• হরিদাস পাল  ব্লগ

    Share
  • থিম পুজো

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১২ অক্টোবর ২০১৯ | ১৮১ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল আড্ডায়। জিগেস করলাম, কী ব্যাপার কাকা? ্বেওসা করে লাল হয়ে গেছ শুনলাম এই কদিনে, ড্রাগ বেচছ নাকি?

    "আরে ড্রাগ ছাড়। পুজো-পুজো। আজকাল এই পুজো-টুজো কীরকম নুইসেন্স হয়েছে জানিস তো! তার ওপর জুটেছে থিম। কাগজ আর টিভির দৌলতে সব পুজোই এখন হিট পুজো। আমাদের পাড়ার পুজো তো চিরকালই দারুণ বিখ্যাত, এখন এই থিমের ঠ্যালায় আর পাড়ায় থাকা দায়। বছর দুয়েক আগের পুজোর চতুর্থীর দিন এই এখানেই আড্ডা মেরে ফিরছি, বাড়ি ঢুকব। তো সেবার কি বৌদ্ধ স্তুপ না কী ছাতার মাথা করেছে, আমাদের সদরে যাবার শর্টকাটটি বন্ধ। প্যান্ডেল তো শুরু হয়েছে দেড় মাস আগে থেকে। আমি এদ্দিন বাঁশ ডিঙিয়ে, তেরপল তুলে ঢুকে যেতাম। চতুর্থীর দিন দেখি সেখানে নীল রঙের সিকিউরিট গার্ডের পোশাক পরে এক পিস ভলান্টিয়ার সেখানে দাঁড়িয়ে গেছে। আজকাল ভাবতে পারবি না, শালারা পারলে মহালয়া থেকে পুজো শুরু করে দেয়। চতুর্থী থেকে তো প্রাইমটাইম শুরু। আমাদের সময়ে আসল পুজো শুরু হত সপ্তমী থেকে। ষষ্ঠীও নমোনমো করে সারা হত। তা সে মরুকগে যাক, আমি সেই ছোকরা ভলান্টিয়ারকে পাশ কাটিয়ে ঢুকতে যাব, সে বলে কোথায় যাচ্ছেন? আমি বলি, কোথায় মানে? বাড়ি যাচ্ছি। সে বলে, কার্ড কোথায়? কার্ড আবার কিসের? আমি বললাম, ভাই আমি এ পাড়ার লোক। সদরে যাবার পথ তো প্যান্ডেলে আটকে দিয়েছ। তাই প্যান্ডেলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। সে শালা কংসরাজার মতন হেসে বলে, কাকু, সবাই বলে পাড়ার লোক। পাড়ার লোক হলে কার্ড দেখান। আর নইলে জেন্টসদের লাইনে দিয়ে ঘুরে আসুন। ভাব তুই। পঞ্চাশ বছর ধরে এ পাড়ায়া থাকার পরে কার্ড দেখিয়ে বাড়িতে ঢুকতে হবে। সেদিন আবার আমার হাতে চারটে পাকা কলা। ভাইঝির জন্যে। পেট ছেড়েছিল বলে বৌদি আনতে বলেছিল। মনে হচ্ছিল দিই ছুঁড়ে ওই কলাগুলো হতচ্ছাড়া ভলান্টিয়ারের মুখে। তারপরে ভাবলাম এ শালার আর কী দোষ। এ তো কটা টাকার জন্যে হুকুম তামিল করছে। অনেক তর্জন-গর্জন, কাকুতি-মিনতি করলাম - ভবি কিছুতেই ভুলল না। বরং আরও দুটো ভলান্টিয়ার এসে জুটল। দেখলাম এবার নিজের পাড়ায় বেপাড়ার ছেলের হাতে প্যাঁদানি খেতে হবে। সেটা ঠিক ভাল হবে না ভেবে, আমি মানে মানে কেটে পড়লাম। কেটে পড়লাম মানে জেন্টসের লাইনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ঊফ, সে কী ভীড় মাইরি। চতুর্থীর দিন সব শালা রঙবেরঙের পাঞ্জাবী পরে বেরিয়ে পরেছে রাত্তিরবেলা ঠাকুর দেখবে বলে। দৃশ্যটা একবার ভাব। সেইসব ভাল জামাকাপড়ের মাঝে আমি শার্ট আর ময়লা পায়জামা পরে ধীরে ধীরে মাইলখানেক লম্বা সর্পিল লাইন ধরে নিতাই গৌরাঙ্গর মতন দুহাত মাথার ওপর তুলে এগোচ্ছি। সেই দুহাতে দুটি-দুটি চারটি আধপাকা মর্তমান কলা। মাথার ওপর তুলে না রাখলে সে কলা এতক্ষনে সিন্নি হয়ে যেত। বুঝলি, ওইরকম হরেকৃষ্ণ হয়ে লাইন ধরে এগোচ্ছি, আর মনে মনে ভাবছি, বাবার শরীরটা কদিন ভাল যাচ্ছে না। হার্টের ট্রাবলটা আবার আরম্ভ হয়েছে। এই সময়ে যদি বাড়াবাড়ি কিছু হয়ে যায়, অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হয়, সে অ্যাম্বুলেন্স যে কোথা দিয়ে ঢুকবে সে ভগা জানে! অ্যাম্বুলেন্সও ছেড়ে দে, ধর কোন বাড়িতে হঠাৎ কারুর যদি ভালমন্দ কিছু একটা হয়ে যায়, শালার এই প্যান্ডেল না খোলা অব্দি বডি পর্যন্ত বের করা যাবে না। মারা গেল পঞ্চমীর দিন, দাহ হবে লক্ষ্মীপুজো পেরিয়ে। ভাবতে পারিস!"

    আর তক্ষুণি আমার মাথায় খেলে গেল বিজিনেস আইডিয়া। বুঝলি। হেলিকপ্টার সার্ভিস। ওপর থেকে হেলিকপ্টার ঘুরবে। দড়ি নাবিয়ে দেব। দড়িতে খাটিয়া বেঁধে দেবে। সেখান থেকে স্ট্রেট শ্মশান তো শ্মশান, কবরখানা তো কবরখানা, হসপিটাল তো হসপিটাল। এক্সট্রা চার্জ দিয়ে ওই দড়ি দিয়ে ডাক্তার, স্পেশালিস্ট, নার্স সব নেবে আসবে।"

    - তুই হেলিকপ্টার সার্ভিস দিস!

    - দাঁড়া না ঘোড়াড্ডিম। হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু করতে পারলে এখানে থাকতাম নাকি? কবে শালা আলিপুরে উঁচু পাঁচিলওলা বাড়ি কিনে চলে যেতাম!

    - তাহলে হলনা, বিজনেস?

    - বিজনেস কেন হবে না? স্ট্র্যাটেজি চেঞ্জ করে ফেললাম। হেলিকপ্টারের অনেক হ্যাপা। বুঝলি। ও হবে না। তার বদলে কী করলাম, জানিস? এই যে পুরনো সব বাড়ি না, সবগুলোর ভেতরে ইয়াব্বড়া বড়া সব চৌবাচ্চা আছে। একটা নয় অনেকগুলো। ছেলেরা গামছা পরে বগলে সাবান ঘষে চান করে সকালে। দুপুরে বউরা বাসন মাজে। মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল। চৌবাচ্চাই বিজনেস ধরবে।

    - চৌবাচ্চা?

    - তবে আর বলছি কী! চৌবাচ্চা। আমি কী করি জানিস? প্যান্ডেলে বাঁশ পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি একটা চৌবাচ্চা সাফ করে ফেলি, বুঝলি? ফেলে, তাতে মোটা করে কাঠের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিই।

    - কাঠের গুঁড়ো?

    - ইয়েস স্যার। কাঠের গুঁড়ো। ব্যস, আমি রেডি। যেদিন থিমের প্যান্ডেল ফাইনাল হবে, তার ঠিক আগেরদিন আমার লোকেরা মোটা মোটা বরফের চাঙড় ফেলে দেবে ওই চৌবাচ্চায় কাঠের গুঁড়োর ওপর। একটা করে চাঁই ফেলবে, তারপরে তার ওপরে নীচে ভাল করে কাঠের গুঁড়ো ... ব্যস লক্ষ্মীপুজো অব্দি নিশ্চিন্দি। এইট্টি পারসেন্ট বরফ ইন্ট্যাক্ট থাকবে। কেউ টেঁসে গেলে বরফে শুইয়ে রাখ। প্যান্ডেলে খোলা হলে, বডি নিয়ে দাহ করে এস। কতবার হয়েছে। শ্রাদ্ধ, নিয়মভঙ্গ হয়ে গেছে, ছবির মালা শুকিয়ে গেছে - তারপরে দাহ হয়েছে। সার্ভিসের কী কাটতি ভাবতে পারবি না কাকা। এখন তো পুজো কমিটি আমাকে ডেকে ডেকে বিজনেস দিচ্ছে। তবে এতেই শেষ নয়। পরের বছর আনছি ডাক্তার।

    - অ্যাঁ, চৌবাচ্চায় ডাক্তার বসিয়ে রাখবি?

    - না বে না। মুর্তির পেছনে একটা পর্দা ফেলে ওখানে দুটো বেড লাগিয়ে দেব। হসপিটাল হয়ে যাবে। একটা করে নার্স আর হেল্পার পার হসপিটাল। পঁয়েরো দিন ওখানেই থাকবে। ভোগ দিয়ে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার। সাত্ত্বিক মেনু। আর প্যানেল অফ ডাক্তার থাকবে, ঘুরে ঘুরে ডিউটি দেবে। শালা শহরের লাইফ এক্সপেক্টেন্সি হুহু করে বাড়িয়ে দেবে এই শর্মা। কেমন হবে? সব পুজোয় হসপিটাল থিম।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১২ অক্টোবর ২০১৯ | ১৮১ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
বদল - ন্যাড়া
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ন্যাড়া | 236712.158.565623.99 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:৩৮51257
  • #
  • বিপ্লব রহমান | 236712.158.786712.145 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৫২51258
  • !!
  • Munia | 237812.69.4534.103 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:৪৩51259
  • উফ, হাসতে হাসতে পেট ফেটে গেল! বেড়ে হ্য়েছে!
  • এলেবেলে | 236712.158.565612.211 (*) | ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:১৪51261
  • বড়ই কষ্টকল্পনা মনে হল। ডাক্তাররা পনেরোদিন ভোগ দিয়ে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার সারবে? কলকাতার বারোয়ারিগুলোতে ভোগ পনেরো দিনের জন্য তৈরি হয় বুঝি? তাহলে তো গল্প মায়ের ভোগে চলে গেল।
  • কৌশিক সাহা | 236712.158.786712.145 (*) | ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:১৭51260
  • লেখাটি ভাল হয়েছে, যদিচ একটু কষ্টকল্পিত।
    কিন্তু ভাই, এই পরিস্থিতি তো বোধকরি সর্বদাই ছিল। 1971/72 এর রেকর্ডে ধ্বনিগৃহিত স্বর্গত ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৌতুক নক্শা "যুগের অভিযোগ" থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া যেতে পারে।

    স্থান - আদালত
    " ফরিয়াদি: পুজোর দশ দিন পর প্রতিমার সামনে জলসা হচ্ছিল।
    বিচারক: দশ দিন পর প্রতিমা ছিল কোথায়?
    আসামী (ভানু) : ক্যান হুজুর, প্যান্ডেলে। মায়েরা বিসর্জন দিতে মন চায় না। মায়েরে ছাড়লেই তো আবার বাবার পাল্লায় পড়তে হইব। যতদিন প্যান্ডেলে মায়ে থাকেন বাড়িতে যাওনের প্রশ্ন নাই, মায়েরে পাহারা দিতে হয় তো। মায়ে চইলা গ্যালেই বাবায় ইস্কুলে পাঠাইতে চায়।
    -------------
    বিচারক: কেন, অন্ধকার কেন, রাস্তায় আলো ছিল না?
    আসামী (ভানু): ছিল হুজুর, পূজার আগে ছিল। পূজার সময় রাস্তার ব্যাবাক আলো খুইলা প্যান্ডেলে লাগান হইছিল।"

    সেই tradition সমানে চলছে। পার্থক্য কেবল মাত্রায়।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত