খোলামেলা পাখি তুমি। বন্ধ জানলা। আমাকে ভাবিয়ে তুমি, কিনে আনলা। খোলামেলা মনে আজ, ডেকে আনলা। তোমাকে শনাক্ত করি, ঘাসে আর ফুলে। জীবন বন্ধ। তবু, মেঘ নামে স্কুলে।খোলামেলা মন তুমি। রূপমুগ্ধ চুলে... আমাকে শনাক্ত ক’রে, গিয়েছ না-ব’লে—আমার তফাত নেই জলে আর স্থলে।
১৭৫৭ র ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধ হয়। সমকালে দু দুটো গিরিয়ার ( প্রথমটায় ১৭৪০ এ মুর্শিদকুলির নাতি নবাব সরফরাজ খানকে পটকে দেন আলিবর্দি আর দ্বিতীয়টায় ১৭৬৩ সালে মির কাশেমকে নির্ধারক ভাবে হারায় কোম্পানির বেঙ্গল আর্মি ) যুদ্ধের তুলনায় পলাশী নেহাৎই ছোটখাট মারামারি গোছের ছিল যাতে যুদ্ধ কৌশলের থেকে ষড়যন্ত্র আর নগদ লাভের লালসাই বড়। ষড়যন্ত্রের বলি হয়েছিলেন নবাব সিরাজ। যে ষড়যন্ত্রে ক্ষমতাশালীদের সব্বাই মিরজাফরের মতো মোঘল অভিজাত, খোজা ওয়াজেদের মতো ধনী সওদাগর,মুর্শিদকুলির আমলে ফুলেফেঁপে ওঠা হিন্দু জমিদাররা, রাষ্ট্রীয় ব্যাঙ্কার জগত শেঠরা আর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া সব্বাই সিরাজের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। সিরাজ না হয় হঠে গেলেন কিন্তু দেখা গেল লাভ ... ...
জামাই ষষ্ঠীর এই শুভ লগনে সিনেমার দিক থেকে বাঙালির প্রশংসায় পঞ্চব্যঞ্জন হওয়ার একটা ঐতিহাসিক যুক্তি আছে কারণ ভারতীয় বিভিন্ন ভাষায় প্রথম সবাক সিনেমার ফিরিস্তি দেখলে পাওয়া যাবে হিন্দিতে আলম আরা, গুজরাতিতে নৃসিংহ মেহতা, তেলুগুতে ভক্ত প্রহ্লাদ, তামিলে কালিদাস এইভাবে সবাই প্রথম সিনেমার গল্প বাছায় মোটামুটি একটা প্রবণতা দেখিয়েছে কিন্তু সেখানে কোথাও আমিই স্কচ আমিই বিরিয়ানি সুলভ খ্যাঁটনাদিখ্যেতা নেই, নেই খিল্লিমত্ততা তাই এ জিনিস সহিসংস্কৃতি নয়, ফলত বাংলার প্রথম সবাক সিনেমা মদন থিয়েটার নিবেদিত — জামাই ষষ্ঠী — এর মতো শুরুতেই জাত চেনানো সিনেমা আর হতেই পারে না এবং সেই সিনেমা প্রসঙ্গেই ধরুন যেহেতু এখন তো পালাবদলেরও রেশ আছে আর সিনেমাতে ... ...
আজ ২০ জুন ২০২৬, এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হল ব্রাসেলস থেকে হাল স্পোর্টসঃ দে ব্রেস যাওয়ার পথে। আমাদের কোম্পানির গ্রীষ্মকালীন ইন্ডোর ফুটবল প্রতিযোগিতায় রেফারি রূপে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে পরিচয় হল ইরান-এর ক্রুদিশ জনগোষ্ঠীর একজনের সাথে, নাম অবশীন, খুর্দিশ ভাষায় তার অর্থ হল জলের নিচে। ইরান-এর উত্তরপশ্চিম এর একটা ছোট্ট গ্রাম ঊর্মিয়া-তে তার জন্ম, পৃথিবীর ম্যাপে আরও সহজ করে বুঝতে গেলে, তুর্কিয়ে, আমরা সবাই যাকে তুরস্ক বলে চিনি, তার পূর্ব দিকে ইরান-এর এই গ্রাম লেক ঊর্মিয়া এর পশ্চিমে। খুর্দিশরা ইরানের সংখ্যালঘু ... ...
মহাকালের দর্পণ: ইতিহাস লিখন ও সংগ্রামের শাশ্বত সত্যবিষয় : প্রবন্ধলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ২১ জুন ২০২৬ ভূমিকা : নথিবদ্ধ সময় ও ইতিহাসের দায়বদ্ধতাসময় এক বহমান স্রোত, যা তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলে। সময়ের এই অনন্ত যাত্রাপথে যা কিছু ঘটনা, বিবর্তন বা রূপান্তর ঘটে, তা কিন্তু কালের প্রেক্ষাপটে কোনো না কোনোভাবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে। আজ আমরা যে বর্তমানকে যাপন করছি, তা-ই আগামীকাল ইতিহাসের পাতায় রূপান্তরিত হবে। এই নথিবদ্ধকরণের সবচেয়ে বড় সার্থকতা এখানেই যে, পরবর্তী প্রজন্ম একদিন জানতে পারবে এই ২০২৬ সালটি কেমন ছিল, কী ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক আলোড়ন ঘটেছিল এই সময়ে। কোনো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে হয়তো বাস্তব পরিস্থিতির ... ...
মহাকালের কালজয়ী কলম : শব্দ যখন বিপ্লবের অস্ত্রবিষয় : প্রবন্ধলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ২১ জুন ২০২৬ ভূমিকা : অক্ষরের অগ্নিবাণ ও ইতিহাসের মোড় পরিবর্তন ইতিহাসের পাতায় মহাকালের বহমান স্রোতকে যারা লেখনীর মাধ্যমে নথিবদ্ধ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই কেবল ঘটনার দর্শক ছিলেন না; বরং তাঁরা ছিলেন পরিবর্তনের অগ্রদূত। বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলার চেয়েও অনেক সময় বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কাগজের বুকে কালির আঁচড়। কোনো একটি জলন্ত প্রতিবাদের ভাষা যদি সঠিক এবং সুতীক্ষ্ণ হয়, তবে তা একটি পুরো জাতিকে জাগিয়ে তুলতে পারে। পরিবর্তন রাতারাতি আসে না, কিন্তু সমাজ বা রাষ্ট্রে আমূল পরিবর্তন আনতে হলে সেই পরিবর্তনের উপযোগী ক্ষুরধার লেখনী অপরিহার্য। বিশ্বের ... ...
পশ্চিম বঙ্গের 99% বামপন্থীরা সমাজতন্ত্র এবং সাম্যবাদের মধ্যে পার্থক্য জানে না। তাই গণতন্ত্র, সাম্যবাদ, পুঁজিবাদ, ফ্যাসিবাদ, জাতীয়তাবাদ, ও সমাজতন্ত্রকে মিলিয়ে মিশিয়ে একটা অদ্ভুৎ ধারনা তৈরি করে। যেটা ভ্রান্ত এবং বামপন্থীদের আদর্শগত প্রতিনিধিত্বের জন্যও অস্বচ্ছ। তাই অনেক সময় সাধারন মানুষের কাছে পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থা বিভ্রান্তিকর বলে মনে হয়।প্রথমেই বলে রাখি সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র, ও পুঁজিবাদ এই তিনটেই হল অর্থনৈতিক ধারনা। যেখানে গণতন্ত্র, ফ্যাসিবাদ ও জাতীয়তাবাদ কোন অর্থনৈতিক ধারনা নয়। এবার সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের পার্থক্যগুলো একটু দেখে নেওয়া যাক।সাম্যবাদ: একজন ব্যক্তি সামাজিক কাজে সাধ্য মত অংশ গ্রহণ করে। এবং তার প্রয়োজন অনুসারে সে সামাজিক সুবিধাগুলি গ্রহণ করে। যেমন কোন ব্যক্তি তার সাধ্যমত ... ...
"এক দেশ, এক নির্বাচন" পদ্ধতি হল একটি রাজনৈতিক প্রয়াস। মানে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র। খরচ কমানোর অজুহাতে দেশ সেদিকেই এগোচ্ছে। অর্থাৎ গোটা দেশ একটি রাজনৈতিক দলের শাসনাধীনে থাকবে। এতে ফেডারেল কাঠামো ভেঙে পড়বে। আসলেই এক দেশ এক নির্বাচনের মাধ্যমে ফেডারেল কাঠামোকে ভেঙে ফেলাই লক্ষ্য। তথাকথিত "ডাবল ইঞ্জিন" সরকারের মাধ্যমে সেই ফেডারেল কাঠামোকে তো ভেঙে ফেলাই হয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকারগুলো তো চলেই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশনায়। কোনো সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকার নিতে পারবে না। সত্যি যদি আমাদের দেশে "এক দেশ, এক নির্বাচন" চালু হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে যুগোস্লাভিয়া দেশটার মতো পরিণতি হতে পারে। এখন আর যুগোস্লাভিয়া দেশটির কোনো অস্তিত্ব নেই। একসময়ের যুগোস্লাভিয়ার ভূখণ্ডে বর্তমানে ... ...
অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা। রান্নায় স্বাদ হয়নি তেমন। অভিজ্ঞতা। বদলে যাবেই—মেঘপিয়ানোআকাশবাতাস, তোমারকথা। সমস্তটাই অভিজ্ঞতা। মলিনস্রোতা। Automatic backups। সবই অভিজ্ঞতা। ধর্ষক আর দস্যু ভাল। অভিজ্ঞতা। রক্ত ভাল। সময় ভাল। বন্ধু খারাপ। এবার্থেকে আলাপ কেবল দূরত্বতেই। অভিজ্ঞতা। অসীম। হঠাৎ। অভিজ্ঞতা।
শ্রমের গন্ধে ভেজা, জাতির পতাকা, আমার ছেড়া জামা।পুড়ছে, খালি পেট... বুলডোজারে ভাঙা বাসা...তোমার দিকে তাকিয়ে আছি, আমার ছেড়া জামা।খোলা আকাশের নিচে.... তোমার সবুজ প্রাণগুলো;রক্ত রঙের মাটির উপর, লাশটা পড়ে ছিলো।কালো পুঁজির... উষ্ণ মরুর... বালির খনিতে,উড়বে তুমি ডানা মেলে, আমি দেখবো দাড়িয়ে।যদিও ভেঙে গিয়েছে তুলি, তবুও আঁকবো,কত ভাঙা ঘরের ছবি......কত জীবন্ত কঙ্কাল, কত হারানো চাষের জমি।কারখানায় পোড়া মাংস আমার.....প্রিয় জন্মভূমি,তোমার প্রেমে মগ্ন আমি, আমি জানি.....একদিন তুমি উড়বে আকাশ জুড়ে, আমি দেখবো দাড়িয়ে।আমার মেয়ের শরীর যেদিন বিকোবে বাজারে!ভাঙা ছাদের ঘরে বসে, ছেড়া জামা গায়ে জড়িয়ে,সাদা পেনে কালো খাতায়, লিখবো ইতিহাস;ভালো সময়ের... কালোবাজারির... বাজার ইতিহাস। ... ...
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে, ইতিহাস-সচেতন সমাজবিজ্ঞানীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একচেটিয়া ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। প্রথমত, প্রযুক্তিগতভাবে এত উন্নত ও আধুনিক যুগেও ধর্মীয় মৌলবাদের টিকে থাকার উপাদানগুলো কী, তা আমাদের বিস্মিত করে। সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার মধ্যে কি কোনো ধরনের একমুখী সমীকরণ রয়েছে? ভারতীয় বিকল্প ধর্মনিরপেক্ষতার মূল ধারণাটি ঠিক কী? কীভাবে একটি মৌলবাদী চিন্তাভাবনা জাতীয়তাবাদী চেতনার সাথে মিশে যায়? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির স্তরবিন্যাস এবং আর্থ-সামাজিক কাঠামোর মধ্যে।এখানে আরেকটি বিষয় বোঝা দরকার—এই সার্বিক পরিস্থিতি থেকে দক্ষিণপন্থী রাজনীতি ফায়দা তুলছে এবং অর্থনৈতিক মুনাফার বড় অংশটি চলে যাচ্ছে তাদেরই পছন্দের কিছু পুঁজিপতিদের পকেটে। ... ...
যদিও বা আজ.....চাঁদ তুমি আসোনি,তোমার কবরের উপর বেড়ে ওঠা শহরেএসে দেখে যেয়ো.....আমি এখনো বেচে আছি।আমি এখনো জেগে আছিআমি রাত জাগতে চেয়েছি,হয়ত তোমার শরীরেরই টানে;আমি এখনোতোমার কবরটা খুজে চলেছি।যদি এক রাতের.....স্বপ্নে তুমি ফিরতে,এ পোড়া শহরেরকোন এক অন্ধকার গলিতে,আমিও আসতাম।আমার এই খুনি হাতটায়,তোমার যৌবন, আবার চাইতাম,তুমি বুক পেতে দিতে।তারপরএকটা দমকা ঝোড়ো হাওয়া।আমি তোমার সর্বনাশ চাইছি,আর তুমিও আমার।কিন্তু তুমি ভুলে গেছিলেআমার দুটো বিষ দাঁত আছে।আর কিছুক্ষনের মধ্যেইতোমার স্বপ্নগুলো চুরমার হয়ে,আমার তুলির রঙ হতে পারে।ঐ ঘৃণায় ভরা চোখ দুটোদেওয়ালে সাজানো ছবি।তুমি ব্যাগ থেকে ছুরিটা বের করার আগেইআমি আমার দাঁত দিয়ে,তোমার জীবনটা ছিড়ে খেতে পারি।আমি ক্ষুধার্ত।তাই এখনো জেগে আছি।তোমার রঙিন ডানাকেআমি যৌবনের কালো ধোঁয়া বানিয়েছি,আর ... ...
আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে আছি।তোমার ঐ কৃষ্ণ করাল, আমাকে গ্রাস করছে।দুজনের পেটেই খিদে।এই কি বিপ্লব?! ফরাসী বিপ্লব!!সারি সারি দেওয়াল, তাতে লাল লাল দাগ।মুচকি হেসে এখনো বলো? কোথায় বিপ্লব!!
২০ জুন নাকি পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিন। এটা দাবি করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বলা হয়, এটা শুধু একটি তারিখ নয়, পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব রক্ষার ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অক্লান্ত সংগ্রামের ফলেই নাকি বাঙালি হিন্দুরা পেয়েছিল একটি নিরাপদ আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ।প্রকৃত সত্যটা কী? গোয়েবলসের কায়দায় বারবার মিথ্যাকে সত্যি করার যে প্রয়াস, তাকে একটু খুঁচিয়ে দেখা দরকার। খুঁচতে গেলে ইতিহাস খুঁচতে হবে। দ্বিজাতিতত্ত্বের ধুয়ো তুলে যখন ভারত উপমহাদেশকে খণ্ডিত করার পরিকল্পনা নিচ্ছিল বড়ো বড়ো মাথাওয়ালা নেতাগণ, তখন ব্রিটিশ শাসকদের পক্ষ থেকে তিনটি প্রস্তাব পেশ করা হয়। তার মধ্যে একটা হল অখণ্ড স্বাধীন বাংলা প্রদেশ। শুরুতেই এই দাবি খুবই জনপ্রিয় ... ...
'বিশ্বের উদ্ধৃতি সংকলন ও সম্পাদক রণজিৎ বিশ্বাসের বিপ্লব বাঙালি সংস্কৃতির সাধারণ নিয়ম হলো—যাবতীয় বড় প্রকাশনা, সাহিত্য আন্দোলন কিংবা বৌদ্ধিক জোয়ার কলকাতা মহানগরী থেকে তৈরি হয়ে গ্রামবাংলার দিকে ধাবিত হয়। কিন্তু সেই চেনা স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক অভূতপূর্ব নজির সৃষ্টি করলেন নদীয়া জেলার বগুলা গ্রামের কৃতি সন্তান, 'নতুন শতাব্দীর' পত্রিকার সুযোগ্য সম্পাদক **রণজিৎ বিশ্বাস**। তাঁর একক নিষ্ঠা ও পরিশ্রমে গ্রামবাংলায় বসে যে বিশ্বমানের আকর গ্রন্থ তৈরি হলো, তা আজ কলকাতার খাস দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বগুলার মাটি থেকে জন্ম নেওয়া এই সাহিত্য-বিপ্লব সমগ্র বাঙালি জাতিকে আজ প্রশংসায় পঞ্চমুখ করেছে। গ্রন্থ পরিচিতি: বিশ্বের উদ্ধৃতি সংকলন (এক মহাকাব্যিক আকর গ্রন্থ)** “১৯ জুন ২০২৬” তারিখে কলকাতার ... ...
খাবে আর হাগবে আর প’ড়ে প’ড়ে ঘুমোবে— এমন মেয়েকে আমি বউ হিসেবে চাই না আমার। আমি শুধু তেমন মেয়েরই স্বপ্ন দেখি, যে স্বনির্ভর। যে সকাল সকাল অফিসে বেরিয়ে যাবে। আর রাতে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলবে— ‘একটু আদর কর আমাকে... অনেকক্ষণ অনাদরে আছি...’ আমিও চাই, কোনও মেয়ে তেমন স্বামীর স্বপ্ন দেখুক, যে সকাল সকাল অফিস বা কবিতা সংক্রান্ত কোনও কাজে অনেকদূরে বেরিয়ে পড়বে। রাতে যখন বাড়ি ফিরে আসবে, তখন যেন দেখতে পায়, বউ খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে প’ড়েছে। স্বামীর কাছে যে আদর চেয়েছিল, তা স্বামী দিতে পারেনি। স্বামীর খাবার স্বামী নিজেই বেড়ে যেন খেয়ে নিতে পারে। বউয়ের সকালে অফিস। স্বামীর আরেকটু পরে। এইভাবে তো সম্পর্ক থাকতে পারে ... ...
সৌগত রায় বাদে এখনো পর্যন্ত যেসব তৃণমূল নেতারা বিজেপির চাড্ডি চাটতে গেছে, তারা হয় প্রত্যেকে জামিনে মুক্ত, নয় ক্যামেরায় টাকা নিতে দেখা গেছে। ক্যামেরায় টাকা নিতে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে একজন হল ফিরহাদ হাকিম। যিনি এই মুহূর্তে পিএসসির চেয়ারম্যান। ক্যামেরাবন্দি নিষ্পাপরা এখন সবাই বিজেপির কারাগারে বন্দি। কেউ মুখ্যমন্ত্রী তো কেউ অন্য মন্ত্রী। এটাই গণতন্ত্রের বিকাশ। সবকা সাথ। তবে গাটস আছে কুনাল ঘোষ, মদন মিত্রদের! কে জানে কবে কী হয়! ... ...