• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অ্যাটম গল্প

    dd লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ মার্চ ২০১৭ | ৪৬৫ বার পঠিত
  • অ্যাটম গল্প ১
    *******************************
    ট্রামে বসে সামনে দিকে তাকাতেই দেখি সামনের সীটের মাঝ বয়েসী ভদ্রলোক কেমন অদ্ভুত ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ট্যারা? ট্যারা না কি? না তো।

    আমি মুখ ফিরিয়ে নেই। আবার চোখাচোখি হয়। ভদ্রলোকও অপ্রতিভ ভাবে চোখ নামিয়ে নেয়। আমার অস্বস্তি হয়। আমি নিজেও তো ভুঁড়ো এক প্রবৃদ্ধ। কোনো সুকুমার বালক নই যে কোনো পেডোফিলিক আমার দিকে তাকাবে। চোখে চাটবে।

    আবার চোখাচোখি হয়। ঐ, সেই হাঁ করেই চেয়ে আছে। তাহলে হতে পারে আমাকে কোনো চেনা লোকের মতন লাগছে। বা সত্যিই চেনা। আমি চিনতে পারছি না। কিন্তু এনার দৃষ্টিটা কেমন একটানা, পলকহীন। ইন্টেন্স বলা যায়। আমি আড় চোখে একবার দেখি - নাঃ, আদৌ চেনা ঠকেছে না। কিন্তু ভদ্রলোক সেই রকমই হাঁ করে আমাকে দেখছেন।

    এ তো বড়োই বিরক্তিকর। ভাবতেই দেখি ভদ্রলোক উঠে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে এগোলেন। ফাঁকা ট্রাম। আমিও দরজার গা ঘেঁষে লেডিস সীটেই বসে। যাক, ব্যাটা নেমে যাচ্ছে। ভালো ভালো।

    ঠিক নামবার আগে হঠাৎ ভদ্রলোক মুখ ঝুঁকিয়ে আমার কানে কানে বলেন, "আপনি রাতের বেলাতে যে অলৌকিক বাজনা শোনেন, শোনেন তো? জানেন, আমিও সেই বাজনা শুনি।"

    নিমেষে মনে পড়ে যায়। সেই আট দশ বছর বয়স থেকেই রাতের বেলা ঘুম ভাঙলে স্পষ্ট শুনতাম দূরে খুব দূরে কোনো অর্কেস্ট্রা র মতন বাজনা বাজছে। কখনো সখনো কোনো অজানা ভাষার কোরাস গান। রাতের হাওয়ায় ভেসে ভেসে আসে। কাছে আসে, মিলিয়ে যায়। তারপর অনেকদিন শুনি নি। এখন এই বয়সে এসে আবার ঘুম ভেঙে গেলে শুনি সেই বৃন্দ বাদন। কোরাসে গান গাইছে অনেকে। অস্পষ্ট। আবছা হয়ে যায়। আবার শুনি। ঘুমিয়ে পড়ি।

    আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেশ করতে যাই "কিন্তু, আপনি জানলেন কী ভাবে?" কিন্তু সেই উত্তর আর পাওয়ার সুযোগ হল না। দ্রুত ভদ্রলোক ট্রাম থেকে নেমে মুহূর্ত্তে মিলিয়ে গেলেন।

    আফশোষ। একবারই সুযোগ এলো জীবনে। কাউকেই কখনো বলি নি এই বাজনার কথা। এই অলৌকিক বাজনা আরো রহস্যে ডুবে গেলো।

    অ্যাটম গল্প – ২
    **************************

    সে আমার ভাগ্নে যখন ছ সাত বছর বয়স, তখন সবে টিভি এসেছে কলকাতায়। সেই বাচ্চা তখন টিভির সামনে দাঁড়িয়ে চেঁচাতো, ভাবতো টিভির ভিতরে একটা লোক আছে সেইই কথাটথা বলছে। টিভির লোকের কথা সে যেমন শুনতে পাচ্ছে তো ওর চেঁচানিও টিভির ভিতরের ছোট্টো মানুষটা শুনতে পাবে। হা হা হা।

    তো আমার মার কাছে শুনেছি ঐ রকম বয়েসে আমিও রেডিওর কাছে অমন চেঁচাতাম। না কি রেডিওর ভিতরের ছোট্টো মানুষগুলো আমার কথা শুনতে পাবে। হি হি হি।

    আর সেই ভাগ্নেও এখন মাঝ বয়সী। তার দুটো ছেলে। তারাও কি অমনি ছেলে মানুষী করে? আর আমিও তো বুড়ো ভাম। স্ট্রোক হয়ে পড়ে আছি হাসপাতালে। নট নড়ন চরণ নট কিচ্ছু। চারদিকে তার আর নল। ছুঁচ। মনিটর বিপ বিপ করে চলে, আলো জ্বলে। কিছু শুনতে পারি, কিছু দেখতে পাই। কিছু টের পাই। সামান্য কিছু।
  • আরও পড়ুন
    চম - dd
    আরও পড়ুন
    ও শানওয়ালা - dd
    আরও পড়ুন
    দ্রোণ পর্ব - dd
    আরও পড়ুন
    কর্ণসংহার - dd

  • ঐ মাথার কাছে এক মনিটর মেশিন থেকে এইট্টুকুনি মানুষটা বেরিয়ে এলো। তার মুখ দেখতে পাই না।এ তো আমার সেই ছেলেবেলার রেডিওর ছোট্টো মানুষের মতন। স্বপ্নের মতন - খুব চেনা কিন্তু বুঝতে পারি না কে। পাশ ফিরলে আর দেখা যায় না। "তুমি কি টু ডাইমেনশনাল" আমি তাকে প্রশ্ন করি। সে হেসেই অস্থির। নেচে কুঁদে বেরায়। এ যেন এক খেলা। ইসিজি মেশিনের ভিতরের এই ছোট্টো মানুষটাও কি একটা বাচ্চা না কি? আমি যেমন বাচ্চা ছিলাম অনেক অনেকদিন আগে।

    সে খুব হুটোপুটি করে। আমায় বলে, ও মানুষ, ও মানুষ, দ্যাখো কেমন জ্বলজ্বল করছে আলো গুলো। আর কিরি কিরি কিরি কিরি করে পাতায় পাতায় কি সব এঁকে যাচ্ছে। পাহাড়ের মতন। উঁচু আর নীচু। তার আর উৎসাহের শেষ নেই।

    আর আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে "অ্যাই, অ্যাই লোকটা। ঐ যাঃ। আলোগুলো কিরম করছে দ্যাখো। আর দ্যাখো ঐ স্ক্রীনে উঁচু উঁচু পাহাড় গুলো কিরম ঘুমিয়ে পড়ছে। সব স্ট্রেট লাইনের মতন। লাইনটা আর উঠছে না তো। তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো? অ্যাই'।

    অ্যাটম গল্প – ৩
    ***************************

    টুম্পা তখন দশ। আর ঋতু ছিলো হেমন্ত। কালিংপং থেকে অল্প দূরের এক ডাক বাংলো হচ্ছে অকূস্থল। সময় তখন সকাল দশটা। এই তো পটভূমি।

    টুম্পা একা নয়, দুটো কুকুর। লোমোশ। খুব হাসি খুসী। গতকাল বাংলোতে আসতেই টুম্পার সাথে একেবারে গলায় গলায় ভাব হয়ে গেলো। চৌকিদারকে জিজ্ঞেশ করেছিলো নাম কী কুকুরদুটোর, তো সে ঠোঁট উল্টে বললো ডগি মগি কিছু হবে। আজ বিকেলেই তো চলে যাবে টুম্পারা কিন্তু তা হোক, নাম ছাড়া বন্ধু হয় না কি? টুম্পা নাম দিলো গোল্ডি আর চেকার। দেখুন, কুকুরের নাম একটু ইংরেজী ঘেঁষা হলেই শুনতে ভালো লাগে।

    মা বললো বেশীদূর যাস না যেনো, কম্পাউন্ডের মধ্যেই থাকবি। আর বাবা বললো দেখিস, পিছন দিকটায় বেশ খাদের মতন, ও দিকটায় যাবি না।

    তো টুম্পা গোল্ডি আর চেকার। তিনজনের ফুর্ত্তির অন্ত নেই। নাচতে নাচতে চলে তিনজনে। একজনের বিনুনী ছটফট তো দুজনের ল্যাজ টিংবিং। আর নীল আকাশ, শরতের মেঘ আর হু হা হাওয়ায় পায়ের নীচে ঘাসে কিলিবিলি খেয়ে যায়। ঢেউ ওঠে। আর রোদ তো নয় যেনো মাখন। দুধারে বড় বড় আবলুশ গাছে, ঝুপসী অন্ধকার। আর ঘন ঝোঁপ।

    যখন খুব হুল্লোর চলছে তিনজনে, এ ওর ঘাড়ে পড়ছে দাপিয়ে তখনই টুম্পার মনে হল কেউ যেন ওর দিকে তাকিয়ে আছে। কে? কোথায়? গাছের পাতায় শন শন আওয়াজ। বুনো ফুলের ঝোঁপে ঝির ঝির শব্দ। কেউ তো নেই।

    কিন্তু ছিলো। টুম্পা ঠিক বুঝল। কেউ তাকিয়ে আছে। অকারনে তার বুক ধুক পুক করে ওঠে। দেখে গোল্ডি আর চেকারও কেমন নিথর দাঁড়িয়ে আছে। কেউ তাকিয়ে আছে। কুকুর দুটোও কি কিছু শুনতে পেলো? ভয় পেয়েছে কিছুতে? কী দেখে তারা? এক দৃষ্টিতে তারা বড় গাছটার আধো অন্ধকার গুঁড়ির দিকে চেয়ে আছে। টুম্পা চেষ্টা করেও নড়তে পারে না আর তখনই খেয়াল হয় আর তো হাওয়া বইছে না। কোথাও কোনো শব্দ নেই। একেবারে জমাট নিস্তব্ধ। একটা ভয় তাকে ছেয়ে ফেলে। সেই গাছ কি টুম্পাকে ডাকে? বলে আয় আয়।

    কথাও বলতে পারে না টুম্পা। তার গলা বুঁজে যায়। না চাইলেও তাকে যেতে হবে ঐ গাছটার কাছেই। সে স্পষ্ট টের পায় অনেকগুলো চোখ তার দিকে তাকিয়ে আছে আর অনেকগুলো হাত তাকে ইসারায় ডাকছে। আয় আয়। দেখে না কিন্তু টের পায়।

    সে এক পা দু পা করে হাঁটতে যেতেই গোল্ডির উপরে পড়ে যায়। না কি গোল্ডি ঠিক ওর পায়ের কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলো? দু জনে মিলে হুড়মুড়িয়ে গড়িয়ে যেতেই যাদু শেষ হয়, চেকার ঘৌ ঘৌ করে চেঁচিয়ে ওঠে। আবার হাওয়া বয় - ধামাল। আর ডাল পালার থেকে শন শন শব্দ হয়। ঘাসে ঘাসে ঢেউ আর ঝির ঝিরে আওয়াজ।

    তিনজনেই ছুটে ফিরে আসে বাংলোতে। ঠিক ঢুকবার মুখেই চেকার একেবারে মানুষের গলায় বলে - আজ খুব বেঁচে গেলি রে, মেয়ে। আর তখুনি দুই কুকুরে উর্দ্ধশ্বাসে ছুটে চলে যায় বাংলোর বাইরে।

    বিকেল বেলায় জীপে উঠবার সময় আর দেখতে পেলো না ওদের। "ঐ কুকুর দুটো কোথায়? ডগি মগি?" টুম্পা প্রশ্ন করে চৌকিদারকে। সে উত্তর দেয় না, খুব বিষাদ ভরে টুম্পার দিকে তাকিয়ে শুধু মাথা নাড়ে।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ মার্চ ২০১৭ | ৪৬৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | 52.106.91.101 (*) | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০২:৩৫60776
  • ৩নং টা বেশ দিব্বি লাগল
  • Du | 182.58.107.247 (*) | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:২৮60777
  • ভালো লাগলো।
  • dd | 57.15.7.179 (*) | ১৬ মার্চ ২০১৭ ০৯:২৫60778
  • বাহ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন