিপির লেখককে (বিদ্যাসাগর?) সে সময়ের ছোট-বড় কেউ করেছিলেন? করে থাকলে কী ছিলো তার জবাব?

    অথবা–

    "নোটন নোটন পায়রাগুলি ঝোটন বেঁধেছে,
    ওপাড়েতে ছেলেমেয়েরা নাইতে নেমেছে।
    দুই ধারে দুই রুই-কাতলা ভেসে উঠেছে,
    দাদুর হাতে কলম ছিলো ছুঁড়ে মেরেছে,
    উফ্, বড্ডো লেগেছে!"

    হুমম…কলম ছুঁড়েই রুই-কাতলা ঘায়েল? মামা বাড়ির আব্দার বুঝি? তারচেয়ে বরং মামা বাড়ি নিয়েই আরেকটি ছড়ার উদাহরণ দেওয়া যাক:

    "তাই তাই তাই,
    মামা বাড়ি যাই,
    মামা দিলো দুধ-ভাত,
    পেট পুরে খাই।

    মামী এলো লাঠি নিয়ে,
    পালাই পালাই।"…

    মামা না হয় আব্দারের আশ্রয় মানলাম, মামী মানেই কী লাঠি হাতে তেড়ে আসা এক ভয়ংকর দজ্জাল মহিলা? যেমন, রূপকথা ও গল্পকথার বইয়ে সতীন মা’কে মহিলা ভিলেন সাজানো হয়, তার না হয় বেশ খানিকটা সামাজিক বাস্তবতা আছে মানলাম। কিন্তু তাই বলে মামা যখন ভাগ্নেকে দুধ-ভাত খেতে দিচ্ছেন আদর করে, তখন মামীর এই লাঠি হাতে তেড়ে আসা কেনো হে? একটু আগেই ছড়া লেখকগণের যে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কথা বলা হচ্ছিলো, এখানে তো সেটিই স্পষ্ট। অবশ্য ছড়াকার পুরুষ না হয়ে নারী হলেই এর খুব বেশী হেরফের হতো, হয়তো তা-ও নয়।...

    বিষয়টি কী খানিকটা স্পষ্ট হয়, মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিসা রাইসের ইরাক যুদ্ধনীতিতে? কই, তিনি নারী, অর্থাৎ মায়ের জাত এবং কালো মানুষ, অর্থাৎ কয়েক হাজার বছরের নির্যাতীতর একজন বলে তো, ইরাক যুদ্ধনীতির প্রশ্নে সাধারণ নিরীহ গণমানুষ হত্যার আদেশে তার এতোটুকু হাত কাঁপেনি!

    এখানে অবশ্য রাজনীতির কূটচালের কথা এসে যায়। এসে যায়, সেই ধাক্কা জাগানিয়া আরেক নারী ব্লগার রাগ ইমনের প্রোফাইল কথনের অসারতা: আমার শাড়ি খুলে ফেললে, তোমার মা উলঙ্গ হন! সে সব অবশ্য ভিন্ন প্রসঙ্গ, আরেকটি তস্য বাই লাইন। লেখার শুরুতে যে শিব ঠাকুরের বিয়ের কথা বলা হচ্ছিলো, এ সব সেই "ধান ভাঙতে শিবের গীত" মাত্র।

    আলোচনার খাতিরে আমরা যদি ধরে নেই, ‘হামটি-ডামটি স্যাট অন আ ওয়াল’ বা ‘হাট্টিমা টিম টিম,তারা মাঠে পাড়ে ডিম’-এর মতো ওইসব শিশুতোষ পাঠ, একেকটি নন-সেন্স রাইম বা অর্থহীন ছড়া, তাহলেও বিপদ আছে। কেনো না এইসব লেখনি সত্যি সত্যি বেশ খানিকটা সেন্স তৈরি করে, শিশু মনে মনছবি আঁকে, তাঁকে একটি ম্যাসেজ দিতে চায়। …ম্যাসেজটি কী, এর গতি-প্রকৃতি ও দিক-দর্শন কী, সেটিই হচ্ছে ভাবনার বিষয়।…

    এখনকার শিশুপাঠ্যে "সিংহ মামা, সিংহ মামা, করছে তুমি কী?/ এই দেখো না কেমন তোমার ছবি এঁকেছি" –এইসব নির্বিবাদী ও নিরীহ ছড়ার বাইরে আরো কী কী ভয়ংকর বিষয়-আশয় ঢুকে গেছে, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি রাখে বৈকি।…
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৯ মে ২০১৪ | ২১৫ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কল্লোল | 111.63.224.205 (*) | ০৪ জুন ২০১৪ ০৫:৪৪72739
  • পস্চিম বাংলায় মেয়েদের খেলার ছড়া, আমার ধারনা পূব বাংলাতেও আছে -
    এলাটিং বেলাটিং সইলো
    কিসের খবর আইলো
    রাজা একটি বালিকা চাইলো
    কোন বালিকা চাইলো
    (এরপর একজন বালিকাকে আঙ্গুল দেখিয়ে)
    এই বালিকা চাইলো
    নিয়ে যাও নিয়ে যাও বালিকাকে

    শিউরে উঠতে হয়। রাজা-জমিদারেরা এভাবেই "বালিকা" উঠিয়ে নিয়ে যেতো আর অসহায় জনপদবাসী কে বলতে হতো, "নিয়ে যাও নিয়ে যাও বালিকাকে"।

    এতা এতোটাই নিত্য ঘটনা ছিলো যে তাই নিয়ে ছোট ছেলেমেয়েদের খেলা তৈরী হয়ে গেলো।

    এগুলোই রূপকথায় মিষ্টি মোড়কে আসে....................
    রাজপুত্তুর, মন্ত্রীপুত্তুর আর কোটালপুত্তুর শিকারে গিয়ে এক গ্রামের তিন মেয়েকে দেখে মোহিত। তাদের বাড়িতে গিয়ে ওদের বিয়ের প্রস্তাব দেয়।
    ব্যাস - নিয়ে যাও নিয়ে যাও বালিকাকে।
    অতঃপর তাহারা সুখে ঘরকন্না করিতে লাগিলো..................
    সে আর কে দেখতে গেছে রাজবাড়িতে তারা কেমন আছে।
  • aranya | 154.160.98.31 (*) | ০৪ জুন ২০১৪ ১১:৫১72740
  • ভাল লেখা।

    'শিশু বইয়ে একই সঙ্গে অজগরের তেড়ে আসার ভয়াল চিত্র ও রংচং-এ আমের লোভনীয় ছবি থাকার পরেও প্রশ্ন হচ্ছে, অজগর তেড়ে আসার সময় আমাদের কী আম খাওয়ার ইচ্ছে জাগে? খুব জানতে ইচ্ছে করে, এই গুরুতর প্রশ্নটি কী আদর্শলিপির লেখককে (বিদ্যাসাগর?) সে সময়ের ছোট-বড় কেউ করেছিলেন?'

    এখানে একটু ভুল হচ্ছে মনে হয়। 'অ-এ অজগর আসছে তেড়ে' - 'অ' অক্ষরটি দিয়ে বাক্য রচনার নিদর্শন। তেমনই 'আ' দিয়ে রচিত বাক্যের উদাহরণ হল 'আমটি আমি খাব পেড়ে'।
    এই দুই বাক্যের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই, সুতরাং অজগর তেড়ে আসার সময় আম খাওয়ার ইচ্ছে জাগার প্রশ্ন আসে না।
  • Pubদা | 209.67.131.215 (*) | ১০ জুন ২০১৪ ১০:৪৪72741
  • এটা হল সেই ধরনের লেখা - যেটা পড়ে একটা কথাই মাথায় আসে - "সত্যিই তো ..."
    ভালো লেগেছে :)
  • gajaa | 121.93.163.126 (*) | ১১ জুন ২০১৪ ০৪:৩৭72742
  • বাংলা শিশুসাহিত্য নিয়ে চমৎকার বিশ্লেষণমূলক বই শিবাজি বন্দ্যোপাধ্যায়ের "গোপাল রাখাল দ্বন্দ্ব সমাস"। কারিগর প্রকাশন থেকে সুন্দর করে বেরিয়েছে। এই প্রসঙ্গে পড়ে ফেলুন ভালো লগবে।
  • Biplob Rahman | 212.164.212.61 (*) | ২১ জুলাই ২০১৪ ১১:৫৭72743
  • তথ্য সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে পর পর বেশ কয়েক দফা ঢাকার বাইরে যেতে হয়েছে। মোবাইল ফোন বাদে অনলাইনে এতোদিন বসতে পারিনি। এই ব্যক্তিগত কৈফিয়তের পর অনেক দেরীতে বলছি,

    যারা এই নোটটিতে নজর দিয়েছেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ।

    #কল্লোল দা,

    আপনার গা শিউরানো লোকছড়াটি লেখাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তাই আলাদা করে আপনাকে সাধুবাদ জানাই।

    #গাজা,

    ঢাকায় বইটি কোথায় পাবো? ওপার থেকে অনলাইনে এটি কেনার সুবিধা আছে?
  • দেব | 135.22.193.146 (*) | ২২ জুলাই ২০১৪ ০৫:২২72745
  • আমাজনের ইন্ডিয়া সাইট বাংলাদেশে ডেলিভারি দেবে বলে মনে হয় না। কিন্ডল ফর্ম্যাটে দেখছি না।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত