এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • পাপ

    জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৮ জুন ২০১৯ | ১০৮১ বার পঠিত
  • ছোটবেলা থেকেই আমি ছেলেদের সাথে মিশতে খুব ভয় পাই। যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি একটা বখাটে ছেলে আমাকে লাভ লেটার পাঠিয়েছিলো। দুর্ভাগ্যবশত সেটা আমার হাতে না পড়ে আব্বুর হাতে পড়েছিল। সেই চিঠিতে কি লেখা ছিলো আমি আজো জানি না। তবে তার কারণে আমাকে প্রচুর মার খেতে হয়েছিলো। সেই মার আমি আজো ভুলিনি।

    এরপর ক্রমে ক্রমে আমি বড় হলাম। ক্লাস টেনে উঠতেই আরেকটা ছেলে আমার হাতে তার ফোন নাম্বার ধরিয়ে দিয়ে গেল। আম্মুর মোবাইল চুরি করে সেই নাম্বারে ফোন দিয়ে কয়েকদিন গল্প করতে না করতেই আপুর কাছে ধরা পড়ে গেলাম। আপু গিয়ে আব্বুকে নালিশ করে দিলো। আব্বু দ্বিতীয় দফায় আবার পেটালো।

    তৃতীয়বার কলেজে উঠে একটা হ্যান্ডসাম ছেলে দেখে আমিই প্রপোজ করে বসলাম। আফসোস! সেই ছেলে যখন আমাকে ফোন দিয়ে, "I love you too" জবাব দিলো তখন ফোনটা রিসিভ করলো আব্বু। এরপর.........

    তারপর থেকে আমি আশা ছেড়ে দিলাম। প্রেম ভালোবাসা জিনিসটা আমার জন্য না। কলেজে যখনি কোন ছেলে আমাকে প্রপোজ করে আমি কোনো জবাব না দিয়ে পালিয়ে চলে আসি। কেউ ফোন দিলে রিসিভ করি না। কোনো ছেলের সাথে কথা বলি না। আমার মাথায় একটা জিনিস গেঁথে গেছে যে ছেলেদের সাথে কথা বললে মার খেতে হয়।

    তার‌ওপর আমার দাদী।সে আমার ঘরেই থাকে। যখনি কোনো ছেলে আমাকে ফোন দেয় বা জানালার নিচে দাঁড়িয়ে শিষ দেয় দাদী সুর করে বলেন,

    "তোর বাপ জানলে জানিস‌ই কি হবে!"

    কখনো ফেসবুকে কোন ছেলের ছবি জুম করে দেখতে গেলে দাদী কানের কাছে গুনগুন করে বলেন,

    তোর বাপ জানলে জানিস‌ই কি হবে!

    আমি সাথে সাথে ফোন রেখে দিই।

    আমার ফ্রেন্ডলিস্টে কোনো ছেলে নেই। আমার লাইফেও কোন ছেলে নেই। আমি ছেলে ভয় পাই। ছেলেদের সাথে মিশলে যে মার খেতে হয়!

    কয়েক বছর কেটে গেল। দাদীর শরীর খুব খারাপ করলো। প্রায় মৃত্যশয্যায়। সেই সময়ে তাকে দেখতে অনেক আত্নীয় স্বজন এলো। তাদের মধ্যে আমার বড়কাকার ছেলের সাথে দাদীকে দেখতে এলো তার বন্ধু অয়ন।

    আমি দাদীর হাত ধরে বসে আছি হঠাৎ দেখি জানালার ধারে বসে অয়ন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আমাকে তাকাতে দেখে সে হালকা হাসলো।

    এই অবস্থায়‌ও পুরো দৃশ্যটা দাদীর চোখ এড়ালো না।

    "তোর বাপ জানলে জানিস‌ই কি হবে" আমার হাত চেপে ধরে এই বাক্যটা বলেই দাদী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

    আমার মনের মধ্যে অপরাধবোধে ছেয়ে গেল। আমি মহাপাপ করেছি। অয়নের দিকে না তাকালে দাদী মারা যেতো না। আমাদের চোখাচোখি দেখে দাদী শক পেয়ে মারা গেছেন। ছেলেদের সাথে মিশলে এই হয়। পাপ! মহাপাপ!!

    পাপের ভয়ে আমি আরো সাবধান হয়ে গেলাম। ফেসবুকে মাঝেমধ্যে অনেক ছেলে আমাকে মেসেজ বা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়। তাদের প্রোফাইল পিকটা ওপেন করে দেখতে গেলেই আমার মনে হয় কানের পাশ থেকে দাদীর আত্না ফিসফিস করে বলে,

    তোর বাপ জানলে জানিস‌ই কি হবে!

    আমি আঁতকে উঠে লগ‌আউট করে দিই। না না! কোনো ছেলের সাথে মেশা যাবে না। এসব পাপ!

    আমার পাপের ঘড়া পূর্ণ করতে আমার জীবনে এলো মাহাদী। পেশায় সে আমাদের কলেজের‌‌ই একজন প্রফেসর। তবে আমার সাবজেক্ট ইকোনমিক্স আর তার সাবজেক্ট কেমিস্ট্রি।

    ভার্সিটির কেমিস্ট্রি ছেড়ে সে আমার সাথে কেমিস্ট্রি তৈরি করতে এগিয়ে এল। প্রথম কয়েকদিন আমার সাথে সে অনেকবার করে কথা বলার চেষ্টা করলো। তাকে দেখলেই আমি পালিয়ে যাই। বিপদ বুঝে ভার্সিটিতে যাওয়াই বন্ধ করে দিলাম।

    তবুও নিস্তার পেলাম না। মাহাদী বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে সোজা আমার আব্বুর কাছে চলে এলো।

    "আমি আপনার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই!"

    বাক্যটা সে উচ্চারণ করতেই আমি দৌড়ে ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে খাটের নিচে ঢুকে পড়লাম। আব্বু মারবে! প্রচুর মারবে! মেরেই ফেলবে।

    ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। আমার বাড়ির লোকজন দরজা ভেঙে আমাকে উদ্ধার করলো।

    অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আব্বু মারধোর করাতো দূর বরং সবার মধ্যে একটা খুশী খুশী ভাব। মাহাদীর সাথেই নাকি আমার বিয়ে। এখন থেকে আমি বাপের বাড়ি ছেড়ে ওর সাথে গিয়ে থাকবো!

    আমি অবাক হয়ে গেলাম! পাপ হবে তো! একদিন একটা ছেলের দিকে তাকাতেই দাদী মারা গেল আর একটা ছেলের সাথে সারাজীবন থাকলে তো ঘোর পাপ হয়ে যাবে!

    আর আব্বুর কি মাথা খারাপ হয়ে গেল! কিছুই বলছে না! ছেলেটা নিশ্চয়ই আব্বুকে জাদু করেছে!

    পাপের ভয়ে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে বিয়ে করে আমি মাহাদীর সাথে তার বাড়িতে এসে উঠলাম। বিদায়বেলায় কান্নাকাটি তো দূর আমি শুধু অবাক হয়ে বারবার আব্বুর দিকে তাকাচ্ছিলাম। আব্বু কিছুই বলছে না! কি অদ্ভুত!!

    মাহাদীর সাথে আমার এর আগে কখনো সেভাবে কথা হয়নি।বিয়ের আগে সে আমাকে অনেক ফোন দিয়েছে,বাসায় এসেছে কিন্তু আমি তার সাথে একবার‌ও কথা বলিনি।

    বিয়ের রাতে মাহাদী আমার হাত ধরতে গেলেই আমি হাত সরিয়ে নিয়ে বললাম, আব্বু বকা দেবে।

    সে অবাক হয়ে বললো, কেন বকা দেবে?

    আমি জবাব দিলাম না।

    মাহাদী বললো, তোমার কি অন্য কাউকে পছন্দ আছে? বিয়ে ঠিক হয়ে পর্যন্ত দেখছি আমাকে এভোয়েড করো।

    আমি জবাব দেয়ার আগেই সে আবার নিজে থেকেই বললো, না! তা কি করে হয়! আমি তোমার সম্পর্কে অনেক খোঁজখবর নিয়েছি। তুমি নাকি কোন ছেলের সাথেই কথা বলো না! অনেক ভালো মেয়ে।

    এখন একটু আমার দিকে তাকাও!

    আমি জবাব দিলাম না। ওর দিকে তাকালাম‌ও না।তাকালেই পাপ হবে।

    সকালে আব্বু ফোন দিয়েছেন। গম্ভীর গলায় বলছেন, কেমন আছিস?

    আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম, আব্বু বিশ্বাস করো, আমার কোনো দোষ নাই।

    আব্বু অবাক হয়ে বললেন, কিসের দোষ নাই?

    -এই যে বিয়ে করেছি! আমাকে মাফ করে দাও আব্বু!

    আব্বু কিছুই বুঝলেন না। ধমক দিয়ে বললেন, পাগলের মতো হাবিজাবি কি বলিস!? যাইহোক! জামাইরে নিয়ে বেড়িয়ে যাস!

    -ওরে নিয়ে আসবো আব্বু! রাগ করবা না তো?

    :আরে রাগ করবো কেন? জামাইরে নিয়ে আসবি না তো কি পরপুরুষ নিয়ে আসবি? আচ্ছা রাখলাম। জামাইরে বলিস ওরেও আলাদা করে ফোন দিবো।

    আমি ফোন রাখলাম। এতক্ষণে আমার কাছে একটা জিনিস পরিস্কার হয়ে গেছে। এই ছেলে আব্বুকে জাদু করেছে। এরসাথে কথা বললে, হাতটাত ধরলেও আব্বু রাগ করবে না। এমনকি আব্বুর সামনেও ওর সাথে কথা বলতে পারবো। অবশ্য আব্বুর সামনে হাত ধরাধরি না করাই বাঞ্ছনীয়। আসার দিন দেখে এসেছি গাছের ডাল ভেঙে ভেঙে চুলা জ্বালানোর খড়ি বানিয়েছে। না না! রিস্ক নিয়ে লাভ কি? আব্বুর সামনে এই ছেলের বেশী কাছে বসাও ঠিক হবে না!

    এভাবেই চলতে লাগলো। আব্বুর আড়ালে আমাদের মোটামুটি ভালোই ভাব ভালোবাসা। কিন্তু পাপের ভয় আমার পিছু ছাড়ে না। জোসনারাতে যখন আমি আমার বরের হাত ধরে আকাশের চাঁদ দেখি তখন বারবার নিচে তাকাই আর দেখি গেট দিয়ে বেত হাতে আব্বু ছাদের দিকে তেড়ে আসছেন না তো!

    বিয়ের ছয়মাস কাটতেই আমি মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম। ডাক্তারের কাছে যেতেই তিনি অনেক টেস্টফেস্ট করে মাহাদীকে আড়ালে ডেকে কিছু বললেন। মাহাদী এসে আমার হাত ধরে বললো, চলো!

    আমি চিন্তিত গলায় বললাম, আমার কোনো সমস্যা? কোনো রোগ? আমি জানতাম! জানতাম এই পাপের শাস্তি আমাকে পেতেই হবে। নিশ্চয়ই আমার কোনো বড় রোগ হয়েছে। ডাক্তার জবাব দিয়ে দিয়েছে। তাইনা?

    মাহাদী অবাক গলায় বললো, এসব কি বলো? কিসের পাপ? আরে বোকা! তুমি মা হতে চলেছো।

    আমি দ্বিতীয়বার মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম। এইবার আমার ক্ষমা নাই!

    অজ্ঞান হবার আগমুহূর্তে মনে হলো আমার দাদী এসেছেন। কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলছেন, "তোর বাপ জানলে জানিস‌ই কি হবে!!!!"

    লেখা- জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ২৮ জুন ২০১৯ | ১০৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | 237812.68.674512.181 (*) | ২৯ জুন ২০১৯ ০১:২১48870
  • লেখাটা কি মজা করে লেখা? না বোধহয়। আসলে মেয়ে হয়ে না জন্মালে এই ট্রমা গুলো বোঝা যায় না।
  • শিবাংশু | 124512.101.7878.127 (*) | ২৯ জুন ২০১৯ ০৬:৩২48871
  • মজা বা মজন্তালি, যাই হোক না কেন, ইহা সত্য। কিন্তু এতো আমাদের প্রজন্মের গল্প। এখনও কি এরকমই? আমাদের মেয়েদের দেখে তো লাগেনি এমন...

    তবে লেখার এই ভঙ্গিটি ভারি ফোকাসড। রমানাথ রায়কে মনে পড়িয়ে দেয়।
  • শঙ্খ | 237812.69.453412.26 (*) | ২৯ জুন ২০১৯ ০৬:৩৯48872
  • বাহ।
  • রঞ্জন | 124512.101.6778.225 (*) | ২৯ জুন ২০১৯ ০৬:৫৫48873
  • ভালো লাগল। কিন্তু ওই একটাই কোশ্ন।
    বাংলাদেশের গাঁয়ে কি এটাই বাস্তব? নাকি কোন এক মেয়ের --।
  • বিপ্লব রহমান | 236712.158.78.52 (*) | ০২ জুলাই ২০১৯ ০৭:০৭48874
  • "আব্বু মারবে" -- এইটুকু ভীতি পর্যন্ত ঠিকই ছিল (যদিও শহরাঞ্চলে এটি বেশ অবাস্তব), কিন্তু "পাপ হবে" ভীতিটা লেজেগোবরে মনে হলো!

    লাবন্যর বিরামহীন আরেকটি প্রচেষ্টা!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন