• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • সেলিব্রিটির প্রতি ভালোবাসা

    জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২২ জুলাই ২০১৯ | ৭০৭ বার পঠিত
  • নিউজফিড ঘাঁটতে ঘাঁটতে বর্তমানের ফেমাস সিঙ্গার, মেয়েদের ক্রাশ মাঈনুল আহসান নোবেলের একটা ছবি হঠাৎ সামনে চলে এলো। ছবিটা দেখামাত্র আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটা শিহরণ বয়ে গেল। ইউরেকা! পেয়েছি! আমার জীবনসঙ্গী,আমার বাচ্চার বাপ, আমার নাতি-পুতির দাদা। সেই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম অতীত,বর্তমান,ভুত ভবিষ্যত সব ভুলে গিয়ে আমি নোবেলকেই বিয়ে করবো। প্রথম প্রথম পরিবার মানবে না...ইয়ে মানে, নোবেলকে রাজি করানোটাও একটা সমস্যা! তবে ব্যাপার না! আমি রোমান্টিক রোমান্টিক কবিতা লিখে ওর পেজে মেসেজ করে দেবো। শুরুতে সেইসব মেসেজ সে দেখেও না দেখার ভান করবে। তারপর আস্তে আস্তে ঐসব কবিতা নিয়ে ও গান বাঁধতে শুরু করবে। গান যখন বাঁধবে তখন নিশ্চয়ই ক্রেডিট‌ও দিতে হবে,সে তো আর ফেসবুকীয় কপিবাজদের মতো না যে ক্রেডিট না দিয়ে নিজের নামে চালাবে! ক্রেডিট দেয়ার জন্য আমাকে নক দেবে, আস্তে আস্তে কথাবার্তা আগে বাড়বে। বিন্দু বিন্দু জল গড়াতে গড়াতে সমুদ্র হয়ে যাবে। সেই সমুদ্রে সৈকতে আমরা হানিমুনে যাবো......

    কিন্তু তার আগে একটা কাজ করে রাখা ভালো। আমার পরিবারকে রাজি করিয়ে রাখি! বোঝাই যাচ্ছে আমার প্রতিভা দেখে নোবেল বেশীদিন চুপ করে থাকতে পারবে না। তখন যদি আমার পরিবার রাজি না থাকে অথবা একজন সেলিব্রিটি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে আব্বু কঠিন স্বরে মানা করে দেন তাহলে সেটা মানসম্মানের প্রশ্ন হয়ে যাবে। এইটা হতে দেয়া যায় না।

    তাই সাতসকালে নোবেলের ছবিটা প্রিন্ট করিয়ে নিয়ে আব্বুর বালিশের পাশে রেখে আসলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখবে। আমার ভেতরে যেরকম একটা অদৃশ্য টান ফিল হয়েছিলো,নোবেলকে দেখেই মনে হয়েছিলো আব্বুর জামাই হবে! সেরকম আব্বুর‌ও হয়তো ছবি দেখে মনে হবে, এইতো! আমার একমাত্র মেয়ের জন্য যাকে খুঁজছি এইতো সে!

    আব্বু চায়ের কাপ হাতে গম্ভীর মুখে নোবেলের ছবিটার দিকে তাকিয়ে আছেন। একবার আমার দিকে তাকালেন। আবার ছবিটার দিকে তাকালেন। আবার আমার দিকে তাকালেন,

    -এতকাল জানতাম জী বাংলা দেখে দেখে মহিলারা খারাপ হচ্ছে! আর তুই জী বাংলা থেকে আস্ত একটা ছেলে ধরে নিয়ে এসে জামাই বানাতে চাস?

    আমি নিচু স্বরে বললাম, আব্বু! ও তো জী বাংলার কেউ না! ও হচ্ছে সিঙ্গার! যদিও হ্যাঁ, শুরুটা জী বাংলা থেকে কিন্তু........

    -চুপ কর! এই ছেলে তোরে বিয়ে করবে কেন? এর কি মেয়ের অভাব পড়ছে?

    আমি দার্শনিক গলায় বললাম, মেয়ের অভাবে কেউ বিয়ে করে না আব্বাজান! এই পৃথিবীতে সবার একটা জুটি থাকে। আল্লাহ তায়ালা ওপর থেকে বানিয়ে পাঠান। যারটা যেখানে থাকে তাকে সেখানেই আসতে হয়। নোবেলকেও যশোরের এই ছোট্ট শহরের ছোট্ট গলির দোতালা বাড়িতেই মুখে রুমাল দিয়ে জামাই সেজে আসতে হবে,এটাকে বলে ডেসটিনি!

    -তুই বিরাট ডেসটিনি চিনে গেছিস! যখন দেখি নোবেল,নোবেল,নোবেল! ওর ভাগ্যে তোর নাম লেখা এটা কে বলছে? কোথা থেকে পাইছিস এই অমর বানী?

    আমি হাসিমুখে বললাম, ফেসবুকে দেখেছি। L + N হচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা কাপল। তারপর দেখছি মার্চে জন্মানো মেয়েগুলোর জন্য নভেম্বরে জন্মানো ছেলেগুলো‌ই পারফেক্ট!

    আমি হাত দিয়ে মশা তাড়ানোর মতো আমাকে ইশারা করে বললেন, যাহ! পাগল ছাগল যত্তসব!

    :তুমি খালি একবার বলো তুমি রাজি।

    -আরে! রাজির কি আছে এইখানে? ঐ ছেলে তোরজন্য বসে আছে?

    :তার ভাগ্যে যদি আমি লেখা থাকি তাহলে তাকেতো আমার জন্য বসে থাকতেই হবে! এটাকে বলে নিয়তি। নিয়তির লিখন না যায় খন্ডন!

    -তুই আমার সামনে থেকে যা। আর ঐ নোবেলের শো যখন জী বাংলাতে দেবে তোকে যেন টিভির সামনে না দেখি।

    :না আব্বু না! তুমি এভাবে আমাদেরকে কিছুতেই আলাদা করতে পারবা না! প্রয়োজনে আমি ইউটিউবে দেখবো, না হয় হটস্টার থেকে ডাউনলোড করে করে দেখবো। তবুও নোবেলকে না দেখে আমি বাঁচবো না! এভাবে দুইটি কচি কচি সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলকে তুমি আলাদা করতে পারবা না!

    আব্বু জবাব দিলেন না। বিরক্ত ভঙ্গিতে ঠাস ঠাস করে হামান দিস্তা দিয়ে সুপারি গুঁড়ো করতে শুরু করলেন।

    আমি ঘরে এসে চিন্তিত ভঙ্গিতে বসে আছি। আব্বাজান আমাকে একটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিছেন। তিনি ধরেই নিছেন নোবেলকে আমি পাবো না! আমাকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে নোবেলকে খুঁজে বের করে কাজী অফিস থেকে বিয়ে করে আব্বাজানের সামনে দাঁড়িয়ে হিন্দিতে বলা, "ম্যায় জো বলতিহু ও মে কারতিহু,অওর জো নেহি বলতিহু ও মে ডেফিনেটলি কারতিহু!"

    অনেকক্ষন ধরেই মেসেঞ্জারে টুং টুং করে কে যেন মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে। জবাব না পেয়ে এবার কল দেয়া শুরু করেছে। ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি আমার বান্ধবী দৃষ্টি।

    -হ্যালো!

    :জানিস কি কাহিনী হ‌ইছে!

    আমি বিরক্ত গলায় বললাম,তোর কাহিনী শোনার আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। এদিকে আমার বিয়ে নিয়ে আব্বুর সাথে সকাল থেকে ঝগড়া গন্ডগোল!

    দৃষ্টি অবাক হয়ে বললো, তোর বিয়ে নিয়ে! কার সাথে?

    -নোবেল।

    :সে কে? কবে হলো? বলিস নাই তো? প্রেমের বিয়ে না অ্যারেঞ্জ?

    -প্রেমের বিয়ে!

    :তুই প্রেম করছিস আমাকে বলিসনি! ফোন রাখ!

    দৃষ্টি রাগ করে ফোন কেটে দিছে। আমি হতাশ চোখে ফোনটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। আমি প্রেম করছি সেটা কি আমিও জানতাম নাকি! কাল নোবেলের ছবিটা দেখবার পর‌ই তো প্রেম হলো! একতরফা প্রেম,তবে সেটা আমি দুইতরফা করে নেবো! বন্ধুবান্ধবের সাপোর্ট ছাড়া সেটা কিভাবে সম্ভব?পুরো কথাটা না শুনেই ফোন কেটে দিলো!

  • যখন নোবেলের ব‌উ হবো কারোর সাহস হবে না এভাবে আমার কথার মাঝখানে ফোন কাটার! এখন যা করার করে নিক! সময় বদলালো বলে!

    নোবেলের পেজে একটা কবিতা পাঠিয়ে দিলাম,

    ওহে সখা,
    আজ এই লগনে
    একবার বলো ভালোবাসি,
    তাইতো বারবার কাছে আসি
    তোমাকে দেখিয়া আমার চিত্ত হ‌ইয়াছে আকুল,
    তৃষ্ণিত এ নয়ন,
    তপিত এ হিয়া,
    আমি এক দু্ঃখিনী
    ব্যথিত হৃদয়ে
    মাঙ্গতেছি ভালোবাসা,
    তাইতো এই পেজে আসা.............

    নোবেলের পেজ থেকে অটো রিপ্লাই এলো, Hello, How're you? Thanks for massaging me! I'll get back to you soon. Take care!

    এই অটোরিপ্লাই‌ও আমার চোখে ভালোবাসা হয়ে ধরা দিলো। যেন নোবেল বলছে,

    "জান কি করো? কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকি তোমাকে সময় দেয়া হয় না! প্লিজ আর একটু অপেক্ষা করো তারপর আমরা বিয়ে করে নেবো! মিস ইউ!"

    আমি লজ্জা লজ্জা চোখে নোবেলের অটোরিপ্লাইটার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে একটা ভালোবাসার ইমোজি দিলাম। টুং টাং করতে করতে অনেকগুলা লাভ ইমোজি বুদবুদের মতো ওপরে উঠে গেল।

    আমি উঠে পড়লাম। এখনো অনেক কাজ বাকি। তাছাড়া সারাক্ষণ নোবেলের চিন্তায় মগ্ন থাকলে চলবে না। পাড়া পড়শী বলাবলি করবে যে, বরপাগলা ব‌উ!

    বিকালের দিকে দৃষ্টি আবার ফোন দিলো। অভিমান মেশানো গলায় বললো,

    তোর এই প্রেম কাহিনী কবে শুরু হ‌ইছে? কিছু বলিস নাই কেন আমারে?

    আমি বিরক্ত গলায় বললাম, তুইতো জানিস‌ই আমি নোবেলকে পছন্দ করি। এইটা কয়বার বলতে হবে?

    দৃষ্টি খানিকক্ষণ চুপচাপ থেকে হোহো করে হাসতে শুরু করলো। কোনোমতে হাসি থামিয়ে দম নিতে নিতে বললো, তুই মাঈনুল আহসান নোবেলের কথা বলতেছিস! ওর সাথে তোর প্রেম কবে হলো?

    আমি গম্ভীর গলায় বললাম, হয়নি! হবে! না হ‌ওয়ার কি আছে? সে মানুষ না? সে কি এলিয়েন?

    দৃষ্টি বললো, আরে নোবেলরে নিয়ে তো অনেক গুজব শোনা যাচ্ছে! ওর নাকি গফ আছে! সেই গফের সাথে ঝগড়া করে ও নাকি হাত‌ও কেটেছে! গার্লস গ্রুপে এই নিউজের ছড়াছড়ি।

    আমি কান্না কান্না গলায় বললাম, এইসব কি বলিস?

    : হ্যাঁ! অবশ্য গুজব‌ও হতে পারে কিন্তু ভেবে দেখ! সত্যিও তো ওর গফ থাকতে পারে! দেখা যাচ্ছে জীবন মরণ প্রেম। তুই ওদের মাঝখানে গেলে বৃত্ত থেকে সেটা হয়ে যাবে ত্রিকোণ প্রেম কাহিনী! তারপর নোবেলকে নিয়ে মিডিয়াতে আজেবাজে কথাবার্তা রটে যাবে! আর তুই হয়ে যাবি ওদের সম্পর্ক নষ্টের কারণ,নোবেলের বদনাম হবার কারণ। সেলিব্রিটিদের কারবার!

    আমি জবাব দিলাম না!

    :দেখ! এইসব সেলিব্রিটিদের চিন্তা বাদ দিয়ে একটা নরমাল ছেলে খোঁজ!

    আমি ফোন রেখে দিলাম। ছ্যাঁকা খাওয়া ব্যর্থ প্রেমিকাদের মতো মোবাইল থেকে নোবেলের কাল রাতে সেভ করা পিকটা ডিলিট করে দিলাম। তারপর নোবেলের পেজে একটা হৃদয় ভাঙ্গার ইমোজিসমেত মেসেজ দিলাম,

    তোমাকে ভালোবাসি,ভালোবাসতাম,ভালোবাসবো!আমার মন জানে, জোর করে কারোর থেকে তোমাকে ছিনিয়ে নিতে আমি চাইনি! আমি চাই তুমি যেখানেই থাকো যাকে নিয়েই থাকো,সুখী হ‌ও! টেক লাভ মাই ডেয়ার!

    নোবেলের পেজ থেকে অটো রিপ্লাই এলো,

    Thanks for massaging me! I'll get back to you soon. Take care!

    আমি কান্না মুছে জবাব দিলাম, তুমিও নিজের খেয়াল রেখো প্রাক্তন!

    লেখা- জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য
  • বিভাগ : ব্লগ | ২২ জুলাই ২০১৯ | ৭০৭ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | 237812.68.455623.167 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৯ ০১:০০50792
  • নো-বেল! হেসে গেলাম
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন