ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  সিনেমা

  • ওজুর চলচ্চিত্র- ফায়ার উইদিন, কাম উইদাউট

    শুভদীপ ঘোষ
    আলোচনা | সিনেমা | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ | ২১৬০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)

  • ‘দৃশ্য-বস্তু থেকে ক্যামেরার দূরত্বের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়, কিন্তু ক্যামেরার অবস্থান সব সময়ই মেঝে থেকে দু’হাত উপরে। অর্থাৎ জাপানী কায়দায় মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসলে মানুষের চোখ যেখানে থাকে, ওজুর ক্যামেরার লেন্স থাকে প্রতিটি শট-এ ঠিক সেই উচ্চতায়।’ – লেখক সত্যজিৎ রায় (বিষয় চলচ্চিত্র, পৃষ্ঠা - ২০)। সহকারী পরিচালক হিসেবে শুরু করে কিছু বছরের মধ্যেই পুরাদস্তুর পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ইউসুজিরো ওজু। ছবি করেছেন একশটিরও বেশি কিন্তু বেশিরভাগই হারিয়ে গেছে। সর্বসাকুল্যে সন্ধান পাওয়া যায় গোটা তিরিশেক ছবির। এর মধ্যে নামকরা ছবি গুলি হল- টোকিও মনগাতারি (১৯৫৩), লেট স্প্রিং (১৯৪৯), ফ্লোটিং উইডস (১৯৫৯), আর্লি সামার (১৯৫১), এন অটম আফটারনুন (১৯৬২), দি ফ্লেভার অফ গ্রিন টি অ্যান্ড রাইস (১৯৫২) ইত্যাদি।

    আমাদের প্রথম ওজু-অভিজ্ঞতা কিন্তু ওজুর নামকরা ছবি গুলির মধ্যে থেকে হয়নি। কোন উৎসব মনে নেই, কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব হতে পারে আবার স্বতন্ত্র কোনো প্রদর্শনীও হতে পারে। এক দশকের একটু বেশি আগে হবে, সন্ধ্যা-বাসর, যতদূর মনে পড়ছে বিকেল চারটে বা সন্ধ্যা ছটার প্রদর্শনী, নন্দন দুই (তখন আলাদা আলাদা চেয়ার পাতা থাকত, এখনকার মত ফিক্স সুইঙ্গিং চেয়ার নয়)। ওজুর নামের সাথে পরিচিতি তখনও পর্যন্ত উপরের ঐ সত্যজিতের বক্তব্যটি। জাপানের ছবি বলতে আমরা বুঝি আকিরা কুরোসাওয়া (১৯১০-১৯৯৮)। বিশেষত এর কিছুকাল আগে দেখা কুরোসাওয়ার ‘রশোমন’(১৯৫০)-এর রসে তখনও আমাদের মন মজে আছে। অকালপক্ব আমরা সেই দিন ওজুর যে স্বল্প পরিচিত ছবিটি দেখেছিলাম তার নাম 'ইকুইনক্স ফ্লাওয়ার' (১৯৫৮)।



    ইকুইনক্স ফ্লাওয়ার

    প্রখ্যাত নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভিস্ট্রাউস (১৯০৮-২০০৯) তার কিনসিপ সংক্রান্ত আলোচনায় দেখিয়েছিলেন, সমাজ বলে একটা কিছু যে আছে তার প্রধানতম প্রকাশগুলির একটি যদি ‘আত্মীয়তা’ হয়, তাহলে আত্মীয়তার আজকের সামাজিক চেহারাটার পিছনে ‘বিবাহ’ নামক অধুনা ক্ষণভঙ্গুর ইন্সটিটিউশনটির আদি রূপই মুখ্যত দায়ী ছিল। এই বিবাহ ও তৎসংক্রান্ত ব্যক্তিক-সামাজিক সমস্যা ওজুর বহু ছবিরই মূল বিষয়। 'ইকুইনক্স ফ্লাওয়ার'-এ বাবা মা চেয়েছিলেন মেয়ে সেটসুকুর বিয়ে হোক জাপানী প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সম্বন্ধ করে। কিন্তু মেয়ে বাবা মায়ের অমতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে ঠিক করে। বাবাই মুখ্যত এই বিয়ে মেনে নিতে পারেন না। মা অনেক বোঝান বাবাকে। খুবই সাদামাটা গল্প। ভাল-মন্দ সুবিধে-অসুবিধের তর্কের মধ্যে না গিয়েও বলা যায় প্রাচ্য আজও সমাজ-প্রধান, পাশ্চাত্যের মত রাষ্ট্র-প্রধান নয়। তাই বিশেষত প্রাচ্য ভূখণ্ডে এ ঘটনা এ সমস্যা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে অতিনাটকীয় জোলো অসংখ্য ছবির মধ্যে ওজু উজ্জ্বল ব্যতিক্রম মূলত দুটি কারণে। এই দুটি কারণই ওজুর সমস্ত চলচ্চিত্রের একান্ত বৈশিষ্ট্য। এক, ওজু সম্পূর্ণ অতিনাটক বিবর্জিত ও ভীষণ বাস্তবসম্মত এবং দুই, উপরে সত্যজিৎ রায়ের বলা ওজুর মৌলিক নির্মাণশৈলী!

    ওজুর ক্যামেরা জাপানী কায়দায় হাঁটু মুড়ে বসা মানুষের চোখের উচ্চতায় শুধু থাকে না, ওজু যুগপৎ জাপানী ঐতিহ্যের প্রতি নতজানু এবং তার চিত্রগ্রহণ ক্ষমতা এমনই যে মনে হয় যেন সবার অলক্ষ্যে একজন ক্যামেরা চালু করে দিয়ে গেছে কখন! কিন্তু ওজুতে তথ্যচিত্রের মেজাজ নেই। এখানেই তার বিশেষত্ব। তাঁর অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয় ত্রুটিহীন। উচ্চকিত গতি-বহুল আধুনিক পাশ্চাত্য ধাঁচের জীবনের বিপরীতে বইছে ওজুর ছবির চরিত্রগুলির গতিবিধি। সমাহিত, ধীর-লয়ে সুপ্রাচীন কাল থেকে বয়ে চলা একটা সভ্যতার ধারক যেন তাঁর চরিত্ররা, স্থবির নয় কিন্তু আত্মস্থ। এমনকি চরম দ্বন্দ্বের মুহূর্তেও নেই কোনো নাটকীয়তা, অথচ অত্যন্ত জোরের সঙ্গে চরিত্রগুলি প্রকাশ করে চলেছে তাদের মনোভঙ্গি। কেবল পরিমিত সংলাপ ও আচার ব্যবহারের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় তাদের। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ যেন তৈরি করেছে চরিত্র গুলিকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের জাপানে রয়েছে মার্কিন আধিপত্য। জাপানের পারিবারিক জীবনে পাশ্চাত্য প্রভাব ও অতি আধুনিক একটি সমাজের সমান্তরালে পশ্চিমী সমাজের প্রতি ওজুর সংযত শ্লেষ লক্ষ করা যায় বেশ কিছু ছবিতে। ওজুর অধিকাংশ ছবিই পারিবারিক জীবনকে ঘিরে। তাঁর মতে পারিবারিক সম্পৃক্ততা সমাজকে সংহত করে। কিন্তু পশ্চিমী জীবন-চেতনা এখানেই ঘটাচ্ছে অন্তর্ঘাত, পরিবারে এনে দিচ্ছে বিচ্ছেদ ফলে সমাজ হয়ে উঠছে বিক্ষিপ্ত। ঐ উৎসবেই পরে দেখা ‘আই ওয়াজ বর্ন, বাট’ (১৯৩২) একটি আদ্যন্ত নির্বাক কমেডি। জাপানের ট্র্যাডিশনাল সেটআপে দুটি বিচ্ছু ছেলের অসম্ভব মজার কার্যকলাপ নিয়ে এই ছবি! কিন্তু তার মধ্যেই পরিবার জীবন ও তার সূক্ষ্ম টানাপড়েনের ব্যাপারগুলি একটু খেয়াল করলেই স্পষ্ট হবে। চার্লি চ্যাপলিন বা বাস্টার কিটনের নির্বাক কমেডি ছবি গুলিকে বাদ দিলে এত ভাল নির্বাক কমেডি ছবি খুব বেশি আছে বলে মনে হয় না।


    আই ওয়াজ বর্ন, বাট

    অন্যদিকে, ওজুর নির্মাণশৈলীতে লেগে আছে জাপানী নো-ও নাটকের রীতি। নো-ও নাটকের মতই মন্থর অলস একটা গতি থাকে ওজুর সারা ছবি জুড়ে। নো-ও নাটকের ধীর তালের একটা মাদকতা আছে, অনেকটা আমাদের দেশের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আলাপের অংশটির মত। সেই ধীর তাল-লয়ের মাদকতার মতই ওজুর ছবির মানবিক আবেদনের আকর্ষণও অমোঘ। ধীরে ধীরে পরিস্ফুট চরিত্রগুলির মানবিক উষ্ণতায় ছবির ফ্রেম গুলি যেন বাষ্পীয় হয়ে ওঠে। এটাই যেন জাপানী জীবনযাত্রার মৌলিকতা। ওজুর স্থির ফ্রেম, একই উচ্চতা ও দূরত্ব থেকে তোলা দৃশ্য, শুধুমাত্র কাটের মাধ্যমে সম্পাদিত চলচ্চিত্রের এগিয়ে চলা এবং কদাচিৎ চোখে পরা দু-একটি ট্র্যাক-শট যেন দেশজ-জীবনযাত্রার মৌলিকতাকে প্রকাশ করার উপযুক্ত মৌলিক চিত্র-ভাষা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র জীবনযাত্রা আলাদা নয়, তাকে প্রাণ দেওয়ার জন্য সেই দেশের নিজস্ব চিত্র-ভাষা খুঁজে নেওয়া! প্রাচ্য দেশের চলচ্চিত্রে কাজটা কতটা কঠিন, চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর পাশ্চাত্যের চলচ্চিত্রের নির্মাণরীতির বিশ্বব্যাপী প্রভাবের কথা মাথায় রাখলে তা আরও ভালো ভাবে বোঝা যায়। হলিউড নয়, রুশ চলচ্চিত্র নয়, নিও-রিয়ালিজম নয়, ফরাসী নুভ্যেলভাগ নয় – এসব থেকে মুক্ত ওজুর চলচ্চিত্রের শরীর! ওজুকে তাই বলা হয় জাপানী পরিচালকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জাপানী। এই পরিমাণ মৌলিকতা ওজু পরবর্তীকালে পরিলক্ষিত হয়েছে ইরানের কিছু চলচ্চিত্রে (মূলত তিনজন আব্বাস কিওরাস্তামি (১৯৪০-২০১৬) , মহসিন মাখমালবাফ (১৯৫৭-) ও জাফর পানাহি (১৯৬০-))। পরে আমাদের দেশের ঋত্বিক ঘটকের (১৯২৫-১৯৭৬) মধ্যে। ঋত্বিকের ছবির বিষয়বস্তুর খাঁটি দেশজ-পরিসর স্বীকৃত হলেও নির্মাণরীতিতে সাইলেন্ট যুগের রুশ-চলচ্চিত্রের (বিশেষত সের্গেই আইজেনস্টাইন (১৮৯৮-১৯৪৮) ও ভেসেভোলোদ পুদভকিনের (১৮৯৩-১৯৫৩)) প্রভাব নিয়ে বিতর্ক আছে। এ সম্পূর্ণ পৃথক আলোচনার বিষয়। এবিষয়ে কথা আর না বাড়িয়ে প্রসঙ্গে ফিরে বলা যায়, জাপানের আকিরা কুরোসাওয়ার ওয়েস্টার্ন সুলভ ক্ষিপ্রতা ও কেনজি মিজোগুচির (১৮৯৮-১৯৫৬) লোকগাথা-ধর্মী চিত্ররীতির মাঝখানে ইউসুজিরো ওজুর স্থির চিত্রের মত চলচ্চিত্রগুলির অবস্থান! ওজুর নির্মাণশৈলীর আরেকটি বৈশিষ্ট্য- খালি পড়ে থাকা ফ্রেম। ফ্রেমের মধ্যে কখনও দেখা যায় একটা টেবিলের একটু অংশ। কখনও একজন মানুষের শরীরের অর্ধেকটা। আবার কখনও একটা চরিত্র কথা বলে বেড়িয়ে চলে গেছে ফ্রেম ফাঁকা পড়ে আছে বেশ কিছুক্ষণ - যেন কারোর জন্য অপেক্ষমাণ! তারপর একটি চরিত্র এসে ঢোকে। দীর্ঘস্থায়ী শটও দেখতে পাওয়া যায় অজস্র। আধুনিক আসবাবপত্রে সমৃদ্ধ গৃহসজ্জা অথচ জীবন-শৈলীতে রয়ে গেছে ঐতিহ্যের আবহমানতা– এই দ্বন্দ্বে দীর্ণ ওজুর ছবির ভুবন। জাপান মার্শাল রেস, ওজুও সেনাবিভাগে বেশ কিছু কাল কাজ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর শিল্প-সংস্কৃতির মধ্যে প্রশান্তিই প্রতীয়মান হয়। বিষয় যতটা তার থেকে অনেক বেশি নির্মাণশৈলীর মৌলিকতাই ওজুর ছবিতে এনে দিয়েছে প্রাচ্য দেশের শিল্প মণ্ডিত আপাত প্রশান্তি। কিন্তু যথার্থ উপলব্ধির অধিকারী হলে টের পাওয়া যায় সেখানেই ফল্গুর মত গোপনে বয়ে চলেছে খরস্রোতা নদী! পূর্বে উল্লেখিত ‘ইকুইনক্স ফ্লাওয়ার’ ছবিটির ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যের কথা আজও মনে থেকে গেছে! শেষ পর্যন্ত মেয়ের বিয়েতে যেতে বাবা (চরিত্রটির নাম ওয়াতারু) রাজি হন। ট্রেনের ভিতরে বসে থাকা ওয়াতারু গুনগুন করে সুর ভাজতে থাকেন হঠাৎ, বাইরে উপর থেকে নেওয়া টিল্টডাউন লং শট-এ এরপর আমরা দেখতে পাই ট্রেনটি ঘন কুয়াশায় দূরে মিলিয়ে গেল! একেই বোধহয় আচার্য নন্দলাল বসু বলেছিলেন প্রাচ্যের শিল্পরীতি– ‘ফায়ার উইদিন, কাম উইদাউট’! সম্প্রতি MUBI নামক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা জর্জিয়ার পরিচালক দিয়া কুলুমবিগাসভিলির(১৯৮৬-) ছবি ‘বিগিনিং’-এ (২০২০) খালি ফ্রেমের অসামান্য ব্যবহার ওজুর কথা মনে করিয়ে দেয়। দিয়ার নির্মিতিতে ওজুর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয় খালি ফ্রেমে চরিত্র প্রবেশ করার পূর্বে বা কোনো অ্যাকশনের পূর্বে সংলাপ বা শব্দের উপস্থিতিতে। সাউন্ড ইমেজকে ভিজুয়াল ইমেজের আগে ব্যবহার করলে দৃশ্যের মধ্যে একধরণের রহস্যময়তা তৈরি হয়, দর্শকের কল্পনার জমি আরও বিস্তৃতি পায়। আমাদের দেশে মনি কাউলের (১৯৪৪-২০১১) ছবিতেও ওজুর প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। ওজুর চলচ্চিত্র এই সব মিলিয়েই বিশুদ্ধ চলচ্চিত্রের অতি উন্নত নিদর্শন। ১২ই ডিসেম্বর (১৯০৩-১৯৬৩) তাঁর জন্ম ও মৃত্যু দিবস চলে গেল।

  • | রেটিং ৫ (৪ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ | ২১৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ratna Ghosh | ১১ জানুয়ারি ২০২২ ২২:৫০502628
  • স্বল্প কথায় এত সুন্দরভাবে ওজুর ছবির সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • ইন্দ্রাণী | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১০:২৩502676
  • ওজুর ছবির বৈশিষ্ট্য এত প্রাঞ্জলভাবে লিখেছেন, ছবি দেখার আগ্রহ জাগে। লেখাটিও সুখপাঠ্য তো বটেই। স্বল্প পরিসরে আশ্চর্য গভীরতার আভাস দেয়। ফিল্ম নিয়ে এরকম লেখা খুব কম পড়তে পাই আজকাল।

    লেখকের কাছে প্রত্যাশা রইল।
  • সংবরণ সরকার | 2409:4060:40e:3a6e::2004:58a1 | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১৪:০৩502678
  • অনবদ্য লেখা শুভ। সংক্ষিপ্ত, স্মার্ট ও যথাযথ।
  • b | 117.194.72.30 | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ২১:০৭502689
  • যদি এটা একটা সিরিজ হয়, তবে ইরানী ছবি নিয়েও লেখা-র দাবী জানিয়ে রাখলাম । 
  • Subhadeep Ghosh | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১২:১৫502705
  • @ Ratna Ghosh 
    অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
     
    @ইন্দ্রাণী
    চেষ্টা করেছি ওজুর ছবির বৈশিষ্ট্যকে লেখার মধ্যে নিয়ে আসতে। আপনার মতামত পেয়ে বুঝতে পারছি কিছুটা হলেও সফল হয়েছে। এরকম মূল্যবান মতামত নতুন লেখার প্রেরণা দেয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
     
    @সংবরণ সরকার
    অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।
     
    @b 
    অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ইরানের ছবি নিয়ে অনেকদিন আগে লিখেছি, বেরিয়েছিল ছাপা ম্যাগাজিনে। ইরানের ছবি নিয়ে নতুন করে অনেক ভাবনা আসে মাথার মধ্যে, অবশ্যই লিখবো আগামী দিনে। আপনাদের এই মূল্যবান মতামতই লেখার অনুপ্রেরণা।
  • somenath ghosh | ১৭ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:১৩502721
  • যারা ওজুর ছবি দেখেননি, তাদের জন্য এই লেখাটা আগ্রহ বাড়িয়ে দেওয়ার কাজ করবে। অতিরিক্ত টেকনিক্যাল না হয়েও যে সিনেমার উপর সিরিয়াস প্রবন্ধ লেখা যায় এই লেখাটি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
  • Subhadeep Ghosh | ১৮ জানুয়ারি ২০২২ ২২:৪৭502780
  • @Somenath Ghosh 
    অনেক ধন্যবাদ তোমার মতামতের জন্য।
  • Sandipan Majumder | ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ১২:২১503200
  • টোকিও স্টোরি সম্ভবত  ওজুর সবচেয়ে  বিখ্যাত  ছবি। কিন্তু  সেটা নিয়ে কিছু আলোচনা  করলেন না?
  • Sandipan Majumder | ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ১২:২১503201
  • টোকিও স্টোরি সম্ভবত  ওজুর সবচেয়ে  বিখ্যাত  ছবি। কিন্তু  সেটা নিয়ে কিছু আলোচনা  করলেন না?
  • Subhadeep Ghosh | ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ২৩:২৩503247
  • @Sandipan Majumder 
    সেভাবে কোনো ছবি নিয়েই বিস্তারিত কিছু লিখিনি, ওজুর ছবির মৌলিক বৈশিষ্ট্যর কথা বলতে গিয়ে সামান্য ছুঁয়ে গেছি ওজুর আন্ডার রেটেড দুটি জেমকে।
    হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন, টোকিও মনগাতারি ওজুর সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন