• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • সাম্প্রদায়িক আমি!

    Muhammad Sadequzzaman Sharif লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৩ জুলাই ২০১৮ | ৬৪৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ছোটবেলা থেকেই হিন্দু বাড়ির অন্দরমহলে সহজেই ঢুকে যেতাম। বেশি ছোট বেলায় কেউ কিছু মনে করছে কিনা তা বুঝতেই পারতাম না। একটু বড় হলে বুঝতে পারি আমার হুট হাট করে বাড়ির মধ্যে ঢুকে যাওয়াতে হয়ত উনাদের সমস্যা হচ্ছে। ভুলে খেয়ে ফেলতাম যা মনে হত তা। আবার আরেকদিন বেমক্কা গিয়ে হাজির হতাম। প্রশ্রয় ছিল বেশ ভাল ভাবেই, আর তাই আমার যা ইচ্ছা তা বা যখন ইচ্ছা তখন হুট করে কারো বাড়িতে হাজির হতে বিন্দুমাত্র ভাবতে হয়নি।

    আমার বাড়ির অগ্রজদের দেখতাম হিন্দুদের মত করেই মুরুব্বীদের মাসি, পিসি বলে ডাকতে। আমি সেসব ঝেড়ে ফেলে দিলাম। ততদিনে অতি কমন শব্দ আন্টি আংকেল শিখে গেছি আমি। সবাই আন্টি, সবাই আংকেল, ডাকা ডাকি নিয়ে ঝুট ঝামেলা একেবারেই শেষ। আজো আন্টি ডেকে চলছি, মাসি পিসি আর ডাকা হয়নি আমার।

    হিন্দু পরিবারে যাওয়া খাওয়া নিয়ে আমাদের বাড়ি থেকে খুব বেশি একটা বাধা পাইনি কখনো। কিন্তু আমি জানতাম ছোট থেকেই এভাবে মিশে যাওয়াটা একটু ভিন্ন রকমের কাজ। বাড়ি থেকে বা মুসলিম সমাজ থেকে প্রায়ই যেটা বলার চেষ্টা ওরা হত তা হচ্ছে হিন্দু পরিবারে কিছু খাওয়া যাবে না। কারন? হিন্দুরা খাবারে গোবর মিশিয়ে খায়!! ছোট ছিলাম কিন্তু বোগাস কথা চিনতে কষ্ট হয়নি আমার। এঁড়ে তর্ক করার বয়স হওয়ার পর তর্ক করেছি। তর্ক করতে গিয়ে জানলাম অন্য আলাপ। ঠিক গোবর না, গোবর বলে বাচ্চাদের কে দূরে রাখা হয় হিন্দু বাড়ির খাওয়া থেকে।আসল সমস্যা হচ্ছে হিন্দুরা তাদের যে খাবার দেব দেবীদের উৎসর্গ করে খায়, তা আমাদের খাওয়া যাবে না। কিন্তু আমার সময় কই কোন খাবার দেবতার ভোগ থেকে এসেছে না এসেছে তা খোঁজার? অত হিসেব যদি আমার করতে হবে তাহলে খাবার দাবাড়ের প্রতি একটু লোভ কম তৈরি করে দিলেই হত!! আমি তো দেখেই ঝাপ দেওয়া লোক। নারিকেলের তক্তি, তিলের নাড়ু, সন্দেশ চিড়ার মোয়া এসব দেখে আমি বুঝি হিসেব করব কোনটা আমার খাওয়া যাবে না আর কোনটা খাওয়া যাবে!! তেমন ছেলে আমি?

    যত বড় হলাম তত চোখে দেখার বাহিরে ভিন্ন কিছু দেখতে শিখলাম। বুঝলাম অনেকেই পছন্দ করে না আমার হিন্দু বন্ধুদের সাথে অবাধ বিচরণ। পরিবার থেকে শুরু থেকেই তেমন বাধা পাইনি তা বললামই। আমাদের বাড়িতেই সম্ভবত একদম হিন্দু বাড়ির পূজার খাবার আসত আর সবাই মিলে খাওয়াও হত। আব্বা পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া লোক, কিন্তু তিনিও খেতে অস্বীকার করেনি কোনদিন।এর কারণও ছিল অবশ্য। কাজলদার মা, যাকে মামি ডাকি( ওহ! তিনি কিন্তু আন্টি হোন নাই, আজো তো মামিই ডাকি!) তিনি খাবার দিয়ে যাওয়ার সময় বলে যেতেন যে আমাদের বাড়ির জন্য আলাদা করে রান্না করেছেন তিনি।এর সাথে পূজার প্রসাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা বিশ্বাস করতাম, করে খেয়ে নিতাম। তাই আমার কোনদিন তেমন চিন্তা হয়নি এসব নিয়ে।

    সঞ্জয় আমার এত কাছের বন্ধু ছিল যে আমারা দুই ভাই ছিলাম যেন। ও একদিন খাসির মাংস খাওয়াবে বলে নিয়ে গেল ওদের বাসায়।স্পেশাল রান্না, প্রেশার কুকারে রান্না করতে করতে খাসির হাড় একদম আলুর মত নরম করে ফেলা হবে, সেটা দুইজনে মিলে খাওয়া হবে। মাংস কতটুকু এনেছিল বাজার থেকে জানি না, শুধু জানি দুই জনে মিলে জীবনের সেরা খাওয়া খেয়েছিলাম সেবার। আমার একবারের জন্য বা এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি এই বাড়িতে এভাবে খাওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা। তেমন ভাবলে হয়ত সঞ্জয় অবাক হয়েই মারা যেত। আমি একটু ভোজন রসিক ছিলাম বলে এগুলা খেয়াল করিনি না একটু হলেও বুঝতে শিখেছিলাম সঞ্জয় আর আমার মাঝে তফাৎ আসলে কিছু নেই? কে জানে? আগে ওসব চিন্তাই করিনি কোনদিন।

    বড় ধাক্কা খেলাম জীবনে হুট কর সঞ্জয় মারা যাওয়াতে। আমাদের শহর ছেড়ে তখন ওরা তখন চলে গেছে। সঞ্জয় মারা যাওয়ার পর আমি ওদের বাড়ি গেলাম। আন্টি খুব যত্ন করে আমাকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করলেন। আমি জানি উনি আমাকে খাওয়ানোর মাঝে কোন তৃপ্তি খুঁজে পাচ্ছেন। আমি উনার দিকে তাকিয়ে যেমন করে বলছেন তেমন করে খাচ্ছি। আমি যখন আমার মুসলমান নাম নিয়ে, মুসলমান পরিচয় নিয়ে একজন হিন্দু মায়ের কাছ থেকে খুব তৃপ্তি নিয়ে ভাত খাচ্ছি ঠিক তখন বাহিরে একজন ফকির ভিক্ষার জন্য আসল। ভিক্ষা দেওয়ার পর আন্টি হুট করে জিজ্ঞাস করলেন, ভাত খাবে কিনা। ফকির রাজি হওয়াতে তিনি ফকিরের জন্য খাবার বাড়তে গেলেন। হুট করে সঞ্জয়ের ছোট ভাইকে জিজ্ঞাস করলেন, দেখ তো অপু বলে, হিন্দু বাড়িতে খাবে কিনা? আমি হোঁচট খেলাম খেতে খেতে। আন্টি খেয়াল করেও কিছু বললেন না। আমাকে চমকে দিয়ে মহামান্য ফকির উঠে চলে যাচ্ছিলেন!! পেটে খিদা কিন্তু হিন্দু বাড়িতে খাবে না। আন্টি বললেন, আমি জানি, হয়ত খাবে না, তাই আগেই জিজ্ঞাস করলাম। তিনি দশটা টাকা দিলেন ফকির কে। আমি খাওয়ায় মনোযোগ দিলাম আর চিন্তা করলাম, হায় ধর্ম, হায় পেট, হায় জাত….

    তবে আমার মত ব্যক্তিকেও বিপদে পড়তে হয়েছিল। অবাধ বিচরণ করতে করতে আমাদের এলাকা ছেড়ে বহু দূরে গিয়ে হাজির হলাম। একেবারে বরিশাল। সারা দিনের যাত্রা জনিত ধাক্কায় পেটে চরম খিদা। বরিশাল হচ্ছে মাছের দেশ। মাছ খেয়ে উজাড় করে দেওয়ার প্ল্যান মোটামুটি পাকা আমার। দুই তিনদিনে টান ফালিয়ে দিব মাছের রাজ্যে এই চিন্তা করে যখন খেতে বসেছি তখন শুনলাম অদ্ভুত এক কথা। কি, উনারা তরকারীতে পেয়াজ খান না!! আমি অত উঁচু আকাশ থেকে পড়লাম যে কি বলব আর! বুঝে উঠতে পারছিলাম না উত্তর কি দেব। আমতা আমতা করে বললাম, আমার কোন সমস্যা নাই, আমার সব চলে। বললাম কারন আমি জানিই না পেয়াজ ছাড়া তরকারী খেতে কেমন! ভাবলাম হবে এক রকম, আমার কি? আমি তো সব ফিনিশ করে দিব এক্ষণ, মাছই তো, মাছ বই ভিন্ন কিছু তো আর না। কিন্তু হায়! আজন্ম পেয়াজ খাওয়া মুখে যে পেয়াজ ছাড়া তরকারী এমন লাগবে তা কে ভেবেছিল? তরকারীতে দেখা যায় না এমন একটা জিনিস যে স্বাদের ক্ষেত্রে এত বড় ভূমিকা রাখে সে সম্পর্কে আমার যদি আগে জানতাম!!! এও যেন আরেক ধরনের নুন, দেখা যায় না কিন্তু না থাকলে আর খেয়ে উপায় নেই। দুই দিন ছিলাম, আন্টি মাছ ভেজে খাওয়ানোর চেষ্টা করেছে যতবার ততবার আমি তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছি। কিন্তু মেহমানদারি করতে গিয়ে যখন মাছ মাংস আরও কি কি জানি করলেন, তার নাম আর স্বাদের কথা চিন্তা করলে এখনো কোথায় জানি একটা গুডুরমুটুর শুরু হয় যায়। সেবারই আমি কারো আপ্যায়ন থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিলাম।

    একটা সময় ছিল যখন হিন্দুরা ছুঁয়াছুঁয়ি নিয়ে, খাবার দাবার নিয়ে খুব শুচিবাই ছিল। কিভাবে জানি তা এসে হাজির হল মুসলিম সমাজে। বাতাস পরিবর্তন? হবে হয়ত, এখন উল্টো হাওয়া বইছে বলেই এমন কথা কইছি হয়ত। হাওয়া বদলালে আমরাও বদলাব হয়ত। আমি হয়ত পেঁয়াজ ছাড়া খাওয়া শিখে যাব( শুধু শুধু বললাম, ও আর হবার নয়!), কেউ প্রশ্ন তুলবে না হিন্দু বাড়িতে খাও কেন বলে, হয়ত হাওয়া এমন ভাবে বইবে আমরা হিন্দু মুসলিম পরিচয়ের আগে নিজেদের মানুষ বলে চিনব। তার আগে আমরা সংযত হই, আমরা নম্র হই, আমরা ভালবাসতে শিখি আর বিশ্বাস করি যে একদিন বাতাস বদলাবেই।
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৩ জুলাই ২০১৮ | ৬৪৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | 340112.231.126712.74 (*) | ০৬ জুলাই ২০১৮ ০৯:১৬65066
  • "প্রায়ই যেটা বলার চেষ্টা ওরা হত তা হচ্ছে হিন্দু পরিবারে কিছু খাওয়া যাবে না। কারন? হিন্দুরা খাবারে গোবর মিশিয়ে খায়!!"

    এই মিথ্যে প্রচার স্কুলের নীচের ক্লাসে থাকতে আমিও শুনেছিলাম। পরে বাসায় এসে বাবাকে (আজিজ মেহের, প্রবীন কমিউনিস্ট নেতা, গত বছর প্রয়াত), জিজ্ঞেস করে জানলাম "এটি নোংরা কথা"; " হিন্দুদের অপমান " করার জন্য বলা হয়।

    হিন্দু-মুসলিম বিভেদকামী আরেকটি সাম্প্রদায়িক ছড়া স্কুল লাগোয়া বিহারী ক্যাম্পের বস্তিতে শুনেছিলামঃ

    "হিন্দু হিন্দু তুলসি পাতা,
    হিন্দুরা খায় গরুর মাথা!"

    এইভাবে শিশুকাল থেকে অবচেতনে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় উগ্রতার বিষ, সাম্প্রদায়িক বিভেদ!

    লেখাটি ভাল লাগলো। শুধু বাতাসের বদল নয়। বরং ঝড় উঠুক, সব গ্লানি, ক্লেদ, ধর্মের আগাছা উপড়ে নিয়ে যাক।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন