তিলোত্তমা মহানগরী বারে বারেই তার রূপ বৈচিত্রে ভারতবর্ষের অন্য শহর গুলোর থেকে স্বতন্ত্র। আর তিলোত্তমার গর্বের মুকুটে শুধু ভিক্টোরিয়া বা হাওড়া ব্রিজ নয়, মহানগরের ট্রাম ও এই শহরের এক অন্যতম আকর্ষণ। ইতিহাস ও আধুনিকতার মিশেলে এ এক অনবদ্য উপস্থাপনা। ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড কার্জনের প্রচেষ্টায় এশিয়ার প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম চালু হয় ১৮৭৩ এর ২৪ শে ফেব্রুয়ারি আর্মেনিয়ান ঘাট থেকে শিয়ালদহ অবধি, যদিও পরিকল্পনার অভাবে সেই বছর ২০ শে নভেম্বর তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর একটি লন্ডন কোম্পানির পরিকল্পনায় ও ভাইসরয় লর্ড রিপনের প্রচেষ্টায় পুনরায় আর্মেনিয়ান ঘাট থেকে শিয়ালদহ অবধি ঘোড়ায় টানা ট্রাম চালু হয় ২২ শে ... ...
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।” প্রথম ভাগের ছড়া ভোলা কঠিন, অথচ হাবভাব দেখে মনে হয়না, কেউ মনে রেখেছেন! আদৌ ছড়াটি পড়েছেন বা কানে গেছে কোনো দিন, তাও ধরে নিতে কষ্ট হয়, এ কোন সকাল দেখছি আমরা?
বিবাহের বয়স অথবা পিডোফিলিক সমাজ। গৌরীদান ও শিবঠাকুরের আপন দেশে। দীপঙ্কর খবরের কাগজ মানেই দুঃসংবাদ। ভালো খবর টবর বিশেষ থাকে টাকে না। তিন বছর ছ বছর আট বছর কোনও শিশুও ছাড় পায় না। শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন হলে প্রথম পাতায় সম্ভব হলে সচিত্র খবর হয়। যতদূর আকর্ষণীয় আর উত্তেজক করা যায় আর কি ! শিশুধর্ষণ এক ভয়ঙ্কর বিকৃতির প্রমাণ। এটা কে পিডোফিলিয়া বলে অর্থাৎ কিনা যৌবনোদ্গমের আগের শিশুদের ধর্ষণের ইচ্ছা। একে ঘেন্না করুন। মনে হয় ধর্ষককে সামনে পেলে তার শিশ্নটা কাঁচি দিয়ে কেটে দিই। ... ...
১ক্রান্তীয় সমুদ্রবীচে দাঁড়িয়ে দেখি ভাঙাদরজার পাল্লায় হাত-রেখেসাদা বিধবাদের কঙ্কাল থেকে ঝরা চুনআর ফসফেট-গুঁড়ো —চাঁদ ক্রমে অজানা উড়ন্ত বস্তুর মতোবিবর্ণ নষ্ট হয়ে গ্যালো।আইসক্রিম স্টলগুলি ছাতা মেলেঅপরিবর্তিতভাবেচলে গেল হাইওয়ের দিকে;কার্তেজীয় তল ছেড়ে আভাঁগার্দ লেখকেরাক্রমশ পরিদৃশ্যমান।সবুজ সাইনবোর্ডে লেখা: সাবধান!ভিয়েনার পুরোনো গলিতেঅমুক মেটামডার্নিস্ট এখন নিকেলের ঘড়িবেচে খায়। ২অন্ধকার হলওয়ের মাথায় দাঁড়িয়ে দেখিদৈর্ঘ্যের শেষপ্রান্তেএকটা অ্যালুমিনিয়াম দরজা।সামান্য আলো ছিটকে আসছেদৃশ্য-বর্ণালীর ভেতর,সাটিনের পর্দাগুলি মৃদু হাওয়ায় সঞ্চারণশীল —মৃত্যু সম্পর্কে এই পর্যন্ত: জেগে উঠি বেডে;মনে পড়েনা কেন হাসপাতালে এসেছি,বিশেষত মধ্যরাতেযখন ফোঁটা-ফোঁটা স্যালাইনসময়ের হিসেব রাখছেআর ব্যাকইয়ার্ডে তিনটে অ্যাম্বুলেন্সমুখোমুখি স্থির।আলো নেভানোর পরেকোনো নন-ইউক্লিডিয়ান স্পেসেঢুকে যাচ্ছে স্বপ্নেরা: প্রেইরীর কুকুর,নদীতীরে তাঁবু আর ছাইরঙা নুড়ি;দূরে এক মহিলা জিওলজিস্ট হাঁটুগেড়েপরীক্ষা করছেন পাথরের রীতি। ৩বন্ধ কারখানার ভেতর দাঁড়িয়ে ... ...
আদর্শ ধুয়ে মুছেরাজনীতি করি ভাই,রাজ্য কে লোটা শেষ....এবার দেশকে লুটব তাই। ।
শুভেন্দু অধিকারী আজ একটি ইন্টারেস্টিং কথা বলেছেন- তিনি আগে যে দল করতেন সেইটা নিষ্ঠার সঙ্গে করতেন বলে তখন বিজেপি হঠাও স্লোগান দিয়েছিলেন। আজ থেকে যে দল করবেন, সেটিও নিষ্ঠার সঙ্গে করবেন বলে তোলাবাজ ভাইপো হঠাও স্লোগান দিলেন। অর্থাৎ, দলের প্রয়োজনে যা দরকার, দল যে কাজ দেবে সেটা পেশাদারি দক্ষতায় করবেন। নিষ্ঠা, দক্ষতা দিয়ে দলের কাজ করা আসল। কিন্তু, কী কাজ করছেন সেইটি কি নয়? একবছর আগে সি এ এ বাতিল করো, এন আর সি বাতিল করো বলতেন, নিষ্ঠার সঙ্গে বলতেন, এমনভাবে বলতেন যে তাঁর স্লোগান শুনে নিজেদের কর্মীরা উদবুদ্ধ হবে, পথচলতি মানুষ নিজের অবস্থান পালটে ফেলবেন। আজ তিনি সেইভাবেই এন ... ...
আমার আর এলগিন রোডের সম্পর্কটা দিনদিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। পথ চলতে গিয়ে এক টুকরো ঘটনা থেকেও আমি একটা গোটা গল্প খুঁজে পাই। আর যেরকম ভাবে ভাবা যায়, সেইভাবে লেখাটা বড় মুশকিল। তাই শব্দের প্যাচে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটা ছোট্ট ঘটনাকে গল্পের রুপ দেওয়াটাই আমাদের কাজ। আজ সকালে বাস থেকে নেমে অফিসের দিকে রওনা দিয়েছি। মাথায় হুডির টুপি হাত জোড়া জ্যাকেটের ভিতর। বেশ জোড়ে জোড়েই হাঁটছি। জোড়ে হাঁটলে শরীর টা একটু গরম হবে। বেশ ঠান্ডা পড়েছে আজ শহরে। রাস্তার ফুটপাতের সেই হ্যান্ডসাম চা-ওয়ালা তখন সবে দোকান খুলছে। পাশে দুজন ভদ্রলোক তার স্পেশাল চা খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে কাঁপছে। হোটেলের কাকিমার আলু, বেগুন আর সম্ভবত মূলো ... ...
শীতকাল এলেই বেশ চার্চে যাওয়ার জন্য মন কেমন করে, কিন্তু ভিড় আমার না পসন্দ আর সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল এর বাইরে কোথাও যাওয়ার ফন্দি করছিলাম। উপায় বাতলে দিলেন পিতৃদেব - বললেন যাও সেন্ট জনস চার্চ ঘুরে এসো। আমিও ক্যামেরা সঙ্গী করে বেরিয়ে পড়লাম আর অফিস কেটে চলে এলাম হেস্টিং স্ট্রিট ও কাউন্সিল স্ট্রিট এর সংযোগ স্থলে সেন্ট জনস চার্চে। রাস্তার পাশেই প্রবেশদ্বার, আর প্রবেশ মূল্য ও খুব সামান্য। ভিতরে ঢুকে কি দেখব ভাবছি এমন সময় আলাপ হল বৃদ্ধা অনিতা গোমস এর সাথে, তিনিই ঘুরিয়ে দেখালেন সবকিছু বোঝালেন কলকাতার বৃহত্তম বা প্রাচীনতম না হয়েও কোথায় এই যীশু ... ...
আপনি কি দেশপ্রেমী? -- লিখেছেন Rajkumar RaychaudhuriRajkumar Raychaudhuri আপনি দেশপ্রমী না সিপিএম? পুরোটা পড়ুন
আপনি কি আঁতেল? -- লিখেছেন Rajkumar RaychaudhuriRajkumar Raychaudhuri আঁতেল হতে পারলেননা। তাঁর পড়ার উপযুক্ত বইঃ বার্লিনে প্রেম বনে রোদন পুরোটা পড়ুন
খবর এইরকম যে মারাদোনার মরদেহ যেমন আছে তেমনিই থাকবে। পোড়ানো বা সমাহিত করা, কোনটাই ঘটবে না। অন্তত এখন নয়। কারণটা অত্যন্ত কেলেঙ্কারিয়াস। মৃত্যুর আগেই জনা পাঁচেকের ( আরো বেশি হতে পারে) পিতৃত্ব স্বীকার করে নিয়েছিলেন। এখন মৃত্যুর পর আরো পাঁচ/ছ' জন তাকে পিতা বলে দাবী করছে। বিপুল সম্পত্তির লেজুড়ও যোগ হয়েছে এর সঙ্গে। ফলে যখন তখন ডি এন এ টেস্ট করতে হতে পারে। তাই মৃতদেহ সংরক্ষণ। মারাদোনা বিগত হবার পর ফেসবুকে যে শোক দেখেছি তার কোনো তুলনা হয় না। ছবির পর ছবি, লেখার পর লেখা। তার অনেকগুলোই মনে রাখবার মতো। আমিও মারাদোনামুগ্ধ। তার চরিত্রহনন আমার অভীষ্ট নয়। আমার জিজ্ঞাস্য মরে গেলেই কি ... ...
রোল নিয়ে বাঙালির প্রেমের শেষ নেই। কলেজ পড়ুয়া প্রেমিক, অফিসে বসে কাছে ঝাড় খাওয়া সেলসম্যান থেকে কোচিং এর কিপটে ম্যাথের টিচার সবার ই সস্তায় পুষ্টি খেয়ে সন্তুষ্টি হল রোল, বাজেট একটু বেশি থাকলে চিকেন নাহলে ডিমেই সই ...তেমন ই এক বিখ্যাত রোলের মন্দির হল কলকাতার নিউ মার্কেট এরিয়ার নিজাম। *নিজামের কাঠি রোল*মুচমুচে পরোটার ভিতরে তুলতুলে চিকেন কাবাব, পেঁয়াজ স্লাইস আর হাল্কা লেবুর রস দিয়ে মুড়িয়ে খালি মুখে তোলার অপেক্ষা ... আর পকেটেও পড়বেনা টান, অক্ষুন্ন রোলের মান কলকাতার রোল প্রেমীদের স্বর্গরাজ্য ... ... ...
সুহৃদ,গুরু-ভাইবোন, বন্ধুরা, এককালীনও মাসিক সাবস্ক্রাইব করতে পাঠকদের নগদে নিবন্ধন করে গুরু’র বইপত্র তো আছেই এছাড়া নানান পরিসেবা গ্রহণের উদ্যোগটির জন্য আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন। বিশেষ করে গুরু’র পরিকল্পনা ও পরিচালনা সদস্যদের দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সবচেয়ে বড় কথা, বাংলার পুস্তক প্রকাশনা, বিপণনে ব্যবসাটি দীর্ঘদিন থেকেই বড় পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে "বাজারে আনন্দ" লাভের মধূ খেয়ে যাচ্ছে। এদের মতো আরো অনেক সংস্থার পুঁজির দাপটে প্রকাশনা নিয়ন্ত্রণ করে। আর বিজ্ঞাপন হতে তো এদের লাভের ভান্ডারকে স্ফীত করছে। কিন্তু আজকের দুনিয়ায় তথ্য প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি ও তথ্যের অবাধ আদান-প্রদান বিস্তার, ক্রমশ এই নব প্রযুক্তিকে দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহারের ফলে, পত্র-পত্রিকা ও পুস্তক প্রকাশনার মোড়লদের একচেটিয়া মূনাফার বাজার আজ ... ...
সুহৃদ,গুরু-ভাইবোন, বন্ধুরা, এককালীনও মাসিক সাবস্ক্রাইব করতে পাঠকদের নগদে নিবন্ধন করে গুরু’র বইপত্র তো আছেই এছাড়া নানান পরিসেবা গ্রহণের উদ্যোগটির জন্য আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন। বিশেষ করে গুরু’র পরিকল্পনা ও পরিচালনা সদস্যদের দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সবচেয়ে বড় কথা, বাংলার পুস্তক প্রকাশনা, বিপণনে ব্যবসাটি দীর্ঘদিন থেকেই বড় পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে "বাজারে আনন্দ" লাভের মধূ খেয়ে যাচ্ছে। এদের মতো আরো অনেক সংস্থার পুঁজির দাপটে প্রকাশনা নিয়ন্ত্রণ করে। আর বিজ্ঞাপন হতে তো এদের লাভের ভান্ডারকে স্ফীত করছে। কিন্তু আজকের দুনিয়ায় তথ্য প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি ও তথ্যের অবাধ আদান-প্রদান বিস্তার, ক্রমশ এই নব প্রযুক্তিকে দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহারের ফলে, পত্র-পত্রিকা ও পুস্তক প্রকাশনার মোড়লদের একচেটিয়া মূনাফার বাজার আজ ... ...
ডিসেম্বর ডুবু ডুবু, সামনে জানুয়ারি। বিষে বিষে বিশ ক্ষয়, ওই দেখো আসছে একুশে! অতিমারির বছর ঘুরলো সর্বশেষে, বছর ঘুরলো গেরস্তের, যা সর্বনেশে!সব খারাপ জিনিসেরই আড়ালে একটা ভালো দিক আছে। অতিমারিই বা বাদ যায় কেন ? এই যেমন বাড়িতে অতিথি আসা যাওয়া বন্ধ। গৃহস্বামী খরচের হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন অতি সহজেই। চক্ষুলজ্জার কোনো বালাই নেই। গৃহিনীও শান্ত। ছেলে-মেয়েরাও সুবোধ বালক বালিকা। এটাও মন্দের ভালো নয়? বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই নতুন ক্লাসে উঠে গেল সবাই। সেও তো অতিমারি হেতু। এজন্য সবাই খুশি। সামনে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। টেস্ট ছাড়াই পরীক্ষা হলে ঢোকার সুযোগ - এও বা কম কি?সব খারাপ অবস্থার পিছনে একটা ভাল ... ...
তুমি যতই সরে সরে যাও কিংবা ছদ্মবেশ নাও / চারিপাশে চক্রব্যূহ অতন্দ্র প্রহরী সাজাও