কেলো করেছে! বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষ্যামতা থাকলে কি আর মাঝারি বুদ্ধিধারী হতুম! তাইলে তো আঁতেল ই হতুম।প্রশ্নগুলো যেমনই থাকুক, উত্তর দেওয়ার সময় ঠিক অপশন পাই নি কয়েকটিকে। বাধ্য হয়ে তাতেও উত্তর দিতে হয়েছে যেটা আমি নই।কিন্তু পরীক্ষকের রিমার্ক্স যারপরনাই পসন্দ হুয়া।
চাওয়া চাওয়ির প্রেম / পাওয়া পাওয়ির ঘর
স্টেশনের নাম খন্যান। শেয়ালদা-ডানকুনি কর্ড লাইন। নেহাৎই ছোট স্টেশন। এখান দিয়ে শুধু মাত্র লোকাল ট্রেন নিয়মিত ভাবে যাতায়াত করে। সেদিন এই স্টেশনে সিগন্যাল না পেয়ে আচমকাই দাঁড়িয়ে গেল দিল্লিগামী ভেসটিভিউল ট্রেন।এখন যাকে আমরা রাজধানী এক্সপ্রেস বলে ডাকি। ওই ট্রেনেই জাতীয় পুরস্কার আনতে দিল্লি যাচ্ছেন মহানায়ক। ট্রেন হঠাৎ বেশ কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে যেতে স্রেফ কৌতুহলবশত তিনি নিজের আসন ছেড়ে, কামরার দরজা খুলে, বাইরে উঁকি দিয়ে ব্যাপারটা আন্দাজ করার চেষ্টা করলেন। তখন স্টেশনের নাম খন্যান চোখে পড়ল। স্টেশনের সঙ্গে চায়ের সম্পর্ক চিরকালই বেশ নিবিড়। ... ...
ছোটবেলায় শুঁয়োপোকা দেখে একবার ভয় পেয়েছিলাম একজন শিক্ষকের সামনে। জোড়ে একটা হাঁকুনি মেরে তিনি বলেছিলেন "পুরুষ মানুষ তুই, ভয় পেতে নেই"।
তেইশে আগস্ট, ১৯১১। ক্যালেন্ডারে বলছে দিনটা বুধবার। প্যারী শহর অন্যান্য আর পাঁচটা দিনের মতোই সেদিনও আর একটা কর্মমুখর দিনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্যারী যেনো কখনও ক্লান্ত হয় না, প্রানোচ্ছলতার সার্থক প্রতিমূর্তি সে। সে ক্ষণিকবাদী, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আকণ্ঠে উপভোগ করার মধ্যেই তার সার্থকতা। ২৩ আগস্ট বুধবারের সকালে আপামর প্যারীর জনসাধারণ কি জানতো আগামী কয়েক মিনিটের মধ্যে এক ভয়ানক দুসংবাদ অপেক্ষা করে আছে তাদের জন্য! অন্যান্য দিনের মতোই খবরের কাগজ পৌঁছে গেছে প্যারীর প্রায় প্রতিটি মানুষের দরজায়। আর সংবাদপত্রের পাতা ওল্টাতেই চমকে উঠলেন সকলে। হেডলাইন - "লা জ্যাকোন্ডা অপহৃতা!" ... ...
সেকালে সিনেমা হলে পৌঁছে গেটের মুখে "হাউস-ফুল" বোর্ড ঝোলানো দেখে অনেকেই ভিরমি খেতেন। চোখে সর্ষেফুল দেখার মতো অবস্হা। সেই সুযোগে অনেকে টু’পাইস কামিয়ে নিতো টিকিট ব্ল্যাক করে। গেটের মুখে একটু আড়ালে দাঁড়িয়ে নিচু গলায় হাঁকতো - "দো কা পাঁচ, দো কা পাঁচ।" অর্থাৎ দু’টাকার টিকিট কালোবাজারীর হাত ঘুরে পাঁচ টাকা। উপায় না দেখে অনেকেই বেশি দাম দিয়ে টিকিট কিনে হলে ঢুকতেন। সঙ্গে একজন বান্ধবীও থাকতো।সিনেমা হলে ঢোকার অগ্রিম টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে দু'দিন আগে দেওয়া হতো। সকাল আটটা নাগাদ কাউন্টার খুলতো। দশটার মধ্যেই সব টিকিট শেষ। দারোয়ান "হাউস ফুল "বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে ঝাঁপ বন্ধ করে দিতো বুকিং কাউন্টারের। ... ...
বুল্টির সাথে আমার প্রেম তখন যাকে বলে রীতিমতো জমে উঠেছে। একে বারে জমে ক্ষীর। নদী নিজের খাত এমন নির্দিষ্ট করে ফেলেছে যে অন্য কোনও দিকে বয়ে যাওয়ার আর কোনো উপায়ই নেই! তা বলে কি এঁকেবেঁকে যাওয়া নেই? উচ্চ-নীচ নেই? জলের কম-বেশি; ত্বরিৎ-তিরতির, স্রোতের এদিক-সেদিক নেই? নিশ্চয়ই আছে। তবে অভিমুখ ততদিনে একেবারে নিশ্চিত। যাকে বলে ষোলো আনার ওপর আঠেরো আনা। একশো শতাংশের ওপর একশো সাড়ে বারো শতাংশ নিশ্চিত। ... ...
নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর যাবতীয় দায় মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য তৃণমূলত্যাগী তাঁর দুই প্রাক্তন সতীর্থ শিশির অধিকারী এবং শুভেন্দু অধিকারীর উপরে চাপালেন।প্রকাশ্য জনসভায় মমতা বললেন, সেদিন নন্দীগ্রামের ভিতরে পুলিশ ঢোকে এবং অথ্যাচার করে, গুলি চালায় শুভেন্দু আর শিশিরেরই নির্দেশে।
তোমার হৃদয়ের দুয়ারখানা / আধখোলা করে কেন রাখো?
ভেবেছিলাম ব্যাপারটা নিয়ে কিছু লিখব না। কারণ, এখন মনের কথা লিখলেই কেউ বলছে পদ্ম আবার কেউ বলছে ঘাস। তাদের বলতে চাই ওরে আমি মানুষ, কোন ফুল নই অথবা কোন অস্ত্রও নই।
"চাপা স্বরে বললো সালা মাস্টার তুই ও খুব ধ্যামনা" ওপারে তেঁতুলিয়া, বাংলাদেশ। এপারে ফকিরপাড়া, ভারতবর্ষ। মাঝখানে মহানন্দা, বুক চিরে কাঁটাতার।
গত ২০১১ সালে বামফ্রন্ট হেরে যায়। কেন হেরে যায়, তার চর্বিতচর্বণ না করে, যে নেতিবাচক ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেতেন, তারপরের সময়কাল গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এক ভয়ঙ্কর মুষল পর্বের কাল। বালির বাঁধের মতো ভেঙে পড়তে থাকে বামপন্থী দলগুলির সংগঠন। বামফ্রন্টের শেষ পনের আঠারো বছরে শরিক দলগুলিকে মাথা তুলতে না দেওয়ার যে প্রবণতা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল, তার ফলশ্রুতিতে দুই দিনাজপুর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার বাসন্তী, গোসাবা, মুর্শিদাবাদে আরএসপি প্রায় হারিয়ে যেতে বসে। যদিও মুর্শিদাবাদে আরএসপি নিজের তৈরি স্বখাত সলিলে অনেকটাই নিজেরা ডুবেছে। আজ যে অধীররঞ্জন চৌধুরী কংগ্রেসের নেতা, তিনি তো আরএসপির দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি। আরএসপি এই অধীরবাবুকে তৈরি করেছিল সিপিআই(এম)কে শায়েস্তা করতে, যেমন করেছিল কলকাতায় পরেশ পালকে। ফরোয়ার্ড ব্লকের অশোক ঘোষ তাঁর বিশেষ পছন্দের অপরাজিতা গোপ্পীকে রাজনীতিতে তুলে ধরতে একদিকে কমল গুহকে উত্তরবঙ্গে চাপে রেখেছিলেন, অপরদিকে সিপিআই(এম)কে শায়েস্তা করতে এই কমল গুহকেই মাথায় তুলেছিলেন। ... ...
বিপ্লব রহমানের বই ‘পাহাড়ে বিপন্ন জনপদ’ [সাংবাদিকের জবানবন্দিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের অকথিত অধ্যায়] চার বছর পর আবারও অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বেরিয়েছে বর্ধিত কলেবরে, দ্বিতীয় সংস্করণ আকারে।পাহাড়ের অজানা, অব্যক্ত নানা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রত্যক্ষ দেখা থেকে লেখা এই বই। এটি নিছক সাংবাদিকের লেখনিতে পরিস্থিতির বিবরণ নয়, বরং অনেক ঘটনার নেপথ্য ঘটনা তথ্য-প্রমাণসহ সরাসরি উপস্থাপন করা হয়েছে এই বইতে। অসংখ্য সাক্ষাৎকার, টিকা-টিপ্পনী, তথ্যসূত্রে এটি হয়ে উঠেছে একই সংগে জীবন্ত দলীল।এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন সব্যসাচী হাজরা, একুশের বইমেলায় এটি পাওয়া যাচ্ছে "সংহতি প্রকাশন" এর স্টল-২০৫-৬ এ, এর দাম পড়বে ৩২০ টাকা মাত্র (২৫% ছাড়)। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে রকমারি ডটকম-এ এই বইটি অনলাইনে কিনতে পাওয়া যাবে। ... ...
নিশুতি রাত। কিছুক্ষণ আগেই দারুণ বৃষ্টি হয়ে জঙ্গল ভিজে একসা। আমরা বাইকে লাটাগুড়ির গভীর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ফিরছি। ঠাণ্ডা নেই প্রায়, কিন্তু বাতাসে ভেযা ভেজা ভাব, আলতো করে গালে ঠাণ্ডা বাতাস মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যায়। জঙ্গলের মাঝে অদ্ভুত এক অপার্থিব আলো। সাদা আলো। চারদিকেই পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, মনে হচ্ছে স্বপ্ন দেখছি। সবার হাঁতে পিঠে বুকে ঝোলান নানা রংবাহারি ক্যামেরা, ট্রাইপড, আর যা যা অস্ত্র শস্ত্র রয়েছে আরকি। এক্সট্রা শট নিয়ে আমরা প্রায়শই বের হচ্ছিলাম তখন। আর পর্বতপ্রমান যন্ত্র নিয়ে নড়ে নড়ে যেতে হত এক থান থেকে অন্য থানে। ... ...
রোদমাখা ঠোঁটে / বৃষ্টি ভেজা চুম্বন
আমার আর এলগিন রোডের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আরও গাড় হচ্ছে। কয়েকদিন তাকে নিয়ে লিখতে পারিনি। তাই প্রতিদিন আমার দিকে তাকিয়ে মুখ ভেংচায় এখন সে। তাই তার অভিমান ভাঙাতে আজ এই লেখা।
1 ²²ßîìHIò²ßþ éëóÙ Áëáë²ßþ õr´á زÉÜ âëó²ßȱ ²ßóä ²ßþíìØ²áóزë гóá Õ²òó²Ô²óϳ¸ Çó²ßȱ²ßëó²ßþ гóá t²í²ßþ! ܳڳí ìÜóг²ßþ ÉëØ² ÇáÜ ìÜì³Úý³©» ²ßȱó²ßþ õÞ²óäóϳ õâ Dzßþ ÁÜø õ²ßȱëÜÆ ì³Ú³ó²ßȱ ²ßóâþ âëÆâþë²ßþ Áë²ßþ