এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • কলরবকথা - পদ্যে

    হোককলরব লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ | ৬৪৯ বার পঠিত
  • http://postimg.org/image/63qef8tqj/

    প্রকাশ্যেই জয়েন্ট ধরাবো, কাচ্চা পরে ঘুরে ফিরব ক্লান্তিহীন সমস্ত শহর
    কানে স্তাড, এভিয়েটর, দেহ জুড়ে অসংখ্য ট্যাটু
    মাথায় ওড়াবো বান্দানা রাস্টাফিয়ান, মোরাল পুলিশ দেখলেই
    খিস্তি করবো নবারুনীয়, মিছিলের আগে ও পরে
    রাজপথ দখল করে চুমু খাবো ফাক-বাডিকে
    বন্দুকের নলে নিরোধ লাগাবো
    লালবাজারে ওরজি হবে, নবান্নের উঠোনে স্ট্রিপ টিজ
    সারা দেশ চেয়ে দেখবে ফ্রান্সের আটষট্টি কাকে বলে
    সোরবোনের মায়াবী আগুন জ্বালিয়ে দেবে দিল্লি সাতের গলি
    দুচোখ ভরে দেখ শালা, ফ্রাস্ট্রেটেড হোক ক্যালানোর দল
    শরীরে আঘাত নামলে শরীরটাও বিপ্লব হতে পারে
    আমাদের উন্মোচন তো তোদেরকেই ন্যাংটো করে দেয়!

    - দেবায়ুধ চ্যাটার্জি
    আমরা যারা রাত্রে বাড়ি ফিরছি
    আমরা যারা কুন্ঠাভয়ে থাকছি
    বুঝতে পারি এ পথ কিছু পিচ্ছিল
    এবার যদি হোক কলরব ডাক দি?

    আমরা যারা পাসপোর্টের ঘুষ দি
    ফোনের লাইন খারাপ থাকে দশদিন
    নিজের মধ্যে মানুষ যাকে পুষছি
    রোজ দুবেলা তার জ্বালাতে অস্থির

    আমরা যারা বাস পাইনা রাস্তায়
    রোজ যে দেখি বাড়ছে বাজারমূল্য
    আমরা যারা আচ্ছে দিনের আস্থায়
    ভাবছি কি আজ কারখানাটা খুললো?

    আমরা যারা কলেজ ফি এর ধাক্কা
    লোনের আকর টানতে গিয়ে ধুঁকছি
    রাস্তা ভাঙা, নল সারানোর পাকখাই
    এবং শুনি মন্ত্রী-নেতার উক্তি

    আমরা যারা টেবিলের এই পারটা
    ঘাড়টি গুঁজে নিচ্ছি তাই যা দিচ্ছে
    ফলন কমে, দাম বেড়ে যায় সারটার-
    হোক কলরব, তাই আমাদের ইচ্ছে

    শিউরে উঠে ভোরের কাগজ পড়ছি
    আমরা যারা খবর দেখে অন্ধ
    শহর জুড়ে সবাই আছে পড়শি
    হোক কলরব সামনে যখন বন্ধ

    আমরা যারা সিঁটিয়ে ছিলাম পাশটায়
    মানুষটাকে সামনে এনে রাখছি-
    বন্ধুরা সব আসবে নেমে রাস্তায়
    এবার যদি হোক কলরব ডাক দি

    - সোমনাথ রায়

    প্রতিবাদ
    ----------
    লুকোচ্ছি, নখের কোনে রক্তছাপ
    মুছছি , সদ্য ভিজে সৃক্কনি
    ওরে, যে যার সুযোগ বৃক্ষ নিক
    ফরেন না হোক নরক তো চা

    পুজোর মুখে দিচ্ছি রানী দক্ষিণা
    ল্যাজের ওপর পড়ছে প্রসাদ পূর্ণিমা
    ভয়েই হিসি, চটির ধারে ঘূর্ণিপাক
    মারিয়ে দিলেন ছোট্ট করে রক্ষী ডাক

    অন্ধকারে, জ্বালছি দাঁতে ফসফরাস
    হাতড়িয়ে বুক , হচ্ছে কেমন গর্ব না?
    তাগড়া বুটে দাবিয়ে রেখে সর্বনাশ
    ভাবছি দেখ ব্যাটন জোরে বশকরা

    অবাক মেনে গুনছি ,তবুও মাথা অগুন্তি
    বন্দুক নয়, গাইছে যে গান শিকল হীন
    ফুঁসছে ক্ষোভে- রাষ্ট্র গরাদ, রুদ্রবীণ
    শানিয়ে স্লোগান, জ্বালছে পথে আগুন ঠিক

    - ধুরন্ধর ঝাঁট
    আমরা যারা যাদবপুরে গান ধরেছি উল্টো সুরে
    আমরা যারা রঙিন ধুলো অশ্বমেধের ঘোড়ার খুরে
    আমরা যারা অন্ধকারে জ্বালিয়ে রাখি স্লোগান-আলো
    সব স্বাভাবিক রাজ্যপাটে আমরা সবাই কেমনতর

    আমরা যারা স্রোতবিরূদ্ধ রাজ্য যখন পালটে যাওয়া
    জাত অভাগায় আগুন জ্বালি পাক খেয়ে যায় স্তব্ধ হাওয়া
    হোক কলরব জগত যখন পথের মোড়ে একঘেয়ে গান
    সব স্থীতিশীল রাজ্যপাটে আমরা সবাই উথালপাথাল

    আমরা যারা জাতবেয়াদব দেখছো যখন বক্রচোখে
    আমরা সবাই সেটাই হলাম মন্দ যাদের বলবে লোকে
    আমরা বলি উল্টো তোমার ঠিক-বেঠিকের মাপের কাঠি
    সব ঠিকেদার রাজ্যপাটে আমরা সবার দাঁতকপাটি

    -অনিন্দ্য সেনগুপ্ত

    আমরা তখন জাতবেহায়া পোশাক যখন ইচ্ছেমতন
    তোমরা তখন দর্জিসমন, দৃষ্টি হানে জবরদখল
    আমরা এখন ফোটাচ্ছি খই তোমরা যখন বাক্যহারা
    সব সেলামত রাজ্যপাটে আমরা ভীষণ লক্ষীছাড়া

    আমরা যারা বাপ তাড়ানো ‘জয় মা’ বলে ভাসিয়ে তরী
    সাগর পাড়ি দেবোই দেবো তোমরা তখন তড়িঘড়ি
    তুললে দেয়াল ভাঙলে দু’ঠ্যাং চোখ রাঙালে রক্তজবা
    সব শিকলের রাজ্যপাটে মন আমাদের মেললো পাখা

    আমরা এখন মেঘের মতন বিশ্বজুড়ে উল্টো সুরে
    নতুন আলোয় গা ভিজিয়ে খবর দেবো যাদবপুরের
    হোক কলরব জগত যখন এক একটা দিন খুব বেরঙিন
    নীলচে-সাদা রাজ্যপাটে রঙ এনেছি আমরা অচিন

    সঙ্গে পুলিশ সঙ্গে ডান্ডা
    সবার সঙ্গে শংকু পান্ডা
    স্থির চাহনি বিষম ঠান্ডা
    সামনে আছেন শংকু পান্ডা
    উন্নয়নের আসল ফান্ডা
    মঞ্চে উজল শংকু পান্ডা
    চুপ হয় সব বাক্‌বিতণ্ডা
    এসে দাঁড়ালেই শংকু পান্ডা
    বিরোধীপক্ষ ভাজে ভ্যারান্ডা
    এগিয়ে চলেন শংকু পান্ডা
    রাজ্যজুড়ে মিঠাইমণ্ডা
    বিলোচ্ছেন ঐ শংকু পান্ডা
    চেতনা এবং জ্ঞানের গন্ডা
    জ্বালান আলো শংকু পান্ডা
    জেইউ থেকে সেই উগান্ডা
    একটাই নাম- শংকু পান্ডা

    - সোমনাথ রায়

    শব্দের পাশে শব্দ বসে আগুন জ্বালায়, জ্বালায় রোষ
    তাদের মধ্যে শান্ত সেতু, ওই যে নীরব শঙ্খ ঘোষ

    দাঁড়-পাঁজরের ভীষণ আওয়াজ, জল-বাতাসের কী আক্রোশ
    আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঢেউ ভাঙছেন শঙ্খ ঘোষ

    যখন দেশের শিল্পী কবি রাজআজ্ঞায় দুগ্ধপোষ
    যমুনাবতীর সিঁথির বারুদ হাওয়ায় ছড়ান শঙ্খ ঘোষ

    সেই বারুদই কন্ঠে নিয়ে মা বলেছেন - তৈরি হোস্‌
    ঘরের কোণেও হল্লা বোলের ডাক পাঠালেন শঙ্খ ঘোষ

    মধ্যরাত্রি, বর্বরতা – ফুরিয়ে আসছে অস্ত্রকোষ
    নিজের হাড়ে বজ্র গড়ে যুদ্ধে দিলেন শঙ্খ ঘোষ

    অবাক মুন্ডু হেঁট হয় না, রাজদ্রোহীর এই তো দোষ
    দ্রোহ যখন শরীর পেল, আমরা পেলাম শঙ্খ ঘোষ

    আসন যতই হোক না উঁচু, আসন তবু – আকাশ নোস্‌
    সেই আসনেও ঘেরাও হবে, রাত জাগবেন শঙ্খ ঘোষ

    কবজাগুলোর কবজি ভাঙে তাই তো তাদের অসন্তোষ
    পোস্টারে ওই পংক্তিগুলোয় তাকিয়ে আছেন শঙ্খ ঘোষ

    চুল্লিগুলো উঠবে জ্বলে যতই পুলিশ, গুন্ডা পোষ
    তোমার দেহেই ফুঁ দিয়েছি, লড়াই শুরু – শঙ্খ ঘোষ

    - শাশ্বত ব্যানার্জি

    শ্রীকৃষ্ণ উবাচ:
    শ্ব
    ~~~~~~~~~
    দেখ পার্থ , ঘ্যান ঘ্যান ছাড়
    এমন ভাবটা যেন জানতিনা জানিসনা কিছু !
    গাঁজা পার্কে পাশাপাশি বলেছি যা রিফারের ঝোঁকে
    তিন সত্যি মেনে নিয়ে চলে আয় , আয় পিছু পিছু ।
    ঘুরিয়ে দেখতে চাস এঁড়ে না বকনা
    এই শুধু ? তলিয়ে জানতে চাস এই মাঠে যত মুথো ঘাস ,
    ফাঁকে ফাঁকে পীপিলিকা - জীবনসংগ্রাম ! শুনতে খুব ভারী
    লাগে ? আসলে সবার মাঝে খিদে আর তলপেটে চিত্পুরি চাকু ।
    অভিকে পাঠিয়ে দে মেনে নিচ্ছি আমিই বলেছি , চক্রব্যূহ
    কী জিনিস তুমি কি তা জানতেনা খোকা ? অভির রক্ত আজ
    রক্তবীজ না হলে পরে ,
    ম্যাদামারা ভাইগুলো জাগত কি জয় হত সোজা ?
    তুই ক্ষুদ্র কত ক্ষুদ্র বল ! ওই দেখ
    ঘাসের ডগায় ; মাইক্রোস্কপিক হয়ে হাঁটছিস এইইটুকু পোকা ,
    আমার চরণপদ্মে কামড়িয়ে টিঁকে যেতে হলে
    ছলনা করতে হয় , দুর্বলের অস্ত্র মানে ধোঁকা ||
    পুলিশ কাকু ... পুলিশ কাকু তোমার বাড়ি যাব।
    পুলিশ কাকু তুমি কি আর আমার কথা ভাবো ?
    পুলিশ কাকু সেদিন রাত 'এ হঠাথ অন্ধকারে
    ছত্রভঙ্গ হয়েছিলাম তোমার ভীষণ মারে
    ডেস্ক এ বসে 'Protest' করি , 'অরবিন্দ ঘর'
    মাত্র কজন , একশ - দুশ ' মাওবাদী দের চর '
    আমি তখন মহীন - ডিলান , প্রতিবাদের ভাষা
    তোমরা তখন কষছিলে ছক - ভীষণ সর্বনাশা

    পুলিশ কাকু ...পুলিশ কাকু , বেশ তো ছিলাম ভালো
    হঠাথ করে তুমি তখন নিভিয়ে দিলে আলো
    তখনও আমরা ভেবেছিলাম আলোচনাই হবে
    কিন্তু তুমি শান্তিপূর্ণ , কি করেছ ? কবে ?
    কুঞ্জে অলি গুঞ্জে তবু , ফুটেছে মঞ্জরী
    এতকিছুর পরেও তোমায় বুঝতে ভুল করি
    আমি তখন হাত মিলিয়ে মানব-প্রাচীর গড়ে
    'পিশাচ'টাকে আটকেছিলাম মধ্যরাতের পরে

    পুলিশ কাকু ...পুলিশ কাকু , এই যে দুদিন পরে
    এখনো তুমি গাইছ সাফাই , লজ্জা তোমার করে ?
    সেসব কথা বলেছ তুমি , নবান্নতে গিয়ে ?
    গভীর রাতে ঢুকেছিলে ভাড়াটে গুন্ডা নিয়ে
    তারা সবাই 'সিভিল ড্রেস' এ , গায়ের রং কালো
    স্বীকার করি , দুজনকেই মানিয়েছিল ভালো
    ফাটিয়ে দিলে মুখ , আমার বুজিয়ে দিলে চোখ
    তখনও আমরা বলেছিলাম এসব বন্ধ হোক

    এরপরে যা করলে তুমি রাতের অন্ধকারে
    এখনো সেসব ভাবতে কাকু ... ভীষণই ভয় করে
    আমার সামনে আমারই এক বান্ধবী কে মেরে
    ছিড়লে জামা , মারলে ঘুষি চুলের মুঠি ধরে
    রক্ত অনেক ঝরেছে , এবার ফেরত দেওয়ার পালা
    লাগলে গায়ে আবার মারো , মিটিয়ে নিও জ্বালা
    আজ দেখছ আমরা কেমন নেমেছিলাম পথে
    হাজার হাজার 'পলাশ' 'অনিল' 'মৌমিতা' দের সাথে
    তোমরা তখন মিছিল দেখে মুচকি মুচকি হেসে ..
    ভাবছ বুঝি 'বিপ্লব' আর আসবে না এই দেশে
    আজ মেরেছ , কাল কি হবে ? ... কালের ঘরে শনি
    যতই তোমায় আসকারা দিক তোমার 'দিদিমনি'
    এবার আগুন জ্বলবে কাকু , একটু পেয় ভয়
    কেমন হবে , শহর যদি 'Tien An Mien' হয় ?

    - ইন্দ্র মিত্র ( Joy Goswami babu'r kache korojore khoma cheye )
    যে মুখ গুলো আগুন জ্বেলেছিল,
    পুলিশ, গুন্ডা, যতই শানাক নখ
    সে মুখগুলো আসবেই ফিরে ফিরে
    হেলায় ওড়াবে শাসকের রাঙ্গা চোখ..

    পায়ের তলার মাটি হয়ে যাক লাল
    ঝরুক রক্ত, পরে থাক কিছু লাশ,
    প্রত্যেকদিন লড়াই টা শুরু হোক..
    পথ দেখিয়েছে জে.ইউ.এর ক্যাম্পাস..

    রাষ্ট্র শানাবে বন্দুক, সে তো জানা,
    নইলে কি করে নিলামে উঠবে মাটি?
    শাসক মানেই সব রং একাকার..
    বখরা মিলবে সব্বার পরিপাটি..

    কাপছে শাসক, আসনটা টলোমলো..
    দিন গোনা শুরু, ক ঘন্টা বা ক মাস,..
    ওই দেখা যায় ধংসের সেই দিন,
    পথ দেখিয়েছে জে.ইউ.এর ক্যাম্পাস..

    - কামড়ে দেব
  • ব্লগ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ | ৬৪৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মোহর | 113.21.127.77 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৩৯72110
  • বাপ-মা কি শিখিয়েছে! ছি ছি, কোনো সহবত নেই
    এই নাকি পড়তে আসা! নির্লজ্জ বেহায়া ছেলে মেয়ে
    গুরুদের মুখে মুখে কথা বলবে! এতোটা নির্ভয়!
    তার ওপরে আন্দোলন! মেরে ছাল তুলে দিতে হয়!

    ছাল উপড়ে ফেলে দাও, ডুগডুগি বাজাও তাই দিয়ে
    সহজে শায়েস্তা হবে! সে বান্দা ভুলেও ভেবো না
    হাড় গুঁড়ো করে দাও, ধুলো করো যা কিছু ধারালো
    হাসির হুল্লোড়, গান, আছড়িয়ে শেষ করে ফ্যালো

    সার দিয়ে পেতে দাও, তাড়াতাড়ি, মন্ত্রী আসছেন
    শিক্ষক লেখক কতো বুদ্ধিজীবী, কবি ও গায়ক
    যে পথে আসবেন হেঁটে ঠিক মতো লাল হলো কি না ?
    প্রশাসন, এর পর-ও, পুলিশের ডিএ বাড়াবে না?

    বাড়াবে তো! সংখ্যাও তো বাড়বে রোজ রোজ
    ব্যাটনে কি ছাই হবে, হাতে থাকবে এসল্ট রাইফেল
    সবই তো নির্ভুল, শুধু একটাই খটকা ভিতরে
    পুলিশ, তোমারো মেয়ে আজ ওই যাদবপুরে পড়ে

    আজ পড়ল যদুবংশ, কাল প্রেসি, পরশু বোলপুর
    তার পর-ও পড়ে যাক, রক্ত নয় গড়ানো আগুন
    যে মেয়ের বুক চিরলে, যে ছেলের উপড়ে নিলে চোখ
    পুলিশ, তোমার ঘরে তাদের-ই পুনর্জন্ম হোক

    মোহর ভট্টাচার্য
  • মোহর | 113.21.127.77 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৪২72111
  • সংবেদনশীল রক্ষী তাঁরা
    কর্তব্যে বীর
    তাঁদের যিনি দলপতি
    তিনি যুধিষ্ঠির ।
    বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায়
    সত্যে অহর্নিশ
    আরেকজনা মহাজ্ঞানী
    যেন সক্রেতিস ।
    শিল্প ছেড়ে শিক্ষা যেনার
    মন্ত্রনায় স্থির
    বাক্য সঠিক , চলন বলন
    যেন সত্য পীর ।
    এদের মাথায় যিনি আছেন
    দশুভুজার রূপ
    মস্ত মস্ত কবিরা সব
    তাঁরই স্নেহে চুপ ।
    আমি লোকটা খুবই খারাপ
    স্বার্থপর , নীচ
    আকথা কুকথা লিখি
    হিজবিজ বিজ বিজ ।
    --- মৃদুল দাশগুপ্ত
  • মোহর | 113.21.127.77 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৫০72112
  • কালোদিনের কবিতা

    রঙ্গীত মিত্র

    তৈরি আছি ; তৈরি আছি আমরা সবাই।
    ওদিকে যত সুবিধাবাদী,ওদিকে যত বিপরীত।
    যাদের মিষ্টি মুখ অ্যাসিড মেশানো জলের মতো
    স্বার্থ যেখানে অলীক স্বপ্ন থেকে পড়ে গিয়ে
    কচুকাটা হয়ে গেছে।
    তবু কেন এই অন্ধকার ? কেন এই ঘুম-চোখ
    ওদিকে মিছিলে সময় স্যালুট করছে
    স্যালুট করছে যুদ্ধের শব্দ ।
    কিন্তু যুদ্ধ কাদের সাথে? নিজেই নিজের আয়না হয়ে গেছি
    সেই আয়নায় আমাদের ক্যাপিট্যালিস্ট লুক...বড় ঋণাত্মক লাগে।
    তবু পথ দেখাচ্ছে যাদবপুর।ওদের সাথে আমিও হেটে চলেছি,কলকাতা শহর।
  • মোহর | 113.21.127.77 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৫৭72113
  • তোমার মারের পালা শেষ হলে
    বিপুল চক্রবর্তী

    পা থেকে মাথা পর্যন্ত চাবুকের দাগ যেন থাকে
    এমন ভাবে মারো

    দাগ যেন বসে থাকে বেশ কিছু দিন
    এমন ভাবে মারো

    এমন ভাবে মারো
    তোমার মারের পালা শেষ হলে
    আমাকে দেখায় যেন ডোরাকাটা বাঘের মতন
  • অনামিকা মিত্র | 127.194.211.169 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৭:৪১72114
  • ছাত্রনেতা
    _________
    ছাত্রনেতা, তুমি এক ভিন্নতর জীব
    ঘাসফুল মাঠটির কাছে
    সেইখানে সিবিআই সারদার বাঁকে
    কারাগার আছে

    এই পৃথিবীর পলিটিকস মন্ত্রীসভা
    সত্য; তবু শেষ সত্য নয়।
    শঙ্কুদেব একদিন খুব ঝানু সুব্রতদা' হবে;
    তবুও তোমার কাছে আমার হৃদয়।

    আজকে অনেক রূঢ় পথে ঘুরে প্রাণ
    বাংলার মানুষকে পুলিশের মতো
    বাঁশডলা দিতে গিয়ে তবু,
    দেখেছি আমারি হাতে হয়তো নিহত
    ক্লাসমেট বন্ধু পরিজন পড়ে আছে;
    বাংলার গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
    আমরা তবুও ঋণী সিস্টেমের কাছে।

    কেবলি ক্ষমতা এসে আমাদের বন্দরের রোদে
    দেখেছি ফসল নিয়ে উপনীত হয়;
    সেই শস্য অগণণ মানুষের শব;
    শব থেকে উৎসারিত টাকার বিস্ময়
    আমাদের পিতা বুদ্ধ সিদ্ধার্থের মতো আমাদেরও
    প্রাণ
    মূক করে রাখে; তবু চারিদিকে রক্তক্লান্ত কাজের
    আহ্বান।

    ছাত্রনেতা, এই পথে আলো জ্বেলে — এ পথেই
    বাংলার ক্রমমুক্তি হবে;
    সে অনেক শতাব্দীর কারু ধ্বংসকাজ:
    এ বাতাস কী পরম শিল্পকরোজ্জ্বল;–
    প্রায় তত দূর ভালো শিক্ষকসমাজ
    আমাদের মতো ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে
    গড়ে দেব আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে।

    মা-মাটি-মানুষের টানে এই ছাত্রসংগঠনে কখন এসেছি,
    না এলেই ভালো হত অনুভব করে;
    এসে যে গভীরতর লাভ হল সে সব বুঝেছি
    নবান্নে ক্ষমতা ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে;

    দেখেছি যা হল হবে বাংলার যা হবার নয়–
    শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি ত্রিশঙ্কু সূর্যোদয়।
  • অনামিকা মিত্র | 127.194.211.169 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৮:০৩72115
  • গেঞ্জি পুলিশের সওয়াল-জবাব
    ____________________________
    গেঞ্জি পুলিশ গেঞ্জি পুলিশ, তোমার হাতে কি?
    শক্ত বাঁশের পোক্ত লাঠি, লুকিয়ে রেখেছি।

    কে ডেকেছে পুলিশ তোমায়, গভীর হলে নিশি।
    -সবাই জানে, তিনিই মহান শিক্ষারত্ন ভিসি।

    উর্দি কোথায়? তোমার গায়ে গেঞ্জি, পায়ে চটি।
    -বন্ধু, ইয়ে গুন্ডাও যে এসেছিলেন ক'টি।

    অমন করে মারলে পুলিশ? ছিঁড়লে গায়ের বস্ত্র?
    -কী আর করা।ওরা তো সব মাওবাদী সশস্ত্র।

    অস্ত্র কোথায়? গাইছিলো গান। শুনতে পাওনি পুলিশ?
    -শিক্ষাই যে অস্ত্র ও'দের, কেমন করে ভুলিস?

    শুনতে পাচ্ছো, হাইকোর্টও বলেছে শেম শেম।
    -এটাই তোদের ডেমোক্রেসির চূড়ান্ত 'পবলেম'!

    ছাত্রীদেরও ডলতে লজ্জা পাওনি পুলিশ ভাই?
    -সবগুলো লাইট একসঙ্গে নিভিয়েছিলাম তাই।

    ক্যামেরাকেও ভয় করোনি। সত্যি তুমি ভিলেন?
    -প্রেসকে মিছে বলতে তিনি শিখিয়ে দিয়েছিলেন।

    কে সেই তিনি। বলো পুলিশ, নামটা শোনাও তার।
    -বলা বারণ। ডাকনাম তাঁর, মহিলা হিটলার।
  • Chyangra Chatujje | 15.108.55.141 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৯:২৬72116
  • এটা ফেসবুকে আগেই দিয়েছিলাম , এখানে পুনরাবৃত্তি করলাম :

    লাঠি চার্জ ? হয়নি তো ! ঘড়া ভরা শান্তিজল নিয়ে
    সান্ত্রীদল এসেছিল ভোর রাত্রে, আলোটি নিভিয়ে -
    আলো নিভেছিল কেন ? ছোঁড়া গুলো ছুড়েছিল ঢিল !
    নিন্দুকেরা যাই বলুক ; ঠ্যাঙ্গাড়েরাও "সংবেদনশীল"...

    শ্লীলতা ? থাকলে ভালো ; তবে যদি হয়ে যায় হানি -
    আমি কি করিতে পারি ? কে করেছে - আমি তার কি জানি ?
    শঙ্কু আছে, বঙ্কু আছে - তাহাদের ইচ্ছাদেশ বিনে
    কার দোষ ঠাওরাব ? শাস্তি -ই বা বিধিব কেমনে ?

    তার চেয়ে এই ভালো ; যারা হবে অবাধ্য বেয়াড়া
    রাণীমা-র মত হেঁকে বলে দেব "মাওবাদী তারা" !
    তাও হল্লা করে যদি, চোখ থেকে ঠুলি ফেলে খুলে,
    লেঠেল লেলিয়ে দেব - প্রিজন ভ্যানেতে দেব তুলে।

    ছাত্র নয়, মিত্র নয়, অমাত্যেই ভরসা আমার ;
    জমিদারী পৈত্রিক যাদবপুর ; দান রাণীমার।
    বিপদেতে রক্ষাকর্তা- আছে পার্থ ,(অন্ত্যে ডি-লিট্) ;
    ভৃত্য আমি বশংবদ , রাণীমার , নাম অভিজিত !
  • হোককলরব | 12.125.105.29 (*) | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১০:০১72117
  • নিষাদ রাত
    ওরা জেগে রয়
    নতুন দিনের আলোর আশে
    যুগান্তরের প্রহরী যত
    ওরা গেয়েছিল গান সে রাতে
    সিগার, ডিলান
    লেনন, সুমন
    হয়তোবা ছিল কারো কোলে কারো মাথা
    ওরা যে বেঁধেছিল
    মানবশৃঙ্খল
    রাত বেড়ে চলে, চলে গান
    ওরা জেগে রয়

    তারপর শুধু কালো আর কালো
    বিদ্যুৎচমকের মত
    ফিরে ফিরে আসে গুটিকয় ফ্ল্যাশব্যাক
    ছাত্রীর স্তন খামচে ধরা লোলুপ পুলিশি হাত
    লাঠির হানা, চটি পরা পা
    চুপ একদম হাপিস করে দেব

    নতুন সকাল
    সবর্ শরীরে তখনো শুকনো রক্ত লেগে
    গ্লানি বেদনা সব ধুয়ে মুছে ফেলে
    ওরা তবু উঠে দাঁড়ায়
    ফের ধরে গান
    ভয় পেয়েছেন, তিনি ভয় পেয়েছেন বটেই
    এবার দোহাই দেবার পালা যে তাঁর
    মাদক থেকে এল মাও,
    এল হামার্দ থেকে হটপ্যান্ট
    ওরা হেসে ওঠে, আরো স্ফুতর্িতে গায় গান
    কসাইয়েরও বুক তবে কাঁপে

    তবে ওরা আর সেই ওরা নেই
    দশক ছাড়িয়ে শত, সহস্র, অযুত ওরা আজ
    হাওয়ায় ভেসে যায়
    ওদের বেসুরো সুর
    দিক থেকে দিগান্তরে
    আগুন তবে এখনো জ্বালানো যায়
    এ প্রতিবাদী শহরে
    ওদের গানের কন্ঠ রূদ্ধ হবেনা আর
    চেয়েছিল শাসকের হাত
    গলা টিপে সেই গান রুখতে
    আজ তারা অবাক পৃথিবী
    কী মন্ত্রে আজ লক্ষ মানুষ যেন
    নেমে দাঁড়িয়েছে পথে
    হোক কলরব

    পাশে না থেকেও সাথে আছি যাদবপুর
  • মোহর | 113.21.127.76 (*) | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:০৯72118
  • কলকাকলি

    ভেজা পোস্টার, ধেবড়িয়ে যাওয়া স্লোগানগুলো,
    নেশাগ্রস্ত শহরের কানে মন্ত্র দিলো।
    এই মন্ত্রেই কাটলো মনের আবর্জনা,
    "হোক কলরব" বিদ্রোহে দিক সংযোজনা।

    এই কলরব মেশায় লালন, শ্রীচৈতন্য,
    এবং হয়ত তাঁদের মতই ভীষণ বন্য,
    এ বন্যতাই শেখায় ধরতে বন্ধুর হাত,
    তিনিও ছিলেন সেই মিছিলে,
    রবীন্দ্রনাথ।

    ইন্দ্র লুপ্ত

    ২৪/০৯/২০১৪
  • সিকি | 135.19.34.86 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৪:১৪72119
  • বাঃ। অপূর্ব!
  • /\ | 212.79.203.43 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:৩৯72120
  • ইন্দ্রলুপ্ত কে বটেক? কলমখানা কাজী কামাল নাসেরের মতো শুনতে।
  • শুভ | 127.194.246.185 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৮:৫৫72121
  • ২০ শে
    সেদিন দুপুরে সারা কলকাতা রাজপথে নেমেছিল
    অঝোরে ঝরা বৃষ্টির কণা আগুন জ্বালিয়েছিল,
    সহ্যের বাঁধ
    ভেঙ্গে যায় যাক
    কলরব আনে
    মুক্তির স্বাদ,
    স্লোগানে স্লোগানে
    চেতনা মননে
    অ্যানড্রুজ আর প্রেসিডেন্সী এক হয়ে গিয়েছিল,
    প্রতিবাদগুলো
    কলরব হয়ে
    ডানা মেলে দিয়েছিল,
    সেদিন দুপুরে সারা কলকাতা রাজপথে নেমেছিল।।
  • m | 213.147.88.194 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৬:১৩72122
  • বিষবৃক্ষের চাষ।
    পোষ্য দলদাস।
    তোমরা যখন করেছিলে, সেসব ইতিহাস।
    সেই বাগানে আজ
    নতুন মালীর রাজ।
    সযত্ন তার লালন পালন, বেড়েছে সেই গাছ।
    বৃক্ষজাত বিষ
    ঝরছে অহর্নিশ।
    কর্মধারা খুবই চেনা, বদল উনিশবিশ।
    ঘৃনার চোটে ছিঃ
    সেদিন বলেছি,
    আজও তেমন ঘৃনায় আমার হৃদয় ভরেছি।
  • তাপস | 233.29.204.178 (*) | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৬:২৫72123
  • অপূর্বময়ীর কলরব
    মলয় রায়চৌধুরী
    ঠাকমা বল্লে, 'শুনিচিস নাকি ? আবার কুরুণ্ডেতাড়ুনি মুড়োঝাঁটার
    বাড়ি খেতে নেগেচে গয়লাপাড়ার সেপাই-লস্কর । তা বেলেতের
    বাঁদরমুকোরা কবেই জাহাজে চেপে ঝুরোবরফের বেন্দাবনে
    ফিরে গেসলো, বলেছেল তোর জ্যাটা । তাপ্পর তো গুয়ের ডাবা
    উটেছেল গবা ম্যাতরের মাতায় ; কত্তো বড়ো-বড়ো জনমনিষ
    গবা ম্যাতরের মাতা ঠেঙে কাঁচাসোনা নিতে দৌড়ুলে--
    সে আর কি বলব বাপু, ওই যে খাবার চগলেট হয়, অ্যাঁ,
    শুনচিস তো, পাদলা চগলেট ভেবে তারা চটকানি দিয়ে খেলে
    আর দ্যাকো, সব্বাই পাথর হয়ে গেল গো, মুকে রা কাড়ার
    জিভ-আলজিভ অ্যাগবারে গু-মুখনদীর পাথর ;কত্তো লোকের
    পাকা ধান পুড়েছেল, বউড়িরা খুন হল মাটিতে চূন হল গা
    খপরের কাগচ পড়ে শুনিয়েছেল তোর বাপ । কিন্তু গবা ম্যাতর
    বিষ খেয়ে গেঁজলে পচে সগগে গেল, তাপ্পর আবার কী হল র‌্যা--
    চাদ্দিকে রোল উটেচে নড়া ধরে ভোঁচকানি দাও আচ্ছা করে ?'

    আমি বল্লুম, 'ঠাকমা, গবা ম্যাতরের ডাবা এখুন অ্যাগজন
    লোকদ্যাকানি নিজের মাতায় তুলে নেত্য কত্তে নেগেচে গো ;
    তাব্বড় দাড়িয়াল ধুতিয়াল শাড়িয়াল থেটারউলি পদ্দুড়ে-গোপ্পুড়ে
    একই চগলেট খেয়ে আধমরন্ত হাফঘুমন্ত নিশিডাকে বোবাকালা
    হ্যানবিভীষণ ত্যানবিভীষণ চোগাচাপকান চাঁদিপয়জার--
    মাজরাতে ঠগির দল পাট্টে দ্যায় কচিকাঁচাদের গলা কাটতে ;
    রোল উটেচে আর ম্যাতরের দরকার নেই ডোবাও ডাবাটাতেই ।'

    ঠাকমা বল্লে, 'থালে তোরা বর্গি-তাড়ান আওয়াজ তোল সবাই মিলে
    নড়া ধরে ভোঁচকানি দাও আচ্ছা করে চাবির থোলো কাড়ো--
    হোককলরব হোককলরব হোককলরব হোককলরব হোককলরব ।'
  • সায়ন্তন মাইতি | 125.124.41.34 (*) | ০৭ অক্টোবর ২০১৪ ০১:০৯72124
  • এই ভি.সি.কে দেখুন পিসি

    -সায়ন্তন মাইতি

    আপনি বলুন পিসি
    ছড়ি যে ঘুরিয়েছিল, মিথ্যা বলেছিল
    বেসু-র যে ছেলে এসে অত্যাচার শুরু করেছিল
    যাদবপুরের ক্ষেতে, যে ভাড়া করেছিল পুলিশ
    সে যদি ভি.সি. নয়, তবে ভি.সি. কাকে বলে?

    আপনি বলুন পিসি, কে অনুগত, কে অনুগত নয়
    নতুন সরকারে যারা মাস মাইনের বুদ্ধিজীবী
    শুধু তারা পা চাটে?
    শিক্ষাক্ষেত্র যাকে স্বস্তির পদমর্যাদা দিল
    সেই অস্থায়ী উপাচার্য
    প্রতিদিন কুকুরকে খাওয়ায়, ছাত্রদের সাথে বাক্যালাপে ডিগনিটি খোয়ায়,
    ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ খেদিয়ে রাত হলে
    পুলিশ ডেকে পিট্টি দিয়ে বসে বসে হাসে
    সেও কি অনুগত নয়?
    আপনি বলুন পিসি, পরিচালনতন্ত্র কাকে বলে?

    মিটিং-এ বসলেই মজুরি হয় না বলে মানুষটা শুধু
    রোগী সেজে হাসপাতালে পড়ে থাকবে?
    আর বীর নেতা যার হাতে বোম, মাথায় অক্সিজেন কম?
    আপনাকে মানায় না এই অবিচার।

    কখনো সর্বশিক্ষা হলে
    চন্দননগরের মাল ঘরে ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেবে
    লাগামহীন, গণতন্ত্রহীন সেই রাজ্যে
    আপনি বলুন পিসি, এই ভি.সি. কি শুধু
    মঞ্চে অতিথি আসন পাবে?
  • Jamai Sasti | 78.227.130.145 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৫৯72125
  • হোককলরব !

    ঠাস ঠাস দ্রুম দ্রাম, শুনে লাগে খটকা
    গান গায়? তাই বল! আমি ভাবি পটকা !
    শাই শাই পনপন, ভয়ে কান বন্ধ
    ওই বুঝি ছুটে যায় গিটারের ছন্দ?

    হুড়মুড় ধুপ ধাপ ওকি শুনি ভাইরে?
    ঐযে কবিতা পড়ে যেও নাকো বাইরে।
    চুপ চুপ ওই শোন ঝুপ ঝাপ ঝপাস !
    পোস্টারে রং তূলি ছপ ছপ ছপাস !

    খ্যাশ খ্যাশ ঘ্যাচ ঘ্যাচ! মাওবাদী নাকি রে?
    ই-মেলে সই করে? সবকটা পাজি রে!
    ফুর ফুর ভন ভন! ওকি তেড়ে আসে ড্রোন?
    চিন্তারা ডানা মেলে, পাখা নাড়ে কচি মন !

    দুর দুর গুর গুর! নবান্ন কাঁপে রে
    কারা যে মিছিল করে খালি মিছি মিছি রে !
    হই হই মার্ মার্ বাপ্ বাপ্ চীতকার !
    বহিরাগত এল বুঝি? সরে পড় এইবার !
  • jaladhar2 | 117.217.133.50 (*) | ১৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৪৭72126
  • ইন্জিরি ভার্শানঃ
    Our dear mister chancellor vice,
    Seems to be a man, not too nice.
    We curse you, curse you, chancellor vice,
    May your head have all the lice...
    Just kidding, kidding, chancellor vice,
    You are always anyway full of lies.
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ১৭ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৪৬72127
  • Saswata Banerjee
    মশালমিছিল
    কাল রাতে কোনো ঘরে কোনো মা জানতে চায়নি
    ছেলে তার খেয়েছে কি না,
    একবারও বলেনি রেগে – এইবার যা, শুতে যা
    সমস্ত দেয়াল সরে গিয়ে খোলা আকাশ,
    ধিকিধিকি আলো
    তারায় তারায় স্পর্ধিত পড়ছিল পা
    কিছুটা ভাত ছিল ঘরে। খিদেও ছিল না
    তা নয়,
    তবুও জেগে ছিলাম শুধু
    দূরে জাগছিল
    মিছিলের হাতে হাতে দৃপ্ত প্রত্যয়
    মাকে বলেছি, ওই দেখো –
    দপ্‌দপে মুখগুলো চেনে না পরাজয়
    ওদের স্লোগানে গানে গোটা দেশ প্রতিরোধগ্রাম
    আমি শুধু জেগে থাকি আর
    একটি দ্রোহক্ষুধা আজ সুদূর আকাশে দিলাম
    নাছোড় জেদের দেশে খিদে থেকে আলো হয়
    শিশুর টলোমলো পায়ে ঘোরে মশালের মুখে
    সে আভায় দেখা যায় ধিক্কারধ্বনি
    বাবাই দিয়েছে এঁকে কন্যাচিবুকে
    কন্যা হেঁটে যায় কলরবে, আর হাঁটে রাজপথ
    ক্রোধের বারুদে ঘুম ভিজে গেছে ওর
    কালকে হেঁটেছ যারা মশালবাহক
    জেনো – বিদ্রোহী আলোটুকু আমার জঠর
    যারা ফিস্‌ফিস্‌ করে বলছে সমঝোতা,
    ভাবছে স্ফুলিঙ্গ নেই,
    মার খেয়ে মার খেয়ে ভাঙা, ধুধু করে তূণ
    তাদের অন্ধকার মুখে হা হা হেসে কাল
    মশাল বলেছে –
    দেখো, পরাজয় শেখেনি আজও খিদের আগুন!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন