এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৩০47721
  • অমিতশা এন্ড কোঙও এরকমই বলে দেশের কছু লোকজন নাকি এমনি এমনিই পাকিস্তানে চলে যেতে চায়, পতাকা ওড়ায়। অথচ তাদের কেউ কিচ্ছুটি বলে না, বলে নি।
    বেসিকালি এই লেখার লেখক আর অমিতশা এন্ড কোঙ একই পুরীষখন্ডের দুই দিক মাত্র।
  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৩৩47722
  • অ আর এখানে আহমেদুর রশিদ টুটুল বা আসিফ মহিউদ্দিনদের কথা বলা হয়েছে কিনা বুঝলাম না।
  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৩৩47723
  • অ আর এখানে আহমেদুর রশিদ টুটুল বা আসিফ মহিউদ্দিনদের কথা বলা হয়েছে কিনা বুঝলাম না।
  • S | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৫৯47724
  • কোন কারণ ছাড়া মানে কি? দুশো কিমি দুরে এক মাইনরিটি পরিবারের উপরে অত্যাচার হলে কেউ যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে এইবারে আমাদেরও চলে যাওয়ার সময় এসেছে, তাইলেও কি কোন কারণ ছাড়া চলে গেলেন বলা যাবে?

    ভারতের প্রতি দেশপ্রেম খুব জব্বর থাকলে আগেই হয়তো চলে যেতেন। আমার পরিবার দেশভাগের সময় এদেশে চলে এসেছে। আমি ভারতের জন্মেছি, জীবনেও বাংলাদেশ যাইনি, তবুও মনে হয় আমার রক্তে বাংলাদেশের জল-বায়ু বইছে। কেন?

    রোহিঙ্গাদের গিয়ে জিগান যে তাদের কজনের উপরে ডাইরেক্ট অত্যাচার হয়েছিলো? তাইলে তারাও কি দেশপ্রেমের চোটে দেশত্যাগ করেছে? ভিক্টিম ব্লেমিংএর এটা আরেকটা রকম বের হয়েছে। কয়েকদিন পরে এনারসিতে নাম না ওঠা লোকেদেরও এই একই দোষ দেওয়া শুরু হবে যে ওরা এমনি এমনি দেশ ছেড়ে চলে গেছে।

    আর কোলকাতা বাংলাদেশের থেকে বড়, শিলিগুড়ি ঢাকার থেকে বড় এইসব আজাইরা কথাবার্তা দিয়ে দেশপ্রেম মাপা যায়্না। বিদেশ থেকে ফিরে ওসব অনেক কথাই লোকে বলে। আম্রিগা থেকেও ফিরে যখন লোকজন বলে উফ্হ কি দেশ দেখে এলাম ইত্যাদি, তখন অনেক কিছুই বাড়িয়ে বলে।
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২৫47725
  • আমি আমার লেখায় কোনমতেই তাদের দোষী বলার চেষ্টা করিনি। যদি লেখায় তেমন মনে হয়ে থাকে কারো তাহলে আমি দুঃখিত। আমি দেশে যে পরিমাণ অত্যাচার হয় তা পুরো জেনেই বলছি। সেই লজ্জা মাথা পেতে নেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নাই। কিন্তু আমি যা দেখছি তা তো অস্বীকার করতে পারি না। ভারত কে পুণ্য ভূমি বলেও যে অনেকে চলে যায় এই কথা আপনি বা আপনারা কি করে অস্বীকার করবেন? আমি যাকে নানী ডাকতাম তিনি কমছে কম আশি বছরের ওপরে বয়সে দেশ ত্যাগ করেছে। উনার ছেলে মেয়ে সবাই এখনো খুব ভাল ভাবে এদেশে আছে। উনার দেশ ত্যাগের কারন কী?

    যে কারনেই হোক, যারাই গিয়েছে, আমি তাদের সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করিনি। তা আমি পারি না। আমি জানি যে সংখ্যাগুরু অবস্থা থেকে সংখ্যালঘুদের চিন্তা ভাবনা বোঝা কষ্টকর কাজ। আমি তাদের চাপা ভয় হয়ত কোন দিনই বুঝতে পারব না। কিন্তু তাই বলে কী কেদার বাবুর মত লোকদের প্রতিও আমার সম্মান দেখাতে হবে? প্রশ্নই উঠে না। কেদার বাবুরা কোথাও কোনদিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন না, ভুগে না। তারা সীমান্তের এপারেও ভাল থাকে অপারেও ভাল থাকে।

    আমি কোন শহর কত বড় তা দিয়ে দেশ প্রেম মাপতে বলিনি। আমি উদাহরণ দিয়েছি যে অনেকে এমন মনে করে। যিনি কলকাতা বাংলাদেশের চেয়ে বড় বলেছিল তিনি তা আমাকে আমার ছোট বেলায় বলেছিল। তিনি এখনো বহাল তবীয়তেই আছেন, এখনো নিয়মিত বাংলাদেশে আসেন। এবং গুচ্ছের বদনাম করে যান। সেগুলা এখন বুঝি বলেই উল্লেখ্য করিনি। উনার অন্ধ প্রেমটাই বুঝাতে চেয়েছি।

    সবাইকে এক পাল্লায় মাপলে বিপদ। লেখাটা আমি আমার ফেসবুক ওয়ালেও দিয়েছি। আমার হিন্দু বন্ধুরা কেমন ভাবে তা নিয়ে একটু হলেও চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু আমি তাদের প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্ট। ওরা জানে যে আমি কিছু মাত্র ভুল বলি নাই। ওরা ব্যক্তিগত ভাবে আমাকে চেনে বলেই হয়ত ওদের বুঝতে সুবিধা হয়েছে বুঝতে লেখাটা। তাই আবারও বলছি আমার অভিপ্রায় কোনমতেই যারা দেশ ত্যাগ করে গেছে তাদের সিদ্ধান্ত কে প্রশ্নবিদ্ধ করা না। তেমন মনে হলে আমি দুঃখিত।
  • S | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:৩৮47726
  • দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। হয়তো আমারও বুঝতে ভুল হয়েছে।

    "আমি জানি যে সংখ্যাগুরু অবস্থা থেকে সংখ্যালঘুদের চিন্তা ভাবনা বোঝা কষ্টকর কাজ। আমি তাদের চাপা ভয় হয়ত কোন দিনই বুঝতে পারব না।"
    বিশ্বাস করুন এইটা হলো সবথেকে গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার। ভারতে থাকা মাইনরিটিদের এই চাপা ভয় আমিও বুঝতে পারতাম না। তারপরে একদিন ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হলো। কেন জানি না ভোটের রেজাল্ট বের হওয়ার পর উইদিন সেকেন্ডস সমস্ত ভয় চেপে বসলো। এখনো অবধি কোনোদিনও আমি কোনোরকমের অপ্রিয় ঘটনার সন্মুখিন হইনি, কিন্তু তারপরেও আশংকিত হয়ে থাকি। অনেক ভেবেচিন্তে বাড়ির বাইরে যাই, লোকের সাথে কথা বলি। সবসময়ই চিন্তা ভাবনা করতে হয় যে কোনোদিন চলে যেতে হলে কোথায় যাবো, কি করবো।
  • তা | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৭47727
  • মানুষ নানাকারণে মাইগ্রেট করে। ভারত পুণ্যভুমি বলে যায় সৌদি আরব পুণ্যভুমি বলে যায়। বিলেতে সিলেটি ডায়াস্পোরা অটগাছের মত ঝুড়ি নামিয়ে বসে। ভাইজানের সমস্যা শুধু ভারতে যাওয়ায়?
  • একক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:০১47728
  • মাইগ্রেশনের অনেক কারণ। কেও যদি একটু দুধেভাতে থাকবে বলে একটা অন্য দেশে যায় তাতে দোষের কী ?

    আর হ্যাঁ, অন্য কেও বিশ্বাস না করলেও এই "কেদারবাবু " কয়েকজনকে আমি চিনি, আমার ই বন্ধু আছে যার কথা অন্য টই তে লিখেছি, ঢাকাতেও সম্পন্ন ব্যবসায়ী, অর্ধেক পরিবার সেখানে, এদিকেও বড় ব্যবসা ফেঁদেছে। একচুয়ালি এই অবধি আমি কোনো দোষ দেখিনা। ভারত থেকে যদি মিত্তাল পরিবারের অর্ধেক চলে গিয়ে ব্রিটেনে রাজ্যপাট বসাতে পারে তাহলে কেদারবাবুতে সমস্যা থাকার কোনো কারণ নেই। সমস্যা অবশ্য আছে একটা জায়গায়, যে এরা পাঁড় বিজেপি সাপোর্টার শুধু নয় প্রচারেও টাকা ঢালছে। তবে এরা সংখ্যায় খুবই নগন্য, উপেক্ষার বেশি কিছু প্রাপ্য নয়।
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৬47729
  • না, সৌদি বা অন্য কোথাও গেলেও আমার কোন সমস্যা নাই। কিন্তু যায় যে আমি সেটাই বলছি। আর কেদার বাবু ব্যবসা দুই দেশে করলে তো কোন সমস্যা ছিল না, আমি তার নামই উল্লেখ্য করতাম না এখানে। তিনি এখান থেকে টাকা হাপিস করে দিয়ে চলে গেছে, আমার সমস্যা সেটা। ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ মেরে দিয়ে চলে গেছে।এদের মত ব্যক্তিদের জন্যও তো যারা আসলেই ভুক্তভোগী তারাও দোষের তলে পড়ে। আমি তাই বলছি এখানে।
  • একক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৫২47730
  • একদেশের ব্যাংকের টাকা মেরে অন্যদেশে গিয়ে থাকে ব্যাপারটা এতো সহজ নয়। খোঁজ নিয়ে দেখুন ওদিকের কিছু প্রভাবশালী লোক টাকা পয়সা ভাগ পেয়েছে। এগুলো কোনো লোকাল চক্র চালাচ্ছে।
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৩:২৫47731
  • বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। ধর্মীয় সংখ্যালঘু-র ওপর অত্যাচার কিছু তো হয়, ব্ল্যাসফেমি আইনে মানুষজনকে আটক করা হয়, ব্লগার হত্যা হয়।
    ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তো অনেকাংশেই লুপ্ত। একটা সেকুলার দেশে রাষ্ট্রধর্ম হিসাবে কি করে একটা ধর্ম-কে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে?

    অমুসলিম মানুষেরা পারলে বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। মুজিবের আমলের বাংলাদেশ আর নেই।

    শুধু বাংলাদেশ কেন, যে কোন দেশেই যদি একটা ধর্ম-কে অযথা গুরুত্ব দেওয়া হয়, মাইনরটি-র ওপর চাপ থাকে, আরা সেই মাইনরিটির কাছে অপশন থাকে সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার, যে দেশে ধর্মের কারণে তাদের আক্রান্ত হতে হবে না এবং আর্থিক অবস্থারও তেমন কোন হেরফের হবে না বা হয়ত আরো ভাল হবে -সে ক্ষেত্রে মাইগ্রেশন হবেই।

    তাদের গালি দেওয়ার কোন কারণ দেখি না। ভারত যদি কখনও হিন্দুরাষ্ট্র হয়, ভারত থেকেও অহিন্দুরা অন্য দেশে যেতে পারে, যদি তাদের কাছে তেমন কোন অপশন থাকে।
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৩:৪১47732
  • কেদার বাবু-র মত মানুষ, যারা ব্যাংকের টাকা চুরি করে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছেন, যেমন আরও বড় স্কেলে বিজয় মাল্য বা নীরব মোদি - এদের ঘৃণা করতেই পারেন।

    কিন্তু বাংলাদেশের অধিবাসী হয়ে ভারত প্রেম, বা ভারতের বাসিন্দা হয়ে পাকিস্তান প্রেম - এগুলো তো কোন অপরাধ নয়।
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৪৩47733
  • দ-এর কমেন্ট-টা খারাপ লাগল। লেখার সমালোচনার বদলে লেখক-কে আক্রমণের কোন অর্থ নেই।

    সাদেক, দু-একটা কথা ভেবে দেখুন। 'হিন্দুরা ভারতে যাওয়ার জন্য সব সময় তৈরি' - কেন এটা হয়ে চলেছে? নিজের দেশ, ভিটেমাটি ছেড়ে সহজে কেউ উদ্বাস্তু হয়ে অন্য দেশে যেতে চায়?

    তসলিমা -র 'লজ্জা', হুমায়ুন আজাদ-এর 'পাক সার জমিন সাদ বাদ', শামসুর রহমান-এর সেই বিখ্যাত কবিতা - বন্ধুকে দেশ ছাড়তে নিষেধ করা - এগুলো তো নিছক কল্পনা প্রসূত নয়। এবং এটাও মনে রাখবেন শামসুর, হুমায়ুন-এর ওপর চাপাতির কোপ পড়েছে, তসলিমা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, ফিজিক্স প্রফেসর অজয় রায় বাংলাদেশকে ভালবাসেন, দেশ ছাড়েন নি, তাকে এখন পুত্রশোক সহ্য করতে হচ্ছে, 'বাংলা হবে বাংলাস্তান' স্লোগান এখনও ওঠে - দেশটা ভিন্ন ধর্মের মানুষ বা নাস্তিক-দের জন্য খুবই নিরাপদ, এমন কি বলা যায়?
  • S | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:৫৫47734
  • বাংলাদেশ ৫ বছর সেকুলার ছিলো। তারপরেই জিয়াউর সেটা পরিবর্তন করে দেয়। পরে এরশাদও বাংলাদেশকে মুসলিম রাষ্ট্র ঘোষণা করে। এমনকি কয়েক বছর আগে সুপ্রীম কোর্টও বোধয় সেটিকে সমর্থন জানিয়েছে (এটি কেউ কনফার্ম করলে ভালো হয়)।

    অথচ যে ভিত্তিতে বাংলাদেশ গঠন করা হয়েছিলো, তাতে দেশটি হওয়া উচিত ছিলো কোহিনুর অব সাউথ এশিয়া। কিন্তু তা না করে প্রথমেই বঙ্গবন্ধুকে সড়িয়ে মার্শাল ল আনা হলো। তারপরে ঠিক সময় মতন ইসলামিক রাষ্ট্র গঠন করে দেশটার সর্বনাশ করে দেওয়া হলো। ভাবা হয়েছিলো একটা সেকুলার সোশালিস্ট ঘেঁষা দেশ হবে সব বাঙালীদের জন্য। সেসব আশা মাটি হলো। নইলে আজ হয়তো এপার থেকে অনেক বাঙালীরা ওপারে চলে যেত।
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৭:১১47735
  • aranya দাদা, আমি বলি নাই দেশ খুব নিরাপদ সংখ্যালঘুদের জন্য। বলার সুযোগই নাই বলব কী করে? এই যে সামনে দুর্গা পূজা আসছে, কখন কোথায় কী হয়ে যায় এই আতঙ্কে থাকব সারাক্ষণ। শেষ হলে মনে হবে যাক, সব ভাল মতই শেষ হল তাহলে। অভিজিৎ রায় বলেন, হুমায়ুন আজাদ বলেন তাদের কথা ভুলার সুযোগ কই? অভিজিৎ রায়ের হত্যার দিন তো আমি একটু আগেই বই মেলা থেকে ওই জায়গা দিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরেছি। এটা ভুলি কী করে? ভাল মানুষ জাফর ইকবালের মত লোকও কোপ খেয়ে গেল কিছুদিন আগে, এগুলা ভুলে যাওয়া সম্ভব? আমি এই সব মাথায় নিয়েই বলছি যে এর বাইরেও মানুষ শুধু মাত্র পুণ্যভূমি মনে করেও ভারত চলে যায়, যাতে আমি কোন দোষও দেখি না। মুসলিমরা বৃদ্ধ বয়সে হজে যায়, সৌদিতে মরতে পারলেই সরাসরি বেহেশত, এমন মনে করে অনেকে। তাদের দোষ দিব? সৌদি সরকার ভারত সরকারের মত না, কাওকে জায়গা দেয় না। মরলেও ঠেলে দেশে পাঠায় দেয়। যাক, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে এই কারনেও অনেকে দেশ ত্যাগ করে। বৃদ্ধ বয়সে ছেলেমেয়েদের রেখে ভারত চলে যাওয়ার কারনই এটাই। আর অন্য দেশের প্রতি প্রেম থাকাটা অপরাধ না, থাকতেই পারে, লিথুনিয়ার প্রতিও কারো প্রেম থাকতে পারে কিন্তু তা যদি নিজের দেশপ্রেম কে অতিক্রম করে যায় তাহলে মনে হয় একটু সমস্যা থেকেই যায়। ওই জামাইবাবু প্রায় নিয়ম করেই প্রতি বছর দেশে আসেন, আত্মীয় সজনদের সাথে দেখা করে, কয়দিন ফুর্তি করে চলে যান, কোন সমস্যা হয় না তার। কিন্তু গুচ্ছের বিষদগার করে যান দেশ নিয়ে। যদিও এখন আর রাগ লাগে না, এখন হাসি পায়! আরেকটা বিষয়, আপনারা ভারতে থেকে পাকিস্তান প্রেমের কথা বলতে পারছেন আমরা কিন্তু পারি না। পাকিস্তান একটা রাষ্ট্র যার সাথে আমাদের চির দিনের আড়ি। ম্যালা রক্তের দামের হিসাব নিকাশ আছে। পাকিস্তান প্রেম বাংলাদেশে থেকে সম্ভব না।

    হ্যাঁ, ঘটনা সত্য, সুপ্রিম কোর্ট কয়েক বছর আগে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বলে। এই দুঃখ নিয়াই মরতে হবে মনে হয় আমাদের। এই সরকার যদি না পারে তাহলে আর কোন সরকার এই জিনিস ঘাড় থেকে নামাবে আমদের আল্লাই জানে। আশা দেখি না।
    ধন্যবাদ সকলকে।
  • একক | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৭:৪০47736
  • না, নিজের দেশপ্রেমকে অতিক্রম করে গেলেও সন্দেহ করার কিছু নেই। দেশ মানে কিছু একই স্বপ্ন দেখা মানুষ , একটু ভরসারজায়গা। ফিক্সড কিস্যু নয়, কোয়ান্টাম ফিল্ডের মতো একটা ফিলিং। নাথিং মোর দ্যান আ ক্লাব মেম্বারশিপ। জাতীয়তাবাদীদের সাফল্য এইখানেই যে সমস্ত মানুষের মনে তারা এই ফলস গিলটি ফিলিংটা গেঁথে দিতে পেরেছে, যে ভৌগোলিক "দেশ " ব্যাপারটাকে পুজো না করলেই তুমি মহাপাতক। আমরা সেটাকেই ঘিরে নিজেদের অবস্থান কে জাস্টিফাই করারচেষ্টা করে যাচ্ছি।
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৮:৫১47737
  • সাদেক, একটা কথা মন থেকে বলি। আপনি যে লিখছেন এখানে, সেটাই অনেক বড় পাওয়া। আপনি, বিপ্লব রহমান, সচলায়তনের ছেলেমেয়েরা, এদের জন্যই এখ্নও আশা থাকে, বিশ্বকবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলা দেশ বাংলাস্তান হবে না।
    বড়েস, আমি যদ্দুর জানি, এই মুহুর্তে বাংলাদেশ একটি 'সেকুলার' দেশ, 'মুসলিম রাষ্ট্র' নয়। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, অথচ সংবিধান অনুযায়ী দেশ সেকুলার - এ কিছুটা সোনার পাথরবাটির মত, কিন্তু 'মুসলিম রাষ্ট্র' হওয়ার চেয়ে ভাল।
    ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র মানবজাতির লজ্জা, ৫০-এর কাছাকাছি মুসলিম রাষ্ট্র আছে, ইজরায়েল রয়েছে - ইহুদী রাষ্ট্র। অমিত শাহ স্যার, প্রধান সেবক ইঃরা ২০৫০ অব্দি থাকলে ভারতও হয়ত হিন্দু রাষ্ট্র হবে, আরএসএস-এর স্বপ্ন পূরণ হবে, আমাদের লজ্জার তালিকায় আর একটি দেশ যুক্ত হবে
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৮:৫৮47738
  • পাকিস্তান-এর সরকার বা সেনাবাহিনীর প্রতি, আমার-ও কোন প্রেম নেই। ৭১-এর ইতিহাস জানি। কিন্তু যে কোন মানুষেরই তো অধিকার আছে যে কোন দেশকে ভালবাসার। সে ভৌগোলিক ভাবে কোথায় আছে, তার সাথে এই ভালবাসার কোন সম্পর্ক থাকতেই হবে, এমনটা নয়।
    ছোটবেলায় মনে হত, ভারতে থেকে পাকিস্তানের পতাকা কেউ কেন ওড়াবে, ঐ দেশটার সাথে আমাদের ৩-টে যুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু এখন মনে হয়, এটা তার ব্যক্তিস্বাধীনতা
  • S | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৪৬47739
  • হ্যাঁ, এখনও পাসপোর্টের উপরে লিখে রেখেছে পিপল্স রিপাব্লিক অব বাংলাদেশ। পাকিস্তানে সেসব বালাই নেই। পরেরবার পাসপোর্ট রিনিউ করার সময় আমিও বা কি লেখা পাসপোর্ট পাই, সেই নিয়ে চিন্তায় আছি।

    ইংল্যন্ডে যখন খেলা হয় তখন কিন্তু সেখানকার ভারতীয়রা ইন্ডিয়ার ফ্ল্যাগই ব্যবহার করে।
  • Amit | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:০৩47740
  • ইংল্যান্ড, US বা অস্ট্রেলিয়া এসব দেশে ইন্ডিয়া বা পাকিস্তানী ডিয়াস্পোরা র সাথে ইন্ডিয়া পাকিস্তান কনফ্লিক্ট এর তফাৎ আছে। বেশির ভাগ ইন্ডিয়ান বা পাকিস্তানী নিজের দেশ এসব দেশে ছেড়ে এসেছেন ভালো লাইফ এর আশায়, সেটা অনেক ক্ষেত্রেই নিজের চয়েস, জোর করে বাস্তুহারা হতে হয়নি। এদের সাথে কোনো যুদ্ধের ইতিহাস ও নেই। তাই খেলার সময় নিজের দেশের ফ্ল্যাগ দেখালে কেও কিছু অতটা মনে করে না, করলেও হয়তো সেটা ওভারহইপেড হয়না যে মিডিয়াতে খবর হয়না।

    কিন্তু ইন্ডিয়া, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ এর যে দেশভাগের তিক্ত ইতিহাস, বা তার পরের ৪-৫ টা যুদ্ধ বা সারাক্ষন যুদ্ধের দামামা, সেখানে অতটা সহনশীলতা আশা করা মুশকিল। আমি নিশ্চিত ১৯৮০ তে ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার ফকল্যান্ড যুদ্ধের পরে ১৯৮২ র ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল ম্যাচ (যেখানে মারাদোনা ভগবানের হাত গিয়ে গোল করেন), সেখানে ম্যাচে র সময় ইংল্যান্ড এর কোনো পাব বা রাস্তায় ওখানের কোনো আর্জেন্টিনিয়ান প্রবাসী নিজের দেশের ফ্ল্যাগ নিয়ে আনন্দ করলে তাদের পিঠেও দু এক ঘা পড়তো। আজকে সিরিয়া বা লেবানন বা ইজিপ্ট এ বসে ফুটবলল স্টেডিয়াম এ কেও ইসরায়েল র ফ্ল্যাগ দেখাক একবার, দেখেন তার কি হাল হয়।

    তখন কার (১৯৮২) নিউসপেপার রিপোর্টিং গুলো নেট এ খুলে দেখেন, ব্রিটিশ মিডিয়া সেই ম্যাচ টাকে নিয়ে পুরো যুদ্ধের হাইপে তৈরী করেছিল।
  • Amit | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:১৪47741
  • যখনি একটা ধর্ম ভিত্তিক দেশ তৈরী হয়, সেটা সুস্থ দুনিয়ার পক্ষে একটা চরম লজ্জা। সেখানে সংখ্যালঘু দের ওপর ডাইরেক্ট অত্যাচার হোক বা না হোক, ধর্মের ভিত্তিতে ডিসক্রিমিনেট করা মানেই অন্য ধর্মের লোকেদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক বানিয়ে রাখা। সেটা অপছন্দ করার পুরো অধিকার আছে যে কারোর। মালয়েশিয়া ইসলামিক দেশ এবং বাকি অনেক মুসলিম দেশের তুলনায় সেটা অনেক বেশি সংহনশীল আর শান্ত। কিন্তু তবুও আমার দেখা যে সেখান থেকে একটা বিশাল সংখ্যায় Chinese বা ইন্ডিয়ান পপুলেশন অন্য দেশে মাইগ্রেট করে গ্যাছেন কারণ তারা ওই ডিস্ক্রিমিনাটোরি সিস্টেম এর মধ্যে জাস্ট থাকতে চান নি। এমন নয় যে তাদের প্রতিজনের ওপর অত্যাচার হয়েছে।

    বাংলাদেশ র দুর্ভাগ্য যে এই বিষচক্র থেকে তারা বেরোতে পারেনি অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও। সেই এক ইসলামিক গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়েছে, কারণ যাই হোক গিয়ে কিচ্ছু এসে যায়না। বিষগাছ পুতলে ফলেও বিষ ই থাকবে, অন্য কিছু নয়।

    ভারত যদি একই গড্ডালিকায় গা ভাসায়, তাহলে আরো বেশি দুর্ভাগ্য হবে, আর কি বলার আছে।
  • b | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৫২47742
  • য়্যাঃ। ৮২ নয়, ৮৬।
  • Amit | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৫৯47743
  • হ্যা, সরি। ৮২ র যুদ্ধ আর ৮৬ র খেলা। গুলিয়ে ফেলেছি।
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:১৯47744
  • Aranya দা, লেননের ইম্যাজিনের স্বপ্ন আমিও দেখি। বেঁচে থাকতে হলে সেই স্বপ্ন দেখা ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা খুঁজে পাই না। যদি জাতীয়তাবাদের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে কেউ তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু যতক্ষণ না পারছি ততক্ষণ এই সত্যকে অস্বীকার করি কি করে? পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণা আমার থাকবে কেন? মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার কী হইছে যে আমি ঘৃণা করব? আমার জন্মের কত আগে ঘটনা, আমি চিন্তা না করলেই তো হয়। তবুও কেন করি? সবার প্রতি ভালবাসা বলার পড়েও কেন পাকিস্তানকে এই জায়গায় আনতে পারি না কেন? পারি না কারন আমার পারার সাথে তা সম্পর্ক যুক্ত না। আমি মেনে গেলাম, প্রচুর প্রেম বিলালাম, পাকিস্তানীদের ভাই বলে বুকে নিলাম। কিন্তু আমার দুই বাড়ি পড়ে যে শহীদ জননী থাকে তাকে কে বলবে যে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম বিলাও? আমার পাশের উপজেলায় একটা গ্রাম আছে, বিধবা গ্রাম, ৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই গ্রামের পুরুষদের ধরে ধরে মেরে ফেলেছে, মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদেরকে বলা সম্ভব পাকিস্তানিরাও ভাল? কীভাবে সম্ভব আমার বুদ্ধিতে কুলায় না। আর আমি যদি তার কষ্টের ভাগীদার না হতে পারি তাহলে আমি কে? আমার পরিচয় কী? নিজেকে মানুষ বলতে পারব তারপরেও? জানি না। পাকিস্তানীরা এই অভিশাপ আমাদের ওপরে রেখে গেছে। ঘৃণা নিয়ে বাঁচতে চাই না কিন্তু কোন উপায়ও পাই না। যদি কোনদিন তাঁরা মাফ করে দিতে পারে, যদি পাকিস্তান কোনদিন নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করে তাহলে হয়ত এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি, তার আগে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন