
একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই। সহজ ও সোজা একটা কথা। কিন্তু এই সহজ ও সোজা কথাটার মাঝে অনেক কিছুই লুকিয়ে আছে। লুকিয়ে আছে জাতি হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় গৌরব কে অবহেলায় ফেলে রাখার লজ্জা, আছে জাতি হিসেবে আমরা কতখানি নির্বোধ তার পরিচয়, এর মধ্যেই আছে রক্তের দামে কেনা স্বাধীনতার বর্তমান অবস্থা।বিশ্বের বড় বড় গণহত্যার থেকে কোন অংশে কম হয়নি একাত্তর সালে এই বাংলায়। নয় মাসে ত্রিশ লক্ষ মানুষ কে মেরে ফেলা।এত অল্প সময়ে এত সংখ্যক মানুষ কে মেরে ফেলা, এমন নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই আর। সংখ্যাট ... ...

ওই মালতীলতা দোলেশামিম আহমেদপিয়ালতরুর কোলে ১কারবালার ময়দানে বনবন করে লাঠি ঘোরাচ্ছিল নুর আলম কলবলি। গায়ে তার ফুলতোলা স্যান্ডো গেঞ্জি আর লাল রঙের হাফ প্যান্ট। গেঞ্জিতে সবুজ সুতো দিয়ে আঁকা পাঞ্জাতন। পাঞ্জাতনের প্রসঙ্গ এলেই দু চোখ জলে ভিজে যায় নুর আলম কলবলির। নবিজি, হজরত আলি, নবিকন্যা মা ফতিমা, আলি-ফতিমার দুই ছেলে—হাসান আর হোসেন হলেন পাঞ্জাতন। নবিজিকে গোস্তের মধ্যে বিষ মাখিয়ে খাইয়েছিল কোনও এক প্রৌঢ়া নারী, নমাজ পড়া অবস্থায় বিষ মাখানো তরবারি নিয়ে আলিকে হত্যা করে এক খারিজি, ... ...

(‘নিপীড়িতের শিক্ষাবিজ্ঞান’ বইটির ভূমিকা লিখেছিলাম। সেই ভূমিকার নতুন রূপ এই লেখা। আমার ব্যাখ্যা যে সঠিক হবেই, তার মানে নেই। অন্য কেউ অন্য ভাবে ব্যাখ্যা দিতেই পারেন। আলোচনা কথোপকথন যত হবে, ততই ভালো। বিভিন্ন শব্দের বিস্তারিত আলোচনা আগামী দিনে করার ইচ্ছে রইল। এই লেখাটি এই মাসেই 'দুর্বার ভাবনা'-তে ছাপা হবে।আমার অনুনয়, আসুন তর্ক জুড়ি।)কোথায় যাবো আমরা আজকের এই নারকীয় পরিস্থিতিতে? সারা দেশের প্রতিটি “সূচ্যগ্র মেদিনী”তেই জারি রয়েছে নরক, রয়েছে শিশুঘাতী নারীঘাতী বিভৎসা। ধিক্কার হানতে পারেন এ ... ...

কখনও একসাথে কয়েকটি কাজ করার চেষ্টা করে দেখেছেন? কেমন লাগে এভাবে কয়েকটা কাজ একসাথে করতে? গোলমাল লাগে? নাকি লাগে না?একসাথে কয়েকটা কাজ করাকে বলা হয় "মাল্টিটাস্কিং", আর কাজ করতে গিয়ে যে গোলমাল লাগে, গবেষকগণ তাকে বলছেন "ইন্টারফিয়ারেন্স"। কিন্তু গবেষকগণ হঠাৎ করে এই ব্যাপারগুলোর এরকম নামকরণ করতে গেলেন কেন? এটা নিয়ে কোন কাজ হয়েছে কী? হুম হয়েছে বৈ কি... গত বছরেই এটা নিয়ে একটা পেপার দেখেছিলাম। সেদিন একজনের সাথে কথা হল, বললেন তিনি নাকি সবসময় মাল্টিটাস্কিং করেন, এটা নাকি তার বদ অভ্যাস। আমি বললাম, ... ...

রামায়ন ও ইন্টারনেট (পর্ব ১) টেনিদা একটু গলাটা ঝেড়ে নিয়ে বলল, বুঝলি সেকালেও ফেসবুক, ইন্টারনেট ছিল। ক্যাবলা চাপাস্বরে বলল, ওই শুরু হল ঢপের চপ। টেনিদা হুংকার ছেড়ে বলল, "এ্যাই ক্যাবলা কি বললি রা?" ক্যাবলা তাড়াতাড়ি সামলে নিয়ে বলল, "আমি না, প্যালা বলছিল, আসার সময় দেখে এসেছে কালিকায় চপ ভাজছে। তাই বলছিলাম, একটু চপ টপ হলে এই বৃষ্টিতে ভালো হত।"আমি সবে প্রতিবাদ করতে যাব, এমন সময় টেনিদা উদাস গলায় বলল, "নাহ্ চপ আর খাবো না। বরং নগেনের দোকান থেকে একটু পকোড়া নি ... ...

কয়েকটি পলিটিক্যাল প্যারডি1. কখনো বদল আসে, সময় মুচকি হাসে,চারিদিকে সব কিছু সাজানো ঘটনা,দেখব না ভুলগুলো, কানেতে অহং তুলো,শুনব না আমি কোনও সম-আলোচনা।পার্ক স্ট্রীট-কামদুনি, গুন্ডা-মাফিয়া-খুনি,ছাড়া পায়, ধরা পড়ে শিলা-মৌসুমি,চোপ! চোপ! চিৎকার, বেয়াদব কোথাকার,প্রশ্ন করলে জানি মাওবাদী তুমি। সন্ধ্যে নিবিড় হতে, বারোভুতে লুটেপুটেছিঁড়ে খাক, তা হলেও মুখ খোলা মানা,পুলিশ আজ্ঞাবহ, জীবন যে দুঃসহ,ফেসবুকে পোস্টালে হবে জরিমানা,চারিদিক ... ...

ছোটবেলা থেকেই হিন্দু বাড়ির অন্দরমহলে সহজেই ঢুকে যেতাম। বেশি ছোট বেলায় কেউ কিছু মনে করছে কিনা তা বুঝতেই পারতাম না। একটু বড় হলে বুঝতে পারি আমার হুট হাট করে বাড়ির মধ্যে ঢুকে যাওয়াতে হয়ত উনাদের সমস্যা হচ্ছে। ভুলে খেয়ে ফেলতাম যা মনে হত তা। আবার আরেকদিন বেমক্কা গিয়ে হাজির হতাম। প্রশ্রয় ছিল বেশ ভাল ভাবেই, আর তাই আমার যা ইচ্ছা তা বা যখন ইচ্ছা তখন হুট করে কারো বাড়িতে হাজির হতে বিন্দুমাত্র ভাবতে হয়নি। আমার বাড়ির অগ্রজদের দেখতাম হিন্দুদের মত করেই মুরুব্বীদের মাসি, পিসি বলে ডাকতে। আমি সেসব ঝেড়ে ফে ... ...

'পত্থলগড়ি'ঝুমা সমাদ্দার।রাঁচী থেকে তার পড়শী জেলা খুঁটির দূরত্ব ৩১ কিলোমিটার। পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা গ্রামে মুণ্ডা সম্প্রদায়ের মানুষের বাস।এ সব পাহাড়-জঙ্গুলে জায়গায় গ্রামের সাধারণ আদিবাসী মানুষ যেমন হয়ে থাকেন, এঁরাও তার ব্যতিক্রম নন, সহজ, সরল, নির্বিরোধী।'পত্থলগড়ি' এখানকার বহু প্রাচীন প্রথা। কারও মৃত্যু কিম্বা গ্রামের সীমানা নির্দেশ অথবা বিশেষ কোনো ঘটনাকে মনে রাখার জন্য একটি বড় পাথরে বক্তব্য খোদাই করে বিশেষ বিশেষ স্থানে খাড়া করে রেখে দেওয়া হয়।মাস কয়েক ধরে ... ...

“এমন সময় তাহার দিদি দুর্গা উঠানের কাঁঠাল তলা হইতে ডাকিল-অপু-ও অপু। সে এতক্ষণ বাড়ি ছিল না, কোথা হইতে এইমাত্র আসিল। তাহার স্বর একটু সতর্কতামিশ্রিত। মানুষের গলার আওয়াজ পাইয়া অপু কলের পতুলের মতো লক্ষ্মীর চুপড়ির কড়িগুলি তাড়াতাড়ি লুকাইয়া ফেলিল। পরে বলিল-কি রে দিদি? দুর্গা হাত নাড়াইয়া ডাকিল-আয় এদিকে-শোন-। দুর্গার বয়স দশ এগারো বৎসর হইল। গড়ন পাতলা পাতলা, রং অপুর মতো অতটা ফরসা নয়, চাপা। হাতে কাচের চুড়ি, পরনে ময়লা কাপড়, মাথার চুল রুক্ষ-বাতাসে উড়িতেছে, মুখের গড়ন মন্দ নয়, অপুর মতো চোখ গুলি বেশ ডাগর ডাগর। অপ ... ...

দেখে এলাম। "সঞ্জু"। প্রত্যাশামত বলতেই পারি, কারণ আমার রাজকুমার হিরাণীর সব ছবিই অতিসরলীকৃত লাগে। এ ছবি সে ব্যাপারে যারে কয় G.O.A.T. মানে সেরার সেরা আরকি!প্রচুর প্রশ্ন নিয়ে থিয়েটার থেকে ফিরলাম। সুনীল দত্ত কি ভগবান ছিলেন? দোষে গুণে মানুষ হতে শুনেছি, এতো বাবা বাবা নয়, আইডিয়াল নিশ্চয়। নার্গিসের যেকটি সিনেমা দেখেছি তাতে অতি অভিনয় চোখে লাগেনি, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে এরকম মেলোড্রামাটিক ছিলেন? সঞ্জয় দত্ত এর বড় হওয়া টওয়া তো শুনলাম হস্টেলে। মানে সিনেমায় তাই বলল। তা সেকি যথেষ্ট পালিশওয়ালা স্কুল নয়? ... ...

শেফালী দেসরা, সীমা মারান্ডি, পূর্নিমা টুডু কোন বহু আলোচিত নাম নয়। কিন্তু সংবাদপত্রের পাতায় এই উপজাতি মেয়েগুলির নাম থাকা উচিত ছিলো, ওদের সাফল্যের নিরিখে। বীরভূম জেলার রাজনগর ব্লকের মাদারপুর গ্রামটি উপজাতি অধ্যুষিত, দারিদ্র্য আর অশিক্ষার আঁধারে মোড়া। সেই প্রত্যন্ত পিছিয়ে পড়া গ্রামটির প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া হিসেবে শেফালী, সীমা আর পূর্নিমার সাফল্যের সঙ্গে প্রথমবারেই মাধ্যমিকের গন্ডী পার করা নিঃসন্দেহে একটি মাইলস্টোন আর এই সাফল্যের দোড়গোড়ায় ওদের পৌঁছে দিতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছে শ্রীজা ইন্ডিয়া ... ...

নামের সুতোয় ঈপ্সিতার লেখা পড়ে নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না।( )আমার নিজের নাম নিয়ে চিরকাল আমার দুঃখ। আমার অনেক মেয়েলি নামও ছিলো। শক্তিও আদতে মেয়েরই নাম হওয়ার কথা, ছেলেরা হবে শক্তি পদ বা শক্তি ব্রত। স্ত্রী -দেবীরা ই তো শক্তি। তা, ছেলেদের দাবীর কি সীমা আছে? বড় রুমাল, বড় ছাতা, সুবিধা জনক হাফপ্যান্ট সব ওঁদের দখলে। শক্তি নামে আবার বিখ্যাত কবি, শক্তিপদ রাজগুরুর মত ... ...

সত্তরের শেষে বা আশির দশকের প্রথম দিকে, যখন-ও পর্যন্ত আনন্দবাজারের কভার পেজে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের ময়দানি গুঁতোগুঁতি আর ব্যাকপেজে আর্জেন্টিনা বা ইতালির বিশ্বকাপ জয় ছাপা হতো, প্রণয় রায়ের 'ওয়ার্ল্ড দিস উইক' চায়ের দোকানের মাতব্বর খোকন-দা কে পেরেস্ত্রৈকার বোদ্ধা করে তোলে নি তখন-ও পর্যন্ত, সেই সময় আমার মতো একনিষ্ঠ খুদে বাঙালের ইস্টবেঙ্গলের উয়াড়ির কাছে এক গোলে হেরে যাওয়া কে শ্মশানে-র হাহাকার মনে হতো। সেটাকেই বলে সমর্থন ... ...

"জল দাও। জলদি জল দাও।" এক গ্লাস ভর্তি জল এগিয়ে দিতেই নি:শ্বেসে শেষ করে ফেলল সুজন। তারপর ঘাড় হেলিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকল। হেসে ফেলে বললাম, " গেছে তো? এবারেও?"। ধপাস করে বিছানায় শুয়ে পড়তে পড়তে বলল, "কতবার বলেছি, আমাকে যেতে বোলো না। আমার দ্বারা হয় না। আমি খুব একটা কম রোজগার তো করি না। চাকরী কেন করতে হবে? দিনকাল।বদলেছে, ফ্রীল্যান্স করে তো ইচ্ছেমত বাঁচা যায়। তুমি তো করছো চাকরী।কেন যে জোর করো!"আমি হেসে বললাম, " আমি ই কি সব নাকি? তোমার মা চান এইটুকু তুমি করো। আমার সাথে থাকো বলে এ ... ...

আমার বন্ধু উমা কথাবার্তায় খুব চৌকশ, দেখতে সুন্দর, আর খুব হাসিখুশী। ও একটা লিটল ম্যাগাজিন চালাতো। সেই সুবাদে পরিচয়। একদিন ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দূর্গা পূজার মেলায় উমাকে দেখি এক যুবকের হাত ধরে ঘুরতে। ও আমাকে দেখে ডেকে নিয়ে পরিচয় করিয়ে দেয়। বলেন, আমার বন্ধু, পেশায় লেখক। আমি ভাবলাম, দুজনেরই যখন লেখালেখির প্রতি এতো ঝোঁক, তাহলে ওদের মানাবে ভালই। উমার লেখক বন্ধু চাপ দাড়িতে সুদর্শন। ... ...

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নেমেছে। অবশ্য ধোঁয়াশার দৌলতে আজকাল সবসময়ই ছায়া ছায়া। তাতে কিই বা আসে যায়! সকালে দশটার মধ্যে অফিসে ঢুকে যাওয়া, আর বেরোতে বেরোতে সেই সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা, আটটা। এর মাঝে বিকেল আসে যায় নিজের খেয়ালে। পাঁচটা বাজতে না বাজতেই সবাই বাড়ির দিকে রওনা দেয়। একে অপরকে গুড নাইট বলে। অনুপমার কথা ওদের খেয়ালও থাকে না। সত্যি কথা বলতে, অনুপমার তাতে সুবিধাই। নিজেকে আড়ালে রাখতে ও ভালবাসে। না হলে এত বড় একটা অফিসে একটানা পাঁচ বছর কাজ করার পরেও কোনও বন্ধু হয় না ওর! একা মানুষের জীবনটা অসহনীয় হত। অনুপমা ব ... ...

আমি খেলা-টেলা তেমন দেখি না, কিন্তু কাল বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে একটা লেখা আমার নজর কাড়ে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়, মানুষ ফুটবলারদের বা অন্য কোন ক্রীড়াবিদদের বেলায় কাপ জেতাকেই এত বেশি মূল্য দেয় কেন? অন্যান্য জায়গায় খেলোয়াড়রা কতটা ভাল খেলছে, তার ওভারল পারফরমেন্স কেমন হচ্ছে সেদিকে তারা দেখছেই না... এমনটা হচ্ছে কেন?মেসির কথাই ধরা যাক, দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারছেন না বলে তাকে নিয়ে কতই না আলোচনা সমালোচনা চলছে, অথচ দলের বাইরে তার পারফরমেন্স প্রশ্নাতীত। এই তালিকায় পাওয়া যাবে ফুটবল গ্রেট ডি স্তেফানো, ইয়ো ... ...

একশাফাকাত আলী অনেক আগে গ্রাম ছেড়েছিলেন। এখন ষাটোর্ধ্ব বয়সে তিনি আবার গ্রামে ফিরলেন। না ফিরে উপায় ছিল না। শহুরে দুনিয়ার অবস্থা ভালো না। যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি চারিদিকে। বিশ্ব পরিস্থিতিও খারাপ, একেক দেশ তাদের মানববিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে উন্মত্ত শিং উঁচানো ষাঁড়ের মতো লাফাচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন আরেকটা বড় যুদ্ধ এবার হবেই। শাফাকাত আলী ভয়ে ফিরে এসেছেন প্রত্যন্ত গ্রামে এমন ভাবার কোন কারণ নেই। ভয়ে তিনি আসেন নি। এসেছেন সামাজিক ও পারিবারিক অমানবিকতায় ক্ষুব্ধ হয়ে। তার পুত্র কন্যা সবাই বিদেশ ... ...

বাণী বসু অলকানন্দা রায়রা খুব চিন্তিত। তার সাথে আনন্দবাজার। এবং আমরা। গৃহশ্রমিক (মানে কাজের লোকেরা) ইউনিয়ন বানিয়েছে। এইবার শুরু হবে গৃহস্থদের হয়রানি। এই কাজের লোকগুলো মাসে চার দিন ছুটি দাবী করেছে। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে একদিন। যেমন আমার আপনার থাকে আর কি। বাণী বসু তাতে খুব চিন্তিত। কেন না এই কাজের লোকগুলো না বলে কামাই করে খুব ফ্যাসাদে ফেলে। হক কথা। না বলে কামাই করবে কেন? বলেই তো ছুটি নিতে পারে। সি এল, ই এল, মেডিক্যাল লীভ তো আছেই। শরীর খারাপের অজুহাত ... ...

খুব সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে পাওয়া গেছে এক অবাক করা সাফল্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এরকম একটি ক্যান্সার প্রতিষেধক কে ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া গেছে। আর তাই এখন একে মানুষের উপর প্রয়োগ করার চিন্তা করা হচ্ছে। এই বছরেরই ৩১ জানুয়ারিতে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এর গবেষকগণ ইঁদুরের উপর সেই ক্যান্সার প্রতিষেধক প্রয়োগের ফলাফলটি সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশ করেন। আমরা জানি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে রক্তের যে কোষ জড়িত তার নাম শ্বেত রক ... ...