• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • অতিনাটকীয়

    Saikat Bandyopadhyay
    ব্লগ | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ | ৩১৯ বার পঠিত

  • গল্পলেখক শান্তনু দেবনাথ, যার আসল নাম নাকি একক, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আসলে একজন ভিনগ্রহের জীব। কারণ, প্রথমত আমি একককে কোনোদিন চোখে দেখিনি, শুধু লেখা পড়েছি। দ্বিতীয়ত, বাইনারি বা হেক্সাডেসিমালের মতো শতক, দশক বা এককও কোনো মানুষের নাম হয়না। তৃতীয়ত, এবং সবচেয়ে বড় কারণ এই, যে, কোনো এক মায়াপাতার গুষ্টিতে আমি যখন 'সুন্দরবনের বাঘেদের খামোখা মানুষখেকো হয়ে ওঠার জন্য জ্যান্ত রাখার দরকার কী, মেরে ফেললেই হয়না?', জাতীয় একটি নিষ্পাপ প্রশ্ন করি, তখন একক আমাকে সমর্থন করেছিল। ব্যাপারটা আপাতদৃষ্টিতে রহস্যজনক, কারণ, শোনা যায়, একক নাকি পশুপ্রেমীর বাটখারা। জ্যান্ত শজারু পেলে উল্টে দিয়ে পেটে হাত বোলায়। কথা না শুনলে রাস্তার কুকুরদের কান মলে দেয়। ডিগবাজি দিয়ে দেখালে লেড়ো বিস্কুট কিনে খাওয়ায়। সুন্দরবনের বাঘরা তার স্নেহচ্ছায়ার আশ্রয় কেন পেলনা কেন এই নিয়ে অবাক হওয়াই যায়।

    আমি অবশ্য অবাক হইনি। তারও নানারকম কারণ আছে। প্রথমত, আমার আইডিয়া ছিল অকাট্য। একদম পশ্চিমী টেক্সট বই থেকে নেওয়া, ট্যাঁফোঁ করার উপায় নেই। এসব টেকনিক জীবন থেকে শেখা। আমি যেখানে থাকি, সেখানে গাদা-গাদা হরিণ। বাড়ির বাগানের গাছ খেয়ে যায়। লোকেও তাদের বড় স্নেহ করে। রাস্তা দিয়ে হরিণ পেরোচ্ছে দেখলে গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে, নইলে যদি ধাক্কা লেগে যায়? বছরে এগারো মাস এইসব চলে। আর বাকি একমাস মানুষকে পারমিট দেওয়া হয়। জঙ্গলে ঢুকে যত খুশি হরিণ মারুন, নইলে ব্যাটারা সংখ্যায় বড় বেড়ে যাবে। সে সময় কান পাতলেই নদীর পাড়ে বন্দুকের শব্দ শোনা যায়। জঙ্গলে পারমিট ছাড়া ঢোকা বারণ, যদি গুলি লেগে যায়? ফুর্তিফার্তা হয়, ফ্রিজারে জমিয়ে রাখা হয় মাংস, ব্যস। বাকি এগারো মাস আবার আমরা হরিণ ভালোবাসি।

    তা, বাস্তুতন্ত্রকে বাগে রাখতে এইরকম ভাবে ভালবাসলেই হয়, আটকাচ্ছে কে? খামোখা বাঘ দিয়ে হরিণ খাওয়ানোর দরকার টা কী? যা কেটে খাওয়া যায়না, পুষে বেগার খাটানো যায়না, তা বাদে কোনো জন্তুকেই মানুষ জিন্দা রাখেনি। এদিক-সেদিক কটা অভয়ারণ্যের সার্কাসে যে দু-চার পিসকে রেখে দিয়েছে, তাদের রেখেই বা লাভ কী? ইকলজি? ওসব ঢপের কথা। বাঘ মরলে কটা হরিণ বেড়ে যাবে, তাদেরকে মেরে ফেললেই হল। যুক্তি অকাট্য। কিন্তু যুক্তি ঠিক থাকলেই তো হলনা। অনুভূতিতে আঘাতের ব্যাপার আছে। আইপিসির ধারা আছে। গণপিটুনির ভয় আছে। ভিনগ্রহের জীব বলে এককের ওসব বালাই নেই। না হলে কেউ এসব জিনিসে নাক গলায়না।

    তবে যুক্তি-ফুক্তিও ফালতু কথা। দ্বিতীয় এবং আসল কারণ হল, আদতে ভিনগ্রহের জীব বলেই একক এইসব অজানা খুচরো তঞ্চকতা ভালোবাসে। যেখানে নিষ্পাপ ও নিটোল জীবনযাপন এবং ততোধিক সরল খুনজখম। বাস্তবে ভালোবাসে কিনা জানা নেই, ভিনগ্রহীদের জীবন নিয়ে আমি কিছু জানিনা, এসবই লেখালিখির কথা। কম্পোজিশনের কথা। যেখানে কোথাও কিছু নেই, একটা আস্ত প্রজাতির মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হল বসন্ত রোগের জীবাণু, ব্যস গোটা প্রজন্ম ফৌত। একটা ছাগলকে কাঁঠালপাতা দিয়ে শান্ত রেখে তার পাশেই আরেকটাকে কেটে ফেলা হল। তারপর ছাগল আর মানুষ শান্তিতে পাশাপাশি বসে খাওয়াদাওয়া। একজন কাঁঠালপাতা, আরেকজন পাঁঠার মাংস। একটা লোক রাস্তা দিয়ে ফিরছিল প্রেম-টেম করে, হাতে বাজারের ব্যাগ। প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়া-হাতাহাতি, তাই মেজাজ খিঁচড়ে। বাড়ি এসে 'রতনের মা, একটু মুড়ো দিয়ে ডাল বানাও' বলে ছুঁড়ে দিল ব্যাগ, সেখান থেকে গড়িয়ে এল প্রেমিকার মাথা। এইসব।

    আমার স্থির বিশ্বাস, এককের ঘোষিত পশুপ্রেমের মধ্যেও এইসব নানা হিংসার কম্পোজিশন আছে। রাস্তার বেড়াল ও কুকুররা, খাইয়ে দাইয়ে জিইয়ে রাখলে অকাতরে বাচ্চা পাড়বে, তাদের তেরোটার মধ্যেই এগারোটাই হয় বাসে চাপা পড়বে, নয় না খেতে পেয়ে কোঁকাতে কোঁকাতে কঙ্কাল হয়ে যাবে, কিংবা কোনো মানুষকে কামড়ে দেওয়ায় সে মাথায় ঢেলে দেবে ফুটন্ত জল। তৃতীয় বিশ্বের কারবার যা হয়। বিলাত-আমেরিকায় অবশ্য অন্য সিস্টেম। সেখানে মুর্গি জন্মায় খাঁচায়, খায় হরমোন, ফুলে ঢোল হয়ে খাঁচায় আটকে যায়, নড়তে চড়তে পারেনা, হাগামোতা ওখানেই। জীবনে একবারই বেরোয় খাঁচা থেকে, জবাই হবার জন্য। এগুলো অবশ্য খাদ্য-খাদকের ব্যাপার। মানেকা গান্ধির আওতার বাইরে। পোষ্যদের ক্ষেত্রে ওরা বলে পুটডাউন। মিষ্টি কুকুরের বাচ্চা? হারিয়ে যাওয়া বেড়াল ছানা? তেরো বা তেত্তিরিশদিনের মধ্যে গতি হলনা? খদ্দের নেই? নো প্রবলেম। কোনো কাঁউমাউ নেই, হইচই নেই, একদিন চোখ বুজবে, আর উঠবেনা। সভ্যতার পরাকাষ্ঠা।

    দিব্যদৃষ্টিতে এইসব ধামা-চাপা ভায়োলেন্সকে খুঁটে বার করতে পারে যে, তার নাম একক। কোনো অজ্ঞাত কারণে সেক্সে তার তেমন রুচি নেই, অন্য গ্রহের পদ্ধতি কিছু আলাদাই হবে হয়তো। কিন্তু কামড়ানো তার প্রিয় চারণভূমি। সে মার্কেট ইকনমি ভালোবাসে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস সেখানে কামড়াকামড়ি আছে বলে। যেন অ্যাকোয়ারিয়ামে ছেড়ে দেওয়া পিরানহাদের সুস্থ ও অবাধ প্রতিযোগিতা। যেন অ্যাম্ফিথিয়েটারের ফেয়ার প্লে পুরস্কার। ফলে তার গপ্পে চকরা-বকরা জামা-পরা আলোকিত যুবক-যুবতীরা আর তাদের গিলোটিনে-কাটা হাস্যমুখর মুণ্ডুর ছড়াছড়ি। একে মনস্তাত্বিক থ্রিলার বললেও হয়, তবে স্পাই ফাইয়ের মামুলি গপ্পো নয়, ভায়োলেন্স এখানে সর্বগ্রাসী। পাশের বাড়ির মেয়েটি প্রাণের বান্ধবীর পাছায় আলপিন ফুটিয়ে রক্তারক্তি করে দিয়ে বলছে, আহা লাগল নাকি রে? তেরো তলার ছাদে দাঁড়ানো ছেলেকে তার প্রিয় বন্ধু বলছে, জানিস উড়তে কেমন লাগে? --কেমন? -- এইরকম। বলেই এক ধাক্কা। কারবারটাই এরকম।

    এইসব ভায়োলেন্স নিজের গ্রহের মানুষের চোখে পড়েনা। সম্ভব না। একক যে ভিনগ্রহী, এই তার অকাট্য প্রমাণ। আত্মা যেমন স্রেফ খোলস বদলায়, যে কোনোদিন এককও জামা বদলে রঙচটা তোবড়ানো স্পেসশিপ নিয়ে আলফা সেনটরির দিকে উড়ে যেতে পারে। আমার ইনটিউশন অন্তত সেরকমই বলে। যাবার আগে পৃথিবীকে উপহার দিয়ে যাবে এই গল্পগ্রন্থটি। যার নাম, অতিনাটকীয়। ভিনগ্রহীদের চোখের পৃথিবী কেমন হয়, জানতে গেলে পড়তেই হবে, কারণ, এতক্ষণ, এককের লেখা একটি গপ্পোও আমি বলিনি। আমি অত কাঁচা লোক নই, যে, স্পয়লার দেব। এটা পুরোটাই আমার অর্ধসমাপ্ত বাস্তবধর্মী গল্প, ভিনগ্রহে যাবার আগে একক দেখা দিয়ে গেলে, যেটা আমি শেষ করবই।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ | ৩১৯ বার পঠিত
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
খোপ - রৌহিন
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • Biplob Rahman | 340112.231.126712.75 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:২৭50204
  • ভিনগ্রহের জীব এককের এইসব খুচরো তঞ্চকতা একদম ভালো নয়। ধিক্কার জানাই।
  • dd | 90045.207.8945.106 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৩৬50205
  • কে? অ্যাকোক? অ্যাকোক তো? খুব ভালো করে চিনি। কতোবার মোলাকাৎ হয়েছে। কথা বাত্তা হয়েছে। হ্যাঁ, চিমটি কেটে দেখি নি ঠিকই তবে একবারে নির্ভেজাল এই গ্রহের মানুষ। ছা পোষা এবং অমায়িক। যদিও দাড়ি আছে।

    তবে দু এক জনে হয়তো উনার গাঢ় সবজে গায়ের রং আর ঘোর নীল কান দেখে অবাক হন। মাথার দুটো ছোটো শিং (খুসী হলে চিড়িক মিড়িক করে)দেখেও, হতে পারে, এক আদজনের অস্বস্তি হয়। তবে মিউসিকাল কুনুই নিয়ে তো অসুবিধের কিছু নেই। কাঁচের কাপ প্লেট খাওয়া নিয়েই বা কী? আপ রুচি খানা। ব্যাস।

    অন্য গ্রহের জীব ক্যানো হতে যাবে। যত্তো সব ফালতু অপোপ্রচার।
  • | 453412.159.896712.72 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪৬50201
  • :-)))))
    যা তা।
    তা এই বইটা প্রকাশ করবার জন্য কুড়ি পঁচিশ বছর বাদে আত্মজীবনীতে ক্ষমা চাইবে না? :-)))
  • Du | 237812.58.890112.15 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫২50206
  • ঃ)))
  • dc | 011212.227.672323.206 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১৯50202
  • এটা কি পাঠ প্রতিক্রিয়া? একক কি ফোর্ড প্রিফেক্ট?
  • pi | 4512.139.122323.129 (*) | ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:২৮50203
  • ঃ))

    অতিএককীয় হয়েছে!
  • de | 90056.185.673423.53 (*) | ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৪৮50207
  • :))))
  • kumu | 670112.212.458912.209 (*) | ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:৫০50208
  • কাঁধে একটি ম্যাজেন্টা সজারু ,চিত করা,হাতের আঙুলগুলো মানুষের মত,
    রামধনু রঙের ভুরু,
    আর খড়ম উইথ রিমুভেবল রণপা-

    এই দেখেই লোকজন নার্ভ হারিয়ে ফেলল?
  • AP | 232312.15.3467.241 (*) | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:১০50209
  • বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া হয় জানতাম, এই বইয়ের যা সব পাঠ-পূর্ব-প্রতিক্রিয়া (গ্রামার নিয়ে ভাববেন না) বেরুচ্ছে, তাকে কি 'প্রতিনাটকীয়' বলা বোধহয় অন্যায় হবে না।
  • র২হ | 232312.172.891212.228 (*) | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৩৪50210
  • :D

    এগুলি ঠিক পাঠ-পূর্ব নয়, এককের লেখার সঙ্গে এঁরা (এবং আরো অনেকেই) পরিচিত। এইসবই লেখক ও বই সম্পর্কে পরিচিতি ও প্রত্যাশা, আগামী পাঠকদের জন্যে।
  • | 2345.110.893412.104 (*) | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩১50211
  • ন্যাড়া | 1278.202.5634.85 (*) | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪৮50212
  • পরের বইমেলায় আমার বেস্টসেলার "আমি একককে দেখেছি।"
  • dc | 232312.174.670123.206 (*) | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫৬50213
  • আর আমার কবিতা, "এককের মুখ আমি দেখিয়াছি, পৃথিবীর মুখ আমি দেখিতে চাই না আর; বেটেলেগিউসে যাইব বলিয়া সমানে বিয়ার পান করিতেছি"।
  • কল্লোল | 342323.191.2367.80 (*) | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৬:২৮50214
  • ওসব জানিনে বাপু। বড় চমৎকার ঘরেলু মোহিতো বানায়।
  • aranya | 3478.160.342312.238 (*) | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৪50215
  • ''সুন্দরবনের বাঘেদের খামোখা মানুষখেকো হয়ে ওঠার জন্য জ্যান্ত রাখার দরকার কী, মেরে ফেললেই হয়না?', জাতীয় একটি নিষ্পাপ প্রশ্ন করি, তখন একক আমাকে সমর্থন করেছিল'

    - পৃথিবী গ্রহে মনুষ্য-নামক একটি প্রজাতি আছে, তাদেরও মেরে ফেললেই হয়, প্রাণী, উদ্ভিদ সব-ই তারা খেয়ে নেয় তো বটেই, খাদ্য না হলেও অকাতরে অন্যকে খুন করে, হত্যার নিদান হাঁকে
  • প্রিয়ঙ্কর | 2345.110.9004512.158 (*) | ১১ মার্চ ২০১৯ ০৬:৫৭50216
  • শান্তনু দেবনাথ ওরফে এককের "অতিনাটকীয়" পড়া শেষ হলো। সব মিলিয়ে বেশ ভালো। ধাক্কা দেওয়া, অন‍্য রকম। লেখনী মারাত্মক বলিষ্ঠ। গল্পগুলির মধ‍্যে 'দীহারি কথা' বেশ ভালো লেগেছে। ভাষার ব‍্যবহার আর গল্পের বুনোট দুইয়েতেই দক্ষ হাতের ছোঁয়া। 'স্বাদ' মন খারাপ করিয়ে দেয়। 'গুলাবো', 'আমাজনের পেঁপে', 'অন্নময়', সাংসারিক', 'বিষক্ষয়'- এই গল্পগুলো খতরনাক, ভয়াবহ, বীভৎস রস নিয়ে ভয়ঙ্কর এক্সপেরিমেন্ট। 'ভজো'তে পিকুর ডায়েরির মতো চলতে চলতে শেষটায় আচমকা ধাক্কা লাগে। 'অতিনাটকীয়' আর 'নিশানবাবুর নেশা' উদ্ভট। 'উডভুতুয়া' গা ছমছমে। 'মালার প্রেম' ও এক বীভৎস প্রেমের গল্প। মোদ্দা কথা হচ্চে, একেবারে অন‍্যরকম এবং অন‍্য স্টাইলের আকর্ষণীয় লেখা। একেবারেই অন‍্য একটা ধারা তৈরী হয়েছে বলা যায়। বাংলা সাহিত‍্যের নিয়মিত পাঠকদের অবশ‍্যই পড়া উচিত। বাকিদের না পড়লেও চলবে।
  • i | 891212.211.450123.42 (*) | ১৯ মার্চ ২০১৯ ১০:১৫50217
  • আমিও শেষ করলাম এই মাত্র। প্রোমোতে নিমসৌন্দর্য্য শব্দটা ব্যবহার হয়েছিল।
    আমি এককের ভাষা ধার করে বলব-রূপ। ভলকে ভলকে রূপ।
  • | 237812.69.563412.233 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০০50218
  • এককের বই নিয়ে আজ 'এই সময়' পত্রিকায়

  • | 237812.69.563412.233 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০১50219
  • Pinaki | 188.148.43.169 | ২৩ জুন ২০২০ ২০:১২94553
  • জীবনে কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যা মূর্তিমান বিড়ম্বনা হয়ে রয়ে যায় সারাজীবন। সেসব ঘটনায় নিজের হাত থাকে না, অথচ সারাজীবন ধরে তারা ঘুরেফিরে আসতে থাকে, প্রতিবার বিড়ম্বনার মাত্রা একটুখানি বাড়িয়ে নিয়ে। এককের বই নিয়ে এই সময় পত্রিকায় বেরোনো এই ছোট্ট রিভিউটাও ঠিক সেরকম। ছোট, অথচ প্রাণঘাতী। সারাজীবন একক এবং গুরুচণ্ডা৯-কে তাড়িয়ে বেড়াবে এই প্রশ্নটা - কেন? কেন? কী পাপ করেছিল একক এই বইখানা লিখে! কী পাপ করেছিল গুরু সেটা এই সময় পত্রিকায় রিভিউ করতে দিয়ে! অবহেলায় হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তের ছবি আর মাঝে মধ্যে সাম্প্রতিক সমস্যাকে গল্পের বিষয় করে তোলা -- ভগবান, এর চেয়ে তো কানা করে দিলেই পারতে!
  • বিপ্লব রহমান | 119.30.46.195 | ২৪ জুন ২০২০ ০৯:১১94585
  • এককের আবির্ভাব কাম্য।  বইটি পড়তে হবে   

  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত