এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৫৬70611
  • এই জ্ঞানদা দের দল নিজেদের সপক্ষে এই সব যুক্তি দেয় আবার পরীক্ষাতেই অন্য ধাঁচের প্রশ্ন এলে দলবেধে হাঙ্গামা করে। এরা কি তর্কের জন্য তর্ক করছে না কি বিরোধিতা করতে হবে বলে করছে? ক্লাস ফাঁকি দেওয়ার সপক্ষে শিক্ষিত জনতা যুক্তি দিচ্ছে - হাস্যকর।
  • cm | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:২৩70612
  • সহজ সমাধাব র‌্যান্ডম ক্লাস টেস্ট ৫০% ওয়েট থাক। সব বাবু ক্লাসে আসবে।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:৩৭70613
  • আর্টস্‌ ফার্ট্‌সের ওপর এতো তাচ্ছিল্য করবেন না। এখানেই ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টদের সুপিরিয়রিটি কম্‌প্লেক্স্‌, যেটা অচিরেই ইন্‌ফিরিয়রিটি কম্‌প্লেক্সে পর্যবসিত হতে পারে (এমনই কী একটা দেখলাম না ডাক্তারীর ছাত্রদের ব্যাপারে?)। এইখানেই সমস্যা। ইঞ্জিনীয়ারিং এর স্টুডেন্ট ও কিছু নীশ্‌ কলেজের ছাত্র/ত্রী দের মধ্যে এই চুড়ান্ত দম্ভ কাজ করে চলে।
    এদেশে ইকোনমিক্স হচ্ছে একটা আর্টস্‌ সাবজেক্ট ( বিএ/এমে ডিগ্রী দেয়)। মুষ্ঠিমেয় কজন পাশ করতে পারে। তারাই সবচেয়ে দামী মাইনের পোস্টগুলো পায়। তেমনি হচ্ছে ল। সেটাও আর্ট্‌স্‌ সাবজেক্ট। এতেও বিএ/এমে ডিগ্রী দেয়। রোজগার ইঞ্জিনীয়ারিং পাশ করাদের চেয়ে ঢের বেশি।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:৪৫70614
  • দম্ভটা এইরকম খানিকটা -
    আমিতো কলেজে কখনো ক্লাস করিনি, টিচার ধূর পড়াতো ক্লাসে, ক্লাস কাটতাম, কিছু নোটস পড়েছি, তাও রেগুলার পড়াশোনা করতাম না (প্রচণ্ড বুদ্ধিমান কিনা), তারপরে পরীক্ষার আগের ঐ কটা রাত যাহোক করে পড়ে, ফার্স্ট ক্লাস রেজাল্ট হোলো।
    এই ছকে অনেক কমেন্ট পড়েছি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজে কত বুদ্ধিমান সেটা চাউর করা। চেনা গৎ।
  • Ishan | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:০৯70615
  • দম্ভ টম্ভ কোথা থেকে পাড়া হল? আর ইতিহাস-টিতিহাসও অন্তত দশকে দশকে বদলায়।

    শিক্ষাব্যবস্থায় "ছাত্ররা শুধু দুষ্টু" এই বাঁধা গতও প্রচুর শুনলাম। ওইটা সেই পুলিশদের "আমরা কী ভালো লোকগুলো কী খারাপ" এর মতো শোনায়। বছরের পর গোরু-গাধাকে নোট মুখস্থ করিয়ে খুব মহান কাজ হচ্ছে, এই মানসিকতার সঙ্গে আলোচনা করা বৃথা। :-)
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:১৬70616
  • দম্ভ নয় হিউব্রিস।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:১৫70617
  • পুরো আলোচনাটাই অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হল। ঃ-)

    তাও অনেক ব্যাপারই ক্লীয়ার হল না। ক্লাস কাটা মানে রিসোর্স অপচয়, কিন্তু দুর্বোধ্য ও যান্ত্রিক ক্লাসে বাধ্যতামূলক হাজিরা দিয়ে ক্লাসে বসে ঝিমোনো সময় ও রিসোর্সের অপচয় নয় - সে কি এরকম কিছু বলতে চাইলেন? দ্বিতীয়তঃ প্রাইভেট কলেজে পয়সা দিয়ে পড়লে কি খাজা কোয়ালিটির ক্লাসে বেশী মধু আবিষ্কার করা যাবে বলে মনে হয় আপনার? যদি মনে হয়, তাহলে সবিনয়ে বলি আপনার ধারণা ভুল। প্রাইভেট সরকারি নিরপেক্ষভাবেই যেখানে বাধ্যতামূলক হাজিরা (যেমন আই আই টি) সেখানে লোকে ক্লাস করে। যেখানে তা নয় সেখানে পড়ানোর মান ভালো হলে করে, না হলে করে না। তাই দিয়ে কিছুই প্রমাণ বা অপ্রমাণ হয় না। বরং টীচারদের দম থাকলে নিজের ক্লাসে হাজিরা পুরো অপশনাল করে দিয়ে দেখুন কজন ক্লাস করে। তারপর বোঝা যাবে তিনি সত্যিই তাঁর ক্লাসের প্রতি আগ্রহ তৈরী করতে সক্ষম কিনা।

    দম্ভ টম্ভ গুলোকে যুক্তির অভাব ভেবে নিয়ে ইগনোর করলাম। ঃ-)
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৩০70618
  • তাহলে ভালো টিচার চাই - এই দাবীতে অনশন, কলকাকলি, হত্যে দেয়া, ভিসি ঘেরাও - এসমস্ত হয় না কেন বলতে পারেন?
    কেবল নন কলেজিয়েট, ডিস কলেজিয়েট হলে, পরীক্ষায় সাপ্লি পেলে, ফেল করলে আন্দোলন কেন?
    কলেজে তো পড়তে যাওয়া পড়াসুনো করবার জন্যে। সেটাই তো মূল লক্ষ্য, নয় কি? সেখানে হাজারটা অন্য জিনিসের জন্যে আন্দোলন অনশন কলকাকলি, এদিকে ভালো টিচারের জন্যে নেই। ইজ্‌ন্ট ইট স্ট্রেইঞ্জ?
    যুক্তি আছে?
  • বঢ়িয়া পকশি জটায়ু | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৪১70619
  • যে কোনো ছুতোয় কলরবের নিন্দে করুন। যাকে পছন্দ নয়, যেসব বিষয় পছন্দ নয়, সেগুলিকে হোক-কলরব আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দিন - ও তার পর হোক-কলরব ও যাদবপুরের ছাত্র-আন্দোলনের প্রাণ খুলে নিন্দে করুন। হোক-কলরবের নিন্দেই হোক আপনার পেশা ও নেশা। এর সঙ্গে আপনার অপছন্দের পোস্টার ছিঁড়ুন। পোস্টার ছেঁড়াই হোক আপনার বাতিক ও ব্রত।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৫০70620
  • কলকাকলি হোক। কলরব তো বলিনি। মুখে কথা বসালে কী আর বলি ;-)
    যারা ক্লাস করতে চায় না, ডিস্ট্যান্ট লার্নিং নিতে চায় না কেন? আরো কিছু ইচ্ছুক পড়ুয়া ক্লাস করবার সুযোগ পাবে। আরো বেশি করে ছাত্র ভালো ভালো কলে পড়বার চান্স পাবে, যারা ওয়েটিং লিস্টে ছিলো, কি একেবারেই চান্স পায় নি, তারাও সুযোগ পাবে। খারাপ কি?
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৫৫70621
  • অনেক বেশি সংখ্যক ছাত্র ভালো কলেজের ছাপ নিয়ে বেরোতে পারবে।
    পড়াশুনো করাই যে মূল উদ্দেশ্য এই নিয়ে দ্বিমত নেই আশাকরি? ক্লাসরুমের সীট যখন সীমিত, বেশি যোগ্যরা, বেশি বুদ্ধিমানেরা সীট ছেড়ে দিন। ঘরে বসে বই/নোট পড়ে পাশ করুন, অপেক্ষাকৃত কমবুদ্ধিমানেরা ক্লাস করুক। এই নিয়ে হত্যে দেওয়া আন্দোলন করতে বাধাটা কোথায়? চাকরির ক্ষেত্রে কম্পিটিশান বেড়ে যাবার ভয়?
    যুক্তি চাই। শুনছি।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৫৭70622
  • খারাপ টীচার বা কতৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত পরীক্ষায় বসতে না দেওয়া টেওয়া ইত্যাদি বাওয়াল না দিচ্ছে ততক্ষণ অব্দি ছাত্ররা যা পাচ্ছে তাতেই মানিয়ে গুছিয়ে চালাচ্ছে তো বছরের পর বছর। প্লাস ঐসব খারাপ ক্লাসগুলো না করার সুযোগ থাকলে ছাত্ররা তার বিনিময়ে অনেক দুর্লভ আনন্দের মুহূর্ত তার বন্ধুবান্ধবের সাথে কাটাতে পারে। সাধারণতঃ কতৃপক্ষ ছাত্রদের না ঘাঁটালে তারাও কতৃপক্ষকে ঘাঁটায় না। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান যাকে বলে।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০০70623
  • "অনেক দুর্লভ আনন্দের মুহূর্ত তার বন্ধুবান্ধবের সাথে কাটাতে" পারাটাই তাহলে প্রাধান্য পেল, লেখাপড়াটা নয়।
    আমার প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর অবশ্য পাই নি ;-)
    কোনো যুক্তিও পেলাম না।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৬70624
  • কলকাতার কোন কলেজে খারাপ কোর্সগুলোকে বর্জন করে শুধু ভালো কোর্স করার সুযোগ আছে? আমাদের সময় থার্ড আর ফোর্থ ইয়ারে যথাক্রমে একটা আর দুটো ইলেক্টিভ ছিল। তা বাদে বাকিগুলো কম্পালসারি সাবজেক্ট।

    আর পুরো তর্কটায় সাবজেক্টিভ প্রিঅকুপেশনগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে বুঝতেন, একটা খারাপ, যান্ত্রিক ক্লাসে সবচেয়ে বেশী সাফার করে মিডিয়কাররা। খানিকটা বাড়তি হীনমন্যতা বাদে এধরণের ক্লাস থেকে তারা কিছু নিয়ে ফেরে না।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৮70625
  • উঁহু, সাবজেক্টিভ নয়। পুরো অবজেক্টিভ প্রশ্ন। উত্তর পাই নি।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৯70626
  • না। আমাদের দেশীয় এডুকেশন সিস্টেমে জ্ঞানার্জন করাটা মূল উদ্দেশ্য নয়। যেকোনো উপায়ে পাশ করে ডিগ্রী বাগানো আর তারপর সেই ডিগ্রীকে দেখিয়ে একটা চাকরি বাগানো মূল উদ্দেশ্য।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:১৬70627
  • বুঝলাম।
  • sswarnendu | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ১০:৩৫70587
  • ঈশানের শেষ দুটো লাইনে একদম ক :)
  • Abhyu | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ১০:৪৭70628
  • "আর পাণিপথের যুদ্ধের ইতিহাস বছরে বছরে তেমন খুব বদলায়ও না।" পড়ে বড়ই আমোদ পেলাম :)
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ১০:৫২70588
  • তারমানে যাদবপুর, প্রেসিডেন্সী, বিইকলেজে টিচাররা খুবই বাজে পড়ায়। ভালোটিচার নেই। বোঝা গেল। এবং পিনাকিবাবুর উদাহরণটা শুধু সুইডেন নয় বোলোনিয়া এগ্রিমেন্টের আওতায় যারা আছে সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটা সুইটজারল্যান্ডেও, জার্মানীতেও, ফ্রান্সেও, সকলের ক্ষেত্রেই খাটে। সেক্ষেত্রে ঘুমপাড়ানি গান শোনানো ক্লাস নেন যে টিচার তার ক্লাসেও অ্যাটেন্ডেন্স বাধ্যতামূলক। লেকচার ও সেমিনার দুটোতেই।
    আরেকটা প্রশ্ন মাথায় খেলছে, ক্লাস করা যদি এতটাই অপশনাল তাহলে ডিস্ট্যান্ট লার্নিং কোর্সগুলোয় এই ছাত্ররা এনরোল করে না কেন? ঘরে বসে বই পড়েই সব শিখে ফেলা যাচ্ছে যখন।
  • b | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ১১:২১70589
  • ডিগ্রি-র দাম আছে তো। বি-ই (বি-ই কলেজ) লিখতে যতটা ভালো লাগে, বি ই (ইগনু) লিখতে কি ততটা ভালো লাগে?
  • sswarnendu | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ১১:৩৫70629
  • একটা গোটা মহাদেশ নিয়ে লোকে দায়িত্ব নিয়ে বলছে যখন, নিশ্চয়ই ঠিকই বলছে... তবু ওই আর কি... মিনমিন করে হলেও বলে যাই, ইয়োরোপে সর্বত্র বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নিয়ম আছে এইটা আমার সীমিত অভিজ্ঞতার সাথে মিলল না... আছে এমন জায়গার কথাও শুনেছি, নেই এমন জায়গার কথাও শুনেছি ও দেখেছি...

    আরো কিসব অভিমন্যুদের কথা এল কিভাবে তাও বুঝলাম না, আমার কমেন্টে আমি অন্তত বেশিরভাগের কথাই বলেছিলাম... ( স্পষ্টাক্ষরে সেটা এখনো লেখাই রয়েছে চেক করে নিলাম এখুনি ) ... এবং সেই বেশিরভাগের বেশিরভাগ আদৌ অভিমন্যু ছিল না, বরং টপার বা টপার-ইচ্ছুক জাতীয় অভিমন্যুরাই নিরলস ও নিয়মিত ক্লাস করত... এবং কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে সাধারণত সেমেস্টার আর ক্লাসটেস্টের আগে বাকিদের বুঝিয়েও দিত... সেমেস্টারের আগের ছুটিতে টপার ইউনি আসছে বাকিদের বুঝিয়ে দিতে এ জিনিস যাদবপুরে বহুবার দেখেছি...
  • PT | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০২:২৭70630
  • বছরের পর বছর কেন যে গরু-গাধারা মহানন্দে ও বিনা প্রতিবাদে অনেক অনেক বেশী টাকার বিনিময়ে কোচিং ক্লাশের নোট মুখস্ত করে মহান শিক্ষা ব্যব্স্থার অংশীদার হচ্ছে কে জানে!

    বালীগঞ্জ ফাঁড়ির কাছে একটি তিন তলা বাড়িতে জুলজি/বোটানি ইত্যাদির প্র্যাকটিকালের কোচিং ক্লাশ চলে। সেখানে কলেজ কাটা বিপ্লবীদের ভিড় দেখলে অবাক হতে হয়।

    আর যাদের কাছে ইউনি ধুর, শিক্ষকরা ঝুল তাদের জন্য ক্যাম্পাসিং-ও বন্ধ করে দেওয়া হোক। কেননা ধুর ইউনিটাকে অন্ততঃ এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেন্জ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • . | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০২:২৯70631
  • সে কে সমর্থন। যারা ফাঁকি দেওয়াকে সমর্থন করেছেন তাদের লেখায় স্পষ্ট, আমিও ক্লাস করিনি তাতে তো কোন ক্ষতি হয় নি, আর এই তো আমি ঘ্যামা চাকরি করছি, বিদেশ থাকি - তাই এসবের কোন দাম নেই। শুধু তাই নয় তারা অসত্য উদাহরণও দিয়েছেন, নিজেদের স্বপক্ষে। কিন্তু তারা কেন সরকারের পয়সা নষ্ট করে সরকারী কলে্জে পড়েছেন, অনলাইনে পড়েন নি সেই বিষয়ে তারা নীরব।
  • cm | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০২:৫৬70632
  • "কলেজে তো পড়তে যাওয়া পড়াসুনো করবার জন্যে। সেটাই তো মূল লক্ষ্য, নয় কি? সেখানে হাজারটা অন্য জিনিসের জন্যে আন্দোলন অনশন কলকাকলি, এদিকে ভালো টিচারের জন্যে নেই। "
    --আমিও এতে যারপরনাই অবাক। আমি নিজে অবশ্য ঐ ভাল টিচার/মন্দ টিচার ডাইকোটমিতে বিশ্বাস করিনা। (নিখিল ব্যানার্জির বাজনা কি সকলেরই ভাল লাগে?) ছাত্র শিক্ষক কম্বিনেশন, এর সাফল্য বা ব্যর্থতার দায় মনে করি উভয়ের। নিজে ছাত্র হয়ে ক্লাসে যাবনা, প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করব না, আর সব দায় শিক্ষকের ঘাড়ে। শিক্ষকের মান নির্ধারণের আগে ছাত্র হিসেবে নিজের মান নির্ধারণ করলে ভাল হয়। বলে রাখা ভাল বিদেশে চাকরি করলে বা থাকলে শুধু মাত্র সেই জন্যই কাউকে ধনুর্ধর মনে করার কারণ দেখিনা।

    "কিন্তু তারা কেন সরকারের পয়সা নষ্ট করে সরকারী কলে্জে পড়েছেন, অনলাইনে পড়েন নি সেই বিষয়ে তারা নীরব।"--একেই কি ধান্ধাবাজি বলে? অনেকেই দেখছি কথাটি পছন্দ করেননা।
  • | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:২৭70633
  • খুবই দুঃখের সঙ্গে জানতে চাইছি, আটের দশকের শেষে অনলাইন লেখাপড়ার সুযোগ ছিলো বুঝি? কোলে কোলে ল্যাপটপ না হোক, ঘরে ঘরে কম্পিউটার?

    নাকি পোড়া গন্ধের মধ্যে ভাবনা গুলিয়ে গেছে?
  • - | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:২৮70634
  • "আর পাণিপথের যুদ্ধের ইতিহাস বছরে বছরে তেমন খুব বদলায়ও না।"-এর সমতুল্য কমেন বলতে গেলে একটাই আছে, কোট-আনকোট বলতে পারব না, তবে ডিডি জিগিয়েছিলেন কেমিস্ট কুমুকে, "আচ্ছা হাইড্রোজেন এখনও আছে?" ঃ-D
  • Ishan | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৪৫70635
  • আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকেই ধনুর্ধর মনে করিনা। দেশে-বিদেশে চাকরি করলেও না, পড়ালেও না, পড়লেও না, ফাঁকি দিলেও না, মাটি কোপালেও না, ছটা ডিগ্রি থাকলেও না, না থাকলেও না। তবে আমার অভিজ্ঞতায় আমার কলেজে বেশিরভাগ শিক্ষক অতি জালি পড়াতেন এটা ঘটনা। বিষয়গুলোর উপরে ইন্টারেস্ট নষ্ট করার জন্য তাঁরা একেকজন যথেষ্ট ছিলেন। হ্যাঁ, এঁদের ডিগ্রি টিগ্রি নিশ্চয়ই ভালই ছিল, কিন্তু সে কারণে ধনুর্ধর মনে করারও কোনো কারণ নেই। এঁরাও তো আমার মতো এই সিস্টেমেরই ফসল। আমিও জালি মাল বেরিয়েছি, এঁরাও তাই। :-)

    কলেজে পড়েছি কেন? ডিগ্রিটার দাম আছে বলে। অনলাইনে ডিগ্রির দাম থাকলে সেখানেই পড়তাম। ডিগ্রির দাম কে ঠিক করে দিল আমাকে জিগাবেন না, আমি করিনি। সরকারি পয়সার কিছু অপচয়ও হয়নি, পাশ করার কথা করে বেরিয়েওছি। পরীক্ষা-টরিক্ষার মধ্যে দিয়েই।

    আর যদি ক্যাম্পাসিং এর কথা বলেন, তো একটা কথা বলতে পারি। অন্তত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে ইন্টারভিউ নেবার সুযোগ হয়েছে। সেখানে অন্তত সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি যায় একটি কারণেই। এই ছেলেমেয়েগুলি ছাঁকনি দিয়ে বাছা, বুদ্ধিমান ছেলেমেয়ে হবার চান্স বেশি, ট্রেনিং দিলে কাজকম্মো হবে, প্রত্যাশা করা যায়। ওর পিছনে শিক্ষকদের কোনো অবদান নেই। এমনকি কম্পু ইঞ্জিনিয়াররাও ম্যাটার করেনা।

    তবে এর পরেও ক্যাম্পাসিং তুলে দিতে বললে আমার আপত্তি নেই। ইন্ডাস্ট্রি ক্যাম্পাসিং এর বদলে ওয়াক ইন করবে। ছাত্রছাত্রীদের স্লাইট বেশি অসুবিধে হবে। এবং একই সঙ্গে যে শিক্ষকদের ক্লাসে ঘাড়ে ধরে না পাঠালে কেউ যায়না তাদেরও দূর করে দেওয়া হোক। ইউনি যদি এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ না হয়, একই যুক্তিতে বসিয়ে বসিয়ে পয়সা খরচ করে মাইনে দেবারও জায়গা নয়।
  • b | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৫৬70685
  • বিদেশে ইউনিভার্সিটিতে শুনেছি যে পড়াতে শেখানো হয়, টিচিং/লার্নিং সেন্টারে। এতে হয়তো রাতারাতি অতি খাজা শিক্ষকেরা প্রফুল্ল ঘোষ, অমল রায়চৌধুরী বা ভবতোষ দত্ত হয়ে যান না, তবে তাঁদের অধ্যাপনা অতি খাজা থেকে চলনসই হয়ে ওঠে। সেটাই বা কম কি?
  • PT | ২৬ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:০০70636
  • অনেকেই যে ইতিহাসের পাঠ্য বই খোলে না সেটা বোঝা যাচ্ছে। একটি বইয়ের পরবর্তি এডিশন কত বছর বাদে বেরোয় সেটা দেখলেই বোঝা যাবে যে কত ঘন ঘন পাণিপথের যুদ্ধের ইতিহাস বদলায়।

    B.A./B.Sc পর্যায়ে যা পড়ানো হয় তা মোটামুটিভাবে ঐ পাঠ্য বইয়ের ভিত্তিতেই পড়ানো হয়। আর পাণিপথের পরিবর্তনশীল ইতিহাস আরো উচ্চ পর্যায়ে পড়ানো হয়-সাম্প্রতিক প্রকাশিত গবেষনা পত্রের ভিত্তিতে।

    হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রেও ইহাই সত্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন