• খেরোর খাতা

  • অপহৃতা মোনালিসা; অপহরণের পিছনে লুকিয়ে কোন রহস্য?

    Debabrata Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ মার্চ ২০২১ | ৭৬১ বার পঠিত
  • তেইশে আগস্ট, ১৯১১। ক্যালেন্ডারে বলছে দিনটা বুধবার। প্যারী শহর অন্যান্য আর পাঁচটা দিনের মতোই সেদিনও আর একটা কর্মমুখর দিনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্যারী যেনো কখনও ক্লান্ত হয় না, প্রানোচ্ছলতার সার্থক প্রতিমূর্তি সে। সে ক্ষণিকবাদী, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আকণ্ঠে উপভোগ করার মধ্যেই তার সার্থকতা। ২৩ আগস্ট বুধবারের সকালে আপামর প্যারীর জনসাধারণ কি জানতো আগামী কয়েক মিনিটের মধ্যে এক ভয়ানক দুসংবাদ অপেক্ষা করে আছে তাদের জন্য! অন্যান্য দিনের মতোই খবরের কাগজ পৌঁছে গেছে প্যারীর প্রায় প্রতিটি মানুষের দরজায়। আর সংবাদপত্রের পাতা ওল্টাতেই চমকে উঠলেন সকলে। হেডলাইন - "লা জ্যাকোন্ডা অপহৃতা!"

    এও কি সম্ভব? প্যারীর উপকন্ঠে অবস্থিত ল্যুভারের নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে তো একটা সূচ গলাও অসম্ভব। আর সেই নিরাপত্তা বেষ্টনীর গালে বেমালুম থাপ্পড় কষিয়ে উধাও বাঙালি কুলবধু মোনালিসা? হ্যাঁ সেদিন এই অসম্ভব কাজটিও সম্ভব হয়েছিল, নেপথ্যে ছিলেন কারা? এক সাধারণ রংমিস্ত্রি আর এক ধনকুবের।

    বস্তুতপক্ষে এই গল্পটার শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার বুয়েনস এয়ার্স থেকে। এখানেই জন্ম ওয়ালফিয়েনোর। জন্ম থেকেই ধমনীতে প্রবাহিত হতো জমিদারি রক্ত। আরে হবে নাই বা কেনো? তার বাবা ছিলেন মস্ত জমিদার। ফলে জমিদারি ঠাটবাট ছিল আজন্মকাল থেকেই। অন্যদিকে পরিশ্রম করে টাকা উপার্জন আবার একেবারেই না পসন্দ ওয়ালফিয়েনোর। কিন্তু জমিদারি চাল-চলন যে বজায় রাখতে হবে আর তার জন্য চাই লাখ লাখ ডলার। সুতরাং শুরু হলো ফন্দিফিকির, যাতে সাপও মরে আবার লাঠিও না ভাঙ্গে। অর্থাৎ দু-ডলার হাতে আসবে কিন্তু বিনা পরিশ্রমে। কিছুদিনের মধ্যেই ওয়ালফিয়েনো বুয়েনস এয়ার্স অঞ্চলেই শুরু করলো একটি ওয়ার্কশপ। যাদের কাজ হাজার হাজার বছর আগের শিল্পসম্ভারের নকল তৈরি করা। যদিও এই ব্যবসা বেশিদিন টেকেনি, কিছুদিনের মধ্যেই বমাল সমেত পাততাড়ি গুটোতে হলো তাকে। কিন্তু ভবি ভোলবার নয়, একবার বিনা পরিশ্রমে কাঁচা টাকার গন্ধ যে পেয়েছে সে কি আর এতো সহজে বশ মানে? সুতরাং ওয়ালফিয়েনোর এবার নজর পড়লো চিত্রসম্ভারের উপর। ওয়েলফিয়েনো খোঁজ করতে লাগলো একজন সঙ্গীর। কারণ যে সমস্ত বিখ্যাত ছবি চুরি করা হবে স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজন পড়বে তার নকল বানানোর। না বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে, জুটেও গিয়েছিল এক সঙ্গী। নাম তার শাদ্র। প্রথমে ছোটখাটো ছবি চুরি দিয়ে হাতেখড়ি। কিন্তু ওই যে অল্পেতে যে স্বাদ মেটে না। ছোটখাটো ছবি চুরি বেশিদিন সহ্য হলো না ওয়েলফিনেরোর। সে ঠিক করলো এবার একটা বড়ো দাঁও মারতে হবে। মারি তো গন্ডার লুটি তো ভান্ডার।

    সেইমতো সমস্ত পরিকল্পনা শোনানো হলো দীর্ঘদিনের অপরাধের ছায়াসঙ্গী শাদ্রকে। কিন্তু বিধি বাম। শাদ্র এবার সম্পূর্ণ বেঁকে বসলো। না বেশি পারিশ্রমিকের লোভে নয়, তার বেঁকে বসার কারণ ছিল ওয়ালফিয়েনো এবার প্রেমে পড়েছিলো স্বয়ং মোনালিসার। অর্থাৎ ওয়ালফিয়েনো চাইছিলেন যেন তেন প্রকারে লুভ্যার নামক বন্দীশালা থেকে সেই কুলবধুকে উদ্ধার করে আনতে। আর এত বড়ো অপরাধের ঝুঁকি নিতে রাজি ছিল না শাদ্র। তার ভয় ছিল ল্যুভার চক্রবুহ্য ভেদ করা অসম্ভব, আর তা করতে গিয়ে ওয়েলফিয়েনো যদি প্যারী পুলিশের জালে ধরা পড়ে তাহলে তার সাথে শাদ্রর দ্বীপান্তর নিশ্চিত, বিশ্ব ললিতকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ অপহরণের দায়ে।

    এবার আসা যাক ভিনসেঞ্জো পেরুগিয়ার প্রসঙ্গে। কে এই পেরুগিয়া? কি তার পরিচয়? না, পেরুগিয়া বিখ্যাত কোনো শিল্পবোদ্ধা নয়, সে ছিল গোবিয়ার কোম্পানির একজন সাধারণ কর্মচারী, তথা রংমিস্ত্রি। আবার সেই ছিল মোনালিসা অপহরন কাণ্ডের ট্র্যাজিক নায়ক। হ্যাঁ, ট্র্যাজিকই বটে, কারণ গল্পের শেষ অংশটা একেবারেই নায়কোচিত নয়, অন্তত পেরুগিয়ার ক্ষেত্রে। রংমিস্ত্রি হলে কি হবে পেরুগিয়া ছিল অসম্ভব উচ্চাকাঙ্খী। ফলে ওয়ালফিয়েনোর সঙ্গে যখন তার মোলাকাত হলো তখন পেরুগিয়াকে কিনে নিতে বেশি সময় লাগলো না ওয়ালফিয়েনোর। একটা নতুন ফোর্ড গাড়ির প্রস্তাব বোকা রংমিস্ত্রি পেরুগিয়ার জন্য নিতান্ত কম নয়।

    ১৯১১ সালের বিশে আগস্ট। সময়টা বেলা আড়াইটে। লুভ্যার মিউজিয়ামে প্রবেশ করলো তিন মূর্তি - পেরুগিয়া, মিকেল এবং লান্সিলোত্তি। লুভ্যারের অন্দরমহলে অবস্থিত একটি গুদামঘরে সারাদিন আত্মগোপন করে থাকলো এই তিনজন। পরের দিন সোমবার চুরি গেলো বিশ্ব ললিতকলার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ - লা জ্যাকোনডা। আচ্ছা পেরুগিয়া যখন মোনালিসাকে বগলদাবা করে লুভ্যারের সুরক্ষাবলয় ভেদ করে বাইরে চলে যাচ্ছিলো তখনও কি বাঙালি কুলবধুর সেই রহস্যময় হাসিটি অমলিন ছিল? উত্তর অজানা।

    এরপরের নাটকটা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইতালিতে। যদিও তার আগেই পেরুগিয়ার স্বপ্নভঙ্গ ঘটেছে। মোনালিসার ছবি চুরির পর যে অখ্যাত রংমিস্ত্রি ভেবেছিল বাকি জীবনটা কাটবে নিশ্চিন্তে সে পুনর্বার পথে এসে দাঁড়িয়েছে। এখানেই বারংবার প্রবঞ্চক ওয়ালফিয়েনোর স্বমূর্তি প্রকাশ হয়ে পড়ে। পেরুগিয়া যেদিন ছবিটি চুরি করেছিল তার আগেই ওয়ালফিয়েনো শাদ্রর সহযোগিতায় প্রায় ছটি নকল মোনালিসা এঁকে ফেলেন। সেই নকল মোনালিসা বিক্রি করা হয় আসল বলে। অর্থাৎ প্ল্যানটি পরিষ্কার। একদিকে খদ্দেররা দেখলো লুভ্যার থেকে অপহৃতা মোনালিসা অন্যদিকে শাদ্র যে নকল মোনালিসাগুলি পয়দা করেছিল সেগুলোকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে চালানো হলো আসল মোনালিসা নামে। অন্যদিকে পেরুগিয়ার কাছেই থেকে গেলো আসল মোনালিসা।যাকে সে এতদিন তুরুপের তাস ভাবছিল সেই লা জ্যাকোন্ডাকেই কোথাও বিক্রি করতে পারলো না পুলিশের ভয়ে।

    এরপর চলে যাওয়া যাক ইতালির একটি হোটেলে। ততদিনে মোনালিসাকে নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে প্যারী থেকে ইতালি এসেছে পেরুগিয়া। একই সঙ্গে তার চলছে প্রবল অর্থসংকট। না, ওয়েলফিয়েনো আর ফিরে আসে নি পেরুগিয়ার কাছে। আসল মোনালিসা বলে সে যে ছটি ছবিকে বিভিন্ন জায়গায় বেচেছিল সেই টাকা থেকেই তার জীবন কেটে যাচ্ছিলো স্বচ্ছন্দে। অন্যদিকে হতভাগ্য পেরুগিয়া ঠিক করলো ইতালির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ইতালিকেই ফিরিয়ে দেবে। অশিক্ষিত পেরুগিয়া ভাবতো মোনালিসাকে নেপোলিয়ন অপহরণ করেছে ইতালি থেকে। যা ছিল সম্পূর্ণ ভুল।ইতালি আসার আগেই পেরুগিয়া চিঠি দিয়েছিল শিল্প বিশারদ গেরিকে। মোনালিসার খবর পেয়ে উৎসাহিত গেরিও। কিন্তু হিসেবে একটু ভুল করেছিল পেরুগিয়া। গেরি সেদিন ইতালির হোটেলে হাজির হলেন সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়ে।

    এরপরের ঘটনা যথেষ্ট সংক্ষিপ্ত - পুলিশের জালে ধরা পড়লো পেরুগিয়া। হ্যাঁ, হতভাগ্য সেই রংমিস্ত্রি। যে ভেবেছিল তার দেশ ইতালিকেই ফিরিয়ে দেবে ইতালির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। জাতীয়তাবাদ যেনো পেরুগিয়ার জন্য যুপকাষ্ঠে পরিণত হলো। অবশ্য পেরুগিয়াকে ততদিনে নায়কের সম্মান দিয়ে ফেলেছে ইটালীয় জনসাধারণ। বিচারক সর্বনিম্ন বিধান দিলেন পেরুগিয়াকে। সাত মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড। ১৯১৪ সালের ২৯এ জুলাই মুক্তি পেলো পেরুগিয়া, এ যুগের অন্যতম প্রবঞ্চক।

    কিন্তু শুধুই কি প্রবঞ্চক? না, তা হয়ত নয়। প্রবঞ্চকের তকমা যদি পেতেই হয় তাহলে তো তা পাওয়া উচিত ওয়ালফিয়েনোর। যে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করেছিল পেরুগিয়াকে। আর পেরুগিয়া? দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শেষপর্যন্ত এক প্রবঞ্চক এক চোর হিসেবেই অতিবাহিত হয় তার বাকি জীবন।

    না, বিচারের সময় পেরুগিয়া ওয়ালফিয়েনোর নাম ভুলেও মুখে আনে নি। তার হয়ত ভয় ছিল ইতালির যেসব মানুষ তাকে নায়কের সম্মান দিয়েছে ওয়ালফিয়েনোর ঘটনা জানলে তারাই তাকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলবে। দু বছর চার মাস চোদ্দো দিন পর উদ্ধার হলো মোনালিসা। আশ্চর্যের কথা তার মুখে তখনও সেই রহস্যময় হাসি। যেন বলতে চাই - দেখলে কেমন খেল দেখালাম! এক প্রবঞ্চকের অন্তরালে থেকে যাওয়া অথবা এক রংমিস্ত্রির নিছক দেশপ্রেমের কোপে অপরাধী প্রমাণ হয়ে যাওয়া অথবা বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদার মূলে ছিল সেই সদা হাস্যময় নারী - লা জ্যাকোন্ডা, ওরফে, মোনালিসা।

    তথ্যসূত্র - ' প্রবঞ্চক' - নারায়ণ সান্যাল

     

  • আরও পড়ুন
    D 14/10 - Arka Goswami
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন